করোনা যুদ্ধে অবতীর্ণ দেশের মাত্র ৩.৭% চিকিৎসক
দুর্যোগের এই সময়ে সেবা দিতে আগ্রহী নয় অনেকেই।
যমুনা টিভি ১৮.০৫.২০
Dr Md Hafizul Islam
Medical knowledge specially the clinical will be discussed in this page.
যে লেখা আরও আগে লিখতে চেয়েছিলাম (Copied)
------------------------------------------------------------
বিশ্বে করোনার আগমন ঘটেছে ৪ মাসের বেশী। চলছে গবেষনার পর গবেষনা। এ পর্যন্ত বহু চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে করোনা আক্রান্ত রোগীর উপরে। কেউ সফলতা দাবী করছে, আবার কেউ যুক্তি দিয়ে এর বিরোধিতা করছেন। আর আমরা বাংলাদেশীরা সফলতাদাবীকারীদের পাল্লা যেখানে ভারী, সেখানেই আগ্রহ নিয়ে ঝুঁকে যাচ্ছি। প্রয়োগ করার আহবান জানাচ্ছি সেইসব চিকিৎসাপদ্ধতি। এর কারন হচ্ছে গবেষনা করে যাচাই করার সক্ষমতা আমাদের নেই, গবেষনার দিকে ঝোঁক কখনই আমাদের ছিলনা।
খুব অবাক হয়েছি যেদিন জানলাম frontline physicians দের জন্য interim guideline এ Prophylaxis হিসেবে Hydroxychloroquine কে নির্বাচন করা হয়। Selective toxicity টার্মটি বার বার poke করছিল সেদিন আমাকে। ভাইরাস host cell এর machinery ব্যবহার করে replicate করে বলে antiviral drug তৈরি করা কঠিন। আর নির্দিষ্ট ভাইরাসের জন্য নির্দিষ্ট Chemoprophylactic antiviral recommend করা হয়। তাহলে HCQ কেন? একটা invitro study তে দেখা গেছে HCQ নাকি Lysosome ও endosome এর acidity কমিয়ে দেয়, ফলে endosome থেকে SARS COV 2 এর uncoating হয়না। ভাবনার বিষয় হচ্ছে যেহেতু HCQ, SARS COV 2 এর জন্য selective না, তাই phagocytic cells এর lysosome এর ও acidity কমে যাবে। ফলশ্রুতিতে phagocytic activity ও কমে যাওয়ার কথা। innate immunity এর গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশকে compromise করে শুধুমাত্র in vitro test এর উপর ভরসা করে নেয়া সিদ্ধান্তটি কতটা সঠিক হয়েছে জানিনা।
এরপর আসি AZT এ। কিভাবে এটি চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে মনোনীত হয়েছে, আমার বোধগম্য নয়। তবে এতে করে আমরা যে Antimicrobial drug resistance তৈরিতে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবো এতে কোন সন্দেহ নাই।
Scabies এর জন্য নির্ধারিত drug ivermectin প্রয়োগে সফলতার কথা শুনেই রোগীদের উপর প্রয়োগ করার কথা জেনেছি। পরে দেখলাম এটাও invitro study. Monkey kidney cell এ ভাইরাস grow করিয়ে তার উপর ivermectin প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে।
এবার আসি antiviral drug এ। ভাইরাস যেহেতু host cell ছাড়া replicate করতে পারেনা, তাই host cell কে ক্ষতিগ্রস্ত না করে antiviral drug গুলো replication এর যেকোন step যাতে block করতে পারে সেভাবে design করা হয়। যেমন Favipiravir ও Remdesivir দুটি ড্রাগই SARS COV 2 এর RNA polymerase কে inhibit করে। সমস্যা হচ্ছে বেশিরভাগ RNA ভাইরাস highly mutating।RNA polymerase এর প্রুফ রিডিং ক্ষমতা না থাকায় খুব দ্রুত অনেক বেশী strain তৈরি হতে পারে। RNA ভাইরাসের সবচেয়ে বেশী মিউটেটিং পার্ট হচ্ছে RNA polymerase। ফলে শুধুমাত্র RNA polymarase inhibitor দিলে drug resistance হতে পারে। শুধু তাই নয় strain এর সাথে compatible না হলে drug এর activity ও কম হবে। খেয়াল করে দেখবেন DNA ভাইরাস, যেমন HBV তে single drug দিলেও RNA ভাইরাস যেমন HCV বা HIV তে দুই বা ততোধিক antiviral drug দেয়া হয়। যদি Favipiravir কাজই করতো তাহলে influenza তে কেন ব্যবহার করা হলোনা?
SARS COV 2 এর মিউটেশন স্টাডি করে দেখা গেছে, ইউরোপিয়ান, এশিয়ান ও আমেরিকান এই তিনটি স্ট্রেইন সম্পূর্ন আলাদা। বাংলাদেশে সবকটি স্ট্রেইনই circulate করার কথা। শুধু তাই নয় recombination এর মাধ্যমে নতুন স্ট্রেইন তৈরি হওয়াটাও বিচিত্র নয়। ফলে একজন মানুষের একাধিকবার আক্রান্ত হওয়ার আশংকাকে উড়িয়ে দেয়া যাবেনা। আরেকটা বিষয়, সিকুএন্সিং এর মাধ্যমে Specific স্ট্রেইন না জেনে শুধুমাত্র অন্য দেশের গবেষনার উপর ভিত্তি করে প্লাজমা থেরাপী বা ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা ও ঠিক হবেনা।
তাই করোনা মোকাবেলায় দ্রুত সনাক্ত ও সিম্পটোমেটিক চিকিৎসা ছাড়া আপাতত কোন পথ খোলা নেই।
সর্বোপরি, আমরা যে গবেষনায় কতটা পিছিয়ে আছি তা এই বৈশ্বিক মহামারী চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো।
ডা. নুসরাত সুলতানা
সহকারী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
যারা কাজ করে তারা সবসময় প্রচার চায় এমনটা নয়। বাংলাদেশে সবথেকে এগিয়ে থাকা সেক্টরগুলোর মধ্যে ঔষধ সেক্টর একটি। এখানে লাখ লাখ লোক কাজ করে। এ মুহুর্তে পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই যেখানে এ দেশের ঔষধ গুনগত মানে টিকতে পারবেনা। এখান অসম্ভব মেধাবী, পরিশ্রমী লোকজন কাজ করে, পৃথিবীর সব লেটেস্ট টেকনোলজি তারা ব্যবহার করে। ঈগদের চোখে তারা মাকেটিং করে। যেখানেই সম্ভাবনা যেখানেই তারা ছুটে চলে।
বছর কয়েক আগে দেশী একটি কোম্পানি Gancyclovir নামে যে antiviral ঔষধ আছে সেটি যেদিন আমেরিকার বাজারে আসে সেদিন ই আমাদের বাজারে নিয়ে আসে। এর সুফল সেদিন থেকে এদেশের মানুষ পেয়ে যাচ্ছে।
করোনা নিয়ে প্রথম থেকেই লেটেস্ট খবরাখবর রাখছিলাম। সারা দেশে যখন তোতা পাখিকে সেখানো হচ্ছিল এ রোগের কোন চিকিৎসা নেই, কোন ভ্যাক্সিন নেই তখন ইতালি আর আমেরিকার দিকে নজর রাখছিলাম। তারা কি করছে? রোগীদের মেরে ফেলছে নাকি কোন ঔষধ প্রয়োগ করছে?
জানছিলাম প্রতি দিন নুতন নুতন ঔষধের প্রয়োগ সেখানে চলছে। একজন মৃত্যু পথযাত্রী রোগিকে পৃথিবীর সব ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করা যায়। যদি ফিরে আসে শুধু এ কথাটা মাথায় রেখে সবকিছু করা যায় আমাদের ডাক্তারী বিদ্যা আমাদের এ অধিকার দিয়েছে আগে তাকে জানে বাচাও পরে ভাবো অন্য কি হতে পারে।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ইউএনডিপি র এক আলোচনা সভায় অংশ নেই। সেদিন BSMMU এর মেডিসিন এর এক প্রতিনিধি, সে আবার জাতীয় কমিটর চিকিৎসার গাইড লাইন তৈরি করারও প্রতিনিধি। তাকে HCQ. Prophylaxes এর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম উওর নিজেরা যা ভালো মনে করে তাই করবেন অথচ তার আগেরদিন রাতে এটা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে জাতীয় গাইডলাইনে। তাকে রেমডিসিভির এর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম, ভাব দেখে মনে হলো সে এতো উচু মানে কোভিট সংক্রান্ত ব্যাপারে খবরাখবর রাখেনা।
মনে মনে ভাবছিলাম, আমাদের পয়সা ওয়ালা লোজগুলো আজ সিংগাপুর বা থাইল্যান্ড গেলে এগুলো পেতো, লাখ লাখ ডলার পে করতো। আমাদের ইউনাইটেড তো এমন উদ্দোগ নিতে পারতো কিন্তু তা এদেশে হয়না।
একমাস পর যেদিন শুনলাম রেমডিসিভির
সরকারী যে হটলাইন আছে, তাতে হাজার হাজার ডাক্তার দিনরাত বিনা পারিশ্রমিকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে, কোভিট সেবা।
কোনদিন কি ভেবেছিলাম মানুষ ডাক্তারদের অন্য চোখে দেখবে,সন্তানদের বলবে ডাক্তারের বাসায় যেওনা, ডাক্তারের বাচ্চার সাথে খেলোনা করনা হবে!
বিচিএ সব আইন কানুন আর হাজারো কুটকৌশল সেসবের প্রয়োগের। যে কয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ নিয়মিত বেতন ভাতা দেয় তাদের মধ্যে উওয়া উইমেনস একটা। সারা পৃথিবীতে চলছে করোনা মহামারি আর এ সময় তারা বেতন না দিয়ে কারো কারো বেসিক আর অন্যদের তারও থেকে কম প্রদান করেছে এ মাসে। ভাবতে অবাক লাগে কবরে এক পা দেওয়া ও বয়সের ভারে নুইয়ে পড়া একজন সিনিয়র চিকিৎসক মালিক এখনো এসব অনিয়ম করে যাচ্ছেন। এ বছর ছাএী ভওির সময় রেকর্ড পরিমান ডোনেশন তারা পেরেছে তাহলে এ অনিয়ম করে অন্য সবাইকে কেন উসলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এদেশে বেসরকারি চাকুরী জীবির সংখ্যা এখন নেহায়েত কম না। মোটামুটি সবাই লকডাউনের কারনে বাসায় ছিলো। জানামতে কেউ তাদের রুটি রুজিতে তেমন ভাবে হাত দেয়নি কিন্তু নিজেদের জীবনকে মারাত্মক ঝুকির মধ্যে ফেলে যে ডাক্তার রা হাসপাতালে গেলে দায়িত্ব পালন করলো তাদের বেতন ভাতা সীমিত করা হলো।
28/04/2020
জাতিসংঘ: করোনা মোকাবেলায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ
মহামারি করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবেলায় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। নাগরিকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষার দিক বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিস্ট নেটওয়ার্ক নামের অর্থনীতিবিদদের একটি সংগঠন। সেখানে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সাতটি ক্ষেত্র বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।
যে সাতটি ক্ষেত্র বা সূচক বিবেচনায় নেয়া হয়েছে সেগুলো হলো-
=) স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর পদক্ষেপ।
=) অসুস্থতাকালীন ছুটির সময় পর্যাপ্ত ভাতা ও সুবিধা।
=) চাকরিচ্যুতি ঠেকানো এবং বেকার মানুষকে সহায়তা দেয়া।
=) বয়স্ক, বেঁচে ফেরা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা চালু করা।
=) নাগরিকদের আয়-সহায়তা বাড়ানো।
=) পরিবারকে সেবা দেয়ার জন্য ছুটি বা অন্য সুবিধার নীতি।
=) কর এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারি এই ভাইরাসটির মোকাবেলায় সবচেয়ে বেশি পদক্ষেপ নিয়েছে ফিলিপাইন, ইরান ও থাইল্যান্ড। তারা মোটামুটি সবগুলো ব্যবস্থাই নিয়েছে। এরপরই রয়েছে চীন, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। তারা মোট ছয় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। আর জাপান, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ভারত এই দেশগুলো পাঁচ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
এ ছাড়া শ্রীলঙ্কা চারটি এবং নেপাল ও পাকিস্তান তিনটি করে পদক্ষেপ নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ায় ইতোমধ্যে ভিয়েতনাম ভাইরাসটির মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে। তবে সেখানে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। আর মিয়ানমারও বাংলাদেশের মতোই কম পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে এই দুটি দেশে তৈরি পোশাকের বেশিরভাগ কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ শ্রমশক্তির জোগান দিচ্ছে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশগুলো। এর মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা শক্তিশালী থাকায় করোনা মোকাবেলার সামর্থ্য চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার অপেক্ষাকৃত বেশি। তবে মাথাপিছু আয় তুলনামূলক কম থাকায় বাংলাদেশ, নেপাল ও অন্য রাষ্ট্রগুলোর সামর্থ্য কিছুটা কম।
False Negative result এবং মৃত্যু ভাবতে হবে কিন্তঃ
সিটি ব্যাংকের টপ অফিশিয়াল'স মুজতবা শাহরিয়ার গতকাল মারা গেলেন।
গত কয়েকদিন ধরে High fever এ ভুগছিলেন।উনার বোন ও বোন জামাই ও চিকিৎসক।
দুইবার করোনা ভাইরাসের টেস্ট করিয়েছেন।রিপোর্ট নেগেটিভ আসছিলো।
ধারণা করা হয়েছিলো জ্বরের কারণ ইউরিন ইনফেকশন।
গত পরশু শারীরিক অবস্থা খারাপ লাগলে নিজেই কোভিড ডেডিকেটেড মুগদা হাসপাতালে যান।সেখানে উনার অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসকরা ভর্তি করিয়ে নিন।
রাতে স্ত্রীর সাথে ফোনেও কথা বলেছিলেন।
তারপর অবস্থার অবনতি।আইসিইউ তে নেওয়া হয়।এবং গতকাল মারা যান।TBS নিউজ স্ত্রীর বরাত দিয়ে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর পর আবার স্যাম্পল নেয় এবং সেটা পজেটিভ আসে।
দেশ একজন মেধাবী ব্যাংক কর্মকর্তা হারালো।একমাত্র মেয়ে তার বটগাছ হারালো
স্ত্রী প্রিয়তম স্বামী হারালেন।দাফন করা হলো তালতলা করবস্থানে।পরিবারের কেউ এক নজর দেখার সুযোগ ও পেলেন না ।
যার চলে যায় সেই বুঝে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রনা।
তারমানে RT PCR এর আগের দুইটি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিলো।মৃত্যুর পর পজেটিভ রিপোর্ট আসলো।এটাকে বলা হয় False Negativeরিপোর্ট নেগেটিভ কিন্ত রুগী পজেটিভ।।এই ফলস নেগেটিভ রিপোর্ট Lead To false sense of security
কোন ডায়াগনস্টিক টেস্ট ই শতভাগ একিউরেট নয়।RT PCR এ ৩০% রেজাল্ট False negative আসতে পারে।
Sensitivity of RT PCR Days after symptoms onset
1-7 days 67%
8-14 days 54%
15-39 days 45%
দেখা যাচ্ছে দিন যত বাড়ে সেন্সিটিভিটি তত কমে।পক্ষান্তরে Total antibody টেস্ট দিন যত বাড়ে সেন্সিটিভিটি তত বাড়ে যা সেকেন্ড উইকে ৯০% এবং থার্ড ইউকে ১০০% স্যাম্পল কালেকশন যথাযথ না হলে,প্রসেস যথাযথ না হলে, কিট ও মেশিন এর গুনগত মান উচ্চ না হলে এমন False negative এর সংখ্যা বাড়ে।
একজন লোক রিপোর্টে নেগেটিভ।তিনি নিশ্চিত হয়ে ঘুরে বেড়াবেন, কাজ করবেন,মিশবেন মানুষের সাথে কিন্ত তিনি পজেটিভ আদতে। তাহলে ভয়াবহতা কেমন হতে পারে অনুমেয় নয় কি?
কেন পরপর দুইটা টেস্ট নেগেটিভ আসলো।একটা ধরে নিলাম আসতে পারে।তারপর মৃত্যুর পর পজেটিভ আসা।ভাবতে হবে গভীরে।আমাদের কোথায় ভুল হচ্ছেনা তো।।?
যথাযথ নিয়ম ও প্রক্রিয়া মানছি তো টেস্টে আমরা।?কিট গুলো ভালো তো আমাদের।?
তিন মিলিয়ন মানুষ সারা দুনিয়ায় আক্রান্ত।দুই লাখ ৬ হাজার ৫৪২ জন মারা গেছেন।
আমাদের দেশে রুগীর সংখ্যা ৫৯১৩ জন।মারা গেছেন ১৫২ জন।কোভিড সিম্পটম নিয়ে সারাদেশে মারা গেছেন অনেকেই যাদের টেস্ট হয়নি বলে নিশ্চিত কোভিড বলা যাচ্ছে না।
টেস্ট
টেস্ট
টেস্ট
খুব বেশি দরকার টেস্ট বাড়ানো।।বেশি টেস্ট বেশি রুগী নির্ণয়।কোভিড ১৯ এর চিকিৎসায় এখনো কোন প্রমাণিত মেডিসিন নেই।ভ্যাক্সিন কবে আসবে?
আসবে। দেরী আছে অনেক।।আগামী মাসেই তো আর আসবে না।Hard immunity এত দ্রুত আসবেনা। ৬০-৭০% মানুষ আক্রান্ত হলে আসবে।
কবে থামবে এই মহামারী?জানা নেই।।
সুতরাং ঘরে থাকুন যত বেশি পারা যায়।।অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি কমান। Social distancing মেনে চলুন।হাত ধুয়া ও মাস্ক পরতে থাকুন।
অসুস্থ হলে বাসায় আইসোলেশানে থাকুন।আতংকিত নয়,সচেতন হউন।।
চারপাশে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।
16/04/2020
দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার টেস্ট সবচেয়ে কম বাংলাদেশে, মৃত্যু বেশি ।
16/04/2020
তার বয়স 9 বছর। করোনায় আক্রান্ত, হুম সে পজেটিভ (Covid - 19) পিতা-মাতা পরিবার পরিজনদের ছেড়ে সে চলছে মৃত্যুকে জয় করতে।
আদৌ কি সে পারবে জয়ী হতে? কারণ এই যুদ্ধ তার একার। তার সাথে থাকবে না তার পিতা-মাতাও। যাদের ছেড়ে শিশুটির ঘুম আসে না, তাদের ছেড়ে কি করে সে পারবে , এই মরণ রোগ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে?
সত্যিই খুব দুঃখজনক। এমন রোগ যা কাছের মানুষকে আগে থেকেই দূরে সরিয়ে দেয়।
12/04/2020
এরোসলের মাধ্যমে কখোনা করোনা জীবানু ছড়ায় না। আমরা বাসায় যেসব এরোসল ব্যবহার করি মশা মাছি তাড়াতে তার মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর কোন সম্ভবনা নেই।
করোনা ছড়ায় হাচি কাশির মাধ্যমে। তখন এক ধরনের Droplet বের হয় যা ৫ মাইক্রোনের থেকে সাইজে বড়ো।
আর কতগুলো আছে যারা ৫ মাইক্রোন থেকে ছোট। এগুলো নেবুলাইজ বা venilator এর সময় ছড়ায় বাসা বাড়িতে নয়।
12/04/2020
খবরে প্রকাশ আমাজানের গভীর বনে করোনা আক্রান্ত একজনের জীবননাশ।
এ ভাইরাস অন্য দের থেকে একেবারে আলাদা। তার চাল চলন কথা বাতা সব অন্যরকম, একেবারে অন্যরকম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1230