Emam Diary

Emam Diary

Share

Speech therapy for child

Photos from Emam Diary's post 27/04/2026

আসসালামু আলাইকুম। একটা সময় শুধু মনে হতো আল্লাহ আমার ছেলেটা যেনো নিজের কথাগুলো আমাকে বলতে পারে, সেটা ইশারা দিয়ে হোক বা মুখে বলে হোক। আল্লাহর অশেষ রহমতে নিয়মিত থেরাপি দেওয়ার কারণে কথা বলতে পারে সব কিছু বুঝাইতে পারে নিজে নিজেই প্লেন বানাইছে। কত মানুষের কত কথা তোমার ছেলের কথা শুনে না বোবা, কানে শুনে না নাকি। আজ তারা নিজেদের এইসব অহংকারমূলক কথার জবাব নিজেরাই পেয়ে গেছে.আমি আমার কষ্টের প্রতিদান পেয়ে গেছি। আল্লাহ তার বান্দাকে কোনদিন ফিরিয়ে দেয় না বারবার প্রমাণ পেয়ে গেছি। শুধু চেষ্টা করতে হয়। বাইরে থেরাপি দেওয়ার কোন প্রয়োজন নাই নিজের মা যদি বাচ্চাকে নিয়মিত থেরাপি দেয় ফলোআপে রাখে বেশি উপকার হয়।অনেকে আমাকে বারবার প্রশ্ন করেন যে কোথায় থেরাপি দিয়েছি আমি বারবার আপনাদেরকে বলেছি যে আমি নিজেই বাসায় থেরাপি দেই। বাইরে প্রথমদিকে দেড় মাস থেরাপি দিয়ে যখন কোন উপকার পাইনি আপনারা জানবেন যে থেরাপি টা কত ব্যয়বহুল সবার পক্ষে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ করাও সম্ভব না তাহলে আপনি এতগুলো টাকা খরচ করে যখন কোন উপকার না পাবেন তখন তো বিকল্প পদ্ধতি করতেই হবে তখন থেকে নিজে নিজে বাসায় থেরাপি দিয়েছি।শুকরিয়া আল্লাহর দরবারে সফলতা পেয়েছি। তাই আপনারা কোন দিকে কান না দিয়ে সবসময় পজিটিভ ভাবেন এবং নিজের চেষ্টা নিজে করে যান। আল্লাহ হাফেজ।

Photos from Emam Diary's post 25/04/2026

দুই ভাইয়ের খুনসুটি,,,,, স্পেশাল বাচ্চাদের ভাই -বোন থাকলে ওদের উন্নতি তাড়াতাড়ি হয়।আগে একা বাসায় থাকতেই চাইত না।সারাক্ষণ বাসার বাইরে ঘুরতে যেতে চাইত।মাশাল্লাহ ভাই হওয়ার পর কোথাও যাওয়ার বাইনা নাই।দুই ভাইয়ের কি গভীর ভালবাসা। একজন আরেক জন ছাড়া থাকতে পারে না। স্পেশাল বাচচাকে তার ভাই বোন সম্পর্কে সবসময় পজিটিভ কথা বলতে হবে। এই বাচচার সামনে যখন আর একটা বাচচাকে আপনি বেশি আদর,কেয়ার দেখাবেন তখন স্পেশাল বাচচা কেন অনেক সময় নরমাল বাচ্চারাও রাগ,জেদ,অভিযোগ,কান্নাকাটি বেড়ে যায়।তাই অবশ্যই স্পেশাল বাচচাকে আগে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যে বাচচাটা আগে খেলা জিনিসটা কি বুঝত না।এখন সে কি সুন্দর একা একা খেলে, বন্ধুদের সাথে খেলে দেখলে প্রানটা জুড়িয়ে যায়। লুকিয়ে পিক তুলতে হয়।সব বুঝে। পিক তুলে ফেসবুকে দিব তাই পিক উঠাতে দেয় না।এ পর্যন্ত যা কিছু হয়েছে তার জন্য শুকরিয়া মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে। ইমাম কে নিয়ে আপনারা চাইলে লাইভে আসব।যদি ও ক্যামেরার কাছে আসতে চাই বে না তাও চেষ্টা করা যেতে পারে।কি বলেন????

23/04/2026

সবাই কেমন আছেন। আমি অসুস্থ তাই ইমাম রে স্কুলে নিয়ে যেতে পারিনি। বেচারার মন খারাপ তাই বাসায় লেখাপড়া করছে। একজন আপু কমেন্ট করছে ইমামকে দেখে সুস্থ লাগে। এখানে কি বলব আপনারাই বলেন। যেসব বাচ্চা দের স্পিচ ডিলে, সোশ্যাল কমিউনিকেশন জিরো, আই কন্টাক্ট কম, হাই পার অ্যাক্টিভিটি বেশি, ডাকলে সাড়া দেয় না, কোন কিছু বোঝেনা এমন সমস্যা যেসব বাচ্চাদের তাদের দেখে কি বুঝার উপায় আছে???? আমি তো বলিনি ফিজিক্যালি আমার বাচ্চার কোন সমস্যা আছে??? এই সমস্যাগুলো যেসব বাচ্চাদের আছে তারা কি অটিজমের ভিতরে পড়ে না??? দয়া করে আপনারাই কমেন্ট বক্সে উত্তরগুলো দিয়ে যাবেন??দুই বছর বয়স থেকে বাচ্চার ট্রিটমেন্ট শুরু করছি এখন পাঁচ বছর পাঁচ মাস চলে এই সাড়ে তিনটা বছর কিভাবে যে আমার বাচ্চাটার পেছনে সময় ব্যয় করছি সেটা আমার আল্লাহ আর আমি জানি। আর জানে আমার মত যে সব মায়ের বাচ্চাদের এই সমস্যাগুলো আছে তারা।আমার খুব কাছের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব।সবার তো থেরাপি দেওয়ার মতো সামর্থ্য থাকে না শুধু ডক্টর ফলোয়ারের পাশাপাশি নিজে এই সাড়ে তিনটা বছর মানে ২৪ ঘন্টার ভিতর ১৬ ঘন্টায় ওকে থেরাপির উপর রাখছি। উন্নতি তো এমনি এমনি হয় নাই আল্লাহর রহমত ছিল আমার উপর আর ছিল আমার অক্লান্ত পরিশ্রম। এই নিয়ে আমার পেজে আগে একটা পোস্ট দেওয়া ছিল আপনি থেরাপিস্টের কাছে 40 মিনিট বা ১ ঘন্টা থেরাপি দিবেন একবার দিনে আর বাচ্চার কোন খোঁজ খবর রাখলেন না সংসার,অন্য বাচচা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন অথচ অন্যজন বাচ্চাকে সময় দিচ্ছে , থেরাপি গুলো বাসায় নিজে বারবার বাচ্চাকে দিচ্ছে তাতে বাচচা সুস্থ হচ্ছে এটা কি স্বাভাবিক না???





Autism Speaks

Photos from Emam Diary's post 21/04/2026

আপনার মাঝে আজকের দিনের ইমামের হোমওয়ার্ক খাতার পিক শেয়ার করলাম। সবাই মাশাল্লাহ বলে যাবেন।স্পেশাল বাচ্চা বলে কিছু পারবে না যাদের ধারণা তাদের জন্য আমি মনে করি এটা একটু হলে ও সাহস জোগাবে। একদিন ডক্টর নিজে আমায় বলেছিল আমার কলিজা টা নাকি পড়াশোনা করতে পারবে না।ওর সমবয়সী বাচ্চাদের থেকে ২ বছর পিছিয়ে থাকবে। আল্লাহর রহমতে আর আমার চেষ্টায় আমার কলিজা এখন ৫ বছর ৫ মাস বয়সে এতটা ইম্প্রুভ করেছে। সবকিছু বোঝে মাশাল্লাহ। এই বয়সে নিজের সব কাজ নিজে নিজে করে। আমার তো মনে হয় ওর সমবয়সী বাচ্চারাও ওর মত এতকিছু করে না।আমি আমার রবের প্রতি কৃতজ্ঞ।মহান রাব্বুল আলামীন চাইলে সব কিছু সম্ভব। ডাক্তার বা অন্য মানুষের কথা শুনে আপনারা কেউ প্লিজ হাল ছাড়বেন না,লেগে থাকবেন শেষ সময় পর্যন্ত।

Photos from Emam Diary's post 20/04/2026

আসসালামু আলাইকুম। বাচ্চা স্পেশাল বলে বাচ্চাকে নরমাল স্কুল নাকি স্পেশাল স্কুলে দেবো অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন।এই জিনিসটা আসলে নির্ভর করে বাচ্চা আপনার কতটা ডেভেলপ হয়েছে নরমাল স্কুলে বাচ্চাদের সাথে মিশতে পারবে কিনা তার উপর। একটা সময় ছিল যে ইমাম কিছুই বুঝতো না মানে ডাকলে তো সাড়া দিতোই না আমাকে পর্যন্ত চিনতে পারত না পরে আস্তে আস্তে ওষুধ, ডক্টর চেকআপ এবং হোম থেরাপির মাধ্যমে যখন সে একটু আগের থেকে ভালো অনুভব করলো পাঁচ বছর তিন মাস বয়সে আমি ইমামকে নরমাল স্কুলে দেই। মাশাল্লাহ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর যে বাচ্চাটা পেন্সিল হতে পারত না সে বাচ্চাটা এখন নিয়মিত হোমওয়ার্ক করে আমি কাছে না থাকলেও একা একা করতে পারে। আর কথা বলার যে জড়তা সেটা অনেকাংশে কমে গেছে ইমাম এখন শব্দ বলা থেকে বাক্য বলতে শুরু করছে। স্কুলে কয়েকজন বন্ধু মিলে ছোট একটা পিকনিক। সেই ছবি গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত জানতে চাইলে বলব।স্পেশাল বাচ্চা যখন নরমাল বাচ্চাদের সাথে নরমাল স্কুলে দেওয়া হয় তখন সে অন্য সব বাচ্চাদেরকে দেখে পড়ালেখা বলেন কথা বলার যে জড়তা এই জিনিসগুলো অনেকটা কমে যায় বুদ্ধি বিবেচনা বেড়ে যায়। ইমামের মাসাল্লাহ স্কুলে দেওয়ার পর থেকে অনেকটা উন্নতি হইছে। সবাই ইমামের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ হাফেজ 🥰🥰🥰🥰

Photos from Emam Diary's post 13/04/2026

আসসালামু আলাইকুম। আজকে ইমামের স্কুল এ ভর্তি হওয়ার পরের রুটিন আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।মাশাল্লাহ স্কুলে যাওয়ার কথা শুনলেই ঘুম থেকে ওঠে পড়ে। ওই সময় আমি সকাল আর দুপুরের রান্না সেরে ফেলি।বাবুদের নাস্তা ও রেড়ি করি।আর বাবুর বাবা ছোট ছেলে রে নিয়ে থাকে। ইমাম সরাসরি টয়লেটে যায়।তারপর নিজে নিজেই ব্রাশ করে খাবার খায়। তার পর ছোট ছেলে রে খাওয়াতে বসি।ওর বাবা অফিস এ চলে যায়। ইমাম স্কুল ড্রেস ও জুতা পরে রেডি ব্যাগ নিয়ে। আমি হালকা কিছু খেয়ে ছোট ছেলে কে রেডি করে বের হয় ইমাম কে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ইমাম ই আমার জুতা আর সাইট ব্যাগ নিয়ে দরজায় দাড়িয়ে থাকে এরপর রুমে তালা দিয়ে স্কুলের উদ্দেশ্য বের হই।যদি ও ইমাম ওর স্কুল চিনে একা যাইতে পারবে কিন্তু গাড়ি যার জন্য আমি নিয়ে যাই।৮-১০ স্কুল। এরপর এসে ফ্রেশ হয়ে সকালের খাবার খাই।ইমামের ওষুধ খাওয়ায়১১ বাজে।দুই ভাই খেলাধুলা শুরু করে ১২-১ পর্যন্ত। আমি কাপড় ধোঁয়া, রুম পরিষ্কার করি আরও যেসব কাজ থাকে আর কি।তারপর ছোট ছেলে রে গোসল করে রুমে আনি আর ইমাম তখন গোসলে যায়। এরপর ছোট ছেলে যদি ঘুমায় তো ঘমাল না হলে ওরে কোলে নিয়ে ইমাম রে হোমওয়ার্ক করায়।তারপর ৩০ মিনিট থেরাপি চলে। ওহ যেহেতু সব বুঝে এখন আর ওর সাথে খেলতে হয়না।তাই মুখের ম্যাসেজ বা ব্যায়াম গুলো শুধু করায়।তারপর ৩-৫ টা বা ৬ পর্যন্ত ঘুমায় দুই ভাই।বিকালে ঘুম থেকে ওঠে নাস্তা করে দুই ভাই বাবার সাথে বাইরে যায়৭ টার দিকে ৮ -৩০পর্যন্ত বাইরে ঘুরে। আমি সেই ফাঁকে রান্না সহ আরও যেসব কাজ থাকে করে রাখি।ওরা আসলে সবাই বসে হালকা নাস্তা খেলা আর আড্ডা চলে। ৯ -৩০ এর দিকে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ে কারণ সকালে স্কুল। মাশাল্লাহ ওষুধ ছাড়ায় ভালো ঘুম হয় ইমামের। সবাই ইমামের সুস্থ তার জন্য দোয়া করবেন। অবশ্যই কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করবেন। আল্লাহ হাফেজ। 🥰🥰🥰🥰

09/04/2026

আসসালামু আলাইকুম। ইমামের ডেইলি রুটিন টা দুই রকমের হয়ে গেছে। স্কুলে ভর্তি করে দেওয়ার আগে রুটিন চলত একরকম। স্কুলে ভর্তি করে দেওয়ার পরে রুটিন টা অন্যরকম হয়ে গেছে। তো ওর রুটিনটা আমি দুই ভাগে ভাগ করতে চাচ্ছি। যেসব বাচ্চারা স্কুলে যায় না এখনো পাঁচ বছরের নিচে আজকে আমি ইমামের স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগের রুটিনটা শেয়ার করব তাদের জন্য।
ডেইলি রুটিন ১🥰🥰🥰
আমি সকালে ঘুম থেকে ওঠা শুরু করে রাত পর্যন্ত ওকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ও যা যা করে আমি সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব।সকাল ৫ টায় ওঠে নামাজ শেষ করে সকাল এবং দুপুরের রান্না করে নিতাম।ও শুয়ে থাকত সেই ফাঁকে। সকাল ৭-৮ টার ভেতর ঘুম থেকে ওঠে। নিজে নিজে ব্রাশে পেস্ট নিয়ে ব্রাশ করে।এরপর আধা ঘণ্টার মত ওর বাবার সাথে ঘুরতে যায়। তারপর সকালে ভাতের সাথে সবজি,মাছ, ডিম অথবা মাংসের তরকারি যেটা কিনা আমরা সবাই খায় ওইটা দিয়ে সকালের খাবার খায়।তারপর ৩০-৪০ মিনিটের মত বাসায় আমি থেরাপি দেই। এরপর ইমাম আবার হালকা খাবার বাসায় যেগুলো খেতে পছন্দ করে খেয়ে নেয়। মাশাল্লাহ আমার ছেলেটা খেতে খুব পছন্দ করে। তারপর ১০ টার দিকে বাসায় তালাচাবি দিয়ে মা ছেলে বাইরে ঘুরতে যাই।কারণ ইমাম রুমে থাকতে চাই না।পাশের বাসায় ছোট বাচ্চা থাকলে খেলে।এখানে একটা কথা যারা আমার মত স্পেশাল চাইল্ড এর বাবা-মা আছেন তারা বুঝতে পারবেন এইসব বাচচার সাথে অনেক গার্ডিয়ান আছে তাদের বাচ্চাকে খেলতে দিতে চায় না। মন খারাপ করার মত কথা তাদের কাছে অভাব নাইএমনকি রুমে ঢুকতে দিতেও চায়না। তাই বাচচাকে নিয়ে রাস্তায় হাটতাম।আলহামদুলিল্লাহ আমি যে এরিয়ায় থাকি এখানে অনেক বাচচা মাঠে, রাস্তার পাশে খেলাধুলা করে। ওইখানে ইমাম খেলতো আমি দাঁড়িয়ে থাকতাম। অনেক এ আবার ওর পবলেমের কথা শুনে বলত আমাদের বাসায় বাচচা আছে এখানে নিয়ে আসেন খেলাধুলা করুক। এভাবে ১২-১ টার দিকে মা ছেলে বাসায় আসতাম। তারপর ইমামকে গোসল করিয়ে কিছু একটা খাবার দিয়ে টিভি দেখতে দিয়ে আমি ঘরের কাজ শেষ করে, গোসল সেরে ওকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেতাম। তারপর আবার ৪০ মিনিট এর মত থেরাপি দিতাম। এর ভেতর ওর ক্লান্ত শরীরে ঘুম চলে আসত।৫-৬ পর্যন্ত ঘুমাত।ডাক্তার কিন্তু ঘুমের ওষুধ কন্টিনিউ করতে বলতো কিন্তু আমি ওকে ঘুমের ওষুধ দিতাম না ও এমনিতে ভালো ঘুমাতোএর ভেতর ওর বাবা অফিস থেকে এসে যেত বাবাকে দেখেই বাইরে ঘুরতে যাওয়ার বায়না, বেচারা কোনমত হালকা কিছু খেয়ে ছেলে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যেত।সেই ফাঁকে রাতের রান্না করতাম। বিকালের নাস্তা বানাতাম। ৮ টার পর্যন্ত ঘুরত।বাসায় এসেই নাস্তা খেত বাবা ছেলে। কারণ বাইরের খাবার আমরা সবাই কম খাই।তারপর বাবার সাথে আর আমার সাথে খেলতো।রাতে ২০-৩০ মিনিট আবার ওর বাবা থেরাপি দিত।১০ টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে ১১ টার দিকে ঘুমাত ইমাম।এই রুটিন ছিলো ওর স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে ২-৫ বছর পর্যন্ত। রাতে মাশাল্লাহ ভালো ঘুম হত।সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ ❤️❤️❤️❤️❤️

Photos from Emam Diary's post 08/04/2026

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন।ছবিতে একটু খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন ইমামের (আসমিত) মনোযোগ কি পরিমাণ বেড়ে গেছে। এক সময় যে বাচ্চা ডাকলে সাড়া দিত না,সব সময় হাইপার, কোন কিছু বুঝতে পারতো না এমনকি আমি যে ওর মা বা ওর বাবা আমাদের ও চিনত না। ২৪ ঘন্টা একজন সবমসময় পাশে থাকা লাগত।আজ সেই ছোট ভাইরে দেখে রাখে আলহামদুলিল্লাহ। সবাই কে ডাকে। এমনকি একা একা স্কুলে যেতে পারে। এখন আর হারিয়ে যাওয়ার ভয় নাই। ওহ একটা কথা ইমাম কিন্তু ৩ বার হারিয়ে ও গেছিল😭😭😭।এমনকি আমার কাছের মানুষ জন বলছে ছোট ছেলের কাছে ইমামকে আসতে না দিতে ওহ নাকি ভাইয়ের ক্ষতি করবে আমি সবার কথার বাইরে যেয়ে ইমাম কে বুঝাই এটা তোমার ভাই, আদর করবা সবসময়, দেখে রাখবা,খেলা করবা।আলহামদুলিল্লাহ এখন দুই ভাই একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতে পারে না, তুলে তুলে খাওয়ায় ছোট ভাইকে। মানুষের ইচ্ছা শক্তিই সবকিছু। কতজন মেসেজ করে বলে সংসার সামলায় অনেক বাচ্চা আছে তাদেরকে দেখতে হয় সেজন্য বাচ্চার থেরাপি দিতে পারি না। আপনাদেরকে বাইরে থেরাপির পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে চেষ্টা করতে হবে বাসায় দুই বেলা মা অথবা বাবাকে থেরাপি দেওয়ার।আমি বারবার বলছি এক ঘন্টা থেরাপি দেওয়াই বা সপ্তাহে দুই তিনদিন থেরাপি দেওয়া হয় বাচ্চার উন্নতি সম্ভব না।আপনি মা আপনাকে তো একটু কষ্ট করতেই হবে আপনার সাথে বাচ্চা ২৪ টা ঘন্টা থাকে আপনি ২৪ টা ঘন্টার ভিতরে তিন ঘন্টা সময় বের করে শুধুমাত্র বাচ্চাকে দিতে পারবেন না আমি ভাড়া বাসায় থেকে একা দুইটা বাচ্চাকে সামলায় সংসারও সামলায়।এই কি শুধু নিজেকে সময় দিতে পারি না, নিজের যত্ন নিতে পারি না তাতে আমার কোন আফসোস নাই ।আল্লাহর রহমতে আমি যদিও কখনো অসুস্থ হয়ে যাই হাজবেন্ড এবং আমার ইমাম আমার যত্ন নেয় তাতেই আমি সুস্থ হয়ে যায়। আপনারা যদি ইমামের ডেইলি রুটিনটা চান আপনাদেরকে ওর রুটিনটা শেয়ার করব, চাইলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন,,,,,,, ভালো থাকুক সব বাচ্চারা। আল্লাহ হাফেজ 🥰🥰🥰🥰

Photos from Emam Diary's post 06/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ। সব প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামিনের জন্য। যার অসীম দয়ায় আমার ছেলে এতগুলো সমস্যা থেকে সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন অনেক কিছু নিজেই বলতে পারে। চাইতে পারে, কিছু জিজ্ঞেস করলে তার উত্তর দেয়।বাক্য বলতে ও শুরু করেছে। ৫ বছর ৫ মাস বয়সে নিজের সব কাজ নিজে করতে শিখে গেছে। যেখানে অনেক সুস্থ বাচ্চা নিজের কাজ নিজে করে না মাকে করে দিতে হয় সেখানে ইমাম নিজের সব কাজ করার পরও আমাকে অনেক কাজে সাহায্য করে।ছোট ভাইকে পটি পরিস্কার করা থেকে শুরু করে প্যান্ট পরানো সব কাজে মাকে সাহায্য করে । হাত ধরে স্কুলে নিয়ে যেতে হয়না।আমার পিছনে একা একা যাই।পরিশেষে একটা কথাই বলবো অনেক ডাক্তার অথবা আপনার আশে পাশের মানুষজন বলবে আপনার ছেলে ওর সমবয়সী বাচ্চা থেকে দুই বছর পিছিয়ে থাকবে আপনার ছেলে আর কখনোই সুস্থ হবে না পুরোপুরি, তাদের কথায় কান না দিয়ে নিজের চেষ্টা নিজে করে যান একদিন আল্লাহ অবশ্যই আপনার মনের ইচ্ছা পূরণ করবে। ইনশাআল্লাহ,,,, ❤️❤️❤️❤️❤️❤️

Photos from Emam Diary's post 31/03/2026

যখন তার (ইমাম)এর সব থেকে পছন্দের রেসিপি তৈরি হয় (কেক)🎂🍰🧁।

Photos from Emam Diary's post 29/03/2026

এবার রোজার ঈদে ইমাম(আসমিত)

Photos from Emam Diary's post 08/03/2026

মাশাল্লাহ ইমাম এখন না দেখে স্বরবর্ণ লিখতে পারে। আগামীকাল বাংলা পরীক্ষা সবাই ইমামের (আসমিত)জন্য দোয়া করবেন. ❤️❤️❤️❤️

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Bogura
Dhaka
5890