18/12/2024
কেন আপনি Best One Academy নির্বাচন করবেন?!!
কারণ জাপানে আমাদের শক্তিশালী কমিউনিটি রয়েছে। আমরা আপনাকে জাপানে অধ্যয়নের সময় খণ্ডকালীন চাকরি পেতে সহায়তা করব এবং আপনার অধ্যয়ন শেষ করার পরে আমরা আপনাকে ফুলটাইম চাকরি পেতে সহায়তা করব।
যোগাযোগ- 01678-444111
15/12/2024
লাইফে যখনই হতাশ হবেন জাস্ট মাথায় রাখবেন এ যেহেতু সাংবাদিক হতে পেরেছে আপনিও জাপান যেতে পারবেন।।।
আর আপনার জাপান যেতে সহায়তায় সবসময় পাশে পাবেন Best One Academy কে। 😊
জানুয়ারী ক্লাশ শুরু তাই দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন ভর্তির জন্য - 01678-444111
14/12/2024
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা…
12/12/2024
Why you will choose Best 1 Academy??!!
Because we have strong community in japan. We will help you to get part time job during study in japan and after completion of your study we will support you to get full time job also.
We have agreement with language schools in Nagoya & Gifu.
12/12/2024
ভর্তি চলছে… আজই যোগাযোগ করুন।
N5 লেভেল জাপানীজ ভাষা শিখুন আর জাপানে উন্নত জীবনের স্বপ্নপুরণ করুন।
07/12/2024
Admission going on for N5 level japanese language course…
07/11/2024
বাংলাদেশ থেকে তুরস্ক ভ্রমণ: প্রয়োজনীয় তথ্য, খরচ এবং প্রস্তুতি
🔎 বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে ভ্রমণের খরচ মূলত ভ্রমণকারীর পরিকল্পনা এবং চাহিদার উপর নির্ভর করে। তুরস্ক বিভিন্ন ধরণের বাজেটের পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত গন্তব্য। এ আর্টিকেলে বাংলাদেশ থেকে তুরস্ক ভ্রমণের খরচ, কাগজপত্র এবং ভিসা প্রক্রিয়ার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
📍বাংলাদেশ থেকে তুরস্ক ভ্রমণের মোট খরচ ২০২৪
বাংলাদেশ থেকে তুরস্কের জন্য মোট খরচ নির্ধারণ করতে বিমান টিকিট, ভিসা ফি, আবাসন এবং অন্যান্য খরচগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।
১. বিমান টিকিট
- ঢাকা থেকে ইস্তানবুল সরাসরি ফ্লাইটের খরচ সাধারণত ৳৫০,০০০ থেকে ৳৭৫,০০০ এর মধ্যে হয়।
- অতিরিক্ত খরচ এড়াতে কয়েক মাস আগে টিকিট বুকিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
২. আবাসন খরচ
- প্রতি রাতের জন্য হোটেলের খরচ সাধারণত ৳৪,০০০ থেকে ৳১০,০০০। তবে ইস্তানবুলের বাইরে খরচ কিছুটা কম হয়।
৩. খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য খরচ
- দৈনিক খাবারের খরচ প্রায় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩,০০০।
- অতিরিক্ত যাতায়াত খরচের জন্যও কিছু বাজেট রাখা প্রয়োজন।
৪. ভিসা ফি
- তুর্কি ভিসার ফি সাধারণত ৳৬,০০০ থেকে ৳৮,০০০।
📍আনুমানিক মোট খরচ
এক সপ্তাহের জন্য ভ্রমণ খরচ আনুমানিক ৳১,০০,০০০ থেকে ৳১,৫০,০০০। যাত্রা সময় ও ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী খরচ কমবেশি হতে পারে।
📍ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাংলাদেশি নাগরিকদের তুরস্ক ভ্রমণের জন্য ভিসা প্রয়োজন। ই-ভিসা বা স্টিকার ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
1. বৈধ পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে)।
2. ভ্রমণ বিমা (Travel Insurance)।
3. ফ্লাইট টিকিট (যাওয়ার ও ফেরার নিশ্চিত টিকিট)।
4. হোটেল বুকিং বা থাকার প্রমাণ।
5. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (গত ৩-৬ মাস)।
6. চাকুরির প্রমাণপত্র (যদি থাকে)।
📍তুরস্কে ভ্রমণ আবেদন প্রক্রিয়া
1. ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া:
- ই-ভিসা তুরস্কের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে সহজে পাওয়া যায়: eVisa.gov.tr https://www.evisa.gov.tr/en/
2. আবেদন ফর্ম পূরণ এবং ফি পরিশোধ করুন।
3. ই-ভিসা ডাউনলোড করে ভ্রমণের সময় সঙ্গে রাখুন।
📍বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে কাজের বেতন
তুরস্কে কাজের বেতন সাধারণত কাজের ধরণ, অভিজ্ঞতা এবং শহরের উপর নির্ভর করে। ২০২৪ সালে তুরস্কে মাসিক ন্যূনতম মজুরি প্রায় ১১,৪০০ তুর্কি লিরা (TRY), যা প্রায় ৪০০-৪৫০ মার্কিন ডলার সমান।
📍বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে দূরত্ব এবং যাত্রা সময়
- দূরত্ব: বাংলাদেশ থেকে তুরস্ক প্রায় ৪,০০০ কিমি।
- সময়: ঢাকা থেকে ইস্তানবুল সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লাগে।
📍গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
- প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে তুরস্কের ভিসা পেতে কতদিন লাগে
- উত্তর: সাধারণত ১৫-২৫ কর্মদিবস লাগে।
- প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে ভ্রমণের সর্বনিম্ন বয়স কত?
- উত্তর: পর্যটক হিসেবে কোনো বয়সসীমা নেই। তবে কাজের জন্য সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়স প্রয়োজন।
তুরস্কে ভ্রমণ করতে চাইলে মাঝারি বাজেটে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যায়। সঠিক পরিকল্পনা ও অগ্রিম বুকিং খরচ কিছুটা কমাতে সহায়ক। তুরস্কের ঐতিহ্য, প্রকৃতি, এবং আধুনিকতার মিশ্রণ আপনার ভ্রমণকে স্মরণীয় করে তুলবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সঠিক ভিসা প্রক্রিয়া ও খরচের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটগুলো নিয়মিত চেক করতে ভুলবেন না।
Collected
*tourist
04/11/2024
➡️ নতুন জাপান ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন পদ্ধতি:
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি লাগবেনা শুধু vfs ১৯০০ টাকা সার্ভিস ফি নিবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ইন্টারভিউ ফেস করতে হবেনা এবং ভিসা ইস্যু হবে ডকুমেন্টস বেজড্। আমি এটাকে সুখবর ই বলবো ।
৩ নভেম্বর, ২০২৪ থেকে, ভিএফএস গ্লোবাল (VFS Global) জাপান দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভিসা আবেদন পরিষেবা প্রদান করবে। জাপান দূতাবাস এর পর সরাসরি ভিসার আবেদন গ্রহণ করবে না।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস :
১. এপ্লিকেশন ফর্ম
২. ভেলিড পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৩. পুরনো পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৪. ছবি ২ কপি – ৩৫*৪৫
৫ .এয়ারলাইন্স বুকিং কপি
৬ .হোটেল বুকিং কপি
৭ . ট্যাক্স পেমেন্ট রিসিপ্ট ( লাস্ট ৩ বছরের )
৮ .ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( বিগত ছয় মাসের )
৯ . ভিজিট শিডিউল
১০. এন ও সি
১১. কাভার লেটার
** এক্সট্রা বৈধ ডকুমেন্টস যদি গ্যারান্টার থাকেঃ
১ .ইনভাইটেশন লেটার গ্যারান্টরের কাছ থেকে
২ .গ্যারান্টরের সাথে সম্পর্কের প্রত্যয়িত বা ব্যাখ্যা করার নথি
৩ .ব্যাংক স্টেটমেন্ট 6 মাসের সর্বশেষ (ব্যক্তিগত/কোম্পানী) যদি ভ্রমণ খরচ জাপানে বসবাসকারী একজন গ্যারান্টার দ্বারা বহন করা হয়।
৪ .গ্যারান্টি লেটার