10/07/2025
এস এস সি ফলাফল ২০২৫
10/07/2025
এস এস সি ফলাফল ২০২৫
সকল এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা
05/04/2025
12/02/2023
পরে যাতে আফসোস না হয়. তাই দ্রুত রেজিস্ট্রেসন করি🙂
#গৌরবের_২৫_বছর #রজতজয়ন্তী
রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু ১ ফেব্রুয়ারী থেকে। যেকোনো কিছুতেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অর্থ ডিপার্টমেন্ট। প্রতিদিনের রেজিষ্ট্রেশন কালেকশন খরচ স্বচ্ছতার সহিত নিয়মিত আপডেট করা হবে কমিটি কে।
ফাইন্যান্স & রেজিষ্ট্রেশন টিমঃ
তৌহিদুল ইসলাম 01934861982
সালাম আহমেদ সজিব (স্কুল) 01994536325
মোহাম্মদ কালু (স্কুল) 01985632127
আল-আমীন মাহমুদ (বাজার) 01774119651
রবিন (পল্টন/বাসাবো) 01928766913
এ,কে, সজিব (গুলশান) 01985559668
মাহফুজ হোসেন (মিরপুর) 01786684801
শামীম (ডেমরা/যাত্রাবাড়ী) 01904462625
অনলাইন রেজিষ্ট্রেশনঃ
এ,কে, সজিব +8801921653886
শামিম আহমেদ +8801741645364
১৫ইং নভেম্বর বাঙ্গালি জাতি হারিয়ে ছিল এক সাহসী সন্তানকে আর শরীয়তপুর বাসী হারিয়ে ছিল তাদের গর্বের ধন মানিক কে। তিনিই শরীয়তপুরের একমাত্র সন্তান বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য যিনি পেয়েছেন বুদ্ধিজীবি সম্মাননা।
বলছিলাম শহীদ বুদ্ধিজীবি ডাঃ এ.বি. এম হুমায়ুন কবিরের কথা। শরীয়তপুরের সখিপুর থানার অধীনস্থ চরভাগা ইউনিয়নের বকাউল কান্দি গ্রামে ১৯৪৭ সালের ২২শে জানুয়ারী জম্ম গ্রহন করেছিলেন শহীদ ডাঃ এ বি এম হুমায়ুন কবির (ভুলু) বকাউল। পিতা নুরুল হক বকাউল ও মাতা বিলকিস বেগমের সাত সন্তানের মধ্যে হুমায়ুন কবির ছিলেন সবার বড়। মেধাবী ছাত্র ছিলেন ডা. এ বি এম হুমায়ুন কবীর। শিল্পী ও সমাজ সেবক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল। ভালো গিটার বাজাতে পারতেন, নাটকে অভিনয় করতেন। এ ছাড়া স্কাউটিং ও বিনা মূল্যে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবায় ছিল তাঁর উৎসাহ।
হুমায়ুন কবীর এম বিবি এস পাস করেছিলেন। বামপন্থী রাজনীতির প্রতি ছিল তাঁর আনুগত্য। মওলানা ভাসানী ছিলেন তাঁর আদর্শ। ছাত্রজীবনে এক মেয়াদে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, পূর্ণ স্বাধীনতা ছাড়া পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাত থেকে এ দেশের বাঁচার আর কোনো বিকল্প নেই। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে গ্রামের বাড়িতে থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে আহত লোকজনের চিকিৎসার ব্যাপারে উদ্যোগ নেন হুমায়ুন কবীর। মাঝে মাঝে ঢাকায় আসতেন ওষুধ নিতে। ঢাকায় এসে তিনি উঠতেন ছোট বোন শেলী আকবরের হাতিরপুলের বাসায়।
হুমায়ুন কবীর শেষবার ঢাকায় আসেন নভেম্বর মাসে। এসে বোনকে বলেছিলেন, ‘আর মনে হয় ঢাকায় আসা যাবে না। মনে হচ্ছে, কেউ আমার ওপর নজর রাখছে।’ তাঁর অনুমান মিথ্যা হয়নি। ১৫ নভেম্বর ভোর থেকেই ওই এলাকায় ছিল কারফিউ। রাস্তায় বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এদেশীয় দোসর আলবদররা অবস্থান নিয়েছিল। এটা দেখে তাঁর মনে হয়েছিল, তাঁকে ধরার জন্যই হয়তো কারফিউ দেওয়া হয়েছে।
সেদিন সকালে হুমায়ুন কবীরের বোনের প্রতিবেশী ডা. আজহারুল হককে (তাঁর সঙ্গে শহীদ) নেওয়ার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স আসার কথা ছিল। এটা জেনে ওই অ্যাম্বুলেন্সে চলে যাওয়া নিরাপদ ভেবে তিনি তাঁর সঙ্গে বেরিয়ে পড়েন। তাঁরা বাড়ির সামনে নিচে অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় আলবদররা তাঁকে ও ডা. আজহারুল হককে ধরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরদিন ১৬ নভেম্বর নটর ডেম কলেজের কাছে কালভার্টের নিচে তাঁদের চোখ, হাত ও পা বাঁধা বিকৃত মরদেহ পাওয়া যায়। হুমায়ুন কবীরের ছোট বোন শেলী আকবরের ‘আমার ভাই’ রচনা থেকে এ সম্পর্কে জানা যায়। শেলী আকবর লিখেছেন, ‘নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি ঢাকায় আসেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ধরার জন্য ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় কার্ফু দিয়ে তল্লাশী চালানো হতো। পনেরই নভেম্বর ভোর পাঁচটা থেকে কার্ফু দিয়ে হাতিরপুল এলাকা ঘেরাও করা হয়। ঘেরাও করে কুখ্যাত আলবদর আলশামস বাহিনী। মিয়াভাই বুঝতে পেরেছিলেন যে, তল্লাশীতে তিনি ধরা পড়তে পারেন। তিনি বাসা থেকে পালিয়ে যাবার জন্য অস্থির হয়ে ওঠেন। এ সময়ে আমাদের প্রতিবেশী ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহকারী সার্জন ডাঃ আজহারুল হককে নেয়ার জন্য হাসপাতাল থেকে এ্যাম্বুলেন্স পাঠায়। সেই এ্যাম্বুলেন্সে মিয়াভাইও যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। পরে জানতে পারি, আলবদর নরপশুরা এ্যাম্বুলেন্স ভেতরে ঢুকতে দেয়নি।
‘কার্ফু তুলে নেওয়ার পর মেডিকেল কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা গেল ডাঃ হক ও মিয়াভাই হাসপাতালে যাননি। আমার স্বামী দিশাহারা হয়ে তাঁর একজন সহকর্মীকে নিয়ে বিভিন্ন থানায় খোঁজখবর করতে থাকেন। পরদিন সকালে মিয়াভাই ও ডাঃ হকের বিকৃত লাশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মর্গ থেকে লাশ নিয়ে কোনো রকমে জানাজা পড়ে রাতের কার্ফুর আগেই আজিমপুর গোরস্থানে তাঁদের সমাহিত করা হয়।’ (স্মৃতি: ১৯৭১, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম প্রকাশ ১৯৮৯, সম্পাদনা রশীদ হায়দার)।
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার শখিপুর থানাধীন চরভাগা বকাউলকান্দি গ্রামে ১৯৪৭ সালের ২২ জানুয়ারি এ বি এম হুমায়ুন কবীরের জন্ম। বাবা নূরুল হক সরকার, মা বিলকিস বেগম। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন তিনি। চাঁদপুর জেলার মতলব হাইস্কুল থেকে ১৯৬৩ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে প্রথম বিভাগে আইএসসি পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এমবিবিএস পাস করার পর ইন্টার্নশিপ শুরু করার আগেই শুরু হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ। তিনি অবিবাহিত ছিলেন।
সূত্র: প্রকৌশলী ওয়াসেল কবীর (এ বি এম হুমায়ুন কবীরের ছোট ভাই)।
প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষীগন,
আসসালামু আলাইকুম।আপনাদের ভালবাসায় আমরা আজ সিক্ত। সেই স্কুল জীবন থেকে শুরু, আজও আপনারা দুহাত দিয়ে আগলে রেখেছেন আমাদেরকে।আমারা যে একটি পরিবারর সদস্য এবং আমাদের সম্পর্ক যে কখনো শেষ হবার নয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।ধন্যবাদ সবাইকে যারা আমাদেরকে ফোন দিয়ে অথবা ম্যাসেজ দিয়ে নিয়মিত আমাদের আয়োজন(ইফতার ও দোয়ার মাহফিল এবং পুনর্মিলনী ২০১৮) সম্পর্কে খোঁজ খবর নিচ্ছেন।আশা করি এভাবে সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন যাতে করে আমরা আমাদের আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারি।
কৃতজ্ঞতায়,
এস এস সি ব্যাচ ২০১১।
প্রিয়ঙ্গন,
আপনাকে শুভেচ্ছা। কাছে ও দূর দুরান্তে অত্যান্ত কর্মব্যাস্ত আমাদের শ্রদ্ধেয় এবং স্নেহের সকলকে জানাই রমজানুল মোবারক।আপনাদের সকলের দোয়া ও সহোগিতায় এস এস সি ব্যাচ ২০১১ এবার ইফতার ও দোয়ার মাহফিল এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে। আমাদের সকল সিনিয়র ভাইদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ২৮ রমজান, ১৪জুন ২০১৮,রোজ বৃহস্পতিবার আমাদের প্রানের বিদ্যালয়ে এই ইফতার মাহফিল এবং পুনর্মিলনী আয়োজনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। শিকড়ের টানে আপনি ও চলে আসুন আমাদের এই মিলনমেলায়।আপনার আগমনে পূর্নতা পাবে আমাদের সবাইকে একত্রিত করার এই প্রচেষ্টা।আপনাদের উপস্থিতিতে আমাদের প্রানের বিদ্যালয় আনন্দে কেঁদে উঠবে তার অতীতকে স্মৃতিচারন করে। সে ও হয়তো তখন মুখ ফুটে তার আনন্দের কথা বলতে চাইবে। আপনি কেন দূরে থাকবেন আপনার আদরের, স্নেহের ভাই বোনদের এই মিলন মেলা থেকে।আপনারাইতো আমাদের অনুপ্রেরনা। আপনাদের দেখানো পথেই তো আমরা হাটছি।আপনাদের ছাড়া কিভাবে পূর্নতা পাবো আমরা,আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজন। যতটুকু সম্ভব আমরা সবার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি,আমরা হয়তো সবার সাথে যোগাযোগ করতে পারি নাই। আপনারা আমাদের এই ব্যার্থতাকে সুন্দর ও ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আপানারা আমাদের অভিভাবক হয়ে, দায়িত্ব নিয়ে সহযোগিতা করে আপনাদের নিজ নিজ ব্যাচের সকলের সাথে যোগাযোগ করে সবার কাছে আমাদের এই নিমন্ত্রন পৌঁছে দিবেন এবং আমাদের পক্ষ থেকে সবাইকে আসার জন্য অনুরোধ করবেন।
নিয়মিতি পেইজে এই আয়োজন নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা এবং আপনাদেরগুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন,আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।
অবশেষে আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজনকে সফল করার জন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি।
আদনান আহাম্মেদ (০১৭৬৫৫৮৪৯৯৫)
আলী আজগর (০১৬৮৫৫১৫৪৯৫)
এস এস সি ব্যাচ ২০১১
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাঃ হুমায়ুন কবির উচ্চ বিদ্যালয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাঃ হুমায়ুন কবির উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি -২০১৮ এর ফলাফল:
মোট পরীক্ষার্থী : ১৫০
কৃতকার্য : ১৩৭
জি পি এ -৫ : ১০
গোল্ডেন জি পি এ ৫= ০৭