28/05/2026
নামাযে যেনো প্যাঁচ না লাগে 😁
ঈদুল আযহা মুবারাক 🌙
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
Islamic Lecture, Motivation Content A Member Organization of Sayeed Research Center
28/05/2026
নামাযে যেনো প্যাঁচ না লাগে 😁
ঈদুল আযহা মুবারাক 🌙
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
27/05/2026
দেশে প্রবাসে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
22/03/2026
আসমানী ফায়সালার চার দুনিয়াবি নিদর্শন:
১. ইস্তিগফারের তাওফিক
আল্লাহ যখন কারো গুনাহ মাফের ফায়সালা করেন,
দুনিয়ায় তার জিহ্বায় ইস্তিগফারের তাওফিক জাগে।
যার ইস্তিগফার নেই—তার উচিত নিজের জন্য ভয় করা।
২. যিকরের তাওফিক
আল্লাহ যাকে আসমানে স্মরণ করেন,
দুনিয়ায় সেই বান্দার জিহ্বায় যিকর ঝরে।
যার যিকর নেই—সে মাহরুম।
৩. দুআর তাওফিক
যার দুআ কবুলের ফায়সালা হয়,
আল্লাহ তার অন্তরেই দুআ করার টান জাগিয়ে দেন।
দুআ না করলে—কবুলের আশা কেমন?
৪. শুকরিয়ার তাওফিক
যাকে নিয়ামত বাড়িয়ে দিতে চান,
প্রথমে তাকে শুকরিয়ার তাওফিক দেন।
শুকরিয়া না করলে নিয়ামত হয় পরীক্ষা।
মোটকথা, ইস্তিগফার, যিকর, দুআ ও শুকরিয়া—
এগুলো শুধু আমল নয়;
আসমানে তোমার জন্য ভালো ফায়সালা হওয়ার চারটি নিদর্শন।
~উমায়ের কোব্বাদি হাফি.
22/03/2026
শয়তান আসলে খুবই কৌশলী। সে কোনো পাগল নয়, বিভ্রান্ত নয়, মানসিক রোগীও নয়। সে অত্যন্ত বুদ্ধিমান, খুবই বুদ্ধিমান। সে যেন সর্বকালের সেরা মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিস্ট, সেরা প্রোপাগান্ডা এক্সপার্ট।
আল্লাহ যখন তাকে বললেন—“আমি তোমাকে সিজদা করতে বলেছিলাম, তুমি কেন করলে না?” খেয়াল করো, আল্লাহ বলেননি—“তুমি কেন অবাধ্য হলে?” বরং বলেছেন—“কোন জিনিসটা তোমাকে থামিয়ে দিল?” অর্থাৎ তার ভেতরে এমন কিছু ছিল, যা তাকে সিজদা করা থেকে আটকে দিয়েছিল।
সে কি বুদ্ধিমান ছিল? হ্যাঁ। তার কি স্বাধীন ইচ্ছা ছিল? হ্যাঁ। সে কি ভালো-মন্দ বোঝে? হ্যাঁ। তার কি নৈতিক দায়িত্ব ছিল? অবশ্যই। সে আল্লাহকে চিনত, সে জানত—সে আল্লাহর বান্দা। এটা কোনো নাস্তিকের অবাধ্যতা নয়; নাস্তিক বলে, “আমি আল্লাহকে মানি না।” কিন্তু সে আল্লাহকে চিনেও অবাধ্য হয়েছিল।
আর একটা বিষয় বুঝতে হবে—আমরা আল্লাহর হুকুম পাই কুরআনের মাধ্যমে, রাসূলের মাধ্যমে। আমরা আল্লাহকে সামনে দেখি না। কিন্তু শয়তান আল্লাহর কাছ থেকেই সরাসরি হুকুম শুনেছিল। ভাবো তো, আল্লাহ যদি তোমার সামনে দাঁড়িয়ে সরাসরি আদেশ দিতেন, তাহলে সেই আদেশের গুরুত্ব কতটা হতো? কিয়ামতের দিন কেউ অবাধ্য হবে না কেন? কারণ আল্লাহ তখন সামনে থাকবেন। অথচ আল্লাহ সামনে থাকা সত্ত্বেও শয়তান “না” বলেছিল। এর মানে, আল্লাহর ভয় থেকেও বড় কিছু তার ভেতরে কাজ করছিল।
আর সেটা ছিল তার নিজের তৈরি করা আত্মপরিচয়। আমরা সবাই নিজের একটা ছবি বানাই—আমি কে, আমি কী, আমি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি শিক্ষক, আমি নেতা, আমি সম্মানিত, আমি সেরা, আমি সবচেয়ে সুন্দর, আমার সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার। শয়তানও নিজের এমনই একটা ছবি বানিয়েছিল। সে ভাবত—আমি বিশেষ, আমি আলাদা, আমি সবার উপরে। সে ছিল একমাত্র জিন, যাকে ফেরেশতাদের মাঝে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। তার মনে হচ্ছিল—আমি ভিআইপি।
কিন্তু হঠাৎ করে আল্লাহ আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন এবং সবাইকে সিজদা করতে বললেন। তখন তার মনে প্রশ্ন জাগল—এই নতুন সৃষ্ট কেউ কেন বিশেষ হবে? তাহলে আমি আর নাম্বার ওয়ান থাকলাম না। তার কাছে দুই নম্বর হওয়া মানে শূন্য হয়ে যাওয়া।
এখন তার সামনে দুইটা পথ ছিল—এক, আল্লাহর হুকুম মানা। দুই, নিজের অহংকার ভাঙা। সে সিদ্ধান্ত নিল—আমি অহংকার ভাঙবো না, আমি আল্লাহকেই অমান্য করবো। এখান থেকেই তার পতন শুরু।
এরপর সে দোষ চাপাল দুইজনের উপর—আদম (আ.) আর আল্লাহর উপর। সে বলল—আদম না থাকলে আমি আজও সেরা থাকতাম। অথচ আদম কিছুই করেননি। তবুও শয়তান প্রতিশোধ নিতে লাগল। কিন্তু যত প্রতিশোধই নিক, তার ভাঙা আত্মপরিচয় আর ঠিক হয় না। তাই তার রাগ কখনো শেষ হয় না। সে আল্লাহকেও দোষ দেয়—তুমিই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছ।
এটাই শয়তানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র—মূল্যবোধের বিকৃতি। তার মতে, মানুষের মূল্য আসে না সে কী করে তার উপর; মানুষের মূল্য আসে মানুষ তাকে কীভাবে দেখে তার উপর। CEO হলে সম্মান, ট্যাক্সি ড্রাইভার হলে নয়। সে ভালো মানুষ কি না—তা গুরুত্বপূর্ণ না। পদ, র্যাঙ্ক, পরিচয়—এইটাই সব। এই চিন্তাই সে মানুষের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়।
ফলোয়ার কত, কোন ব্র্যান্ড, কোন গাড়ি, কোন বাড়ি—এটাই আজকের দুনিয়ার মূল্যবোধ। আর যখন কেউ ভাবে—আমি আর মূল্যবান নই—তখন সে বলে, আমি সমস্যা তৈরি করবো। আমি যদি গুরুত্বপূর্ণ না হই, তাহলে অন্তত আমি ভুলে যাওয়ার মতো হবো না।
এটাই শয়তানের শেষ অস্ত্র—ব্যথা দেওয়া, ধ্বংস করা। সে জানে সে ধ্বংস হবে, কিন্তু মরার আগে চায় তোমাকেও টেনে নামাতে।
সবশেষে সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়—শয়তান নিজের জন্য একটা গল্প বানিয়ে নিয়েছে। সে জানে সেটা ভুল, তবুও সেটাকেই সত্য মানে। সে বলে—আমার সত্যই আসল সত্য। আর সে চায় মানুষও তাই করুক—নিজের সত্য বানাও, আল্লাহর সত্য অস্বীকার করো।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন এই অহংকার থেকে, এই শয়তানি পথে পা দেওয়া থেকে। আমিন।
নোমান আলী খান
20/03/2026
Dawah International এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই--
🌙""ঈদ মোবারক""🌙
تقبل الله منا ومنكم صالح الاعمال
দীর্ঘ মাসব্যাপী সিয়াম-সাধনার পর ঈদুল ফিতর সবার জীবনে বয়ে আনুক পবিত্রতা ও আত্মিক উন্নতির নতুন সোপান।
আগামীর দিনগুলো হোক আরও সুন্দর এবং কল্যাণময়। ঈদের আনন্দে পরিপূর্ণ হোক প্রতিটি মুমীনের হৃদয়-মন।
08/03/2026
মক্কা নগরীতে এক দরিদ্র লোক বাস করতেন। অভাবের কারণে তার সংসারে অনেক কষ্ট ছিল। একদিন তার স্ত্রী খুব অসহায় হয়ে বললেন, "আমাদের ঘরে খাবার নেই, পরার মতো ভালো কাপড়ও নেই।"
স্ত্রীর কষ্ট দেখে লোকটি কাজের খোঁজে বাজারে বের হলেন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও কোথাও কোনো কাজ পেলেন না। হতাশ হয়ে তিনি মসজিদুল হারামে গেলেন এবং দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলেন।
নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই তার চোখে পড়ল, মাটিতে একটি থলি পড়ে আছে। তিনি সেটি তুলে খুললেন এবং অবাক হয়ে দেখলেন, ভিতরে এক হাজার দিনার (স্বর্ণমুদ্রা)!
তিনি মহা আনন্দে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে সব কথা জানালেন। কিন্তু তার স্ত্রী ছিলেন খুব পরহেজগার। তিনি বললেন, "হারাম শরীফে পাওয়া জিনিস নিজের কাছে রাখা ঠিক হবে না। এর মালিককে খুঁজে বের করতে হবে।"
স্ত্রীর কথা অনুযায়ী, তিনি আবারও মসজিদুল হারামে গেলেন। সেখানে গিয়ে শুনলেন, এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলছেন, "কেউ কি এক হাজার দিনার ভরা থলি পেয়েছেন?"
লোকটি সাথে সাথে এগিয়ে গিয়ে বললেন, "হ্যাঁ, আমি পেয়েছি। এই নিন আপনার থলি।"
ঘোষণাকারী থলিটি হাতে নিয়ে দরিদ্র লোকটিকে অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করলেন। তারপর হাসিমুখে বললেন, "এই থলিটি আপনিই রেখে দিন। শুধু তাই নয়, এর সাথে আরও নয় হাজার দিনার নিন।"
দরিদ্র লোকটি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কেন? আমাকে এত টাকা দিচ্ছেন কেন?"
ওই ব্যক্তিটি হেসে উত্তর দিলেন, "সিরিয়ার এক ধনী ব্যক্তি আমাকে দশ হাজার দিনার দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, 'এক হাজার দিনার হারাম শরীফের চত্বরে ফেলে এসো।
এরপর যে ব্যক্তি ফেরত দেবে, বুঝে নিও সে পরম আমানতদার। সেই ব্যক্তিকেই পুরো দশ হাজার দিনার দিয়ে দিও, কারণ সে-ই এই সম্পদের প্রকৃত হকদার।' আর আপনিই সেই আমানতদার ব্যক্তি।"
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন,
"আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য মুক্তির পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা আত-তালাক: ২-৩)
আল্লাহকে ভয় করে কেউ যদি দুনিয়ার লোভ ত্যাগ করে, তবে আল্লাহ তাকে তার কল্পনাতীত উৎস থেকে অভাবনীয় রিযিক প্রদান করেন।
(আরবি আর্টিকেল থেকে অনূদিত)
✍️ Salman Farsi
©️
সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]
18/02/2026
কেরআন নাযিলের মাস। আত্নশুদ্ধির মাস। ক্ষমা পাওয়ার এ মাসে-
আমরা যেন সিয়াম সাধনায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। আল্লাহ আমাদের কবুল করুক। আমীন।
04/01/2026
"আল্লাহু আকবার"
"সুবহান আল্লাহ"
"আলহামদুলিল্লাহ"