উন্নয়নের গণতন্ত্রের সমস্যা কোথায়: ড. মুশতাক খান, অধ্যাপক, সোয়াস লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস।
BDSF TALK
The most ambitious project of Bangladesh Study Forum (BDSF)! For a Better Tomorrow
ট্যাক্স নিয়ে গান শুনালেন এনবিআর চেয়ারম্যান
পিপিআরসি আয়োজিত বাজেট-পূর্ব আলোচনা সভায়
#কর #এনবিআর #ভ্যাট
21/05/2026
জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছে বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম টিম।
আশা করি তারা ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবে।
21/05/2026
https://www.youtube.com/watch?v=ZLa7ZwYfdpU
হয়রানির ভয় ও ট্যাক্সের টাকা কোথায় যাচ্ছে তা জানে না বলে মানুষ ট্যাক্স দেয় না: সৈয়দ নাসিম ম পিপিআরসি আয়োজিত বাজেট-পূর্ব আলোচনা সভায়হয়রানির ভয় ও ট্যাক্সের টাকা...
Chowdhury
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) পুনর্গঠন করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ করার অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য মহৎ। তাছাড়া অনেকদিন ধরে রাজস্ব নীতি থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করতে নানা সময়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু এনবিআরের অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিবন্ধকতায় সেটি করা হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে এনবিআর কর্মকর্তারা বুঝতে পেরেছেন যে রাজস্ব নীতি আর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আলাদা হওয়া দরকার- এটি একটা ভালো দিক। তারা সংস্কারের ভয় পাচ্ছেন না। তবে অধ্যাদেশ করে যে দুটি বিভাগ করা হয়েছে, তা কতটা ন্যায্যভাবে করা হয়েছে সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এনবিআর পুনর্গঠন করে সেটিকে মন্ত্রণালয়ের অধীন করা হয়েছে। এতে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআরের স্বাধীনতা কিছুটা খর্ব হতে পারে। এটা বিবেচনায় নিয়ে প্রশ্ন জাগে, রাজস্ব আহরণের এই নতুন ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর হবে। কারণ বিভাগের মর্যাদা দিলে এটা একটা সচিবালয়ের মতো হবে।
আরেকটি বড় প্রশ্ন, নীতি বিভাগে লোকবল হিসেবে কাদের নিয়োজন করা হবে। এটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা উচিত। কারণ এ বিভাগে যারা যুক্ত থাকবেন, তাদের রাজস্ব নীতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। বিভিন্ন করের প্রভাব সম্পর্কে জানা থাকতে হবে। এটা পেশাদারত্বের বিষয়। এক্ষেত্রে দক্ষ পেশাদারের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে নীতি বিভাগে নিয়োগ দিলে বিভাগটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
এনবিআরের বিভক্ত করার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানাই। এর মাধ্যমে এক ধাপ সামনে এগোনো হলো। কিন্তু আমার মনে হয় এর পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে আরো পর্যালোচনা করা উচিত। পরিচালন প্রক্রিয়াকে দুটি বিভাগে রূপান্তর করা ঠিক হবে নাকি বাস্তবায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআরকেই রাখা হবে এবং তার স্বায়ত্ত্বশাসন ক্ষমতা আরো বাড়ানো হবে সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে।
#এনবিআর #অর্থ #মুসলিমচৌধুরী #অর্থনীতি
বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা ষাটেরও বেশি। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী সংসদে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আর্থিক খাত সংস্কারে কিছু অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। আমি মনে করি, এটি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা থেকে আর্থিক খাতকে বের করে আনতে কাঠামোগত কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জনকল্যাণমুখী সংস্কারের ইঙ্গিত হতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বিবেচনায় এতসংখ্যক ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। ফলে একীভূতকরণ, অবসায়ন কিংবা কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমে টেকসই সংস্কার প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যাংকের সংখ্যা অতিরিক্ত হওয়ায় অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত দক্ষ ও পেশাদার ব্যাংকার ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ব্যাংকিং এমন একটি খাত, যেখানে উদ্যোক্তারা সীমিত মূলধন বিনিয়োগ করে জনগণের বিপুল আমানত পরিচালনা করেন। ফলে এটি সাধারণ ব্যবসার মতো নয়; এখানে মালিকরা প্রকৃত অর্থে জনগণের আমানতের তত্ত্বাবধায়ক।
এ কারণে ব্যাংকের মালিকানা, নীতিনির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে জবাবদিহিমূলক ও সুস্পষ্ট বিভাজন থাকা জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে, যেখানে পরিচালনা পর্ষদে স্বাধীন পরিচালকের সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। জন-আস্থা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রেও উপযুক্ত যোগ্যতা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ‘ফিট অ্যান্ড প্রপার’ মানদণ্ড কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। একই ধরনের নীতি ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা উচিত।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি ও রূপালী ব্যাংক পিএলসি দুই যুগ আগে পিএলসিতে রূপান্তরিত হয়। উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানি আইনের আওতায় পরিচালনা এবং ধীরে ধীরে জনগণের জন্য শেয়ার উন্মুক্ত করা। কিন্তু বাস্তবে একমাত্র রূপালী ব্যাংকের সামান্য অংশ ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংকের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর তদারকি বর্তমানে বিভক্ত—একদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক, অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এ দ্বৈত তদারকি নীতিগত বিভ্রান্তি ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা তৈরি করে। ফলে এসব ব্যাংককে একক নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে বেসরকারি অংশীদারত্বও বাড়ানো প্রয়োজন।
এসব ব্যাংকের সম্পদের মান নিরীক্ষা করে প্রকৃত আর্থিক অবস্থা প্রতিফলিত হয় এমনভাবে ব্যালান্স শিট পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। এতে ভবিষ্যতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করা সহজ হবে। দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।
সরকারে গেলে যা করার অঙ্গীকার করেছিলেন জোনায়েদ সাকি
বিডিএসএফ রাজনৈতিক বক্তৃতামালায়
#জোনায়েদসাকি #নির্বাচন #সরকার #বাংলাদেশ
বেদ-উপনিষদ ও সুফিবাদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সম্পর্ক অনুসন্ধান: আরাফাত ইমরান
বিডিএসএফ বুক টক ও আইডিয়া টকে রাখা আলোচনায় যা বললেন বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের (বিডিএসএফ) প্রেসিডেন্ট
মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবিধান
নির্বাচনের আগে যা বলেছিলেন ডা. জাহেদ উর রহমান
#রাজনীতি #জাহেদউররহমান #সংবিধান
পাকিস্তান কীভাবে মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতির কেন্দ্রে চলে আসলো, যা বললেন দেশটির সাবেক পররাষ্ট্র সচিব
সাবিদিন ইব্রাহিমের সঙ্গে আলাপচারিতায় পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব জওহার সেলিম
ছাত্রদের সামনে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000