আউটসোর্সিং করে সফল হওয়াটা যত কঠিন তার চাইতেও কঠিন সফলতা ধরে রাখা।
বিশ্ব প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তন হচ্ছে, প্রতিদিনই কাজের টার্ম পরিবর্তন হচ্ছে, সফটওয়ারগুলো আপডেট হচ্ছে।
এই আপডেটের সাথে নিজেকে আপডেট না রাখলে বেশীদিন নিজের সফলতা ধরে রাখতে পারবেন না।
তাই নিজের কাজের ৩০% সময় বরাদ্দ রাখুন নতুন কাজ শেখার জন্য, নতুন কাজ করার জন্য।
এমন মনে করবেন না যে, আমার তো ইনকাম হচ্ছেই, আমি তো ভালই আছি। কারন আপনি ধরাবাধা চাকরি করছেন না যে আপনার পেনশন গ্যারান্টেড। এখানে আপনার যোগ্যতাই আপনাকে টিকিয়ে রাখবে।
তাই সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান।
ICT Center
A Project of Computer Education
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সম্পর্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উক্তি
11/01/2016
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়ার যোগ্যতা
=========================
টাকাকে নয় কাজকে ভালোবাসতে হবে : ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার জন্য টাকার লোভ ত্যাগ করে কাজে দক্ষতা অর্জনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে। দক্ষ লোকদের সমাদর সব জায়গার মতোই ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে। সেজন্য সবার প্রথমে বিভিন্ন রিসোর্স থেকে কাজ শিখে সেগুলোর বাস্তবভিত্তিক কাজ করে দক্ষতা অর্জন করলেই অনলাইনে কাজের রেট এবং চাহিদা দুটি বৃদ্ধি পাবে। এরকম চাহিদাপূর্ণ অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছুটা সময় দিতে হবে। মনে রাখবেন, অদক্ষ ব্যক্তিদের টাকার পেছনে দৌড়াতে হয়। কিন্তু দক্ষ ব্যক্তিদের পেছনে টাকা দৌড়ায়।
ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে নয় ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে : সময় এসেছে ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে পার্টটাইম চাকরি না ভেবে ফুলটাইম হিসেবে নিতে হবে। তাহলে প্রত্যেকে কাজের ব্যাপারে আরও বেশি সচেতন হবে এবং দক্ষ হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে। তখন বিদেশী বায়াররা এদেশের ফ্রিল্যান্সিংদের কাজ দিতে আরও বেশি স্বস্তি পাবে।
ফ্রিল্যান্সিংকে পার্টটাইম ভাবার কারণে মূলত আমরা তিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি :
১) দিনের সময়ের সর্বোচ্চ সময়টি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য বরাদ্দ রাখতে পারছি না। সেজন্য দক্ষ যেমন হতে পারছি না, তেমনি কাজও বেশি করতে পারছি না।
২) যখন ফ্রিল্যান্সিংকে ফুলটাইম হিসেবে ভাবা শুরু হবে তখন আরও বেশি মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়বে। বৈদেশিক মুদ্রা আরও বেশি দেশে ঢুকবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে বড় সুফল নিয়ে আসবে।
৩) ফুলটাইম কাজ ভাবা শুরু করলে ফ্রিল্যান্সিং শুধু অনলাইন আয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, ধীরে ধীরে এটি তখন সম্মানজনক ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হওয়া শুরু হবে। তখন প্রত্যেকের মধ্যে ভালো করার ব্যাপারে উৎসাহ বাড়বে।
যোগাযোগের দক্ষতা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয় :
==========================================
এক জরিপে দেখা গেছে, যাদের যোগাযোগ দক্ষতা বেশি তারা অন্যসব জায়গার মতো ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও সফল সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। যোগাযোগ দক্ষতা বলতে বোঝায় : বায়ারের বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারা, বায়ারকে নিজের বক্তব্য সঠিকভাবে বোঝাতে পারা এবং সেইসঙ্গে বায়ারকে কনভেন্স করতে পারাটাই হচ্ছে যোগাযোগের মৌলিক দক্ষতা।
যোগাযোগের এ মৌলিক দক্ষতা থাকলে বায়ার কাজ দিয়ে স্বস্তি পায়। আর সেজন্য একবার কাজ করলে পরের কাজটির ক্ষেত্রেও যথাসম্ভব চেষ্টা করেন, একই ফ্রিল্যান্সারকেই কাজটি দেয়ার জন্য। কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে খুব দ্রুত সফল হওয়া যাবে।
ইংরেজিতে যত ভালো হবেন, তত বেশি সফল হবেন :
=================================
ইংরেজি হচ্ছে যে কোনো ধরনের বায়ারের সঙ্গে যোগাযোগের মূল ভাষা। যে যত ভালো ইংরেজি পারে, সে তত বেশি ভালোভাবে বায়ারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে। কারণ বায়ারের নির্দেশনা বুঝতে তার অনেক বেশি সহজ হয়। বায়ারও যাকে দিয়ে কাজ করাবে, তার কথা জড়তা ছাড়া বুঝতে পারে। এ ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে বায়ার ?স্বাচ্ছন্দ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে দেখে দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক বজায় রাখে। বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, শুধু ভাষাগত সমস্যার কারণে কাজ দিয়ে সন্তুষ্ট করার পরও বায়ার এ ফ্রিল্যান্সারের কাছে আর নতুন কোনো কাজ নিয়ে ফিরে আসে না। একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য তাই নিজেকে ইংরেজিতে ধীরে ধীরে দক্ষ করে তোলার দিকে নজর দিতে হবে।
যত বেশি কিছুতে যত বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে পারবেন তত বেশি :
=============================================
একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছে একটি কাজের বাইরে অন্যান্য আরও কাজের সাপোর্টও পাওয়া যায়, তাহলে তার সঙ্গে বায়ারের দীর্ঘদিনের জন্য সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য সব কাজেই দক্ষতা তৈরি করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা বৃদ্ধি করা যায়। এক্ষেত্রে মাথাতে রাখতে হবে, সব কাজে সমান দক্ষতা অর্জন করাটা অনেক বেশি কষ্টকর। যেটা করতে হবে, কোনো একটিতে ভালো দক্ষ হতে হবে, বাকিগুলোতে মোটামুটি দক্ষ হলেই চলবে।
সবসময় নিজের আরও বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে :
===========================================
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বহুদিন পর্যন্ত বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা ধরে রাখার জন্য সবসময় নতুন কিছু শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেউ যদি এসইওর কাজের মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে থাকেন, তাহলে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় এসইও সম্পর্কিত লেখা পাওয়া যায়, এরকম ব্লগগুলোর পোস্ট নিয়মিত পড়া উচিত। নতুন যত আপডেট আসছে, সবকিছু জেনে সেগুলোতে নিজেকে দক্ষ করতে হবে।
যে যত বেশি গুগলের ওপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি :
===============================================
কোনো সমস্যায় পড়লে সে বিষয়ে জানার জন্য কোনো ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন না করে, সে বিষয়ে গুগলকে প্রশ্ন করা উচিত। গুগলের ওপর এ নির্ভরশীলতা জানার পরিধি অনেক বাড়িয়ে দেয়। গুগলে খোঁজ করলে অনেক উত্তর পাওয়া যাবে, যা চিন্তা শক্তিকে বাড়াবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতার জন্য শুরু থেকেই গুগলের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে।
ইন্টারনেটের ওপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন :
================================================
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলেই কাজ পেয়ে যায় না। এরকম সফলতার জন্য শুরুর দিকে কষ্ট অনেক বেশি করতে হয়। আর এজন্য ইন্টারনেটে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করা উচিত। শুধু ফেসবুকে সময় ব্যয় না করে, বিভিন্ন ব্লগ, ফোরাম, ভিডিও কিংবা অনলাইনের অন্য জায়গাগুলো প্রতিদিনের বড় একটা সময় ব্যয় করার অভ্যাস নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে। এ জায়গাগুলোতে সারাবিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করে। এগুলো সত্যিকারভাবে অনেক নতুন কিছু শিখতে এবং সবকিছুর বিষয়ে আরও অ্যাডভান্স হতে সহযোগিতা করে।
প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায় না :
=================================
যে কোনো কাজের সফলতার জন্য যেমন সবার প্রথমে দরকার ইচ্ছাশক্তি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ব্যতিক্রম নয়। প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি থাকলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হওয়ার ব্যাপারে যত প্রস্তুতিমূলক পরিশ্রম করা দরকার, সবকিছু করতে আগ্রহ থাকবে। সুতরাং কারও কথা শুনে হালকাভাবে লক্ষ্য নিয়ে নামলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাটা ৯৫ ভাগ। কিন্তু যদি নিজের তীব্র ইচ্ছা থাকে এবং একাগ্রতা থাকে, তাহলেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হবেন।
ধৈর্য শক্তি এ সেক্টরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ :
==============================
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে ধৈর্য শক্তি বাড়িয়ে নেয়া উচিত। কাজ শিখতেও ধৈর্য নিয়ে শিখতে হবে। পরে শুরুতে কাজ পাওয়ার জন্য বহুদিন ধৈর্য সহকারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। এমন হতে পারে, কাজ শেখার পর ১ম কাজের অর্ডার পেতে ১ বছরও লেগে যেতে পারে। কিন্তু তারপরও ধৈর্য হারালে চলবে না। চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, নিজেকে দক্ষ করতে হবে, বায়ারের কাছে কাজ চাওয়ার ধরনে পরিবর্তন এনে দেখা যেতে পারে। হতাশ না হয়ে কাজ পাওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে ওপরের বিষয়গুলো নিজের ভেতরে নিয়ে আসার চেষ্টা শুরু করে দিতে হবে। আন্তর্জাতিকবাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জে জিততে হলে নিজের মধ্যে বিশেষ কিছু থাকতেই হবে। কাজের দক্ষতার পাশাপাশি অধ্যবসায়, ধৈর্য এবং নতুন কিছু শেখার নেশা সফলদের কাতারে পৌঁছে দেবে।
সফল হতে জরুরি
==============
* টাকাকে নয় কাজকে ভালোবাসতে হবে।
* ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে নয়, ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।
* কমিউনিকেশন দক্ষতা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়।
* ইংরেজিতে যত ভালো হবেন, তত বেশি সফল হবেন।
* যত বেশি কিছুতে বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে পারবেন তত বেশি।
* সবসময় নিজের আরও বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে।
* যে যত বেশি গুগলের ওপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি।
* ইন্টারনেটের ওপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন।
* প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায় না।
* ধৈর্য শক্তি এ সেক্টরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
collected. . .
10/01/2016
২১ টি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবডিজাইন লারনিং অনলাইন রিসোর্স
=====================================
২১ টি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবডিজাইন লারনিং অনলাইন রিসোর্সঃ
১. ডব্লিউ৩স্কুলঃ http://www.w3schools.com/
২. অপেরা ওয়েব ষ্ট্যাণ্ডার্ডঃ http://dev.opera.com/…/1-introduction-to-the-web-standard…/…
৩. ট্রিহাউজঃ http://teamtreehouse.com/
৪. লেন্ডাঃ http://lynda.com/
৫. ডোন্ট ফেয়ার দ্যা ইন্টারনেটঃ http://www.dontfeartheinternet.com/
৬. মজিলা স্কুলঃ http://p2pu.org/en/schools/school-of-webcraft/
৭. নেট মেগাজিনঃ http://www.netmagazine.com/
৮. স্মাসিং ম্যাগাজিনঃ http://www.smashingmagazine.com/
৯. কোড একাডেমীঃ http://www.codecademy.com/ #!/exercises/0
১০. ওয়েব ডিজাইন টাট প্লুসঃ http://webdesign.tutsplus.com/
১১. কোড স্কুলঃ http://www.codeschool.com/
১২. সিএসএস ট্রিক্সঃ http://css-tricks.com/
১৩. সাইট পয়েন্টঃ http://www.sitepoint.com/
১৪. ঊডাসিটীঃ http://www.udacity.com/
১৫. কোড রেসারঃ http://coderace.me/
১৬. রেইলস অফ জম্বিঃ http://railsforzombies.org/levels/1
১৭. পইজেন্ট গাইডঃ http://mislav.uniqpath.com/poignant-guide/
১৮. লার্ন পেইথনঃ http://mislav.uniqpath.com/poignant-guide/
১৯. স্টাকভারফ্লোঃ http://stackoverflow.com/
২০. লার্ন টু প্রোগ্রামঃ https://learntoprogram.tv/…/introduction-to-web-developme…/…
২১. খান একাডেমীঃ https://www.khanacademy.org/computing/cs
07/01/2016
গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজে কিভাবে নিজের দক্ষতা বাড়াবেন
======================================
১. নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ করুন
২. গ্রাফিক্স ডিজাইন বিষয়ক লেখা পড়ুন
৩. ফন্ট নিয়ে ভাবুন
৪. সৃজনশীল চিন্তাভাবনা
৫. নিজস্ব স্টাইলে কাজ করুন
৬. আকর্ষণীয় ডিজাইন সংগ্রহে রাখুন
৭. নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল হোন
৮. নিজের পোর্টফলিও তৈরি করুন
07/01/2016
ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের লোডিং স্পীড বাড়ানোর ১০টি সহজ ট্রিকস
========================================
ব্লগিং করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস হল অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম। বর্তমানে বেশিরভাগ ব্লগার প্রফেশনাল ব্লগিং এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে থাকে। ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর সাইটে ভালো ট্রাফিক আনতে সাইটের নান্দনিক ডিজাইন এবং এসইও যেমন গুরুত্বপূর্ন তেমনি সাইটের লোডিং স্পিড ভিজিটরদের আকর্ষন করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। কারন কোন ভিজিটর যখন প্রথম আপনার সাইটে ভিজিট করবে তখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তার দৃষ্টি আকর্ষন করাটা অত্যন্ত জরুরি নতুবা ভিজিটর আপনার সাইটে দীর্ঘ সময়ের জন্য অবস্থান করবে না এবং বাউন্স করে অন্য সাইটে চলে যাবে। শুধুমাত্র সাইটের ভিজিটর বাউন্স নয় গুগল সার্চ র্যাংকিং এর ক্ষেত্রে সাইটের পেইজ লোড স্পিড অনেক গুরুত্বপূর্ন। সুতরাং সাইটের লোডিং স্পিডের প্রতি যদি আজই সচেতন না হন তবে আপনি ভিজিটর হারানোর পাশাপাশি সাইটের এসইও এর মাধ্যমে যে দীর্ঘমেয়াদি সুফল ভোগ করতেন সেখান থেকেও বঞ্চিত হবেন।
নিম্মে ১০টি সহজ ট্রিকস শেয়ার করা হল যেগুলোকে ফলো করে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের স্পিড অনেকাংশে বাড়াতে পারবেনঃ
১। ভাল হোস্ট নির্বাচন করাঃ ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য ভাল হোস্ট নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। অনেকে তার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য শেয়ার্ড হোস্ট ব্যবহার করে থাকে যার ফলে সীমিত ব্যান্ডউইথের কারনে সাইটে বেশি ট্রাফিক হলে সাইট ডাউন হয়ে যায়। সুতরাং সাইটের স্পিড বৃদ্ধির জন্য শেয়ার্ড হোস্ট পরিহার করা উচিত।
২। সলিড ফ্রেময়ার্ক অথবা থিম নির্বাচন করাঃ আপনি শুনে অবাক হবেন ওয়ার্ডপ্রেসের ডিফল্ট থিমগুলো বিশেষ করে টুয়েন্টি টেন অথবা টুয়েন্টি ইলেভেন ফ্রেময়ার্কগুলোতে সাইট কিছুটা দ্রুত লোড নেয় কারন এগুলো লাইট ফ্রেমওয়ার্ক।
৩। কার্যকরী ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহারঃ ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগিনগুলো মোটামুটি বলতে গেলে ভালই কাজ করে তবে ক্যাশ প্লাগিনগুলো সবচেয়ে বেশি কাজ করে বিশেষ করে W3 Total Cache প্লাগিনটি পেজের লোড টাইম কমানোর ক্ষেত্রে অনেক ভাল কাজ করে। WP.org তে এ ধরনের অনেক ফ্রি প্লাগিন আছে যেগুলো ব্যবহার অনেকটা সহজ।
৪। কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক বা CDN ব্যবহার করাঃ কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক বা CDN হল এক ধরনের থার্ড পার্টি সিস্টেম যার মাধ্যমে সাইটের সেসব স্টাটিক ফাইলগুলো মেইন্টেইন করে যেগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাইটের পেজের লোডিং টাইম বাড়িয়ে দেয়।
। ইমেজ অপ্টিমাইজ করাঃ সাইটের ইমেজের সাইজ বেশি হলে পেজের লোডিং স্পিড কমে যায়। Smush.it নামে Yahoo এর একটি সাইট আছে যেটি ইমেজের অরজিনাল মান অক্ষুণ্ণ রেখে ইমেজের সাইজ কমিয়ে দেয়।এছাড়াও WP-SmushIt নামে ওয়ার্ডপ্রসের ফ্রি প্লাগিন আছে যেটি অটোমেটিকালি সাইটের ইমেজ অপ্টিমাইজ করে থাকে।
৬। সাইটের হোমপেইজ অপ্টিমাইজ করাঃ মানুষ সাধারনত হোম পেইজে বেশি ল্যান্ড করে তাই সাইটের লোডিং স্পিড কমানোর জন্য হোম পেইজ অপ্টিমাইজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। হোম পেইজ অপ্টিমাইজ মূলত কয়েকটি উপায়ে করা যায়ঃ
• হোম পেইজে সম্পূর্ন পোস্ট দেখানোর পরিবর্তে Excerpt ব্যবহার করা।
• হোম পেইজে ৫-৭ টা পোস্টের বেশি পোস্ট রাখা বাঞ্চনীয় নয়।
• অপ্রয়োজনীয় শেয়ারিং উইজগেড না ব্যবহার করা।
• অপ্রয়োজনীয় প্লাগিন রিমুভ করে দেওয়া।
• হোমপেইজটাকে Minimal করে রাখা কারন পাঠকরা আপনার ব্লগে লেখা পড়তে আসবে, হাজারটা উইজগেড এর জন্য আপনার ব্লগে আসবে না।
মোটকথা একটা ক্লিন এবং মূল বিষয়ের উপর ফোকাস করা হোমপেইজ শুধুমাত্র ব্লগটাকে দেখতে সুন্দর করে তা নয়, সাইটের লোডিং স্পিড বাড়িয়ে দেয়।
৭। ওয়ার্ডপ্রেস ডাটাবেইজ অপ্টিমাইজ করাঃ ওয়ার্ডপ্রেস ডাটাবেইজ অপ্টিমাইজ করার জন্য আমার জানামতে WP-Optimize প্লাগিনটা অনেক ভাল। এছাড়াও WP-DB Manager প্লাগিনটা ভাল কাজ করে। মূলত এই প্লাগিনটা ডাটাবেইজ অপ্টিমাইজ করার জন্য ডেট সিডিউল করে রাখে।
৮। কন্টেন্টের হটলিংকিং এবং লিচিং ডিসাবল করাঃ সাধারনত এই সমস্যাটা তখনই উদ্ভব হয় যখন অন্য সাইটগুলো তাদের আর্টিকেলের ইমেজের মাধ্যমে ডাইরেক্ট আপনার সাইটে লিঙ্ক হয় এবং সার্ভার লোড করে দেয়। সুতরাং আপনার সাইটে নিয়মিত যদি কাস্টম ইমেজ তৈরি করেন সেক্ষেত্রে সাইটের লোডিং স্পিড অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
৯। অধিক পরিমানে পোস্ট ড্রাফট পরিহার করাঃ আমরা যখন কোন পোস্ট লিখি তখন লেখার মাঝখানে বিরতি নিলে অথবা লেখাটা শেষে রিভিশন দেওয়ার জন্য পোস্ট ড্রাফট করে রাখি। কিন্তু যে পোস্ট সম্পূর্ন লিখা শেষ হওয়ার পর পাবলিশ হয়ে গিয়েছে তা ড্রাফট হিসেবে থাকলে সাইটের লোডিং স্পিড কমিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে Revision Control প্লাগিনটা ভাল কাজে দেয় পোস্ট ড্রাফট কন্ট্রোল করার জন্য।
১০। ইমেজের জন্য LazyLoad অ্যাড করাঃ LazyLoad হল এক ধরনের প্রসেস যেটি পোস্টের ইমেজ লোড করে তখনই যখন ভিজিটর সেই পোস্টটি স্ক্রল ডাউন করে দেখে অথবা সাইট লোডের সময় প্রথম দিকের পোস্ট দেখালে। LazyLoad প্রসেস মূলত একসাথে সব পোস্টের ইমেজ লোড করে না তাই সাইটের লোডিং স্পীড বেড়ে যায়। এই কাজটি অটোমেটিকালি করার জন্য jQuery Image Lazy Load প্লাগিনটা ব্যবহার করতে পারেন।
06/01/2016
05/01/2016
কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় যে বিষয় গুলো মাথায় রাখা উচিত
============================================
►আপনার কম্পিউটারের মনিটর পরিষ্কার রাখুন। ফলে কম্পিউটারের লেখা গুলো পড়তে আপনার সুবিধা হবে।
► কম্পিউটার চালানোর সময় মনিটরের দিকে একদম ঝুঁকে পড়বেন না। এর ফলে মনিটরের অনেক কাছে আপনার চোখ চলে আসায় বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন : চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যাথা, চোখে ঘোলা দেখা কিংবা চোখ লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। তাই কম্পিউটার চালানোর সময় সম্ভব হলে ১৫-২০ ইঞ্চি দূরে বসার চেষ্টা করুন।
►আপনার চোখের প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটারের ফন্ট বড় অথবা ছোট করে নিন। কেননা অনেক ছোট ফন্ট হলে আপনার দেখতে সমস্যা হবে এবং অনেক বেশী বড় সাইজের ফন্ট হলে কম্পিউটারে কাজ করার সময় বিরোক্তি অনুভব করতে পারেন।
►আপনার চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে মনিটরের লাইট কম বা বেশী করে রাখুন।
►কম্পিউটার চালানোর সময় আপনার কম্পিউটার রুমটিতে পর্যাপ্ত পরিমানে আলোর ব্যবস্থা রাখুন। কেননা ঘরে কম আলো থাকলে মনিটরের আলো সরাসরি আপনার চোখে লাগবে ফলে অল্প কিছুক্ষণ পরেই চোখ লাল হয়ে ব্যাথা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।
►প্রয়োজনে আপনার মনিটরে anti-glare filter লাগিয়ে নিন। ফলে মনিটরের ক্ষতিকর রশ্মি আপনার চোখে লাগবে না।
►চেয়ারে বসার সময় আপনার পিঠ সোজা রাখুন। তবে মেরুদন্ডে চাপ প্রয়োগ করবেন না। যতটুকু পারেন স্বাভাবিকভাবে বসার চেষ্টা করুন।
►আপনার চোখের সোজা-সুজি কম্পিউটারের মনিটরটি স্থাপন করুন। মাথা নিচু বা উচু করে কম্পিউটার চালালে আপনার কাধ ব্যাথা হয়ে যেতে পারে।
►কিছুক্ষন পর পর আপনার চোখ ডানে ও বামে এবং ঘাড় ডানে- বামে ঘুরিয়ে নিন। ফলে চোখ ও কাধেঁর খানিকটা ব্যায়াম হবে। পারলে খানিকটা বিরতি নিয়ে হাঁটা- হাঁটি করতে পারেন।
►কখনোই একটানা মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে ৩০/৪৫ মিনিট পর পর চোখে পানি দিতে পারেন।
►উপর হয়ে শুয়ে শুয়ে ল্যাপটপ চালাবেন না। এতে বুকে ব্যাথা হতে পারে।
তবে, একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন আর তা হলো : মাথায় কখনো টেনশন / চাপ নেবেন না। যাই ঘটুক না কেন, রিল্যাক্স মুডে কম্পিউটারে কাজ করুন। সেই সাথে নিয়মিত নামাজ পড়ুন ও ব্যায়াম করুন। সময় মতো গোসল এবং খাবার খান। রুটিন মেনে কাজ করুন দেখবেন আপনার শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে।
05/01/2016
কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্টের কারণ গুলো
===========================
► কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
►RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট
হতে পারে।
► হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
►ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই
ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
► বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
►বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
► প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।
05/01/2016
কীবোর্ডে যদি পানি বা চা পড়ে যায়
========================
আপনার কীবোর্ড এ যদি কখনো পানি পরে যায় তাহলে আপনি সাথে সাথে কীবোর্ড এর কানেকশন খুলে ফেলবেন। কীবোর্ডটি উল্টা করে রেখে ঝাকি দিয়ে লাইট বা সূয্যের আলোকে ১ঘন্টা রেখে দিয়ে ব্যবহার করবেন আর যদি ব্লুয়ার থাকে তাহলে তো খুবই ভাল । ১০-১৫ মিনিটেই শুকিয়ে যাবে । কারন ব্লুয়ারে প্রচুর গরম বাতাস বের হয়। ল্যাপটপে যদি এমন হয় তাহলে পাওয়ার এবং বেটারী খুলে ফেলুন। যদি সাথে সাথে কীবোর্ডে কানেকশন না খুলেন তাহলে কীবোর্ড তো নষ্ট হবেই তার সাথে কম্পিউটার এর মাদার বোর্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকবে।
05/01/2016
সাধারণ জ্ঞান- যা সবার জানা দরকার
এবং শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের জন্য. . .
05/01/2016
হ্যাকারের ফাঁদ চেনার উপায় । সচেতন হন ।( পড়লে আপনার লাভ,না পড়লে হ্যাকারের )
==================================================
মাছ ধরার টোপের মতোই ইন্টারনেটে টোপ ফেলে হ্যাকাররা। ‘আপনি পুরষ্কার জিতেছেন’ কিংবা ‘ফ্রি অফার’-এর নামে স্পাম মেইল সম্পর্কে বেশ পরিচিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। এতে হ্যাকাররা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে আপনার পিসি। এমনকি ওয়েবে আপনার স্বাচ্ছন্দ্য বিচরণে আড়িপেতে হ্যাক করতে পারে আপনার মেইলের সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা হাতিয়ে নিতে পারে আপনার ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ। হ্যাকারদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি টুলসের কথা জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ সুরিস এর ডিপার্টমেন্ট অফ কম্পিউটিং -এর ভিজিটিং প্রফেসর এলেন উডওয়ার্ড। যুক্তরাজ্য সরকারের সাইবার সিকিউরিটি ও কম্পিউটিং আইন নিয়েও কাজ করছেন তিনি। সম্প্রতি বিবিসিতে প্রকাশিত হ্যাকিংয়ের ফাঁদ প্রতিবেদনে তিনি হ্যাকারদের কৌশলগুলো তুলে ধরেন।
অসচেতনতা
একটু সচেতন না হলে তথ্যপ্রযুক্তির ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আপনার নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে হ্যাকারদের কাছে। হয়তো কোথাও বেড়াতে যাবার আগে আপনি বদলে নেন আপনার সুটকেসের কম্বিনেশন লক নাম্বার কিন্তু সেই আপনিই হয়তো ইমেইল, ফেইসবুক বা এমন কোনো ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড বিষয়ে উদাসীন।
কৌতুহল
জন্মসূত্রেই মানুষ কৌতুহলী। কোন ওয়েব সাইটে যদি লেখা থাকে “Do Not Press” সেখানেই মানুষ ক্লিক করে বেশি। এ ধরনের লিংকে ক্লিক করতেই আপনার ইন্টারনেট উপস্থিতির নিয়ন্ত্রন হ্যাকারদের কাছে চলে যাবার ভয় থাকে। ইন্টারনেটে লোভনীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা প্রভাবিত করে ব্যবহারকারীদের। এতে ক্লিক করলেই অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় হ্যাকারদের হাতে
দেখা গেছে অনেকেরই ইমেইল পাসওয়ার্ড ‘১২৩৪৫৬’ !
Click here to claim your Sponsored Listing.