Md Fazle Elahi

Md Fazle Elahi

Share

দূর্ভেদ্য ফিজিক্স, ঝাঁঝালো কেমিস্ট্রি, মজাদার ম্যাথ আর তিক্ত বায়োলজির সমস্বত্ব মিশ্রণে আমার জ্যামিতি।

05/05/2026

🛑কিডনি রোগ: আগেভাগে শনাক্ত করাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি।

‎আমাদের শরীরের কিডনি শুধু প্রস্রাব তৈরি করে না—এটি রক্ত পরিশোধন, শরীরের পানি-লবণের ভারসাম্য রক্ষা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই কিডনি রোগকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

‎দুঃখজনকভাবে, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) অনেক সময় নীরবে বাড়তে থাকে।
‎রোগী বুঝে ওঠার আগেই রোগ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে। অথচ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে রোগের অগ্রগতি ৩০–৫০% পর্যন্ত ধীর করা সম্ভব।


‎🌍 কেন কিডনি স্বাস্থ্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

‎🔹 বিশ্বে প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত
‎🔹 ২০৪০ সালের মধ্যে CKD হতে পারে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ
‎🔹 কিডনি রোগের শুরুর দিক থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
‎🔹 কিডনি ভালো রাখা মানে ভবিষ্যতের হার্ট, রক্তনালী ও মেটাবলিক জটিলতাও কমানো


‎🚨 কারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন?

‎বিশেষভাবে কিডনি পরীক্ষা করা উচিত যাদের আছে—

‎🔸 ডায়াবেটিস
‎🔸 উচ্চ রক্তচাপ
‎🔸 স্থূলতা
‎🔸 হৃদরোগ
‎🔸 পূর্বের AKI/কিডনির আকস্মিক সমস্যা

‎এ ছাড়া ঝুঁকি আরও বাড়ে যদি থাকে—
‎🔹 বয়স ৬০ বছরের বেশি
‎🔹 পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস
‎🔹 বারবার ইউরিন ইনফেকশন বা কিডনিতে পাথর
‎🔹 প্রস্রাবে রক্ত
‎🔹 কিছু জেনেটিক/অটোইমিউন/সিস্টেমিক রোগ
‎🔹 দীর্ঘদিন কিছু ক্ষতিকর ওষুধ বা টক্সিনের সংস্পর্শ


‎🌍কিডনি পরীক্ষা বলতে কী কী জরুরি?

‎কিডনির অবস্থা বোঝার জন্য সাধারণত ২টি জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ—

‎✅ Urine Albumin / uACR
‎✅ eGFR (রক্তের ক্রিয়েটিনিনের ভিত্তিতে কিডনির কার্যক্ষমতা বোঝা যায়)

‎📌 শুধু “ক্রিয়েটিনিন নরমাল” হলেই নিশ্চিন্ত হওয়া যাবে না।
‎প্রস্রাবে অ্যালবুমিন/প্রোটিন আছে কি না, সেটাও দেখা জরুরি।


‎⚠️ কখন CKD সন্দেহ করবেন?

‎যদি পাওয়া যায়—

‎🔹 uACR ≥ 30 mg/g
‎🔹 eGFR < 60 mL/min/1.73m²
‎🔹 অথবা কিডনি ড্যামেজের অন্য কোনো লক্ষণ

‎তাহলে ৩ মাস পর আবার পরীক্ষা করা জরুরি।
‎কারণ দুইবার অস্বাভাবিক ফল থাকলে তবেই CKD নিশ্চিতভাবে নির্ণয়ের দিকে যাওয়া হয়।


‎কিডনি রোগ মানেই শুধু “ক্রিয়েটিনিন একটু বেশি” নয়। রোগী মূল্যায়নের সময় অবশ্যই ভাবতে হবে—

‎🔸 রোগের কারণ কী?
‎🔸 স্টেজ কত?
‎🔸 অ্যালবুমিনুরিয়ার মাত্রা কত?
‎🔸 প্রগ্রেশন রিস্ক কেমন?
‎🔸 কার্ডিওভাসকুলার রিস্ক আছে কি না?

‎সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে—
‎🟠 ডায়াবেটিস
‎🟠 হাইপারটেনশন
‎🟠 স্থূলতা
‎🟠 ড্রাগ/টক্সিনজনিত কিডনি ক্ষতি
‎🟠 ইউরোলজিক সমস্যা
‎🟠 গ্লোমেরুলার, অটোইমিউন বা জেনেটিক রোগ


‎📍 কখন নেফ্রোলজিস্টের কাছে রেফার করবেন?

‎নিম্নোক্ত অবস্থায় দ্রুত রেফার করা উচিত—

‎🔴 eGFR < 30
‎🔴 অকারণে দ্রুত eGFR কমে যাওয়া
‎🔴 কারণ অস্পষ্ট CKD
‎🔴 উল্লেখযোগ্য অ্যালবুমিনুরিয়া/প্রোটিনুরিয়া
‎🔴 মাইক্রোস্কোপিক হেমাচুরিয়া
‎🔴 রেজিস্ট্যান্ট হাইপারটেনশন
‎🔴 বারবার কিডনিতে পাথর
‎🔴 সন্দেহজনক বিরল/জেনেটিক কিডনি রোগ
‎🔴 গর্ভাবস্থায় CKD
‎🔴 হাইপারক্যালেমিয়া বা CKD complications


‎🌏 সাধারণ মানুষের জন্য করণীয়:-

‎♦️ ডায়াবেটিস বা প্রেসার থাকলে নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করুন
‎ ♦️শুধু রক্তের রিপোর্ট নয়, প্রস্রাবের পরীক্ষাও করুন
‎♦️ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ খাবেন না
‎ ♦️রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
‎♦️পর্যাপ্ত পানি পান করুন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, নিয়মিত হাঁটুন/ব্যায়াম করুন


‎🌟 শেষ কথা

‎কিডনি রোগ যত আগে ধরা পড়বে, তত ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
‎প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসক, সচেতন রোগী, এবং সময়মতো সঠিক পরীক্ষা—এই তিনটির সমন্বয়ই পারে অনেক জটিলতা, ডায়ালাইসিসের ঝুঁকি এবং অকাল মৃত্যু কমাতে।

‎কিডনির যত্ন নিন, হৃদয়কেও সুরক্ষিত রাখুন।

05/07/2025

বর্তমানে একটি বড় সমস্যা স্কেবিস তাই এটি নিয়ে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। আসুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানি
লক্ষণ (যেভাবে চিনবো):

রাতে চুলকানি বেশি হয়

হাতের আঙুলের ফাঁকে, কনুই, কোমর, পেট, নিতম্বে র‍্যাশ বা লাল দানা

চুলকাতে চুলকাতে ঘা হয়ে যেতে পারে

একই ঘরে একাধিক সদস্য একসাথে আক্রান্ত হয়

স্কেবিস কী?
স্কেবিস একটি চর্মরোগ, যা এক ধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী পোকা (mite) দ্বারা হয়। এরা ত্বকের নিচে গর্ত করে বসবাস করে ও ডিম পাড়ে, ফলে হয় প্রচণ্ড চুলকানি।

কীভাবে প্রতিকার পাবে:

চিকিৎসকের পরামর্শে স্কেবিসের ক্রিম (যেমন পারমেথ্রিন) ব্যবহার করো

রাতের বেলা সারা শরীরে (গলায় ও মুখ বাদে) লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলো

একই ঘরের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে, না হলে বারবার ফিরে আসবে

ব্যবহৃত জামাকাপড়, বিছানা, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাও

বাঁচার উপায় (প্রতিরোধ):

নিজের ও পরিবারের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখো

এক বিছানা বা জামাকাপড় অন্যের সাথে ভাগ করে পরা এড়িয়ে চলো

আক্রান্ত ব্যক্তি আলাদা তোয়ালে ও চাদর ব্যবহার করুক

চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ শারীরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা ভালো

মনে রাখবেন:
স্কেবিস কোনো লজ্জার রোগ নয়, এটা ছোঁয়াচে!
তাই সচেতন হলে, সবাই মিলে একসাথে চিকিৎসা নিলে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।

02/03/2025

রমজানের রোজা শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুশীলন নয়, বরং এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপকারিতাও। আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা দেহের বিপাকীয় (Metabolic) কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, শরীরকে ডিটক্সিফাই করে এবং মানসিক সুস্থতাও বৃদ্ধি করে।

১. অটোফ্যাগি: কোষের পরিশোধন প্রক্রিয়া
রোজা রাখার সময় দীর্ঘ সময় খাবার না খাওয়ার ফলে শরীর একটি বিশেষ প্রক্রিয়া শুরু করে, যাকে অটোফ্যাগি (Autophagy) বলা হয়। ২০১৬ সালে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওসুমি প্রমাণ করেছেন যে, অটোফ্যাগি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর পুরনো ও ক্ষতিগ্রস্ত কোষীয় উপাদান ভেঙে ফেলে এবং নতুন কোষ তৈরির পথ তৈরি করে। এটি ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

২. বিপাক হার ও ওজন নিয়ন্ত্রণ:
রোজা রাখলে শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা (Insulin Sensitivity) বাড়ে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। দীর্ঘসময় না খাওয়ার ফলে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় এবং দেহ সংরক্ষিত চর্বি (Stored Fat) ভাঙতে শুরু করে। ফলে ওজন কমে এবং মেটাবলিজম রেট উন্নত হয়।

৩. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি:
রোজা রাখার সময় ব্রেইন-ডেরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (BDNF) নামক একটি প্রোটিনের নিঃসরণ বাড়ে, যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে, এটি স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে মানসিক চাপ হ্রাস করে এবং ডোপামিন ও সেরোটোনিন বৃদ্ধির মাধ্যমে মনকে প্রশান্ত করে।

৪. হৃদরোগ প্রতিরোধ
রোজা রক্তচাপ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা LDL (ক্ষতিকর কোলেস্টেরল) কমিয়ে HDL (উপকারী কোলেস্টেরল) বাড়ায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৫. পরিপাকতন্ত্রের বিশ্রাম:
সাধারণত আমরা সারাদিন খাওয়ার ফলে পরিপাকতন্ত্র (Digestive System) অবিরাম কাজ করে। কিন্তু রোজা রাখার ফলে এটি একটি স্বাভাবিক বিশ্রাম পায়, যা অ্যাসিডিটি ও হজমজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

৬. প্রদাহ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
রোজা রাখার ফলে প্রদাহজনিত প্রোটিন (Inflammatory Proteins) কমে যায়, যা আর্থ্রাইটিস, আলঝেইমারস, এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া, রোজার সময় শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cells) পুনর্জন্ম লাভ করে, ফলে ইমিউন সিস্টেম আরও শক্তিশালী হয়।

সর্বশেষ রোজা আল্লাহর সন্তুষ্ঠির জন্য। আল্লাহ আমাদের জন্য যা কিছু নির্ধারণ করেছেন সবটুকুই তার বান্দার উপকারের জন্য। তার কথা না শুনলে শাস্তিরও ব্যবস্থা রয়েছে। যেমনটা একজন উত্তম অভিভাবক করে থাকেন। শুধু তার চাওয়া যে, আমরা সবকিছুতেই যেন তার প্রসংশা করি। (আলহামদুলিল্লাহ)।

Photos from Md Fazle Elahi 's post 28/02/2025

Dental Admission Test-2025
Chemistry Question Solve

27/02/2025

My two students Ahnaf and Azmain get chance in RUET.
Result was published yesterday.
Ahnaf-391th
Azmain-528th

25/02/2025

Green Chemistry

24/01/2025

AFMC Admission Test Question Solve--2025

১. STP তে নাইট্রোজেনের আরএমএস বেগ?-491m/s
২.কোন বিজ্ঞানী দ্বিপদ নামকরণ করেন? -- ক্যরোলাস লিনিয়াস
৩.হার্ট অ্যাটাকের জন্য কোন ফ্যাক্টর দায়ী?-factor-viii
৪. ডি - লাইমিং হিসেবে ব্যাবহৃত হয় কোনটি?-NH4Cl
৫.অ্যান্টিবডি তৈরী করে কোনটি?-- লিম্ফোসাইট
৬.কত বছর বয়সে শিশুর মস্তিষ্কের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত তৈরি হয়?- ৫ বছরের মধ্যে
৭.ডিম্বাণু তৈরী হয় কোন প্রক্রিয়ায়? - উওজেনেসিস
৮.সংবেদি অঙ্গসমুহ তৈরী করে কোন ভ্রূণস্তর?- এপিডার্ম
৯.হৃদপিন্ডের সংকোচন বৃদ্ধি করে কোন হরমোন?-এপিনেফ্রিন (Epinephrine) এবং নরএপিনেফ্রিন (Norepinephrine)
১১.শালদুধ কোন প্রতিরক্ষার উদাহরণ?- কৃত্রিম সক্রিয়
১২.সাইকেলের টায়ার ফেটে গেলে কোন লেখচিত্র পাওয়া যায়?-- রূদ্ধতাপীয়
১৩.শৈবাল নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করাকে কি বলে?- ফাইকোলজি
১৪.Similar word of embezzle? Misappropriate/Steal/Swindle
১৫. উদ্ভিদ এর সাইটোপ্লাজম এ সবচেয়ে বড় অঙ্গানু কোনটি?- প্লাষ্টিড
১৬.কোন অ্যামাইনো এসিডে দুটি কাইরাল কার্বন পাওয়া যায়? - থ্রিওনিন (Threonine)
১৭.ফুসফুসে ধমনিতে কার্বন ডাই অক্সাইড এর চাপ কত?- ৪৫ mm Hg
১৮.I am glad___your success-- at your
১৯. ব্লাক ফুট ডিজিজ হয় কোন মৌলের কারণে?- As
২০. সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু কোনটি?-Fr
২১.কোন কণার প্রতি কণা নেই?- মেসন,ফোটন
২২. মায়ের দুধে কোন Ig থাকে?-IgA
২৩. ইউনুসের থ্রি জিরো তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?- শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, শূন্য কার্বন নিঃসরণ"
২৪. আবু সাইদ কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন?- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫. বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে কে বিমান বাহিনীর সদস্য ছিলেন?- মতিউর রহমান।
২৬. অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট।
২৭ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?- ২০২৫ এর ২ জানুয়ারি/ ১৯৭২ এর ২৪ মে
২৮. BIRDEM এর প্রতিষ্ঠাতা কে?- ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
২৯. হিরোশিমা নগরীতে নিক্ষিপ্ত পারোমানবিক বোমার নাম কী?-লিটল বয়
৩০. ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংক কতসালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে?- ২০০৬
৩১. মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত দুইজন নারী কে কে?- ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
৩২. পাটের তৈরি ব্যাগ কে আবিষ্কার করেন?-মোবারক আহমদ খান
৩৩. একজন ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি হলে মঙ্গলে গেলে তার ওজন কত হবে?-26.6
৩৪.1জুল=কত ক্যালরি?—0.24
৩৬. রক্তের pH নিয়ন্ত্রনে কোন এনজাইমের ভূমিকা নেই?- Aldosterone
৩৭. ভলিউম রিসেপ্টর কই থাকে?- হৃৎপিণ্ড এবং বৃক্কে।
৩৮. Misappropriate এর বিপরীত?- appropriate
৩৯. ADH জনিত রোগ কোনটি?- ডায়বেটিস
৪০. বৃত্তাকার পথে ঘূর্ণায়মান বস্তুর ত্বরণ কোনদিকে ক্রিয়া করে?-কেন্দ্রের দিকে
৪১.কঠিন বস্তুকে ভিজাতে তরল আর কঠিন বস্তুর মধ্যবর্তী কোণ কত হতে হবে?অবলোহিত>অতিবেগুনি
৪৩.ক্যালোমেল কোনটি?- Hg2Cl2
৪৪.কৃত্রিম উপগ্রহ কোন বায়ুমন্ডলে অবস্থান করে?-এক্সোস্ফিয়ার
৪৫. শক্তিশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস কোনটি?- CO2
৪৬. কতো মিলিলিটার রক্ত বৃক্কে পরিশোধিত হয়?-180 litre
৪৭. লোহিত রক্ত কনিকা কোথায় ধংস হয়?- liver এ
৪৮. বিটা গ্লাইকোসাইডিক বন্ড পাওয়া যায় কোনটিতে?- সেলুলোজে।
৪৯.পাকস্থলীতে কোনটি বিপাকের এনজাইম নেই?- কার্বোহাইড্রেট+ লিপিড
৫০.নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন আসক্তি কত?-০
৫১. ব্যারোমিটার কে আবিষ্কার করেন?- ইভাঞ্জেলিস্তা তোরিচেলি (Evangelista Torricelli)। তিনি ১৬৪৩ সালে ব্যারোমিটার উদ্ভাবন করেন।
৫২. ধমিনীতে PO2 এর চাপ কতো?- 75–100 mmHg-
৫৩. সিসাময়েড অস্থি কোনটি?- প্যাটেলা
৫৪. রক্ত সব থেকে বেশি নষ্ট হয় কোথায়?- যকৃত
৫৫. পিত্তরস কোথায় তৈরি হয়?- যকৃত
৫৬. ক্যালসিটোনিন কোথায় তৈরি হয়?- থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland)-এর বিশেষ ধরনের কোষ, যা প্যারাফলিকুলার কোষ (Parafollicular cells) বা সি-কোষ (C-cells) নামে পরিচিত
৫৭. কে প্রথম ক্রসিং ওভার দেখেন?- মরগান
৫৮. কোন গ্যাস সব থেকে বেশি থাকে গ্রিন হাউস গ্যাসে?- CFC
৫৯. অসম্পূর্ণ দহনে কি উৎপন্ন হয়?- CO
৬০. হপম্যান ক্ষুদ্রাংশকরণ বিক্রিয়ায় কি উৎপন্ন হয়?- 1° অ্যামিন
৬১. উইলিয়ামসন বিক্রিয়া কোনটি?- ইথার তৈরী হবে
৬২. পড়ন্ত বস্তুর গতি কয় মাত্রিক?- দুই মাত্রিক (2D)
৬৩. Take one to task– To reprimand
৬৪.ডোপামিন ও সোমাটোস্ট্যাটিন কোন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়?- হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus)

বাকিগুলো সংগ্রহের চেষ্টা করছি।

20/01/2025

শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল: উপকারিতা ও সতর্কতা।

উপকারিতা:-

১.রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি:
ঠান্ডা পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে, যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

২.ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে:
ঠান্ডা পানি ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় করে, ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৩.মনকে প্রশান্তি দেয়:
ঠান্ডা পানির স্পর্শ মানসিক চাপ কমিয়ে শরীর ও মনকে রিফ্রেশ করে।

৪.ক্যালরি বার্ন:
ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীর তাপ ধরে রাখতে বেশি ক্যালরি খরচ করে।

৫.মাংসপেশি ও ব্যথা কমানো:
এক্সারসাইজের পর ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে পেশির ব্যথা কমে।

★ক্ষতিকর দিক
১.ঠান্ডা লেগে যাওয়া:
দীর্ঘ সময় ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে ঠান্ডাজনিত সমস্যা হতে পারে।

২.হার্টের জন্য ঝুঁকি:
হঠাৎ ঠান্ডা পানি শরীরের ওপর ফেললে হার্টের ধাক্কা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য।

৩.ত্বকের শুষ্কতা:
বেশি ঠান্ডা পানি ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে।

৪.সাইনাসের সমস্যা:
ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে সাইনাসের সমস্যা বাড়তে পারে।

★সতর্কতা:
বেশি ঠান্ডা লাগলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন।
প্রথমে শরীর ধীরে ধীরে ঠান্ডা পানির সাথে অভ্যস্ত করুন।
শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল এড়িয়ে চলা উচিত।

Photos from Md Fazle Elahi 's post 17/01/2025

হ্যালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার্থীরা,
এ বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার রসায়ন অংশের সলিউশন এখানে দেওয়া হলো।

এবার বলো, তোমার পরীক্ষা কেমন হলো???

16/01/2025

My Student Ahnaf (ex-DRMCian) gets chance in KUET.
He obtains 1347th position in merit list.
Lots of dua and best wishes for him.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka