"আযাব মানে কেবল শারীরিক যন্ত্রণাই নয়। সবচেয়ে বড় আযাব হলো যখন বান্দার প্রতি আল্লাহর রহমতের দৃষ্টি থাকে না। আল্লাহ যখন কারো ওপর থেকে তাঁর দিকনির্দেশনা সরিয়ে নেন এবং তাকে তার নিজের নফসের হাতে ছেড়ে দেন, তখনই তার ওপর আযাব শুরু হয়। আপনি যদি এখনো আল্লাহর জন্য অনুশোচনা বোধ করেন, তবে জানবেন আপনি আযাব থেকে অনেক দূরে আছেন।"
— উস্তাদ নোমান আলী খান
নফসের হাতে ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে বড় শাস্তি আর নেই
ইসলামী পণ্ডিতদের মতে, আল্লাহ যখন কোনো বান্দার প্রতি অসন্তুষ্ট হন, তখন তার থেকে অনুশোচনা বা তওবা করার তৌফিক কেড়ে নেন। মানুষ যখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে আল্লাহর দরবারে কাঁদতে পারে, সেটাই প্রমাণ করে যে আল্লাহর রহমতের দরজা তার জন্য এখনও খোলা আছে।
এই বিষয়ে কোরআন ও হাদিস আমাদের কী শিক্ষা দেয়?
📖 আল-কোরআনের আলো:
১. আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে সেইসব মানুষদের কথা বলেছেন, যাদের তিনি তাদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন এবং তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন:
"তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, ফলে আল্লাহও তাদের (তার রহমত থেকে) ভুলে গেছেন।"
— সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৬৭
২. অনুশোচনা বা অনুতাপ যে আল্লাহর অনেক বড় এক নিয়ামত, তা প্রকাশ পায় এই আয়াতে:
"বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
— সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৫৩
📜 সহীহ হাদিসের দিকনির্দেশনা:
১. নিজের নফসের বা প্রবৃত্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া যে কত বড় বিপদ, তা আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর এই দোয়াটি দেখলেই বোঝা যায়। তিনি সবসময় এই দোয়াটি করতেন:
"হে চিরঞ্জীব, হে মহাবিশ্বের ধারক! আমি আপনার রহমতের উসিলায় আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনি আমার সমস্ত বিষয় সংশোধন করে দিন এবং চোখের পলকের জন্যও আমাকে আমার নিজের (নফসের) কাছে সঁপে দেবেন না।"
— সুনানে নাসায়ী (আল-কুবরা), হাদিস নং: ১০৪০৭; আল-আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন।
২. অন্তরে অনুশোচনা আসা যে ক্ষমার প্রথম ধাপ, সে সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"অনুতাপই হলো তওবা।" (অর্থাৎ গুনাহের পর মনে কষ্ট পাওয়া বা অনুশোচনা বোধ করাই তওবার মূল উপাদান)।
— সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং: ৪২৫২ (সহীহ)
যদি কোনো ভুলের পর আপনার মন ছটফট করে, চোখে পানি আসে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে ইচ্ছে করে—তবে আলহামদুলিল্লাহ বলুন! কারণ, আপনার রব আপনাকে ভুলে যাননি। তিনি এখনও চান আপনি তাঁর দিকে ফিরে আসুন। সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি হলো পাপ করার পরও মনে কোনো অপরাধবোধ না থাকা।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সবসময় তাঁর রহমতের দৃষ্টিতে রাখুন এবং চোখের পলকের জন্যও আমাদের নফসের হাতে আমাদের ছেড়ে না দিন। আমিন।
#শিক্ষা #নোমান_আলী_খান
Youth Training Information Bangladesh
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Youth Training Information Bangladesh, Education, Dhaka.
Youth Training Information Bangladesh ফেসবুক পেজটি বাংলাদেশে যুবদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের তথ্য সরবরাহের জন্য নিবেদিত।
আপনার দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গড়তে আমাদের পেজে যুক্ত থাকুন এবং নতুন সুযোগগুলোর সঠিক ব্যবহার করুন!
ঈদ মুবারাক🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
27/05/2026
আপনি নিজের সবটুকু দিয়ে তাকে যে যোগ্যতায় পৌঁছালেন, আজ সেই যোগ্যতা দিয়েই সে অন্য কাউকে রানী বানিয়ে সুখে আছে!
আমাদের সমাজে সবচেয়ে কুৎসিত এবং বুক কাঁপানো বেইমানিটার মুখোমুখি কখনো হয়েছেন?—একটা মানুষ যখন একদম শূন্য ছিল, মানসিকভাবে ভাঙা ছিল, যার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না; আপনি তখন নিজের ক্যারিয়ার, নিজের পকেটের টাকা, নিজের মানসিক শান্তি আর অমূল্য সময় উজার করে তাকে আগলে রাখলেন। তার মেন্টর হলেন, তাকে গ্রুম করলেন, সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর যোগ্য বানালেন। আপনি ভাবলেন, "একদিন যখন আমাদের সব কষ্ট দূর হবে, আমরা একসাথে হাসব।"
কিন্তু সবচেয়ে নির্মম মোচড়টা কখন আসলো জানেন? ঠিক যখন আপনার দেওয়া এফোর্টে সে একটা ভালো পজিশনে চলে গেল, তার লাইফস্টাইল একটু বদলে গেল—অমনি সে এক সেকেন্ডে আপনাকে ‘পুরনো’ আর ‘ক্ষেত’ তকমা দিয়ে আপনার চেয়ে দামী কোনো অপশনের হাত ধরে চলে গেল!
কষ্টটা এখানেও শেষ নয়। ডার্ক সাইকোলজির সবচেয়ে জঘন্যতম চালটা সে এর পরে চালবে। সে এখন নতুন পার্টনারের হাত ধরে পুরো দুনিয়ার সামনে এমন একটা ভাব দেখাবে যেন সে চিরকাল এমনই পারফেক্ট ছিল। আর আপনাকে সে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে কারণ আপনি নাকি তার ‘যোগ্য’ ছিলেন না, বা আপনি অনেক ‘টক্সিক’ ছিলেন!
•মেকওভার ট্র্যাপ: সে আপনাকে ভালোবাসেনি, সে আসলে আপনার ভেতরের ওই ‘কেয়ারিং মেন্টর’ সত্তাটাকে ব্যবহার করেছে নিজের শূন্যতা পূরণ করার জন্য। প্রয়োজন ফুরানো মাত্রই আপনার ইনবক্সটা তার কাছে একটা বিরক্তিকর ডাস্টবিন হয়ে গেছে।
•চরিত্র হননের রাজনীতি: সে নিজের বেইমানির অপরাধবোধ লুকাতে এখন ফ্রেন্ড সার্কেলে আপনার নামে মিথ্যা রটাবে। সে বলবে, "ও তো সারাক্ষণ আমাকে প্যারা দিত, তাই আমি বাধ্য হয়ে সরে গেছি।" অথচ আসল সত্য হলো, আপনি তাকে উড়তে শিখিয়েছেন বলেই আজ সে অন্য আকাশে ডানা মেলেছে।
•ফলাফল: আপনি নিজের জীবনের সেরা দিনগুলো যাকে গড়তে গিয়ে ধ্বংস করলেন, সে আজ অন্য কারও হাত ধরে আইডিয়াল কাপল সেজে ঘুরছে। আর আপনি নিজের ভাঙা মন আর অপমানের বোঝা নিয়ে একা একা ভাবছেন— "আমি কার জন্য নিজের সবটুকু শেষ করলাম?"
আপনার জীবনেও কি এমন কোনো মানুষ এসেছে, যাকে শূন্য থেকে আপনি নিজের সবটুকু দিয়ে তৈরি করেছিলেন, আর সে আজ অন্য কারও হাত ধরে আপনাকে ‘অযোগ্য’ প্রমাণ করতে ব্যস্ত? কমেন্ট বক্সে এসে নিজের সেই বুক ফাটা এক্সপেরিয়েন্সটা শেয়ার করুন। দেখি এই নির্মম স্বার্থপরতার শিকার আজ কত হাজার মানুষ আমাদের পেজে আছেন!
27/05/2026
ড্রাইভিং উইথ অটোমেকানিক্স (দেশ-বিদেশ প্রকল্প) কোর্সের জুলাই-সেপ্টেম্বর/২০২৬ খ্রি. সেশনের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।
26/05/2026
ঘাস কাটার পর যে সতেজ গন্ধ আপনাকে শান্ত করে, সেটি
আসলে একটি প্রাণের আর্তচিৎকার। কাটার আঘাত পেলে ঘাস
তাৎক্ষণিকভাবে Green Leaf Volatiles নামের বাষ্পীয় রাসায়নিক
যৌগ নির্গত করে, বিশেষত cis-3-hexenal ও অন্যান্য aldehyde
যৌগ। এই রাসায়নিক সংকেত তিনটি কাজ একসাথে করে।
পার্শ্ববর্তী ঘাসকে সতর্ক করে প্রতিরক্ষামূলক যৌগ তৈরি করতে,
শিকারি পোকামাকড়কে আকর্ষণ করে যারা তৃণভোজী পোকা খায়,
এবং ক্ষতস্থানে antimicrobial যৌগ জমা করে সংক্রমণ ঠেকায়।
Plant Cell জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিশ্চিত করে যে উদ্ভিদের
এই রাসায়নিক ভাষা লক্ষ বছরের বিবর্তনে পরিশীলিত। আমরা
যখন সেই গন্ধে শান্তি অনুভব করি, তখন আসলে একটি সংকটের
সৌন্দর্য উপভোগ করছি। উদ্ভিদজগতের এই নীরব যোগাযোগ কি
আপনার কাছে এখন ভিন্ন অর্থ বহন করছে?
#ঘাসেরগন্ধ #উদ্ভিদবিজ্ঞান #বিবর্তন #বিজ্ঞান
25/05/2026
ঝিনাইদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC) — জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি (১৫তম ব্যাচ)
সম্পূর্ণ বিনা খরচে সরকারিভাবে জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগসহ ০৬ (ছয়) মাস মেয়াদী (জুলাই-ডিসেম্বর) ২০২৬ সেশনের জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্সে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে।
🛠️ কোর্সের বিবরণ ও যোগ্যতা
কোর্সের নাম: জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্স (১৫তম ব্যাচ)।
মেয়াদ: ০৬ (ছয়) মাস।
আসন সংখ্যা: ৫০ জন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এস.এস.সি / সমমান।
বয়সসীমা: ১৭ থেকে ৪০ বছর।
ভর্তি ফি: অনলাইন ভর্তি ফি ১০০০/- টাকা (অনলাইনে ভর্তি নিশ্চিত হলে)।
🏃♂️ শারীরিক যোগ্যতা: উচ্চতা: পুরুষ ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, মহিলা ন্যূনতম ৫ ফুট।
চোখ ও দাঁতের সুস্থতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
Run, Sit ups & Push ups বিষয়ক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হতে হবে।
📅 গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
অনলাইন আবেদন ও ফি জমাদানের সময়সীমা: ২১ মে, ২০২৬ হতে ২০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত।
শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা: ২১ জুন, ২০২৬
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা: ২২ জুন, ২০২৬
প্রাথমিক ফলাফল: ২৩ জুন, ২০২৬
চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০২৬ (মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে)
ক্লাস শুরুর তারিখ: ০১ জুলাই, ২০২৬
📝 কীভাবে আবেদন করবেন? (Call to Action)
আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে:
BMET রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে https://employee.oep.gov.bd লিংকে গিয়ে ২০০/- টাকা ফি প্রদান করে বাধ্যতামূলক BMET Registration সম্পন্ন করুন।
অনলাইন আবেদন: রেজিস্ট্রেশন শেষে https://employee.oep.gov.bd/employee/login-with-otp লিংকে লগইন করুন।
ধাপসমূহ অনুসরণ করুন: Training portal \Rightarrow Training \Rightarrow Trade/Skills \Rightarrow Divison (Khulna) \Rightarrow District (Jhenaidah) \Rightarrow Select Training Institute (Technical Training Centre, Jhenaidah) \Rightarrow Search \Rightarrow Select Course \Rightarrow Apply \Rightarrow Continue \Rightarrow Process to Enroll.
📁 অনলাইনে ভর্তি নিশ্চিত হলে যেসকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
NID এর ফটোকপি (১টি)।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটোকপি।
ডাউনলোডকৃত Enrollment Card।
📞 যোগাযোগ ও অফিসিয়াল লিংক
ওয়েবসাইট: www.ttc.jhenaidah.gov.bd
যোগাযোগ (জাপানি ভাষা প্রশিক্ষক): ০১৭৬৫-১৫১৩৩৬
25/05/2026
ঝিনাইদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC) — ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ৩ মাস মেয়াদী (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ২০২৬ সেশনের বিভিন্ন নিয়মিত ও বিশেষ কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।
📅 গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
আবেদন শুরুর তারিখ: ২১ মে, ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ জুন, ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ: ড্রাইভিং কোর্স: ১৬ জুন, ২০২৬
অন্যান্য কোর্সসমূহ: ১৭ জুন, ২০২৬
ফলাফল প্রকাশ: ১৮ জুন, ২০২৬ (মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে)
ভর্তির তারিখ: ২১-২২ জুন, ২০২৬ (অপেক্ষমান তালিকা হতে ২৩ জুন, ২০২৬)
ক্লাস শুরুর তারিখ: ০১ জুলাই, ২০২৬
📝 কীভাবে আবেদন করবেন? (Call to Action)
আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:
BMET রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে https://employee.oep.gov.bd লিংকে গিয়ে ২০০/- টাকা ফি প্রদান করে বাধ্যতামূলক BMET Registration সম্পন্ন করুন।
অনলাইন আবেদন: রেজিস্ট্রেশন শেষে https://employee.oep.gov.bd/employee/login-with-otp লিংকে লগইন করুন।
ধাপসমূহ অনুসরণ করুন: Training portal \Rightarrow Training \Rightarrow Trade/Skills \Rightarrow Divison (Khulna) \Rightarrow District (Jhenaidah) \Rightarrow Select Training Institute (Technical Training Centre, Jhenaidah) \Rightarrow Search \Rightarrow Select Course \Rightarrow Apply \Rightarrow Continue \Rightarrow Process to Enroll.
📁 ভর্তির সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (সত্যায়িত):
জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদের অনুলিপি।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের অনুলিপি।
পি.পি (পাসপোর্ট) সাইজের ছবি ২ কপি।
📞 যোগাযোগ ও অফিসিয়াল লিংক
ওয়েবসাইট: www.ttc.jhenaidah.gov.bd
ফেসবুক পেজ: Jhenaidah TTC
ইমেইল: [email protected]
25/05/2026
যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মাগুরা — ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
মাগুরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সম্পূর্ণ আবাসিক সুবিধাসহ ৩ মাস মেয়াদী একটি আকর্ষণীয় কোর্সে ভর্তির আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে।
🛠️ কোর্সের বিবরণ
কোর্সের নাম: গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা, মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক কোর্স।
মেয়াদ: ৩ মাস (০১ জুলাই হতে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত)।
আসন সংখ্যা: ৬০ জন।
যোগ্যতা: ন্যূনতম ৮ম শ্রেণী পাস।
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩৫ বছর (মুক্তযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য)।
💰 কোর্স ফি ও জামানত
কোর্স ফি: ১০০/- টাকা
নিরাপত্তা জামানত: ১০০/- টাকা (যা কোর্স শেষে ফেরতযোগ্য)
💡 বিশেষ সুবিধা: প্রশিক্ষণার্থীদের প্রচলিত নিয়মানুসারে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হবে।
📅 গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ২৮ জুন, ২০২৬
সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময়: ৩০ জুন, ২০২৬
প্রশিক্ষণ শুরুর তারিখ: ০১ জুলাই, ২০২৬
📝 কীভাবে আবেদন করবেন? (Call to Action)
আবেদন ফরম সংগ্রহ: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.dyd.gov.bd থেকে অথবা মাগুরা জেলা উপপরিচালক/ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর/উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে ফরম সংগ্রহ করুন।
ফরম পূরণ: বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ১৬টি প্রয়োজনীয় তথ্য (যেমন: নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি) দিয়ে সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে আবেদন ফরমটি পূরণ করুন।
জমা দিন: আগামী ২৮/০৬/২০২৬ তারিখের মধ্যে আপনার পূরণকৃত আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে জমা দিন।
📞 যোগাযোগ ও সহায়তার জন্য
ঠিকানা: ডেপুটি কো-অর্ডিনেটরের কার্যালয়, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মাগুরা।
মোবাইল নম্বর: ০১৭১২০১১০২৭
ইমেইল: [email protected]
#যুব_পরিবার
#যুব_উন্নয়ন_অধিদপ্তর
#যুব_উন্নয়ন_অধিদপ্তর_প্রশিক্ষণার্থী_পরিবার
📢 যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে সম্পূর্ণ ফ্রি "ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ" এ ভর্তি চলছে।
দ্রুত আবেদন করুন।
কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন?
22/05/2026
চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)
অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।
এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।
কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?
আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।
তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।
ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!
ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।
জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।
এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।
নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।
শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।
এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।
তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।
কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!
আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।
কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।
কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।
পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।
কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।
এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।
এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।
অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।
কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।
তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।
আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।
সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।
সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।
জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।
সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।
** লেখাটা Balika by Dr.Omi পেইজ থেকে নেওয়া। লেখক Dr. Omi**
Click here to claim your Sponsored Listing.