09/05/2026
আর মাত্র ১ মাস বাকি। সাদা ডা না সবুজ ডা?
জানা-অজানা, অদ্ভুত, এবং সত্য কিছু ঘটনা ?
09/05/2026
আর মাত্র ১ মাস বাকি। সাদা ডা না সবুজ ডা?
বাংলাদেশের বাইরে এই পর্যন্ত ১৭ টি দেশে যাওয়া হয়েছে। কর্মসূত্রে ইউরোপের একটি দেশে এক বছরের বেশি সময় থাকাও হয়েছে। বিশ্বাস করেন, যেকোনো বিদেশির সাথে এরকম হেরেজমেন্ট করলে ইউরোপে আপনাকে পুলিশ ধরে থানায় নিয়ে যাবে। কিন্তু এই দেশে কিছুই হবে না। আগেও কখনও হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না। এটাই আমাদের দেশের নিষ্ঠুর বাস্তবতা। 🙏
21/04/2026
গতকাল চীনা রেস্টুরেন্ট থেকে অর্ডার ডেলিভারি দিতে গিয়ে এমন এক অভিজ্ঞতা হলো, যা এখনো মাথা থেকে যাচ্ছে না।
অর্ডারটি দিতে গিয়ে বলা হলো ১৮ তলায় উঠতে হবে। কিন্তু রাত ৮টার পর অফিসিয়ালি দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তাই আমি কাস্টমারকে নিচে আসতে বলি। ২–৩ মিনিট পর দেখি, তিনি নিজেই নিচে নেমে এলেন। আর তখনই বুঝলাম—এটা কোনো সাধারণ কাস্টমার না, তিনি ছিলেন স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
আমি সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজের খাবার নিজেই নিতে এতটা স্বাভাবিকভাবে, এতটা ভদ্রভাবে নিচে নেমে আসতে পারেন এটা দেখে অনেক কিছু শিখলাম। না ছিল অতিরিক্ত আড়ম্বর, না ছিল কোনো আলাদা ভাব; একদম সাধারণ একজন মানুষের মতো, শান্ত, ভদ্র, সহজ-সরল।
আর তখনই মনে হলো, ক্ষমতা মানে শুধু পদবি না—শালীনতা, বিনয় আর সাধারণ মানুষের মতো থাকা-ই আসল বড় পরিচয়।
দেশের মানুষদের কথা ভাবলে আরও বেশি কষ্ট হয়। কোথাও একজন কাউন্সিলরের সঙ্গে দেখা করতেও কত মানুষ, কত ধাপ পেরোতে হয়। আর এখানে একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী কতটা সহজভাবে, কতটা মানবিকভাবে নিজের জীবনটা চালিয়ে যাচ্ছেন—এটাই সত্যিকারের পার্থক্য।
মূল পোস্ট: আসিফ আহমেদ
01/04/2026
Bangladesh is not for the beginners bro 🥱🥱🥱
সমাজে প্রায়ই শুনেন যে ১ বছরের নিচের বাচ্চাকে রে*প করা হয়েছে! এখানে দেখেন এরা কু*কুরকেও ছাড়ে না!! এদের কাছে কেউ কিভাবে নিরাপদ থাকবে?
অস্বীকার করে লাভ নাই কিন্তু এরকম বন্ধু সবারই একটা না একটা আছে যে কাজের চেয়ে আকাজ বেশি করে|| 😬
এটা বাংলাদেশ! এখানে আপনি শান্তিতে কোনো কাজ করতে পারবেন না!
ছেলেটা হাগু করার সময় মেয়েটি তাকে সাহায্য করছিলো। এইসময়ে এসে এমন অত্যাচারের মানে হয়?!? 😇😁
28/03/2026
আরেকটি অতি দুঃখজনক ঘটনা 😓😓😓
গ্রিসের উপকূলে রাবারের নৌকায় টানা ছয় দিন ভেসে থাকার পর অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইউরোপে পৌঁছাতে মানুষ যে ঝুঁকি নিচ্ছে, এই ঘটনা আবারও সেই বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের বর্ণনা ও কোস্টগার্ডের বিবৃতির ভিত্তিতে জানা যায়, ২২ জনের মৃত্যু হয় এবং তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
কোস্টগার্ড জানায়, বেঁচে থাকা দুইজনকে ক্রিট দ্বীপের হেরাক্লিওন শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, নৌকাটি ২১ মার্চ পূর্ব লিবিয়ার বন্দরনগরী তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয়ের আশায় অনেক অভিবাসীর জন্য গ্রিস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার।
কোস্টগার্ড জানায়, “যাত্রাপথে যাত্রীরা দিক হারিয়ে ফেলেন এবং খাবার ও পানীয় ছাড়াই ছয় দিন সমুদ্রে ভাসতে থাকেন।”
তারা আরও জানায়, মৃতদের মরদেহ একজন মানবপাচারকারীর নির্দেশে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গ্রিক কর্তৃপক্ষ ১৯ ও ২২ বছর বয়সী দক্ষিণ সুদানের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মানবপাচারকারী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এদিকে, গ্রিক কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি জাহাজ ক্রিট দ্বীপের কাছে থেকে একজন নারী ও এক শিশুসহ ২৬ জনকে উদ্ধার করেছে।
প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টা করে।
সবচেয়ে দুঃখজনক খবর শুনবেন?
মারা যাওয়া ঐ ২২ জনের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশী 😓😓
ছবিঃ এআই
27/03/2026
কোটি কোটি ডলারের মার্কেটিং বাজেট দিয়েও...
কেন KFC, McDonald's সৌদি আরবে ‘আল-বাইক’-এর ধারেকাছে ঘেঁষতে পারছে না?
কারন, আপনার ব্যবসার পার্টনার যখন স্বয়ং ‘আল্লাহ’ হন,
তখন দুনিয়ার কোনো কম্পিটিশন আপনাকে থামাতে পারবে না।
KFC, McDonald’s এর মতো গ্লোবাল জায়ান্টরা যখন কোনো দেশে ঢোকে,
তখন লোকাল চেইনগুলো সাধারণত অস্তিত্ব সংকটে ভোগে।
কিন্তু সৌদি আরবে সিনারিওটা পুরো উল্টো।
সেখানে আল-বাইক (Al-Baik) স্রেফ একটা লোকাল রেস্টুরেন্ট চেইন,
KFC, McDonald’s কে ছাড়িয়ে দূর্দান্ত বিজনেস করে যাচ্ছে।
কিন্তু আল-বাইকের এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার পেছনের রহস্য কি?
অনেকেই ভাবেন,সিক্রেট গার্লিক সস কিংবা কম দাম।
কিন্তু গভীরে গিয়ে খুঁজলে দেখা যায়,
এই সাম্রাজ্যের ভিত্তি কোনো রেসিপি নয়,
বরং ৪৮ বছর আগের একটা ‘সিক্রেট ডিল’।
গল্পটা শুরু ১৯৭৪ সালে।
শাকুর আবু গাজালা (Shakur Abu Ghazalah) জেদ্দায় একটি পুরনো গুদামঘর ভাড়া নিয়ে শুরু করেন চিকেন ব্রোস্টের ব্যবসা।
তখনকার দিনে সৌদিতে ব্রোস্টেড চিকেন অতটা পরিচিত ছিল না।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ব্যবসাটা যখন একটু দাঁড়াতে শুরু করেছে,
ঠিক তখনই শাকুর আবু গাজালা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
পাহাড়সম ঋণ আর...
একদিকে জেদ্দায় তখন ৪০০ এর বেশি চিকেন ব্রোস্টের দোকান।
এই অবস্থায় হাল ধরলেন তার দুই ছেলে ইহসান এবং রামি।
বিজনেস লজিক বলে, যখন আপনি লসে থাকবেন বা দেনায় ডুবে থাকবেন,
তখন খরচ কমানো উচিত।
কিন্তু তারা তাদের বাবার শুরু করা একটি কঠিন নিয়ম পালন করে আসছিলেন:
"প্রতিটি মিল বা চিকেন বিক্রি থেকে ১ রিয়াল চ্যারিটিতে দান করা হবে।"
ব্যবসা হোক বা না হোক,
পকেটে টাকা থাকুক বা না থাকুক এই ১ রিয়ালের প্রতিজ্ঞা থেকে তারা সরেননি।
তৎকালীন জেদ্দায় যখন চরম কম্পিটিশন,
বড় বড় চেইন শপগুলো মার্কেটিংয়ে টাকা ঢালছে,
তখন আল-বাইক নীরবে তাদের আয়ের একটা বড় অংশ দান করে দিচ্ছিল।
আল-বাইকের সাকসেসের পেছনে কোনো ‘Secret Sauce’ কাজ করেনি,
কাজ করেছে সেই ১ রিয়ালের ‘বরকত’।
কারণ তারা জানতেন,
দুনিয়ার বাজারে লস হলেও,
আল্লাহর সাথে করা ডিলে কখনো লস হয় না।
আজকের কর্পোরেট দুনিয়ায় আমরা শুধু ROI (Return on Investment) খুঁজি।
কিন্তু আল-বাইক আমাদের শেখায়,
ব্যবসার পেছনে যদি সততা আর মানবতার কল্যাণ থাকে,
তবে সেই ব্র্যান্ডকে হারানোর ক্ষমতা কারো নেই।
আজ সৌদি আরব ছাড়িয়ে...
আল-বাইক বাহরাইন, দুবাই এমনকি পাকিস্তানেও নিজেদের ডানা মেলছে।
আপনার কাছে যেটা স্রেফ ১ টাকা,
আল্লাহর রাস্তায় সেটা হয়তো কয়েক বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গড়ার চাবিকাঠি।
27/03/2026
গত কয়েকদিনে দেশের তেলের বাজার নিয়ে যা চলছে, তা কোনো সিনেমার স্ক্রিপ্টকেও হার মানাবে। তেলের এই ‘লুকোচুরি’ খেলার কিছু বাস্তব চিত্র:
১. ‘তেল নেই’ নাটকের অন্তরালে: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে একটি পাম্পে বড় করে ব্যানার ঝোলানো ছিল—‘তেল নেই’। কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দেখা গেল, মাটির নিচের ট্যাংকে মজুদ আছে প্রায় ৯,৭৮৩ লিটার জ্বালানি! ফলাফল? বড় অংকের জরিমানা।
২. পাম্পে দাঁড়িয়ে তেল কেনানো: বান্দরবানে মজুদ থাকা সত্ত্বেও তেল দিচ্ছিল না পাম্পগুলো। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য নিজেই পাম্পে দাঁড়িয়ে থেকে মজুদ তেল সাধারণ মানুষের মাঝে সরবরাহে বাধ্য করেন।
৩. আতঙ্কিত কেনাকাটা বনাম রেশনিং: সরকার বলছে ১ মাসের তেল আছে, কিন্তু পাম্প মালিকরা বলছেন সরবরাহ নেই। এই সুযোগে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ৫ লিটারের জায়গায় ৫০ লিটার কিনে মজুদ করছে, ফলে একদিনের তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে ২ ঘণ্টায়!
৪. পুরস্কারের ঘোষণা: তেল লুকিয়ে রেখে যারা কৃত্রিম সংকট বানাচ্ছে, তাদের তথ্য দিলেই এখন মিলবে নগদ পুরস্কার। সরকার এখন রীতিমতো ‘ডিটেকটিভ’ মোডে আছে!
৫. যুদ্ধের দোহাই ও সিন্ডিকেট: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার নাম ভাঙিয়ে একদল অসাধু ব্যবসায়ী তেলের দাম বাড়ানোর স্বপ্নে বিভোর। যদিও সরকার এখনো খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ায়নি এবং প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।
উপসংহার: সমস্যা কি আসলে তেলের অভাব, নাকি আমাদের নৈতিকতার অভাব? তেল মাটির নিচে নয়, বরং মানুষের চাহিদায় ফিরুক!