হে আল্লাহ, হে দয়াময়, তোমার হাজার শোকর তুমি এ রমজান পর্যন্ত বাচিঁয়ে রেখেছো এবং তোমার মেহমান হবার সুযোগ দিয়েছো । আমার পাপের অন্ত নাই।সীমা নাই। যত পাপ করেছি জেনে, তার চেয়ে বেশি করেছি না জেনে।তারপর যখন বুঝতে পেরেছি তখনও ভান করেছি কোন পাপ কবিনি। হে রহমান, হে রহিম, হে গাফফার আমার সকল অহংকারকে ক্ষমা করো। আমার সকল রিপুর তাড়নায় আমি যত পাপ করেছি তা ক্ষমার অযোগ্য। প্রভু হে ক্ষমা করো। ক্ষমা করো। তোমার প্রেমাস্পদের ওসিলায় ক্ষমা করো। তোমার কুরআন মজিদের ওসিলায় ক্ষমা করো। এ পবিত্র মাস যখন কুরআন নাজিল হয়েছিল এর ওসিলায় ক্ষমা করো। হে মহান, হে পবিত্র, আমাদের সকলকে ক্ষমা করো। সকলকে তোমার মেহমান হবার যোগ্যতা অর্জনের তৌফিক দাও।আমাদের ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আর কোন গতি নাই।প্রভু, হে প্রভু আমাদের সকলকে ক্ষমা কর, ক্ষমা কর।
Harunur Rashid
My page is exclusive for those who are interested in my autobiographical fiction, Also those who are interested in self-reform agenda and sufi poetry.
গতকাল ২৮ ডিসেম্বর আমার জন্মদিনে যাঁরা আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞতায় অবনত। আপনাদের ভালবাসায় আমি আপ্লুত। আপনাদের জন্য রইলো আমার অশেষ শুভকামনা। আপনাদের জীবন সুন্দর হোক, সমৃ্দ্ধ হোক এবং আপনাদের অন্তরে স্থিত সত্তাটি পথচলার সাথী হোক এ কামনা।
যে নিজে যত সুন্দর, অন্যকে সে তত সুন্দর করে দেখতে পায়।
কিন্তু বিদ’আত আসে আলেমের পোষাক পরে। ইসলামকে সে সংস্কার করতে চায়।তাই ধর্মকে সে ’যুগোপযোগী’ করার জন্য কুরআনের নতুন মনগড়া ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করে।এ কারণেই বিদ’আত মুসলমানের জন্য কুফর ও শিরকের চাইতেও মারাত্মক।শিরক ও কুফরকে চেনা যায় কিন্তু ধর্মের শিক্ষা ও অনুশাসন সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব থাকলে বিদ’আতকে চেনা যায় না।ধর্মের লেবাস পরে আসে বলে এর সঙ্গে যুদ্ধ করাও কঠিন।
সৈয়দ রশীদ আহমেদ জৌনপুরি (রহ)
সংলাপ সমগ্র, ২০১৫ পৃ ১৪৩
20/11/2023
বাংলা একাডেমি প্রকাশিত হবে শিগগিরই। মাহবুব উল আলমের কালজয়ী উপন্যাস মোমেনের জবানবন্দীর ইংরেজি অনুবাদ।তরজমা করেছেন লীলা রায়।
04/11/2021
মনকে সুস্থ রাখতে হলে অবিরাম পরিমার্জনা করতে হয়, পবিত্র রাখার প্রার্থনা অনিঃশেষ করে যেতে হয়।মনের পরিমার্জনার উপায় হচ্ছে জিকির বা স্মরণ, আর পরিত্রতা চেষ্টায় অর্জন করার জিনিস নয়।ওটার জন্য প্রতিনিয়ত তাঁর কাছে চাইতে হয় যিনি নিজে সুন্দর এবং পবিত্র।
31/10/2021
আপনাদের সঙ্গে কথা হয় না বলে কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ চাই।আসলে আজকাল শরীরও কুলায় না, সময়ের সাথেও পেরে উঠি না।আপনারা সবাই ভাল থাকবেন। মাঝে মাঝে লিখবো।
আসলে এই কোভিড সমস্ত পৃথিবীটাকে এলোমেলো করে দিয়েছে।আমাদের সব বন্ধন আলগা করে দিয়েছে।আমাদের জীবন জীবিকা সবই বদলে গেছে, বদলে যাচ্ছে -আমরা অসহায়ের মতো কেবল তাকিয়ে দেখছি।
গত বছর আমার একটা ইংরেজি কবিতার বই বের হয়েছে - ME BEFORE ME AND OTHER POEMS. পাঠক সমাবেশ, শাহবাগে পাবেন। পাঠক সমাবেশ বিডি তে যোগাযোগ করলে আমার বই সম্পর্কে খবরাখবর পাবেন । সবাই ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।
জীবন চলতেই থাকে, কারো জন্য থেমে থাকে না। এই রূঢ় সত্যটাকে মেনে নেয়াই শ্রেয়।
জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না।এটাই নির্মম সত্য।
একটি জরুরি আবেদন: আমরা প্রতি বছরের মতো্ে এবারও কিছু শীতবস্ত্র্ সৈয়দ রশীদ আহমদ মিশন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত অন্চলে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।আশা করি আপনারাও এ মানবিক পদক্ষেপে আমাদের সাথে থাকবেন।
নিম্নে বর্নিত একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারেন। সুদমুক্ত মানবিক সংগঠন বিধায় আপনাদের যাকাতের টাকাও দান করতে পারেন:
DUTCH-BANBLA BANK LIMITED
A/C NAME :SYED RASHID AHMED MISSION FOUNDATION
A/C NO 103. 101.15210
BIKASH NO : 01670195752
আশা করি আগামি ১৫ দিনের মধ্যে আপনাদের দানের টাকা আমরা পেয়ে যাব
মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ
সাধারণ সম্পাদক,
সৈয়দ রশীদ আহমদ মিশন ফাউন্ডেশন
৯৪, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা ১০০০
বহুদিন ধরেই ভাবছি লিখবো দু’জন কবির কথা। দুজনেই মহিলা। দুজনেই লিখেছেন আঞ্চলিক ভাষায়।এখনো লিখছেন।আজ লিখবো নিউইয়র্ক প্রবাসী মুক্তা মাহমুদার কথা। আঞ্চলিক ভাষায় কাব্যভাষা সৃষ্টির কথা বলতে গেলে প্রথমেই মনে পড়ে আইরিশ কবি জে, এম সিঙের কথা। তার রচিত (১৯০৭) প্রে বয় অব দি ওয়েস্টার্ন ওয়ার্লড আয়ারল্যান্ডের আঞ্চলিক ভাষাকে দিয়েছে কাব্যভাষার মর্যাদা।মুক্তা মাহমুদা লিখেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, সিলেট (দক্ষিণাংশ) কুমিল্লার অংশ বিশেষের আঞ্চলিক ভাষায়।শব্দগুলোকে তিনি চয়ণ করেছেন তাঁর কাব্যের বিষয়বস্তুকে জীবন্ত করে তোলার জন্য।প্রেম, ভালোবাসা, নিসর্গ, আধ্যাতিকতা, প্রথম যৌবনের দিকে ফিরে তাকানো, এ সবই মূর্ত হয়েছে তিতাস পারের এই কবির ভাষার যাদুতে।বলাবাহুল্য নস্টালজিয়া তাকে তাড়িত করে, প্রবাস জীবনের প্রকৃতিও সেখানে অনুপস্থিত নয়। ফিরে দেখা তার কবিতার একটা প্রধান বৈশিষ্ট্য।গ্রামের সাধারণ
মানুষের জীবনের সুখদুঃখ, হাসিকান্না, কুসংস্কার, নতুন ধানের চাল দিযে রাঁধা ভাতের সুবাস হয়ে আমাদের নান্দনিক অনুভূতিকে আপ্লুত করে।আর কথা না বাড়িয়ে এবার বইমেলায় প্রকাশিত ‘মাটির সেতার, বই থেকে একটা উদ্ধৃতি দিলেই আমার বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করে নেওয়া যাবে।
ফকফকা চান্নিতেও ঘরের খিলেে আইন্ধার নামে্।হোন্দা-মেন্দির বুরপারানির / দিনে ময়না পাখি কইলজ্যায় ছটীফট করে। ময়না কান্দে জনমের কান্দন।/ বাউরি বাতাসে নিমফুলের ঘেরান। তয় ক্যান মন কান্দে, ক্যান।
পুবের ভিটায় মাইঝরাতে ভূতের আসর নামে, ছম ছম করে গতর। বেফানা মন।/ লগে আমার কেউ নাই, কুন্তা নাই। এমন তো কথা ছিল না রে ময়না। এমন/ তো কথা ছিল না।
উজাই ক্ষেতে নয়া পানির ঢল। জিয়লের ঝোল আর কলাপাতার ভাত। নিশি/ রাইতে
নোলক খোয়াব। খালি তরে দেহি,,,তরে দেহি। সোনামুখী না্ইয়র, / পিতলের আয়নায় চান্দের আলো, বড়ই সোন্দর!
শাদির রাইতে সোহাগী নাকফুল চেরাগের বাত্তিতে কেমন চিকচিক করছিল, মনে / আছে ময়না। হাটবারে গঞ্জের গামছা, ছিটকাপড়ের ব্লােউজ,আর এক পুটুলি/ মুরালির দিন ক্যামতে যায় ক্যামতে যায়।
আমার লাইগ্যা তর পরান পোড়ে না ময়না। পোড়ে না।
ক্যামতে বদল অয় মন, ক্যামতে...
’তুমি কোনবা দেশে রইলা রে দয়াল চান/
তোমায় না দেখলে বাঁচে না আমার প্রাণ’
’মাটির সেতারে’ মাহমুদার ৫৮টি কবিতার মেজাজ পাঠককে নিয়ে যায় দূর বাংলার অন্তরের গহীনে। আর নতুন কিছু দ্যূতিময় শব্দ তাকে বিমোহিত করে। অবশ্য কোন কোন পাঠককে আঞ্চলিক ভাষার অভিধান হাতরাতে বাধ্য করবে সেটা জানি। তবু এ কবিতাগুলো সদ্য তুলে আনা নতুন মুক্তা যা পাঠককে মুগ্ধ করবেই। মাহমুদার আরো দুটি বই আছে - তিতাস পেরুলেই বাউলঘর (স্মৃতিকথা), এবং ম্যাপল ছুঁযেছে মৌটুসী ভোর (কাব্যগ্রন্থ)।
মুক্তা মাহমুদা করোনার এপি সেন্টারে বসবাস করছে। আমরা তাঁর কল্যাণ কামনা করি।মাহমুদা আমাদের একজন প্রথম সারির কবি। একথা আমি নিদ্বির্ধায় বলি এবং বিশ্বাস করি।
পাশের বাড়ির দিদির কাছ থেকে সারা ভারতের যেমন তেমনি আমাদেরও কিছু শেখার আছে।তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1209