Woodpecker
A brief description
Bangladesh under the great leadership of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman emerg
১০ টি প্রেইজ মনে রাখুন কাজে দিবে (পার্ট -১)
1 is it going?
(এই প্রেইজ টি আপনি ব্যাবহার করতে পারেন কারো সাথে দেখা হলে)
2 # Long time no see!
(এই প্রেইজ টি আপনি ব্যাবহার করতে পারেন কারো সাথে অনেক দিন পর দেখা হলে)
3 # What have you been up to?
(এই প্রেইজ টি আপনি ব্যাবহার করতে পারেন কারো সাথে দেখা হলে যেমন কি অবস্তা বা দিন কাল কেমন যাচ্ছে )
4 # Can't complain
( ধরেন আপনার সব কিছু ভাল যাচ্ছে মানে সব কিছুই ঠিক ঠাক আছে তখন আপনি কাউকে বলতে পারেন এই প্রেইজ টি)
5 # How do you know?
(ধরেন আপনি একটা ব্যাপার আগে থেকে কাউকে বলেন নি কিন্তু কেউ কোনো ভাবে জেনে গেছে এবং সে ওই ব্যাপারে যখন আপনার সাথে কথা বলছে তখন আপনি ইউজ করতে পারেন এই প্রেইজ টি)
6 # That’s a good one / That’s a good joke!
(ধরেন আপনার কোনো বন্ধু বা কলিগ আপনাকে একটা কৌতুক বল্লো তখন আপনি এই প্রেইজ টি বলতে পারেন)
7 # It’s very kind of you!
(ধরেন কেউ আগ বারিয়ে আপনাকে সাহায্য করলো তখন আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এই প্রেইজ টি ইউজ করতে পারেন)
8 # Thank you anyway
(ধরেন কেউ আপনাকে সাহায্য করতে চাইল কিন্তু তাতে আপনার কোনো উপকার হল না তখন আপনি এই প্রেইজ টি ইউজ করতে পারেন)
9 # Thank you in advance!
(ধরেন আপনি কাউকে একটা কাজ দিলেন এবং আপনি মনে করেন সে কাজ টি ভাল মত করতে পারবে তখন আপনি এই প্রেইজ টি তাকে বলতে পারেন)
10 # No worries
(ধরেন কেউ একটা ভুল করে ফেলল এবং সে এ ব্যাপারে খুব আপসেট তখন আপনি বলতে পারেন এই প্রেইজ টি)
অনেক পুরানো একটি গল্প। হয়তো অনেকেই পড়েছেন। তবু যতবার পড়ি এই গল্পটি ততবার অনুপ্রাণিত হই।
এক জ্ঞানী লোক হাতির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সে অবাক হয়ে খেয়াল করল, হাতিটি এমন একটি রশি দিয়ে বাধা- যা কিনা হাতিটির জন্য ছিঁড়ে ফেলা খুবই সহজ। সে হাতিটির মালিককে খুঁজে বের করে এই কথাটি বলল যে, কেন এত হালকা রশি দিয়ে হাতিটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে।
হাতিটির মালিক হেসে দিয়ে উত্তর দেয়-
“যখন হাতিটির বয়স খুব অল্প ছিল, তখন এই রশিটিই এর জন্য যথেষ্ট শক্ত হত। বাচ্চা বয়সে তখন অনেক চেষ্টা করার পরও মুক্ত হতে পারেনি। একসময় সে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে এই রশি থেকে সে মুক্ত হতে পারবে না। যদিও এখন সে যথেষ্ট শক্তিশালী কিন্তু তার বিশ্বাস তাকে এখানে এই ঠুনকো রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে।”
অবশেষে জ্ঞানী লোকটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে- আমরাও অনেক সময় এক-দুই বার কোন কাজে ব্যর্থ হয়ে বিশ্বাস করতে শুরু করি যে–কখনই এ কাজ করা সম্ভব নয়। হাত- পা গুটিয়ে বসে থাকি। কিন্তু আসলেই কি পারবো না?
ব্যর্থতা মূলত শিক্ষার একটি মাধ্যম। এই শিক্ষা থেকে যে অভিজ্ঞতা এবং ফলাফল অর্জন করে নিতে পারে, সেই হয় জগৎ বিখ্যাত। আসুন না, যেটা আজকে পারেননি অন্তত কালকে আরেকবার চেষ্টা করে দেখি।
পানি শান্ত করে মাছ ধরুন।শত্রু কে উত্তেজিত করে নয় বরং শান্ত রেখে নিজের কাজ বাস্তবায়ন করুন।
তোমার যদি মনে হয় তোমার বস অনেক বোকা , তাহলে এইটা ও মনে রেখো, সে চালাক হলে তুমি এখানে চাকুরী পেতে না !
জীবন এখন বিপদগামী।
ভালোবাসা হয়ে গেছে যৌনতা।
দুঃখ হয়ে গেছে ফ্যাশন।
পরিশ্রম- অধ্যবসায়- সাফল্যযুগে যুগে, কালে কালে যত মানুষ বড় হয়েছেন, স্মরনীয় বরণীয় হয়েছেন– তাঁদের মধ্যে সবাই ছিলেন পরিশ্রমী। হয়তো অনেকেরই প্রতিভা ছিলো অনেক বেশি কিন্তু প্রতিভার চেয়ে পরিশ্রমই তাদেরকে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে।
কোনো সাফল্যের পিছনের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো নিরবিচ্ছিন্ন পরিশ্রম। কোনো মানুষের সাফল্য কোনোদিনই অলৌকিক ভাবে বা হঠাৎ করে আসে না। দীর্ঘ দিনের পরিশ্রম বা নিরবিচ্ছিন্ন কাজের ফলেই হয়তো হঠাৎ একদিন দেখা দেয় কাঙ্খিত সাফল্য। কাজ না করলে একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কেউই সাফল্যের মুখ দেখতে পায় না।
যে কাজই আমরা করি না কেন একদিনেই যে সাফল্য পাবো তা কিন্তু নয়। ব্যর্থতা আসতেই পারে কিন্তু হতাশ হলে চলবে না– কাজ চালিয়ে যেতেই হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না সফলতা আসে। ব্যর্থতাকে পরিশ্রম ও অধ্যবসায় দ্বারা জয় করতে হবে।
যারা ব্যর্থতার গ্লানিকে মনে রেখে কাজ বন্ধ করে না তারাই জয়ী হয়।আমি যদি কাজ না করে বসে বসে শুধু কল্পনা করি, মন ছবি করি যে আমি একদিন বড় হবো, দেশের প্রেসিডেন্ট হবো, কোটি কোটি টাকার মালিক হবো, সাহিত্যিক হবো, বৈজ্ঞানিক হবো তাহলে আমি কিছুই হতে পারবো না।
মনছবি বাস্তবায়ন করতে হলে সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে- লক্ষ্য ঠিক রেখে নিয়মিত কাজকরে যেতে হবে, লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে- সাফল্য একদিন তোমার দরজায় কড়া নাড়বেই।প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে –“নসীবের তাবিজ গলায় দিয়ে বসে থাকলে চলবে না”।
অর্থাৎ আমার কপালে বা নসীবে যা আছে তাই হবে এরকম ভেবে বসে থাকলে কিছুই হবে না। এই পার্থিব জগতের কিছু পেতে হলে তার জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের ভালো কিছু হলে তার জন্যে আমাদের কাজের ফলই মনে করতে হবে আর আমাদের কোনো ব্যর্থতাকে ভাগ্যের দোষ বলে মনে করলে চলবে না। সেটাকে আমাদের কর্মকেই দায়ী করতে হবে।
আমাদের ভালো মন্দ সব কিছুর জন্যে আমাদের কর্মকেই দ্বায়বদ্ধতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। তাই আমরা একবাক্যে বলতে পারি– ‘পরিশ্রমই সৌভাগ্যের চাবিকাঠি’।
কাজ করা বা করতে না পারা নিয়ে বিখ্যাত কবি কালী প্রসন্ন ঘোষ এর “পারিবো না” কবিতাটি একটু দেখি-পারিবো না এ কথাটি বলিও না আরকেন পারিবে না তাহা ভাবো এক বার,পাঁচজনে পারে যাহা,তুমিও পারিবে তাহা,পারো কি না পারো কর যতন আবারএক বারে না পারিলে দেখো শত বার।পারিবো বলে মুখ করিও না ভার,ও কথাটি মুখে যেন না শুনি তোমার,অলস অবোধ যারাকিছুই পারে না তারা,তোমায় তো দেখি নাক তাদের আকারতবে কেন পারিবো না বলো বার বার?
জলে না নামিলে কেহ শিখে না সাঁতারহাঁটিতে শিখে না কেহ না খেয়ে আছাড়,সাঁতার শিখিতে হলেআগে তবো নাম জলে,আছাড়ে করিয়া হেলা, হাঁট বার বারপারিবো বলিয়া সুখে হও আগুয়ান।।ছোট বেলার বার বার পড়া কবিতাটি যদি একবার গভীর ভাবে ভেবে দেখি তাহলে ব্যর্থতার গ্লানির কথা এর আমাদের মনে থাকবে না।কবিতাটির প্রতিটি লাইন যদি আমরা একটু মনযোগ দিয়ে পড়ি তাহলে সহজেই আমরা না পারার বিষয়টি বুঝতে পারবো
কোনো ভালো কাজ কোনো দিনই একবারে হয় না- বার বার চেষ্টার ফলেই একটি সুন্দর একটি সাফল্য আসে।কবিতাটিতে আমরা দেখি কোনো কাজে একবারেই কেউ সফল হতে পারে না্, কাজটি করার জন্যে প্রথমে নানাবার ব্যর্থতা, তারপর সফলতা আসে। বার বার ব্যর্থতাই এক সময়ে সফলতা নিয়ে আসে। ব্যর্থতার অপর পাশেই সফলতার অবস্থান।
সারা বিশ্বে প্রতিভাবান মানুষের চেয়ে পরিশ্রমী মানুষই অনেক বেশি। বিখ্যাত ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক মহামতি জন ডালটনকে সবাই প্রতিভাবান বলতো আর উনি নিজেকে পরিশ্রমী মানুষ হিসাবে পরিচয় দিতেন। তিনি ছিলেন একজন তাতির ছেলে। অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেতিনি তাঁর বিখ্যাত এটমিক থিওরি আবিষ্কার করেন।
আমরা সবাই জানি বিশ্ববিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আইজ্যাক নিউটন দীর্ঘ বিশ বছর পরিশ্রম করে একটি বই লেখেন কিন্তু তাঁর প্রিয় কুকুরজলন্ত বাতি ফেলে ঐ বইখানি পুড়িয়ে ফেলে। এতে নিউটন খুবই দুঃখ পান কিন্তু তিনি দমে যান নাই। আবার বইটি লেখা শুরু করেন এবং কঠিন পরিশ্রম করে বইটি লেখা শেষ করেন।
এইভাবেই আমরা দেখতে পাই বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিগণ তাঁদের পরিশ্রমের দ্বারাই নিজেদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁদের সাফল্যের মূলেই ছিলো তাঁদের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। আমরা একবাক্যে বলতে পারি– ‘পরিশ্রমই সৌভাগ্যের চাবিকাঠি’
আমি একটি মেয়ের কথা জানি, যে অন্যর বাড়িতে কাজ করতো-কাগজের ব্যাগ বানিয়ে দোকানে বিক্রি করতো-তারপর সেই টাকায় পড়াশুনা করেছে।- আজ সে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য।.
৯ বছরের এক ছেলে। খাবারের অভাবে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলো, তারপর পাড়ার এক ভাইয়ের সহযোগীতায় পায় দোকানে রুটি বানানোর কাজ। তারপর পড়াশুনা। সেই ছেলেটির নাম আজ সবার মুখে মুখে।নাম- কাজী নজরুল ইসলাম।.
আরেক বালকের কথা জানি,বাড়ি জামালপুর। খড়ের ঘরে থাকতো আর ছাগল ছরাতো। ছাগলের দুধ বিক্রি করে বিড়ি-সিগারেটেরদোকান করতো। জামা পরে সে একদিনও স্কুলে যেতে পারেনি। বাজারে বাজারে গামছা বিছিয়ে টাকা (১৫০৳) তুলে কলেজে ভর্তি হয়েছিলো।- সেই ছেলেটিই আজকের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, আতিউর রহমান।.
আরেক ব্যাক্তি আছে, যে দুই দিনে এক বেলা খেতে পেতো। এতটাই দরিদ্র ছিলো যে বই খাতা কেনার সামর্থ্য ছিলো না তার। কাঠুরিয়ার কাজ করতো, তারপর পড়াশুনা।- সেই ব্যাক্তিটিই হয়েছিলো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। নাম- আব্রাহাম লিংকন।.
আরেক যুবকের নাম জানি,মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। ছোটবেলায় স্কুল পালিয়েছে একের অধিকবার। রাস্তায় যাযাবরের মত ঘুরতো। বন্ধুর সহায়তায় শুরু করে নিজের মেধার বিকাশ।- সেই যুবকটিই আজকের বিল গেটস।
আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যাক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।
- আর কেউ নয়, চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং।
পেশায় ছিলো নাপিত। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে কিংবা সেলুনে চুল কাটতো। সে-ই হয়েছিলো কৃষ্ণ-আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনের হোতা।- সে হচ্ছে, স্বাধীন নামিবিয়ার রাষ্ট্রপিতা ও প্রেসিডেন্ট শ্যাম নাজোমা।
অভাবের তাড়ানায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী।নাম- জন মেজর।.
আরেক ছেলের, বাবা-মা এতই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। ভাবতে পারেন? সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী!নাম- রোনাল্ডো।.
বাবা ছিলো জেলে। বাবা মাছ ধরতো আর সে সেই মাছ বিক্রি করতো। সেই জেলের ছেলেই শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার জয়সুরিয়া।.
(Collected)
ইংরেজিতে বহুল ব্যবহার হয় এরকম কিছু Manners দিলাম আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে
Part four ...............................................................................
01.Yes / Right / OK / Okay / All right. --- ঠিক আছে ।
02.It's all right / all right . --- জি আচ্ছা ঠিক আছে ।
03.It's is so. --- হা এটা এরকমই ।
04.Is that so ? / Is it ? --- তাই নাকি ?
05.How come ? / How can it be ? --- তা কি করে হয় ?
06.It's too bad. --- এটা খুব খারাপ ।
07.It's not good. --- এটা ঠিক না ।
08.I see ! --- তাই বুজি !
09.For example/ To cite an example: --- উদাহরনস্বরূপ :
10.So that's the case ! --- ওহ আচ্ছা এই ব্যাপার !
11.I got it / I got the point. --- বুজেছি / বুজতে পেরেছি ।
12.Would you please repeat ? / Pardon ! --- কোনো কিছু পুনরায় শোনার আগ্রহে ।
13.You good for nothing / Worthless ! --- অপদার্থ কোথাকার ।
14.I am afraid ! --- সন্দেহ না-বোধক বুজাতে ।
15.Not at all. --- আদৌ নয় ।
16.It's clear to me that........... ---- আমার কাছে এইটা পরিস্কার যে ............ ।
17.I am extremely sorry / sorry that.... --- আমি খুভি দঃখিত যে..................... ।
18.I think/ seem/ guess/ assume that........ ---- আমি মনে করি যে.................. ।
19.He/ She speaks very nice indeed ! ---- সত্যি সে অত্যন্ত সুন্দর করে কথা বলে ।
20.I mean to say/ I'd like to say that..... ---- আমি বুজাতে / বলতে চাই যে ...... ।
ইংরেজিতে বহুল ব্যবহার হয় এরকম কিছু Manners দিলাম আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে
Part Three ...............................................................................
01.I have the same opinion / I think so -- আমার ও একই মত / আমি ও তাই মনে করি ।
02.What a pleasant surprise ! -- কি দারুন / দুর্দান্ত চমক !
03.Nice to meet you. -- তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভাল লাগলো ।
04.As a matter of face....... --- বলতে গেলে..... .
05.Would you mind moving aside ? -- একটু সরে বসবেন কি ?
06.What a great idea ! --- কি চমৎকার ধারনা !
07.Pray for me . --- দোয়া করো ।
08.Indeed ! / Quite so. --- তা বৈকি ।
09,Drop the matter --- বাদ দাও / ও কথা ছেড়ে দাও /
10.That's all nonsense ! --- সব বাজে কথা !
11.That's the Question ! --- এটাই তো কথা !
12.It's a long story ! --- সে অনেক কথা !
13.Is it matter of joke ? --- এটা কি কথার কথা ?
14.That's not a bad idea. --- কথা টা মন্দ নয় ।
15.You must be kidding ! --- তুমি নিশ্চয় মজা করছো !
16.That's all about me. --- আমার সম্পর্কে এটুকুই ।
17.That'd be nice / fine. --- ভালই হবে ।
18.That sounds good --- ঠিকই বলেছ ।
19.Here you are. এই নিন ( কোনো কিছু দেওয়ার সময় )
20. And so on. --- এবং আরো অনেক ।
Click here to claim your Sponsored Listing.