MBSTU Reader Zone

MBSTU Reader Zone আলোকিত জীবন গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ এবং পাঠসেবা প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের পথচলা

“যে ব্যক্তি এক কাপ চায়ের মূল্য অনুভব করতে পারে না, সে একটি প্রাসাদের মূল্যও অনুভব করতে পারে না। কারণ কৃতজ্ঞতার অনুভূতি স...
20/08/2026

“যে ব্যক্তি এক কাপ চায়ের মূল্য অনুভব করতে পারে না, সে একটি প্রাসাদের মূল্যও অনুভব করতে পারে না। কারণ কৃতজ্ঞতার অনুভূতি সব নিয়ামতের ক্ষেত্রেই একইভাবে কাজ করে। যে ছোট একটি নিয়ামতের কদর করতে জানে না, সে বড় নিয়ামতের মূল্যও বুঝতে পারে না।”

📢 গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাদোয়াজদহম কার্নিভাল ২০২৬ স্থগিতমানবতার মুক্তিদূত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর পবিত্র জন্ম স্মরণে মাভাব...
10/08/2026

📢 গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
দোয়াজদহম কার্নিভাল ২০২৬ স্থগিত

মানবতার মুক্তিদূত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর পবিত্র জন্ম স্মরণে মাভাবিপ্রবি রিডার জোনের উদ্যোগে আয়োজিতব্য "দোয়াজদহম কার্নিভাল ২০২৬" অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারণে আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানটি ঘোষণার পর ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পালন এবং এ ধরনের আয়োজনের শরয়ী অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও বিতর্ক আমাদের নজরে এসেছে। আমরা চাই না, এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের বিভাজন, পারস্পরিক বিরূপতা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের পরিবেশ সৃষ্টি হোক।

এই সিদ্ধান্ত কোনো পক্ষের মতামতকে সঠিক বা ভুল সাব্যস্ত করার উদ্দেশ্যে নয়; বরং সবার বিশ্বাস, অনুভূতি ও মতামতের প্রতি সম্মান রেখে বিভাজন এড়িয়ে চলার একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

যারা অনুষ্ঠানটির প্রতি আগ্রহ ও সহযোগিতা প্রকাশ করেছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। একই সঙ্গে যারা এ আয়োজন নিয়ে মতামত ও আপত্তি জানিয়েছেন, তাদের প্রতিও আমরা শ্রদ্ধাশীল।

উপমহাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ঐতিহাসিক কারণ ও স্বকীয়তার সন্ধান পড়ুন:
বাঙালি মুসলমানের উৎসব, ফাহমিদুর রহমান।

https://drive.google.com/file/d/1VT3cbHRh2GAG7Ob0VQLLUm6O4WBo3nRr/view?usp=drivesdk

মানবতার মুক্তিদূত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর পবিত্র জন্ম স্মরণে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে মাভাবিপ্রবি রিডার জোনের উদ্যোগ...
09/08/2026

মানবতার মুক্তিদূত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর পবিত্র জন্ম স্মরণে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে মাভাবিপ্রবি রিডার জোনের উদ্যোগে আয়োজিত হতে যাচ্ছে “দোয়াজদহম কার্নিভাল ২০২৬ ”।

এই মহতী আয়োজনে থাকছে-

۞ ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি
۞ কোরআন তিলাওয়াত
۞ দরূদ ও সালাম
۞ গোলাপপানি ছিটানো
۞ গীত-কিয়াম
۞ সিরাত পাঠ
۞ নাত প্রতিযোগিতা
۞ কবিতা আবৃত্তি
۞ কোরআনের আয়াত, হাদিস ও ইসলামী ক্যালিগ্রাফি সজ্জা
۞ অনাথ শিশুদের আপ্যায়ন
۞ তবারক বিতরণ

❖ ডেলিগেট ফি: ৩০ টাকা
❖ টাকা প্রদানের মাধ্যম: পরবর্তী পোস্টে জানানো হবে।

(যারা ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উদযাপন করেন না, তাদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ, এই আয়োজনের প্রতি সম্মান রেখে বিতর্ক এড়িয়ে চলুন এবং ভিন্নমতকে সৌজন্য ও সহনশীলতার সঙ্গে গ্রহণ করুন।)

পরিকল্পনাবিহীন সময় ব্যয় করা মোটেও সঠিক নয়।সামনে যেটাই আসে, সেটাকেই নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়া উচিত নয়;সামনে যা আসবে, সেটাত...
09/08/2026

পরিকল্পনাবিহীন সময় ব্যয় করা মোটেও সঠিক নয়।

সামনে যেটাই আসে, সেটাকেই নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়া উচিত নয়;
সামনে যা আসবে, সেটাতেই মশগুল হয়ে যেও না।

এর পরিবর্তে সর্বদা নিজের কাজকে পর্যালোচনা করবে,
এবং দিন ও রাতের ইবাদত ও কাজগুলোকে নিয়ম ও ভারসাম্যের মধ্যে সাজাবে।

প্রত্যেক সময়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট কাজ ঠিক করো; সেই সময়ে শুধু সেই কাজেই মন দাও, অন্য কিছুতে মনোযোগ দিও না।

আর তখনই তুমি সময়ের বরকতকে অনুভব করতে পারবে।

|| হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী (রহ.) | |

কোনো জাতির ইতিহাস কেবল তার অর্জনের তালিকা নয়, বরং সেই অর্জনগুলোকে কত দূর স্থায়ী রূপ দেওয়া গেছে, তারও বিবরণ। ১৯৪৭ এর উপনি...
05/08/2026

কোনো জাতির ইতিহাস কেবল তার অর্জনের তালিকা নয়, বরং সেই অর্জনগুলোকে কত দূর স্থায়ী রূপ দেওয়া গেছে, তারও বিবরণ। ১৯৪৭ এর উপনিবেশ পরবর্তী স্বাধীনতা, একাত্তরের বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বশেষ চব্বিশের জুলাই আমাদের জাতীয় জীবনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। প্রতিটি পর্বেই মানুষ অন্যায়, আধিপত্য ও অবদমনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ইতিহাসের গতিপথ বদলেছে। কিন্তু বিজয়ের মুহূর্ত যতই মহিমান্বিত হোক, তাকে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক আদর্শ, ন্যায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে না পারলে তার শক্তি ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়। তখন পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যায় এবং পুরোনো ক্ষমতাকাঠামো নতুন রূপে ফিরে আসার সুযোগ পায়।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান তাই কেবল একটি সরকারের পতনের ঘটনা নয়। এটি ছিল দীর্ঘদিনের দুঃশাসন, রাজনৈতিক আধিপত্য, বৈষম্য, অপমান এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের সঞ্চিত প্রতিরোধের বিস্ফোরণ। এই অভ্যুত্থান একটি কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং একই সঙ্গে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে এনেছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, এই অভ্যুত্থানের প্রাণশক্তিকে কীভাবে স্থায়ী রূপ দেওয়া যায়।

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে প্রথমেই আমাদের রাষ্ট্রের বিদ্যমান কাঠামোর দিকে তাকাতে হয়। বাংলাদেশ এখনো অনেকাংশে ব্রিটিশ উপনিবেশিক আইন, প্রশাসন, শিক্ষা ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বহন করছে। স্বাধীনতার পর শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে, রাষ্ট্রের পতাকা ও মানচিত্র বদলেছে, কিন্তু জ্ঞান, প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক মানসিকতার মৌলিক রূপান্তর ঘটেনি। ফলে গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ও যদি এই পুরোনো কাঠামোর ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার হাতবদলেই পর্যবসিত হবে।

এই কারণেই চব্বিশের অভ্যুত্থানকে স্থায়ী করতে হলে একটি সুস্পষ্ট জাতীয় স্বপ্ন নির্মাণ অপরিহার্য। কোনো জাতি শুধু অতীতের বিজয়ের স্মৃতি নিয়ে সামনে এগোতে পারে না। তাকে জানতে হয়, সে কেমন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চায়, কোন মূল্যবোধের ওপর দাঁড়াতে চায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী ধরনের সমাজ রেখে যেতে চায়। অথচ বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট হলো, আমাদের সামনে এখনো কোনো ঐকমত্যভিত্তিক, অনুসরণযোগ্য ও যৌক্তিক জাতীয় স্বপ্ন সুস্পষ্টভাবে উপস্থিত নেই।

এই জাতীয় স্বপ্ন বাইরের কোনো আদর্শের অনুকরণে নির্মিত হতে পারে না। একে বাংলাদেশের ইতিহাস, ভূগোল, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং জনগণের বাস্তব আকাঙ্ক্ষার ভেতর থেকে উঠে আসতে হবে। এর ভিত্তি হবে হাকিকত, আদালত, ইনসাফ, মানবিক মর্যাদা, দায়িত্বশীলতা ও সামষ্টিক মাসলাহাত। রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য যদি কেবল ক্ষমতা সংরক্ষণ ও সম্পদ নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ অর্থহীন হয়ে যাবে। রাষ্ট্রকে মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও মাসলাহাত রক্ষার দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।

এই নতুন রাষ্ট্রচিন্তা নির্মাণে ইসলামী সভ্যতার রাজনৈতিক ও নৈতিক ঐতিহ্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে। আল মাওয়ার্দীর রাষ্ট্রদর্শনে ন্যায়ভিত্তিক শাসন, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, সামাজিক শৃঙ্খলা, জ্ঞান ও মাসলাহাতকে রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়েছে। ইসলামী সভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসও প্রমাণ করে, কোনো রাষ্ট্র শুধু সামরিক শক্তি বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের ওপর টিকে থাকে না। তার স্থায়িত্ব নির্ভর করে ন্যায়, জ্ঞান, অর্থনৈতিক ভারসাম্য, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং নৈতিক বৈধতার ওপর।

কিন্তু এই ঐতিহ্য থেকে কার্যকরভাবে উপকৃত হতে হলে প্রথমে আমাদের চিন্তা ও জ্ঞানের উপনিবেশমুক্তি ঘটাতে হবে। যে জাতি নিজের ইতিহাসকে অন্যের ভাষায় পড়ে, নিজের সমাজকে অন্যের ধারণায় ব্যাখ্যা করে এবং নিজের ভবিষ্যৎও অন্যের তত্ত্বে কল্পনা করে, সে স্বাধীন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে পারে না। বাংলা ভাষাকে তাই শুধু যোগাযোগের ভাষা নয়, জ্ঞান, রাষ্ট্রচিন্তা ও সভ্যতা নির্মাণের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি ইসলামী সভ্যতার জ্ঞানভাণ্ডার এবং সমকালীন বিশ্বের প্রয়োজনীয় জ্ঞানকে স্বাধীন, হাকিকতমুখী ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে গ্রহণ করতে হবে।

চিন্তার এই পুনর্গঠন অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়া পূর্ণতা পাবে না। বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বৈষম্য, দুর্নীতি, সম্পদের কেন্দ্রীকরণ এবং বিদেশ নির্ভরতা বাড়িয়েছে। কৃষি, খাদ্য, পানি, জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও শিল্পনীতিকে জাতীয় স্বার্থের আলোকে পুনর্বিন্যাস করতে হবে। শ্রমিক, কৃষক, তরুণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত না হলে রাজনৈতিক স্বাধীনতাও বাস্তব অর্থ হারাবে। ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির লক্ষ্য হবে কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং সম্পদের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার এবং সামষ্টিক মাসলাহাত নিশ্চিত করা।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি গড়ে তোলা জরুরি। শিক্ষক, গবেষক, আলেম, সংস্কৃতিকর্মী, পেশাজীবী ও তরুণদের এমন সামাজিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে হবে, যা ক্ষমতার বাইরে দাঁড়িয়ে ন্যায়, জবাবদিহি ও জাতীয় স্বার্থের পক্ষে ভূমিকা রাখবে। গণঅভ্যুত্থানের শক্তিকে শুধু প্রতিবাদী আবেগে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সেই শক্তিকে নতুন নেতৃত্ব, নীতিমালা, জ্ঞানচর্চা ও বিকল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণের সক্ষমতায় রূপ দিতে হবে।

কারণ বুদ্ধিবৃত্তি, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি একটি জাতির শক্তির পরস্পর সংযুক্ত তিনটি ক্ষেত্র। একটিকে দুর্বল রেখে অন্য দুটিতে স্থায়ী সাফল্য অর্জন করা যায় না। রাজনৈতিক বিজয়কে স্থায়ী করতে হলে ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশাসন, অর্থনীতি এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে পরিবর্তন আনতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রশ্নকে তাই শুধু নির্বাচন, সরকার কিংবা দলীয় রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যাবে না।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে ইতিহাসের একটি নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। এখন দায়িত্ব হলো এই অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ, আত্মমর্যাদা ও প্রাণশক্তিকে একটি সুসংহত জাতীয় স্বপ্নে রূপ দেওয়া। এমন একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করতে হবে, যা নিজের ইতিহাস ও সভ্যতার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে হাকিকত, আদালত, জ্ঞান, মর্যাদা ও মাসলাহাতকে রাষ্ট্রের মূলনীতিতে পরিণত করবে। তাহলেই চব্বিশ কেবল একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি হয়ে থাকবে না, বরং নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি হয়ে উঠবে।

বাংলা সাহিত্য অঙ্গন কর্তৃক আয়োজিত, কবি আল মাহমুদ স্মরণে ভিডিও ডকুমেন্টারি/রিলস প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায়, ম...
01/08/2026

বাংলা সাহিত্য অঙ্গন কর্তৃক আয়োজিত, কবি আল মাহমুদ স্মরণে ভিডিও ডকুমেন্টারি/রিলস প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(মাভাবিপ্রবি)'র সিপিএস বিভাগের শিক্ষার্থী তাহমিদ হাসানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা! 🎉

চিন্তার অনুরণন ও রূপ সবচেয়ে বেশী প্রস্ফুটিত হয় শিল্প ও স্থাপনায়। কেননা শিল্পকর্ম খণ্ডিত কোন বিষয় নয় সামগ্রিকতার উপর ভিত্...
31/07/2026

চিন্তার অনুরণন ও রূপ সবচেয়ে বেশী প্রস্ফুটিত হয় শিল্প ও স্থাপনায়। কেননা শিল্পকর্ম খণ্ডিত কোন বিষয় নয় সামগ্রিকতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে। এই সামগ্রিকতা কোন একটি শিল্পের অর্থবহতা ও জাওহারকে পূর্ণরূপে ফুটিয়ে তোলে।

28/07/2026

জ্ঞানের মাধ্যমে প্রসিদ্ধ কারোর মধ্য যদি একই সাথে খারাপ দিক ও ভালো দিক দেখতে পাও তাহলে তাঁর ভালো দিকসমূহকে প্রচার করো, আর খারাপ দিক সমূহের জন্য ওজর (নিজেকে কনভিন্স করার জন্য) অনুসন্ধান করো। সেই মাছির মত হয়ো না, যা কিনা নোংরা জিনিস দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে।

— হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী

অতীত কে ভীষণ ভয় পায় আহমদ মুসা। তাই কখনো পেছনে ফিরে তাকায় নি সে। কিন্তু আজ হয়তো জীবনসহাষ্ণে এসে সৃতিদের বাঁধভাঙা জোয়ারে গ...
26/07/2026

অতীত কে ভীষণ ভয় পায় আহমদ মুসা। তাই কখনো পেছনে ফিরে তাকায় নি সে। কিন্তু আজ হয়তো জীবনসহাষ্ণে এসে সৃতিদের বাঁধভাঙা জোয়ারে গা ভাসিয়ে দিতে চাইছে। হয়তো বা হ্যা হয়তো বা না , স্মৃতিরাই হয়তো আহমদ মুসার পায়ে লুটিয়ে পড়ে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। স্মৃতিরা হয়তো চাচ্ছে আহমদ মুসা ওদের নিয়ে ভাবুক। হারিয়ে যাক হারানো সেই দিন গুলোতে।

হঠাৎ কিছু লেখার দিকে চোখ আটকে গেলো আহমদ মুসার। চোখ ডায়েরির ছেঁড়া পাতায় থাকলেও আহমদ মুসার অন্তর চক্ষু চলে গেলো অতীতের সেই দিনে যেখানে আহমদ মুসার বাবা-মা , ভাই-বোন , আদরে জড়িয়ে রাখা দাদি সহ সবাই ছিলো আবার একে একে সকলে চলেও গেলো। ক্ষণিকের জন্য এসেছিলো ফারজানা কিন্তু সেও চলে গেলো। সবাইকে হারিয়েও জীবনের বাঁকে বাঁকে কতশত আপনজনের সাথে দেখা মেলে, কিন্তু শুখতারার মতো আবার খুব দ্রুত হারিয়ে যায় তারা।

আহমদ মুসার নিমীলিত নয়ন অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠলো। ভাবনার সমুদ্রে যেন ডুব দিয়ে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আহমদ মুসার। সৃতি হাতড়ালে আরো সহস্রাধিক মানুষের কথা মনে করতে পারবে। কিন্তু সৃতিরা যেন নিরব ঘাতক। উইপোকার মতো কুড়েকুড়ে শেষ করে দেয় মানুষের অন্তর।

সাইমুম সিরিজ উপন্যাস থেকে-

24/07/2026

কবি আল মাহমুদ স্মরণে রিলস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আল মাহমুদের জীবনীর উপর দারুণ একটি ডকুমেন্টারি তৈরী করেছেন ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী তাহমিদ। এ প্রতিযোগিতায় আমরা তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

Address

Tangail
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MBSTU Reader Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share