07/05/2026
🚀 AI নিয়ে এখন সবচেয়ে বেশি যেটা ছড়াচ্ছে সেটা হলো — “AI চাকরি খেয়ে ফেলছে”, “সব জায়গায় Layoff হচ্ছে” ইত্যাদি।
কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
গতকাল হঠাৎ শুনলাম SELISE-এ নাকি ১০০ জন Layoff হয়েছে। পরে সিনিয়রদের সাথে কথা বলে জানলাম, খবরটা পুরোপুরি সত্য না। মূলত কয়েকজন রিসোর্স কমানো হয়েছে কারণ কিছু প্রজেক্ট বন্ধ হয়েছে। আউটসোর্সিং কোম্পানিতে এটা নতুন কিছু না — বহু বছর ধরেই এই ধরনের ওঠানামা আছে। ক্লায়েন্ট গেলে টিম ছোট হবে, নতুন ক্লায়েন্ট এলে আবার টিম বড় হবে।
আজ আবার শুনলাম Streamstech-এ নাকি AI-এর কারণে ৪০ জনকে বাদ দেয়া হয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, যেসব ক্লায়েন্ট থেকে পর্যাপ্ত revenue আসছিল না, সেসব contract বন্ধ করা হয়েছে। এটাও ব্যবসার স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। কোনো কোম্পানি দীর্ঘদিন loss দিয়ে client support চালিয়ে যাবে না।
তাই “AI চাকরি খেয়ে ফেলছে” — এই ভয় বা গুজব নিয়ে পরে থাকলে নিজেরই ক্ষতি হবে।
এসব নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে নিজের skill development-এ focus করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সত্যিটা হলো — AI সবার চাকরি নিয়ে নিচ্ছে না, কিন্তু যারা নিয়মিত নতুন কিছু শিখছে না তাদের career growth ধীর হয়ে যাচ্ছে। আগে হয়তো skill update না করলে ৫ বছর পরে সমস্যায় পড়তে হতো, এখন সেই পরিবর্তন ১ বছরের মধ্যেই দেখা যেতে পারে। এটাই মূল পার্থক্য।
বর্তমান সময়ে একজন engineer-এর সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু coding না — adaptability, communication, problem solving এবং দ্রুত নতুন technology শেখার ক্ষমতা। AI এখানে threat না, বরং leverage। যে AI-কে smartভাবে ব্যবহার করতে শিখবে, সে আরও productive হবে।
তাই নিজের উপর invest করুন।
নিয়মিত শেখার অভ্যাস তৈরি করুন।
📌 একজন Senior Engineer-এর প্রতিদিন অন্তত ২ ঘণ্টা নতুন কিছু শেখা উচিত।
📌 Mid-level Engineer-এর জন্য ৩–৪ ঘণ্টা।
📌 আর Fresher হলে যত বেশি সময় শেখার পেছনে দেয়া যায়, ততই ভালো — ৮–১০ ঘণ্টাও কম না।
Technology industry সবসময়ই change-driven।
যে পরিবর্তনের সাথে নিজেকে update করবে, ভবিষ্যৎ তারই। 💡