EduVista Institute-BIISI

EduVista Institute-BIISI

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EduVista Institute-BIISI, Education, জলঢাকা, নীলফামারী, Dhaka.

10/06/2026

বৃত্ত (Circle) সম্পর্কে সম্পূর্ণ আলোচনা — চাকরির পরীক্ষার জন্য

১. বৃত্ত কী?

একটি নির্দিষ্ট বিন্দু (কেন্দ্র) থেকে সমদূরবর্তী সকল বিন্দুর সমষ্টি দ্বারা গঠিত বন্ধ বক্ররেখাকে বৃত্ত বলে।

২. বৃত্তের বিভিন্ন অংশ

কেন্দ্র (Center)

বৃত্তের মাঝখানের নির্দিষ্ট বিন্দু।

ব্যাসার্ধ (Radius)

কেন্দ্র থেকে পরিধির যেকোনো বিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব।

চিহ্ন: r

ব্যাস (Diameter)

কেন্দ্র দিয়ে অতিক্রম করে পরিধির দুই বিন্দুকে যুক্তকারী বৃহত্তম জ্যা।

চিহ্ন: d

সম্পর্ক: d=2r

জ্যা (Chord)

পরিধির দুই বিন্দুকে যুক্তকারী রেখাংশ।

চাপ (Arc)

পরিধির একটি অংশ।

পরিধি (Circumference)

বৃত্তের চারপাশের মোট দৈর্ঘ্য।

৫. গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

ব্যাসার্ধ জানা থাকলে

ব্যাস = 2r

পরিধি = 2πr

ক্ষেত্রফল = πr²

ব্যাস জানা থাকলে

ব্যাসার্ধ = d/2

পরিধি = πd

ক্ষেত্রফল = π(d/2)²

---

৬. চাকরির পরীক্ষার জন্য মুখস্থযোগ্য তথ্য

১.

ব্যাস বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।

২.

একটি বৃত্তে অসংখ্য জ্যা আঁকা যায়।

৩.

সমান জ্যা কেন্দ্র থেকে সমদূরে থাকে।

৪.

কেন্দ্রের নিকটবর্তী জ্যা বড় হয়।

৫.

ব্যাস বৃত্তকে দুই সমান অর্ধবৃত্তে ভাগ করে।

৬.

বৃত্তের সকল ব্যাস সমান।

৭.

বৃত্তের সকল ব্যাসার্ধ সমান।

---

৭. চাকরির পরীক্ষার জনপ্রিয় প্রশ্ন

প্রশ্ন ১

ব্যাসার্ধ 7 সেমি হলে পরিধি কত?

উত্তর:

C = 2πr

= 2 × 22/7 × 7

= 44 সেমি

---

প্রশ্ন ২

ব্যাসার্ধ 7 সেমি হলে ক্ষেত্রফল কত?

A = πr²

= 22/7 × 7 × 7

= 154 বর্গ সেমি

---

প্রশ্ন ৩

একটি বৃত্তের পরিধি 44 সেমি হলে ব্যাসার্ধ কত?

44 = 2 × 22/7 × r

r = 7 সেমি

---

প্রশ্ন ৪

ক্ষেত্রফল 154 বর্গ সেমি হলে ব্যাসার্ধ কত?

154 = 22/7 × r²

r² = 49

r = 7 সেমি

---

৮. বৃত্তের খণ্ড (Sector)

কেন্দ্রে θ কোণ উৎপন্ন করলে খণ্ডের ক্ষেত্রফল:

A=\frac{\theta}{360^\circ}\pi r^2

---

৯. চাপের দৈর্ঘ্য

L=\frac{\theta}{360^\circ}\times 2\pi r

---

১০. বৃত্ত সম্পর্কিত MCQ

১. বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা কোনটি? উত্তর: ব্যাস

২. ব্যাসার্ধ 10 সেমি হলে ব্যাস কত? উত্তর: 20 সেমি

৩. পরিধির সূত্র কোনটি? উত্তর: 2πr

৪. ক্ষেত্রফলের সূত্র কোনটি? উত্তর: πr²

৫. π-এর প্রায়মান কত? উত্তর: 3.1416

৬. বৃত্তের সব ব্যাসার্ধ কি সমান? উত্তর: হ্যাঁ

বিষয় সূত্র

ব্যাস 2r
ব্যাসার্ধ d/2
পরিধি 2πr
ক্ষেত্রফল πr²
অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল ½πr²
অর্ধবৃত্তের পরিধি πr+2r
খণ্ডের ক্ষেত্রফল (θ/360)πr²
চাপের দৈর্ঘ্য (θ/360)×2πr

চাকরির পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে: ব্যাস, ব্যাসার্ধ, জ্যা, পরিধি, ক্ষেত্রফল, π-এর মান, খণ্ডের ক্ষেত্রফল এবং চাপের দৈর্ঘ্য। এগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বৃত্ত অধ্যায়ের অধিকাংশ প্রশ্ন সমাধান করা যায়।

Photos from EduVista Institute-BIISI's post 20/05/2026

মুসলিম চিত্রকলা

Photos from EduVista Institute-BIISI's post 18/05/2026

মুসলিম চিত্রকলা এর ক্রমবিকাশ ও কাল্পনিক চিত্রকর্ম।

10/05/2026

"হিমারীয় মুদারীয় দ্বন্দ্ব "

---

হিমারীয়-মুদারীয় দ্বন্দ্ব: আরব ইতিহাসের এক প্রভাবশালী সংঘাত

ভূমিকা

হিমারীয় (Himyarite) এবং মুদারীয় (Mudarite) জনগোষ্ঠী প্রাচীন আরব বিশ্বের দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠী। এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, এবং সামরিক দ্বন্দ্বের কারণে আরব উপদ্বীপে এক সময় বিশাল সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্ব শুধু তাদের সময়কালেই নয়, বরং পরবর্তী আরব সমাজের গঠনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই গবেষণাপত্রে আমরা হিমারীয় ও মুদারীয় জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, দ্বন্দ্বের মূল কারণ, এবং এর ফলাফল নিয়ে আলোচনা করব।

১. হিমারীয় জনগোষ্ঠী

উৎপত্তি ও ইতিহাস

হিমারীয় জনগোষ্ঠীর উৎপত্তি দক্ষিণ আরবের ইয়েমেন অঞ্চলে। খ্রিস্টপূর্ব ২য় সহস্রাব্দ থেকে শুরু করে হিমিয়ার রাজবংশ একটি শক্তিশালী রাজ্য হিসাবে গড়ে ওঠে। এরা সমুদ্রবাণিজ্যের মাধ্যমে সমৃদ্ধি লাভ করে, বিশেষ করে ভারত ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীতে হিমিয়ার শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তারা সবার উপরে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হয়।

ভৌগোলিক অবস্থান

হিমারীয়রা ইয়েমেনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। বিশেষ করে সানা ও তার আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে তাদের শাসন ছিল। তারা তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এবং বাণিজ্যিক সুবিধা পেত।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি

হিমারীয় রাজ্য সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছায় তাদের বাণিজ্যিক ক্ষমতার কারণে। তারা বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য, বিশেষ করে ধূপ এবং মশলা, ভারতের সাথে ইউরোপের বাণিজ্যে প্রভাব বিস্তার করত।

২. মুদারীয় জনগোষ্ঠী

উৎপত্তি ও ইতিহাস

মুদারীয়রা মধ্য আরবের প্রাচীন গোত্রের অংশ, যাদের ইতিহাসের গভীর শিকড় রয়েছে। মুদারীয় গোত্রটি আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিল এবং নিজেদের সামরিক শক্তি ও কৌশলগত স্থানে অবস্থানের মাধ্যমে প্রভাবশালী ছিল। মুদারীয়দের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আরব গোত্রের শিকড় পাওয়া যায়।

ভৌগোলিক বিস্তার

মুদারীয়রা মধ্য ও উত্তর আরবের একটি বিশাল অঞ্চল দখল করত। তারা মূলত আধুনিক সৌদি আরবের হেজাজ অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত ছিল। আরবের এই অংশে বাণিজ্যিক ও সামরিক পথগুলোতে তাদের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ছিল।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো

মুদারীয়রা একাধিক গোত্রে বিভক্ত ছিল, এবং এই গোত্রগুলো তাদের অঞ্চলে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। মুদারীয় সমাজ সামরিকভাবে শক্তিশালী ছিল এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত ছিল।

৩. দ্বন্দ্বের উৎপত্তি

মূল কারণ

হিমারীয় এবং মুদারীয়দের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল কারণ ছিল সম্পদ এবং ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ। বাণিজ্যিক পথ এবং জলাশয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এছাড়াও, তাদের কৌশলগত অবস্থান এবং সামরিক ক্ষমতা দ্বন্দ্বের মূল চালিকাশক্তি ছিল।

সম্পদ এবং ক্ষমতার জন্য লড়াই

দুই গোষ্ঠীরই লক্ষ্য ছিল নিজেদের বাণিজ্য পথ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ করা। বিশেষ করে হিমারীয়দের সমুদ্রবাণিজ্য এবং মুদারীয়দের স্থলপথ বাণিজ্য নিয়ে সংঘাত এই দ্বন্দ্বের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।

ধর্ম এবং সংস্কৃতি

যদিও হিমারীয়রা মূলত ইহুদি ধর্মাবলম্বী ছিল এবং মুদারীয়রা প্যাগান আরবদের ধর্ম মেনে চলত, ধর্মীয় পার্থক্য দ্বন্দ্বের অন্যতম প্রভাবক ছিল না। বরং সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পার্থক্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

৪. দ্বন্দ্বের উন্নয়ন

মুখোমুখি সংঘর্ষ

দ্বন্দ্বের সময় উভয় পক্ষই বিভিন্ন যুদ্ধে জড়ায়। এই যুদ্ধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল বাণিজ্যিক পথে নিয়ন্ত্রণের জন্য সংঘর্ষ।

কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং ব্যর্থতা

দুই গোষ্ঠীর মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হলেও, তা মূলত ব্যর্থ হয়েছিল। তাদের মধ্যে মিত্রতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং সামরিক সংঘর্ষই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পেয়েছিল।

৫. ফলাফল এবং প্রভাব

প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরিণতি

হিমারীয়রা শেষ পর্যন্ত মুদারীয়দের ওপর সামরিক বিজয় লাভ করে। এর ফলে হিমারীয়দের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা আরব উপদ্বীপের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

আরব উপদ্বীপের রাজনৈতিক মানচিত্রে পরিবর্তন

এই দ্বন্দ্ব আরব উপদ্বীপের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে। হিমারীয়দের বিজয়ের ফলে তারা আরও দীর্ঘমেয়াদী শাসনের সুযোগ পায় এবং বাণিজ্যিক পথগুলোতে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

৬. উপসংহার

হিমারীয়-মুদারীয় দ্বন্দ্ব আরব ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা শুধু সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেই নয় বরং ভবিষ্যতের আরব সমাজের গঠনে প্রভাব ফেলেছিল। এই দ্বন্দ্বের ফলে আরব উপদ্বীপের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন ঘটে এবং বাণিজ্যিক শক্তির ভারসাম্য স্থানান্তরিত হয়।

রেফারেন্স:

1. Hoyland, Robert G. Arabia and the Arabs: From the Bronze Age to the Coming of Islam. Routledge, 2001.

2. Korotayev, Andrey. "Ancient Yemen: Some General Trends of the Evolution of the Sabaic Language and Sabaean Culture." Journal of Semitic Studies, vol. 43, no. 2, 1998, pp. 203–207.

3. Robin, Christian Julien. South Arabia and the Yemen in Antiquity. Cambridge University Press, 2019.

4. Serjeant, R.B. "The Himyarite Dynasty of Yemen." Bulletin of the School of Oriental and African Studies, vol. 30, no. 1, 1967, pp. 50–62.

EduVista Institute-BIISI
Bangladesh Institute of Integrated Services & Innovation

08/05/2026

কর্ডোভাকে মধ্যযুগীয় ইউরোপের 'বাতিঘর' বলা হয় কেন

মধ্যযুগীয় ইউরোপ, প্রায় ৫ম থেকে ১৫শ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালের অন্তর্ভুক্ত, যাকে প্রায়ই ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হয়। এই সময়ে ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চল রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও সামাজিক পতনের সম্মুখীন হয়েছিল। কিন্তু ইউরোপের দক্ষিণে, বর্তমান স্পেনের একটি শহর, কর্ডোভা, একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উপস্থাপন করেছিল। কর্ডোভা মধ্যযুগের ইউরোপে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান চর্চার এক উজ্জ্বল বাতিঘর হিসাবে পরিচিত ছিল।

কর্ডোভার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

৮ম শতকের শুরুতে কর্ডোভা ছিল ওমাইয়া খিলাফতের অধীনস্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে মুসলিমরা স্পেনে প্রবেশ করে এবং কর্ডোভা ধীরে ধীরে মুসলিম শাসনের অধীনে একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী কেন্দ্রে পরিণত হয়। বিশেষ করে ১০ম ও ১১শ শতাব্দীতে, যখন কর্ডোভা ওমাইয়া শাসকদের অধীনে ছিল, তখন এটি মধ্যযুগীয় ইউরোপের সবচেয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধ নগরী হয়ে ওঠে।

শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে কর্ডোভা:

কর্ডোভায় ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার পরেই শিক্ষার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। মুসলিমরা শিক্ষা ও বিজ্ঞানকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিল, যা কর্ডোভায় বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার এবং গবেষণাগারের প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল। কর্ডোভায় প্রতিষ্ঠিত বৃহৎ গ্রন্থাগারগুলির মধ্যে একটিতে প্রায় ৪ লক্ষ বই ছিল বলে জানা যায়। তখনকার ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ যেখানে অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের মধ্যে ছিল, সেখানে কর্ডোভা ছিল জ্ঞানের উজ্জ্বল আলোকস্থল।

বিদ্যার প্রসার:

কর্ডোভা শুধুমাত্র মুসলিম জ্ঞানীরাই নয়, খ্রিস্টান এবং ইহুদি পণ্ডিতরাও এখানে পড়াশোনা ও গবেষণা করার জন্য আসত। এই শহরে বিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, দর্শন, চিকিৎসা, এবং ভাষাবিজ্ঞান চর্চার জন্য অনেক প্রসিদ্ধ আলেম তৈরি হয়েছিল। ইবনে রুশদ, ইবনে সিনা, এবং জাহজারি সহ আরও অনেক বিজ্ঞানী ও পণ্ডিতরা কর্ডোভা থেকে ইউরোপ ও বিশ্বের অন্যান্য অংশে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন।

দার্শনিক চিন্তাধারা:

কর্ডোভায় গ্রিক ও রোমান দার্শনিক চিন্তাধারা পুনরায় চর্চা করা হতো। মুসলিম পণ্ডিতরা প্রাচীন গ্রিক ও রোমান দার্শনিক গ্রন্থগুলো অনুবাদ করে সংরক্ষণ করেন এবং সেই জ্ঞানের ওপর নতুন মতবাদ ও চিন্তাধারা যোগ করেন। কর্ডোভার এই দার্শনিক চর্চা পরবর্তীতে ইউরোপের রেনেসাঁর পটভূমি প্রস্তুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

স্থাপত্য ও সংস্কৃতি:

কর্ডোভা কেবল শিক্ষা ও বিজ্ঞানেই নয়, স্থাপত্য ও সংস্কৃতিতেও এক বিশেষ স্থান অর্জন করেছিল। কর্ডোভার বিখ্যাত মসজিদ, যা মেসকিতা নামে পরিচিত, তার অপূর্ব নকশা ও শিল্পকর্ম দ্বারা চমৎকৃত করে। এই মসজিদটি বিশ্বজুড়ে এক অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন হিসাবে স্বীকৃত। মুসলিম স্থাপত্যশৈলী, অঙ্কন ও শিল্পকলার উপর কর্ডোভার প্রভাব ছিল ব্যাপক। এছাড়াও, সংগীত, সাহিত্য ও কবিতার ক্ষেত্রেও এই শহরটি একটি মহান কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

কর্ডোভার ভূমিকা মধ্যযুগীয় ইউরোপের জন্য:

ইউরোপের বাকি অংশ যখন অন্ধকারে ছিল, তখন কর্ডোভা ছিল এক আলোকিত নগরী। এখানকার জ্ঞান, সংস্কৃতি এবং উন্নয়নশীলতা মধ্যযুগের ইউরোপে নবজাগরণের বীজ বপন করেছিল। শিক্ষার প্রসার এবং সভ্যতার উন্নয়নের ক্ষেত্রে কর্ডোভার ভূমিকা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে অনেকেই একে ‘মধ্যযুগীয় ইউরোপের বাতিঘর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইউরোপের অনেক শিক্ষার্থী ও পণ্ডিত কর্ডোভার জ্ঞানী ও শিক্ষিতদের থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশে ফিরতেন এবং সেখানেও শিক্ষার আলো ছড়াতেন।

উপসংহার:

মধ্যযুগের ইউরোপ যখন একদিকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও জ্ঞানহীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, তখন কর্ডোভা হয়ে ওঠে এক উজ্জ্বল আলোর উৎস। এ কারণেই কর্ডোভাকে ‘মধ্যযুগীয় ইউরোপের বাতিঘর’ বলা হয়। কর্ডোভার শিক্ষাগত, সাংস্কৃতিক ও স্থাপত্যিক অবদান আজও বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

EduVista Institute-BIISI
Bangladesh Institute of Integrated Services & Innovation

08/05/2026

ইদ্রিসীয়দের পরিচয় দাও। সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে তাদের অবদান আলোচনা কর।

ইদ্রিসীয় রাজবংশ: পরিচয় ও সভ্যতায় অবদান

ইদ্রিসীয় রাজবংশ ছিল উত্তর আফ্রিকার প্রথম স্বাধীন ইসলামিক রাজবংশ, যারা বর্তমান মরক্কোতে ৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ ছিলেন নবী মুহাম্মদ (স.)-এর সরাসরি বংশধর। ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মদিনায় আব্বাসীয় খিলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন, কিন্তু পরাজয়ের পর পালিয়ে মরক্কোতে আসেন এবং সেখানে তার রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। ইদ্রিসীয় রাজবংশ মূলত শিয়া ইসলামের আলাউই শাখার অনুসারী ছিল এবং তাদের শাসনকালে ইসলামের প্রসার ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

ইদ্রিসীয়দের সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক অবদান

১. শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চায় অবদান:

ইদ্রিসীয় রাজবংশের শাসনকালে শিক্ষা এবং জ্ঞান চর্চার প্রসার ঘটে। ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচিত হয়, যা আজও বিদ্যমান। এটি ইসলামী জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন, এবং ধর্মীয় শিক্ষার জন্য অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল। আল-কারাউইন শুধুমাত্র ইসলামিক শিক্ষার জন্য নয়, বরং গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো বিষয়েও শিক্ষা প্রদান করত, যা পশ্চিমা এবং ইসলামী বিশ্বকে সংযুক্ত করতে সহায়ক ছিল।

ফেস শহর ইদ্রিসীয় শাসনকালে বিদ্যমান হয়ে ওঠে জ্ঞান, বাণিজ্য এবং শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে। ফেস ছিল ইসলামী বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যেখানে বিভিন্ন ভাষা এবং সংস্কৃতির লোকজন একত্রিত হয়ে জ্ঞান বিনিময় করত। এ শহরে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ এবং মাদ্রাসাগুলো ইসলামিক সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।

২. স্থাপত্য ও নগরায়ণে অবদান:

ইদ্রিসীয় শাসকরা ফেস শহরকে কেন্দ্র করে একটি উন্নত নগর সভ্যতা গড়ে তোলেন। তারা অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা এবং অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করেন, যা ইসলামিক স্থাপত্যের অনন্য উদাহরণ। ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মসজিদ ইদ্রিসীয়দের স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মসজিদ ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এবং উত্তর আফ্রিকার অন্যতম প্রাচীন মসজিদ হিসেবে পরিচিত। এই স্থাপনাগুলো শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য নয়, বরং সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

৩. ইসলামের প্রসার ও রাজনৈতিক অবদান:

ইদ্রিসীয়রা ইসলামের প্রচার এবং প্রসারের জন্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। মরক্কোর স্থানীয় বেরবার জনগণকে তারা ইসলামের সাথে পরিচিত করান এবং অনেক বেরবার গোত্রকে ইসলামের আওতায় নিয়ে আসেন। ইদ্রিসীয় রাজবংশের শাসনকালে উত্তর আফ্রিকার অনেক অঞ্চল ইসলামীকরণের মাধ্যমে মুছলিম জনসংখ্যার একটি শক্তিশালী অংশে পরিণত হয়।

রাজনৈতিকভাবে, ইদ্রিসীয়রা আব্বাসীয় খিলাফত থেকে কার্যত স্বাধীনভাবে শাসন করতেন। তাদের শাসনকাল ছিল তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ, এবং তারা তাদের রাজ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হন। শাসনের ক্ষেত্রে তারা সুন্নি এবং শিয়া মুসলিমদের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেন।

৪. অর্থনীতি ও কৃষিতে অবদান:

ইদ্রিসীয় শাসনকালে কৃষি, বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও, ফেস শহর এবং অন্যান্য বড় শহরগুলোকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়তে থাকে। মরক্কো এবং অন্যান্য উত্তর আফ্রিকার অংশগুলোর বাণিজ্যিক পথগুলো উন্নত করা হয়, যা ইদ্রিসীয় রাজবংশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে তোলে।

৫. শিল্প ও সংস্কৃতিতে অবদান:

ইদ্রিসীয়রা শিল্প, সাহিত্য এবং সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাদের শাসনকালে মরক্কোতে শিল্প এবং কারুশিল্পের বিকাশ ঘটে। ফেস শহর, বিশেষ করে, ইসলামিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। তারা ক্যালিগ্রাফি, পটচিত্র, এবং অন্যান্য ইসলামিক শিল্পরূপের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। সেই সময়ে স্থাপত্যের পাশাপাশি শিল্প ও সাহিত্যেও ইদ্রিসীয়দের প্রভাব ছিল।

ইদ্রিসীয় রাজবংশের পতন:

ইদ্রিসীয় রাজবংশের শাসনকাল প্রায় ২০০ বছর স্থায়ী হয়। ৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে তাদের পতন ঘটে যখন ফাতিমীয় খিলাফত তাদের পরাজিত করে এবং মরক্কোর শাসনভার গ্রহণ করে। তবে ইদ্রিসীয়দের শাসনকালে গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক কাঠামো পরবর্তী শাসনব্যবস্থাগুলোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

সারসংক্ষেপ:

ইদ্রিসীয় রাজবংশ উত্তর আফ্রিকার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তারা মরক্কোতে ইসলামের প্রচার, শিক্ষা, স্থাপত্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাদের শাসনকালে উত্তর আফ্রিকার সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা আজও মরক্কোর বিভিন্ন দিক থেকে প্রতিফলিত হয়।

★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★

ইদ্রিসীয় রাজবংশের প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সভ্যতাগত ও সাংস্কৃতিক অবদান নিয়ে বিশদভাবে লিখতে সাল ও স্থান নির্দিষ্ট করে তুলে ধরা হলো:

ইদ্রিসীয় রাজবংশের ইতিহাস:

ইদ্রিসীয় রাজবংশ উত্তর আফ্রিকার প্রথম স্বাধীন ইসলামিক রাজবংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ, যিনি ৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান মরক্কোতে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সরাসরি বংশধর এবং শিয়া ইসলামের আলাউই শাখার অনুসারী।

১. ইদ্রিসীয় রাজবংশের প্রতিষ্ঠা (৭৮৯ খ্রিস্টাব্দ):

পটভূমি: ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ ছিলেন আব্বাসীয় খিলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী আলিদ দলের সদস্য। ৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি ফাখখ বিদ্রোহে অংশ নেন। বিদ্রোহটি মদিনার কাছে ফাখখের যুদ্ধ নামে পরিচিত, যেখানে আব্বাসীয় খিলাফতের সেনাবাহিনীর কাছে বিদ্রোহীরা পরাজিত হয়। পরাজয়ের পর, ইদ্রিস পালিয়ে বর্তমান মরক্কো অঞ্চলে আশ্রয় নেন।

শাসন প্রতিষ্ঠা: ৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মরক্কোর ওলীলি (Volubilis) নামক প্রাচীন বেরবার শহরে তার শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। স্থানীয় বেরবার গোত্রের সমর্থন পেয়ে তিনি একটি স্বাধীন ইসলামিক রাজ্য গড়ে তোলেন।

২. ইসলামের প্রসার ও ফেস শহরের প্রতিষ্ঠা:

ইসলামের প্রসার: ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মরক্কো অঞ্চলে ইসলামের প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্থানীয় বেরবার গোত্রের মধ্যে ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন এবং তাদের ইসলামের শৃঙ্খলে আনেন। তার পুত্র, ইদ্রিস II (যিনি ৮০৮ খ্রিস্টাব্দে শাসন গ্রহণ করেন), ইসলামিক শিক্ষা এবং সংস্কৃতির প্রসারে আরও অগ্রসর হন।

ফেস শহরের প্রতিষ্ঠা: ইদ্রিস II ৮০৮ খ্রিস্টাব্দে ফেস শহর প্রতিষ্ঠা করেন, যা ইসলামী বিশ্বের অন্যতম প্রধান শহর হয়ে ওঠে। এই শহরটি পরে একটি শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসলামিক বাণিজ্য ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধি ঘটায়।

৩. শিক্ষা ও বিজ্ঞান চর্চায় অবদান:

আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয়: ইদ্রিসীয়দের শাসনকালে, ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আজও পৃথিবীর প্রাচীনতম ক্রিয়াশীল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি মরক্কোর ফেস শহরে অবস্থিত এবং ইসলামী শিক্ষা, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, এবং অন্যান্য বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে।

৪. স্থাপত্য ও শিল্পে অবদান:

ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মসজিদ: ইদ্রিসীয় শাসকদের সময়ে, বিশেষ করে ইদ্রিস II-এর শাসনকালে, ইসলামিক স্থাপত্যের বিকাশ ঘটে। ফেস শহরে ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যা স্থাপত্যশৈলীর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। মসজিদটি ইসলামিক প্রার্থনা কেন্দ্র ছাড়াও শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল।

৫. অর্থনীতি ও কৃষিতে অবদান:

বাণিজ্য ও কৃষির উন্নতি: ইদ্রিসীয় শাসকরা কৃষি ও বাণিজ্য উন্নত করার জন্য উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থা প্রবর্তন করে মরক্কোর কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি করেন। ফেস শহরকে কেন্দ্র করে উত্তর আফ্রিকার বাণিজ্যিক পথগুলো উন্নত করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে সচ্ছলতা আনে।

৬. ইদ্রিসীয় রাজবংশের পতন (৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ):

রাজবংশের শেষ: ইদ্রিসীয় রাজবংশ প্রায় ২০০ বছর ধরে টিকে ছিল। ৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে তাদের শাসন শেষ হয়, যখন ফাতিমীয় খিলাফত তাদের পরাজিত করে এবং মরক্কোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। তবে, ইদ্রিসীয় শাসনের অধীনে যে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাঠামো তৈরি হয়েছিল, তা ফাতিমীয় এবং পরবর্তী শাসনকর্তাদের উপর গভীর প্রভাব ফেলে।

৭. ইদ্রিসীয়দের সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে অবদান:

শিক্ষা ও ধর্মীয় সংস্কৃতি: ইদ্রিসীয়রা ফেস শহরকে ইসলামিক শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন। আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা নয়, বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও অগ্রগণ্য ছিল।

স্থাপত্য ও নগরায়ণ: ফেস এবং অন্যান্য শহরগুলোতে ইদ্রিসীয়দের সময়ে যে স্থাপত্যশৈলী বিকশিত হয়, তা ইসলামিক স্থাপত্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।

উপসংহার:

ইদ্রিসীয় রাজবংশ ইসলামের প্রচার, শিক্ষা এবং সংস্কৃতিতে অপরিসীম অবদান রাখে। তারা মরক্কো এবং উত্তর আফ্রিকাকে একটি ইসলামিক সভ্যতার কেন্দ্রে পরিণত করে। ফেস শহর এবং আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা ও স্থাপত্যে তাদের প্রভাব আজও দৃশ্যমান।

EduVista Institute-BIISI
Bangladesh Institute of Integrated Services & Innovation

Photos from EduVista Institute-BIISI's post 07/05/2026

চিত্রকলা ও ভাস্কর্য নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এবং মুসলিম চিত্রকলা ও ভাস্কর্যের অগ্রগতি।

Photos from EduVista Institute-BIISI's post 06/05/2026

Definition of Painting
___________________________
1. The process or art of using paint, either in a picture or as decoration.

2. The process, art, or occupation of coating surfaces with paint for a utilitarian or artistic effect.

3. A picture or design in paint.

4. The art or process of applying paints to a surface such as canvas, to make a picture or other artistic composition.

5. A composition or picture made in this way.

6. The act of applying paint to a surface with a brush.

_______________________

So we define, Painting is the practice of applying paint, pigment, color, or other medium to a surface (such as wall, paper, canvas, wood, glass, clay & copper). Painting is a mode of expression and the forms are numerous.

Classification of Paintings

Mainly 3 kindIsl.
1.Mosaic ornamentation
2. Fresco painting
3. Manuscript illustration or Miniature Architecture

What is the Islamic painting?
What is Islam & who is Muslim?

Difference between Islam and Muslim

Reasons for development of Islamic painting

Characteristics of Islamic painting

Attitude of Islam towards painting

_________________________________

What is Islam & who is Muslim?

Islam is the name or definition of a religion and Muslim is the follower of that religion.

Difference between Islam and Muslim

1. Islam is the definition of a religion and Muslim is the definition of the followers of that religion.

2. Islam is a universal word which is not divided, but the word Muslim can be divided by geographical boundary and culture, such as Arab Muslim, Persian Muslim, Indian Muslim, etc.

3. Universally, the followers of Islam have some special characteristics which are the same in all Muslim countries of the world. Such as:

All Muslims believe that Allah is one

The Quran is their holy religious book

All obey and believe in the Five Pillars of Islam

On the other hand, geographically, culturally, and socially, Muslims have different characteristics which are known by various names, such as Arabian, Persian, Indian, Turkish, Mongol, etc.

What is the Islamic painting?

We see the universal and geographical and cultural differences in the field of painting like the word Islam and Muslim. Such as, in the field of Muslim religious architecture: universal features are arch, dome, minbar, mihrab, etc.

In the field of painting, universal features are:

Arabesque

Geometrical design

Natural scene

Vegetal motifs

Calligraphy

There are also some local features in this painting.

So, the painting which is developed among Muslim people universally is called in the name of religion "Islamic painting". But due to differences of geography, nationality, and the name of rulers' dynasty, it is known as Arab painting, Persian painting, Indian painting. According to dynasty—Ottoman painting, Muzaffarid painting, Safavid painting, Mamluk painting, and by the name of nationality Mongol painting.

Generally, we can say the Islamic or Muslim painting is that painting which originated or developed in Muslim populated areas under Muslim rulers, with the participation of Muslim or non-Muslim artists.

In a word, we can say, which is Muslim painting, that is Islamic painting.

Painting-এর সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ইসলাম ও মুসলিমের পার্থক্য এবং Islamic Painting-এর ধারণা, বৈশিষ্ট্য ও বিকাশের কারণ আলোচনা কর।

ভূমিকা: Painting বা চিত্রকলা মানব সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পমাধ্যম। এটি মানুষের অনুভূতি, চিন্তা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটায়। বিশেষ করে ইসলামিক সভ্যতায় চিত্রকলার একটি স্বতন্ত্র ধারা গড়ে ওঠে, যা “Islamic Painting” নামে পরিচিত।

Painting-এর সংজ্ঞা : Painting বলতে বোঝায়—

রং (paint), রঞ্জক (pigment), রঙ বা অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো পৃষ্ঠে (surface) ছবি বা নকশা তৈরি করার প্রক্রিয়া বা শিল্প।

এটি হতে পারে শিল্পমূলক (artistic) অথবা ব্যবহারিক (decorative)।

➤ সংক্ষেপে:

Painting is the practice of applying paint, pigment, color or other medium to a surface such as wall, paper, canvas, wood, glass, clay and copper.

👉 Painting একটি শক্তিশালী expression বা প্রকাশের মাধ্যম।

🎨 Painting-এর প্রকারভেদ

Painting সাধারণত ৩ প্রকার:

1. Mosaic Ornamentation
ছোট ছোট পাথর, কাচ বা টাইলস দিয়ে নকশা তৈরি।

2. Fresco Painting
ভেজা প্লাস্টারের উপর রং দিয়ে আঁকা চিত্র।

3. Manuscript Illustration / Miniature Painting
বই বা পাণ্ডুলিপির মধ্যে ছোট আকারের চিত্র।

🕌 ইসলাম ও মুসলিম

Islam হলো একটি ধর্মের নাম।
Muslim হলো সেই ধর্মের অনুসারী।

⚖️ ইসলাম ও মুসলিমের পার্থক্য
1. ইসলাম একটি ধর্মের সংজ্ঞা, আর মুসলিম সেই ধর্মের অনুসারী।
2. ইসলাম একটি সার্বজনীন ধারণা, কিন্তু মুসলিমদের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ভাগ করা যা

যেমন: Arab Muslim
Persian Muslim
Indian Muslim

3. সব মুসলিমের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে:

আল্লাহ এক — এই বিশ্বাস
কোরআন পবিত্র গ্রন্থ
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ মানা

👉 তবে ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক কারণে মুসলিমদের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়—যেমন Arabian, Persian, Turkish, Mongol ইত্যাদি।

🖌️ Islamic Painting কী?

Islamic Painting বলতে সেই চিত্রকলাকে বোঝায়—

যা মুসলিম সমাজে বিকশিত হয়েছে

মুসলিম শাসনের অধীনে গড়ে উঠেছে

মুসলিম বা অমুসলিম শিল্পীদের অংশগ্রহণে তৈরি হয়েছে

👉 অর্থাৎ, মুসলিম সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রভাবযুক্ত চিত্রকলাই Islamic Painting।

🌍 Islamic Painting-এর বৈশিষ্ট্য

Islamic Painting-এ দুই ধরনের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়—

➤ সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য:

Arabesque (লতাপাতা নকশা)

Geometrical design

Natural scene

Vegetal motifs

Calligraphy

➤ স্থানীয় বৈশিষ্ট্য:

অঞ্চলভেদে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন

সংস্কৃতি অনুযায়ী ভিন্নতা

🏛️ নামকরণ

Islamic Painting বিভিন্নভাবে পরিচিত—

➤ অঞ্চলভিত্তিক:

Arab painting

Persian painting

Indian painting

➤ রাজবংশভিত্তিক:

Ottoman painting

Safavid painting

Mamluk painting

Muzaffarid painting

➤ জাতিগতভাবে:

Mongol painting

📌 Islamic Painting-এর বিকাশের কারণ

1. মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা

2. রাজপ্রাসাদ ও স্থাপত্য সজ্জার প্রয়োজন

3. পাণ্ডুলিপি অলংকরণ

4. ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব

5. বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পের মিশ্রণ

---

⚠️ ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি (Attitude towards Painting)

জীবন্ত প্রাণীর চিত্র অঙ্কনের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে

তবে নিচের বিষয়গুলো উৎসাহিত হয়েছে—

Calligraphy

Geometric design

Arabesque decoration

👉 ফলে Islamic Painting-এ অলংকারধর্মী শিল্প বেশি গুরুত্ব পায়।

---

📌 উপসংহার

Islamic Painting একটি স্বতন্ত্র শিল্পধারা, যা মুসলিম সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং নান্দনিক রুচির প্রতিফলন। এটি একদিকে যেমন সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, অন্যদিকে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়।

👉 সংক্ষেপে বলা যায়:
যে চিত্রকলা মুসলিম সমাজে বিকশিত হয়েছে, সেটিই Islamic Painting।

---

📚 References

1. Honour, H., & Fleming, J. – A World History of Art
2. Ettinghausen, R. – Islamic Art and Architecture
3. Blair, S. S., & Bloom, J. M. – The Art and Architecture of Islam
4. Encyclopaedia Britannica – “Painting” & “Islamic Art”
5. The Metropolitan Museum of Art – Islamic Art Section

06/05/2026

📌 ধ র্ষ ণে র মুহূর্তে নিজেকে রক্ষা করার উপায় : ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ ১. ভীত হয়ে প্রথমেই গা ছেড়ে না দিয়ে যতোটা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রাখুন।

২. ধাক্কা, থাপ্পড়, আঁচড় না দিয়ে...পারলে নাক বরাবর ঘুষি দিন। হাত মুষ্ঠি ঘুষি নয়, আঙ্গুল প্যারালাল রেখে লম্বালম্বি ঘুষি। এতে সে বেশ কিছুক্ষণের জন্যে ব্যালেন্স হারাবে।

৩. যতোটা সম্ভব পুরো সময়টা চিৎকার করুন।

৪. জোরে তালি দেওয়ার মতো করে দুই হাত দিয়ে একই সাথে তার দুই কানে জোরে থাপ্পড় দিন। এতে সে পুরো ব্যালেন্স হারাবে।

৫. যখন সে আপনার দুই হাতের উপর হাত রেখে মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসবে, তখন কপাল দিয়ে তার মুখে জোরে আঘাত দিন৷ এতে তার দাঁত দিয়েই তার ঠোঁট ও জিহ্বা কেঁটে যাবে।

৬. কাপড়ে সেফটি পিন বা হিজাব পিন থাকলে ঠান্ডা মাথায় সেগুলো গলায় ঢুকিয়ে দিন। অজ্ঞান হয়ে যাবে।

৭. ধর্ষক যখন উভয়ের কাপড় অপসারণ করবে, সুযোগ বুঝে তার অন্ডকোষ বরাবর আপনার হাঁটু দিয়ে কিক করুন। এতে সে লুটিয়ে পড়বে।

৮. চুলে চিকন ক্লিপ থাকলে সেগুলো একটু কৌশলে গলায় অথবা কানের গোড়ায় ঢুকিয়ে দিন। এতে অজ্ঞান হয়ে যাবে।

৯. আপনার হাত বেঁধে ফেলার আগেই শেষ অস্ত্র আপনার হাত৷ দুই হাতের তর্জনী আঙুল ধর্ষকের দুই চোখের গোঁড়ায় সোজাসুজি প্রেসার দিয়ে ঢুকিয়ে চোখ নষ্ট করে দিন।

১০. স্মার্টফোনে অবশ্যই ইমার্জেন্সি সতর্কবার্তা (SOS) চালু করে রাখুন।

📌 সেফটির জন্য ছোটখাটো ছু*রি, হিজাব পিন, মরিচের গুড়া, ইত্যাদি সাথে রাখতে পারেন। আপনার সম্মানের কাছে পৃথিবীর সব খারাপ অপশক্তি কিছুই না!

📌 মনে রাখবেন, প্রধান লক্ষ্য হলো পালানো, আক্রমণকারীকে শেষ করে দেওয়া নয়। সুযোগ পেলেই দৌড়ে জনসমাগমে চলে যান।

📌 উপরের কৌশলগুলো শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও সব সময় কাজ নাও করতে পারে। ধর্ষণের সময় অনেক সময় অচল অবস্থায় আক্রমণ হয়। কোনো কৌশল কাজ না করলে নিজেকে দোষ দেবেন না, এটার জন্য শুধু ধর্ষক দায়ী।

📌 বোন নিজেকে দোষারোপ করে শেষ করে দিবেন না। আপনি নিষ্পাপ, আপনার এখানে বিন্দুমাত্র দোষ নেই। মনে রাখবেন–বান্দার হক কখনো আল্লাহ্ ক্ষমা করেন না, বরং বান্দার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হয়। এমনও হতে পারে–কাল কিয়ামতে এই জঘন্য কাজের জন্য তার জীবনের সকল সওয়াব আপনাকে দিয়ে দিতে হবে এবং আপনার জীবনের সকল গোনাহ্ তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। আপনি হযে যাবে নিষ্পাপ। (সংগৃহীত)

— 💌 পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন, এবং ফলো করে EduVista Institute-BIISI এর সাথেই থাকুন।

05/05/2026

1. Topsy-turvy [টপ্সি-টার্ভি] – উলটপালট/অগোছালো
2. Hanky-panky [হ্যাঙ্কি-প্যাঙ্কি] – চালাকি/সন্দেহজনক আচরণ
3. Hanky-lanky [হাংকি-ল্যাংকি] - ধূর্ত বা অসৎ
4. Higgledy-piggledy [হিগুলডি-পিগুলডি] – এলোমেলো/বিশৃঙ্খলা
5. Helter-skelter [হেলটার-স্কেলটার] – হুড়মুড়/অগোছালো
6. Willy-nilly [উইলি-নিলি] – অনিচ্ছাসত্ত্বেও/যাই হোক না কেন
7. Chit-chat [চিট-চ্যাট] – গল্পগুজব
8. Dilly-dally [ডিলি-ডালি] – সময় নষ্ট করা/হেলাফেলা
9. Fat-cat [ফ্যাট-ক্যাট] - ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি
10. Flim-flam [ফ্লিম-ফ্ল্যাম] – প্রতারণা/মিথ্যা কথা
11. Flip-flop [ফ্লিপ-ফ্লপ] – মত পরিবর্তন/স্যান্ডেল
12. Fiddle-faddle [ফিডল-ফ্যাডেল] – বাজে কথা/ননসেন্স
13. Fuddy-duddy [ফাদি-দাদি] – পুরোনো চিন্তাধারার মানুষ
14. Hocus-pocus [হোকাস-পোকাস] – জাদুবিদ্যা/প্রতারণা
15. Hotch-potch [হচপচ] - জগাখিচুড়ি
16. Hoity-toity [হয়টি-তোয়টি] – অহংকারী/উদ্ধত
17. Humpty Dumpty [হাম্পটি-ডাম্পটি] - রূপকথা/অস্থির বস্তু
18. Itsy-bitsy [ইতসি-বিতসি] – খুব ছোট
19. Jiggery-pokery [জিগারি-পোকেরি] - চালাকি/কারচুপি
20. Knick-knack [নিক-ন্যাক] - শোপিস/ছোট জিনিস
21. Boogie-woogie [বুগি-উগি] - এক ধরণের নাচ
22. Big-wig [বিগ-উইগ] - গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি
23. Dead-head [ডেড-হেড] - অলস বা নির্বোধ
24. Mumbo-jumbo [মাম্বো-জাম্বো] – জটিল/অর্থহীন কথা
25. Mish-mash [মিশ-ম্যাশ] - এলোমেলো মিশ্রণ
26. Namby-pamby [ন্যাম্বি-প্যাম্বি] – দুর্বল/কাপুরুষ
27. Super-duper [সুপার-ডুপার] – চমৎকার
28. Creepy-crawly [ক্রিপি-ক্রলি] – পোকাড় মাকড়
29. Airy-fairy (এয়ারি-ফেরি) - অস্পষ্ট বা বাস্তবতাহীন
30. Arsy-versy [আরসি-ভার্সি] - উল্টো, জঘন্য
31. Wishy-washy [উইশি-ওয়াশি] – দুর্বল/অস্পষ্ট
32. Argy-bargy [আর্গি-বার্গি] – তর্কাতর্কি
33. Cutesy-wootsy [কিউটসি-উতসি] - খুব মিষ্টি/চমৎকার
34. Dolly-polly [ডলি-পলি] – গোলগাল
35. Drip-drop [ড্রিপ-ড্রপ] - পানির ফোঁটার শব্দ
36. Hotsy-totsy [হতসি-ততসি] – সবকিছু ঠিকঠাক
37. Hot-shot [হট-শট] - সফল ব্যক্তি
38. Hugger-mugger [হাগার-মাগার] - গোপনীয়তা বা অগোছালো অবস্থা
39. Hee-haw [হি-হ’] - গাধার ডাক বা বোকামি
40. Roly-poly [রোলি-পোলি] – গোলগাল/মোটা
41. Riff-raff [রিফ-র‍্যাফ] - বাজে লোক/আবর্জনা
42. Razz-matazz [র‍্যাজ-ম্যাটায] – চাকচিক্য, হইচই
43. Ready-steady [রেডি-স্টেডি] - প্রস্তুত
44. Hurly-burly [হার্লি-বার্লি] – কোলাহল/ব্যস্ততা
45. Shilly-shally [শিলি-শ্যালি] – দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া
46. Teeny-weeny [টিনি-উইনি] – অতি ক্ষুদ্র
47. Tittle-tattle [টিটল-ট্যাটল] – পরনিন্দা/গল্পগুজব
48. Chop-chop [চপ-চপ] – দ্রুত/তাড়াতাড়ি
49. Copy-cat [কপি-ক্যাট] - অনুকরণপ্রিয়
50. Chiller-killer [চিলার-কিলার] – খুব ভয়ের বা রোমাঞ্চকর
51. Click-clack [ক্লিক-ক্ল্যাক] – টক-টক শব্দ
52. Snip-snap [স্নিপ-স্ন্যাপ] – দ্রুত কথা বলা
53. See-saw [সি-স] – ওঠানামা
54. Clap-trap [ক্ল্যাপ-ট্র্যাপ] – চটকদার বাজে কথা
55. Ping-pong [পিং-পং] – টেবিল টেনিস
56. Touchy-feely [টাচি-ফিলী] – আবেগপ্রবণ
57. Goody-goody [গুডি-গুডি] – অতি ধার্মিক/ভালোমানুষি
58. Funny-money [ফানি-মানি] – অবৈধ টাকা
59. Funny-bunny [ফানি-বানি] - মজার খরগোশ
60. Harum-scarum [হারাম-স্কারাম] – দায়িত্বজ্ঞানহীন
61. Hinky-dinky [হিঙ্কি-ডিঙ্কি] - সন্দেহজনক
62. Heebie-jeebies [হিবল-জিবল] – স্নায়বিক দুর্বলতা/ভয়
63. Hodge-podge [হজ-পজ] – জগাখিচুড়ি
64. Hubble-bubble [হাবল-বাবল] - হইচই / জগাখিচুড়ি
65. Nitty-gritty [নিটি-গ্রিটি] – মূল বিষয়/তথ্য
66. Skimble-skamble [স্কিম্বল-স্ক্যাম্বল] - অসংলগ্ন কথা
67. Razzle-dazzle [র‍্যাজেল-ড্যাজেল] – ঝলকানি/আড়ম্বর
68. Riddle-raddle [রিদল-রাদল] - আবোলতাবোল কথা।
69. Zig-zag [জিগ-জ্যাগ] – আঁকাবাঁকা
70. Mumble-jumble [মাম্বল-জ্যাম্বল] – অস্পষ্ট উচ্চারণ
71. Jumble-wumble [জাম্বল-ওয়াম্বল] - চরম জগাখিচুড়ি
72. Itty-bitty [ইটি-বিটি] - খুব ছোট
73. Hickory-dickory [হিকোরি-ডিকোরি] – ছড়া/ছন্দ
74. Huddle-duddle [হাদল-দাদল] - হুড়মুড় করে জড়ো হওয়া।
75. Hip-hop [হিপ-হপ] – এক ধরণের নাচ
76. Hurry-scurry [হারি-স্ক্যারি] – তাড়াহুড়ো
77. Lovey-dovey [লাভল-ডোভল] - অতিরিক্ত প্রেমপূর্ণ
78. Easy-peasy [ইজি-পিজি] - খুবই সহজ
79. Clip-clop [ক্লিপ-ক্লপ] - ঘোড়ার খুরের শব্দ
80. Jeepers-creepers (জিপার্স-ক্রিপার্স) - বিস্ময় প্রকাশ
81. Bling-bling [ব্লিং-ব্লিং] – গয়নার চাকচিক্য
82. Blah blah [ব্লাহ ব্লাহ] - অর্থহীন কথা
83. Bow-wow [বাউ-ওয়াউ] - কুকুরের ডাক
84. Chiff-chaff [চিফ-চাফ] - এক ধরণের ছোট পাখি / জগাখিচুড়ি।
85. So-so [সো-সো] – মোটামুটি
86. Ta-ta [টা-টা] – বিদায়
87. Wee-wee [উই-উই] – প্রস্রাব করা (শিশুদের)
88. Go-go [গো-গো] – কর্মঠ/উদ্যমী
89. Even-stevens [ইভেন-স্টিভেন্স] - সমান সমান / সমানে সমানে
90. Hither-and-thither [হিদার-অ্যান্ড-দিদার] - এদিক-ওদিক
91. Handy-dandy [হ্যান্ডি-ড্যান্ডি] - সুবিধাজনক বা হাতের কাছের
92. Hard-card [হার্ড-কার্ড] - কঠোর ব্যক্তি।
93. Make-or-break [মেক-অর-ব্রেক] - চূড়ান্ত বা ভাগ্যনির্ধারক
94. Near and dear [নিয়ার অ্যান্ড ডিয়ার] - আত্মীয়স্বজন
95. Tip-top [টিপ-টপ] – একদম ঠিক/উত্তম
96. Tip-tap [টিপ-ট্যাপ] - টোকা দেওয়া
97. Tiny-winy [টাইনি-উইনি] - খুবই ছোট
98. Trickery-fickery [ট্রিকারি-ফিককারি] - ধোঁকাবাজি
99. Silly-billy [সিলি-বিলি] - বোকা/নির্বোধ
100. Scribble-scrabble [স্ক্রিবল-স্ক্রাবল] - হিজিবিজি লেখা।
101. Wish-wash [উইশ-ওয়াশ] – পানসে
102. Ding-dong [ডিং-ডং] – ঘণ্টার আওয়াজ
103. Tick-tock [টিক-টক] – ঘড়ির শব্দ
104. Knock-knock [নক-নক] – দরজায় টোকা
105. Criss-cross [ক্রিস-ক্রস] - আড়াআড়ি
106. Pell-mell [পেল-মেল] – হট্টগোল/হুড়মুড়
107. Chop-chop [চপ-চপ] – তাড়াতাড়ি
108. Ching-chong [চিং-চং] - চাইনিজ ভাষার অনুকরণ।
109. Crinkum-crankum [ক্রিনকাম-ক্র‍্যাঙ্কাম] - পেঁচানো/জটিল
110. Fiddle-faddle [ফিডল-ফ্যাডেল] – বাজে
111. Fast-blast [ফাস্ট-ব্লাস্ট] - দ্রুত বিস্ফোরণ।
112. Tutsy-wootsy [টুটসি-ভুটসি] – আদুরে
113. Teenie-weenie [টিনি-উইনি] - অত্যন্ত ছোট
114. Tutti-frutti [টুটি-ফ্রুটি] - মিশ্র ফলের স্বাদ
115. Dig-dug [ডিগ-ডাগ] – খোঁড়াখুঁড়ি
116. Fine-dine [ফাইন-ডাইন] - চমৎকার খাবার।
117. Goody-goody [গুডি-গুডি] - অতি ভদ্র বা নীতিবান (ব্যঙ্গাত্মক)
118. Gibble-gabble [গিবল-গ্যাবল] – বাজে বকা
119. Fancy-shmancy (ফ্যান্সি-শ্মান্সি) - খুব বেশি আড়ম্বরপূর্ণ
120. Hoochie-coochie (হুচি-কুচি) - এক ধরণের নাচ
121. Hobson-jobson [হবসন-জবসন] - বিদেশী শব্দের পরিবর্তন
122. Hum-drum [হাম-ড্রাম] – একঘেয়ে
123. Inch-pinch [ইঞ্চি-পিঞ্চি] - খুব অল্প
124. Niminy-piminy (নিমিনি-পিমিনি) - অতিরিক্ত ন্যাকামি
125. Brain-drain (ব্রেইন-ড্রেইন) – মেধা পাচার।
126. Pitter-patter [পিটার-প্যাটার] - বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ
127. Rinky-dinky [রিংকি-ডিংকিং] - সস্তা বা নিম্নমানের
128. Rumbly-bumbly [রামবলি-বামবলি] - অগোছালো বা খসখসে
129. Rantum-scantum [র‍্যান্টাম-স্ক্যান্টাম] - অগোছালো বা বেপরোয়া
130. Raggle-taggle [র‍্যাগল-ট্যাগল] - এলোমেলো বা জরাজীর্ণ
131. Rump-pump [রাম্প-পাম্প] - উচ্চ শব্দ
132. Splish-splash [স্পলিশ-স্প্ল্যাশ] - পানিতে পড়ার শব্দ
133. Slip-slop [স্লিপ-স্লপ] - ঢিলেঢালা বা অবহেলা
134. Hustle-bustle [হাসল-বাসল] – ব্যস্ততা, কোলাহল
135. Happy-clappy [হ্যাপি-ক্ল্যাপি] - অতিরিক্ত উৎসাহী
136. Shim-sham (শিম-শ্যাম) - ছলাকলা
137. Herky-jerky (হার্কি-জার্কি) – ঝাঁকুনিযুক্ত
138. Artsy-fartsy [আর্টসি-ফার্টসি] – ভণ্ড শৈল্পিক
139. Arts-farts [আর্টসি-ফার্টসি] - অহংকারী শিল্পী।
140. Jibber-jabber [জিবের-জাবের] - আজেবাজে বকা
141. Name-shame [নেম-শেম] - নাম প্রকাশ করে লজ্জিত করা
142. Odds and ends [অডস অ্যান্ড এন্ডস] - খুচরা জিনিসপত্র
143. Okey-dokey [ওকি-ডোকি] - ঠিক আছে
144. Double-dealing [ডাবল-ডিলিং] - দ্বিমুখী আচরণ/প্রতারণা
145. Hobnob [হব-নন] - অন্তরঙ্গভাবে মেশা
146. Hell's bells [হেলস-বেলস] - বিস্ময়সূচক
147. Piddle-paddle [পিডেল-প্যাডেল] - তুচ্ছ কাজ
148. Pish-posh [পিশ-পশ] - বাজে কথা/ফালতু
149. Pipsy-wipsy [পিপসি-উইপসি] – ছোটখাটো
150. Popsie-wopsie [পপসি-অপসি] - আদুরে নাম
151. Phony-baloney [ফোনি-বালোনি] - ভণ্ডামি বা ভুয়া
152. Slightly-lightly [স্লাইটলি-লাইটলি] – হালকাভাবে
153. Round-sound [রাউন্ড-সাউন্ড] - গোলকধাঁধা শব্দ।
154. Tity-toity [হয়টি-তোয়টি] – নাকউঁচু
155. Trifle-Pifle [ ট্রিফেল-পিফেল] - সামান্য জিনিস
156. Twittle-twattle [টুইটল-ট্যাটল] – গালগল্প
157. Thingum-thangum [থিংগাম-থাঙ্গাম] - অস্পষ্ট বস্তু
158. Trinkum-trankum [ট্রিনকাম-ট্র‍্যাঙ্কাম] - গয়না/ছোট সাজসজ্জা
159. Super-duper [সুপার-ডুপার] – দারুণ
160. Ship-shape [শিপ-শেপ] – সুবিন্যস্ত
161. Sing-song [সিং-সং] - একঘেয়ে সুরে কথা বলা।
162. Walk-talk [ওয়াক-টক] - চলাফেরা
163. Wheeler-dealer (হুইলার-ডিলার) - চালাক ব্যবসায়ী
164. Whipper-snapper [হুইপার-স্ন্যাপার] - চঞ্চল বা ধৃষ্ট যুবক
165. Whim-wham [হুইম-হোয়াম] - খেয়াল/অসার বস্তু
166. Wibble-wobble [উইবল-ওয়াবল] - দোলনা/টলমল
167. Wiggle-waggle [উইগল-ওয়াগল] - এদিক-ওদিক দোলা
168. Walkie-talkie [ওয়াকি-টকি] – বেতার
169. Wakey-wakey [ওয়াকি-ওয়াকি] - ঘুম থেকে ওঠো।
170. Wooshy-wooshy [উশি-উশি] - বাতাস বা তরলের শব্দ

EduVista Institute-BIISI
Bangladesh Institute of Integrated Services & Innovation

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

জলঢাকা, নীলফামারী
Dhaka