Preparation Guru - গণিত ও বিজ্ঞান চর্চা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Preparation Guru - গণিত ও বিজ্ঞান চর্চা

Preparation Guru - গণিত ও বিজ্ঞান চর্চা অজানাকে জানার জন্য মানুষের কৌতূহল এবং এই কৌতূহল থেকেই বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু🚀

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত❗
16/07/2026

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত❗

'ফার্মের মুরগি' নিয়ে দুটি কথাদুই সন্তানের পিতা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। এই ট্যাগিংয়ে আমার সন্তানরা খুব কষ্ট পায়...
15/07/2026

'ফার্মের মুরগি' নিয়ে দুটি কথা

দুই সন্তানের পিতা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। এই ট্যাগিংয়ে আমার সন্তানরা খুব কষ্ট পায়। ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা আমাদের সময়ে মফস্বল শহর বা গ্রামে বেড়ে উঠাদের মতো খেলাধুলার সুযোগ পায় না।

সিঙ্গাপুর থেকে ২০১২ সালে দেশে ফিরে আসি। তখন আমার এক সন্তান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

দেশে ফিরে বনশ্রীতে আবার সংসার শুরু করি। সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন আমার সন্তানের খেলাধুলার অনেক সুযোগ ছিল; নিয়মিত সাইকেল চালাত। কিন্তু দেশে ফিরে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। বন্ধু নেই, খেলার জায়গা নেই। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে শুধু কাঁদত। তার চেহারা দেখে মনে হতো, দেশে সম্ভবত আমরা সেটেল হতে পারব না। মাঝে মাঝে মনে হতো ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ছেড়ে আবার বিদেশে চলে যাই।

অবশেষে ২০১৪ সালে দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর শিক্ষকতা ছেড়ে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসে যোগ দিই এবং উত্তরায় চলে যাই। এর পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল, সন্তানরা যেন খেলাধুলা করতে পারে এবং ইসলামিক মূল্যবোধের পরিবেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পায়। তাছাড়া, ব্র্যাকেও তখন গবেষণার অনুকূল পরিবেশ ছিল না। আরও কিছু ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণও ছিল।

যাই হোক, আব্বা হঠাৎ ইন্তেকাল করার পর বসুন্ধরায় চলে আসি, কারণ সেখানে আমার ছোট ভাই থাকত। পরে সে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।

বসুন্ধরা এত বড় আবাসিক এলাকা, কিন্তু শিশুদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হয়নি। বর্তমানে এখানে গলফ কোর্সও আছে, কিন্তু শিশুরা নিরাপদে সাইকেল চালাতে পারে—এমন ফুটপাতও নেই।

বসুন্ধরার পরিকল্পনায় শিশুদের প্রয়োজনের প্রতি নূন্যতম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সরকারও এখানে কার্যকরভাবে নিজস্ব নিয়মকানুন বাস্তবায়ন করতে পারেনি। প্রতিটি ব্লকে শিশুদের জন্য খেলাধুলার জায়গা বরাদ্দ রাখা উচিত ছিল। কিন্তু এই এলাকার অনেক বাসিন্দাও কমিউনিটির স্বার্থের ব্যাপারে তেমন ভাবিত নন, আত্নকেন্দ্রিকতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

ঢাকায় বেড়ে ওঠা শিশুরা খেলাধুলার অভাবে 'ফার্মের মুরগি' তকমা পেয়েছে। তারা এক অর্থে গ্রামের শিশুদের তুলনায় বঞ্চিত। গ্রামের শিশুরা হয়তো পুষ্টির ঘাটতিতে ভোগে, কিন্তু তারা তুলনামূলকভাবে মানসিকভাবে সমৃদ্ধ, কারণ তারা প্রকৃতির সঙ্গে মিশে বড় হওয়ার সুযোগ পায়।

শিশুদের খেলার অধিকার নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণা সহযোগিতার জন্য আমাকে টানা চার মাস পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। সে সময় আমার বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বেতন বা বোনাস দেয়নি। স্কলারশিপের অর্থে অস্ট্রেলিয়ায় আমার চললেও, দেশে পরিবারের খরচ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হয়েছে।

নিজের আগ্রহ থেকেই শিশুদের শারীরিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ৬০টিরও বেশি দেশের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছি। বিশেষ করে শিশুদের ২৪-ঘণ্টার মুভমেন্ট বিহেভিয়ার—ঘুম, স্ক্রিন টাইম এবং শারীরিক কার্যক্রম—নিয়ে গবেষণা করছি।
ঢাকায় বেড়ে ওঠা শিশুরা কি ইচ্ছা করে 'ফার্মের মুরগি' হয়েছে? অবশ্যই না। এটি আমাদের নগর পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার ফল।

গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনাহীনভাবে নগরায়ণ হয়েছে, যেখানে মানুষের হাঁটার জায়গা পর্যন্ত নেই। ঢাকায় প্রায় ৪ কোটি মানুষ বাস করে, যা অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার প্রায় দেড় গুণ। অথচ আয়তনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের তুলনায় অন্তত ৫১ গুণ বড়। সেই তুলনায় ঢাকা কয়েক শত গুণ ছোট এলাকায় বিপুল জনগোষ্ঠীর বসবাস। তথ্যগুলো শুধু পরিস্থিতির ব্যাপকতা অনুধাবনের জন্য উল্লেখ করলাম।

'ফার্মের মুরগি' বানানোর কারিগর হচ্ছেন সেই রাজনীতিবিদরা, যারা জনগণের অর্থে নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়েন, অথচ নিজেদের সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
জনস্বাস্থ্য গবেষক

11/07/2026

৮৬ বিলিয়ন নিউরন, প্রতিটায় ৭,০০০ সংযোগ। মোট মিলিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্স। এই সংখ্যাটা লিখতে গেলে ১ এর পরে ১৪টা শূন্য বসাতে হবে।

​এটা কোনো AI মডেলের প্যারামিটার সংখ্যা না। এটা আপনার মাথার ভেতরে, এই মুহূর্তে, বসে থাকা সিন্যাপ্সের (Synapse) সংখ্যা।

​একতু থামেন। একটু ভাবুন!

​মাথার ভিতরের এই পুরো নেটওয়ার্কটা চলে মাত্র ২০ ওয়াট বিদ্যুতে। একটা সাধারণ LED বাল্বের চেয়েও কম শক্তিতে।

​এবার আসি সবচেয়ে বড় AI মডেলগুলোর কথায়।
​GPT-4 এর মতো মডেলে আছে প্রায় ১.৭ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার। শুনতে বিশাল লাগে, তাই না?
​কিন্তু আপনার মস্তিষ্কের ১০০ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্সের তুলনায় এটা মাত্র ১.৭%।

​আর এই ১.৭ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার চালাতে লাগে হাজার হাজার GPU, মেগাওয়াট মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, বিশাল বিশাল ডেটা সেন্টার।

​অথচ আপনার মাথার ভেতরের যন্ত্রটা, যেটা এখন এই পোস্টটা পড়ছে, বুঝছে, অনুভব করছে - সেটা চলছে একটা কাপ চায়ের energy-র চেয়েও কম শক্তিতে।
​মস্তিষ্কের synapse আর AI এর parameter একেবারে এক জিনিস না, কিন্তু scale বোঝার জন্য এই তুলনাটাই সবচেয়ে কাছাকাছি।

​তাহলে আসল কথা কী দাঁড়ালো?

​আমরা মানুষ, বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা করছি এমন একটা মেশিন বানাতে, যেটা আমাদের নিজেদের মাথার ভেতরে থাকা জিনিসটার ধারেকাছেও যেতে পারে না।
​আর সেই মাথাটা, আপনার-আমার সবার, প্রাকৃতিকভাবেই জন্মগতভাবে পাওয়া।

​মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল যন্ত্রটা এখন আপনার ঘাড়ের ওপর বসে আছে, আর আমরা সেটা নিয়ে ভাবিই না।

©

গতকাল রাতে মাকে নিয়ে মনের গহীন থেকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। মা আমার কখনোই ইন্টারনেট ব্যবহার করেননি, সেই হিসে...
09/07/2026

গতকাল রাতে মাকে নিয়ে মনের গহীন থেকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। মা আমার কখনোই ইন্টারনেট ব্যবহার করেননি, সেই হিসেবে ফেসবুকের দুনিয়া তো তাঁর কাছে বহু দূরের কথা। কিন্তু সৃষ্টির কী অপূর্ব ও রহস্যময় এক বাঁধন দেখুন! মা আর সন্তানের এই আত্মিক সম্পর্কের গভীরতা এতই নিখাদ যে, মা আমার অন্তরের খবর ঠিকই টের পেয়ে গেলেন। কীভাবে যে তিনি আমার মনের আকুতি বুঝতে পারলেন, তা আমার জানা নেই!

​আজ সারাদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তি শেষে যখন ঘরে ফিরলাম, তখন টেবিলে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল এক পরম বিস্ময়! মা পরম মমতায় পাটায় বেটে আমার প্রিয় চ্যাপা শুঁটকির ভর্তা বানিয়েছেন; সাথে ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, আলুর ভর্তা, কালোজিরার ভর্তা আর পাট শাক ভাজি। আমার কাছে এ যেন শুধুই খাবার নয়, খোদ স্বর্গীয় অমৃত!

​তৃপ্তি নিয়ে পেট ভরে খেলাম। আর আমার তৃপ্তিমুখের দিকে মা পাশে বসে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। মায়ের সেই স্নিগ্ধ চাউনি আর ভালোবাসার কাছে পৃথিবীর সব সুখই আজ তুচ্ছ।

09/07/2026

গুলি মিস হইতে পারে মাগার বাঙালিদের সন্দেহ কিন্তু আজও পর্যন্ত মিস হয় নাই😁🤣

09/07/2026

💥হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকলো। সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। নিঃসন্দেহে এটি একটি ঐতিহাসিক রায়❗

💥জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান❗
08/07/2026

💥জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান❗

💥কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জুলাই ২০২৬ ❗ গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো লাল কালিতে দাগানো আছে। শেয়ার করে আপনাদের নিজেদের টাইমলাইনে রেখে...
03/07/2026

💥কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জুলাই ২০২৬ ❗ গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো লাল কালিতে দাগানো আছে। শেয়ার করে আপনাদের নিজেদের টাইমলাইনে রেখে দিন আশা করি আপনাদের সবার উপকার হবে।

কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি Vertex - Abdul Wadud🌹

স্বপ্ন পূরণের পেছনে থাকে নীরব পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা আর মহান আল্লাহর রহমত।মিরপুর-১০ অদিতি ব্রাঞ্চে এই দম্পতির নিষ্ঠা...
29/06/2026

স্বপ্ন পূরণের পেছনে থাকে নীরব পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা আর মহান আল্লাহর রহমত।

মিরপুর-১০ অদিতি ব্রাঞ্চে এই দম্পতির নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও লড়াইকে কাছ থেকে কিছুটা হলেও দেখার সুযোগ হয়েছিলো আমার। আলহামদুলিল্লাহ, আজ সেই পরিশ্রমের সুন্দর প্রতিফলন ৪৭তম বিসিএস এ হারুন উর রশিদ সাহেব সাধারণ শিক্ষা (ইকোনমিকস) এবং তাঁর সহধর্মিণী খাদিজা ইসলাম মুন্নি প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও আইসিটি প্রস্তুতিতে তাঁরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। সেই যাত্রার ছোট্ট একটি অংশ হতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।

আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল আপনাদের দুজনের জন্য🌹

যারা আগামী বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য কথা একটাই সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

ইনশাআল্লাহ, একদিন আপনার সফলতার গল্পও অন্যদের অনুপ্রেরণা হবে❤️

অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী আরো বলেছেন- 'বাংলাদেশে এমন ভূমিকম্প হওয়ারই কথা। রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হলে সবকিছু ...
29/06/2026

অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী আরো বলেছেন- 'বাংলাদেশে এমন ভূমিকম্প হওয়ারই কথা। রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হলে সবকিছু ভেঙে পড়ার আশঙ্কা আছে।'

বাংলাদেশ বা এই ভূখণ্ডে বড় ভূমিকম্পের মধ্যে আছে ১৭৬২ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫। এটি ‘গ্রেট আরাকান আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত। এর ফলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ফেনী, এমনকি কুমিল্লা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এরপর ১৮৯৭ সালে আসামে সংঘটিত ভূমিকম্প ছিল ৮ দশমিক ৭ মাত্রার।

ঢাকা শহরে মোট ২১ লাখ ভবন আছে। এর মধ্যে ছয় লাখ ভবন ছয়তলার ওপরে। বাকিগুলো ছয়তলার নিচে। বড় ভূমিকম্প হলে এই ছয় লাখ ভবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে- বলেছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী।

Address

32/17 A
Dhaka
1400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Preparation Guru - গণিত ও বিজ্ঞান চর্চা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category