জিলহজ্ব মাসের রোজা ❤️🤗 #আজান #দোয়া #ইসলাম #নামাজে
md shohel rana
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from md shohel rana, Education, Dhaka.
রিলস: সকাল 10টা,4টা,7:10টা
🕋 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ 🕋
❤️🕋 সুন্দর সুন্দর ইসলামিক পোস্ট পেতে পেজটি ফলো করুন! 🕋❤️
ইসলামিক পোস্ট গুলো যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন ইনশাআল্লাহ ❤️🕋🤲
24/05/2026
■■ অত্যন্ত জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় বিষয়য়াবলী!!
●● ০১]] পবিত্র আল-কুরআন ও পবিত্র আল-হাদীসের
আলোকে কয়েকটি প্রশ্নোত্তর!!
১। প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কোথায় আছেন?
উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে।
-----(সূরা ত্বহাঃ ৫)
২। প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশ কোথায় আছে?
উত্তরঃ সাত আসমানের উপর।
৩। প্রশ্নঃ ‘মুমিনের কলব আল্লাহর আরশ’ এটা কার কথা?
উত্তরঃ এটা মানুষের বানানো কথা। আল্লাহ বা রসূলের কথা নয়।
-----(জাল হাদীছ)
৪। প্রশ্নঃ আল্লাহ কি সর্বস্থানে বিরাজমান?
উত্তরঃ না। আল্লাহ্ সবজায়গায় বিরাজমান নন। তিনি সপ্তকাশের উপর সুমহান আরশে সমুন্নত।
-----(সূরা ত্বাহাঃ ৫)
৫। প্রশ্নঃ আল্লাহর কাজ কি?
উত্তরঃ সৃষ্টি করা, রিযিক প্রদান, বৃষ্টি বর্ষণ, লালন-পালন করা, সাহায্য করা, জীবন-মৃত্যু প্রদান, পরিচালনা করা, সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব করা, তত্বাবধান করা ইত্যাদি।
৬। প্রশ্নঃ আল্লাহ কি নিরাকার?
উত্তরঃ হ্যা! তাঁর অস্তিত্ব ও সত্তা আছে। আলোর যেমন অস্তিত্ব ও সত্তা আছে। কিন্তু আলোর কোন আকার নেই! সুতরাং আল্লাহ তা'আলা নিরাকার!!
৭। প্রশ্নঃ আল্লাহ যদি নিরাকার না হন, তবে তাঁকে কি দেখা সম্ভব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, তাঁকে দেখা সম্ভব। তবে এ দুনিয়ায় চর্ম চোখে সম্ভব নয়। আখেরাতে জান্নাতীগণ আল্লাহকে দেখবেন।
-----(সূরা ক্বিয়ামাহঃ ২২-২৩, বুখারী, মুসলিম)
৮। প্রশ্নঃ ঈমানের শাখা কতটি?
উত্তরঃ সত্তরের অধিক।
৯। প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বোচ্চ স্তর কি?
উত্তরঃ কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করা।
১০। প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কি?
উত্তরঃ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা।
■■ আল'হামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের বক্ষকে প্রশস্ত করে দিক; আমাদেরকে উপকারী জ্ঞান, কবুলযোগ্য আমল এবং পবিত্র রূযী দান করুন(আ-মীন)।।
●● ০২]] অধিকাংশ মানুষ সত্য বিমূখ!!
■■ মহান আল্লাহ সুব'হানাহু ওয়াতা'আলা বলেনঃ
------"বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।"
-----(সূরা ইউনুসঃ ৩৬)
■■ উপরোক্ত আয়াতে আমরা দেখতে পাই, না স্তি ক, কা ফি র, মু শ রি ক, ননমুসলিম ইত্যাদি তারা নানা রকমের কথা আন্দাজ ও অনুমানের উপর নির্ভর করে বলে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আন্দাজ ও অনুমান অনেক কিছু ক্ষেত্রে কোন কাজে আসে না! যার কারণে মানুষ সত্য বিমূখ হয়ে পড়ে!
●● তাফসীরে আহসানুল বায়ান দেখলে আমরা দেখতে পাই উক্ত আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা বা তাফসীরঃ
[১] সার কথা হল যে, মানুষ শুধু ধারণাবশে চলে অথচ তারা জানে যে, হক, সত্য, বাস্তব এবং প্রমাণপুঞ্জের মোকাবেলায় খেয়াল-খুশি এবং অনুমান ও ধারণার কোন মূল্যই নেই। কুরআন শরীফে ظن শব্দটি একীন (দৃঢ়বিশ্বাস) এবং ধারণা দুই অর্থে ব্যবহার হয়েছে। এখানে উদ্দেশ্য হল, দ্বিতীয় অর্থঃ অর্থাৎ (ধারণা)।
[২] অর্থাৎ, তিনি তাদের এই হঠকারিতার জন্য শা স্তি দেবেন। কারণ প্রমাণ না থাকার পরেও, তারা শুধু উদ্ভট কল্পনা ও বিকৃত ধারণার পিছনে পড়েছিল এবং জ্ঞান বুদ্ধি দ্বারা কোন কাজ নেয়নি।।
■■ আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"তারা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য গ্রহণ করেছে? বলুন, তোমরা তোমাদের প্রমাণ আন। এটাই আমার সঙ্গীদের কথা এবং এটাই আমার পুর্ববর্তীদের কথা। বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টলবাহানা করে।"
-----(সূরা আম্বিয়াঃ ২৪)
■■ উক্ত আয়াতটির অন্য অনুবাদটি (তাফসীরে আহসানুল বায়ান) যদি আমরা দেখি, সেখানে রয়েছেঃ
-------"ওরা কি তাঁকে ভিন্ন বহু উপাস্য গ্রহণ করেছে? বল, ‘তোমরা তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর। এটিই আমার সঙ্গে যা আছে তাদের জন্য উপদেশ এবং এটিই উপদেশ ছিল পূর্ববর্তীদের জন্য।’ [১] কিন্তু ওদের অধিকাংশই প্রকৃত সত্য জানে না। ফলে ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়।"
●● তাফসীরঃ
[১] প্রথম উপদেশ বলে কুরআন এবং দ্বিতীয় উপদেশ বলে পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহকে বুঝানো হয়েছে। এর অর্থ এই যে, কুরআনে তথা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে শুধু মাত্র একই উপাস্যের উলুহিয়্যাত ও রুবুবিয়্যাতের (উপাস্যত্ব ও প্রতিপালকত্বের) বর্ণনা পাওয়া যায়। কিন্তু এ সব মু শ রি ক রা এ সত্যকে মানতে প্রস্তুত নয় এবং একগুঁয়েমির সাথে একেশ্বরবাদ (তাওহীদ) হতে মুখ ফিরিয়ে চলে।
■■ সুতরাং অধিকাংশ মানুষ সত্য মানতে, গ্রহণ করতে অনাগ্রহী তার নানা কারণের মাঝে একটি কারণ অহং কার!ইসলাম মানুষকে অহং কার বর্জন করতে শেখায়। হাদীসে এসেছেঃ
-------"তিল পরিমান অহং কার যার অন্তরে থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।"
■■▪পারবে না মানে পারবে না!!
●● ০৩]] প্রসঙ্গঃ দাড়ি রাখা!!
■■ আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
-------"তোমরা দাড়ি ছেড়ে দাও, গোঁফ ছোট কর এবং পাকা চুলে (কালো ছাড়া অন্য), খেযাব (মেহেদী) লাগাও
এবং ই হু দী ও না ছা রা দে র সাদৃশ্য অবলম্বন কর না।"
-----(মুসনাদে আহমাদঃ ৮৬৫৭; ছহীহুল জামেঃ ১০৬৭)
■■ হাদিসের শিক্ষাঃ
বর্তমান মুসলমানরা যেমন দাড়ি সেভ করে, তৎকালীন সব ই হূ দী ও না ছা রা রা ও দাড়ি সেভ করত। আর সে ক্ষেত্রে সেই জাহিলিয়াতের যুগ এখন আবার ফিরে এসেছে! তাই মুসলিম হিসেবে সবাই দাড়ি সেভ করার আমল পরিবর্তন করে দাড়ি রাখার আমল করুন।।
●● ০৪]] আপনি যদি মনের সুখ চান
এবং আপনার অন্তরের প্রশান্তি চান,
তাহলে মাত্র দুটি কাজ করুন!!
■■ ০১] আপনি আপনার নজরের হিফাযত করুনঃ আন্তরিকভাবে আপনি আপনার নজরের হিফাযত করুন। চোখের সামনে গাইরে মাহরাম নারী-পুরুষের অবয়ব ভেসে উঠার সাথেসাথেই চোখ নামিয়ে ফেলুন। এক নজরও দিবেন না। দ্বিতীয়বার তাকানো বা তাকিয়ে থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না!
■▪︎ ছোট্ট একটি আমল, কিন্তু কল্পনাও করতে পারবেন না, আল্লাহ কী পরিমাণ অন্তরের প্রশান্তি রেখেছেন এই একটি মাত্র আমলে। কারণ এই আমল শতভাগ ইখলাসপূর্ণ। এতে রিয়া বা লোকদেখানোর সামান্য পরিমাণ অবকাশ নেই। এই আমলটা করেই দেখুন, মনের প্রশান্তি এবং হৃদয়ের স্বচ্ছতা কী জিনিস গভীরভাবে অনুভব করতে পারবেন।
■■ ০২]] সারাদিনের উঠাবসায়, চলাফেরায় মুখে কোন একটা যিকির জারি রাখুন। তাসবীহ-তাহলিল হতে পারে, দুরূদ শরীফ হতে পারে, ইস্তিগফার হতে পারে, কিংবা আল -কুরআন তিলাওয়াত হতে পারে। অথবা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একেক সময় একেকটা চলতে পারে। মোটকথা, সবসময় মুখে যে কোন একটা যিকির জারি রাখুন। দুনিয়ায় বসেই জান্নাতের সুখ, পার্থিব জগতে থেকে অপার্থিব সুখ অনুভব করবেন ইন শা আল্লাহ।।
●● ০৫]] মারাত্মক সব পেরেশানি
থেকে মুক্তির দু'আ!!
اللهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ
■■ উচ্চারণঃ
-------"আল্লা-হুম্মা আসলিহ্ব লী দীনী, আল্লাযী হুয়া ‘ইসমাতু আমরী, ওয়া আসলিহ্ব লী দুন-ইয়া-য়া, আল্লাতী ফীহা মা‘আশী, ওয়া আসলিহ্ব লী আ-খিরাতী, আল্লাতী ফীহা মা‘আ-দী, ওয়াজ ‘আলিল হ্বায়াতা ঝিয়া-দাতানলী ফী কুল্লি খইর, ওয়াজ ‘আলিল মাউতা রাহ্বাতান লী মিন কুল্লি শাররি!"
■■ অর্থঃ
-------"হে আল্লাহ! আমার জন্য আমার ধর্মকে পরিশোধিত করে দিন, যা আমার সবকিছুর ধারক এবং রক্ষক। আমার ইহজগত(দুনিয়)কে আমার উপযোগী করে দিন, যা আমার জীবিকার ক্ষেত্র এবং বাহক। আর আমার কবর এবং আখিরাতকে গুছিয়ে দিন! যেখানে আমার চির প্রত্যাবর্তন এবং আমার জীবনকে সর্বরকম কল্যাণের আধার বানিয়ে দিন! আর মৃত্যুকে বানিয়ে দিন সব রকম কষ্টমুক্তির পরম উসিলা।"
-----(সহীহ মুসলিমঃ ২৭২০)
■■ দু'আটি সকাল-সন্ধ্যা সহ অন্যান্য সব সময় বেশী বেশী করে পাঠ করা উত্তম!!
●● ০৬]] একটি বিল বোর্ড এর বিজ্ঞাপনঃ
আসল পুরুষ এবং বাস্তবতা!!
■■ বিলবোর্ডটা এমন একটা জায়গায়! আগে থেকে সতর্ক না থাকলে এড়িয়ে যাবার আর কোন উপায় নেই!! বিশাল বিলবোর্ড। তাতে একজন পুরুষ এবং একজন নারীর ছবি অংকিত! দু'জন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। লোকটি শার্টের বোতাম লাগাচ্ছে এবং মহিলাটি অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে লোকটির দিকে তাকিয়ে আছে! তার হাতে ধরা আছে একটা মেডেল! বিলবোর্ডের ডান কোণায় লেখা.......
▪"আসল পুরুষ"▪
■■ আমাদের কাছে পুরুষত্বের সংজ্ঞা এসবই! আজকাল পুরুষের সফলতার মাপকাঠি হলো, তার শয্যসঙ্গীর সংখ্যা! আর কতো জন একজন নারীকে শয্যাসঙ্গী হিসেবে পেতে চায় তা হল নারীত্বের সফলতার মাপকাঠি! ইন ফ্যাক্ট নারী আর পুরুষ পরিচয়ের মধ্যে তেমন একটা পার্থক্যও এখন আর নেই! সেই একই শরীরী হিসেব নিকেশের পাল্লায় তুলে বিচার করা হয় দুজনকেই। কেউ দাতা, কেউ গ্রহীতা, কেউ ক্রেতা, কেউ বিক্রেতা, কেউ ব্যবহারকারী, কেউ ব্যবহৃতা, কেউ কামুক এবং কেউ কামের লক্ষ্য – পার্থক্য এইটুকুই। আমরা পুরুষ এবং নারীর জীবনের সকল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সার্থকতাকে আজ এই গন্ডির মাঝেই আবদ্ধ করেছি!!
■■ অ্যাথলেট, অ্যাক্টর কিংবা মিউযিশিয়ান-আমাদের বর্তমানদের কাছে পুরুষত্বের রোলমডেল হল ড্রাগ অ্যাডিক্ট, দায়িত্বজ্ঞানহীন, উড়নচণ্ডী, বহুগামী, নানা ধরনের, নানা আঙ্গিকের মনোরঞ্জনকারীরা! আমাদের কাছে পুরুষত্বের রোল মডেল নিজ সন্তানের জন্মদাত্রীকে স্বীকৃতি না দেওয়া মেসি-রোনালদো, ব্যা|ভিচারি টাইগার উডস, কিশোরসুলভ অঙ্গভঙ্গি আর আচরণের পঞ্চাশোর্ধ ব্র্যাড পিট- সালমান খান, কিংবা লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে সামান্য নেংটি পড়ে মারামারি করা WWE কিংবা MMA অ্যাথলেটরা!!
■■ শারীরিক ভাবে পুরুষ হওয়া আর সত্যিকার অর্থে বা চিন্তা-চেতনায় এবং আচরণে একজন পুরুষ হবার মাঝে অনেক পার্থক্য আছে। নিছক Male হওয়াটা মানেই Man হওয়া নয়! নিজে তার ছোট ভাইয়ের টি-শার্ট গায়ে দিয়ে, উচ্চস্বরে হাকডাক করে, উদ্ভট অঙ্গভঙ্গি কিংবা নাচানাচি করে, মঞ্চে ক্যাটওয়াক করে, ভ্রু-প্লাক করে কোন পত্রিকার ফটোশুট করে, পঞ্চাশ পেরিয়ে যাবার পরও পনেরো বছরের কিশোরের মতো আচরণ করে আমাদের সমাজ-সভ্যতার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী “হিরো” কিংবা “আসল পুরুষ” হওয়া গেলেও সত্যিকার অর্থে পুরুষত্ব অর্জন করা যায় না, Man হওয়া তো যায়ই না!!
■■ আর যদি আমরা এ সমাজ-সভ্যতার মাঝে আসল বা সত্যিকারের হিরোদের, সত্যিকারের পুরুষদের খুঁজি সেসব খোজাও ব্যার্থ হবে! মেসি-রোনালদো, রুনি-রৌশান কিংবা পিট-পটার, বন্ড-বেকহাম, কিংবা সাকিব-মুস্তাফিজদের মধ্যে নয়.... বরং যদি আসল বীরত্ব, পুরুষত্বের প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে আমরা জানতে চাই, তাহলে আমাদের তাকাতে হবে মুস’আব, আবু দুজানা, ইক্বরামা, খালিদ, সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাইন গণের জীবনের দিকে। আর যদি সত্যিকারের পুরুষত্বের উদাহরণ আমরা খুঁজি তাহলে তো আমাদের তাকাতে হবে, নুর আদ-দ্বীন, সালাহ আদ-দ্বীন, তারিক বিন যিয়াদ, উমার মুখতার, আর মুহাম্মাদ বিন কাসিমদের দিকে...! তাহলেই আমরা সঠিক পথটি খুঁজে পাবো ইন শা আল্লাহ! আর মুসলিম হিসেবে এটাই আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য!!
●● ০৭]] প্রেসক্রিপশনে যে ঔষধের
নামটি কখনো উঠে না...!!
বিখ্যাত হাদীস বিশারদ আল-হাকিম আন-নায়সাবূরি(রহঃ) -এর গল্প আমরা অনেকেই জানি। মাসের পর মাস তিনি একটি রোগে ভুগছিলেন। তাঁর চেহারায় বেশ কিছু ফোসকা ছিল। বিভিন্ন পদ্ধতিতে তিনি এর চিকিৎসা করিয়েছেন দীর্ঘ এক বছর যাবত; তবুও এতে আশানুরূপ কোনো ফল তিনি পাননি।
■■ কোনো এক জুমু‘আর দিন তিনি ইমাম আবূ উসমান আস-সাবূনি(রহঃ)কে খুতবা চলাকালে অনুরোধ করলেন, যেন তার জন্য দুআ করেন। ইমাম আবূ উসমাম(রহঃ) দুআ করলেন, এবং সেই দুআয় উপস্থিত লোকেরাও স্বেচ্ছায় শরীক হলেন।
■■ সপ্তাহ খানেক পর এক মহিলা একটি চিঠি পাঠান আল-হাকিম(রহঃ)কে। চিঠিতে তিনি জানানঃ
-------"সেদিনের দুআয় তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং আল- হাকিমের অসুস্থতা শুনে ব্যথিত হয়েছেন। তাই তিনি বাসায় ফিরে তার জন্য দুআ করেন। অতঃপর সেদিন সন্ধ্যায় রসূল (ﷺ)-কে স্বপ্নে বলতে শুনলেনঃ
قولوا لأبي عبد الله يوسِّع الماء على المسلمين
-------আবূ আব্দুল্লাহ (আল-হাকীমের উপনাম)-কে বলো, সে জেন মুসলিমদের জন্য পানির ব্যবস্থা করে।"
■■ চিঠিটা আল-হাকিম(রহঃ)কে দেখানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক নিজের বাগানে চলে যান। সেখানে একটি পুকুর খনন করে তাতে বরফ ছেড়ে দিলেন এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেন। এই ঘটনাটির বর্ণনায় এসেছেঃ
-------"এক সপ্তাহ যেতেই তার ফোসকা নিরাময় হতে শুরু করে এবং একটা পর্যায় সেগুলো সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়। তার চেহারা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে এবং এরপর সে বেঁচে থাকে আরও অনেক বছর।"
||দান সাদকা করা—এ হলো সেই ঔষধ,
যা অধিকাংশ ডাক্তার-ই অসুস্থদের
প্রেসক্রিপশনে লেখেন না||
■■ অসাধারণ একটি গ্রন্থ "তিনিই আমার রব" এর লেখক শায়খ আলী আল-ফিফি(রহঃ) তাঁর এক বন্ধুর গল্প বলেনঃ
-------"একদিন মাসজিদে যাবার পথে তিনি এ্যাক্সিডেন্ট করেন। তার মাত্র দুই বছরের ভাগ্নির ওপর চাকা উঠে গেছে। তিনি বাচ্চাটিকে বের করে দ্রুত বেগে হাসপাতালে ছুটে যান, এর মধ্যে সে মৃ|ত্যুমুখে পৌঁছে গিয়েছিল। সব দেখে ওখানের ডাক্তাররা ওর পরিবারকে জানায়, বাচ্চাটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা শতকরা বিশভাগ!
-------এর মধ্যে তাদের এক আত্মীয় উপদেশ এবং শান্তনা লাভের আশায় একজন তলিবে ইলমের কাছে ফোন করেন। সব শুনে সে বলেনঃ "একটা প|শু যবেহ করুন এবং অসুস্থ্য মেয়েটির সুস্থতার নিয়ত করে এর গোশত বিতরণ করে দিন।" তারা সেটাই করল। সবশেষে বন্ধুটি বলেনঃ
-------"ভোর হতে না হতেই আমার ভাগ্নি একদম পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়ে যায়।"
■■ ইমাম ইবনুল-কাইয়্যিম(রহঃ) বলেনঃ
------"বিভিন্ন প্রকারের বিপদাপদ দূরিকরণে দান-সাদকার প্রভাব আশ্চর্যদায়ক; যদিও দানকারী পা|পি, জা|লিম কবা কা|ফির হোক।"
■■ আল-মুনাওয়ি(রহঃ) বলেনঃ
------"সৌভাগ্যবান ব্যক্তিরাও এটা প্রয়োগ করে দেখেছেন; এবং এমন রূহানী সমাধান পেয়েছেন, যা স্পর্শনীয় ঔষধও দিতে পারে না। আর এর সতত্যা কেবলমাত্র সেই অস্বীকার করবে, যে নিজেকে সত্য দেখা থেকে পর্দাবৃত করে রাখে।"
■■ দান-সাদকা বিপদাপদ হটিয়ে দেয়, ব্যথা লাঘব করে, দুর্দশা থেকে মুক্তি দেয় এবং ভেতরে ভেতরে এমন বিস্তীর্ণ ময়দান তৈরি করে যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ কখনও মাপা যায় না!
■■ আপনি কি স্বাস্থ্য নিয়ে দুর্দশাগ্রস্ত? এখনই বসে পড়ুন এবং এই নিয়তে দান-সাদকার জন্য কিছু টাকা রেডি করে ফেলুন। আর এ কাজের জন্য শুধুমাত্র রমযান মাসই নয়, বরং যে কোন সময়ই এটা করতে যায়! বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনে আসন্ন বিপদাপদ এখনই নিশ্চিহ্ন করে ফেলুন ইন শা আল্লাহ। হযরত ইবনু আব্বাস(রাঃ) বলেনঃ
-------"আল্লাহর রসূল (ﷺ) ছিলেন(সব) মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল ব্যক্তি। কিন্তু রমযান এলে এই দান সাদকা আরও বাড়িয়ে দিতেন।"
-----(বুখারী ও মুসলিম)!!
●● ০৮]] আমাদের সমাজে কেউই
এখন আর নিরাপদ নন!!
৫৫ বছর বয়সী গৃ্হশিক্ষিকা মরিয়ম বেগম থেকে ৮ বছরের রামিশা.... কেউ কোথাও এখন আর নিরাপদ নয়! মনে হচ্ছে আমরা জা|হিলি|য়া|তের যুগে বসবাস করছি!
■■ প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, ছাত্রের বাড়িতেই মিলল গৃহশিক্ষিকা মরিয়ম বেগমের বস্তাবন্দি লা|শ। এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর পৌর এলাকার নামোশংকরবাটি চৌকাপাড়ায়। এলাকার অধিরল্যাংড়ার মোড়ের এই চরম নৃ|শংস হ|ত্যাকা|ণ্ডে স্তব্ধ স্থানীয়রা।
■■ ৫৫ বছর বয়সী গৃহশিক্ষিকা মরিয়ম বেগম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বাসায় বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের সংসার চালাতেন। সোমবার সকালে তিনি যথারীতি ছাত্রকে পড়াতে যান। কিন্তু এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের চরম উদ্বেগ, সব জায়গাতেই খোঁজাখুঁজি, থানায় জিডি.... মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত হয় অ|মান|বিক এই হ|ত্যাকা|ণ্ডটির খবর!
■■ জাতীয় জরুরী সেবা তথা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরিয়ম বেগমের বস্তাবন্দি লা|শ উদ্ধার করে। ম|রদেহের মাথা ও ঠোঁটে ছিল আঘাতের চিহ্ন, কানের দুলও ছিল ছেঁড়া। অতি আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে বাড়িতে ম|রদেহ পাওয়া গেছে, সেই বাড়ির মালিক রুবেল নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রুবেল, তার স্ত্রী সুমি খাতুন এবং এক স্বর্ণকারকে আটক করেছে পুলিশ।
■■ ধারণা মরা হচ্ছে,স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতেই এই নি|র্মম হ|ত্যাকা|ণ্ড। ইতোমধ্যে স্থানীয় এক স্বর্ণকারের কাছ থেকে মরিয়ম বেগমের দুল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।
■■ মরিয়ম বেগমের ছেলে জানান, রাতেই তিনি রুবেলের বাড়িতে গিয়ে মায়ের খোঁজ করেছিলেন। তখন রুবেল এবং তার স্ত্রী বলেঃ
-------"প্রাইভেট পড়ানো শেষ করে অনেক আগেই চলে গেছেন।" অথচ ঐসময় ঘরের ভেতরেই লুকিয়ে রাখা ছিল তার মায়ের নি|থর দেহ!
■■ একজন অসহায় গৃহশিক্ষিকার এমন নি|র্মম পরিণতি নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো দেশকে।
■■ বিচারে আদালতের রায়ে হয়তো "ফাঁ|সি"র আদেশ হবে! কিন্তু সেই রায় আদৌও কার্যকরী হবেতো?!!??
●● ইয়া আল্লাহ তা'আলা! আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা, কবুল ও হিফাযত করুন এবং দুনিয় ও আখিরাতের কামিয়াবি ও কল্যাণ দান করুন এবং হালাল ও প্রশস্ত রিযিক দান করুন এবং উত্তম ও জান্নাতী মৃ||ত্যু দান করুন এবং আমাদেরকে সুস্থ্য, সুন্দর, নিরাপদ ও ভালো রাখুন(আ-মীন)।। ❤️💖❤️
●[[২৪/০৫/২০২৬ খৃস্টাব্দ ● ১০/০২/১৪৩৩ বঙ্গাব্দ]]●
●[[০৬/১২/১৪৪৭ হিজরী ●গ্রুঃপোঃ০১||০২৮২/২৬]]●
ফজর ও মাগরিবের পরে করনীয় কিছু আমল 📿 #আজান #দোয়া #ইসলাম #নামাজে
24/05/2026
Alhamdulillah ❤️
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি পড়ুন দৈনিক ১০০ বার 📖 #আজান #দোয়া #ইসলাম #নামাজে
24/05/2026
আমিন 🤲
23/05/2026
insha'Allah ❤️
সুসন্তান লাভের দোয়া 🤲 #আজান #দোয়া #ইসলাম #নামাজে
আল্লাহর নিকট সর্বাদিক প্রিয় বাক্য📖 #আজান #দোয়া #ইসলাম #নামাজে
23/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.