Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh

Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh

Share

শিক্ষা চিকিৎসা সমন্বয় সম্প্রীতি অধিকার আমাদের মূলনীতি

18/05/2026

দুই দিন ক্যান্সার এর চেম্বারে বসে প্যাথলজিক্যাল টেষ্ট ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এখন দেখি ব্রেষ্ট ক্যান্সার এর চিকিৎসা দিতেছে। হোমিওপ্যাথিক জগৎ যে নিজে কোন মায়াজমে আটকে পড়েছে কেউ বলতে পারেন??

18/05/2026

ঔষধের পুনঃপ্রয়োগ

ঔষধের পুনঃপ্রয়োগ সম্বন্ধে কোনো সুনিশ্চিত নিয়ম নির্দিষ্ট হতে পারে না। ক্ষেত্র অনুসারে ঔষধ পুনঃপ্রয়োগ করতে হবে। ১০ মিনিট হতে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত অন্তর অন্তর ঔষধ খাওয়ান চলে। তবে একটা বিশেষ নিয়ম এই যে, ঔষধের ফল বা কার্য আরম্ভ হওয়া বুঝতে পারলেই ঔষধ বন্ধ করতে হবে এবং যতক্ষণ এ কার্য চলবে ততক্ষণ আর ঔষধ দেওয়া চলবে না। ঔষধের কার্য, অর্থ রোগ-বৃদ্ধি বা রোগ-হ্রাস দুইই বুঝায়।

ডা. মোঃ আম্মার আব্দুল্লাহ।

03/05/2026

গত সরকারের আমলে একদল হোমিওপ্যাথি সেমিনারের নামে সাধারণ হোমিওপ্যাথদের পকেটে হাত দিয়ে নিজের পকেট ভারী করেছেন আবার এই সরকারের আমলে রূপ পাল্টিয়ে আরেক সংগঠনের ব্যানারে নিজেদের পকেট ভারী করতে সচেষ্ট... কিন্তু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের উন্নয়ন..। হোমিওপ্যাথিক কলেজের উন্নয়ন এগুলো নিয়ে কোন কথা বলছেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটা সার্কুলার হয়েছে সেখানে মুল লেখায় হোমিওপ্যাথির নাম উল্লেখ নেই। সেটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই মনে হচ্ছে। বিষয়টি কি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে?

17/04/2026

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রাজস্ব বাজেটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়নের নিমিত্তে সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ/ডেন্টাল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিট/ইউনানী/আয়ুর্বেদিক/হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ/Allied চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের নিকট হতে গবেষণা প্রস্তাবনা (Research Protocol) আহ্বান করা যাচ্ছে।

যারা গবেষণায় আগ্রহী তারা আবেদন করতে পারেন।

17/04/2026

নারীর চরম তৃপ্তি বা অর্গাজমের মূল কেন্দ্রবিন্দু লুকিয়ে আছে যোনিপথের বাইরে.......

আপনি কি প্রতি রাতে নিজের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পুরুষত্বকে ইঞ্চির মাপকাঠিতে মেপে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন? যদি আপনার উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আজ এমন কিছু রূঢ় বাস্তব সত্যের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিন, যা আপনার বহুদিনের লালিত ভ্রান্ত ধারণাকে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলতে পারে।

আমাদের সমাজ এক অদ্ভুত ট্যাবুতে বন্দি। এখানে পুরুষত্ব মানেই যেন বিশাল আকার, আর সক্ষমতা মানেই পশুবৃত্তিক পেশিশক্তি! পর্নোগ্রাফির অবাস্তব নীল জগত আমাদের মগজকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যে, আমরা দেহতত্ত্ব ও মনস্তত্ত্বের সূক্ষ্ম বিজ্ঞানকে ভুলে গিয়ে সস্তা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিচ্ছি। আজ একজন মনোবিজ্ঞানী বা সমাজবিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোণ থেকে এই বিতর্কিত অথচ প্রয়োজনীয় বিষয়টি বিশ্লেষণ করা যাক।

ফেসবুক বা ইন্টারনেটে স্ক্রল করলেই চোখে পড়ে চটকদার বিজ্ঞাপন— “মাত্র সাত দিনে ম্যাজিক!” “তেল, মালিশ, মধু বা কালোজিরার জাদুকরী মিশ্রণ!” সরাসরি বললে, এগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো আপনার মানসিক দুর্বলতাকে পুঁজি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

মেডিকেল সায়েন্স ও অ্যানাটমি স্পষ্টভাবে বলে— পুরুষের গোপনাঙ্গ কোনো পেশি (Muscle) নয় যে, ব্যায়াম বা মালিশ করে সেটিকে স্থায়ীভাবে বড় করা যাবে। এটি মূলত স্পঞ্জি টিস্যু দিয়ে তৈরি। কোনো ঔষধ, মলম, তেল বা ভেষজ উপাদান এই টিস্যুর জন্মগত আকার বাড়াতে পারে না। বরং এসব ব্যবহার করলে সংবেদনশীলতা (Sensitivity) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আবার কিছু বিজ্ঞাপনে বলা হয়— “বিশেষ কনডম, যা পরলেই সাইজ বড় দেখাবে!” বাস্তবে এগুলো কেবল বাহ্যিক ভ্রম তৈরি করে। এতে স্বাভাবিক অনুভূতি কমে যেতে পারে এবং অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

কিছু ব্যায়ামের কথাও বলা হয় (যেমন— কেগেল বা অন্যান্য পদ্ধতি)। এগুলো পেলভিক ফ্লোর শক্তিশালী করতে ও রক্তসঞ্চালন উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে, ফলে কর্মক্ষমতায় কিছু ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে আকারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।

এবার মূল বিষয়টি বোঝা দরকার। নারীর শারীরিক অনুভূতি একটি জটিল ও সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া, যা শুধু একটি দিকের উপর নির্ভর করে না। শারীরিক গঠন, মানসিক প্রস্তুতি, আবেগ— সবকিছু মিলিয়েই তৃপ্তির অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। যোনিপথের ভেতরের অংশের তুলনায় বাইরের সংবেদনশীল অংশের ভূমিকা এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তাই আকার নিয়ে অযথা হীনমন্যতায় ভোগার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বোঝাপড়া, আবেগ, যত্ন ও পারস্পরিক সম্মান অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার যদি মনে হয় কোনো সীমাবদ্ধতা আছে, তবে সেটিকে দুর্বলতা হিসেবে না দেখে শেখার সুযোগ হিসেবে নিন। সম্পর্কের আগে মানসিক সংযোগ গড়ে তোলা, সময় দেওয়া, সঙ্গীর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা— এগুলোই আসল বিষয়।

শুধু যান্ত্রিকভাবে কোনো কিছু করার মধ্যে তৃপ্তি নেই। ছন্দ, স্বাচ্ছন্দ্য, এবং পারস্পরিক বোঝাপড়াই সম্পর্ককে গভীর করে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আত্মবিশ্বাস। নিজের প্রতি অযথা নেতিবাচক ধারণা তৈরি না করে বাস্তবতা বুঝে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সবশেষে, এই সত্যটি মেনে নেওয়া জরুরি— একটি সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক শুধু শারীরিক নয়, এটি মানসিক, আবেগিক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

এই সমাজে যেখানে পুরুষত্ব নিয়ে এত ভুল ধারণা প্রচলিত, সেখানে বাস্তবতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা প্রয়োজন। আপনি কি মনে করেন অবাস্তব কন্টেন্ট আমাদের প্রত্যাশাকে প্রভাবিত করছে? আপনার মতামত জানাতে পারেন।

15/04/2026

বগুড়ায় একটি চেম্বার পরিচালনার জন্য শিক্ষানবিশ (ইন্টার্নশিপ) ডিএইচএমএস চিকিৎসক বা শিক্ষার্থী দরকার। বগুড়ায় শহর বা এর আশেপাশে বাসা হতে হবে।
ডিএইচএমএস এর পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশেষভাবে মুল্যায়ন করা হবে। শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে পেশা হিসেবে নিতে আগ্রহী ব্যাক্তি দের যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
আগ্রহী হলে নিম্নলিখিত কাগজপত্র Whatsapp (01911466909) করুন।

*** কম্পিউটার পরিচালনায় পারদর্শী হতে হবে।

১) ন্যাশনাল আইডি।

২) জেনারেল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ।

৩) জন্ম সনদ।

৪) ডিএইচএমএস পাশের সনদ ।

Photos from Organization for Homeopathic Interface of Bangladesh's post 12/04/2026

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি...

ঠিক পরিষ্কার নয়। এটা বাংলাদেশে কোন অনুমোদিত ড্রিগ্রি নয়। আমার বিষয়টি বুঝতে চার ঘণ্টা লেগেছে।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এর আগে অল্টারনেটিভ মেডিসিন ভারত থেকে ডিগ্রি এনে পুরো হোমিওপ্যাথিক জগৎকে বিপদে ফেলে দিয়েছিল হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে।

01/04/2026

দেশে আবারও ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি মাসেই অন্তত ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা।

স্বাস্থ্য অধিদফতর ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় সংক্রমণের হার বেশি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ শিশু, ময়মনসিংহে ৩, রাজধানীর সংক্রামক রোগ হাসপাতালে ৩ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ সতর্কতা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে মহামারির রূপ নিতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতি : বাংলাদেশ ও বিশ্ব

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই হাম আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। ঢাকার সংক্রামক রোগ হাসপাতালে মাত্র তিন মাসেই ২৫০-এর বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। আক্রান্তদের বড় অংশই ৫ বছরের নিচের শিশু।

বিশ্ব পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ হামে আক্রান্ত হয় এবং লক্ষাধিক মৃত্যু ঘটে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে ঝুঁকি বেশি। হাম রোগের ইতিহাস অনেক পুরোনো। নবম শতকে আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জাকারিয়া আল রাজি প্রথম এই রোগের বিস্তারিত লিখিত বর্ণনা দেন। পরবর্তীতে ১৭৫৭ সালে ফ্রান্সিস হোম প্রমাণ করেন যে হাম সংক্রামক জীবাণুর কারণে হয়ে থাকে।

১৯৫৪ সালে জন এন্ডার্স এবং টমাস পিবলস যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন শহরে হামে আক্রান্ত রোগীর নমুনা থেকে ভাইরাসটি আলাদা করতে সক্ষম হন।

হামের প্রকারভেদ

সাধারণ হাম : জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া, মুখ থেকে সারা শরীরে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া। সঠিক যত্নে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

জটিল হাম : দীর্ঘস্থায়ী জ্বর,তীব্র দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য জটিলতা। অপুষ্ট শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপ্রচলিত হাম : অস্বাভাবিক র‌্যাশ, উচ্চমাত্রার জ্বর, শরীরে অস্বস্তি।

লক্ষণ : ধাপে ধাপে প্রকাশ প্রাথমিক পর্যায় : উচ্চ জ্বর, শুকনো কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া। মধ্যবর্তী পর্যায় : চোখ লাল হওয়া, আলোতে অস্বস্তি। পরবর্তী পর্যায় : মুখে লালচে ফুসকুড়ি, পরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।

হামের জটিলতা : হাম অবহেলা করলে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে নিউমোনিয়া : ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে শ্বাসকষ্ট।

এনসেফালাইটিস : মস্তিষ্কে প্রদাহ ও স্নায়বিক সমস্যা। ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা : শরীর দুর্বল হয়ে পড়া। অপুষ্টি বৃদ্ধি : খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, গুরুতর আক্রান্তদের একটি অংশ এসব জটিলতায় ভোগে এবং সময়মতো চিকিৎসা না পেলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে।

সংক্রমণ কীভাবে ছড়ায়?

কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়, একই ঘরে থাকলে দ্রুত সংক্রমণ হয়, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে গড়ে ৯-১০ জন সংক্রমিত হতে পারে।

শিশু সুরক্ষায় করণীয় : আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা, অন্তত ৮-১০ দিন অন্যদের থেকে দূরে রাখুন, বাইরে যাওয়া বন্ধ রাখুন। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা : নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মানা, ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার রাখা। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা : ফল, সবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, সহজপাচ্য ও তরল খাবার। পর্যাপ্ত বিশ্রাম : শিশুকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা। পানিশূন্যতা প্রতিরোধ : পর্যাপ্ত পানি ও তরল গ্রহণ। ত্বক ও চোখের যত্ন : পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া : ফুসকুড়ি পরিষ্কার রাখা।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে শ্বাসকষ্ট , খিঁচুনি, অতিরিক্ত দুর্বলতা, খাওয়াতে না পারা, তীব্র ডায়রিয়া।

ঝুঁকিপূর্ণ শিশু : ৫ বছরের নিচের শিশু : অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশু।

হোমিও সমাধান

হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয়, রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করেন।

হাম রোগীর প্রাথমিকভাবে যে ওষুধগুলো লক্ষণ অনুযায়ী আসতে পারে : একোনাইট ন্যাপেলাস, বেলাডোনা, ব্রায়োনিয়া অ্যালবা, জেলসেমিয়াম, ইউফ্রেসিয়া, পালসেটিলা, মরবিলিনাম, সালফার, রাস টক্সিকোডেনড্রন, ফসফরাস, আর্সেনিকাম অ্যালবাম, ক্যালকারিয়া কার্ব, ক্যালি বাইক্রোমিকাম, অ্যান্টিমোনিয়াম টার্ট, ফেরাম ফসসহ লক্ষণ অনুযায়ী আরও অনেক ওষুধ আসতে পারে।

হোমিও সতর্কতা

হোমিওপ্যাথি ওষুধ সবসময় লক্ষণভিত্তিক, তাই এক রোগে সবার জন্য একই ওষুধ নয়। নিজে নিজে ওষুধ নির্বাচন করলে সঠিক ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বারবার খাওয়া (পুনরাবৃত্তি) ক্ষতিকর হতে পারে।

একসঙ্গে অনেক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ওষুধ খাওয়ার আগে ও পরে অন্তত ১৫-২০ মিনিট কিছু না খাওয়াই ভালো। কফি, পুদিনা, সুগন্ধিজাতীয় জিনিস অনেক সময় ওষুধের কার্যকারিতা কমাতে পারে। শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা জটিল লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

হাম একটি সংক্রামক রোগ, তাই রোগীকে আলাদা রাখা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। তাই নিজে নিজে ওষুধ গ্রহণ না করে সবসময় অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পরিশেষে বলতে চাই, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ, পরিচর্যা ও সচেতন আচরণই পারে এই রোগের ঝুঁকি কমাতে।

প্রকারভেদ, লক্ষণ ও জটিলতা সম্পর্কে ধারণা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, যা একটি শিশুর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

31/03/2026

হাম (Measles) এর কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন সমূহ এবং তাদের লক্ষণ।

হাম (Measles) কি?
হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দিয়ে শুরু হয়।

হাম রোগে গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও লক্ষণ:

🔸 Rhus Toxicodendron (রাসটক্স)
শরীরে লাল ফুসকুড়ি সাথে তীব্র চুলকানি
ঠান্ডা ও ভেজা আবহাওয়ায় খারাপ
গরমে আরাম
অস্থিরতা, বারবার নড়াচড়া করতে চায়

🔸 Bryonia Alba (ব্রায়োনিয়া)
শুষ্ক কাশি, বুকে ব্যথা
সামান্য নড়াচড়ায়ও কষ্ট বাড়ে
সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে চায়
তৃষ্ণা বেশি, বারবার পানি খেতে চায়

🔸 Antimonium Tartaricum (এন্টিম টার্ট)
বুকে কফ জমে শ্বাসকষ্ট
কাশি করলে কফ উঠতে চায় না
দুর্বলতা, ঝিমুনি
শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর

🔸 Gelsemium (জেলসিমিয়াম)
জ্বরের সাথে প্রচণ্ড দুর্বলতা
চোখ ভারী, ঘুম ঘুম ভাব
শরীর কাঁপুনি
ধীরে ধীরে রোগের অগ্রগতি

🔸 Apis Mellifica (এপিস মেল)
ফুসকুড়ি ফুলে যায়, চুলকানি ও জ্বালা
গরমে খারাপ, ঠান্ডায় আরাম
তৃষ্ণা কম
ত্বক লাল ও ফোলা

🔸 Arsenicum Album (আর্সেনিক)
তীব্র দুর্বলতা ও অস্থিরতা
জ্বালাপোড়া অনুভূতি (burning pain)
অল্প অল্প করে বারবার পানি খায়
রাতের দিকে সমস্যা বাড়ে

🔸 Sulphur (সালফার)
ফুসকুড়ি বের হতে দেরি হলে
ত্বক শুষ্ক, জ্বালা ও চুলকানি
গরমে সমস্যা বাড়ে
অপরিষ্কার, রুক্ষ চেহারা

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

✅রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ দেখে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে
✅গুরুতর অবস্থায় অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা. মোঃ আম্মার আব্দুল্লাহ
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

27/01/2026

নতুন এক প্যাথি দেখলাম।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka