Utopian Academy

Utopian Academy

Share

An English Medium School

31/07/2024

#এতো_শহিদ_রাখবো_কই_আর_ভুলিই_বা_কেম্নে?
আমি চাই এইটা আমার লিস্টে থাকুক।প্রতিবছর মেমোরি তে আসুক।

শহীদ ২৬৬ জনের তথ্য:

১. আবু সাঈদ (২২), ছাত্র, গুলিতে নিহত, বিআরইউর সামনে, ১৬ জুলাই।
২. আসিফ (২৩), ছাত্র, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
৩. মো: ফারুক (৩২), ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী, গুলিতে নিহত, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম, ১৬ জুলাই।
৪. মো: ওয়াসিম (২২), চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র, আহত হয়ে মৃত্যু, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম, ১৬ জুলাই।
৫. ফয়সল আহমেদ (২০), ছাত্র, গুলিতে নিহত, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম, ১৬ জুলাই।
৬. মো: শাহজাহান (২৫), কাপড়ের দোকানের কর্মচারী, মাথায় আঘাতে মৃত্যু, ব্রাদার নূরুন নবী, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ঢাকা, ১৬ জুলাই।
৭. সবুজ আলী (২৫), ছাত্র, ঢাকা কলেজ, মাথায় আঘাতে মৃত্যু, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা কলেজের উল্টোদিকে, ১৬ জুলাই।
৮. সাকিল, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
৯. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১০. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।

১১. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১২. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৩. অজ্ঞাত, ছাত্র, গুলিতে নিহত, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৪. অজ্ঞাত, ছাত্র, গুলিতে নিহত, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৫. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।

১৬. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৭. মীর মুগ্ধ , গুলিতে নিহত, রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৮. ফারহান ফয়েজ রাতুল (১৭), ছাত্র, গুলিতে নিহত, সিটি হাসপাতাল, উত্তরা, ১৮ জুলাই।
১৯. হাসান মেহেদী, সাংবাদিক, ঢাকা টাইমস, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।
২০. ওয়াসিম শেখ (৩০), মাথায় আঘাতে মৃত্যু, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ফিশ স্টোর, ১৮ জুলাই।

২১. নাজমুল কাজী (২০/২২), আহত হয়ে মৃত্যু, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।
২২. মোহাম্মদ (২০), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আজিমপুর, ১৮ জুলাই।
২৩. অজ্ঞাত (৩০), রিকশাচালক, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।
২৪. অজ্ঞাত, ফারাজী হাসপাতাল, রামপুরা, ১৮ জুলাই।
২৫. অজ্ঞাত, ফারাজী হাসপাতাল, রামপুরা, ১৮ জুলাই।

২৬. অজ্ঞাত (১৮), ছাত্র, গুলিতে নিহত, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, বহদ্দারহাট, ১৮ জুলাই।
২৭. অজ্ঞাত (২২), ছাত্র, গুলিতে নিহত, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, বহদ্দারহাট, ১৮ জুলাই।
২৮. আসহাবুল ইয়ামিন (২০), ছাত্র, এমআইএসটি, মিরপুর, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, সাভার, ১৮ জুলাই।
২৯. তাহমিদ তামিম (১৫), স্কুলছাত্র, নরসিংদী, গুলিতে নিহত, ১০০ বেড হাসপাতাল, নরসিংদী, ১৮ জুলাই।
৩০. ইমন মিয়া (২২), ছাত্র, সরকারি সাটিরপাড়া স্কুল, গুলিতে নিহত, নরসিংদী সদর হাসপাতাল, নরসিংদী, ১৮ জুলাই।

৩১. দীপতো দে (২১), ছাত্র, মাদারীপুর কলেজ, লেকপাড়, মাদারীপুর, ১৮ জুলাই।
৩২. রৌদ্র সেন (২২), ছাত্র, এসইউএসটি, পুলিশ লেক এরিয়া, সুরমা গেট পয়েন্ট, ১৮ জুলাই।
৩৩. মানিক মিয়া (৪০), রিকশাচালক, গুলিতে নিহত, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পুলিশ স্টেশনের পেছনে, ১৮ জুলাই।
৩৪. সাকিল হোসেন (২২), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৮ জুলাই।
৩৫. ইমরান (২৪), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।

৩৬. আবদুল্লাহ (১৫), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।
৩৭. সাইমুন সিয়াম (২৫), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ১৮ জুলাই।
৩৮. ইসমাইল (৩৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা, ১৮ জুলাই।
৩৯. খালিদ সাইফুল্লাহ (১৮), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টার, ঢাকা, ১৮ জুলাই।
৪০. দুলাল মাতব্বর, মাইক্রোবাস ড্রাইভার, গুলিতে নিহত, মেরুল বাড্ডা, ১৮ জুলাই।

৪১. জিল্লুর রহমান (১৭), ছাত্র, ইমপিরিয়াল কলেজ, গুলিতে নিহত, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এরিয়া, ১৮ জুলাই।
৪২. রৌদ্র সেন (২০/২২), ছাত্র, লেকপাড়, আখালিয়া, ১৮ জুলাই।
৪৩. হোসেন, গুলিতে নিহত, বাঁশতলা, বাড্ডা, ১৮ জুলাই।
৪৪. মো: সাকিল হোসেন, সাংবাদিক, দৈনিক ভোরের আওয়াজ, গাছা থানা, গাজীপুর, ১৮ জুলাই।
৪৫. রাকিব হোসেন (২২), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আফতাবনগর, ১৯ জুলাই।

৪৬. গনি শেখ (৪৫), শ্রমিক, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শাহজাদপুর, ১৯ জুলাই।
৪৭. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কাজলা।
৪৮. সোহাগ (১৯), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শাহজাদপুর, ১৯ জুলাই।
৪৯. আরিফ (১৮), দোকানের কর্মচারী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, কাজলা, ১৯ জুলাই।
৫০. সান্তু (২০), দোকানের কর্মচারী, গুলিতে নিহত, যাত্রাবাড়ী, কাজলা, ১৯ জুলাই।

৫১. রাব্বী (২৭), গুলিতে নিহত, আবু তালেব স্কুল, ১৯ জুলাই।
৫২. অদুদ (৪০), গুলিতে নিহত, চায়না বিল্ডিং, নিউমার্কেট, ১৯ জুলাই।
৫৩. পাভেল (২৫), দোকানের কর্মচারী, শাহবাগ, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পল্টন, ১৯ জুলাই।
৫৪. মোবারক (৩২), দোকানের কর্মচারী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কদমতলী, ১৯ জুলাই।
৫৫. আকরাম খান রাব্বী (২৪), ছাত্র, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

৫৬. জিহাদ (২২), ছাত্র, গুলিতে নিহত, শনিরআখড়া, ১৯ জুলাই।
৫৭. দুলাল মোহাম্মদ দোলন (৪০), ব্যাংকার, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আজিমপুর, ১৯ জুলাই।
৫৮. অজ্ঞাত (১৮), গুলিতে নিহত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাটারা, ১৯ জুলাই।
৫৯. ওমর ফারুক (২৩), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
৬০. আবদুল ওয়াদুদ, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

৬১. মারুফ হোসাইন (২৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬২. মেহেদী হাসান (২০), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৩. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৪. অজ্ঞাত (২৫), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৫. রবিউল ইসলাম (৩০), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

৬৬. ইসমাইল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৭. কামাল মিয়া/জালাল মিয়া (৪৫), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৮. নবীন তালুকদার, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৬৯. ইমন (২৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৭০. সোহেল (৩৫), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

৭১. অজ্ঞাত (২২), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৭২. শাওন (২৪/২৫), ছাত্র, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চায়না বিল্ডিং, নিউমার্কেট, ১৯ জুলাই।
৭৩. পারভেজ (২৩), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৭৪. মামুন সরদার (৩৪/২৭), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৭৫. শোভন (২৫), চায়না বিল্ডিং, নিউমার্কেট, ১৯ জুলাই।

৭৬. রেদোয়ান (২২), ছাত্র, বঙ্গবন্ধু, গুলিতে নিহত, কামারপাড়া, ১৯ জুলাই।
৭৭. শরীফ (২৩), ছাত্র, বঙ্গবন্ধু, গুলিতে নিহত, কামারপাড়া, ১৯ জুলাই।
৭৮. রাইদ (২২), ছাত্র, বঙ্গবন্ধু, গুলিতে নিহত, কামারপাড়া, ১৯ জুলাই।
৭৯. রানা (১৫), গুলিতে নিহত, ১৯ জুলাই।
৮০. সোহাগ মোল্লা, পিএ, মেয়র, উত্তরা, ১৯ জুলাই।

৮১. মুনসুর (৪০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৮২. শরীফ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৮৩. রাসেল, ছাত্র, ফরাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৮৪. অজ্ঞাত, ফরাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৮৫. অজ্ঞাত, ফরাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

৮৬. অজ্ঞাত, বি লাইফ এইচ, ১৯ জুলাই।
৮৭. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৮৮. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৮৯. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯০. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।

৯১. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯২. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯৩. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯৪. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯৫. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।

৯৬. অজ্ঞাত, এসএসএমসিএইচ, ১৯ জুলাই।
৯৭. অজ্ঞাত, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৯৮. অজ্ঞাত, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
৯৯. অজ্ঞাত, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১০০. অজ্ঞাত, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

১০১. অজ্ঞাত, উত্তরা, ১৯ জুলাই।
১০২. সজ্জল হোসেন (২৮), রংপুর, ১৯ জুলাই।
১০৩. মেরাজ (৪০), রংপুর মেডিক্যাল কলেজ, ১৯ জুলাই্।
১০৪. অজ্ঞাত, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ, ১৯ জুলাই।
১০৫. মোজাম্মেল (৩২), রংপুর মেডিক্যাল কলেজ, ১৯ জুলাই।

১০৬. মোখলেসুর রহমান মিলন (২৫), রংপুর, ১৯ জুলাই।
১০৭. মউন (২৫), রংপুর, ১৯ জুলাই।
১০৮. আবদুর রশীদ (৭০), হোল্ড/রেইড, ফজলুল হক রোড, সিরাজগঞ্জ, ১৯ জুলাই।
১০৯. সিয়াম (১৬), গুলিতে নিহত, আমতলা মোড়, বগুড়া, ১৯ জুলাই।
১১০. এহসানুল হক (২২), ১৯ জুলাই।

১১১. এটিএম তোরাব (৩০), সাংবাদিক, সিলেট, ১৯ জুলাই।
১১২. অজ্ঞাত, নরসিংদী, ১৯ জুলাই।
১১৩. সাগর, (১৬), ময়মনসিংহ, ১৯ জুলাই।
১১৪. আল আমিন (২৪), ডারাজ কর্মচারী (ছাত্র), এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাভার, ১৯ জুলাই।
১১৫. শাহজালাল (২৬), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

১১৬. পারভেজ (২৩), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১১৭. জুয়েল (২৫), আনসার, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, দৈনিক বাংলার মোড়, ১৯ জুলাই।
১১৮. ইফতি (১৬/১৪), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, অনাবিল হাসপাতালের সামনে, কাজলা, ১৯ জুলাই।
১১৯. অজ্ঞাত (৪১), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১২০. শাকিল (২২), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

১২১. অজ্ঞাত (৩০), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১২২. রাজিব (৩০), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১২৩. আল আমিন (১৮), ছাত্র, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কামারপাড়া, উত্তরা, ১৯ জুলাই।
১২৪. নাঈমা সুলতানা (১৫), ছাত্র, গুলিতে নিহত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, হোম, ১৯ জুলাই।
১২৫. নুরুল ইসলাম, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।

১২৬. জামাল মোল্লা, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১২৭. অজ্ঞাত, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ১৯ জুলাই।
১২৮. অজ্ঞাত, ক্রিসেন্ট হসপিটাল, ১৯ জুলাই।
১২৯. মো: সিয়াম (১৮), গুলিতে নিহত, ১৯ জুলাই।
১৩০. হৃদয় মীর (১৮), গুলিতে নিহত, ১৯ জুলাই।

১৩১. সুজন মিয়া (১৭), গুলিতে নিহত, ১৯ জুলাই।
১৩২. আমজাদ হোসেন (২২), গুলিতে নিহত, ১৯ জুলাই।
১৩৩. অজ্ঞাত, ১৯ জুলাই।
১৩৪. আসিফ ইকবাল (২৯), এক্স ছাত্র, মাগুরা, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
১৩৫. মোত্তাকিন বিল্লাহ (২৫), মাগুরা, ঢাকা, ১৯ জুলাই।

১৩৬. রাজু, মাগুরা, ১৯ জুলাই।
১৩৭. আতিকুল ইসলাম (৩২), গুলিতে নিহত, পটুয়াখালী, মিরপুর-১০, ১৯ জুলাই।
১৩৮. অজ্ঞাত (২০), মিটফোর্ড হসপিটাল, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
১৩৯. অজ্ঞাত (৪০), মিটফোর্ড হসপিটাল, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
১৪০. রোহান (২০), ছাত্র, এইচএসসি পরীক্ষার্থী, মিটফোর্ড হসপিটাল, ঢাকা, যাত্রাবাড়ী, ১৯ জুলাই।

১৪১. রাসেল, মিটফোর্ড হসপিটাল, ঢাকা, যাত্রাবাড়ী, ১৯ জুলাই।
১৪২. বাঁধন (১৯), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
১৪৩. মো: জুবায়ের (৪০), কুয়েত বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল, ১৯ জুলাই।
১৪৪. মো: রোমান (২৫), স্টাফ হসপিটাল, ল্যাবএইড, ১৯ জুলাই।
১৪৫, আসিকুল ইসলাম ইলিয়াস আসিক (১৫), মাদরাসা ছাত্র, গুলিতে নিহত, বনশ্রী হসপিটাল, বনশ্রী, ঢাকা, ১৯ জুলাই।

১৪৬. রোমান বেপারী (৩২), ট্রাক ড্রাইভার, গুলিতে নিহত, মাদারীপুর, চরমোগোরিয়া, সার্বিক পেট্রোল পাম্প, নতুন বাস স্টেশন, ১৯ জুলাই।
১৪৭. তৌহিদ সান্নামাত (২০), মাদরাসা ছাত্র, গুলিতে নিহত, মাদারীপুর, চরমোগোরিয়া, সার্বিক পেট্রোল পাম্প, নতুন বাস স্টেশন, ১৯ জুলাই।
১৪৮. মো: ইমরান খলিফা (৩৩), বেসরকারি স্কুল শিক্ষক, গুলিতে নিহত, খিলবাড়ী টেক, শাহজাদপুর, ঢাকা, ১৯ জুলাই।
১৪৯. আলমগীর শেখ (৩৫), ড্রাইভার, গুলিতে নিহত, বিটিভি সেন্টার, বিটিভি, ১৯ জুলাই।
১৫০. মনির (১৮), পেইন্টার, গুলিতে নিহত, বাঁশতলা, বাড্ডা, ১৯ জুলাই।

১৫১. হাসনাইন (২৫), ডিশলাইন কর্মচারী, গুলিতে নিহত, মোহাম্মদপুর, ১৯ জুলাই।
১৫২. সাফকাত সামির (১১), মাদরাসা ছাত্র, গুলিতে নিহত, কাফরুল, মিরপুর, ১৯ জুলাই।
১৫৩. এএসআই মোকতাদির (৪৮), ট্যুরিস্ট পুলিশ, গণপিটুনি, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া, রায়েরবাগ, যাত্রাবাড়ী, ২০ জুলাই।
১৫৪. নায়েক গিয়াসউদ্দিন (৫৮), ডিএমপি পুলিশ, গণপিটুনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ফুটওভারব্রিজের নিচে, রায়েরবাগ, ২০ জুলাই।
১৫৫. ইমাম হোসেন তাজিম (১৯), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া এবং যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।

১৫৬. জিসান (৩৩), পানি বিক্রেতা, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া এবং যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।
১৫৭. ইউনূস আলী শাওন (২৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া এবং যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।
১৫৮. ইউসুফ মিয়া ইলিয়াস সানোয়ার হোসেন (৩৫/৪০), চাল ব্যবসায়ী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া এবং যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।
১৫৯. হাবিব সরদার (৩০/৪০), সিএনজি ড্রাইভার, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া এবং যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।
১৬০. কামরুল মিয়া (২৭), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর, ২০ জুলাই।

১৬১. সোহেল (৩৫/২৩), মোবাইল দোকান কর্মচারী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কদমতলী, ২০ জুলাই।
১৬২. আরিফ (৩৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ, শনিরআখড়া, ২০ জুলাই।
১৬৩. অজ্ঞাত শিশু (১০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ, ২০ জুলাই।
১৬৪. আবদুল হান্নান, (৩৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাটারা, ঢাকা, ২০ জুলাই
১৬৫. শুভ (১৬), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাটারা, ধানমন্ডি, ঢাকা, ২০ জুলাই।

১৬৬. আবদুল্লাহ আল আবির (২৩), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাটারা, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৬৭. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, এস সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২০ জুলাই।
১৬৮. রাকিব (১৯), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, কলতাপাড়া, গৌরীপুর উপজেলা, ২০ জুলাই।
১৬৯. জুবায়ের (২১), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, কলতাপাড়া, গৌরীপুর উপজেলা, ২০ জুলাই।
১৭০. মো: বিপ্লব (১৮), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, কলতাপাড়া, গৌরীপুর উপজেলা, ২০ জুলাই।

১৭১. সাইফুল ইসলাম (৪২), কৃষক, গুলিতে নিহত, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, আমাকান্দা ব্রিজ, ফুলপুর ময়মনসিংহ, ২০ জুলাই।
১৭২. কোরবান আলী (৬০), পোলট্রি ব্যবসায়ী, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, সাভার, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৭৩. মেহেদী হাসান (২৪), রাজমিস্ত্রি, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, বাজার রোড, সাভার, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৭৪. শাদ মাহমুদ খান (১৪), মাদরাসা ছাত্র, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, সাভার, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৭৫. রনি (২৭), রিকশাচালক, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, সাভার বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা, ২০ জুলাই।

১৭৬. মো: রায়হান (১৮), গার্মেন্টশ্রমিক, গুলিতে নিহত, এস তাজউদ্দিন এএমসিএইচ, বোর্ডবাজার এরিয়া, চান্দনা চৌরাস্তা, ২০ জুলাই।
১৭৭. নুরুল আমিন (২১), ডেলি লেবার, গুলিতে নিহত, এস তাজউদ্দিন এএমসিএইচ, টেলিপাড়া এরিয়া জয়দেবপুর, বোর্ডবাজার, ২০ জুলাই।
১৭৮. টিপু সুলতান/ মো: টিপু/জহিরুল ইসলাম (২৭/৪৮) গণপিটুনি, শিবপুর হসপিটাল, কলেজ গেট, শিবপুর, নরসিংদী, ২০ জুলাই।
১৭৯. মোবারক আলী (১৩), গুলিতে নিহত, গ্রিনলাইফ হসপিটাল, পান্থপথ, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৮০. হাসান মিয়া (৪৫), ডেইলি লেবার, গুলিতে নিহত, মেহেরপাড়া, নরসিংদী, ২০ জুলাই।

১৮১. মো: মেহেদী (২০), ছাত্র, গুলিতে নিহত, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।
১৮২. মো: হৃদয় (২৮), গুলিতে নিহত, সুগন্ধা প্রাইভেট হসপিটাল, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।
১৮৩. মো: শাহীন/মানিক (২৩), হোটেল ম্যানেজার, গুলিতে নিহত, সুগন্ধা প্রাইভেট হসপিটাল, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।
১৮৪. মো: সজল (২২), গুলিতে নিহত, সুগন্ধা প্রাইভেট হসপিটাল, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।
১৮৫. মিনারুল ইসলাম (২৫), গার্মেন্টশ্রমিক, গুলিতে নিহত, ৩০০ সিট হসপিটাল, নারায়ণগঞ্জ, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।

১৮৬. রাজিব হোসেন (৩০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কদমতলী, ২০ জুলাই।
১৮৭. মায়া ইসলাম (৬০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ইন ফ্রন্ট অব হার হাউজ, রামপুরা, ২০ জুলাই্
১৮৮. আমজাদ হোসেন (২২/১৭), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ইটাখোলা হাইওয়ে থানা, ২০ জুলাই।
১৮৯. হৃদয় মীর (১৫), ছাত্র গ্যারেজ মিস্ত্রি, গুলিতে নিহত, ইটাখোলা হাইওয়ে থানা, ২০ জুলাই।
১৯০. সুজন মিয়া (১৭), ছাত্র/ভটভটি/ লেগুনা ড্রাইভার, গুলিতে নিহত, ইটাখোলা হাইওয়ে থানা, ২০ জুলাই।

১৯১. সিয়াম আহমেদ (১৯) ছাত্র, গুলিতে নিহত, ইটাখোলা হাইওয়ে থানা, ২০ জুলাই।
১৯২. অজ্ঞাত (মধ্যবয়সী), গুলিতে নিহত, ভেলানগর নরসিংদী, ২০ জুলাই।
১৯৩. আশিক মিয়া (১৫), গুলিতে নিহত, মাধবদী, নরসিংদী, ২০ জুলাই।
১৯৪. হুমায়ুন কবীর (২৫), গুলিতে নিহত, বোর্ড বাজার এরিয়া, গাজীপুর, ২০ জুলাই।
১৯৫. তনয় দাশ/তন্ময় দাশ (২৮), গুলিতে নিহত, বোর্ড বাজার এরিয়া, গাজীপুর, ২০ জুলাই।

১৯৬. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, কলতাপাড়া, গৌরীপুর উপজেলা, ময়মনসিংহ, ২০ জুলাই।
১৯৭. অজ্ঞাত (২৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল/এএমজেডএইচ, বাড্ডা, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৯৮. কামরুল মিয়া (২৭), ফার্নিচার কর্মচারী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল/এএমজেডএইচ, বাড্ডা, ঢাকা, ২০ জুলাই।
১৯৯. জাহাঙ্গীর (৪০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ২০ জুলাই।
২০০. রুবেল মিয়া (২০/৩০), গুলিতে নিহত, সুগন্ধা প্রাইভেট হসপিটাল, নেয়ার প্রীতম টাওয়ার, শিমরাইল সিদ্ধিরগঞ্জ, ২০ জুলাই।

২০১. অজ্ঞাত (২৭), গুলিতে নিহত, আজিমপুর, ঢাকা, ২০ জুলাই।
২০২. শাহরিয়ার (১৯/২৩), মাদরাসা ছাত্র, গুলিতে নিহত, শনিরআখড়া অ্যান্ড যাত্রাবাড়ী এরিয়া, ২০ জুলাই।
২০৩. অজ্ঞাত (২০), গুলিতে নিহত, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা, ২০ জুলাই।
২০৪. মো: শাকিল (২২), গার্মেন্টশ্রমিক, গুলিতে নিহত, বসিলা, মোহাম্মদপুর, ২০ জুলাই।
২০৫. অজ্ঞাত (৩০), গুলিতে নিহত, বসিলা, মোহাম্মদপুর, ২০ জুলাই।

২০৬. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, গুটিয়া ইন্টারন্যাশনাল হসপিটাল, টঙ্গী এরিয়া, গাজীপুর ২০ জুলাই।
২০৭. অজ্ঞাত, গুলিতে নিহত, গুটিয়া ইন্টারন্যাশনাল হসপিটাল, টঙ্গী এরিয়া, গাজীপুর ২০ জুলাই।
২০৮. অজ্ঞাত, ২০ জুলাই।
২০৯. অজ্ঞাত, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রাউ, বরিশাল, ২০ জুলাই।
২১০. সেলিম মন্ডল (২৯), রাজমিস্ত্রি, ব্রাশ ফায়ারে মৃত্যু, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হসপিটাল, হাজী ইব্রাহিম শপিং কমপ্লেক্স, ২০ জুলাই।

২১১. আবদুস সালাম (২২), রাজমিস্ত্রি ব্রাশ ফায়ারে মৃত্যু, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হসপিটাল, হাজী ইব্রাহিম শপিং কমপ্লেক্স, ২০ জুলাই।
২১২. সোহেল আহমেদ (৪২/২১) রাজমিস্ত্রি ব্রাশ ফায়ারে মৃত্যু, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হসপিটাল, হাজী ইব্রাহিম শপিং কমপ্লেক্স, ২০ জুলাই।
২১৩. আদিল আল মাহমুদ, কর্মচারী, গুলিতে নিহত, নেয়ার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ২০ জুলাই।
২১৪. মো: ইমরান (১৬), টেইলার, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাইনবোর্ড, ২১ জুলাই।
২১৫. আকাশ (১৬), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চিটাগাং রোড, ২১ জুলাই।

২১৬. অজ্ঞাত (৪০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, ২১ জুলাই।
২১৭. আমিন (১৬) ওয়ার্কশপ শ্রমিক, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কদমতলী গুলবান, ২১ জুলাই।
২১৮. জসিম (৪০), চা বিক্রেতা, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২১ জুলাই।
২১৯. রাকিব বেপারী (২০), গার্মেন্ট শ্রমিক, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, ২১ জুলাই।
২২০. ফয়েজ (৩০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।

২২১. মো: জাকির/ মো: জাহিদ (৩২), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, উত্তরা, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২২২. তৌফিকুল ইসলাম (৩০), ইঞ্জিনিয়ার, পেট্রোবাংলা, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাড্ডা, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২২৩. সোহাগ (২৪), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, গোপীবাগ রেল গেইট, ২১ জুলাই।
২২৪. মো: রাব্বী/আবদুল বারী (১৭), ছাত্র, টেইলার, গুলিতে নিহত, শেখেরচর মাজার বাসস্ট্যান্ড, ২১ জুলাই।
২২৫. মো: নাহিদ মিয়া (৩০), গুলিতে নিহত, গুলিতে নিহত, শেখেরচর মাজার বাসস্ট্যান্ড, ২১ জুলাই।

২২৬. আলী হোসেন (৪৫), টেইলার, গুলিতে নিহত, গুলিতে নিহত, শেখেরচর মাজার বাসস্ট্যান্ড, ২১ জুলাই।
২২৭. অজ্ঞাত (২৫), গুলিতে নিহত, নরসিংদী সদর হসপিটাল, শেখেরচর মাজার বাসস্ট্যান্ড, ২১ জুলাই।
২২৮. হুমায়ুন আহমেদ, গুলিতে নিহত, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ, গাজীপুর, ২১ জুলাই।
২২৯. প্রণয় দাস, গুলিতে নিহত, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ, গাজীপুর, ২১ জুলাই।
২৩০. অজ্ঞাত (২৫), গুলিতে নিহত, ৩০০ বেড হসপিটাল নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।

২৩১. আবদুল মজিব (২৮), কভার্ড ভ্যান ড্রাইভার, আগুনে দগ্ধ, চৌদ্দগ্রাম, হাজীগঞ্জ থানা, চাঁদপুর, ২১ জুলাই।
২৩২. নবী নূর (৪১), ফিশ ট্রেডার্স গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ, সাভার, ২১ জুলাই।
২৩৩. শফিকুল ইসলাম (২৫), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, দক্ষিণ পরিবাগ, ২১ জুলাই।
২৩৪. মাসুদ পারভেজ, পুলিশ, রাজারবাগ সেন্ট্রাল পুলিশ হসপিটাল, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২৩৫. মিলন মিয়া (৩০), ফিশ ট্রেডার্স, গুলিতে নিহত, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।

২৩৬. সুমাইয়া আকতার সুমী (২০), গুলিতে নিহত, গুলিতে নিহত, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।
২৩৭. সজীব মিয়া (১৭), গুলিতে নিহত, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।
২৩৮. আশিকুর রহমান (১৯), গুলিতে নিহত, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।
২৩৯. বাবুল (২৮), গুলিতে নিহত, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।
২৪০. মো: শরীফ, গুলিতে নিহত, সানারপার, নারায়ণগঞ্জ, ২১ জুলাই।

২৪১. আবদুল লতিফ (২৭), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২৪২. ইউসুফ আলী সোহান (১৬), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শনিরআখড়া, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২৪৩. মো: হান্নান (৩০), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাড্ডা, ঢাকা, ২১ জুলাই।
২৪৪. ফারুক (৪৫/২২), গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল হাসপাতাল সাভার, ২১ জুলাই।
২৪৫. রাসেল (২০), টেম্পু হেলপার, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, দনিয়া, ঢাকা, ২২ জুলাই।

২৪৬. আজিজুল মিয়া (২২), ইমপ্লয়ী, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২২ জুলাই।
২৪৭. সান্তু (২২), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বার্ন ইনস্টিটিউট, ২২ জুলাই।
২৪৮. সৈয়দ গোলাম মোস্তফা রাজু (৩৬), ইঞ্জিনিয়ার এমঅইসটিআরআই, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বার্ন ইনস্টিটিউট, ২২ জুলাই।
২৪৯. অজ্ঞাত (৩৫), গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বার্ন ইনস্টিটিউট, ২২ জুলাই।
২৫০. মনির হোসেন, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ২২ জুলাই।

২৫১. হৃদয় চন্দ্র তরুয়া, (২২), ছাত্র, সিইউ, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২৩ জুলাই।
২৫২. অজ্ঞাত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাভার, ২৩ জুলাই।
২৫৩. অজ্ঞাত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাভার, ২৩ জুলাই।
২৫৪. অজ্ঞাত, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২৩ জুলাই।
২৫৫. অজ্ঞাত, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ২৩ জুলাই।

২৫৬. শুভ শীষ (২৪), গার্মেন্ট কর্মী, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাভার, ২৩ জুলাই।
২৫৭. অজ্ঞাত (২২), মাথায় আঘাত, ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স, উত্তরা, ২৩ জুলাই।
২৫৮. শাহরিয়ার শুভ (২৮), গুলিতে নিহত, ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স, মিরপুর-১, ২৩ জুলাই।
২৫৯. নাসির হোসেন, গুলিতে নিহত, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, রায়েরবাগ, যাত্রাবাড়ী, ২৩ জুলাই।
২৬০. রিয়া গোপ (৬), ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাড়ির ছাদে গুলিবিদ্ধ, ২৪ জুলাই।

২৬১. শাহজাহান হৃদয় (২১), মাদ্রাসার ছাত্র, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, লেভেল ক্রসিং, এসকে টাওয়ার, মহাখালী, ২৪ জুলাই।
২৬২. সাজেদুর রহমান ওমর (২২), আইটি টেকনিশিয়ান, ডেমরা, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাইনবোর্ড এলাকা, কোনাপাড়া, ডেমরা, ২৪ জুলাই।
২৬৩. তুহিন আহমেদ (২৬), মাসন, গুলিতে নিহত, এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাভার, ২৪ জুলাই।
২৬৪. জাকির হোসেন (২৯), টেইলর, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ী, ২৫ জুলাই।
২৬৫. জামান মিয়া (১৭), শ্রমিক, গুলিতে নিহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ, ২৫ জুলাই।

২৬৬. সোহেল রানা (২০), গুলিতে নিহত, বিএসএমএমইউ, রামপুরা, ২৫ জুলাই।

©সোর্স সাদা এপ্রোন

22/04/2024

গাফির 40:36-48
(36) وَقَالَ فِرْعَوْنُ يٰهَامٰنُ ابْنِ لِيْ صَرْحًا لَّعَلِّيْۤ اَبْلُغُ الْاَسْبَابَ ۙ
(37) اَسْبَابَ السَّمٰوٰتِ فَاَطَّلِعَ اِلٰۤي اِلٰهِ مُوْسٰي وَاِنِّيْ لَاَظُنُّهٗ كَاذِبًا ؕ وَكَذٰلِكَ زُيِّنَ لِفِرْعَوْنَ سُوْٓءُ عَمَلِهٖ وَصُدَّ عَنِ السَّبِيْلِ ؕ وَمَا كَيْدُ فِرْعَوْنَ اِلَّا فِيْ تَبَابٍ
(38) وَقَالَ الَّذِيْۤ اٰمَنَ يٰقَوْمِ اتَّبِعُوْنِ اَهْدِكُمْ سَبِيْلَ الرَّشَادِ ۚ
(39) يٰقَوْمِ اِنَّمَا هٰذِهِ الْحَيٰوةُ الدُّنْيَا مَتَاعٌ ۫ وَّاِنَّ الْاٰخِرَةَ هِيَ دَارُ الْقَرَارِ
(40) مَنْ عَمِلَ سَيِّئَةً فَلَا يُجْزٰۤي اِلَّا مِثْلَهَا ۚ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِّنْ ذَكَرٍ اَوْ اُنْثٰي وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَاُولٰٓئِكَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ يُرْزَقُوْنَ فِيْهَا بِغَيْرِ حِسَابٍ
(41) وَيٰقَوْمِ مَا لِيْۤ اَدْعُوْكُمْ اِلَي النَّجٰوةِ وَتَدْعُوْنَنِيْۤ اِلَي النَّارِ ؕ
(42) تَدْعُوْنَنِيْ لِاَكْفُرَ بِاللّٰهِ وَاُشْرِكَ بِهٖ مَا لَيْسَ لِيْ بِهٖ عِلْمٌ ۫ وَّاَنَا اَدْعُوْكُمْ اِلَي الْعَزِيْزِ الْغَفَّارِ
(43) لَا جَرَمَ اَنَّمَا تَدْعُوْنَنِيْۤ اِلَيْهِ لَيْسَ لَهٗ دَعْوَةٌ فِي الدُّنْيَا وَلَا فِي الْاٰخِرَةِ وَاَنَّ مَرَدَّنَاۤ اِلَي اللّٰهِ وَاَنَّ الْمُسْرِفِيْنَ هُمْ اَصْحٰبُ النَّارِ
(44) فَسَتَذْكُرُوْنَ مَاۤ اَقُوْلُ لَكُمْ ؕ وَاُفَوِّضُ اَمْرِيْۤ اِلَي اللّٰهِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ بَصِيْرٌۢ بِالْعِبَادِ
(45) فَوَقٰىهُ اللّٰهُ سَيِّاٰتِ مَا مَكَرُوْا وَحَاقَ بِاٰلِ فِرْعَوْنَ سُوْٓءُ الْعَذَابِ ۚ
(46) اَلنَّارُ يُعْرَضُوْنَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَّعَشِيًّا ۚ وَيَوْمَ تَقُوْمُ السَّاعَةُ ۟ اَدْخِلُوْۤا اٰلَ فِرْعَوْنَ اَشَدَّ الْعَذَابِ
(47) وَاِذْ يَتَحَآجُّوْنَ فِي النَّارِ فَيَقُوْلُ الضُّعَفٰٓؤُا لِلَّذِيْنَ اسْتَكْبَرُوْۤا اِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًا فَهَلْ اَنْتُمْ مُّغْنُوْنَ عَنَّا نَصِيْبًا مِّنَ النَّارِ
(48) قَالَ الَّذِيْنَ اسْتَكْبَرُوْۤا اِنَّا كُلٌّ فِيْهَاۤ ۙ اِنَّ اللّٰهَ قَدْ حَكَمَ بَيْنَ الْعِبَادِ

Bangla - Muhiuddin Khan

(36) ফেরাউন বলল, হে হামান, তুমি আমার জন্যে একটি সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর, হয়তো আমি পৌঁছে যেতে পারব।
(37) আকাশের পথে, অতঃপর উঁকি মেরে দেখব মূসার আল্লাহকে। বস্তুতঃ আমি তো তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি। এভাবেই ফেরাউনের কাছে সুশোভিত করা হয়েছিল তার মন্দ কর্মকে এবং সোজা পথ থেকে তাকে বিরত রাখা হয়েছিল। ফেরাউনের চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ারই ছিল।
(38) মুমিন লোকটি বললঃ হে আমার কওম, তোমরা আমার অনুসরণ কর। আমি তোমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করব।
(39) হে আমার কওম, পার্থিব এ জীবন তো কেবল উপভোগের বস্তু, আর পরকাল হচ্ছে স্থায়ী বসবাসের গৃহ।
(40) যে মন্দ কর্ম করে, সে কেবল তার অনুরূপ প্রতিফল পাবে, আর যে, পুরুষ অথবা নারী মুমিন অবস্থায় সৎকর্ম করে তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তথায় তাদেরকে বে-হিসাব রিযিক দেয়া হবে।
(41) হে আমার কওম, ব্যাপার কি, আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই মুক্তির দিকে, আর তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও জাহান্নামের দিকে।
(42) তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও, যাতে আমি আল্লাহকে অস্বীকার করি এবং তাঁর সাথে শরীক করি এমন বস্তুকে, যার কোন প্রমাণ আমার কাছে নেই। আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল আল্লাহর দিকে।
(43) এতে সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে যার দিকে দাওয়াত দাও, হইকালে ও পরকালে তার কোন দাওয়াত নেই! আমাদের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে এবং সীমা লংঘকারীরাই জাহান্নামী।
(44) আমি তোমাদেরকে যা বলছি, তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয় বান্দারা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।
(45) অতঃপর আল্লাহ তাকে তাদের চক্রান্তের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন এবং ফেরাউন গোত্রকে শোচনীয় আযাব গ্রাস করল।
(46) সকালে ও সন্ধ্যায় তাদেরকে আগুনের সামনে পেশ করা হয় এবং যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন আদেশ করা হবে, ফেরাউন গোত্রকে কঠিনতর আযাবে দাখিল কর।
(47) যখন তারা জাহান্নামে পরস্পর বিতর্ক করবে, অতঃপর দূর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। তোমরা এখন জাহান্নামের আগুনের কিছু অংশ আমাদের থেকে নিবৃত করবে কি?
(48) অহংকারীরা বলবে, আমরা সবাই তো জাহান্নামে আছি। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ফয়সালা করে দিয়েছেন।

কুরআন অ্যাপ পেতে: https://gtaf.org/apps/quran

06/04/2024

আমরা বেশি ভাগই এটা বুঝতে চাইনা।তাই এতোটা দ্বন্দ্ব নিজেদের মধ্যে।

11/03/2024

#শিশু_বিশেষজ্ঞের_প্রকারভেদ

বড়দের ডাক্তারদের মত শিশুবিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরও ব্রাঞ্চ বা সাবস্পেশালিটি আছে। বড়দের যেমন মেডিসিন, সার্জারী, গাইনীর বাইরেও কার্ডিওলজি, হেপাটোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, বক্ষব্যাধি, নিউরোলজি ইত্যাদি ভাগ আছে, তেমনি শিশু চিকিৎসকদেরো শ্রেণীবিভাগ আছে।

আগে জেনে নেয়া যাক, শিশু কারা কিংবা কারা এই বিভিন্ন রকমের শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে দেখাবেন। এই বয়সসীমা নিয়ে মতভেদ আছে, বিভিন্ন আঙ্গিকে ও প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন বয়সসীমায় ভাগ করা হয়েছে। সার্বিকভাবে জন্ম হতে শুরু করে ১২-১৮ বছর পর্যন্ত শিশু। ১২ বছরের আগে কোনোক্রমেই শিশু বিশেষজ্ঞ ছাড়া দেখানো যাবেনা।

অনেককেই দেখা যায়, শিশুদের কিডনি সমস্যা, পেটের সমস্যা, লিভারের রোগ, ব্রেইনের রোগ, সার্জারী, হার্ট, জয়েন্ট বা বাতের সমস্যায় সেই বিষয়ের এডাল্ট বিশেষজ্ঞ দেখাচ্ছেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে চিকিৎসক রোগীকে তার যথাযোগ্য চিকিৎসকের কাছে রেফার করে দেয়ার কথা, কিন্তু অনেক সময়ই তা হয়ে ওঠেনা।

বড়দের অনেক রোগ শিশুদেরও হয়, তবে তার প্রকাশভঙ্গী, পরিক্রমা, জটিলতা, ডায়াগনস্টিক টেস্ট এবং চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন। আবার শিশুদের অনেক রোগ আছে, যা বড়দের হয়ই না, এর মাঝে উল্লেখযোগ্য হল জেনেটিক ডিজিজ এবং ইম্যুনোলজিকেল ডিজিজ।

আসুন দেখে নেয়া যাক, কি কি ধরনের শিশু বিশেষজ্ঞ আছেন।
১. জেনারেল পেডিয়াট্রিশিয়ান (এফসিপিএস বা এমডি বা ডিসিএইচ ডিগ্রিধারী)। উনারা সব ধরনের রোগীকে প্রাথমিকভাবে দেখতে পারবেন, চিকিৎসা করতে পারবেন, এবং ক্ষেত্রবিশেষে রেফার করবেন।
২. নিউনেটোলজিস্ট (এমডি বা এফসিপিএস ডিগ্রি)। উনারা জন্ম থেকে ২৮ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুদের যাবতীয় সমস্যা দেখেন। উনাদের ডিগ্রি এবং ট্রেইনিং ২৮ দিন বয়স পর্যন্ত ডিজাইন করা। বাস্তবে দেখা যায়, নবজাতক বয়সে যাকে দেখানো শুরু করেন, পুরো শিশুকাল তাকেই দেখানো হচ্ছে, যাতে আসলে বিশেষায়িত সেবা পাওয়া যাবেনা।
৩. পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজিস্ট (এমডি বা এফসিপিএস) শিশু কিডনি, মুত্রথলি, প্রস্রাব সংক্রান্ত রোগীদের দেখেন।
৪. পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (এমডি বা এফসিপিএস) উনারা শিশুদের পেট, খাদ্যনালী ও লিভারের যাবতীয় সমস্যা দেখবেন। যেমন জণ্ডিস, পেট ব্যাথা, বমি, পায়ুপথের সমস্যা ইত্যাদি।
৫. পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট (এমডি বা এফসিপিএস) নামেই বুঝা যাচ্ছে, ব্রেইন ও স্নায়বিক ডাক্তার। এছাড়া স্পিচ, বিকাশ ও মুভমেন্ট ডিজঅর্ডার উনাদের তত্ত্বাবধানে।
৬. পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট (এমডি, এফসিপিএস) শিশুদের হৃদরোগ দেখবেন। হার্টের ছিদ্র, বুকব্যাথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি।
৭. পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি এন্ড অনকোলজি (এমডি বা এফিসিপিএস?) শিশুদের রক্তরোগ এবং ক্যান্সারের চিকিৎসা করেন।
৮. শিশু সার্জন (এমএস বা এফসিপিএস) শিশুদের শল্য চিকিৎসা করেন। এখানে উল্লেখ্য শিশু সার্জারী বিশেষজ্ঞ আর শিশু বিশেষজ্ঞ সার্জন এই দুইটা কথার মাঝে আকাশ পাতাল ডিফারেন্স। কোনো কোনো শিশু সার্জনরা দ্বিতীয় কথাটা ব্যবহার করেন, যা ঘোরতর প্রতারণা।
৯. Child and adolescent psychiatrist (এমডি) শিশুদের মানসিক ও বিকাশজনিত সমস্যা দেখেন।

সরাসরি ডিগ্রী চালু না থাকলেও শিশু রিউম্যাটোলজি এবং শিশু এন্ডোক্রাইনোলজি উইং চালু আছে বিএসএমএমইউ তে। এছাড়া শিশু পালমোনলজিও আছে। আবার একবছরের ফেলোশিপ ট্রেইনিং এরও ব্যবস্থা আছে, যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাড়ানো যায়।

** অতি সংক্ষেপে বিষয়গুলো বললাম। বিস্তারিত আলোচনা করতে গেলে প্রতি বিষয়ে আলাদা একাধিক পোষ্ট দিতে হবে। আমার টাইমলাইনে খুজলে একাধিক শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক পোষ্ট পাবেন।

কারো কারো একাধিক ডিগ্রি থাকে। সেক্ষেত্রে তিনি তদনুযায়ী রোগী দেখবেন। তবে শুধুমাত্র সাবস্পেশালিটি তে এমডি করা চিকিৎসকগণ তার প্রেস্ক্রিপশনে বা প্রচারে শুধুমাত্র তার বিষয়েরই উল্লেখ করবেন। ঢালাওভাবে শিশু বিশেষজ্ঞ লিখবেন না। এই কথাটা এডাল্ট বিশেষজ্ঞের বেলায়ও সমভাবে প্রযোজ্য। যেমন কেউ কিডনি বা হৃদরোগ বিষয়ে ডিগ্রীধারী হলে সেটাই উল্লেখ করবেন, সাথে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা শিশু বিশেষজ্ঞ লিখবেন না।

আপনি যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ডাক্তার না পান, তবে একজন জেনারেল পেডিয়াট্রিশিয়ান দেখাবেন। তিনি প্রয়োজন হলে তদনুযায়ী রেফার করবেন বা তিনি নিজেই চিকিৎসা করবেন। সবসময় আপনার পক্ষে সাবিস্পেশালিস্ট নির্ধারণ করাও সম্ভব না।

শেষ কথা, বিশেষজ্ঞ চিনার আগে ডাক্তার চিনুন। জেলা, উপজেলা, মফস্বলের কথা বাদ দিলাম, খোদ রাজধানীর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানেও ভুয়া চিকিৎসক পাওয়া গেছে। এরা মিশে আছে সবখানে, এদের সনাক্ত করুন আগে।

সহজ উপায়, বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার মিলিয়ে নেয়া। নিয়মমাফিক এটা প্রেস্ক্রিপশনে বা কার্ডে উল্লেখ থাকার কথা, তবে কেউ জানতে চাইলে অবশ্যই বলতে হবে। বিএমডিসি কিন্তু মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট বা সাকমোদেরও রেজিষ্ট্রেশন দেয়। আবার, বিএমডিসির নকল হিসাবে বিসিএমডিসিও ভুয়া ডাক্তার উৎপাদন করে। একটু চক্ষু মেলিয়া দেখিতে হইবে। সন্দেহ হলেই আপনার এলাকার স্বাস্থ্য প্রশাসনে অভিযোগ করুন।

ধন্যবাদান্তে
ডাঃ খন্দকার মোবাশ্বের আহমেদ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (শিশু)
এমডি (শিশু গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি)
সহকারী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি এন্ড নিউট্রিশন)

বি:দ্র ১: আপনারা চাইলে এই লেখাটি কপি করে পোষ্ট করতে পারেন।

বিঃদ্র২: সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে পুরোপুরি লিখলে পোষ্ট আরও লম্বা হয়ে যাবে৷ আমি শুধু ইংগিত দেয়ার চেষ্টা করেছি। তথ্যে ভুল থাকলে সঠিক তথ্য দিয়ে কৃতার্থ করবেন।💓💓

10/03/2024

আসস্তাগফিরুল্লাহ!
মেধা শূন্য হিকমাহ শূন্য ইলম শূন্য এক জাহেলে মুক্কাব জাতি পেয়েছি।
আল্লাহ এদের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন। এরা ইসলাম কে এমন ভাবেই উপস্থাপন করে যাতে কেউ ইসলামের প্রতি কোনই আগ্রহ না থাকে।
#কথা_সত্য_মতলব_খারাপ।

01/09/2023
03/11/2022

#শিশুদের_শিক্ষা_ভাবনা

শিক্ষক হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা......পড়াও যায় পড়ানো ও যায় । সবচেয়ে বড় যেটা করা যায় তা হলো স্বপ্ন আঁকা যায়। আমার কাছে সবচেয়ে বড় যে ব‍্যাপার মনে হয় তাহলো ছাত্রদের পড়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা।যে পড়াটা কঠিন তিতো তা শিক্ষক প্রচন্ড ধৈর্যের সাথে সুন্দর উপস্থাপনা দিয়ে এমন তৈরি করবে যেন আগ্রহ ভরে গল্প শুনছে।

পড়াশুনার প্রতি ভীতি সৃষ্টি না করে , এমন স্বপ্ন এঁকে দিতে হবে যা তাকে পড়ালেখায় আগ্রহী করবে। পড়াশুনা জ্ঞান অর্জনের জন্য, শুধু A+ পাওয়ার জন‍্য নয়। কিন্তু জ্ঞান অর্জনকে মুখ্য রেখে শিক্ষা অর্জন করলে জ্ঞান অর্জন ও হবে আবার এ প্লাস ও অর্জিত হবে ।

বর্তমানে প্রশ্ন আউট, কোর্স কারিকুলাম সহ নানা কারণে প্রচলিত স্কুল গুলোতে পড়ানোর কোন যুক্তি পাইনা, কারণ ধর্ম নৈতিকতা র শিক্ষা সেখানে গৌন। আমি মনে করি অন্তত মানুষের জীবনে ধর্ম শিক্ষা না থাকলে তার সাথে চতুষ্পদ জন্তুর কোন পার্থিক্য থাকে না । সৃষ্টিকর্তার ভয়ই মানুষকে যাবতীয় অন্যায়ও পাপ থেকে বাঁচিয়ে রাখে মানুষের রচিত আইন অপরাধপ্রবণতা থেকে মানুষকে রক্ষা করে না।
তার চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত আমাদের প্রতিটি অফিস আদালতে উচ্চশিক্ষিতরা সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।

অন্যদিকে প্রচলিত মাদ্রাসা গুলোর অবস্থা ও অথৈবচ , একদিকে হুজুরদের পশুর মত বাচ্চাদের মারার প্রবনতা অন‍্যদিকে কারিকুলামের সমস‍্যার জন‍্য (কিছু ব‍্যতিক্রম বাদে) আরবী সহ কোন বিষয়েই দক্ষতা দেখা যায় না।
আমরা মুসলিমরা ওহীর জ্ঞানে আলোকিত ছিলাম।আজ আমরা দুষ্টু চক্রে আবদ্ধ। জ্ঞান কম ফলে গোঁড়ামি বেশি, ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে দলাদলি বেশি এবং তা জ্ঞান অর্জনের পথেই অন্তরায়।

এদেশে কত পার্সেন্ট খ্রিষ্টান আছে? কিন্তু নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো তাদেরই তৈরি,আমরা পারিনি এমন প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে যেখান থেকে আদর্শ মানুষ তৈরি হয়ে তাদের দুনিয়া আখেরাত সিকিউর করবে।
খ্রিষ্টানরাও বুঝে সহশিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন হয় না কিন্তু ওদেরই দাস সেক‍্যুলার মুসলিম বুঝতে পারেনা।

যাহা স্কুল আরবিতে তাহাই মাদ্রাসা কিন্তু আমাদের দেশে মাদ্রাসা বলতে ভিন্ন কিছু । আসলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল এবং মাদ্রাসার ভিন্ন ভিন্ন নামে হবে কেন? প্রতিষ্ঠান থাকবে একটাই সেখানে ডিপার্টমেন্ট ভাগ করা থাকবে এবং প্লে নার্সারি থেকে একটা নির্দিষ্ট ক্লাস পর্যন্ত সবারই বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা থাকবে।

প্রজম্মের সবচেয়ে মেধাবীরা কুরআন মুখস্থ করে শুধু তারাবী পড়ানোর পর্যন্ত শেষ, দ্বীনের কোন মৌলিক চিন্তা গবেষণা, আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে কিভাবে ওহী জ্ঞান দুনিয়া আখেরাত উভয়টাই কাজে লাগবে, কিভাবে সমাজ বদলানো যাবে মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ বৃদ্ধি করা যাবে, তা না করে তাদের দ্বারাই দ্বীন ভঙ্গ ও বিদাতের লালন বেশী হচ্ছে।

ভাড়াটে লোক দিয়ে তো আর সন্তানের দ্বীন শিক্ষা হয় না । বাচ্চাদের আদর্শ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাবা-মা ব‍্যক্তিগত ভাবে আল্লাহর হুকুম-আহকাম যথাযথভাবে পালন করে তাদের দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে । দ্বীন কেন পালন করতে হবে যৌক্তিক ভাবে তা বুঝাতে হবে। শিশুরা চোখ দিয়ে শুনে এবং দেখে শিখে বেশি। আদেশ ফলো করার চেয়ে চোখে যেটা দেখে, সেটি তারা আয়ত্ত করে বেশি।

রাষ্ট্র-সমাজ, গণমাধ্যম এক উম্মুক্ত প্রতিযোগিতায় লিপ্ত আপনার, আপনার আদরের সন্তানের দ্বীন হরণের জন্য। তাদের যাবতীয় কুটকৌশল সম্পর্কে জানতে হলে, কুরআন বুঝতেই হবে। আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনার এই সন্তান আল্লাহ সুবহানাতায়ালার একটি আমানত ।আপনি যত বড়ই ক্ষমতাবান হন না কেন মনে রাখবেন, একদিন মৃত্যুবরণ করতে হবে এবং মহান রবের মুখোমুখি হয়ে সেই আমানত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন ।সেদিনের উত্তর প্রস্তুত করে রাখুন
আপনি যেই পেশাজীবীই হোন না কেন, ঈমান বাঁচাতে আরবী শিখুন নিজে ও আপনার সন্তানকে।

সবাই প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলো র সীমাবদ্ধতা বুঝে হাহাকার করে কিন্তু মান সম্মত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয় না তবে আসার কথা বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে তবে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

আমাদের দামি দামি টাইলস ও আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত অনেক মসজিদ আছে প্রত্যেকে এলাকাভিত্তিক কিন্তু প্রত্যেক এলাকাভিত্তিক ভালো মানের গর্ব করার মতো ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড উত্তীর্ণ এমন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। তাই প্রত্যেকেই সম্মলিত ভাবে নিজ নিজ এলাকায় ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসুন।

এমন প্রতিষ্ঠান তৈরি ও লালনে ভুমিকা রাখুন যা নাস্তিক স‍্যেকুলার ও তৈরি করবে না আবার কানা মুন্সিও তৈরী করবে না।
জ্ঞান এসেছে মুসলিমের হাত ধরে, কিন্তু সেই ওহীর জ্ঞানের প্রকৃত অনুধাবন প্রয়োগ, পদ্ধতি আজ ও আমাদের অধরা যেন থেকে না যায় সে প্রচেষ্টা করি ।
মহান আল্লাহ যেন আমাদের জন‍্য সহজ করে দেয় এবং আমাদের সামর্থ বাড়িয়ে দেন আমার আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে এই নিবেদন..........

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka

Opening Hours

09:00 - 17:00