23/11/2025
প্যান্ডেলের ভেতরে যারা বসেছে, তারাই মূলত ওয়াজ শুনতে এসেছে। শুধু তাদের জন্য মাইকের ব্যবস্থা রাখা উচিত। আর যারা দোকানপাট, রাস্তাঘাট ও বাসাবাড়িতে আছে, তারা তো ওয়াজ শুনতে আসেনি।
মুল প্যান্ডেলের বাইরে হর্ন লাগিয়ে মানুষকে কষ্ট দেওয়া সম্পূর্ণ নাজায়েজ/সুস্পষ্ট হারাম।
(**এক্ষেত্রে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের সাউন্ড সিস্টেম অনুসরণীয়, সেখানে শুধুমাত্র ময়দানের ভিতরের মানুষ বয়ানের আওয়াজ শুনতে পারবে, সেখানে প্রত্যেকটি মাইক নিচের দিকে করে দেওয়া এবং ময়দান কাভার করার জন্য যতটুকু আওয়াজ প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ব্যবস্থা সেখানে করা হয়েছে, আমি যতটুকু জানি ইজতিমার ময়দানের বাহিরে মাইক দেওয়ার বিষয়ে তাবলীগের মুরব্বিদের অনুমতি নেই।)
রাতভর ডিজে পার্টি করে বিকট শব্দে গান বাজিয়ে মানুষকে কষ্ট দেওয়া যেমন হারাম অনুরূপভাবে সারা এলাকা জুড়ে মাইক লাগিয়ে ওয়াজের নামে শব্দ দূষণ করাটাও হারাম।
এই দুইটার মধ্যে পার্থক্য হল: একটা সত্তাগতভাবে হারাম অপরটি আনুষাঙ্গিক কারণে হারাম যেহেতু ايذاء المسلم حرام।
আর সবচেয়ে বড় কথা হল: এই যে এশার নামাজের পর থেকে রাত ১২-১ টা পর্যন্ত মাহফিল করা হয় এটা হল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অপছন্দনীয় সময়, কারণ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া অপছন্দ করতেন এবং এশার নামাজের পর জাগ্রত থাকা এবং কথা বলাও অপছন্দ করতেন।
আর সেটা যদি হয় ঢাক-ঢোল পিটিয়ে??
كان النبي صلى الله عليه وسلم يكره النوم قبل العشاء والحديث بعدها
وما علينا الا البلاغ
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সঠিকটা বুঝার তৌফিক দান করুক, আমীন।
©হাফেজ মাওলানা নোমান মাহমুদ।
11/09/2025