বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ গুলো কি কি?
বিগত শতাব্দীর সৌদি আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ শাইখুল ইসলাম ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায আন নাজদী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনার দৃষ্টিতে বিবাহ পরবর্তী তালাক সংঘটিত হওয়ার কারণগুলো কী কী ?
উত্তরে শাইখ বিন বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন :
الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله، وبعد:للطلاق أسباب كثيرة منها : عدم الوئام بين الزوجين بألا تحصل محبة من أحدهما للآخر ، أو من كل منهما ، ومنها سوء خلق المرأة ، أو عدم السمع والطاعة لزوجها في المعروف ومنها سوء خلق الزوج وظلمه للمرأة وعدم إنصافه لها ، ومنها عجزه عن القيام بحقوقها أو عجزها عن القيام بحقوقها ، ومنها وقوع المعاصي من أحدهما أو من كل واحد منهما ، فتسوء الحال بينهما بسبب ذلك ، حتى تكون النتيجة الطلاق ، ومن ذلك تعاطي الزوج المسكرات أو التدخين ، أو تعاطي المرأة ذلك ، ومنه سوء الحال بين المرأة ووالدي الزوج أو أحدهما ، وعدم استعمال السياسة الحكيمة في معاملتهما أو أحدهما ، ومنها عدم عناية المرأة بالنظافة والتصنع للزوج باللباس الحسن والرائحة الطيبة والكلام الطيب والبشاشة الحسنة عند اللقاء والاجتماع .
"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য,দুরূদ ও সালাম প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি, এরপর তালাকের অনেকগুলো কারণ রয়েছে; তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ নিম্নরূপ :
(১). স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিল মহব্বতের অভাব, যেমন এক পক্ষের পক্ষ থেকে অপর পক্ষের প্রতি ভালোবাসা না থাকা, কিংবা উভয়ের পক্ষ থেকেই না থাকা!!
(২). স্ত্রীর চরিত্রগত সমস্যা যেমন — স্বামীর প্রতি আনুগত্যে অবহেলা করা বা স্বামীর বৈধ (শরিয়তসম্মত) নির্দেশ মান্য না করা!!
(৩). স্বামীর দুর্ব্যবহার বা মন্দ চরিত্র — যার মধ্যে স্ত্রীর প্রতি জুলুম করা এবং তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা!!
(৪). স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর হক আদায়ে অক্ষমতা বা স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীর হক আদায়ে ব্যর্থতা!!
(৫). স্বামী বা স্ত্রী অথবা উভয়ের পক্ষ থেকেই গুনাহের কাজ করা — যার ফলে সম্পর্কের মাঝে ফাটল ধরে এবং তা ক্রমেই তালাক পর্যন্ত গড়ায়!!
(৬). স্বামীর পক্ষ থেকে নেশা করা, মাদক গ্রহণ বা ধূমপান করা, অথবা স্ত্রীর পক্ষ থেকেও এ ধরনের গর্হিত কাজে জড়িয়ে পড়া!!
(৭). স্বামী বা স্ত্রীর বাবা মায়ের সঙ্গে অথবা তাদের একজনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন!!
(৮). স্ত্রীর নিজের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বামীর জন্য নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার ক্ষেত্রে অবহেলা করা— যেমন : স্বামীর জন্য সুন্দর পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, কোমল ভাষায় কথা বলা, এবং সাক্ষাতের সময় হাস্যোজ্জ্বল থাকা ইত্যাদি অবহেলা করা!!
📖 [ আল ফাতাওয়া আল্জামি‘আহ লিল মারআতিল মুসলিমাহ (মুসলিম নারীর জীবন ঘনিষ্ট ফতোয়াসমগ্র), খণ্ড : ২ , পৃষ্ঠা : ৬৬৬ ; ইসলাম সাওয়াল জবাব ফাতওয়া নং : ১৩২৪৩ ]
Sabr Al Iqra
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sabr Al Iqra, Tutor/Teacher, Dhaka.
একজন বিসিএস ক্যাডারের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা
তাঁর প্রতিদিনের খাবার ছিল হিটারে রান্না করা ভাত; সাথে আলু-কলা-ওল অথবা ডাল ভর্তা। প্রতিদিন অসহ্য একই মেন্যু! আর সারাদিন পড়াশুনা। অথচ তার রুমমেটরা দিব্বি প্রাইভেট পড়িয়ে; প্রচুর টাকা আয় করে গার্লফেন্ড নিয়ে চাইনিজ খাচ্ছে! নওগাঁ’র কোন এক প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার বাবার নিকট থেকে পাঠানো; মাত্র ১ হাজার টাকাতেই ২০০৩-৪ এর দিকে দিন পার করতেন তিনি।
বাবার সাথেও মুকুল ভায়ের সর্ম্পক ভাল ছিল বলে মনে হত না। প্রায় কাঁচা-পাকা দাঁড়িওয়ালা মুরুব্বী বিভিন্ন পত্রিকা নিয়ে আসতেন এবং মুকুল ভাইকে বিভিন্ন চাকুরির আবেদন করতে বলতেন। কিন্তু মুকুল ভাই অন্য দিকে মনোযোগ না দিয়ে শুধু বিসিএস এর জন্য তার আগ্রহের কথা জানাতেন। মুরুব্বী প্রায় রাগান্বিত হয়ে চলে যেতেন এবং আর টাকা না পাঠানোর হুমকি দিতেন। মুকুল ভাইয়ের বয়স শেষ হতে তখন মাত্র কয়েকটি মাস বাকি। তাই তাঁর বাবার এত কাতরতা।
প্রতিবারই মুকুল ভাই অসহায় চোখে বাবার গমনকে প্রত্যক্ষ করে আবার পড়তে বসতেন। মুখের দিকে চেয়ে মনে হত; বাবার ধিক্কারগুলো তাঁর কলিজাকে বির্দিণ করে দিয়েছে; হতাশায় হৃদয় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে ।
তার মা’ও কয়েকবার তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কান্নাকাটি করেছেন। কিন্তু তিনি যেতেন না। আমাকে বলতেন; “বাড়িতে সব হবে কিন্তু পড়াশুনা হবে না। আমি তাকে বাড়ি যাওয়ার কথা বললেই মুকুল ভাই বলতেন, “ভাই এলাকাতে সবাই আমাকে বেকার বলে। খেতে বসলেই প্রতি লোকমা খাবারের পূর্বে বাবার কথা শুনতে হয়। আত্মীয়-স্বজন সকলেই বিভিন্ন আকার-ইঙ্গিতে বেকারত্বের জন্য হেয় করে।
কেউযখন আমাকে জিজ্ঞাসা করে; আমি এখন কি চাকুরি করি? তখন লজ্জা ও হতাশায় আমি কাতর হয়ে পড়ি ভাই। এই কারণে আমি এলাকাতে থাকি না। এখানে চুপচাপ পড়াশুনা করি”। ক্যারিয়ারের শেষ মুর্হুতে এসে মুকুল ভাইয়েরও চোখে মুখে সর্বদা শঙ্কা-ভয়-দু:চিন্তা কাজ করত।
কিন্তু তিনি বলতেন, “আমি যতক্ষন হার মানব না; ততক্ষণ কেউ আমাকে পরাজিত করতে পারবেনা”। কিন্তু ২৬ থেকে ২৯ বছর ধরে মুকুল ভাই দিনরাত পড়াশুনা করছেন এবং রীতিমত পরাজিত হয়ে আসছেন!! এসএসসি ও এইচএসসি’তে স্টার পাওয়া রাজশাহী ইউনিভার্সিটির এমন মেধাবী একজন ছাত্রের সম্ভাব্য পতন; বাবা-মা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না।
২৭তম বিসিএস ছিল মুকুল ভাইয়ের লাস্ট বিসিএস। যে দিন প্রিলির রেজাল্টে মুকুল ভাই টিকল; সেদিন মুকুল ভাইয়ের বয়স শেষ। দিন নাই, রাত নাই মুকুল ভাই সমানে পড়ছে। মেসের সবাই মুকুল ভাইকে নিয়ে হাসাহাসি করত। এবার মুকুল আদুভাই কিছু করবে। রিটেনের রেজাল্টেও মুকুল ভাই টিকলো। ভাইভার ডেটের পূর্বে মুকুল ভাইয়ের আব্বা মুকুল ভাইকে নিউমার্কেটে নিয়ে যাবে!! মুকুল ভাই পছন্দ করার জন্য আমাকেও সাথে নিল।
সিগ্ধ চেহারার মুকুল ভাইকে, তার বাবা সাদা সার্ট-কালো প্যান্ট আর নীল রঙের টাই এবং কাল জুতা কিনে দিয়েছিল। মুকুল ভাইয়ের কন্ঠে সেদিন প্রথম গুনগুন শুনেছিলাম; ‘চাকুরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছ’। হায় রে!! হয়ত এমন নীরস লোকেরও কোন সখিনা আছে। তাকে যে কত আশা দিয়ে, কত স্বপ্ন দিয়ে ধরে রেখেছে আল্লাই জানে??
ভাইভার দিয়ে ঢাকা থেকে আসার পর মুকুল ভাইয়ের হাসিমাখা মুখ দেখার মত ছিল। তার মাকে বলেছিলেন, “এবার বিসিএস-এ যদি একজনকে টিকাই তবে সেটি হব আমি”। কত স্বপ্ন নিয়ে যে মুকুল ভাই বসেছিল আল্লাহই জানে। ফাইনাল রেজাল্টের খবর শুনে, তার বাবা রাজশাহীতে ছুটে এসেছেন। রেজাল্টের ফটোকপি বের করা হলো;
কিন্তু হাই! মুকুল ভাই ব্যর্থ। ভাইভাতে পাশ করতে পারেনি। কোন কথা না বলে কাঁপতে থাকে মুকুল ভাইয়ে বাবা, ছাতাটা হাতে নিয়ে রিক্সাতে ওঠে। আর মুকুল ভাইয়ের চেহারার দেখে মনে হচ্ছিল সদা মৃত্যদন্ড পাওয়া একজন খুনি।
দুই/তিন দিন আর মুকুল ভাইকে দেখিনি। ৩দিন পড়ে যখন দেখলাম, তখন একটি কৃত্রিম হাসি দিয়ে বললেন, “আপার নিকট থেকে কিছু টাকা নিয়ে এসেছি। তোমাদের মোড়ে ঐ ফাঁকা জায়গায় চায়ের দোকান দিব”। কাতর ভাবে আমার দুই হাত জড়িয়ে ধরলেন; “আমাকে ঐ ফাঁকা জায়গার টুকুর ব্যবস্থা করে দাও। হতভম্ব আমি কি বলব!!! যদি দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্স্টাস পাস মেধাবী ছাত্র এমন বলে!!!
চাটাই আর টিনে ছাপরা দিয়ে ছোট হোটেল খুললেন তিনি। ১ মাস পরে বিকালে চা খেতে গিয়ে লোকটিকে চিনতে পারলাম। মুকুল ভাইয়ের বানানো চা খাচ্ছেন, মাথা হেট করে থাকা হেড মাস্টার সাহেব; চোখের পানিতে দাঁড়ি বেয়ে বুক ভিজে যাচ্ছে। হয়ত ভাবছেন; হাইরে আমার সন্তান, আমার স্বপ্ন!! এসএসসি এইচএসসিতে স্টার পাওয়া-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্স্টাস করা আমার সন্তান; চা বিক্রেতা সেজেছে!!!
মুকুল ভাইকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য শত জোরাজোরি করার পরও মুকুল ভাই গেল না। মাস্টার সাহেব জোড় হাত করে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন আমি যাতে তাকে বাড়ি যাওয়ার ব্যাপারে রাজি করাই।
সেই দিন কেবল মাত্র আমি মুকুল ভাইয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিলাম। শুধু আমি নই;মেসের সবাই বকাবকি করলে মুকুল ভাই একেবারে নীথর-নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে। শূণ্য রুমে নীরব আমি আর নিস্তব্ধ মুকুল ভাই। এক সময় ক্ষীপ্ত হয়ে আমি বললাম, “মুকুল ভাই আপনার মত নির্লজ্জ-বেহায়া এবং ক্যালাস লোক আমি কোন দিন দেখিনি”।
আমার কথাটি তীব্রভাবে মুকুল ভাইকে আঘাত করেছিল। তিনি ডুকরে কেঁদে উঠলেন প্রথম বারের মত। কাতর ভাবে বললেছিলেন; “আমার ক্যারিয়ার নিয়ে যদি সকলের এত দু:চিন্তা হয়, আমার বিসিএস না টিকা নিয়ে যদি তোমরা এত কষ্ট পাও; তবে যে মুকুল ভাই বছরের পর বছর নিজের সকল আনন্দ-বিনোদন-ইচ্ছাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে, অমানুষিক কষ্ট করে পড়েছে; তবে সেই মুকুল ভাইয়ের কেমন লাগেতে পারে??? তা কেন একবার ভাবনা”?? !!
করুন কন্ঠে মুকুল ভাই বলেছিলেন, “আমি মুকুল নামের এই ব্যক্তিটিকে খুব সম্মান করি। কারণ যখনই আমি আয়নার সামনে দাঁড়ায়; তখন নিজের মাঝে প্রাণ উজাড় করে পরিশ্রম করা একজন যোদ্ধার প্রতিকৃতি দেখতে পাই। আল্লাহ যদি আমাকে আরেকবার জন্ম নেওয়ার অপসন দেই এবং বলে তুই কোন ব্যক্তি হিসেবে জন্ম নিতে চাস?? তবে আমি বারবার মুকুল হিসেবেই জন্ম নিতে চাইব। বিল গেটসও না, নিউটনও না, অ্যারিস্টেটলও, আব্রাহাম লিংকনও না। কারণ আমি পরাজিত হলেও হার মানিনি”।
সেদিন তার নিজের প্রতি আন্তসম্মান বোধ দেখে, আমার চোখেও পানি এসেছিল।
২৭তম বিসিএস দূর্নীতির কারণে সরকার বাতিল করে দিল। আবার ভাইভা দিয়ে মুকুল ভাই ফরেন ক্যাডার হিসেবে পররাষ্ট্রে জয়েন করলেন। তবে যেদিন তিনি আমার চাচাদের মেস থেকে হাসিমুখে বাবার সাথে যাচ্ছিলেন; সেই সময় তাঁর দূর্দিনের লড়াইয়ের তুচ্ছ সঙ্গী চা’য়ের দোকানটি ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছিল। দোকানটির ভাঙ্গা চাটাই ও টিনগুলো দেখে মুকুল ভাই আর নিজেকে সংবরণ করতে পারলেন না; বাবাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ছিলেন মুকুল ভাই।
মুকুল ভাই আজ আপনি কোথায়? কোন দেশে? বিশ্বের কোন প্রান্তরে থেকে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন জানিনা। কারণ তখন আমার মোবাইল ছিল না; আপনারও না। যেখানেই থাকুন; কান পেতে শুনুন। আমি আজ আপনার মেঘনাদের মত লড়াকু ব্যক্তিত্ব, হেক্টরের মত মানবীয় সাহসকে কে হাজার হাজার ক্যাডার প্রত্যাশীদের নিকট তুলে ধরছি। তাদের মাধ্যমে হাজার হাজার ক্যাডার প্রত্যাশী উজ্জিবিত হবে এবং আপনি তাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন চিরকাল।
তাই মুকুল ভাইয়ের মত লড়াই চালিয়ে যান; তাহলে আজ যারা আপনাকে বেকারত্বের জন্য Neglect করছে; কাল দেখবেন আপনার ক্যাডার হওয়ার পর; তারা আপনাকে নিয়ে
Celebrate করবে। ততদিন মুখবুঁজে লড়াই চালিয়ে যান।
শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। এমনই হওয়া উচিত আমাদের।
........
গত বছর এই সময়ে এক আত্মীয়ের সাথে গিয়েছিলাম হজ্জ ক্যাম্পে। রিক্সা থেকে নেমে ভাড়ার টাকা এগিয়ে দিতেই রিক্সাওয়ালা মামা বললেন লাগবো না।
ভাবলাম ভাড়া কী কম হয়ে গেলো নাকি! তাড়া ছিলো তাই ভাড়া ঠিক না করেই উঠে পড়েছিলাম। যদিও এখানকার ভাড়া মোটামুটি ফিক্সড, তবে একটা ভালো কাজে এসেছি - মূলামুলি না করে, পকেট হাতড়ে আরো কিছু টাকা মিলিয়ে বাড়িয়ে দিলাম মামার দিকে।
কিন্তু মামা এবারেও সলজ্জ বদনে টাকাটা ফিরিয়ে দিলেন।
বললাম কী সমস্যা মামা, এই ভাড়ায় পোষাচ্ছে না?
রিক্সাওয়ালা মামা লজ্জায় জিভ কেটে বললেন
- ছি ছি মামা, আপনে তো ম্যালা টাকা দিসেন। কিন্তু আমি ভাড়াটা নিতাম না ।
- কেনো নিবেন না?
- আসলে মামা, কোনো হজ্জ যাত্রীর ভাড়া আমি নেই না।
আমি খুব অবাক হয়ে হয়ে বলি
- সে কী কথা! রিক্সা চালানো তো আপনার পেশা। ভাড়া না নিলে আপনার চলবে কীভাবে? আপনার বাড়ি কোই?
- গাইবান্ধা।
- উত্তর বঙ্গের লোক বোকাসোকা ভালো মানুষ হয় জানতাম, কিন্তু এই ভালোমানুষি ধোয়া পানি খেলে তো আর পেট ভরবে না। সংসার চলে কীভাবে?
- আসলে মামা, আমি দিনমজুর। দিন আনি দিন খাই। ঢাকায় আসছি এই কয়দিন হইলো। দ্যাশের বাড়িতে ভ্যান চালাইয়া সংসার চালাই। টানাটানির সংসারে টাকা জমানো খুবই কঠিন। তবু চেষ্টা থাকে কিছু জমানের। বাকিটা আল্লাহয় সহজ কইরা দ্যান।
প্রতি বছর হজ্জের মৌসুমে আমি যখন ঢাকায় আসি তখন পরিবারের হাতে জমানো টাকাডি দিয়া আসি। তাই বিশেষ সমস্যা হয় না।
- আর ঢাকায় আপনার থাকা খাওয়া?
- হজ্জ যাত্রী ছাড়া বাকি সবার থিকা তো ভাড়া নেই। তাইতে আল্লাহয় একটা ব্যবস্থা কইরা দ্যান। ট্যাকায় বরকত আইসা পড়ে।
- সে নাহয় বুঝলাম। কিন্তু আপনার এরকম বিনা পয়সায় যাত্রী সার্ভিস দেয়ার ইচ্ছা কেনো হলো, কারনটা কি জানতে পারি?
- কী বলবো মামা, শুনলে লোকে হাসে। টিটকারি মারে।
- আপনি নির্দিধায় বলেন মামা, আমি শুনবো।
- আসলে মামা হইসে কী... আমার ম্যালা বছরের শখ... বলতে পারেন অন্তরের খায়েস - জীবনে একবার হইলেও আমি মোহাম্মদের (সঃ) দ্যাশে যাবো... যেইখানে আল্লাহর ঘর আছে, সেই ঘর তওয়াফ করবো । জান্নাতি কালা পাথরে চুমা খাবো। সাফা মারওয়া সাই করবো..... আহা কতো নবী রাসূলের পাও মোবারক পড়সে সেই জমিনে....
আবেগে মামার চোখে জল জমা হয়। কাঁধে ঝোলানো গামছাটা দিয়ে চোখ জোড়া কচলে মুছে নেন তিনি।
- মাশাআল্লাহ খুবই ভালো শখ কিন্তু ওখানে যেতে হলে তো অনেক টাকা লাগে মামা। এইভাবে ফ্রী সার্ভিস দিলে টাকা জমাবেন কিভাবে। কতো টাকা জমিয়েছেন এই পর্যন্ত?
- এট্টা টাকাও না।
- এক টাকাও না জমিয়ে আপনি কিভাবে ঐ দেশে যাওয়ার ইচ্ছা পূরণ করবেন মামা? ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতো হলো না বিষয়টা!
- কীভাবে যাবো ঐটা আমি জানিনা, জানেন ঐ একজন।
হাতের তর্জনী উঁচিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করেন মামা।
তয় একদিন না একদিন যাবো ইনশাআল্লাহ । মালিকের উপ্রে আমার পুরা ভরসা আছে।
পয়সার জোগাড় নাই অথচ স্বপ্ন দেখে হজ্জে যাবার! ওখানে যেতে হলে যে পরিমান টাকার প্রয়োজন, সে হয়তো সারাজীবনে চোখেও দেখবে না, খরচ করা তো দূর কী বাত!
মামার মূর্খতা দেখে হাসি পেলো তবে চেপে গেলাম। বললাম
- চেষ্টা না করে শুধু আল্লাহর ভরসায় চুপচাপ বসে থাকলে যদি কাজ হতো, তাহলে কতই না ভালো হতো। জানেন মামা, আমারো কাজকাম করতে ভালো লাগে না। আল্লাহর উপর ভরসা করে লেপ গায়ে দিয়ে শুয়ে থাকলাম আর আসমান থেকে টুপ করে খাবার পড়লো। কী মজা হতো তাই না!
- আপনেও মজা লইলেন মামা! চেষ্টা করি না কে বললো? করি তো!
- আপনি যে ব্যাগার খাটছেন, যাত্রীর থেকে ভাড়া নিচ্ছেন না। তাহলে টাকা জমাবেন কীভাবে আর সেই দেশেই বা যাবেন কীভাবে?
এবার মামা শব্দ করে হেসে উঠলেন। বললেন
- মামা আপনারা শিক্ষিত জ্ঞানী মানুষ, অনেক বেশি জানেন। তয় আমি ছোট মুখে একখান বড়ো কথা বলি।
শুনছি হাদিসে আছে, কোনো মানুষ তার আমলের দ্বারা জান্নাতে যাইবো না। জান্নাতে যাইতে পারবো একমাত্র আল্লাহর দয়ায়। মানে হইলো গিয়া - একজন মানুষ অনেক আমল করলো, আমলের পাহাড় নিয়া দাড়াইলো হাশরের ময়দানে কিন্তু আল্লাহ যদি দয়া না করেন, তার আমল পছন্দ না করেন তাইলে কিন্তু ঐ নেকির পাহাড় কোনোই কাজে লাগতো না।
সেই জন্য আমি আমার মালিকরে খুশি করার চেষ্টা করতেসি। মালিকরে যদি একবার সন্তুষ্ট করতে পারি তাইলে আমারে আর ঠেকায় কে! সে আমারে কীভাবে কার মাধ্যমে নিবো তিনিই ভালো জানেন। আমার কাজ খালি মালিকরে খুশি করা আর সেই উদ্দেশ্যেই আমি হজ্জ যাত্রী পাইলে তাদের থিকা টাকা নেই না, তাদের বোঝা টাইনা দেই। যতদূর সম্ভব খেদমত করার চেষ্টা করি। মানুষ নানান তরিকায় মালিকরে খুশি করার চেষ্টা করে, আমার তরিকা এইটা। তেনাদের দোয়ার উছিলায় যদি মালিক আমার নিয়ত কবুল করেন- এই আশা মনে।
- খুব ভালো কথা বলেছেন মামা। তবে একটা কথা আছে না- দোয়ার সাথে দাওয়াও লাগে। আপনি টাকার ব্যবস্থা না করে খালি হাতে কীভাবে ইচ্ছা পূরণ করবেন সে ব্যপারে কিছু ভেবেছেন?
আবারো শব্দ করে হেসে উঠলেন মামা। বললেন
- মামায় যে কী কয়! ট্যাকার কোনো ক্ষেমতা আছে নি ! কত্তো মানুষ ট্যাকার গাট্টি নিয়া বইসা আছে। সবাই কী ঐখানে যাইবার পারে? নসিবে থাকতে হয় বোজলেন। যেইখানে আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না, সেইখানে ট্যাকার কী দাম বলেন তো মামা!
রিকসাওয়ালা মামার হাইথট কথাবার্তা আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছিলো। আর কথা বাড়ালাম না। বললাম
- চলি মামা, অনেক কথা হলো ভালো লাগলো। আপনার সাথে একটা সেলফি নিই, কী বলেন।
- ফেসবুকে দিবেননি মামা?
বিগলিত হাসি দিয়ে মামা হাতের আঙুলের সাহায্যে চুলগুলো ঠিকঠাক করে নিলেন।
- আরেহ না না, আমার ওসব বাতিক নাই । আপনার কথাগুলো মনে ধরেছে । স্মৃতি হিসেবে একটা ছবি থাকুক, এই আরকি। আর আমার মোবাইল নম্বরটা রাখেন।যদি কোনোদিন আপনার ইচ্ছা পূরণ হয়, আমাকে কাইন্ডলি একটু জানাবেন। সামর্থ্য মতো সহযোগিতা করবো ইনশাআল্লাহ।
ঐদিন মামার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম তবে তার কথাগুলো অনেকদিন পর্যন্ত মাথায় ঘুরতো। একজন আধা শিক্ষিত মানুষ, অথবা কে জানে তিনি হয়তো কোনোদিন স্কুলের বারান্দায় পা-ও রাখেননি, এমন একজন মানুষ আমার ভাবনার জগতকে বেশ প্রভাবিত করলো। সময়ের পরিক্রমায় তারপর একদিন সব ভুলেও গেলাম।
-
-
কয়েকদিন আগে একটা আননোন নম্বর থেকে কল এলো। অচেনা নাম্বার আমি সাধারণত রিসিভ করি না, তবে কী মনে করে ধরলাম। হ্যালো বলতেই ও পাশ থেকে সেই মামার কন্ঠ শোনা গেলো
- মামা আমারে চিনতে পারছেন? ঐ যে গত বছর হজ্জ ক্যাম্পের সামনে অনেক কথা হইলো। আমি আরিফুল।
- জ্বি জ্বি, কেমন আছেন?
- জ্বে আপনেদের দোয়ার বরকতে ভালোই আছি। মামা, কাইল ইকটু দেখা করতে চাই। আসতে পারবেননি?
যদিও ফোনে কিছু বলেননি তবে ধারণা করলাম হয়তো টাকার বিশেষ প্রয়োজন হয়েছে। কাছে সামান্য যতটুকু টাকা ছিলো, গুছিয়ে নির্ধারিত জায়গায় চলে গেলাম।
এক বছরের ব্যবধানে মামাকে দেখে প্রথমে চিনতেই পারিনি। না, ওনার চেহারা শরীর স্বাস্থ্য আগের মতোই আছে তবে বদলেছে তার বেশ। শুভ্র- সাদা ইহরামের চাদরে জড়ানো মামাকে দেখে বুকের ভেতর ধক্ করে উঠলো। তবে কী তার নিয়ত কবুল হয়ে গেলো? কিন্তু কীভাবে সম্ভব?
কাছে যেতেই দৌড়ে এসে হাত মুসাফা করে বললেন
- জানেন আমার মালিক আমারে ডাইকা পাঠাইসেন। আইজ রাততিরে আমার ফেলাইট। আমি মোহাম্মদের (সঃ) দ্যাশে যাইতাসি মামা!
আমি শক্ত মনের মানুষ, তবু মামার আনন্দোচ্ছ্বাস দেখে আমার চোখে জল জমা হলো। বললাম - মাশাআল্লাহ দারুণ খবর! কিন্তু কীভাবে সম্ভব হলো মামা, একটু বুঝিয়ে বলবেন?
- আর বইলেন না মামা, একদিন রিসকা টানতে টানতে গপসপ করতেসিলাম। হঠাৎ সেই যাত্রী বললেন তিনি তার পুরা পরিবার নিয়া হজ্জে যাইতেছেন কিন্তু একটা সমস্যায় পড়ছেন। তার বৃদ্ধা অসুস্থ মা একলা চলাচল করতে পারেন না। তার আম্মারে ধইরা ওঠানামা করার জন্য একজন শক্ত সামর্থ্য মানুষ দরকার। আমি যদি রাজি থাকি তাইলে পুরা খরচ দিয়া আমারে তিনি সাথে নিয়া যাবেন।
কাকার কথা শুইনা আমি তক্ষনি চিৎকার দিয়া কাইন্দা উঠি আর বলতে থাকি "" আল্লাহ তুমি আছো.... আল্লাহ তুমি আছো "।
কাকায় নিজেই আমার পাসপুট ভিসা করাইলেন, কাপুরচুপুর যা লাগে সবতা কিন্না দিলেন। বলছিলাম না মামা, আল্লাহয় চাইলে কী না হয়!
মামার কথা শুনে আমার সারা শরীর শিউরে উঠলো, সুবহানআল্লাহ! এ-ও সম্ভব! নিয়ে আসা টাকার প্যাকেট মামার হাতে দিয়ে বললাম এটা রাখেন, যদি কোনো কাজে লাগে।
মামা এবারো ফিরিয়ে দিয়ে বললেন
লাগবো না মামা। আপনে খালি আমার জন্য দোয়া কইরেন। মালিক জানি আমার হজ্জ ওমরা কবুল করেন।
আমি পুনরায় টাকাটা এগিয়ে দিয়ে বলি
- অবশ্যই দোয়া করি মামা, তবে এই টাকাটা আপনাকে নিতেই হবে। নিয়ত করে নিয়ে আসছি, ফেরত নিবো না। যে কোনো ভালো কাজে খরচ করিয়েন। নিজে তো যেতে পারলাম না, অন্তত একটা সওয়াবের কাজে শরিক হলাম।
- কঠিন নিয়ত রাখেন মামা, একদিন আপনেও যাইতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
- ইনশাআল্লাহ!
দূর থেকে দেখছি "লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক " ধ্বনিতে সুর তুলে সম্মানিত হাজীগণের সাথে এক কাতারে এগিয়ে চলেছেন একজন অর্থ -বিত্তহীন ভ্যানচালক আরিফুল মামা। তিনি শিক্ষিত নন , নেই এ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট। সহায় - সম্পত্তি খ্যাতি কিছুই নেই তার, সমাজে কেউ তাকে চেনে না। তবে যিনি চেনার তিনি ঠিকই চিনেছেন এবং পুরষ্কারও এই দুনিয়ায় দিয়ে দিলেন। ভাবছি মামার ইয়াকীনের কতো জোর! অথচ আমি কেমন ইলম অর্জন করলাম যে রবের প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রাখতে পারি না।
কোথায় যেন শুনেছিলাম - "আল্লাহ বান্দার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করেন।" দুআ করার সময় বান্দা যদি পূর্ণ আস্থা রাখে যে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হবে না, তাহলে রব তাকে সত্যিই ফিরিয়ে দেন না। যার ইয়াকীনের জোর যত বেশি, তার দুআ কবুলের সম্ভাবনা ততো বেশি।
নিজেকে প্রবোধ দিলাম- সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি, সংশোধন হতে হবে।
অবশেষে প্রশান্ত চিত্তে মামাকে বিদায় জানিয়ে বাড়ির পথ ধরলাম। আল্লাহ আমার এবং মামার সমস্ত নেক ইচ্ছা কবুল করুন।
(সমাপ্ত)
#ইয়াকীন
#সাবিহা_জাহান
ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না। ছেলে প্রায় বছর তিনেক ধরে বিভিন্নভাবে পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়েটা তার প্রয়োজন। কিন্তু চাকুরী না থাকায় বিয়ের ব্যাপারে পরিবারের কোন সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে গত বছর ছেলে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী পাওয়ার পর পরিবার উঠে-পড়ে লাগে বিয়ের জন্য।
এবার ছেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আর কোনদিনই সে এই ব্যাপারে বিবেচনা করবে না এবং বাড়াবাড়ি করলে গৃহ'ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যখন প্রয়োজন ছিল, তখন যেহেতু পায়নি, আর প্রয়োজন নেই। ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছে, যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় পেরিয়ে আসার পর লোক-দেখানো বিয়ে করে এমন কোন মেয়েকে সে তার জীবনে আনতে রাজী নয়, যে মেয়ে লাখ লাখ টাকা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে মূলত তার চাকুরী ও স্ট্যাটাস দেখে আসবে।
যার কাছে টাকা মুখ্য, তার কাছে মানুষের মূল্য গৌণ। অতএব, এই প্রহসনে সে অংশ নিবে না। টাকার অংকে মানুষকে বিবেচনা করা তার দৃষ্টিতে নোংরামী। কিভাবে একে বোঝানো যায়, জানাবেন দয়া করে।
#লেখা : সংগৃহীত
বিয়ে সিদ্ধান্ত কখন নিবেন:
আমি এবং আমার এক অত্যন্ত প্রিয় ছোট ভাই নিয়মিত সকালে পড়াশুনা করি এবং নাস্তা করি। প্রতিদিন যা ভাগ করে খাই আমরা তাতে বাজেট থাকে ১১৫ টাকা।
আজকে স্নেহের ছোট ভাই আগে খেয়ে আসছে। আমি যখন ক্লাস শেষ করলাম এবং তাকে খাবার আনতে বললাম। আজকে সে আমার জন্য খাবার আনছে ৮৫ টাকার। ক্যালকুলেশন টা মাথায় আসলো- দুজন মিলে খেলে ১১৫ টাকা আর একজন খেলে ৮৫ টাকা । ভাবো তো একবার পার্থক্য মাত্র ৩০ টাকা ।
আমি তাকে বললাম- যখন দেখবা তুমি তোমার একজনের খাবার নিশ্চিত ভাবেই ম্যানেজ করতে পারছো, বিয়ের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নাও। কারণ আমাদের সমাজ বিয়ে কঠিন করছে -একটা প্রশ্ন দিয়ে - বউ কে খাওয়াবা কি?? বউ কোন দৈত্য না যে সে এসে দুনিয়ার খাবার একসাথে খাবে।
অথচ একজনের খাবার খরচ যা হয়- দুজন মিলে খেতে হয়তো আর একটু বেশি লাগে। এতো তোমার লাভ হবে- তুমি জাহেলিয়াতের যুগে শত শত গুনাহ থেকে বেচে যাবে, বিয়ের মাধ্যমে আল্লাহ সরাসরি বারাকাহ দান করবেন যদি তুমি বিশ্বাসী হও, এবং বিয়ে বয়সের সাথে সম্পর্কিত, সেটা enjoy করতে পারবে।
হে উম্মাহ, হে যুবক-
বিয়ের মতো সুন্দর তবে সাহস সিদ্ধান্ত নেয়া শেখো। জীবন হালাল পথে পাল্টে যাবে- ইনশা আল্লাহ।
হালাল ই সুন্দর, হালাল ই বরকতময়, হালাল ই জীবন।
07/05/2025
আহারে! জীবন...
সাব-রেজিস্টার, AD, ASP(৩৭ তম বিসিএস) সহ অনেকগুলো ১ম শ্রেণির চাকুরি পেয়েছিলেন তিনি। কোন কিছুর অভাব ছিল না।
কিন্তু অভাব ছিল শুধু পারিবারিক শান্তির। সেই অভাবের তাড়নায় নিজের নামে ইস্যু করা পিস্তল দিয়ে নিজে নিজেকেই শেষ করলেন RAB-৭ এ কর্মরত এএসপি পলাশ শাহা ভাই!
মানুষ গায়ে গতরে পরিশ্রম সইতে পারে, বুক চেতিয়ে লড়াই করতে পারে শত্রুর সাথে কিন্তু পারিবারিক কলহে সে একদম ভঙ্গুর, আপনজনের দেওয়া কষ্টের কাছে সে বরাবরই নাজেহাল!
# ছবি ও মূর্তি গ্রহণকারীর পরিণাম...!!!!!
# 🥹মিথ্যা শপথকারীর পরিনাম!!!!!!!!!!!!!!
# আল্লাহ্ যাদের সাথে কথা বলবেন না !!!!!!!
আল্লাহর সীমারেখা কী????
আল্লাহর সীমারেখা
Click here to claim your Sponsored Listing.