Qalam Wa Qirat

Qalam Wa Qirat

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Qalam Wa Qirat, Education Website, Dhaka.

ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা - সাশ্রয়ী মূল্যের এবং সম্পূর্ণ অনলাইন কুরআন শিক্ষার উৎস। এটি একটি অনলাইন একাডেমি যেটা বাস্তবিক মকতবখানা হিসেবে গন্য।শুধুমাত্র বাচ্চাদের এবং বোনদের জন্য। স্বপ্নপূরণ হবে এখন ঘরে বসে।

28/03/2026

🌙 দুনিয়ার জন্য বিনিয়োগ, কিন্তু আখিরাতের জন্য কী করছি?

বর্তমান সময়ে আমরা দুনিয়াবি শিক্ষার পেছনে যথেষ্ট ব্যয় করি—ভালো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং কিংবা অন্যান্য একাডেমিক প্রয়োজন—সবকিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত থাকি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, এগুলো আমাদের জীবনের উন্নতির জন্য জরুরি।

কিন্তু যখন কুরআন শিক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরকালের সফলতার বিষয় সামনে আসে, তখন অনেকেই সেটিকে গুরুত্বহীন মনে করি বা এতে খরচ করতে অনীহা প্রকাশ করি।

আমরা দুনিয়াবি শিক্ষাকে উন্নতির প্রধান মাধ্যম হিসেবে দেখি—এটি অবশ্যই সত্য। তবে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, কুরআন শিক্ষা কেবল আখিরাতের জন্য নয়; এটি দুনিয়ার জীবনকেও সঠিক পথে পরিচালিত করে। কুরআনের জ্ঞান আমাদের নৈতিকতা গড়ে তোলে, আখলাক সুন্দর করে এবং সঠিকভাবে জীবনযাপনের দিশা দেয়। অথচ এই মূল্য আমরা অনেক সময় উপলব্ধি করতে পারি না।

আজকের সমাজে কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব আগের তুলনায় কমে এসেছে। আমরা অর্থনৈতিক উন্নতি ও সামাজিক সম্মানের জন্য দুনিয়াবি শিক্ষার ওপর নির্ভর করি, কিন্তু কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে কতটা শান্তি, ভারসাম্য ও কল্যাণ আনতে পারে—সেটা আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিই না।

অনেকেই মনে করেন কুরআন শিক্ষা বিনামূল্যে হওয়া উচিত, কারণ এটি ধর্মীয় একটি বিষয়। কিন্তু যারা কুরআন শিক্ষা দেন—ইমাম, হাফিজ ও শিক্ষকরা—তারা তাদের সময়, পরিশ্রম ও জ্ঞান ব্যয় করেন, যা তাদের জীবিকার সাথে জড়িত। আমরা অন্য শিক্ষায় বিনিয়োগে দ্বিধা করি না, কারণ তা দুনিয়ার প্রয়োজন পূরণ করে। ঠিক তেমনই, কুরআনের শিক্ষা আমাদের আত্মিক উন্নতি ও আখিরাতের সফলতার জন্য অপরিহার্য।

ইসলামে জ্ঞান অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর কুরআনের জ্ঞান তার মধ্যে সর্বোচ্চ। নবী মুহাম্মদ (সা.) কুরআন শেখার ফজিলত সম্পর্কে আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন। একটি আয়াত শেখাও অসংখ্য সওয়াবের কারণ হতে পারে। তাই কুরআন শিক্ষা শুধু ইবাদত নয়—এটি আমাদের জীবনের আলোকবর্তিকা।

যদি আমরা কুরআনের সাথে নিজেদের যুক্ত করি, তাহলে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সবকিছুই সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। এটি এমন এক উন্নতি এনে দেয়, যা দুনিয়াবি সফলতার থেকেও অনেক বেশি মূল্যবান।

তাই আসুন—
আমরা দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি,
এবং দুনিয়ার পাশাপাশি কুরআনের জ্ঞানেও বিনিয়োগ করি।

09/03/2026

🌙 লাইলাতুল কদর — হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এক রাত।

রমজানের শেষ দশ রাত আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়গুলোর একটি। এই রাতগুলোর মাঝেই লুকিয়ে আছে সেই মহিমান্বিত রাত — লাইলাতুল কদর। এমন একটি রাত, যার মর্যাদা ও ফযিলত এত বেশি যে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন:

“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরাইল আ.) তাদের রবের অনুমতিতে প্রত্যেক বিষয় নিয়ে অবতীর্ণ হন। সে রাত শান্তিময় ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।”— (সূরা আল-কদর: ৩–৫)

ভাবুন তো, হাজার মাস মানে প্রায় ৮৩ বছরেরও বেশি সময়। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত, দোয়া ও আমল আল্লাহর কাছে ৮৩ বছরের ইবাদতের চেয়েও বেশি মূল্যবান হতে পারে। সুবহানাল্লাহ!

রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এই রাত খুঁজে নিতে বিশেষভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:

“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”— (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)

আরেকটি হাদিসে রাসূল ﷺ বলেছেন:

“তোমরা রমজানের শেষ দশ রাতের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।”— (সহীহ বুখারী)

এই রাতের সবচেয়ে সুন্দর দোয়া আমাদের শিখিয়েছেন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি আমি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই তাহলে কী দোয়া পড়ব? তখন রাসূল ﷺ বললেন:

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي“হে আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন

✨ তাই আসুন, এই শেষ দশ রাতকে অবহেলা না করি।
এই রাতগুলোতে আমরা চেষ্টা করি—

• বেশি বেশি নফল নামাজ পড়তে
• কুরআন তিলাওয়াত করতে
• তওবা ও ইস্তিগফার করতে
• দোয়া করতে
• আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে

হয়তো এই রাতগুলোর মাঝেই এমন একটি রাত আসবে, যা আমাদের পুরো জীবনের গুনাহ মাফের কারণ হয়ে যাবে এবং আখিরাতের সফলতার দরজা খুলে দেবে।

হয়তো এটাই সেই রাত…
যে রাতে আল্লাহ আমাদের তাকদীর বদলে দিতে পারেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদর পাওয়ার তাওফিক দান করুন, আমাদের গুনাহ মাফ করে দিন এবং আমাদের দোয়াগুলো কবুল করুন।
আমীন। 🤲

03/02/2026

শবে বরাত হলো মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের এক বিশেষ রাত।
এই পুণ্যময় রজনীতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অগণিত মানুষকে ক্ষমা করেন। এটি কেবল একটি রাত নয়, বরং আমাদের জীবনকে নতুন করে সাজানোর এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ফিরে আসার এক শুভ সূচনা।🤎

​এই মহিমান্বিত রাতকে ফলপ্রসূ করতে আমাদের করণীয়:

▫️​একনিষ্ঠ তাওবা: বিগত জীবনের ভুল ও গুনাহের জন্য লজ্জিত হয়ে আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
▫️​নফল ইবাদত: গভীর মনোযোগের সাথে নফল নামাজ আদায় করা এবং দীর্ঘ সিজদার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অন্বেষণ করা।
▫️​কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির: পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত এবং তাসবিহ-তাহলিলের মাধ্যমে অন্তরকে প্রশান্ত রাখা।
▫️​আত্মিক পরিচ্ছন্নতা: হৃদয় থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকার দূর করে সবার জন্য কল্যাণ কামনা করা। কারণ, ক্ষমা পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো অন্যকে ক্ষমা করার মানসিকতা।
▫​দোয়া ও মুনাজাত: নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
▫️​প্রার্থনা: এই পবিত্র রাত যেন আমাদের জীবন সংশোধনের শক্তি দেয়, আমাদের সকল নেক আমল কবুল হয় এবং মহান আল্লাহ যেন আমাদের ওপর তাঁর বিশেষ রহমতের ছায়া দান করেন।
আমিন।

20/09/2025

📢 📢 ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে 📢
🔷 যেকোন বয়সের বোনদের এবং শিশুদের জন্য তাজবিদ সহ কুরআন শিক্ষা কোর্স এ ভর্তি চলছে। স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি আপনার সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিন ও হাফেযা করে তুলুন।

🔷আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি আপনার সন্তানকে ঘরে বসেই জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন শিক্ষা দিতে পারবেন খুব সহজেই। অভিজ্ঞ মহিলা টিচার দিয়ে আপনার সন্তানকে কুরআন শিক্ষা, কুরআনের হাফেযা, নামাজ এবং দোয়া দুরুদ শিক্ষা দিতে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

🔷 আপনি কি কুরআন পড়েছেন এরপর ভুলে গিয়েছেন? সময় সুযোগ না হওয়া তে কুরআন শিক্ষা করতে পারেন নি? আপনি কি কুরআন এর হাফেযা হতে চাচ্ছেন? অথবা কুরআন পড়তে পারেন কিন্তু সহিহ শুদ্ধ হয় না? আপনি কি আপনার সন্তান কে জেনেরাল শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন শিক্ষা দিতে চাচ্ছেন? তাহলে আপনার জন্য সুসংবাদ কালাম ও কিরাত অনলাইন একাডেমি নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য ঘরে বসে কোরআন শিক্ষার বিশেষ সুবিধা।

🔷 কুরআন শিক্ষা কোর্সটি যাদের জন্যঃ

১. আমাদের যে সকল বাচ্চা ও বয়স্ক/কলেজ/ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বা চাকরি জীবি কিন্তু কুরআন পড়তে পারেন না।
২. প্রতিদিন মাদরাসায় পড়েও বিশুদ্ধ ভাবে কুরআন শরিফ পড়তে পারেন না।
৩. কোন একসময় শিখেছেব কিন্তু এখন পরা ভুলে গিয়েছেন।
৪. আপনি যে কোনো পেশার শিশু ও বয়স্ক মহিলা হন না কেন যে ঘরে বসে সহীহ্ ভাবে কুরআন পড়াতে চান।

🔷 ক্লাস সময় কালঃ
বিকেল, সন্ধ্যা, রাত (নির্দিষ্ট ব্যাচ)।
🔺 প্রাইভেট ভাবে পড়ার বিশেষ সুবিধা ও করা হয়েছে। ক্লাস সময় আপনার সুবিধা অনুযায়ী করা হবে।
🔷 ক্লাস এর মাধ্যম
যুম এপ / গুগল মিট

***** 🔷সাপ্তাহিক ক্লা*স সময়সীমা🔷 ******
সপ্তাহে ৫ দিন, আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করতে পারবেন।

🌺 ভর্তি ফিঃ ২৯৯ টাকা।
হাদিয়াঃ আলোচনা সাপেক্ষে।

আমাদের এ কোর্স এ ভর্তি হতে চাইলে আমদের পেজ এ কল করুন অথমা মেসেজ করুন ⁨01795-650079⁩ আরো বিস্তারিত জানতে পোস্ট এ দেওয়া whats*app নাম্বারে যোগাযোগ করুন। ঘরে বসে ইলমে দ্বীন শিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করুন।

17/09/2025

🛑ঘরে বসে পবিত্র কুরআন শিক্ষার এক অনন্য সুযোগ!🛑

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ!🌸
আপনি কি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম খুঁজছেন যেখানে আপনার সন্তান বা আপনি নিজে ঘরে বসেই তাজবীদ সহ কুরআন শিখতে পারবেন? অথবা যারা কুরআন পড়েছেন কিন্তু এখন ভুলে গিয়েছেন, তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ!

"কালাম ও কিরাত অনলাইন একাডেমি" আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে এক বিশেষ কোর্স, যেখানে অভিজ্ঞ মহিলা শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে আপনি এবং আপনার সন্তান সহিহ-শুদ্ধভাবে কুরআন শিখতে পারবেন।

♦️কোর্সে থাকছেঃ

১. মাখরাজসহ আরবী ২৯টি হরফের বিশুদ্ধ উচ্চারণ

২. বর্ণ পরিচিতি থেকে শুরু করে শব্দ গঠন

৩. নুরানী কায়দা

৪. তাজবিদ শিক্ষা

৫. নাযেরা বিভাগ

৬. আমলী সুরাহ হিফয

৭. ৪০ হাদিস অর্থসহ মুখস্ত

৮. মাসাআলা মাসায়েল

৯. আল্লাহর ৯৯ নাম সহজ ভাবে মূখস্ত

১০. মাসনুন দোয়া

• শিক্ষার্থীদের বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা: যেকোনো বয়সের বোন ও শিশুদের জন্য আলাদা ব্যাচ।
কেন আমাদের কোর্সটি আপনার জন্য সেরা?

• শিক্ষার্থীদের নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী ক্লাসের সময় নির্ধারণ: আপনার সুবিধা অনুযায়ী বিকেল, সন্ধ্যা বা রাতে ক্লাস করার ব্যবস্থা রয়েছে।

• ব্যক্তিগতভাবে (প্রাইভেট) ক্লাস করার সুযোগ: যারা আরও দ্রুত শিখতে চান, তাদের জন্য প্রাইভেট ক্লাসের বিশেষ সুবিধা রয়েছে।

• আধুনিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম: Google Meet এর মাধ্যমে ক্লাস পরিচালনা করা হয়, যা শেখাকে আরও সহজ করে তোলে।

• দক্ষ ও অভিজ্ঞ মহিলা শিক্ষিকা: যারা অত্যন্ত যত্নসহকারে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে শেখান।

🛑যাদের জন্য আমাদের কোর্স:

১. যারা আগে কুরআন পড়েছেন কিন্তু এখন ভুলে গিয়েছেন।
২. যারা কুরআন পড়তে পারেন, কিন্তু সহিহ-শুদ্ধ হয় না।
৩. স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী অথবা চাকরিজীবী, যাদের ব্যস্ততার কারণে মাদরাসায় যাওয়া সম্ভব হয় না।
৪. যারা ঘরে বসেই জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক জ্ঞান অর্জন করতে চান।

আর দেরি নয়, আজই আমাদের কোর্সে ভর্তি হয়ে ইলমে দ্বীনের আলোয় জীবনকে আলোকিত করুন।

ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপ: 01795-650079
ভর্তি ফি: ২৯৯ টাকা
মাসিক হাদিয়া: আলোচনা সাপেক্ষে
ইনশাআল্লাহ, এই কোর্স আপনার এবং আপনার সন্তানের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

03/07/2025

🛑 মহররম ও আশুরার দিন এর ফযিলত 🛑

আশুরার দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আরবি ‘আশারা’ শব্দ থেকে আশুরা শব্দটি এসেছে। আশারা অর্থ দশ, আর আশুরা মানে দশম। ইসলামী পরিভাষায় আরবি বর্ষপঞ্জি হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলে। এছাড়াও এ মাসের ১০ তারিখে ১০টি বড় বড় ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, সে কারণেও মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। আশুরা - মুহররামের দশম।

"আশুরা" ক্যালেন্ডারে কেবল একটি তারিখ নয় - এটি এমন একটি দিন যা ব্যথার মহাসাগর, অলৌকিক মহাসাগর এবং পুরষ্কারের মহাসাগর বহন করে।
এই দিনে, আল্লাহ সমুদ্রকে বিভক্ত করে মুসা (আ) এবং বনি ইস্রায়েলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে বাঁচিয়েছিলেন।
"তারপরে আমি মুসা (আ) অনুপ্রাণিত করেছিলাম, 'আপনার কর্মীদের সাথে সমুদ্রকে আঘাত করুন,' এবং এটি বিভক্ত ..."
সূরা আশ-শুইরা (26:63)
তাই নবী আশুরায় রোজা রাখলেন এবং বলেছিলেন: "আশুরার দিন রোজা আগের বছরের পাপকে বহিষ্কার করে।"(সহিহ মুসলিম 1162)

তবে আশুরা আরও একটি গভীর দাগ বহন করে ...
♦️এই একই দিনে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় নাতি - ইমাম হোসেন رض الله عنه কার্বালায় নির্মমভাবে শহীদ ছিলেন।

তিনি সত্য, ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন এবং মাথা নত করতে অস্বীকার করেছিলেন
মিথ্যাচার এমনকি যদি এর অর্থ মরুভূমিতে তৃষ্ণার্ত মারা যাওয়া, এক হাতে তার বাচ্চাকে ধরে রাখা এবং অন্যদিকে তার নীতিগুলি।
সে শুধু মারা যায় নি।তিনি আমাদের শিখিয়েছেন:
"সত্যের জন্য মারা যাওয়ার মতো। তবে কখনও মিথ্যা বলা যায় না।"
♦️এই দিনে আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তার ইচ্ছায় এ দিনেই কিয়ামত ঘটবে। মহান আল্লাহ আদি পিতা আদম (আ.)-কে এই দিন জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠান। আবার এই দিন আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-এর দোয়া কবুল করেন।
♦️এই দিনে প্লাবন শেষে নূহ আ. এর নৌকা পৃথিবীতে নেমে আসে। এই দিনে কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনাও ঘটেছিল। আশুরার গুরুত্বপূর্ণ দিনে মুসলমানরা রোজা রাখেন। এই রোজার অনেক ফজিলত।

♦️হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে রমজান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’ (সহিহ বুখারি : ১/২১৮)
♦️আশুরার রোজার ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘রমজানের পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২/৩৬৮; জামে তিরমিজি, হাদিস : ১/১৫৭)
♦️অন্য হাদিসে নবী কারীম (সা.) বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোজার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম : ১/৩৬৭; জামে তিরমিজি : ১/১৫৮)
♦️আশুরার রোজা সম্পর্কে এক হাদিসে আছে, ‘তোমরা আশুরার রোজা রাখো এবং ইহুদিদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে— আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখ।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১/২৪১)
♦️আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি, তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোজা রাখব।’ (সহিহ মুসলিম : ১/৩৫৯)

আল্লাহ তায়া’লা আমাদের সকলকে রোজা রাখার তৌফিক দান করুক আমিন।

#কুরআন

10/06/2025

ভালো মানুষেরও বিপদ হয় কেন?

অনেকেই বলেন, ভালো মানুষের এত বিপদ হয় কেন? নিম্নোক্ত হাদিসে এর উত্তর রয়েছে, মুসআব ইবনে সাআদ (রহ.) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (সাআদ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহ‌র রাসুল! মানুষের মধ্যে কার বিপদের পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন হয়? তিনি বললেন, নবীদের বিপদের পরীক্ষা, তারপর যারা নেককার তাদের, এরপর যারা নেককার তাদের বিপদের পরীক্ষা। মানুষকে তার ধর্মানুরাগের অনুপাত অনুসারে পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলকভাবে যে লোক বেশি ধার্মিক তার পরীক্ষাও সে অনুপাতে কঠিন হয়ে থাকে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৯৮)

“যখন আল্লাহ তা‘আলা কোনো মুসলিম বান্দাকে তার শারীরিক দুঃখ-কষ্ট বা রোগ-ব্যাধির দ্বারা পরীক্ষা করেন, তখন আল্লাহ বলেন: তার সৎকাজগুলো লিখ, যে কাজগুলো সে (সুস্থ অবস্থায়) করত; অতঃপর তিনি যদি তাকে রোগমুক্ত করেন, তাহলে তিনি (রহমতের পানি দ্বারা) ধুয়ে মুছে তাকে পবিত্র করে দেন; আর যদি তাকে মৃত্যুর মাধ্যমে উঠিয়ে নেন, তাহলে তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন এবং তার প্রতি রহম করেন।”[2]

আবূ শা‘ছা আস-সান‘আনী থেকে বর্ণিত:

তিনি একদা দামেস্কের একটি মাসজিদে গমন করেন এবং এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় ভ্রমণ করতে লাগলেন, অতঃপর তার সাথে সাক্ষাৎ হয়ে গেল সাদ্দাদ ইবন আউস ও আস-সুনাবেহী’র। অতঃপর আমি (আবূ শা‘ছা আস-সানা‘আনী) বললাম: আল্লাহ তোমাদের প্রতি রহম করুন, তোমরা কোথায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছ? জবাবে তারা বলল: আমরা সেখানে আমাদের এক অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাচ্ছি; অতঃপর আমিও তাদের সাথে চললাম, তারপর তারা ঐ ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হয়ে বলল: তোমার সকাল কেমন কেটেছে? জবাবে সে বলল: আমার সকাল নেয়ামতের উপর কেটেছে। অতঃপর তাকে উদ্দেশ্য করে সাদ্দাদ ইবন আউস বললেন: আমি তোমাকে গুনাহ মাফ ও পাপ মোচনের সুসংবাদ দিচ্ছি; কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

« إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ : إِنِّي إِذَا ابْتَلَيْتُ عَبْدًا مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنًا فَحَمِدَنِي عَلَى مَا ابْتَلَيْتُهُ ، فَإِنَّهُ يَقُومُ مِنْ مَضْجَعِهِ ذَلِكَ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ مِنْ الْخَطَايَا ، وَيَقُولُ الرَّبُّ عَزَّ وَجَلَّ : أَنَا قَيَّدْتُ عَبْدِي وَابْتَلَيْتُهُ ، وَأَجْرُوا لَهُ كَمَا كُنْتُمْ تُجْرُونَ لَهُ وَهُوَ صَحِيحٌ » . ( رواه أحمد ) .

“নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমি যখন আমার বান্দাগণের মধ্য থেকে কোনো মুমিন বান্দাকে কোনো বিপদ-মুসিবত দ্বারা পরীক্ষা করি, অতঃপর সে আমার দুঃখ-কষ্টের পরীক্ষা করা অবস্থায় আমার প্রশংসা করে, তখন সে তার শয্যা থেকে ঐ দিনের মত নিষ্পাপ অবস্থায় উঠবে, যেদিন তার মা তাকে নিষ্পাপ অবস্থায় প্রসব করেছে; আর মহান রব বলবেন: আমি আমার বান্দাকে আটক করেছি এবং তাকে দুঃখ-কষ্ট দ্বারা পরীক্ষা করেছি, তোমরা তার জন্য সাওয়াব লিখবে, যেমনিভাবে তোমরা তার সুস্থ অবস্থায় তার জন্য সাওয়াব লিখতে।”[3]

কোন বিপদে অথবা আপনজনকে হারানোর ফলে আমরা যদি আল্লাহ কে পেয়ে যাই, তাহলে বাস্তবে তা শাস্তি নয়; বরং তা আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য বিরাট এক উপহার!

এছাড়া একটি হাদিসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন মুসলিমের উপর কোন বিপদ নিপতিত হলে তার বিনিময়ে তার গুনাহের কাফ্ফারা হয়ে যায়, এমনকি ক্ষুদ্রতর কোন কাঁটা বিদ্ধ হলেও।

-সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৬৪৫৯

#কুরআন
Learning Online Worldwide





31/05/2025

যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ আমল♦️
এ মাসের ফযীলতপূর্ণ দিবসগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘আশারায়ে যিলহজ্ব’ তথা যিলহজ্বের প্রথম দশক। কুরআন মাজীদের সূরা ফাজরে আল্লাহ তাআলা যে দশ রজনীর শপথ করেছেন, সেই ‘দশ’ হল যিলহজ্বের এই প্রথম দশক। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., হযরত ইবনে যুবাইর রা. ও মুজাহিদ রাহ.-সহ পূর্ববর্তী-পরবর্তী অনেক মুফাসসির এ মতই ব্যক্ত করেছেন। (তাফসীরে ইবনে কাসীর, সূরা ফাজর-এর তাফসীর দ্রষ্টব্য)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দশকের ব্যাপারে ইরশাদ করেন-

مَا مِنْ أَيّامٍ الْعَمَلُ الصّالِحُ فِيهَا أَحَبّ إِلَى اللهِ مِنْ هَذِهِ الْأَيّامِ يَعْنِي أَيّامَ الْعَشْرِ.

আল্লাহর নিকট যিলহজ্বের দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৩৮; সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৬৯; জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৫৭; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৭২৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৯৬৮

এই দিনের বিশেষ আমল 🛑

১-এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা
২- যুল হিজ্জাহর প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা
৩- বেশি বেশি নফল ইবাদত করা
৪-আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা
৫-বেশি পরিমাণে আল্লাহর যিকর করা
৬-সামর্থ থাকলে হজ্জ্ব ও উমরা করা
৭-সামর্থবান হলে কুরবানি করা
৮-বেশি পরিমাণে তাকবির পাঠ করা
৯- যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা
১০- সাদাকাহ্ করা

#কুরআন

21/05/2025

ঈমানী মৃত্যুর আমল ♦️

১. কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকা।
২. নিয়মিত মিসওয়াক করা।
৩. শুকরিয়া আদায় করা।
৪. সদাকা করা।
৫. নেক ব্যক্তিদের সাহচর্য।
৬. আল্লাহ তা'আলার সাথে মুহাব্বত রাখা।
৭. আল্লাহ তা'আলা কে গোপনে প্রকাশ্যে ভয় করা।
৮. অধিক পরিমাণে দুয়া করা।
৯. অধিক পরিমাণে কালিমা পাঠ।
১০. আযানের জবাব দেওয়া।

- খুতুবাতে জুলফিকার ২৭/১৮৮-২০৬

Quran Online #কুরআন QuranOnline Recitation Classes Worldwide #কুরআন

17/05/2025

চুপ থাকার উপকারিতা🛑

আল্লাহ্ তায়ালার, প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "যে চুপ থাকে সে নাজাত (মুক্তি) পায়।” তিনি আরও বলেন, মুমিন জীবনের বৈশিষ্ট হলো তারা অল্প কথা বলবে, বিনা প্রয়োজনে কথা বলা থেকে বিরত থাকবে। হাসি মখে থাকবে এবং প্রয়োজনে সদালাপ করবে। রাসূল (সাঃ) আরো বলেন, মুমিন সেই যার হাত ও মুখের অনিষ্ঠতা থেকে অপর মুসলমান নিরাপদে থাকে। চুপ থাকার কতগুলো উপকারিতা নিম্নে তুলে ধরা হলো-

১. চুপ থাকা পরিশ্রমবিহীন ইবাদত।

২. চুপ থাকা রাজত্ববিহীন প্রভাব।

৩. চুপ থাকা প্রাচীরবিহীন দুর্গ।

৪. চুপ থাকা অস্ত্রবিহীন বিজয়।

৫. চুপ থাকা কিরামান কাতিবীনকে অবসর দেয়া।

৬. চুপ থাকা মুত্তাকিগণের নিদর্শন।

৭. চুপ থাকা জ্ঞানের ভান্ডার।

৮. চুপ থাকা অজ্ঞদেও প্রতিউত্তর।

৯. চুপ থাকা দোষ-ত্রুটির আচ্ছাদন।

১০. চুপ থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক।

13/05/2025

রাতে ঘুমানোর পূর্বে আমল:♦️

১. সূরা মূলক-১ বার
২. সূরা ফাতিহা-১ বার
৩. সূরা কাফিরুন-১ বার
৪. সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস
(প্রতিটি সূরা ১ বার করে পাঠ করে হাতে ফু দিয়ে সারা শরীরে যতদূর হাত প্রসারিত হয় ততটুকু হাত বুলানো / মাসাহ করা। এইভাবে ৩ বার করতে হবে।)

৬. আয়াতুল কুরসী -১ বার

৬. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত - ১ বার

৭. সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ এবং আল্লাহু আকবার

(প্রতিটি ৩৩ + ৩৩ + ৩৪ বার পড়া।)

৮. দরূদ পাঠ করা - (যতবার ইচ্ছা)

৯. সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার -১ বার

১০. ঘুমানোর দোআ -১ বার

15/01/2025

✅ সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে দেখতে হলে যা যা করণীয় :

মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল। মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে। একটা রাফ গাইডলাইন আছে, এখানে বাচ্চার ১৮-৩৬ মাস বয়সী হলেই এই কাজ গুলি শুরু করে দিবেন ইনশাআল্লাহ

📌 আকিদাহ্‌:
- আল্লাহ কোথায় আছেন? তোমার রব কে? কে তোমাকে বানিয়েছেন?
- বাচ্চার সাথে কথা বলুন আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে (আকাশ, গাছ-পালা, ফুল প্রজাপতি কে বানিয়েছেন?)

📌 আযকার/ ডেইলি দু’আঃ
- ঘুম থেকে উঠার দু’আ, ঘুমাতে যাওয়ার আগের দু’আ।
- খাওয়ার আগের দু’আ, খাওয়ার পরের দু’আ।
- হাঁচি দিলে কি বলতে বলতে হয় ( ফর প্যারেন্টসঃ আলহামদুলিল্লাহ, নট এক্সকিউজ মি)
- সালামের প্রচার শেখানো, ছোট-বড় সবাইকে সালাম দেয়া।
- বাথরুমে যাওয়ার দু’আ, বের হওয়ার দু’আ।
- বাসা থেকে বের হওয়ার দু’আ।
- সব কাজ করার আগে বিসমিল্লাহ বলা।
- যে কোন কাজ করবো বলার আগে ইনশাআল্লাহ বলা, সুন্দর কিছু দেখলে মাশাআল্লাহ বলা, কোন কিছু গিফট পেলে জাযাকাল্লাহু খায়ির বলা।

📌 কুরআনঃ
- রেগুলার কুরআন বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। বাচ্চা পাশে বসে থাকতে পারে।
- ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী, সূরা ফাতিহা, কূল যুক্ত সূরা বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়েন। খুব দ্রুত দেখবেন বাচ্চা আপনার সাথে পড়ছে।

📌 আখলাকঃ
- খাবার এবং পানি ডান হাতে খাওয়া, বসে খাওয়া এবং বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া।
- যে কোন কাজ করার আগে বাবা-মায়ের পারমিশন নেয়া, “প্লিজ” বলতে শেখানো। ভুল হলে “সরি”।
- যত ছোট বয়সই হোক, পোশাক বদলানোর সময় লজ্জ্বার ধারনা দেয়া। অন্যদের সামনে বাচ্চার ডায়াপার চেইঞ্জ করবেন না। আড়াল রাখুন।
- শেয়ারিং শেখান। যে কোন কিছু অন্যদের সাথে শেয়ার করলে প্রশংসা করুন। ভালো কাজগুলোকে এপ্রিশিয়েট করুন এবং এভাবে রিলেট করুন, আল্লাহ্‌ এটা পছন্দ করেন... , রসূল (ﷺ) এভাবে বলেছেন...

📌 সিরাহ্‌:
- রসূল (ﷺ) এবং সাহাবীদের গল্প বলুন।
- ছোট হাদীসগুলো গল্পের মতো করে বলুন।
- কুরআনের ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় গুছিয়ে বলুন।

📌 ইবাদাহ্‌:
- নামায বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। না দাঁড়ালেও খেলার এরিয়া যাতে আশেপাশে থাকে।

📌 বাবা-মায়েদের জন্য টিপসঃ
- এই বয়সী বাচ্চাদের ধরে-বেঁধে শেখানোর কিছু নেই। নিজেদের লাইফে প্র্যাকটিস করলে, বাচ্চারা দেখেই শিখবে। নিজের লাইফে নাই কিন্তু আশা করি, বাচ্চাকে শেখাতে পারবো- এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসুন। আমি যদি চাই বাচ্চা ইসলামিক মাইন্ডের হবে, তাহলে আগে নিজেকেই সেই ছাঁচে গড়ে নিতে হবে।
- বাড়িতে নামায পড়ার ক্ষেত্রে, সূরা জোরে পড়তে পারেন যাতে বাচ্চা শুনতে পায়। মাসনূন দু’আ গুলো বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। বাচ্চারা শুনতে শুনতেই শেখে। আলাদা করে শেখানোর দরকার নেই।
- বাচ্চাকে আগে আল্লাহ্‌কে ভালোবাসতে শেখান এবং পাশাপাশি আল্লাহ্‌ কথা মত না চললে রাগ করবেন, এটাও বুঝতে শেখান। তাকে জানান, আল্লাহ্‌ই সবচাইতে বেশী ভালোবাসে তাকে, এমনকি বাবা-মায়ের চাইতেও!
- রসূল (ﷺ) এর সুন্নাহ্‌র প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলুন। যে কোন ব্যাপারে উনাকেই রোল মডেল করুন।
- সুস্থতা- অসুস্থতা আল্লাহ্‌র কাছ থেকে আসে, ধারনা দিন। যে কোন ধরনের ব্যাথা পাওয়ায় বা অসুস্থতায় একমাত্রই আল্লাহ্‌ই তাকে সুস্থ করবে এটা বোঝান।
- জান্নাত সম্পর্কে ধারনা দিন। সেটা কত চমৎকার জায়গা সময়ে সময়ে বর্ননা করুন। যাতে এই জায়গায় যাওয়ার ব্যাপারে বাচ্চার আগ্রহ মাথায় গেঁথে যায়। সাথে সাথে জাহান্নামের ভয়াবহতা সম্পর্কেও ধারণা দিবেন যাতে এ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।
- মসজিদের সাথে এটাচমেন্ট তৈরী করে দিন। সম্ভব হলে বাচ্চাকে জামাতে নামায পড়ার সময় সাথে রাখুন। সে কোন মসজিদ ভিত্তিক হালাকায় সাথে রাখুন।
- বাচ্চাকে ভালো মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন, বাই প্রোডাক্ট হিসেবে ভালো মানুষ সে এমনিতেই হবে। ইনশাআল্লাহ !!

Follow Qalam Wa Qirat

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka
1205