University Grants Commission of Bangladesh

University Grants Commission of Bangladesh

Share

The University Grants Commission (UGC) of Bangladesh is the statutory apex body in the field of high

26/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 18/05/2026

উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউজিসি’র

বিমসটেক ও ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চশিক্ষায় অংশীদারিত্ব জোরদারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

সোমবার (১৮ মে) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নেটওয়ার্কিং বিষয়ে এক যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।


ইউজিসি সদস্য ও চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত সুহাদা ওথমান, মালেশিয়ার হায়ার এডুকেশন লিডারশিপ একাডেমির পরিচালক ড. হারশিতা আইনি হারুন, ইউজিসি সচিব ড. ফখরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিন, ইএমজিএসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নভি তাজউদ্দীন বক্তব্য দেন।

প্রফেসর আনোয়ার হোসেন বলেন, গবেষণায় যৌথ সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি সহায়তা, উচ্চশিক্ষা–সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দু’দেশ একসাথে কাজ করতে পারে।


বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং, পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের চাকরির উপযোগী করে গড়ে তোলা, গবেষণা নীতিমালা তৈরি করা, শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে তিনি মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

প্রফেসর সাইদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশীদার। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ার মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে উপকৃত হয়েছে এবং দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সভা নয়; এটি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থবহ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম। মালয়েশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রায় ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতি দুই দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গঠনমূলক সংলাপ, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অন্বেষণ এবং ভবিষ্যৎ যৌথ উদ্যোগের বাস্তবসম্মত পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক অংশীদারিত্ব জোরদারে এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে।

রাষ্ট্রদূত সুহাদা ওথমান বলেন, বর্তমানে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। এটি মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানসম্পন্ন শিক্ষা, তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয় এবং নিরাপদ ও বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশের কারণে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার অন্যতম পছন্দের গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা কেবল ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি, দেশগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলা এবং টেকসই সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। বাংলাদেশের বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দেশটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বারোপ দুই দেশের উচ্চশিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং একাডেমিক এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করে বলেন, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ উভয় দেশের তরুণ প্রজন্মই এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আর সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য শিক্ষা হচ্ছে সর্বোত্তম বিনিয়োগ।

তিনি বলেন, মালেশিয়ার বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ১১ হাজার ৪০১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। সংখ্যার বিচারে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান তৃতীয়। এর মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন।

ইএমজিএসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নভি তাজউদ্দীন বলেন, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গুণগত শিক্ষা, আধুনিক একাডেমিক পরিবেশ, তুলনামূলক ব্যয়সাশ্রয়ী শিক্ষাব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধার কারণে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, ইউজিসির পরিচালক, রেজিস্ট্রার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ডেস্কের পরিচালকবৃন্দ, এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস এবং মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 13/05/2026

ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা সমাপ্ত

উচ্চশিক্ষার টেকসই রূপান্তরে গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই রূপান্তর, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক জ্ঞানসমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার সাপোর্ট সেন্টার, উদ্ভাবনী কেন্দ্র ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর স্থাপন, শিক্ষা ও গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তুলতে বাজেট বৃদ্ধি, সফট স্কিল ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলককরণসহ একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্প প্রতিনিধি, নীতি প্রণেতা, শিক্ষা প্রশাসক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত “বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রোডম্যাপ” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর মো. আখতার হোসেন খান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য প্রফেসর এ বি এম বদরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান।

কর্মশালায় উচ্চশিক্ষার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে পাঁচটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সুপারিশসমূহ উপস্থাপন করেন বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সামসুজ্জোহা বায়েজীদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রফেসর শাহ শামীম আহমেদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম সোহরাব উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কেবল জ্ঞান গ্রহণকারী রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে জ্ঞান সৃজনকারী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হতে চায়। এ লক্ষ্য অর্জনে কর্মশালার সুপারিশসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, কর্মশালার সুপারিশসমূহ দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়ন, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে একটি কার্যকর রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে।

কর্মশালায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিতকরণ, কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (KPI) ভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু, বার্ষিক পারফরম্যান্স রিভিউ, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতের অর্থায়নে গবেষণা তহবিল গঠণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রম প্রণয়নে শিল্প প্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ, সেক্টরভিত্তিক জনবল চাহিদা নিরূপণ, আউটকাম-বেইজড এডুকেশন (OBE) বাধ্যতামূলক করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।

গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপন, প্রযুক্তি স্থানান্তর অফিস গঠন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালু এবং শিল্প ও অ্যালামনাই-ভিত্তিক গবেষণা তহবিল গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক প্রভাবসম্পন্ন গবেষণা পরিচালনা, পেটেন্ট নীতি হালনাগাদ, আধুনিক ল্যাব ও গবেষণা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানমুখী গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

উচ্চশিক্ষা খাতের কার্যকর সুশাসন নিশ্চিত করতে ইউজিসি’র প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং ও ইআরপি সিস্টেম চালু, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলকে (IQAC) কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নীতকরণ, পারফরম্যান্সভিত্তিক তহবিল বরাদ্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর সুপারিশও করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় গবেষণা ডাটাবেস তৈরি এবং স্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামসহ বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২ তারিখ (মঙ্গলবার) সকালে এ কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 13/05/2026

ইউজিসির চেয়ারম্যানের সাথে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ

ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন এবং ভারতের অস্ট্রেলিয়ান কনস্যুলেট জেনারেল-এর তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ (১৩ মে ২০২৬) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন ভারতের অস্ট্রেলিয়ান কনস্যুলেট জেনারেল-এর ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার ভিক সিং, ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার মেঘা গুপ্ত এবং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট-এর সিনিয়র ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান। সভায় ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিন উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে ইউজিসি এবং অস্ট্রেলিয়া সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও সহযোগিতামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের শক্তিশালী ও ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ সম্পৃক্ততার অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে একাধিক গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসলের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর ড. অ্যালেকের সঙ্গে বৈঠক আয়োজনসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর আয়োজনেও সহযোগিতা করা হয়েছে।

উচ্চশিক্ষা খাতে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এবং কৌশলগত সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে চলতি বছরের জুন মাসে ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়েও প্রতিনিধি দল ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত করে। তারা জানান, প্রস্তাবিত গোলটেবিল বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির ৭ থেকে ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচনে তারা ইউজিসির সহযোগিতা কামনা করেন।

এছাড়াও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্সে (এআইইসি) বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য ইউজিসি চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ইউজিসির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, দেশের কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে ইউজিসি কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান প্রথম সারির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ অথবা নতুনভাবে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের বিষয়ে ইউজিসির সক্রিয় পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা একটি উচ্চমূল্যের জ্ঞানভিত্তিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ কেবল উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে অবস্থান করতে চায় না; বরং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে আগ্রহী।

বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষাখাতে পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং উচ্চশিক্ষায় নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য পোষণ করে।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

12/05/2026

Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence

12/05/2026

ইউজিসি আয়োজিত Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালায় উপস্থিত আছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 11/05/2026

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসি’র জাতীয় কর্মশালা কাল
উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও টেকসই করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আগামীকাল (মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬) "বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ (Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence)" শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালা আয়োজন করছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শিক্ষাবিদ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ইউজিসি’র সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নীতি প্রণেতা, সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।

উদ্বোধনী পর্বের পর পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেসব অধিবেশনে "গ্রাজুয়েটদের কর্মসংযোগযোগ্যতা, সফট স্কিল উন্নয়ন ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা; শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা; ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন; শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং আন্তর্জাতিকীকরণ; গভর্ন্যন্স, মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হবে আলোচনা ও সুপারিশ প্রণীত হবে।

কর্মশালার অংশগ্রহণকারীদের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষা উন্নয়নে বাস্তবায়নযোগ্য নীতিগত পথনকশা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, "উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, এটি উচ্চশিক্ষা নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।"

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এছাড়া, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আখতার হোসেন খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ।

এদিকে কর্মশালা উপলক্ষ্যে সোমবার বিকেলে ইউজিসিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর মামুন আহমেদ সাংবাদিকদের কর্মশালা আয়োজনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এসময় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 09/05/2026

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এমন একটি উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যেখানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালকের প্রফেসর খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। তবে তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের আত্মিক বন্ধন অটুট রয়েছে। দেশে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে বিদেশে অবস্থানরত মেধাবী ও দক্ষ মানবসম্পদ দেশের প্রয়োজনে যেকোনো সময় অবদান রাখতে পারে। মেধা পাচার নয়, বরং মেধার সার্কুলেশন নিশ্চিত করা জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে টেকসই ও ফলপ্রসূ সহযোগিতা গড়ে তুলতে ইউজিসি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, উচ্চশিক্ষার মান সত্যিকার অর্থে উন্নত করতে হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগামী দেশগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশকে চীনের উচ্চশিক্ষা খাতে যে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে, তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে আগ্রহী। বিশেষ করে আধুনিক ল্যাবরেটরি অবকাঠামো, যৌথ গবেষণা তহবিল এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষেত্রে ইউজিসি আরও গভীর সম্পৃক্ততা প্রত্যাশা করে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, “এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, পিএইচডি গবেষকদের জন্য দ্বৈত তত্ত্বাবধান (dual supervision) এবং উচ্চমানের জার্নালে যৌথ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের মতো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক অধ্যাপক ড. লিয়া পেং, হুয়াঝং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন তান গাংই, গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজের প্রেসিডেন্ট ঝাং শিয়াওইয়ান এবং চায়না এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হান কুন।

অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

05/05/2026

ইউজিসির চেয়ারম্যানের সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ইউনেস্কো বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ (০৫ মে ২০২৬) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল ২০২৪ সালের আগস্ট গণআন্দোলন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইউনেস্কো ও ইউজিসি গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পূর্ববর্তী প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণে ইউনেস্কোর আগ্রহের কথাও তারা জানান।

বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান নরিহিড ফুরুকাওয়া, ভারতের ইউনেস্কো মহাত্মা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন ফর পিস অ্যান্ড সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (ইউনেস্কো এমজিআইইপি) অ্যাসোসিয়েট প্রজেক্ট অফিসার ড. রিচা বানশাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সৈয়দ তানভীর রহমান এবং ইউনেস্কোর প্রোগ্রাম অফিসার (শিক্ষা) রাজু দাস।

সাক্ষাৎকালে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, নানা কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক চাপের কারণগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুষ্ঠু ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮০ শতাংশ শহরের বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসে। শহরের পরিবেশ তাদের অনেকের জন্য সম্পূর্ণ নতুন। এসব শিক্ষার্থীর উল্লেখযোগ্য অংশ সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সদস্য। তাদের অনেকেই পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। ফলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা বিষয়ে তাদের পর্যাপ্ত ধারণা থাকে না।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, সফট স্কিলের ঘাটতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না। আবার অনেক শিক্ষার্থীকে নিজের পড়াশোনা ও জীবনযাপনের খরচ বহনের পাশাপাশি পরিবারকেও আর্থিক সহায়তা করতে হয়। এসব কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা, মানসিক চাপ ও হতাশা তৈরি হয়।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়ন কার্যক্রমও সম্ভাব্য নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

সভায় ইউজিসি ও ইউনেস্কো সম্ভাব্য প্রকল্পের কার্যক্রম নির্ধারণের জন্য একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়।

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ও ইউজিসি’র যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে বিশেষ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে। এর বাইরে প্রকল্পের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আরও অন্তত ২০ হাজার শিক্ষার্থী এ সেবা গ্রহণ করেছে।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 05/05/2026

বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনে আগ্রহী

ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি শাখা ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে স্থাপন করতে চায়। আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দল ৪ মে ২০২৬ তারিখ ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ-এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরে।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ হাসান উজ জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাছান, এসজিপি, এসইউপি, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি, প্রফেসর দি অনারেবল বিল শর্টেন, ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্ট, প্রফেসর মাইকেল লিংকন, ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর ও ভাইস প্রেসিডেন্ট (একাডেমিক), ড. ফিওনা রিচার্ডস, চিফ গ্লোবাল এনগেজমেন্ট অফিসার, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
ইউজিসি’র পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম। এছাড়া, অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূইয়া ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিন ।
সভায় প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারকরণের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। তারা বলেন যে প্রস্তাবিত এ উদ্যোগ সফল হলে দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ দেশেই বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ আরও জোরদার করবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার পথ সুগম হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান বিদ্যমান বিধি-বিধানের আলোকে প্রতিনিধি দলকে এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা-এর শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়টি আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ এবং ট্রান্সন্যাশনাল হায়ার এডুকেশনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বর্তমানে কাজ করছে।
মেজর জেনারেল মোঃ হাসান উজ জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা-এর শাখা ক্যাম্পাস বাংলাদেশে স্থাপিত হলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন।
প্রফেসর বিল শর্টেন বলেন, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির শখা ক্যাম্পাস স্থাপিত হলে এদেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক শিক্ষায় প্রবেশিধিকার পাবে এবং উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকিকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা একাডেমিক ও প্রশাসনিক মানদণ্ড বজায় রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
সভায় উভয় পক্ষই সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, বিশেষ করে বর্তমান বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডাটা, মেশিন লার্নিং ইত্যাদি বিষয়সমূহ শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। এছাড়া সভায় একাডেমিক বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Photos from University Grants Commission of Bangladesh's post 30/04/2026

হিট প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে ইউজিসিকে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে চলমান হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইউজিসি ভবনে আয়োজিত হিট প্রকল্পের মিড-টার্ম রিভিউ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সরদার মো. কেরামত আলী এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার টি এম আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে হিট প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এই প্রকল্প দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রতিটি উপাদান উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রকল্পের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রকল্প সংশোধনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় এই প্রকল্পের কিছু বিষয় আর প্রাসঙ্গিক নেই। উচ্চশিক্ষায় সরকারের অগ্রাধিকার যুক্ত করে ডিপিপি সংশোধন করতে হবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ আছে আর দুই বছর। কিন্তু এর অগ্রগতি মাত্র ৫ শতাংশ। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। এখনই গতি বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যেই প্রকল্প শেষ করতে হবে এবং মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

প্রকল্প ব্যয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় কমিয়ে আনা এবং খরচের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। হিট প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ যৌক্তিক ব্যবহার করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর মামুন আহমেদ বলেন, “দেরিতে শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করব। তবে শুধু টাকা খরচ করে নয়, লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্টদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, হিট প্রকল্প দেশের উচ্চশিক্ষার সংকট কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে গবেষণায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এই প্রকল্পে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়া হবে।

মোহাম্মদ জামিনুর রহমান
পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ, ইউজিসি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

University Grants Commission Of Bangladesh UGC Bhaban, Plot# E-18/A, Agargaon Administrative Area
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00