Please, Share this...
হাসেমী রিসার্চ একাডেমি HRA
ভুল নয়, সঠিক সত্যকে জানার ও জানানোর প্?
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এঁর ৯৯ টি পবিত্র নাম মোবারক..
পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী'র শুভেচ্ছা
28/01/2017
প্রিয় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এঁর মোবারক হাদীস।
28/01/2017
প্রিয় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এঁর মোবারক হাদীস।
26/01/2017
সুদুর অতীতে মীলাদুন্নবী صلى لله عليه وسلم এর বর্ননা
প্রখ্যাত সীরাতের কিতাব আল-মাওয়াহিবু লাদুন্নিয়া যা বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাকার ইমাম কাস্তালানী (৯২৩হিঃ) প্রায় ৫০০ বছর আগে লিখেছিলেন তাতে মীলাদুন্নবীর ইতিহাস এভাবে লিখা আছে যা মীলাদুন্নবী صلى لله عليه وسلم সমর্থক বিজ্ঞ মোহাক্কেক ওলামায়ে কেরাম এবং ফকিহগন নিজ নিজ গ্রন্থে দলীলস্বরুপ আল্লামা কাস্তুলানী (র) এর এর এই দুর্লভ প্রমানাদি লিপিবদ্ধ করেছেন। তাতে উল্লেখ আছে-
“সমগ্র মুসলিম উম্মাহ সুদূর অতীতকাল থেকে নবী করীম صلى لله عليه وسلم এর পবিত্র বেলাদত উপলক্ষে মাসব্যপী সর্বদা মিলাদ মাহফিল করতেন। যিয়াফত প্রস্তুত করে তারা লোকদের খাওয়াতেন। মাসব্যপী দিনগুলোতে তারা বিভিন্ন রকম সদকা খয়রাত করতেন এবং শরীয়তসম্মত আনন্দ উৎসব করতেন। উত্তম কাজ প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি করতেন। তারা পূর্ণ মাস শান শকতের সাথে বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠান করতেন- যার বরকতে বরাবরই তাদের উপর আল্লাহর অপার অনুগ্রহ প্রকাশ পেত। মিলাদ মাহফিলের বৈশিষ্ট্য সমুহের মধ্যে একটি পরিক্ষিত বিষয় যে, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানের বরকতে আল্লাহর পক্ষ হতে নিরাপত্তা কায়েম থাকে এবং তড়িৎগতিতে উহা মনোবাঞ্ছা পূরনের শুভ সংবাদ বহন করে নিয়ে আসে। অতএব যিনি বা যারা মি।লাদুন্নবী মাসের প্রতটি রাত্রকে ঈদের রাত্রে পরিনত করে রাখবে – তাদের উপর আল্লাহর খাস রহমত বর্ষিত হবে।
প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পর দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।
তিন পার্বত্য জেলা বাদে বাকি ৬১ জেলায় এ নির্বাচন হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ৮৩৬টি ভোট কেন্দ্রে প্রথমবারের মত জেলা পরিষদ নির্বচন।
সবাইকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের মোবারকবাদ। ঈদে মীলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।
-------- হাসেমী রিসার্চ একাডেমি
মহররম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
________________________________
নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া
আম্মা লাল তেরী খুন কিয়া খুনিয়া,
কাঁদে কোন ক্রন্দসী কারবালা
ফোরাতে?
সে কাদনে আসু আনে সিমারের ও
ছোরাতে।
রূদ্ধ মাতাম ওঠে দুনিয়া দামেস্কে –
জয়নালে পরালো এ খুনিয়ারা বেশ কে ?
হায় হায় হোসেনা ওঠে রোল ঝন্ঝায়,
তলোয়ার কেপে ওঠে এজিদের পান্জায়
উন্মদ দুল দুল ছুটে ফেরে মদিনায়
আলী জাদা হোসেনের দেখা হেথা যদি
পায়।
মা ফাতিমা আসমানে কাদি খুলি কেশপাশ
বেটাদের লাশ নিয়ে বধুদের শ্বতবাস
রণে যায় কাশিম ঐ দু’ঘড়ির নওশা
মেহেদির রং টুকু মুছে গেল সহসা –
হায় হায় কাদে বায় পূরবী ও দক্ষিনা
কন্কন পৌচী খুলে ফেল সকিনা
কাঁদে কেরে কোলে করে
কাশেমের কাটা শীর
খান খান খুন হয়ে ক্ষরে বুক ফাটা নীর
কেঁদে গেছে থামি হেথা মৃত্য ও রুদ্ধ
বিশ্বের ব্যাথা যেন বালিকা এ ক্ষুদ্র
গড়া গড়ি দিয়ে কাঁদে কচি মেয়ে ফাতিমা
আম্মাগো পানি দেও ফেটে গেল ছাতিমা
নিয়ে তৃষ্ষা সাহারার দুনিয়ার হাহাকার
কারবালা প্রান্তরে কাঁদে বাছা আহা কার
দুই হাত কাটা তবু শের নর আব্বাস
পানি আনে মুখে হাকে “দুশমন ও সাব্বাস” ।
দ্রিম দ্রিম বাজে ঘন দুন্দভী দামামা
হাকে বীর “শীর দেগা নেহী দেগা
আমামা”
কলিজা কাবাব সম ভূনে মরু রোদ্দুর
খাঁ খাঁ করে কারবালা নাই পানি খজ্জুর
মার স্তনে দুধ নাই বাচ্চারা তড়পায়
জিভ চুষে কচি জান থাকে কিরে ধড়টায়
দাও দাও জ্বলে শিরে কারবালা ভাষ্কর
কাঁদে বানু পানি দেও মরে যাদু আসগর
পেলনাতো পানি শিশু পিয়ে গেল কাঁচা খুন
ডাকে মাতা পানি দেব ফিরে আয় বাছা শোন
–
পুত্র হীনা আর বিধবার কাঁদনে
ছিড়ে আনে মর্মের বত্রিশ বাধনে
তাম্বুতে সজ্জায় কাদে একা জয়নাল
দাদা তেরী ঘর কিয়া বরবদ পয়মল
হায়দারী হাক হাকে দুল দুল আসওয়ার
শমশের চমকায় দুশমুনে ত্রাসবার
খসে পড়ে হাত হতে শত্রুর তরবার
ভাষে চোখে কেয়ামতে আল্রার দরবার।
নিঃশ্বেষ দুশমুন ওকে রণশ্রান্ত
ফোরাতের নীরে নেমে মুছে আখি
প্রান্ত।
কোথা বাবা আসগর শোকে বুক ঝাঝরা
পানি দেখে হোসেনের ফেটে যায়
পাজরা
ধুকে মলো আহা তবু পানি এক কাতরা
দেয়নিরে বাছাদের মুখে কম জাতরা
অন্জলী হতে পানি পড়ে গেল ঝর ঝর
লূটে ভূমে মহাবাহু খন্জর জর্জর।
হলকুমে হানে তেগ ওকে বসে ছাতিতে
আফতাব ছেয়ে গেল নীল আধীয়ার
রাতিতে
আসমান ভরে গেল গোধুলীতে
দুপুরে
লাল নীল খুন ঝরে ফুরাতের উপরে
বেটাদের লহুরাঙ্গা পীরহান হাতে আহা
আশরের পায়া ধরে কাদে মাতা ফাতেমা
এয় খোদা বদলাতে বেটাদের রক্তের
মার্জনা কর গোনা পাপী কম বখতের
কত মহরম এল গেল চলে গেল বহু কাল
ভুলিনি গো আজো সেই শহীদের
লহুলাল
মুসলিম তোরা আজ জয়নাল আবেদীন
ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা কেদে তাই
যাবে দিন
ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা
ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাহিনা।
উষ্ষীষ কোরআনের হাতে তেগ
আরবীর
দুনিয়াতে নত নয় মুসলিম কারো শীর।
তবে শোন ঐ শোন বাজে কোথা দামামা
শমশের হাতে নাও বাধ বুকে আমামা
বেজেছে নাকাড়া হাকে নাকিবের তুর্য
হুশিয়ার ইসলাম ডুবে তব সুর্য্য
জাগো ওঠো মুসলিম হাকো হায়দারী হাক
শহীদের দিলে সব লালে লাল হয়ে যাক।
নওশার সাজ নাও খুন খচা অস্তিন
ময়দানে লুটাতেরে লাশ এই খাস দিন
হাসানের মত পিব পিয়ালা সে জহরের
হোসেনের মত নিব বুকে ছুরি কহরের
আসগর সম দেব বাচ্চাদের কুরবান
জালিমের দাদ নেব দেব আজ গোর জান
সখিনার শ্বেত বাস দেব মাতা কন্যায়
কাশিমের মত দেব জান রূধি অন্যায়
মহরম কারবালা কাদো হায় হোসেনা
দেখ মরূ সুর্য্য এ খুন যেন শোষেনা
সরদার, রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম এর কলিজার টুকরা
সাইয়্যুদুশ শোহাদা ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর কারবালার মায়দানে নিজের
স্বচক্ষু মোবারক দ্বারা একে একে সব শাহাদাত্ এর দৃশ্য দেখার
পর পরিশেষে তিনি যখন একা দাড়িয়ে ছিলেন তার জবান মোবারক
থেকে বের হওয়া কথার অংশের কিছু অনুবাদ :
"কেন আমাকে হত্যা করতে চাও?
আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি?"
এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল। পুনরায় ইমাম
হোসাইন (রাঃ) বললেন, "
আমাকে হত্যা করলে আল্লাহর কাছে কি জবাব দেবে?
কি জবাব দেবে আমার নানাজান রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া
সাল্লাম এর কাছে বিচার দিবসে?"
এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে। আবার ইমাম
হোসাইন (রাঃ) বললেন,
'হাল্ মিন্ নাস্রিন ইয়ানসুরুনা?"
'আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই?'
তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক। ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম
হোসাইন(রাঃ) শেষ আহ্ববান।
"আলাম্ তাস্মাও? আলাইসা ফিকুম্ মুসলিমু?" 'আমার কথা কি শুনতে পাও
না?
তোমাদের মাঝে কি একজনও মুসলমান নেই? !!!!!!!
আল্লাহু আকবার-" ইসলাম জিন্দা হোতাহে হার কারবালাকে বাদ"
ইসলাম সেই কারবালা থেকে ২টি ভাগে ভাগ হল:-
১) হুসাইনী ইসলাম (যারা ইসলামের হক আকিদাকে টিকিয়ে রাখতে
শহীদ হলেন।)
২) ইয়াজিদি ইসলাম (ইসলামের নাম ব্যবহার করে যারা ক্ষমতার জন্য
সব ধরনের নিকৃষ্ট কাজ করতে পারে)
সকলকে পবিত্র হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1217