জ্ঞান কৌটা

জ্ঞান কৌটা

Share

GyanKouta is focused on producing content that delivers intellectually engaging entertainment for you

31/03/2026

একটি অসমাপ্ত বিচার এবং একজন শিক্ষিকার জেদ
​সমাজের চোখে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ স্কুল শিক্ষিকা, নাম নয়না জয়সওয়াল। বাচ্চাদের সাথে হাসি-ঠাট্টা আর আদরেই যার দিন কাটত [05:23]। কিন্তু সেই শান্ত চেহারার আড়ালে যে কতটা দহন আর প্রতিশোধের আগুন জ্বলছিল, তা কেউ টের পায়নি।
​একটি সাধারণ বৃহস্পতিবার। নয়না প্রতিদিনের মতোই স্কুলে এলেন। কিন্তু সেদিন পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। হঠাৎ করেই তিনি ১৬ জন নিষ্পাপ শিশুকে জিম্মি করে বসলেন । পুরো দেশ স্তব্ধ হয়ে গেল! সবার মনে একটাই প্রশ্ন—যে শিক্ষিকা বাচ্চাদের নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতেন, তিনি কেন তাদের মাথায় বন্দুক ধরলেন?
​পুলিশ প্রশাসন, মিডিয়া আর কমান্ডোরা স্কুল ঘিরে ফেলল। নয়নার দাবি ছিল অদ্ভুত এবং সোজাসাপ্টা। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে চাইলেন। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হলো। ফোনের ওপাশ থেকে নয়না যখন তার দাবিগুলো জানাচ্ছিলেন, তখন বেরিয়ে এল এক ভয়ঙ্কর সত্য।
​নয়না আসলে কোনো সন্ত্রাসী ছিলেন না। তিনি ছিলেন সমাজের বিচারহীনতার এক জীবন্ত শিকার। বছরের পর বছর ধরে মনের ভেতর চেপে রাখা সেই দগদগে ক্ষত আজ তাকে এই চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে। তিনি চেয়েছিলেন সেই অপরাধীদের শাস্তি, যারা আইন আর ক্ষমতার আড়ালে পার পেয়ে গিয়েছিল ।
​একটি নাটকীয় মুহূর্তে, যখন চারদিকে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, নয়না প্রমাণ করে দিলেন যে—আইন যখন অন্ধ হয়ে যায়, তখন সাধারণ মানুষকে এভাবেই রুখে দাঁড়াতে হয়। শিশুদের কোনো ক্ষতি করা তার উদ্দেশ্য ছিল না, বরং তিনি চেয়েছিলেন পুরো জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দিতে ।
​শেষ পর্যন্ত নয়না পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ঠিকই, কিন্তু ততক্ষণে তিনি তার বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন দেশের প্রতিটি কোণায়। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করলেন যে, নয়না হয়তো আইন ভেঙেছেন, কিন্তু যে প্রতিবাদের মশাল তিনি জ্বেলেছেন, তা কোটি কোটি নারীর আত্মসম্মানের লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে।

31/03/2026

খেলার মাঠে তাত বস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলা হয়..
See more..

26/03/2026

২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, নাম ঠিকানা দেখুন, আপনার পরিচিত কেউ আছে কি না এই তালিকায়...

১) রেহেনা আক্তার(৬১)
স্বামী- মৃত ইসমাঈল হোসেন খান,
গ্রাম- ভবানীপুর, লালমিয়া সড়ক, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী।

২) মর্জিনা খাতুন(৫৬)
স্বামী- মো: আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম- মজমপুর, ওয়ার্ড নং-১৮, কুষ্টিয়া পৌরসভা, কুষ্টিয়া।

৩) রাজীব বিশ্বাস(২৮)
পিতা- হিমাংশু বিশ্বাস, গ্রাম+ডাকঘর - খাগড়বাড়ীয়া, থানা- কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া।

৪) জহুরা অন্তি(২৭)
পিতা- মৃত ডা: আবদুল আলীম, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা।

৫) কাজী সাইফ(৩০)
পিতা- কাজী মুকুল, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা।

৬) মর্জিনা আক্তার(৩২)
স্বামী- রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।

৭) ইস্রাফিল(৩)
পিতা- দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম- ধুশুন্দু, ইউপি- সমাজপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া।

৮) সাফিয়া আক্তার রিন্থি(১২), পিতা-রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।

৯) ফাইজ শাহানূর(১১)
পিতা- বিল্লাল হোসেন, গ্রাম- ভবানীপুর, ইউপি- বোয়ালিয়া, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী।

১০) তাজবিদ(৭)
পিতা- কেবিএম মুসাব্বির, ৫ং ওয়ার্ড, সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী।

১১) আরমান খান(৩১), পিতা- আরব খান, পশ্চিম খালখোলা, উপজেলা- বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী।
(গাড়ির চালক)

১২) নাজমিরা@ জেসমিন(৩০), স্বামী- আব্দুল আজিজ,
গ্রাম- বেলগাছি, ইউপি- মদেন্দ্রপুর, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী।

১৩) লিমা আক্তার(২৬)
পিতা- সোবাহান মন্ডল, গ্রাম-রামচন্দ্রপুর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী।

১৪) জোস্ন্যা(৩৫)
স্বামী- মান্নান মন্ডল, গ্রাম- বড় চর বেনি নগর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী।

১৫) মুক্তা খানম(৩৮)
স্বামী- মৃত জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- সিদ্দিকুর রহমান, গ্রাম- নোয়াধা, ইউপি- আমতলী, উপজেলা-কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।

১৬) নাছিমা(৪০)
স্বামী- মৃত নূর ইসলাম,গ্রাম-মথুয়ারাই, ইউপি-পলাশবাড়ী, উপজেলা-পার্বতীপুর , দিনাজপুর ।

১৭) আয়েশা আক্তার সুমা(৩০), স্বামী- মো: নুরুজ্জামান, গ্রাম- বাগধুনিয়া পালপাড়া, উপজেলা-আশুলিয়া, ঢাকা জেলা।

১৮) সোহা আক্তার(১১)
পিতা- সোহেল মোল্লা, গ্রাম-
রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী।

১৯) আয়েশা সিদ্দিকা(১৩)
পিতা- গিয়াসউদ্দিন রিপন, গ্রাম+ইউপি-সমসপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া।

২০) আরমান(৭ মাস),
পিতা- নুরুজ্জামান, গ্রাম- খন্দকবাড়িয়া, ইউপি-কাচেরকোল, উপজেলা-শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।

২১) আব্দুর রহমান(৬)
পিতা-আব্দুল আজিজ, গ্রাম- মহেন্দ্রপুর, ইউপি-রতনদিয়া, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী।

২২) সাবিত হাসান(৮)
পিতা- শরিফুল ইসলাম,
গ্রাম- আগমারাই, ইউপি-দাদশি, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী।

২৩) আহনাফ তাহমিদ খান(২৫)
পিতা-ইসমাইল হোসেন খান,
গ্রাম-ভবানীপুর, ৮নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী সদর।

রাজবাড়ি সদর হাসপাতালে মরদেহ সনাক্তকরণ চলছে, আপন জনের আহাজারি সদর হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে গেছে...

25/03/2026

দৌলতদিয়া তে ঝড়ের কারনে উদ্ধার কাজ ব্যাহত।

25/03/2026

#দৌলতদিয়া দুর্ঘ/টনা

20/03/2026

কুরআন

20/03/2026

একবার বাড়ি ফিরব না ভেবে স্থির করলাম, খুব করে সিদ্ধান্ত নিলাম এবার ঈদে ব্যস্ততার মাঝে ঠেকে থাকা শহরের কোলাহলহীন সৌন্দর্য উপভোগ করব৷ তাই, অগ্রীম কোন টিকিট না কেটে, যেহেতু আমি আর আমার বউ থাকি তাই সেই টাকায় সেমাই, লাচ্ছা, চিনিসহ সব ধরনের খাবারের আইটেমগুলো কিনলাম।
দুজনে সন্ধার পর থেকে সারাদিনের কাজ শেষ করে সোশাল মিডিয়া স্ক্রোল করি আর যাত্রা পথে বিভিন্ন দুর্ভোগ দেখি আর মোজা করি।

হঠাৎ গ্রামের এক বন্ধু বলল, মামা আমি তো ছুটিতে বাসায় আসছি তুমি কবে আসবা....

তাকে খুব সরলভাবে উত্তর দিলাম যে, এবার আমরা দুজন আর যাচ্ছি না। কিছুক্ষণ পরে বউয়ের এক বোন ফোন দিল, যে সে কবে যাবে।

তারপর থেকে দুজনের মনে আর সেই খুশিটা আগের মত থাকল না।

তারপরও দুজন দুজন কে বুঝতে দিচ্ছি না। সেদিন রোজার ২৯, ইফতার দুজন একটু রিক্সা নিয়ে ঘুড়ে তারাবি পরব, কারন ইদের চাঁদ ওঠেনি। আমরা রিক্সা ঘুরলেও কেও কোন কথা বলছি না।

নিরবতা ভেঙে আমিই প্রথমে শুরু করলাম কিভাবে ইদের দিন সব বন্ধুদের সাথে দেখা হয়, ছোট বেলার গল্প, বিভিন্ন সময়ের আলোচনা করি।...

এবার বউ বলে উঠল, আচ্ছা একন যদি আমরা টিকিট কাটতে চাই বাসের তাহলে পাব না?

আমি বললাম পাব হয়ত কারন সবাই তো চলেই গেছে প্রায়। এবার বউ বলল আমরা পরের ইদ শহরে করব চল গ্রামে যাই।

যেই কথা সেইকাজ সঙ্গে সঙ্গে রিক্সা ঘুড়িয়ে কাউন্টারে গেলাম, টিকিট কেটো বাসায় গিয়ে রেডি হয়ে, ব্যাগ নিয়ে বের হলাম।

তারপর বের হওয়ার আগ মুহুর্তে দুজন দু'জনের দিকে তাকালাম আর হাসতে লাগলাম...

18/03/2026

লাইফ

17/03/2026

16/03/2026

এই গাছবলদে এক পোদকাস্টে বলেছে, অসুখের নাম দিয়েই নাকি রোগীকে কাবু করে ফেলা হয়।
অসুখের বিদঘুটে নাম শুনেই নাকি রোগী আর্ধেক মারা যায়।
তার মতে জ্বরের নাম ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া না হয়ে রজনীগন্ধা কিংবা কৃষ্ণচূড়া জ্বর হওয়া উচিত।
আসুন দেখি তার মতে অসুখের নামে আরো কি কি পরিবর্তন আনা উচিত!

১. আপনার হার্ট এটাক হয়েছে এটা না বলে রোগীকে বলতে হবে- আপনার হৃদয়ে পদ্ম ফুঁটেছে।

২. আয় হায় আপনি তো স্ট্রোক করছেন!
এটা না বলে, বলতে হবে- আহা! ইশ! আপনার রক্তনালীতে হাসনাহেনা ফুঁটে নালী জ্যাম হয়ে গিয়েছে!

৩.আপনার তো এইডস!
এটা বলা যাবেনা, বলতে হবে- নানাজাতের ফুলের মধু খেয়ে আপনার শরীরে কাঁটাওয়ালা গোলাপ ফুঁটেছে।

৪.আপনার বাচ্চার তো ডায়রিয়া!
উহু,,,ভুলেও বলা যাবেনা।
বলতে হবে- আপনার বেবির কোমল পোদদ্বয় গলিয়ে ঝরছে শ্রাবণের ধারা!!

12/03/2026

ওরে নীল দড়িয়া

11/03/2026

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka