আমাদের ছোট্ট ত্বলিবাদের জন্য একটি কেরাত প্রতিযোগিতার সুন্দর আনন্দ আয়োজন রাখা হয়েছিলো আজ,
রোজ রবিবার ২৪ মে ২০২৬
আরো ছিলো শিক্ষামূলক বিভিন্ন খেলা, কুইজ, নাশীদ পরিবেশন, জিলহজ্জ বিষয়ক আলোচনা এবং আমাদের ছোট্ট ত্বলিবাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান।
সামনে ঈদকে কেন্দ্র করে ছোট পরিসরে বাচ্চাদের জন্য মেহেদির আয়োজনও ছিলো আলহামদুলিল্লাহ । 🌿
আমাদের উদ্দেশ্য শুধু আনন্দ নয়, বরং আনন্দের মধ্য দিয়েই শিশুদের মাঝে দীনী শিক্ষা, আত্মবিশ্বাস ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলা।
সবাই মিলে আমাদের ছোট্ট ত্বলিবাদের জন্য একটি সুন্দর ও স্মরণীয় দিন উপহার দিতে পেরে আল্লাহর দরবারে হাজার শুকুর।
🤍
কেরআত : নাবালিকা বয়স ৮ বছর
Darsul Hera Girl's Academy
Hifz-ul-Qur’an | English Version | Standard Curriculum
🌸 Trusted Islamic & Modern Education for Girls
📍 Mirpur 60 Feet, Dhaka
❤️ Your child is our Amanah
20/05/2026
بِسْمِ اللهِ عَلَى دِينِي وَنَفْسِي وَوَلَدِي وَأَهْلِي وَمَالِي
বাবা মায়েদের জন্য আবশ্যক।
সর্ব হালতে দোয়া করা চাই,
কত সতর্ক রাখবেন আপনি?
দোয়ার বিকল্প আর কিছুই নেই..
অর্থঃ
“আল্লাহর নামে আমার দ্বীন, আমার প্রাণ, আমার সন্তান, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের হেফাজত কামনা করছি।”
16/05/2026
আমাদের একাডেমিতে আমরা সাধারণত বাচ্চাদের বাসার পড়া খুব কম দিয়ে থাকি, বলতে গেলে একেবারেই না দেওয়ার পক্ষেই থাকি। কারণ, দিনের অধিকাংশ সময় তারা মাদ্রাসায় পড়াশোনার মধ্যেই কাটায়। বাসার সময়টুকু তারা যেন বাবা-মায়ের সাথে আনন্দে, ও প্রশান্তিতে কাটাতে পারে
আমরা সেই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেই।
অনেক বাবা-মাই কর্মজীবী হওয়ায় সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। সবদিক বিবেচনা করেই আমরা বাচ্চাদের উপর অতিরিক্ত চাপ দিতে চাই না। তবে কোনো মা যদি নিজ আগ্রহে বাসায় বাচ্চাকে পড়াতে চান, সেক্ষেত্রে আলাদা ভাবে সহযোগিতা করা হয়।
আমাদের কাছে প্রতিটি বাচ্চাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবাইকে একসাথে নিয়ে সামনে এগোতে চাই। কিন্তু কোনো বাচ্চা যখন মাঝখানে গ্যাপ দেয় বা নিয়মিত অনুপস্থিত থাকে, তখন সে স্বাভাবিকভাবেই পিছিয়ে পড়ে। পরে তাকে আবার সবার সাথে তাল মিলিয়ে তুলতে অনেক কষ্ট হয়। যারা শিক্ষকতা করেন, তারা বিষয়টি খুব ভালোভাবেই অনুভব করতে পারবেন।
বাসায় ঠিকমতো পড়াশোনা না হওয়া এবং মাদ্রাসায় পিছিয়ে পড়ার কারণে অনেক সময় বাচ্চার মন খারাপ হয়ে যায়, পড়ার আগ্রহও কমে আসে। এরপর আবার তার আগ্রহ ফিরিয়ে এনে ভালো ফলাফলের দিকে নেওয়ার জন্য উস্তায/উস্তাযাদের কত মেহনত ও পরিশ্রম করতে হয় — যা আল্লহ -ই ভালো জানেন।
এই কারণেই আমরা বাবা-মায়েদের বারবার অনুরোধ করি, কোনো অবস্থাতেই যেন বাচ্চার মাদ্রাসা বন্ধ না হয়। আমাদের প্রতিটি দিন, প্রতিটি দরস, প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ এবং বরকতময়।
Darsul Hera Girl's Academy
16/05/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
একাডেমির সম্মানিত বাবা-মায়েদের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা—
শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামা দামাত বারাকাতুহুম লিখেছেন,“আমি সিরিয়ায় এমন কিছু আলেম দেখেছি যারা তাদের শায়খের দরসে বিরতির দিনেও উপস্থিত হতেন। তারা সেদিন উপস্থিত হয়ে বন্ধ দরজায় হাত রেখে চলে আসতেন।”⁴¹
৩৯. নাফহাত তীর মিন শুঘলিল আদলুস আরাবিয়্যাহ ২/৩০৪৪০. আল হাদ আলা ত্বলাবিল ইলম ১/৭৮৪১. মাআলিম পৃ.২৫৩
আল্লাহু আকবার! ইলমের প্রতি মুহাব্বত, মেহনত ও ত্যাগের কারণেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাদেরকে এত বিশাল ইলমের ভাণ্ডার দান করেছেন।
আজ আমাদের ত্বলিবারা খুব সহজেই মাদ্রাসায় না আসার উসিলা খুঁজে বের করে। মাদ্রাসা বন্ধ হলে তাদের মন খুশি হয়ে যায়। সামান্য মাথাব্যথা, পা ব্যথা, শরীর খারাপ বা জ্বর হলেই তারা মাদ্রাসা ও ইলমের বরকত থেকে দূরে সরে যায়।আমরা অবশ্যই তাদের অসুস্থতাকে গুরুত্ব দিচ্ছি, কিন্তু তাদের অন্তরে ইলমের গুরুত্ব কতটুকু তৈরি করতে পারছি— সেটাও ভেবে দেখা প্রয়োজন।
অসুস্থ হলে মা একটি বিছানার ব্যবস্থা করে হলেও বাচ্চাকে দরসে উপস্থিত রাখুন। সে শুয়ে শুয়েও দরস শুনুক। অন্তত তার মনে এই অনুভূতি তৈরি হোক যে, ইলম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।এভাবে মেহনত ছাড়া উপকারী ইলম অর্জন করা সম্ভব নয়।
আমাদের যে বাচ্চাগুলো দায়েম (সর্বদা উপস্থিত) থাকে, তাদের পড়াশোনার উন্নতি আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, মাশাআল্লাহ বারাকাল্লাহ।
বরকত এমন একটি বিষয়, যা চোখে দেখা যায় না; অনুভব করতে হয়।
আজ একাডেমিতে ৮ জন ত্বলিবা অনুপস্থিত। বিষয়টি সত্যিই চিন্তার। অথচ একাডেমিতে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ক্লাস চলতে থাকে, মাঝখানে বিরতিও রয়েছে।সকালে অসুস্থ লাগলে দুপুরে আসুক, দুপুরে সমস্যা হলে বিকেলে আসুক, অন্তত সন্ধ্যার দরসে উপস্থিত থাকুক— “আজ আমার সন্তান যেন ইলম থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়”, এই চিন্তাটা যদি আমরা করি, তাহলেই বরকতময় ইলম অর্জন সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রতিষ্ঠান আপনার সন্তানের জন্য যোগ্য উস্তাযদের মাধ্যমে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনার অর্থ, শ্রম ও বিশ্বাসের যথার্থ মূল্যায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।এখন প্রয়োজন আপনাদের সহযোগিতা, দোয়া এবং সন্তানের ইলমে বরকতের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তানদের উপকারী ইলম দান করুন এবং ইলমের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে দিন। আমীন।
Darsul Hera Girl's Academy
09/05/2026
🌸 হিফজের শুরুতে ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক, 🌸
শুরুর দিকে মনে থাকবে না — এটা একদম স্বাভাবিক।
পড়তে পড়তে, বারবার তেলাওয়াত করতে করতে একদিন কুরআন রক্তের সাথে মিশে যাবে ইনশাআল্লাহ। 🤍
কুরআন হিফজের উপকারিতা এত বেশি যে বলে শেষ করা যাবে না। তার মধ্য থেকে কয়েকটি
✨ ১. একাকিত্ব ও ডিপ্রেশন আপনাকে সহজে স্পর্শ করতে পারবে না
কারণ আপনার সঙ্গী হবে আল্লাহর কালাম।
✨ ২. আপনার ধ্যান-জ্ঞান কুরআনকে ঘিরেই থাকবে
দিনের প্রতিটা সময়, প্রতিটা সেকেন্ড কুরআনের সাথে হৃদয়ের সংযোগ তৈরি হবে।
✨ ৩. প্রতিদিন অন্তত একটি আয়াতের জন্য হলেও কুরআন নিয়ে বসবেন
মেহনত করবেন, ফিকির করবেন — আর এই চেষ্টাকেই আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। 🤍
✨ ৪. আপনি চেষ্টা করবেন, সফল করার মালিক আল্লাহ
তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনার দায়িত্ব শুধু লেগে থাকা।
✨ ৫. হিফজের সফর শুরু হওয়ার পর জীবনের প্রতিটি কাজে বারাকাহ অনুভব করবেন
সময়, মন, কাজ — সবকিছুতেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি চলে আসবে।
ওয়াল্লাহি, এটা অনুভব করার বিষয়। 🌿
28/04/2026
আমাদের একাডেমিতে হিফজ কেন এত গুরুত্ব পায়?
🌿
আমাদের একাডেমির মূল লক্ষ্য—কুরআনের সাথে বাচ্চাদের গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা। তাই হিফজ বিভাগকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।
📖 হিফজ বিভাগের জন্য রয়েছে আলাদা তত্ত্বাবধান— ✨ সবক (নতুন পড়া) এর জন্য একজন ওস্তাদ
✨ সাত সবক (পুনরাবৃত্তি) এর জন্য একজন ওস্তাদ
✨ আমুক্তা (পুরোনো পড়া) এর জন্য একজন ওস্তাদ
✨ মাশক্ব (তেলাওয়াত ও শুদ্ধতা) এর জন্য একজন ওস্তাদ
অর্থাৎ, হিফজের প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদা আলাদা ওস্তাদ নিয়োজিত আছেন। মোট ৪ জন অভিজ্ঞ ওস্তাদের মাধ্যমে হিফজ বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ।
🚫 আমাদের একাডেমিতে এমন কোনো সুযোগ নেই যে— কেউ সবক ঠিকমতো পারেনি,
সাত সবক কাঁচা,
বা আমুক্তা দুর্বল—
তবুও সামনে এগিয়ে যাবে।
✅ বরং প্রতিটি ধাপ নিশ্চিতভাবে মজবুত করা হয়, তারপরই পরবর্তী ধাপে নেওয়া হয়।
🌸 আমাদের লক্ষ্য শুধু হিফজ শেষ করা নয়,
সহেবে কুরআন বানানো, কুরআন লিখতে পারার মত যোগ্য হাফেজা বানানো
🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং আমাদের সন্তানদের কুরআনের হাফেজ হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
28/04/2026
📖 মাদ্রাসার ওস্তাদদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো দরকার
মাদ্রাসার ওস্তাদরা কত কষ্ট করে ছাত্রদের পিছনে—
এটা আমরা অনেক সময়ই বুঝতে চাই না, বুঝলেও গুরুত্ব দেই না।
২৪ ঘন্টা ছাত্রদের নিয়ে চিন্তা, তাদের আদব-আখলাক, শিক্ষা, দ্বীনি গঠন—
এই সবকিছুর জন্য যে পরিমাণ মেহনত করতে হয়,
তা শুধু একজন ওস্তাদই অনুভব করতে পারেন।
কিন্তু দুঃখজনক সত্য হলো—
এই পরিমাণ চেষ্টা, মেহনত আর খেদমতের তুলনায়
তাদের বেতন একেবারেই সীমিত।
অনেক সময় আমরা মনে করি—
“প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিয়ে আমরা শিক্ষকদের নিয়োজিত করেছি,
আমরাই যেন তাদের উপকার করেছি, সেবা করেছি!”
কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
👉 আমরা শিক্ষককে চাকরি দিয়ে কোনো অনুগ্রহ করিনি,
👉 বরং আমরা নিজেরাই তাদের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছি,
👉 তারা না থাকলে আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার কেউ থাকতো না।
আমি মনে করি—
👉 মাদ্রাসার ওস্তাদরাই আমাদের উপর খেদমত করছেন,
👉 তারা আমাদের সন্তানদের জন্য নিজের জীবন ব্যয় করছেন,
👉 তারা দয়া করে, ভালোবেসে এই দায়িত্ব পালন করছেন।
এই সামান্য বেতনে
এত কষ্ট সহ্য করে কাজ করা শুধু চাকরি নয়—
এটা ইবাদত, এটা খেদমত, এটা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
👉 তাই আসুন,
ওস্তাদদের সম্মান করতে শিখি,
তাদের কষ্টটা বুঝতে চেষ্টা করি,
আর তাদের প্রাপ্য মর্যাদা দেই।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।
( আমার মাদ্রাসার সকল উস্তাদ গন কে আল্লাহ তা'আলা উত্তম জাঝা দান করুন🤲🤲🤲🤲🤲🤲
কিছু পরামর্শ দেই মানার চেষ্টা করবেন। মন-দিল ভালো থাকবে, শান্তি শান্তি ফিল হবে ইনশাআল্লাহ।
১। সব নামাজ আউয়াল ওয়াক্তে পড়ে ফেলবেন। মনকে প্রফুল্ল আর ঝরঝরে রাখার অসাধারণ নুসখা এটা। যারা রেগুলার নামাজ পড়েন ওয়াক্ত হয়ে গেলেই তাদের ব্রেনে নামাজের সিগন্যাল চলে আসে। তখন অন্য যেকোনো কাজ করতে গেলেই দেখবেন তাড়াহুড়ো লাগবে বা পেরেশানি কাজ করবে।
২। প্রতিদিন কিছু না কিছু কারো উপকারে আসার চেষ্টা করবেন। সাধ্যমতো দান করুন, মায়ের কাপড়টা ধুয়ে দিন।রিক্সাওয়ালাকে ভাড়ার চাইতে কিছু বাড়িয়ে দিন, চলাচলের রাস্তা থেকে ময়লা সরিয়ে দিন। এই ছোট কাজগুলো মনের মধ্যে অন্যরকম শান্তি এনে দেয়।
৩। উপকার করবেন কোনো রকম এক্সপেকটেশন ছাড়া। ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ দেন, বান্দা না। এই কথাটা মাথায় রাখলে কারো জন্য অনেক করেও বৃথা মনে হবেনা। তার অবহেলা গুলো আর কষ্ট দিবেনা, ইনশাআল্লাহ।
৪। নিজেকে কারো সাথে তুলনা করবেন না। কারো সম্পদ আছে সুস্থতা নেই, কারো সুস্থতা আছে সম্পদ নাই। কারো আবার সবই আছে কিন্তু আমল নাই। সবার জার্নি আলাদা।
৫। অযথা বেশি সময় ফোনে স্ক্রলিং করা বাদ দিন। এতে শরীর অলস লাগে, কাজ জমে যায়। এরপর একসাথে সব কাজ শেষ করতে গেলে চাপ মনে হয় তখন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
৬। সারাদিন একটু একটু করে কাজ না করে দিনের একাংশে সব কাজ শেষ করে বাকি সময় পরিপাটি থাকুন। রং জ্বলা, আধাতেনা কাপড় বাদ দিয়ে ভালো কাপড় পরুন, সুগন্ধি মাখুন। মন একদম ফুরফুরা লাগবে। পরিবারের সদস্যদের কাছে আলাদা আপনার একটা মান থাকবে।
৭। সবশেষে সবচেয়ে দামী একটা টিপস দিয়ে যাই...
সবকিছুকে সহজভাবে নিবেন। সে আমার সাথে কিভাবে এটা করতে পারলো? বা জীবনটা হঠাৎ এত এলোমেলো হয়ে গেলো কেন? এরকম কোনো ব্যাপারেই বেশি আশা রাখবেন না।
বরং এটা মেনে নিবেন যে, মানুষ মাত্রই ভুল করে তাই যেকেউ যেকোনো কিছু বলতে পারে। দুনিয়া তো জান্নাত না তাই যখন তখন যেকোনো পরীক্ষা আসতেই পারে। তাহলে হঠাৎ করে ধাক্কা লাগবেনা। সহজেই মানসিকভাবে সামলে উঠে আগে বাড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
©️sadia samha
16/04/2026
পারবেন ইনশাআল্লাহ, অনেক অভিভাবকের মনেই এক প্রশ্ন: “আমার সন্তান যদি হিফয শুরু করে, তাহলে কি একাডেমিক পড়ায় পিছিয়ে পড়বে না?
আমরা আপনার সন্তানকে পড়াব
আপনাকে টেনশন দিব না 🙆
প্লে থেকে লেভেল 1 এর মধ্যে কুরআনে কারীম দেখে দেখে খতম। লেভেল 5 এর মধ্যে বাংলা গণিত ইংরেজি সহ হাফেজে কোরআন হবে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার পর হাফেজে কোরআন অথবা ভালো স্কুলে ভর্তি করাতে পারবেন।
🚦 মিরপুর ৬০ ফিট
👉আমরা সর্বপ্রথম আপনার সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। 🔐
👉আপনার সন্তান পড়ে না , পড়া পারে না, অমনোযোগী এ বিষয়গুলোতে আমরা আপনাকে সাথে নিয়ে কাজ করব। 🤝
👉নিয়মতান্ত্রিকভাবে পড়াশোনার প্রত্যেকটা আপডেট আপনাকে জানানো হবে। 💯
👉পঞ্চম শ্রেণীর মধ্যে হাফেজে কুরআন হিসেবে তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।💯
👉 ইংরেজিতে শতভাগ গুরুত্ব প্রদান। প্রতিদিন স্পোকেন ক্লাস। ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব।
🔴আমাদের বিভাগ সমূহ:-
🟠কিন্ডারগার্টেন বিভাগ
(প্লে থেকে লেভেল 5 )
🟠নূরানী বিভাগ (কায়েদা)
🟠নাজেরা বিভাগ (কুরআন মাজিদ)
🟠হিফজুল কুরআন বিভাগ (কুরআন মুখস্থ করণ)
🟠নসিহা (কাউন্সিলিং) বিভাগ
🟠মোবাইলে আসক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কাউন্সিলিং থেরাপি বিভাগ
বি: দ্র: শুধুমাত্র মেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়।
সম্পুর্ণ নারী ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান!
🔴হিফজুল কুরআন বিভাগের বৈশিষ্ট্য:-
👉গ্রুপ ভিত্তিক পাঠদান
👉দৈনিক মশকের ব্যবস্থা
👉বেফাক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
🔴 এরাবিক সেকশন :ইতমিনান কারিকুলাম
🔴 জেনারেল সেকশন :NCTB কারিকুলাম 💯 অনুসরণ🔴
আপনার সন্তানকে জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি হাফেজে কুরআন বানানোর জন্য ইতমিনান কারিকুলামের বিকল্প নেই
Your child is our amanah
16/04/2026
প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে আর্দশ সময় কাটান
মোবাইল বন্ধ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে নিজের সন্তানকে একবার বলুন, পরের বিশ মিনিট শুধু আমরা দুজন গল্প করবো। কী করবো এখন আমরা দুজন? তাকেই ঠিক করতে দিন। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের নাকাল হওয়ার তো শেষ নেই, কিন্তু এই বিশ মিনিটের জন্য তাকে প্রাধান্য দিন এবং তাকেই জিততে দিন। চাপা হাসি মনের তিক্ততা, বিদ্বেষ আর অশান্তি দূর করে। তাই তাকে আশ্বস্ত করুন নিরীহ খেলা ও হাসির মাধ্যমে।
বালিশ দিয়ে মারামারি খেলুন, কুস্তি করুন, পাশাপাশি শুয়ে থাকুন। তাকে ছোটাছুটি করতে, চেঁচামিচি করতে, তার প্রিয় কাজগুলো করতে দিন।কিছু সময় সাহাবীদের জিন্দেগী নিয়ে কথা বলুন,নবীদের জিবনী শুনান,একে অন্যকে তিলাওয়াত শুনান,নিজের অনুভূতি গুলি সন্তান কে বলুন, তার সব অনুভূতিগুলোকে আদর দিন। নিজের শতভাগ তাকে দিন। শিশুরা যখন জানবে, প্রতিদিন তাদের বাবা-মায়ের কাছে তারা একটা নির্দিষ্ট বিশেষ সময় পাবে খেলাধুলা করার জন্য, সেটা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে, তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে এবং সেটা তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে।
সন্তান প্রতিষ্ঠান এ আসার সময় সচেতন অভিভাবকের মত তার ব্যাগ চেক করুন,মাঝে মাঝে হটাৎ তার লকার চেক করতে আসুন।তার আড়ালে তার ডায়েরি চেক করুন।
একটি চারা গাছ যেমন যত্নের অভাবে নেতিয়ে যায়,বড় গাছের পাতা ঝড়ে যায়।এমন যেন আমাদের সন্তানের সাথে আমাদের সম্পর্ক না হয়,ছোট হলে এক রকমের যত্ন, একটু বড় হতে থাকলো একটু বেশি যত্ন শুধু শারিরীক যত্ন নয়,খাওয়া দাওয়া,পড়ালিখার পাশাপাশি মানসিক যত্নের ও খুব প্রয়োজন।
আল্লাহ পাক আমাদের আদরের কলিজা গুলিকে আমাদের চক্ষুশীতল কারী সন্তান হিসাবে কবুল করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1216