21/10/2025
ফিকহি ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ
অনলাইনে কুরআন ও ইসলামি শিক্ষা
আমাদের চলমান কোর্স: After School Maktab
📍 UK, BD, USA – শিশুদের জন্য
📞 WhatsApp: +88 01581-300463
21/10/2025
ফিকহি ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ
আপনার সন্তান কি কুরআন শিখছে নিয়মিত?
সময় ও পরিবেশের অভাবে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে সঠিক দীনি শিক্ষার সুযোগ থেকে।
ফিকহি ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে অনলাইনে ঘরে বসে দীনি শিক্ষা গ্রহণের বিশ্বস্ত ব্যবস্থা—
🌟 "আফটার স্কুল মাকতাব" কোর্স
🧑🏫 ইনস্ট্রাক্টর: হাম্মাদ আহমাদ
⏰ সময়: প্রতিদিন মাত্র ১ ঘণ্টা (সপ্তাহে তিন দিন)
🏠 ক্লাস হবে সরাসরি অনলাইনে, ঘরে বসেই! (গুগল মিট)
আমরা যা শিখতে পারবো :
✅ কুরআন শুদ্ধ করে তিলাওয়াত
✅ নামায ও প্রয়োজনীয় মাসায়েল
✅ নৈতিকতা ও ইসলামী আদব
৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য উপযোগী কোর্স
📲 ভর্তির জন্য এখনই হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করুন
👉 WhatsApp: 01581300463
🔗 অফিসিয়াল পেজ: https://www.facebook.com/share/1Acx3eNkA1/
📌 সন্তানকে দাওয়াহ ও দীনের আলোয় আলোকিত করতে এখনই সিদ্ধান্ত নিন। আল্লাহ তাওফীক দাতা। 🌙
14/05/2024
সারাদিন পরিশ্রম শেষে একজন স্বামী বাসায় ঢুকে কী প্রত্যাশা করে?
একজন পুরুষ সারাদিন বাইরে কাজ করে আসে। সে হয় চাকরি করে অথবা ব্যবসা। রাস্তায়, অফিসে, মানুষের সাথে লেনদেনে কতো ঝামেলা পার করে সে যখন বাসায় প্রবেশ করে, তখন আশা করে যে- "বাসায় গিয়ে 'শান্তি' পাবো।"
🟣 সারাদিন সে বসের ঝাড়ি খেয়েছে বা পাওয়ানাদারের কাছ থেকে কটু কথা শুনেছে। অন্তত আর না হোক রিক্সাওয়ালার সাথে দর কষাকষি নিয়ে তার মেজাজ খারাপ হয়েছে।
এমন অবস্থায় সে চায় বাসায় গিয়ে মেজাজ ঠান্ডা হোক।
🔵 নারীরা সারাদিন ঘরে অনেক পরিশ্রম করে। ঘরের কাজ যতোই করা হোক না কেনো, কখনো শেষ হয় না; হবেও না।
✅ আপনার স্বামী যখন ঘরে ঢুকবে, প্রথম অন্তত ১ ঘণ্টা সময় তাকে দিন। শুধুমাত্র তাকে।
পানি বা শরবত এগিয়ে দেয়া থেকে শুরু করে তোয়ালে এগিয়ে দেয়া, নাস্তা খেতে চাইলে সেটার ব্যবস্থা করা, রুমের ফ্যান চালু না থাকলে ফ্যান চালু করা ইত্যাদি। অর্থাৎ, প্রথম ১ ঘণ্টা সময় নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন, যেন সে সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে যেতে পারে।
ঐ সময় ভুলেও স্বামীর মেজাজ খারাপ হয়, এমন কথা বলবেন না।
যেমন:
❌ আজ প্লেট ভেঙ্গে গেছে, টাকা দিও
❌ আমাদের বাসা ভাড়া, কারেন্ট বিল কি দেয়া হইছে?
❌ সারাদিন কী করো? একটা বারও ফোন দিলা না?
❌ বাসার বাজার তো শেষ হয়ে গেছে। আজকে বাজার করবা?
স্বামী বাসায় আসার পর অনেক স্ত্রী তোড়জোড় করে কাজ শুরু করেন। ছোটো সন্তানকে একটু পরে খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো গেলেও স্ত্রী সেই মুহূর্তেই এটাকে প্রায়োরিটি দেন; স্বামীর কিছু লাগবে কিনা সেদিকে ভ্রুক্ষেপই করেন না।
🔴 একজন স্বামীর কাছে যদি মনে হয় বাইরে থাকা আর ঘরে থাকা সমান বা ঘরের চেয়ে বাইরে থাকলেই মেজাজ ভালো থাকে; তাহলে স্ত্রী হিসেবে এটা আপনার ব্যর্থতা।
টক্সিক হাজবেন্ড ছাড়া একজন সুস্থ-স্বাভাবিক হাজবেন্ডের সাথে যদি আপনি আয়োজন করে সুখী হতে চান, আপনি অনেকটাই সুখী হতে পারবেন।
🟢 স্বামী ঘরে ঢুকার পর প্রথম ১ ঘণ্টা যদি নিজেকে তার জন্য ব্যস্ত রাখেন, তর্ক-ঝগড়া করার উপলক্ষ্য আসা সত্ত্বেও যদি চুপ করে থাকেন, তাহলে আপনি তেমন কিছু হারাবেন না। বরং এই এক ঘণ্টার এফোর্টের ফলে সারারাতের জন্য আপনি আপনার স্বামীকে পাবেন, আবদার করার এমনকি ঝগড়া করার জন্যও রাতের কয়েক ঘণ্টা পাবেন।
ঐ যে আপনি আপনার স্বামীকে খুব ভালোভাবে প্রায়োরিটি দিলেন, সে যদি আসলেই ভালো স্বামী হয় বা চেষ্টা করে, তাহলে অন্তত আপনার সাথে ঐদিন ভালো ব্যবহার করবে।
🟦 খাওয়া শেষে বলতে পারে- "থাক, আজকে আমিই তোমাকে চা বানিয়ে খাওয়াই।"
দেখুন, একজন পুরুষের কাছে টাকা থাকলে বিল-ভাড়া সে পেন্ডিং রাখে না। এসব তাগাদা আপনি রাতে খাওয়া শেষেও দিতে পারেন।
স্বামী সারাদিন কেনো ফোন দিতে পারেনি এটার পেছনেও স্ট্রং কারণ থাকতে পারে। সেই নিজ থেকে বলবে সারাদিন কীভাবে কাটিয়েছে।
স্বামী ঘরে ঢুকার পর তাকে ওয়েলকাম করার জন্য আপনি কতোটা আন্তরিক, নিজের ইগো ১ ঘণ্টার জন্য হলেও বিসর্জন দিতে প্রস্তুত কি-না সেটার ওপর নির্ভর করবে ঘরে-ফেরা স্বামীর সাথে দিনের বাকি অংশ কীভাবে কাটবে।
Fiqhi Institute Bangladesh
14/05/2025
09/05/2024
"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"
ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে যাচ্ছে। আমার নিজের শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মত ছড়িয়ে পড়েছে।
আমার এক বন্ধু পড়ালেখার পাশাপাশি আবাসিক এক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। ওর ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম ফাঁকা থাকেনা। ও বলছে, বন্ধু বেশিরভাগই ভার্সিটির স্টুডেন্ট। পার নাইট ১৫০০-৫০০০/- পর্যন্ত খরচ করে থাকছে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মত। বলছে, বেশির ভাগই তো মুখে হিজাব পড়ে আসে,তারপরও যখন আমি ক্যামপাসে যাই তখন অনেকে আমাকে দেখে মুখ ঢেকে চলে যায়। একটা হোটেলের তথ্য, অথচ অসংখ্য হোটেল শহরে!
আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ লাক্সারিয়াস লাইফ পার করতে এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। এরকম একজনকে চিনি, আমার কলেজের সিনিয়র যিনি মেসের ছেলেদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন সিস্টেমে এই দু'নাম্বারি বিজনেস করেন। প্রশাসনের সাথেও এদের কানেকশন শক্তিশালী। যেকারণে হুট করে এদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে টিকে থাকা কঠিন!
জি আমার প্রিয় অভিভাবকেরা এই হচ্ছে আমার বোন। অর্থাৎ, আপনাদের মেয়েদের অবস্থা! পুরো রমরমা ক্যারিয়ার বানাতে যে পাঠিয়েছেন তার যথাযথ অর্জন করেই আপনার ঘরে ফিরবে।
অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়েটা ছেলেদের সাথে দীর্ঘ সময় উঠাবসা করে। আর এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকেনা। তাই এরা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে ট্রিট করে বলে। এসব শুনতে শুনতে এক সময় মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সব চেয়ে তীব্র ও বড় মাপের চাহিদা তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। তাই অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।
এখানে বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই মেয়েগুলো তো সারাজীবন আর এভাবে চলতে পারেনা। ভার্সিটি শেষে একটা পর্যায়ে এদেরই কেউ না কেউ আপনার আমার ঘরে স্ত্রী হিসেবে আসছে। এবং লজ্জাহীন এই নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগানুভূতি দিতে পারেনা। পারেনা সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।
এখন অভিভাবক হিসেবে কি আপনি চান ভার্সিটি ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা এভাবে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? অনেকে বলছে বিকল্প অপশন কি?
বিকল্প অনেক আছে, কিন্তু আপনার পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক বিকল্প দেখতে পায়না, দেখিয়ে দিলেও মানতে পারেনা। কারণ আপনার চাহিদা বস্ত্রহীন, লজ্জাহীন, ইজ্জতহীন রং মাখানো ক্যারিয়ার।
~একরামুল হক আবির
ঈষৎ পরিমার্জিত।
09/05/2024
বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যদি মা-বাবার কাছে যেতে হয়, তাহলে আপনি বিয়ে করছেনই বা কেনো?
আপনার বিয়ে করার বয়স হয়েছে মানে সিদ্ধান্ত নেবার বয়স হয়েছে। কিন্তু, বিয়ের পর প্রতিটি সিদ্ধান্ত যদি মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করে নিতে হয়, তাহলে আপনি স্বামী হিসেবে স্ত্রীর কাছে মর্যাদা হারাবেন।
স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবেন কিনা, স্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে বারবার তাকে বলা- ‘মাকে জিজ্ঞেস কইরো’, স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে যাবার আগে বাবার অনুমতি নেয়া লাগলে এটার ফল আসলেই নেতিবাচক। সাময়িক মনে হতে পারে কোনো অসুবিধা তো হচ্ছে না। কিন্তু, আপনার স্ত্রীর মনে ক্ষোভ জন্ম নেয়, আপনার প্রতি তার সম্মানবোধ উঠে যায়।
মাঝেমধ্যে তার কিছু ইচ্ছে করলে আপনি বলেন- “দেখি মা কী বলে।” তখন হয়তো সে কিছু বলে না। কিন্তু, মা যদি ‘না’ করেন, মায়ের ওপর না, বরং আপনার ওপরই তার রাগ হয়।
আপনি পারিবারিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অবশ্যই মা-বাবার পরামর্শ নিবেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা করবেন। কিন্তু, স্বামী হিসেবে আপনার যে কর্তৃত্ব আছে, সেই কর্তৃত্বের চর্চা আপনিই করুন; আপনার মা-বাবাকে করতে দিবেন না। স্ত্রীর কোনো আবদার নাকচ করতে চাইলে তাকে বুঝিয়ে আপনিই নাকচ করুন। নিজের মা-বাবাকে ইনভলভ করে যখন দাম্পত্য জীবনের সিদ্ধান্ত নিবেন, কোনো এক সিদ্ধান্ত ভুল হলে স্ত্রী আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।
ঠিক তেমনি, স্ত্রীর বেলায়ও।
স্ত্রীরা বেশিরভাগ কথা মায়ের সাথে শেয়ার করে। স্বামী কী করলো, কী বললো, স্বামীকে এটা কীভাবে বলবে, স্বামীর কাছে কীভাবে চাইবে এগুলো নিয়ে সে মায়ের সাথে কথা বলে। মা-ও খুব আগ্রহ নিয়ে মেয়েকে বুদ্ধি দেন।
বিয়ের পর গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছাড়া দৈনন্দিন এসব ব্যাপারে মেয়ের মা যতো ইনভলভ হবে, পারিবারিক অশান্তি ততো বাড়বে।
মা যদি জিজ্ঞেস করে, “এটা বলার পর জামাই কী বললো?” স্ত্রীর তখন স্পষ্টভাবে বলা উচিত- “সরি মা, ও আমাকে কী বলেছে সেটা তোমাকে বলতে পারবো না।”
একজনের স্ত্রী হিসেবে স্বামীর প্রতি আপনার এই আত্মসম্মান থাকা উচিত।
আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে নিজের মা-বাবার অতিউৎসাহ দেখলে তাদেরকে সম্মানের সাথে নিরুৎসাহিত করুন।
Fiqhi Institute Bangladesh
স্ত্রীকে যেভাবে আদর করবেন😌
১। নাম নয় বরং সুন্দর সিফাতে ডাকবেন যেমনঃ (টুকটুকি, রূপসী, রোদ্রময়ী, কামিনী, সুহাসীনি, সুভাগিনী, লজ্জাবতী, কলিজা, পাগলী, ইত্যাদি।
২। কোনো ভুল করলে আদর করে কাছে ডেকে নিয়ে চোখে চোখ রেখে ভালোবাসার সহিত বুঝিয়ে দিবেন নারী ভালোবাসার পাগল।
৩। রান্নার সময় পিছন থেকে জরিয়ে ধরে মুসকি হাসি দিয়ে তার কাজে সহযোগিতা করবেন।
৪। তার মনের কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তার সাথে হাসবেন।
৫।তার শাড়ী পরিয়ে দিবেন, চুলে বেনি করে দিবেন নিজ হাতে, মাথায় বকুল ফুল গুঁজে দিবেন, এবং জোসনা রাতে তাকে নিয়ে ছাঁদের বেলকনিতে অথবা ছাঁদের নির্জন স্থানে দাড়িয়ে চাঁদ দেখবেন (অবশ্যই তখন তাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে কানের কাছে গিয়ে বলবেন ঐ চাঁদ থেকেও তুমি অসম্ভব সুন্দরী), সাথে এককাপ চা রাখবেন। তিনি, চায়ের কাপে যেখানে ঠোঁট লাগিয়ে চুমুক দিবে আপনিও সেখানে ঠোঁট লাগিয়ে চুমুক দিয়ে তার ঠোঁটের উষ্ণতা ভোগ করবেন।
৬। প্রতিদিন নামাজে যাওয়ার আগে তার কপালে আপনার ভালোবাসার পরশ একে দিবেন।
তাহলে পরকীয়া মুক্ত সুন্দর সংসার হবে। ইনশাআল্লাহ।
04/05/2024
পরীক্ষায় পাশ মার্ক কেনো ৩৩? 🤔
কখনো কি চিন্তা করেছেন, ৩৩ পেলেই কেনো পাশ? কেনো সেটা ৩০ না বা ৪০ না?
♦️ ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম ম্যাট্রিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে, ব্রিটিশদের অধীনে।
তখন পরীক্ষায় পাশ মার্ক কতো হবে এই নিয়ে ব্রিটিশরা চিন্তায় পড়ে যায়। ইংল্যান্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তখন পাশ মার্ক ছিলো ৬৫। ভারতবর্ষে কতো হবে এই নিয়ে অনেক মিটিং হয়।
📍 ব্রিটিশরা চিন্তা করতো ভারতীয়দের মেধা, বুদ্ধিমত্তা ব্রিটিশদের অর্ধেক। এজন্য তারা ভারতীয়দের জন্য পাশ মার্ক নির্ধারণ করে ৩২.৫; যা ব্রিটিশদের অর্ধেক।
১৮৬১ সালে ৩২.৫ কে একটি রাউন্ড ফিগারে নেয়া হয়। সেই থেকে গত ১৬৩ বছর ধরে ভারতবর্ষে পরীক্ষায় পাশ মার্ক হিসেবে ৩৩ মার্ক ধরা হয়।
এই অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্রিটিশদের প্রভাব কতো বেশি, আজও কীভাবে ব্রিটিশদের কলোনিয়াল শিক্ষাব্যবস্থার অনুসরণ করা হচ্ছে সেটা আমরা বুঝতেই পারছি না।
📍 'পড়ালেখা করে যে, গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে' —এই নীতি প্রবর্তন করে ব্রিটিশরা। পড়ালেখা করে চাকরি করতে হবে এই মনোভাব এদেশের মানুষের ছিলো না।
ব্রিটিশরা প্রথমে শুরু করে শব্দ মুখস্থকরণ। যে ২০০ টি ইংরেজি শব্দ মুখস্থ করতো, তাকে একটি সার্টিফিকেট দেয়া হতো। এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে সে বিভিন্ন সরকারি চাকরি করতে পারতো।
এভাবে পড়ালেখা করো, চাকরি পাও —এই ধারা এই অঞ্চলে প্রবর্তিত হয়।
অথচ এই অঞ্চলের মানুষ একসময় শিল্পপতি ছিলো। হ্যাঁ, শিল্পপতি। সেই শিল্পগুলো ব্রিটিশরা ধ্বংস করে সবাইকে 'চাকরি' করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে। আর চাকরি করার জন্য তাদের দেখানো কারিকুলাম প্রবর্তন করেছে।
এই শিক্ষাব্যবস্থাকে যারা যতো বেশি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেছে, তাদের উপার্জনের বয়স হতে, ক্যারিয়ার গঠন করতে ততো বেশি সময় লেগেছে। বিয়ে করা, পরিবার গঠনকে তারা কম প্রায়োরিটি দিয়েছে।
এই যুগে একজন ছেলে ২৫-২৮ বছর হবার পরও যদি চাকরি না পায়, তার ক্যারিয়ার বলতে কিছু নেই। পড়ালেখা শেষ করবে, অতঃপর চাকরি করবে, এটাই ক্যারিয়ার। এই ধারাক্রম অনুসরণ করছে দেশের ৯০% তরুণ।
অথচ আপনি ইংল্যান্ড-আমেরিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দেখবেন তারা উচ্চশিক্ষা, পড়ালেখা করে চাকরিকে এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছে না যতোটা বাংলাদেশের মানুষজন দিচ্ছে।
🌱 সেসব দেশে ১৮ বছরের পর সবাইকে উপার্জন করতে হয়। তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়।
আমাদের দেশে সবাই অপেক্ষা পড়ালেখা শেষ করবে!
01/05/2024
বিবাহিত ভাইবোনেরা অবশ্যই পড়বেন।♥️
বিয়ের পর দয়া করে স্বামী-স্ত্রী বেশিদিন দূরে থাকবেন না। বিশ্বাস করুন ভালো থাকার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার একদম-ই নেই | দরকার আপনার ভালোবাসার |
জীবন থেকে যে একটা সেকেন্ড চলে যায় সেটা আমরা আর কখনো ফিরে পাই না | আর আপনি বছরের পর বছর স্ত্রী, সন্তান রেখে বহুদূরে পরে আছেন!
এই কি জীবন? কোথায় সুখ? কোথায় আপনার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা? কোথায় সন্তানের জন্য স্নেহ?
হ্যাঁ, টাকা-পয়সা জীবনে অনেক দরকার কিন্তু; ভেবে দেখেন তো সারাদিনে ৩০০ টাকা রোজগার করা মানুষটা যখন দিনশেষে বাসায় ফিরে তার সামনে পানি দেওয়ার জন্য একজন মানুষ আছে, সে রাতে তার স্ত্রী, সন্তানদের পাশে ঘুমাতে পারে, তার অসুস্থতায় তার স্ত্রী তাকে সেবা করে, তার সন্তান দূর থেকে তাকে দেখে দৌড়ে এসে কোলে ওঠে |
কোনো নারীর জীবন থেকে এমন সময় কেঁড়ে নিবেন না যে সময়টায় সে শুধু আপনাকে কাছে চায় |
বাইরে গেলে যখন তার চোখে পরে পাঞ্জাবি পরা কোনো এক ছেলে তার প্রিয়তমার হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, তখন আপনার স্ত্রীর ভেতর থেকে দীর্ঘশ্বাস বের হওয়া ছাড়া আর কিছু-ই করার থাকে না |
.
আপনি সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা রোজগার করে বউকে দামী শাড়ি আর গহনা-ই পরিয়ে গেলেন | কিন্তু যে সময়গুলো আপনারা হারিয়েছেন সেটা আর আসবে না কোনোদিন | উত্তপ্ত প্রেম টাকার তলায় চাপা দিয়ে দিলেন |
আপনার সন্তান যখন রাস্তায় দেখে কোনো বাবা তার ছেলেকে রঙিন বেলুন কিনে দিচ্ছে, তখন সে আপনাকে খোঁজে |
সন্তান যখন দেখে তার বয়সী বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে মাদ্রাসা/স্কুলে যাচ্ছে তখন সে আপনাকে খুব মিস করে|
সন্তানের জন্য মাসে এতো হাজার টাকা না পাঠিয়ে হাত ধরে মাদ্রাসা/স্কুলে দিয়ে আসুন |
সে আপনার আদর্শে বড় হবে |
তখন সে আপনার কাছে ৫ টাকার প্রয়োজনে ১০ টাকা চাইবে না | বরং ১০ টাকার কাজ টা ৫ টাকায় মিটমাট করার চেষ্টা করবে |
কাজের চাপে আপনি সারাদিনে বউকে মনে করার তেমন সময়ও পান না অনেক সময় | এদিকে দুপুরের নাওয়া-খাওয়া শেষ করার পর আপনার স্ত্রীর অলস বিকালে আর সন্ধ্যা নেমে আসতে চায় না |
জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দূরের ঐ নীল আকাশে রং বেরঙের কত কী দেখে | দেখে না শুধু আপনাকে |
মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর বাম পাশে আপনাকে না পেয়ে বুকে আকাশ সমান বোঝা নিয়ে আপনার স্ত্রী ঘুমিয়ে যায় | এভাবেই আপনার বয়স ৫০ পেড়িয়ে যাবে, স্ত্রীর চোখ ধূসর হয়ে আসবে |
হলো না আপনাদের কদম হাতে বৃষ্টিতে ভেজা
আর হলো না আঁকাবাকা রাস্তায় পা মিলিয়ে সামনে হাটা হলো না | সন্তান বুকে নিয়ে ঘুমানো|
হলো টাকার পাহাড়, বিষের পাহাড়, বিষাদের পাহাড় | যার চাপায় পিষে যাবে কতগুলো রঙিন স্বপ্ন, পিষে যাবে স্ত্রীর প্রেম, খসে যাবে আপনার যৌবন |
Fiqhi Institute Bangladesh
একটি ই-লার্নিং প্লাটফর্ম