Korean Japanese Language Club

Korean Japanese Language Club

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Korean Japanese Language Club, Language school, 42/12 North Jatrabari, Dhaka.

✅জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ
✅কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণ
✅জাপান স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং
✅কোরিয়ান স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং
✅দক্ষিন কোরিয়া বেসরকারিভাবে ই-৭ ভিসা

📛বিস্তারিত জানতে কল করুন↙️
☎️01851244199 (Whatsapp)
☎️01515266810

14/05/2026
08/05/2026

Topik Level 2
থাকলে, স্বল্প খরচে দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার সুযোগ।
যোগাযোগ
01851244199

04/04/2026

আামাদের সেন্টারের সকল আপডেট এই নতুন পেইজে শেয়ার করা হবে।৷
সবাই ফলো দিয়ে রাখুন।

06/01/2026

কোরিয়ান ভাষা শিখুন KJLC-তে! 🇰🇷📚
আপনি কি কোরিয়ান ভাষা শিখতে আগ্রহী? KJLC আপনার জন্য নিয়ে এসেছে কোরিয়ান ভাষার সকল ধরনের বই! একদম বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড লেভেল পর্যন্ত—গ্রামার, ভোকাবুলারি, স্পিকিং, সব ধরনের বই এখানে পাবেন! নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ কালেকশন। দেরি না করে আজই চলে আসুন!

06/01/2026

KJLC-এর নতুন N5 Batch-এ ভর্তি চলছে! আমাদের এই ব্যাচে আর মাত্র সীমিত সংখ্যক কিছু সিট খালি আছে। যারা জাপানিজ ভাষা শেখার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তারা দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন।
​✅ কেন আমাদের সাথে যুক্ত হবেন?
​দক্ষ ও অভিজ্ঞ মেন্টর।
​সহজ ও কার্যকর শেখানোর পদ্ধতি।
​নিয়মিত প্র্যাকটিস এবং সাপোর্ট।
​📞 যোগাযোগের নম্বর:
​01515266810
​01851244199

06/01/2026

জাপানে SSW (Specified Skilled Worker) বা 'নির্দিষ্ট দক্ষ শ্রমিক' ভিসায় যাওয়ার প্রক্রিয়াটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। এই ভিসার মূল উদ্দেশ্য হলো জাপানের নির্দিষ্ট কিছু শিল্প খাতে দক্ষ জনশক্তির অভাব পূরণ করা। নিচে বাংলাদেশ থেকে জাপানে SSW ভিসায় যাওয়ার সম্পূর্ণ ধাপগুলো সহজভাবে দেওয়া হলো:
​১. প্রাথমিক যোগ্যতা
​বয়স: কমপক্ষে ১৮ বছর।
​শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাধারণত এসএসসি (SSC) বা সমমান। তবে নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য উচ্চতর ডিগ্রি প্রয়োজন হতে পারে।
​শারীরিক সুস্থতা: আপনাকে শারীরিকভাবে ফিট হতে হবে এবং মেডিকেল টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।
​২. প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ)
​SSW ভিসার জন্য আপনাকে দুটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে:
​জাপানি ভাষা দক্ষতা: আপনাকে JLPT (N4) অথবা JFT-Basic (A2) লেভেলে উত্তীর্ণ হতে হবে। (নার্সিং কেয়ারের জন্য আলাদা জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট দিতে হয়)।
​দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা (Skill Test): আপনি যে খাতে কাজ করতে চান (যেমন: কনস্ট্রাকশন, নার্সিং কেয়ার, ফুড সার্ভিস ইত্যাদি), সেই বিষয়ের ওপর একটি টেকনিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে।
​দ্রষ্টব্য: যারা ইতিমধ্যে জাপানে 'Technical Intern Training (TITP)' সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন, তাদের সাধারণত এই পরীক্ষাগুলো দিতে হয় না।
​৩. কাজের আবেদন ও ইন্টারভিউ
​পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আপনাকে জাপানি নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির খোঁজ করতে হবে। এটি আপনি দুইভাবে করতে পারেন:
​বিএমইটি (BMET): বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে সরকারিভাবে আবেদন।
​অনুমোদিত এজেন্সি: বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে।
​কোম্পানি আপনাকে পছন্দ করলে তারা আপনার সাথে একটি সরাসরি বা অনলাইন ইন্টারভিউ নেবে। ইন্টারভিউতে টিকলে আপনি একটি Job Offer বা চাকরির চুক্তিপত্র পাবেন।
​৪. CoE (Certificate of Eligibility) সংগ্রহ
​চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর, জাপানি কোম্পানি আপনার হয়ে জাপানের ইমিগ্রেশনে CoE-এর জন্য আবেদন করবে। এটি হলো আপনার জাপানে থাকার প্রাথমিক অনুমতিপত্র। এটি পেতে সাধারণত ২ থেকে ৪ মাস সময় লাগতে পারে।
​৫. ভিসা স্ট্যাম্পিং ও ফ্লাইট
​আপনার CoE বাংলাদেশে পৌঁছালে, সেটি নিয়ে ঢাকার জাপান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসা হয়ে গেলে বিএমইটি (BMET) থেকে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করে আপনি জাপানে পাড়ি দিতে পারবেন।
​৬. ব্যয়ের ধারণা
​বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, SSW ভিসায় যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট অভিবাসন ব্যয় (যেমন: পাসপোর্ট, মেডিকেল, বিএমইটি ফি এবং এজেন্সি সার্ভিস চার্জ) নির্ধারণ করা থাকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে জাপানি কোম্পানি বিমান টিকিট এবং অন্যান্য বড় খরচ বহন করে।

05/01/2026

🌸 জাপান: প্রকৃতির ক্যানভাসে আঁকা এক জীবন্ত কবিতা! 🏞️
​আপনি কি এমন এক স্বপ্নের দেশের কথা ভাবছেন যেখানে হাজার বছরের ঐতিহ্য আর আধুনিক স্থাপত্য মিলেমিশে একাকার? যেখানে বসন্তে চেরি ফুলের গোলাপি আভা আর শরতে ম্যাপল পাতার সোনালী রঙে সেজে ওঠে প্রকৃতি? তবে আপনার কল্পনার সেই দেশ হলো জাপান! 🇯🇵✨
​জাপানের প্রতিটি কোণায় লুকিয়ে আছে এক নান্দনিক সৌন্দর্য, যা শুধু চোখকেই নয়, মনকেও মুগ্ধ করে তোলে।
​🎨 জাপানের নান্দনিক সৌন্দর্যের কিছু ঝলক:
​১. চেরি ফুলের মন মাতানো দৃশ্য (সাকুরা): বসন্তকালে (মার্চ-এপ্রিল) জাপানের পার্ক, পাহাড় এবং নদীর ধারে চেরি ফুলের যে গোলাপি আভা দেখা যায়, তা এককথায় অবিশ্বাস্য। এটি কেবল একটি ফুল নয়, জাপানি সংস্কৃতির প্রতীক এবং জীবনের ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্যের উদযাপন।
​২. প্রাচীন মন্দির ও মঠের স্থাপত্য: কিয়োটো বা নারা-র মতো শহরে গেলে আপনি দেখতে পাবেন শত শত বছরের পুরনো বৌদ্ধ মন্দির এবং শিন্তো তীর্থস্থান। এদের কাঠের কারুকাজ, শান্ত পরিবেশ এবং বাগানগুলো এক অসাধারণ শান্তির অনুভূতি এনে দেয়।
​৩. পর্বতের নৈসর্গিক রূপ: আইকনিক মাউন্ট ফুজি থেকে শুরু করে জাপানি আল্পস—জাপানের পাহাড়গুলো প্রতিটি ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়। হাইকিং এবং স্কিইংয়ের জন্য এগুলি অসাধারণ।
​৪. বাঁশের বন (আরাশিয়ামা): কিয়োটোর আরাশিয়ামা বাঁশের বন এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেয়। সারি সারি উঁচু বাঁশের গাছের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক জাদুকরী অনুভূতি।
​৫. ঐতিহ্যবাহী জাপানি বাগান: Zen Garden থেকে শুরু করে Tea Garden—জাপানি বাগানগুলো এক বিশেষ ধরণের সৌন্দর্য বহন করে, যা প্রকৃতি ও মানুষের সৃষ্টিশীলতার এক অপূর্ব মিশ্রণ।
আপনার স্বপ্ন পূরণ শুরু হোক KJLC-র সাথে!
​জাপানের এই অসাধারণ সৌন্দর্য কেবল ছবিতে নয়, বাস্তবেও অনুভব করা সম্ভব। আর এর প্রথম ধাপ হলো জাপানিজ ভাষা শেখা।

05/01/2026

জাপানে ভাষা স্কুলে ভর্তি হওয়া জাপানিজ ক্যারিয়ারের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। জাপানে পড়াশোনা বা ভালো বেতনের চাকরির পরিকল্পনা থাকলে ভাষা স্কুলে ভর্তি হওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
​নিচে ধাপে ধাপে ভর্তির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া আলোচনা করা হলো:
​১. সময় নির্ধারণ (Intake)
​জাপানে সাধারণত বছরে চারটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। তবে সেশন অনুযায়ী আপনার পড়াশোনার মেয়াদ ভিন্ন হয়:
​এপ্রিল সেশন: ২ বছর মেয়াদী (সবচেয়ে জনপ্রিয়)।
​জুলাই সেশন: ১ বছর ৯ মাস মেয়াদী।
​অক্টোবর সেশন: ১ বছর ৬ মাস মেয়াদী।
​জানুয়ারি সেশন: ১ বছর ৩ মাস মেয়াদী।
​২. প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
​শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম ১২ বছরের শিক্ষা সম্পন্ন হতে হবে (HSC বা সমমান)।
​বয়স: সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে (বেশি বয়সেও আবেদন করা যায়, তবে উপযুক্ত কারণ দেখাতে হয়)।
​ভাষা জ্ঞান: অন্তত ১৫০-২০০ ঘণ্টার জাপানিজ ভাষা শিক্ষার সার্টিফিকেট বা JLPT N5/NAT-Test 5Q পাস থাকা বাধ্যতামূলক।
​৩. ভর্তির ধাপসমূহ (Step-by-Step Process)
​ধাপ ১: স্কুল নির্বাচন ও ইন্টারভিউ
প্রথমে আপনার পছন্দের শহরের (যেমন: টোকিও, ওসাকা বা ফুকুওকা) একটি ভাষা স্কুল নির্বাচন করতে হবে। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ অনলাইনে আপনার ইন্টারভিউ নেবে। তারা মূলত আপনার পড়ার আগ্রহ এবং ভাষা জ্ঞান যাচাই করবে।
​ধাপ ২: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা
ইন্টারভিউতে পাস করার পর আপনাকে সব নথিপত্র স্কুলে পাঠাতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
​একাডেমিক সার্টিফিকেট ও মার্কশিট।
​স্পনসরের আয়ের উৎস ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সাধারণত ১৫-২০ লক্ষ টাকা দেখাতে হয়)।
​পাসপোর্টের কপি ও ছবি।
​ধাপ ৩: COE (Certificate of Eligibility) আবেদন
স্কুল আপনার সব কাগজপত্র যাচাই করে জাপানের ইমিগ্রেশনে জমা দেবে COE-এর জন্য। এটি পেতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগে।
​ধাপ ৪: টিউশন ফি প্রদান ও ইনভয়েস
COE অনুমোদিত হলে স্কুল আপনাকে একটি ইনভয়েস পাঠাবে। তখন আপনাকে ৬ মাস বা ১ বছরের টিউশন ফি ব্যাংকের মাধ্যমে জাপানে পাঠাতে হবে। টাকা পাওয়ার পর স্কুল আপনাকে মূল COE পাঠিয়ে দেবে।
​ধাপ ৫: ভিসা স্ট্যাম্পিং
মূল COE এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আপনার দেশের জাপান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসা ইন্টারভিউ সফল হলে আপনার পাসপোর্টে ভিসা স্ট্যাম্প করা হবে।
​আনুমানিক খরচের ধারণা (২০২৬ অনুযায়ী)
খাতের নাম আনুমানিক খরচ (বিডিটি)
টিউশন ফি (১ বছর) ৫,৫০,০০০ - ৭,০০,০০০ টাকা
ডরমিটরি বা বাসা ভাড়া ২০,০০০ - ৩৫,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
খাবার ও অন্যান্য ১৫,০০০ - ২৫,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
​স্পনসর: স্পনসর সাধারণত বাবা, মা বা ভাই-বোন হলে সুবিধা বেশি। তাদের বার্ষিক আয় এবং সঞ্চয় স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।
​পার্ট-টাইম কাজ: জাপানে স্টুডেন্ট ভিসায় সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা কাজ করার আইনি অনুমতি থাকে (ছুটির সময় ৪০ ঘণ্টা)। এটি দিয়ে আপনার থাকা-খাওয়ার খরচ অনায়াসে উঠে আসবে।

04/01/2026

জাপানে পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবলে জাপানিজ ভাষা শেখাটা কেবল একটি বাড়তি যোগ্যতা নয়, বরং এটি আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি হতে পারে। জাপানিজ ভাষা (বিশেষ করে JLPT বা NAT-TEST) শেখার প্রধান সুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
​১. স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষায় অগ্রাধিকার
​জাপানের অনেক নামী সরকারি স্কলারশিপ (যেমন: MEXT) পাওয়ার ক্ষেত্রে জাপানিজ ভাষার দক্ষতা আপনাকে অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে রাখবে। যদিও অনেক কোর্স ইংরেজিতে অফার করা হয়, কিন্তু জাপানিজ ভাষা জানা থাকলে আপনি অনেক বেশি সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় এবং রিসার্চ প্রোগ্রামে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
​২. আকর্ষণীয় পার্ট-টাইম জবের সুযোগ
​একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে জাপানে পৌঁছানোর পর ভালো বেতনের পার্ট-টাইম কাজ পেতে ভাষা জানা থাকা জরুরি।
​ভাষা না জানলে: সাধারণত কিচেন হেল্পার বা ফ্যাক্টরির কাজে যুক্ত হতে হয় যেখানে কথা বলার প্রয়োজন কম।
​ভাষা জানলে (N4/N3 লেভেল): রেস্টুরেন্ট, কনভিনিয়েন্স স্টোর (7-Eleven, Lawson) বা কাস্টমার সার্ভিসে কাজ পাওয়া যায়, যেখানে পরিশ্রম কম এবং সম্মানি বেশি।
​৩. পড়াশোনা শেষে স্থায়ী ক্যারিয়ার ও হাই স্যালারি
​জাপানে পড়াশোনা শেষ করে সেদেশেই স্থায়ীভাবে চাকরি করতে চাইলে জাপানিজ ভাষার কোনো বিকল্প নেই। জাপানিজ কোম্পানিগুলো তাদের কাজের সংস্কৃতি বা 'Work Culture' বজায় রাখতে এমন কর্মীদের পছন্দ করে যারা সাবলীলভাবে জাপানিজ ভাষায় যোগাযোগ করতে পারে।
​৪. দৈনন্দিন জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য
​জাপানের মানুষ সাধারণত নিজেদের ভাষাতেই কথা বলতে পছন্দ করেন। রাস্তাঘাট চেনা, কেনাকাটা করা, ডাক্তার দেখানো বা সরকারি দপ্তরে কাজ করার সময় ইংরেজি দিয়ে চালানো বেশ কঠিন। ভাষা জানা থাকলে আপনি জাপানিজ সমাজের সাথে দ্রুত মিশে যেতে পারবেন এবং একাকীত্ব বোধ করবেন না।
​৫. সংস্কৃতি ও অ্যানিমে (Anime) বোঝার সুযোগ
​আপনি যদি জাপানিজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বা অ্যানিমের ভক্ত হয়ে থাকেন, তবে মূল ভাষায় এগুলো উপভোগ করার আনন্দই আলাদা। সাবটাইটেল ছাড়াই তাদের সাহিত্য, সিনেমা এবং দর্শন বুঝতে পারা এক দারুণ অভিজ্ঞতা।

04/01/2026

জাপান বর্তমানে তাদের ক্রমহ্রাসমান জনসংখ্যার কারণে বিদেশি কর্মীদের জন্য অবারিত সুযোগ তৈরি করছে। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে জাপানে কাজ করার প্রধান সুবিধাগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
​১. অর্থনৈতিক সুবিধা ও বোনাস
​জাপানে কাজের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর আর্থিক স্থিতিশীলতা।
​বোনাস সিস্টেম: অনেক জাপানি কোম্পানিতে বছরে ২ থেকে ৩ বার বোনাস দেওয়ার নিয়ম রয়েছে, যা মূল বেতনের একটি বড় অংশ হতে পারে।
​যাতায়াত ও আবাসন ভাতা: বেশিরভাগ কোম্পানি কর্মীদের বাসা থেকে অফিসে আসার যাতায়াত খরচ (Commuting Allowance) সম্পূর্ণ বহন করে। কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানি সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন বা ঘর ভাড়ার জন্য সহায়তা প্রদান করে।
​২. উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বীমা
​জাপানে কাজ করলে আপনি সরকারি স্বাস্থ্য বীমার (Health Insurance) আওতায় আসবেন।
​এর ফলে চিকিৎসার মোট খরচের মাত্র ৩০% আপনাকে দিতে হবে, বাকি ৭০% সরকার বহন করে।
​প্রতি বছর বিনামূল্যে বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার (Health Check-up) সুবিধাও পাওয়া যায়।
​৩. উচ্চ সামাজিক নিরাপত্তা
​জাপান বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ হিসেবে পরিচিত।
​কম অপরাধ হার: এখানে গভীর রাতেও নির্ভয়ে চলাচল করা যায়।
​পারিবারিক সুবিধা: শিশুদের পড়াশোনা এবং চিকিৎসার জন্য সরকার থেকে বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও ভর্তুকি প্রদান করা হয়, যা প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।
​৪. পেশাদারিত্ব ও কাজের পরিবেশ
​প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: জাপানিরা কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর খুব জোর দেয়। বিশেষ করে SSW (Specified Skilled Worker) ভিসায় যারা যান, তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাথে কাজ করার সুযোগ পান।
​চাকরির নিরাপত্তা: জাপানি কোম্পানিগুলো সাধারণত যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্মী ছাঁটাই করে না, যা দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ারের জন্য সহায়ক।
​৫. ২০২৬ সালের নতুন সুযোগ (বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য)
​বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর হলো, জাপান ২০৪০ সালের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বিদেশি কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০২৬ সালের মধ্যে আইটি, নার্সিং কেয়ার, কনস্ট্রাকশন এবং কৃষি খাতে দক্ষ বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ কোটা ও সহজ ভিসা প্রক্রিয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

04/01/2026

উন্নত জীবন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দেশ: জাপান 🇯🇵
​কখনো ভেবেছেন কি, কেন বিশ্বের সবাই জাপানিজ লাইফস্টাইল নিয়ে এত আগ্রহী? শুধু প্রযুক্তি নয়, জাপানের যাপিত জীবনের প্রতিটি মোড়ে রয়েছে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার ছোঁয়া। ২০২৬ সালে আপনার ক্যারিয়ার কি জাপানে হতে পারে না?
​জাপানে থাকার সেরা ৫টি সুবিধা:
​✅ নিরাপত্তার স্বর্গরাজ্য: বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ জাপান। এখানে মাঝরাতেও আপনি নিরাপদে পথ চলতে পারবেন। এমনকি হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগও ৯৯% ক্ষেত্রে ফেরত পাওয়ার রেকর্ড রয়েছে এখানে!
✅ সময়ের মূল্য: জাপানের ট্রেন বছরে গড়ে মাত্র কয়েক সেকেন্ড দেরি করে। সময়ানুবর্তিতা এখানে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
✅ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য: জাপানিরা নিজেদের চারপাশ অবিশ্বাস্যভাবে পরিষ্কার রাখে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রার কারণে তাদের গড় আয়ু বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ।
✅ আর্থিক সচ্ছলতা ও ক্যারিয়ার: উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি পার্ট-টাইম জবের সুযোগ এবং পড়াশোনা শেষে স্থায়ীভাবে সেটেল হওয়ার চমৎকার সম্ভাবনা।
✅ প্রকৃতি ও আধুনিকতার মেলবন্ধন: রোবোটিক্স টেকনোলজি যেমন আছে, তেমনি আছে চেরি ব্লসম (Sakura) আর শান্ত পাহাড়ের মনোরম পরিবেশ।
​✨ আপনার জাপান যাত্রার প্রথম ধাপ শুরু হোক KJLC-এর সাথে! আমরা দিচ্ছি ভাষা শিক্ষা থেকে শুরু করে ভিসা প্রসেসিং পর্যন্ত সব ধরনের সাপোর্ট।
​🎁 নিউ ইয়ার অফারে ভর্তি চলছে!
সীমিত সময়ের ডিসকাউন্ট পেতে আজই যোগাযোগ করুন:
📞 01515-266810 | 01851-244199
🏢 KJLC (Korean Japanese Language Club)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

42/12 North Jatrabari
Dhaka
DHAKA1204

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00