15/04/2024
অসীম অজুহাত দেখিয়েছি জীবনে অথচ এদের জীবন কাহিনী পড়লে নিজের মধ্যেই অপরাধ বোধ জেগে ওঠে। যদি অজুহাত না দেখিয়ে একটু সিরিয়াস হতাম...!!
সময় থাকলে পড়তে পারেন। আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন।একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!দিদিমার নিজের চলাই দায়
উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।
কিন্তু কোথায় যাবে মা?অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।
আবার বিয়ের পিঁড়িতে তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!বাবা ছিলেন উদাসীন তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!
টিউশনি শুরু করলাম তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন। মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।
জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।চোখের জল ফুরাত না
জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।ভেবেছিলাম আর হবে না ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয় অবশেষে ঘর ছাড়লাম এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।এবার ভর্তিযুদ্ধে এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে। মা তখনো কাঁদছিলেন আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!
সূত্র: কালের কণ্ঠ
24/05/2023
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার বি ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাস ৫৬.৩১%
গত শনিবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত গুচ্ছের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
05/01/2022
█▒▒▒ সর্বশেষ/Just In ▒▒▒█
**আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার আসন কমানোর সুপারিশ ডিন কমিটির
02/11/2021
█▒▒▒ সর্বশেষ/Just In ▒▒▒█
** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করেছে ৭ হাজার ১২ জন; পাশের হার ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
31/08/2021
✴️ ব্রেকিং নিউজ ✴️
মেধা_তালিকা_প্রকাশ_সংক্রান্ত
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক(সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে বিষয়ভিত্তিক ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ ও কলেজ কর্তৃক চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চয়ন সম্পর্কিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিঃ
👉 আগামী ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বিকাল ৪ টায় ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে।
➡️ উক্ত ফলাফল জানতে SMS করবেনঃ
(nuathnroll no টাইপ করে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।)
➡️ রাত ৯ টা থেকে অনলাইনে যেভাবে ফলাফল চেক করবেনঃ
👉 উক্ত ওয়েবসাইট(http://app5.nu.edu.bd/nu-web/applicant/home.action)-এ আপনার আবেদনের Admission Roll No. ও PIN(আবেদন ফর্মে পাবেন) দিয়ে লগইন করলে ফলাফল প্রদর্শিত হবে।
✅ ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে ০১/০৯/২০২১ থেকে ১১/০৯/২০২১ তারিখের মধ্যে।
***ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত স্ব স্ব কলেজ নোটিশ দিয়ে জানাবে। কলেজ নোটিশ অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে***
25/08/2021
গুচ্ছের প্রাথমিক সিলেকশনের রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে।
সবাই নিচের লিংকে গিয়ে দেখে নাও
GST | Admission
15/07/2021
█▒▒▒ ব্রেকিং/Breaking ▒▒▒█
** ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হবে এইচএসএসি পরীক্ষা।
**এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে।
** অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করা হবে।
** এসএসসিতে গ্রুপভিত্তিক বিষয় মূল্যায়ন হবে: শিক্ষামন্ত্রী।
** এসএসসিতে আবশ্যিক বিষয়ের মূল্যায়ন হবে না।
12/07/2021
জেনে নিতে পারেন বাংলাদেশের জনসংখ্যা সংক্রান্ত সবশেষ তথ্য।
12/07/2021
ব্রেকিং নিউজ
সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন ২৬০০০ হাজার শিক্ষার্থী।
01/03/2021
রাবির ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৪ জুন ২০২১ তারিখে C ইউনিট
১৫ জুন ২০২১ তারিখে A ইউনিট ও
১৬ জুন ২০২১ তারিখে B ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিদিন ৩ শিফটে সকাল ৯:৩০ থেকে ১০:৩০ মিনিট; দুপুর ১২ থেকে ১টা ও বিকেল ৩ থেকে ৪টা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসঙ্গত, ভর্তির জন্য অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ৭ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১৮ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।
প্রাথমিক আবেদন বাছাই শেষে ২৩ মার্চ বেলা ১২টা থেকে ৩১ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত চূড়ান্ত আবেদন করা যাবে।
ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য www.ru.ac.bd
01/03/2021
টেকনিকসহ একাধিক তথ্য মনে রাখার সহজ উপায় -
কোন ফলে কোন এসিডঃ
১.লেবু --------সাইট্রিক এসিড।
২.আপেল-------ম্যালিক এসিড।
৩.তেতুল-------টারটারিক এসিড।
৪.পেয়ারা-------এসকরবিক
এসিড।
৫.আমড়া----এসকরবিক
এসিড।
৬.টমেটো----মলিক এসিড।
৭.কমলা-----এসকরবিক
এসিড।
৮.কামরাঙ্গা---এসকরবিক
এসিড।
৯.আমলকি-------অক্সালিক
এসিড।
১০.আঙ্গুর------টারটারিক
এসিড
পূর্তি উদযাপনঃ
২৫ বছর -রজত জয়ন্তী
৫০ বছর -সুবর্ণ জয়ন্তী
৬০ বছর-হীরক জয়ন্তী
৭৫ বছর-প্লাটিনাম জয়ন্তী
১০০ বছর -শত বর্ষ
১৫০ বছর-সার্ধশত বর্ষ
২০০ বছর-দ্বি-শত বর্ষ
***বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত ৭ টি জেলা-
(টেকনিক: মাগুরার জয়রাজ লাল চুয়ানি খেয়ে গাজি সিরাজ হবে)
মাগুরার=মাগুরা
জয়=জয়পুরহাট
রাজ=রাজশাহী
লাল=লালমনিরহাট
চুয়া=চুয়াডাঙ্গা
গাজি= গাজিপুর
সিরাজ= সিরাজগঞ্জ
১। জীব বিজ্ঞানের জনক→এরিস্টটল
২। প্রাণী বিজ্ঞানেরজনক→ এরিস্টটল
৩। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক→ জাবির ইবনে হাইয়ান
৪। পদার্থ বিজ্ঞানের জনক→ আইজ্যাক নিউটন
৫। সমাজ বিজ্ঞানের জনক→অগাষ্ট কোঁৎ
৬। হিসাব বিজ্ঞানের জনক→ লুকাপ্যাসিওলি
৭। চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক→ ইবনে সিনা
৮। দর্শন শাস্ত্রের জনক→ সক্রেটিস
৯। ইতিহাসের জনক→ হেরোডোটাস
১০। ভূগোলের জনক→ ইরাটস থেনিস
১১। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক→ এরিস্টটল
১২। অর্থনীতির জনক→ এডাম স্মিথ
১৩। অংকের জনক→ আর্কিমিডিস
১৪। বিজ্ঞানের জনক→ থ্যালিস
১৫। মেডিসিনের জনক→ হিপোক্রটিস
১৬। জ্যামিতির জনক→ ইউক্লিড
১৭। বীজ গণিতের জনক→ আল - খাওয়াজমী
১৮। জীবাণু বিদ্যার জনক→ লুই পাস্তুর
১৯। বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক→ চার্লস ডারউইন
২০। সনেটের জনক→ পের্ত্রাক
২১। সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক→ হার্বাট স্পেন্সর
২২। বংশগতি বিদ্যার জনক→ গ্রেগর জোহান মেনডেল
২৩। শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক→ কারোলাস লিনিয়াস
২৪। শরীর বিদ্যার জনক→ উইলিয়াম হার্ভে
২৫। ক্যালকুলাসের জনক→ আইজ্যাক নিউটন
২৬। বাংলা গদ্যের জনক→ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর
২৭। বাংলা কবিতার জনক→ মাইকেল মধুসুদন দত্ত
২৮। বাংলা উপন্যাসের জনক→ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৯। বাংলা নাটকের জনক→ দীনবন্ধু মিত্র
৩০। বাংলা সনেটের জনক→ মাইকেল মধু সুদন দত্ত
৩১। ইংরেজী কবিতার জনক→ খিউ ফ্রে চসার
৩২। মনোবিজ্ঞানের জনক→ উইলহেম উন্ড
৩৩। বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক→কাজী নজরুল ইসলাম
৩৪। বাংলা চলচিত্রের জনক→ হীরালাল সেন
৩৫। বাংলা গদ্য ছন্দের জনক→ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
#বাংলা_সাহিত্য #
একই নামের কিছু সাহিত্য যা সব সময়ই কনফিউশন তৈরি করে তাই এগুলো ভালোভাবে দেখে রাখা প্রয়োজন।
** একাত্তরের দিনগুলি- ডায়েরি > জাহানারা ইমাম
** একাত্তরের ডায়েরি- স্মৃতিকথা > বেগম সুফিয়া কামাল
* একাত্তরের নিশান- > রাবেয়া খাতুন
* একাত্তরের বর্ণমালা- এম. আর. আখতার মুকুল
* একাত্তরের রণাঙ্গন- শামসুল হুদা চৌধুরী
* একাত্তরের বিজয় গাঁথা- মেজর রফিকুল ইসলাম
* একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির
** একাত্তরের চিঠি- মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন > গ্রামীণফোন-প্রথম আলো কর্তৃক প্রকাশিত
** মরুভাস্কর- কাব্যগ্রন্থ > কাজী নজরুল ইসলাম
** মরুভাস্কর- প্রবন্ধ > মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
* মরুশিখা- কাব্যগ্রন্থ > যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
* মরু মায়া- কাব্যগ্রন্থ > যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
* মরুসূর্য- কাব্যগ্রন্থ > অ. ন. ম. বজলুর রশীদ
* মরুচন্দ্রিকা- কাব্যগ্রন্থ > কাজী কাদের নেওয়াজ
* মরুদুলাল- গদ্যগ্রন্থ > গোলাম মোস্তফা
* মরুকুসুম- উপন্যাস > শাহাদত হোসেন
**
-সঞ্চিতা- কাব্যগ্রন্থ > কাজী নজরুল ইসলাম
-সঞ্চয়িতা- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-সঞ্চরণ- প্রবন্ধ > কাজী মোতাহার হোসেন
*
-রজনী- উপন্যাস > বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-রজনী- উপন্যাস > হুমায়ূন আহমেদ
**
-গল্পগুচ্ছ- গল্পগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-গল্পসল্প- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-গল্পবীথি- গল্প > প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
-গল্পাঞ্জলি- গল্প > প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
**
-স্পেনবিজয় কাব্য- মহাকাব্য > সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
-স্পেন বিজয়ী মুসা- নাটক > ইব্রাহিম খলিল
-শ্রীকৃষ্ণ বিজয়- নাটক > মালাধর বসু
-ধর্ম বিজয়- নাটক > রামনারায়ণ তর্করত্ন
-সিন্ধু বিজয়- নাটক > আকবর উদ্দীন
-গোরক্ষ বিজয়- কাব্যগ্রন্থ > শেখ ফয়জুল্লাহ
*রসুল বিজয়- কাব্যগ্রন্থ > সরদার জয়েন উদ্দীন
*
-বেদান্ত গ্রন্থ- --- > রাজা রামমোহন রায়
-বেদান্ত সার- --- > রাজা রামমোহন রায়
-বেদান্ত চন্দ্রিকা- --- > মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
***
-জননী- উপন্যাস > মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
-জননী- উপন্যাস > শওকত ওসমান
**
-গীতাঞ্জলি- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-গীতালি- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-গীতবিতান- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-গীতিগুচ্ছ- কাব্যগ্রন্থ > সুকান্ত ভট্টাচার্য
**
-আরণ্য জনপদে- প্রবন্ধ > আবদুর সাত্তার
-আরণ্য সংস্কৃতি- প্রবন্ধ > আবদুর সাত্তার
-আরণ্যক- উপন্যাস > বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
-অরণ্য বহ্নি- উপন্যাস > তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
-অরণ্য গোধূলী- উপন্যাস > বন্দে আলী মিয়া
-অরণ্যে নীলিমা- উপন্যাস > আহসান হাবীব
-বিধ্বস্ত নীলিমা- কাব্যগ্রন্থ > শামসুর রাহমান
**
-শেষ লেখা- কাব্যগ্রন্থ > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-শেষের কবিতা- উপন্যাস > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-শেষ সপ্তক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-শেষরক্ষা- প্রহসন > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-শেষকথা- ছোটগল্প > রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-শেষ প্রশ্ন- উপন্যাস > শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-শেষের পরিচয়- উপন্যাস > শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-শেষ বিকেলের মেয়ে- উপন্যাস > জহির রায়হান
-শেষ পাণ্ডুলিপি- উপন্যাস > বুদ্ধদেব বসু
**
-দেয়াল- উপন্যাস > হুমায়ূন আহমেদ
-দেয়াল- উপন্যাস > আবুজাফর শামসুদ্দীন
***
-পদ্মগোখরা- গল্প > কাজী নজরুল ইসলাম
-পদ্মরাগ- উপন্যাস > বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ
-পদ্মাবতী- কাব্য > আলাওল
18/02/2021
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাঃ
অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা- (৮ মার্চ- ৩১ মার্চ)
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ-
ক ইউনিট (২১ মে)
খ ইউনিট (২২ মে)
গ ইউনিট (২৭ মে)
ঘ ইউনিট (২৮ মে)
চ ইউনিট ( ৫ জুন)
আবেদনের যোগ্যতা(এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আলাদাভাবে/ মোট জিপিএ)-
ক ইউনিট- জিপিএ ৩.৫/ মোট ৮.৫
খ ইউনিট- জিপিএ ৩/ মোট ৮
গ ইউনিট- জিপিএ ৩. ৫/ মোট ৮
ঘ ইউনিট- জিপিএ ৩/ মোট( মানবিক ও বাণিজ্য শাখার জন্য ৮, বিজ্ঞান শাখার জন্য ৮.৫)
চ ইউনিট- জিপিএ ৩/ মোট ৭
ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বণ্টন-
ক, খ, গ, ঘ ইউনিট- ( এমসিকিউ ৬০, লিখিত ৪০)
চ ইউনিট- (এমসিকিউ ৪০, লিখিত ৬০)
বিঃদ্রঃ- ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।