Textiles Update - Textile Industry Materials & Technologies

Textiles Update - Textile Industry Materials & Technologies

Share

Apparel Source, Education Consultation

06/07/2023
26/11/2019

একজন শিক্ষার্থী কখনোই BCS ক্যাডার হবার স্বপ্ন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটিতে ভর্তি হয় না। বিশ্বাস করুন, কখনোই সে ব্যাংকে জব করবে বলে টারবাইন, পাম্প, জেনারেটর কিংবা রেফ্রিজারেশনের মত টপিকগুলোকে আত্মস্থ করে না। ছোট একটা বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করলে সে আনমনেই বলে দেয়, "ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার" হতে চায়।

ইয়েস সোসাইটি, এটা ৯৫% মানুষের ছোটবেলার ড্রিম যে, সে
ডাক্তার নয়তো ইঞ্জিনিয়ার হবে।

ক্লাস এইট থেকে নাইনে উঠার সময় যুদ্ধ করে Science পাওয়া, SSC তে রেজাল্ট ভালো করে ভালো কলেজে ভর্তির প্রচেষ্টায়
টিকে থাকা, HSC তে রেজাল্ট অক্ষুণ্ণ রেখে ভর্তি যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে টিকে স্বপ্নের সোপানে পা দেয়া। অথবা ভালো মানের প্রাইভেট ভার্সিটিতে পা রেখে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়া।

জানেন???
তার স্বপ্ন কিন্তু এসি রুমে বসে ফাইলপত্রে সাইন করা নয়। কিংবা অফিস আওয়ারে চেয়ারে বসে কফি খাওয়া নয়। তার ইচ্ছে, চারটি বছর ধরে সে যেই P-V কিংবা T-S ডায়াগ্রামগুলো শিখেছে, Gear, Shaft, Molding, Refrigeration & Air Conditioning, কিংবা Fluid Mechanics & Machinery'র যে ফাংশনগুলো এতদিন বইয়ের পাতায় পড়েছে তা নিজ চোখে দেখে তৃপ্ত হওয়া।

কিন্তু, আজকে আমাদের সোসাইটিতে থেকে সে শিক্ষার্থীটি তার ইচ্ছেপূরণে অক্ষমতা অর্জন করছে দিনকে দিন।

আগে মানুষ কিছুদিন জব করার পর অতিষ্ট হয়ে BCS দেয়ার চিন্তা করতো। আর এখন অবস্থা এতটাই খারাপ যে, ফার্স্ট ইয়ারে
থাকতেই ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্টের ফাঁকে ফাঁকে পড়ার টেবিলে শোভা পায় MP3, ডাইজেস্ট কিংবা ওরাকল....

ভার্সিটি থেকে পাশ করা প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ার এই সাইকোলজি নিয়েই চাকরির অঙ্গনে আসে যে, তাকে কষ্ট করেই উপরে উঠতে হবে। কিন্তু, সেই কষ্টের বিনিময়ে পিয়ন লেভেলের স্যালারী সে কখনোই ডিজার্ভ করে না।

ফলশ্রুতিতে, শিক্ষার্থীরা ব্যাসিক ডাবল হয়ে যাওয়া BCS ক্যাডার হওয়ার প্রতিই মনোনিবেশ করে বেশি।

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমাদের ইফোর্টগুলো আমরা ভুল জায়গায়
বেশি দেই। একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে তার
টেকনোলোজির উপর। যে দেশ টেকনোলজিতে সমৃদ্ধ, সে দেশ ততবেশি উন্নত।

ক্রিকেটে জিতে স্বর্গসুখ পাওয়া, কোহলি, ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানকে দুই চারটা গালি দিয়ে রাগ দমন করা আদৌ বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

ও হ্যাঁ, আমাকে রাজাকার কিংবা ভাদা ভাববেন না। আমি বাস্তবিক কথা বলছি। আমরা আবেগ দিয়ে বিশ্বজয় করতে চাই। জগৎটা এত সোজা না ব্রো, এত সোজা না।

আজ, আমাদের ক্রিকেটারেরা কিছু জয় করে এলে প্রত্যেকে ১ কোটি টাকা কিংবা একটা করে ফ্ল্যাট পায়। আর যে ইঞ্জিনিয়াররা সভ্যতা গড়ে দেয়, যারা সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করে টেকনোলজি দিয়ে, তাদের পিয়নের স্যালারীতে জব করে কষ্টে দিন নিপাত করতে হয়। নয়তো, টেকনিক্যাল লাইন ছেড়েছুড়ে নেমে যেতে হয় BCS যুদ্ধে। তাও আবার পুলিশ, কোস্টগার্ড পোস্টে।

দেশকে টেকনোলজিতে উন্নত করতে প্রয়োজন অনেক রিসার্চ সেন্টারের। অথচ, তার অভাবে এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাড়ি জমাতে হয় সুদূর প্রবাসে।

হ্যাঁ, তবু আমরা বুঝি না কিংবা বুঝতে চাই না কোথায় আমাদের বেশি ইফোর্ট দিতে হবে। আফসোস!!

- সংগৃহীত

16/11/2019

একজন ওয়াশ টেকনিশিয়ান প্রেমিকের চিঠি.

প্রিয়তমা,
পত্রের শুরুতে সোডিয়াম মেটা বাই সালফাইটের জ্বালাময়ী গন্ধের শুভেচ্ছা গ্রহণ করো। আশা করি কটন ফেব্রিকের মত কোন প্রকার ল্যাকরা ঝামেলা ছাড়াই ভাল আছো। আমি ভাল নেই। তোমার মনটাকে ডিটারজেন্ট দিয়ে হালকা ডিসাইজ করতে পারলে খুব ভাল লাগতো কারণ তোমার মনে অনেক স্টার্চ এবং তেল জাতীয় অপদ্রব্য বিদ্যমান যা তোমার মনের ভিতরে প্রবেশ করতে আমার মনকে বাধাগ্রস্থ প্রদান করছে। ডিসাইজে তোমার মন না গললে আমি এনজাইম ব্যবহার করতে চাই । আমি তোমাকে অনেক ভালবাসী, তাই চাই না ষ্টোন এনজাইম করে তোমার মনটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাক। তাই নিউট্রাল এনজাইম দিয়ে তোমার মনে হালকা আঁচড় কাটতে চাই এবং অন্য কেউ যেন তোমার মনে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য এন্টিব্যাকষ্টেইন ব্যবহার করবো। এতে ও যদি তোমার মনে জায়গা না পাই সেক্ষেত্রে তোমার মনে ব্লিচ ব্যবহার করতে চাই । ক্লোরিন ব্লিচ ব্যবহার করলে অধিক ক্ষারজনিত কারণে তোমার মন খসখসে হয়ে যেতে পারে তাই এসিড মিডিয়ায় পটাশ ব্লিচ করে তোমার মনটাকে পরিষ্কার করতে চাই। তোমার এই মনটা যেন শুধু আমার উপরই বরাদ্ধ থাকে তাই নিউট্রালাইজিং এজেন্ট দিয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য আমার করে নিতে চাই। এরপর তোমার মনটাকে হাইড্রো করে শুকিয়ে নিতে চাই যেন শৈবাল বা ছত্রাক আক্রমন করতে না পারে।

অনেকে তোমাকে কানপরা হিসেবে পিপি স্প্রে করতে চাইবে, আমার কাছ থেকে দূরে রাখার জন্য গ্রান্ডিং, টেয়ারিং অথবা ডেসট্রয় করতে চাইবে বাট বিশ্বাস রেখো আমি পট্টি লাগিয়ে হলেও তোমার মন জয় করবো। এতোক্ষণে হয়তো তুমি আমাকে বুঝতে পেরেছো, আমাকে ভালবাসতে তোমার মন চাইছে, তাই তোমার মনে ব্রাউন, ইয়োলো, রেড যোগ করে টিনটিং করে দিলাম । তোমার মন অন্য কারো রঙে যেন আকৃষ্ট হতে না পারে সেজন্য কালার ফিক্সার যোগ করে দিলাম। এই ফিক্সিংই তোমাকে আমার সাথে জড়িয়ে রাখবে। অতঃপর তোমার মন যেন ক্ষারকীয় মিডিয়ায় অবস্থান করতে না পারে সেজন্য এসিড দিয়ে পি এইচ কন্ট্রোল করে দিলাম। এরপরেউ যদি তুমি আমাকে ভাল না বাসো তাহলে ক্যাটায়নিক এবং সিলিকন সফটনার মিক্সিড করে তোমার মনকে সর্বোচ্চ নরম করে নিলাম এক্ষেত্রে মনের মেজারমেন্ট প্লাস মাইনাস হলে আমার কিছুই করার নেই।

বিদ্রঃ
মজার ভেতরে ওয়াসিং এর মেইন থিম আপনার শেখা হয়ে গেলো ।

16/11/2019

পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের পেছনে বাংলাদেশ

চলতি বছরের ৯ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে ভিয়েতনাম।
চলতি বছরই হয়তো ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারকের মুকুট হারাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে রপ্তানি ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমে যাওয়ায় শঙ্কাটি আরও প্রবল হচ্ছে। ইতিমধ্যে বছরের প্রথম ৯ মাসে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে ভিয়েতনাম।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ হাজার ৬১০ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৯৩০ কোটি ডলারের পোশাক। তার মানে, ৯ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনাম ৩২০ কোটি ডলারের পোশাক বেশি রপ্তানি করেছে—এমন তথ্যই দিচ্ছে দেশটির গণমাধ্যম।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধিতে ভিয়েতনাম অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) তথ্যমতে, ভিয়েতনাম চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৩৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৪৫৬ কোটি ডলারের পোশাক, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে বাজারটিতে শীর্ষ রপ্তানিকারক চীনের রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ১০ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে চীন রপ্তানি করেছে ২ হাজার ১০ কোটি ডলারের পোশাক।

ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ভিয়েতনামের জাতীয় দৈনিক ভিয়েতনাম নিউজ–এর এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি বলা হয়েছে, চলতি বছর কয়েকটি বাজারে জটিলতা থাকার পরও দেশটির পোশাক রপ্তানি চার হাজার কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাবে। ইতিমধ্যে ৯ মাসে ২ হাজার ৯৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানির পাশাপাশি ভিয়েতনামের অভ্যন্তরীণ পোশাকের বাজারও ৯০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে।

পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনাম যে বাংলাদেশকে ধরে ফেলতে যাচ্ছে, তা কয়েক মাস আগে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস রিভিউ ২০১৯ প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), চীন, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ভারত, তুরস্ক, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র—এই শীর্ষ ১০টি দেশ ৪২ হাজার ১০০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা মোট রপ্তানির ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে চীন। বিশ্ববাজারে দেশটির হিস্যা ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ।

চীনের পরই একক দেশ হিসেবে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে আছে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশ ৩ হাজার ২৯২ কোটি এবং ভিয়েতনাম ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। উভয় দেশের বাজার হিস্যা প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে। গত বছর ১০ শীর্ষ রপ্তানিকারকের মধ্যে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে ভিয়েতনামের বাজার হিস্যা বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফয়সাল সামাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনাম আমাদের ইতিমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে। বছর শেষে সেটি অব্যাহত থাকতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্রয়াদেশ চীন থেকে ভিয়েতনামে স্থানান্তরিত হয়েছে। ভিয়েতনামের পোশাক খাতে চীনাদের বিনিয়োগই বেশি। বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর পর তারাই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের ভিয়েতনামে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে নানা কারণে আমাদের কারখানাগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে গেছে। সে জন্য আমরা বাণিজ্যযুদ্ধের সুফল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিতে পারিনি।’

ফয়সাল সামাদ আরও বলেন, ‘সরকার পোশাক রপ্তানিতে নতুন করে ১ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নও কিছুটা হয়েছে। প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে আরও কী করা যায়, সেসব নিয়ে পরিকল্পনা হচ্ছে। ফলে আশা করছি, আগামী বছর আমাদের পোশাক রপ্তানি কিছুটা ভালো হবে।’

প্রথম আলো
শুভংকর কর্মকার, ঢাকা
১৬ নভেম্বর ২০১৯

06/11/2019

টেক্সটাইলের দুনিয়ায় টেকনিক্যাল জগতে যারা আছেন,তারা অন্তত নতুন বা পুরাতনদের সাথে, আপনার জুনিয়র যারা আছে তাদের সাথে ভদ্র ও সাবলীল ভাষা ব্যাবহার করুন।আর্থিক খাতে গার্মেন্টস এর এত অবদান থাকা সত্বেও সাধারন মানুষ এই সেক্টরের চাকরী গুলাকে হীন চোখে দেখে।দয়া করে নিজে পরিবর্তন হই/হোন।দেখবেন ওই প্রতিষ্ঠান টাই পরিবর্তন হয়ে যাবে।বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি,কিছু বস আছে, যাদের মুখের ভাষা পশুকেও হার মানায়।তাদের কাছ থেকে শিখতেছে জুনিয়ররা,তারাও একদিন বস হবে,তারাও এইভাবে কাজ আদায় করে নিবে।কিন্ত কেন?আগের সময় গুলা হয়ত এরকম ছিল যে,গার্মেন্টস খাতে অনেক অশিক্ষিত লোক ছিল বা এখনও আছে,কিন্ত ধীরে ধীরে তার সংখ্যাটাও কিন্ত কমে যাচ্ছে।বর্তমান অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর সেই সাথে শিক্ষিত সমাজের আনাগোনায় মুখরিত এখন গার্মেন্টস সেক্টরগুলা।তাই উপরোক্ত পর্যায়ে যারা আছি বা আছেন দয়া করে নিজেরা একটু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করি।জোর করে আর বকাবকি করে আগে হয়তো কাজ আদায় করা যেত কিন্ত এখন না।দিন,সময়,যুগ,মানুষ সবকিছুতেই পরিবর্তন এসেছে।
ভুল কিছু হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

29/09/2019

রপ্তানির অর্ধেক আয় পাঁচ পোশাকে

ছেলে ও মেয়েদের শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট, টি-শার্ট ও সোয়েটার থেকে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানির ৬১ শতাংশ অর্থ আসে। আবার পোশাকশিল্পের রপ্তানির ৭৩ শতাংশই এই পাঁচ পণ্যের দখলে। সব মিলিয়ে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য অনেকটাই পাঁচটি পোশাকের ওপর নির্ভরশীল।

সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে পোশাক খাতের রপ্তানি ছিল ৩ হাজার ৪১৩ কোটি ডলার। এই রপ্তানির ৭২ দশমিক ৯৫ শতাংশ বা ২ হাজার ৪৯০ কোটি ডলার এসেছে শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট, টি–শার্ট ও সোয়েটার রপ্তানি থেকে।

দেশে সস্তা পণ্যের পাশাপাশি বেশি দামের বা ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য যেমন স্যুট, ব্লেজার, অন্তর্বাস, সাঁতারের পোশাক উৎপাদন শুরু হয়েছে। তবে সেটি এখনো বড় আকার ধারণ করেনি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পোশাক খাতের রপ্তানির ৭৮ শতাংশ শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট, টি–শার্ট ও সোয়েটার থেকে এসেছিল। গত পাঁচ বছর পর সেটি কিছুটা কমে ৭৩ শতাংশ হয়েছে।

পোশাকশিল্পের কয়েকজন উদ্যোক্তা বলছেন, বিদেশিরা যেভাবে চেয়েছে সেভাবেই বাংলাদেশে পোশাকশিল্প বেড়ে উঠেছে। তার মানে, সস্তা পোশাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন দেশের উদ্যোক্তারা। তবে গত কয়েক বছরে শ্রমের মজুরি, গ্যাস-বিদ্যুৎ, ব্যাংকঋণের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাতে সস্তা পোশাক উৎপাদনকারীরা চাপে পড়েছেন। তাঁদের মুনাফাও কমেছে। ভবিষ্যতে পোশাক রপ্তানিকে টেকসই করতে হলে প্রধান পাঁচ পণ্যের পাশাপাশি বেশি দামের পোশাক তৈরির দিকেও যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগ, বিশেষ করে চীনাদের আকৃষ্ট করতে হবে।
তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, পাঁচ পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় টি-শার্ট। গত অর্থবছরে ৭০১ কোটি ডলারের বা ৫৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকার টি-শার্ট রপ্তানি হয়েছে। সেই হিসাবে টি-শার্টে রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ৬১ শতাংশই শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট, টি-শার্ট ও সোয়েটারের দখলে শুধু পোশাক রপ্তানির মধ্যে সেটি ৭৩ শতাংশ
টি-শার্টের পরই বেশি রপ্তানি হয় ট্রাউজার। গত পাঁচ বছরে ট্রাউজারের রপ্তানি বেড়েছে ১২৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে ৬৯৪ কোটি ডলারের ট্রাউজার রপ্তানি হয়েছে। এই আয় তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি পণ্য জ্যাকেট। তিন বছর ধরে জ্যাকেটের রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত অর্থবছর ৪৩৮ কোটি ডলারের জ্যাকেট রপ্তানি হয়েছে। তার আগের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এই পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৩৯৭ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গত অর্থবছরে পণ্যটির রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশের মতো। অন্যদিকে গত পাঁচ বছরে সোয়েটার রপ্তানি ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে যেখানে ২৮২ কোটি ডলারের সোয়েটার রপ্তানি হয়েছিল, সেখানে গত অর্থবছরে তা বেড়ে ৪২৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

গত পাঁচ বছরে টি-শার্ট ও সোয়েটার রপ্তানি ব্যাপক হারে বাড়লেও শার্টের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এই সময়ে শার্ট রপ্তানি মাত্র ৫ কোটি ডলার বেড়েছে। গত অর্থবছরে ২৩২ কোটি ডলারের শার্ট রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ২০৬ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গত অর্থবছর শার্ট রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ। ক্ল্যাসিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদউল্লাহ আজিম গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘কেবল পাঁচটি আইটেমের ওপর নির্ভরশীলতা পোশাকশিল্পের জন্য ভালো খবর নয়। পোশাক রপ্তানিকে টেকসই করতে হলে সস্তা ও বেশি মূল্যের পণ্যের রপ্তানি সমান সমান করতে হবে। আমাদের কয়েকজন উদ্যোক্তা ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য উৎপাদন শুরু করেছেন। তবে সেটি ব্যাপক হারে করতে হলে বিদেশি উদ্যোক্তাদের আনতে হবে।’ শহিদউল্লাহ আজিম আরও বলেন, ‘বৈচিত্র্যময় ও ভ্যালু অ্যাডেড পোশাক উৎপাদনে চীন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে দেশটি থেকে অনেক পোশাক কারখানা ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে আসছে মাত্র দুটি। তাই চীনা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকারের আরও তৎপর হওয়া দরকার।’ অবশ্য সস্তা পোশাকেও বাড়তি মূল্য সংযোজনের সুযোগ আছে বলে মনে করেন বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফয়সাল সামাদ। তিনি বলেন, ‘শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট, টি-শার্ট ও সোয়েটার আমাদের পোশাকশিল্পের জন্য বড় শক্তি। এসব পণ্যেও মূল্য সংযোজনের সুযোগ আছে। বৈচিত্র্যময় কাপড় ও নকশা ব্যবহারের মাধ্যমে সস্তা টি-শার্টও দামি হয়ে ওঠে। পণ্যের উন্নয়নে প্রতিনিয়ত গবেষণার পাশাপাশি বাজারের গতিধারারও খোঁজ রাখতে হবে।

শুভংকর কর্মকার, ঢাকা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রিন্ট সংস্করণ

https://www.prothomalo.com/economy/article/1616583/রপ্তানির-অর্ধেক-আয়-পাঁচ-পোশাকে

27/09/2019

একজন টেক্সটাইল স্টুডেন্ট এর ওয়ালে একটা পোস্ট দেখলাম যে এক সময় ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ ভাইরা এখন বেকার , জব পায়না ঘুরে বেড়ায় !!!

পোস্টটি ব্যাক্তিগত কিন্ত এটা একটা স্যোশাল এয়ার্নেস যুক্ত মেসেজ ।

আপনি জুনিয়র এতে কি মনে করলেন আপনি সিনিয়রদের আজকের পর থেকে গুনবেন না সিনিয়রদের মানবেন না, বিষয়টি এমন ?

সম্প্রতিক বছরে ২০১৯ এর জানুয়ারি থেকে টেক্সটাইল জব সেক্টরের কি দশা এটা যারা আমরা টেক্সটাইল জব ফিল্ডে আছে তারা বলতে পারবে । এখন ঢালাও ভাবে রিক্রুটমেন্ট হয় না , একান্তই যা না হলে হয় তার নিয়োগ হচ্ছে । ৫০ টা ফেক্টরি অফ এটা দেখছি কিন্ত ম্যান পাওয়ার কতো কমিয়েছে এমন সংখ্যা আমরা খোজ রাখিনি ।

GM চলে গেলে AGM
Manager চলে গেলে Deputy Manger
PO চলে গেলে APO
APO চলে গেলে Supervisor

এমন করে চালাচ্ছে ফেক্টরি গুলি, নিউ রিক্রুটমেন্ট এর পরিমাণ কম । কম মানে এই না ১০০% জব না । জব আছে খুব কম পরিমাণে যাদের স্ট্রং রেফারেন্স আছে তাদের । এক পোস্টের জন্য ৫-৬ জন লোক দিচ্ছেন কাকে নেবেন কাকে ফেলে দেবেন । কার জব কখন থাকে কখন যায় এই একটা দুরবস্থা ।

আপনি সিনিয়রদের মানবেন না তারা আপনার ১ দিন আগে হলেও জব পেতে পারেন তার পরে জব পেলে আপনাকে তার অধীনে চলতে হবে । তখন কি হবে মানবেন না সিনিয়র ।

আমরা যারা গ্রুপ গুলি দেখি সব সিনিয়রদের তারা কিভাবে সার্কুলার গুলিতে অনলি অফ অমুক ইউনিভার্সিটি, অনলি ফর তমুক ইউনিভার্সিটি লিখে নিজের ভার্সিটির স্টুডেন্টদের জন্য তারা দেন, যদি কারো হয় ।

আমরা পরের চাকুরী করি আমাদের কারোই নিজের ফেক্টরি নেই থাকলে আমরা টেক্সটাইল পড়তে আসতাম না ।

আপনাদের যারা আপাতত জবলেস হতাসা কাজ করবে কিন্ত ধৈর্য ধরা ছাড়া কিছু করার নেই, সিনিয়রদের দেখে তো টেক্সটাইল এ ভর্তি হননি তাদের দোষ দিয়ে কি হবে । টেক্সটাইল জবে চেইন আপনাকে মানতে হবে এর বাইরে চলতে পারবেন না ।

এখন গভমেন্ট প্রাইভেট ৫০% রিক্রুট হলে ৫০% জব লেস থেকেই যাচ্ছেন । কারো স্যালারি পছন্দ হয় না, কেও আবার ডাকই পান না এমন । কেও কাওকে খোচা দেয়ার সময় এটা না ।

আল্লাহ পাক সবাইকে রিজিকের ব্যাবস্থা করে দেন এবং আমাদের সেক্টরের এমন পরিস্থিতিথেকে আমাদের রক্ষা করেন । আমাদের স্টুডেন্ট, দেশ,, সেক্টরের জন্য দোয়া করি সময় ।

23/09/2019

একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীর হাল চালঃ-

প্রতিষ্ঠানে লোক নিয়োগের জন্য রিক্রুইটিং এজেন্সী ২০,০০০ সিভি বেছে ২০০ জনের ভাইবা নিয়ে ৩০ জনকে চুড়ান্ত ভাইবার জন্যে এমডিকে বললো, “স্যার, এবার আপনি দেখে নিন কাকে কাকে কোথায় দেবেন।"

এমডি বললেন,”৩০১ নম্বর রুমে ১০০০ ইট স্তুপ করা আছে। ঐ ৩০ জনকে ঐ রুমে ১ ঘন্টার জন্যে রেখে দরজা বন্ধ করে দিন এবং সিসিটিভিতে দেখতে থাকুন”

১. যারা ইট গুনতে থাকবে তাদের Accounts ডিপার্টমেন্টে দিন

২. যারা পুন: পুন: গুনবে ওদের Audit ডিপার্টমেন্টে

৩. যারা ইটকে বিভিন্নভাবে সাজাতে গিয়ে উলটো রুমটাকে গার্বেজ বানাবে ওদের Engineering ডিপার্টমেন্টে

৪. যারা ইটগুলো উদ্ভটভাবে সাজাতে চেষ্টা করবে ওদের Planning ডিপার্টমেন্টে

৫. যারা ইঁটগুলো কিছু না করে একে অপরের দিকে ঢিলাঢিলি করবে ওদের Operations ডিপার্টমেন্টে

৬. যারা ইটের পাশে বসে ঝিমাবে ওদের Security ডিপার্টমেন্টে

৭. যারা ইটগুলোকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা করবে ওদের IT ডিপার্টমেন্টে

৮. যারা অলস বসে থাকবে ওদের HR ডিপার্টমেন্টে

৯. যারা বলবে তারা জান প্রান দিয়ে কাজ করছে কিন্তু বাস্তবে একটি ইটও সরায় নি ওদের Sales ডিপার্টমেন্টে

১০. ৯ নম্বরের দলের মাঝে যারা কিছু না করে ইতিমধ্যে বাসায় চলে যেতে চাইছে ওদের Marketing ডিপার্টমেন্টে

১১. যারা কিছু না করে জানালা খুলে উদাস তাকিয়ে ছিলো ওদের Strategic Planning ডিপার্টমেন্টে

১২. যারা ইট গুলো বারবার চেক করবে কিন্তু নাম্বারিং করতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেনা কোনটা কত নম্বর ইট তাদের Quality ডিপার্টমেন্টে

১৩. যারা নিজেদের মধ্যে গল্প নিয়ে ব্যাস্ত ছিলো এবং একটা ইটও সরাতে বা সরানোর ব্যবস্হা করতে পারেনি, ওদের Top Management এর জন্য সিলেক্ট করুন ......

(Collected)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Uttara
Dhaka
1230