01/08/2018
Barnamala Adarsha High School and College
situated at Dania,Dhaka
01/08/2018
18/07/2018
https://plus.google.com/b/103205257268367358683/103205257268367358683
Barnamala Adarsha High School & College - Google+ Educational Institution
06/05/2018
বর্নমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এর সম্পূর্ণ রেজাল্ট
Appeard- 705; Passed - 695; Percentage of Pass- 98.58; GPA5 : 153
২০১৭ শিক্ষাবর্ষে J.S.C তে ৩২২ টি A+ সহ পাশের হার ১০০%।
অসাম্প্রদায়িক দেশ বাংলাদেশ তা আজ আবার দেখলাম।
আজ ঢাকার তাঁতিবাজারে গিয়েছিলাম ছোট বোনের পুরনো রুপার নূপুর ওয়াশ করাতে। একটা হিন্দু মালিকানাধীন দোকানে কাজটা করাতে দিলাম।
সময় তখন ৫.৩০ মনিট। দোকানের চায়ারে বসে আছি। এরই মধ্যে দেখি দোকানের মালিক এক কর্মচারীকে বলছে ইফতারিতে কি কি আনতে হবে। এবং কোন দোকান থেকে কি আনবে তাও বলে দিচ্ছে।
জিজ্ঞাসা করলাম, তারা ইফতার নিয়মিত করে কিনা?
বলে প্রতিদিনি তারা ইফতার করে সবাই এক সাথে।
এমনকি তাঁতি বাজারের প্রতিটি দোকানেই নাকি ইফতার চলে পুরো রোজার মাস ধরে।
৬.১০ মিনিট। আমি এখনো কাজ শেষ হওয়ার জন্য বসে আছি। তাদের ইফতারের আয়োজন শেষ, কিন্তু অপেক্ষা করছে আজানের জন্য। আশ্চর্য হলাম, ইফতার করছে না হয় শখে, কিন্তু তাও আজানের অপেক্ষায় বসে আছে। বিষয়টা খুবই ভালো লাগলো।
দোকানের টিভিতে পাকিস্থান - ইংল্যন্ডের খেলা চলছে। দেখি পাকিস্থান ভালো কিছু করলেই তারা খুশি হচ্ছে। ইংল্যন্ডের উইকেট পড়লেই তারা আরো খুশি হচ্ছে।
বুঝলাম তারা পাকিস্থানের সাপোর্টার। কিন্তু আমাদের দেশে তো হিন্দু মানি মালাউন, ইন্ডিয়া বলা হয়। তবে তারা কেন পাকিস্থানের সাপোর্ট করছে?
বুঝলাম না বিষয়টা!!
এদিকে আমি নিজে রোজা রেখেছি, তাই আমার নিজের ইফতারের ব্যবস্থা করতে হবে। ইফতারের ১৫ মিনিট আগে আমার কাজ শেষ হয়ে গেল। আমি দাম পরিশোধ করে যেতে চাইলে তারা আমাকে যেতে দিল না। বলল তাদের সাথে ইফতার করে যেতে হবে। বেশ কয়েক বার না করার পরে মালিকের অনুরোধে শেষে তাদের সাথে ইফতার করতে বাধ্য হলাম।
রোজা ভাঙ্গা হলো তাদের দোকানের পানি পান করে।
আমার ইফতার হবে তাদের সাথে, আমি কখনো ভাবতেও পারি নি।
এরই নাম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। মুষ্টি কয়েক লোক যারা ব্যাক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য এদেশে সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্যের উস্কানি দেয়।
জাতিতে জাতিতে ঘটায় দাঙ্গা, ফেসাদ এবং রক্তপাত।
আমাদের সকলে মিলে এদের প্রতিহত করা উচিৎ।
14/06/2017
সেদিন দেখি ফার্মগেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গাড়ি উল্টো দিক দিয়ে আসছে...অামি রীতিমতো অবাক হয়ে গেলাম..আমার সাথের অন্য কলিগরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস উল্টো পথে যাওয়া নিয়ে আমাকে টিপ্পনী কাটা শুরু করলো...আমার আসলে কোন যুক্তি ছিলো না..নীরবে হজম করা ছাড়া..বসে বসে ভাবছি এই যে জ্যামের মধ্যে সবাই যেখানে গলদঘর্ম সেখানে এতোগুলো ছাত্র বীরদর্পে উল্টো পথে চলে যাচ্ছে ট্রাফিক নিয়মের তোয়াক্কা না করে...কারো কি একটু লজ্জাও লাগছে না...ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে তো আমাদেরি লজ্জা লাগছে...নাকি পড়াশোনার মানের পাশাপাশি লজ্জাটাও কমে গেছে..,তবে আজ অনলাইনে একটা লেখা দেখে লজ্জা যে কমে গেছে তা নিষ্চিত হলাম..জনৈক ছাত্র এই উল্টোপথে গাড়ি চলার হাজারটা মানবিক কারণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন...তার লেখা পড়ে আর তার বোধবুদ্ধি দেখে আমি অবাক হলাম...চোর দূর্ণীতিবাজ খুনি সহ সহ সকল অন্যায়কারীর কোন না কোন পয়েন্ট অব ভিউ থাকেই থাকে..তাই বলে কি আমরা সেই অন্যায়টাকে মেনে নিবো...?? এ কেমন কথা..অন্যায়তো অন্যায়ই...
কি আর বলবো ছাত্রদের সুমতি হোক...নগরবাসীকে তারা আর না হাসাক সেই কামনা করছি.....
যারা স্কুল কলেজ পাশ করে ফেলেছো তারা কে কোথায় পড়ছো বা কি করছো কমেন্টে জানাও তো দেখি।
কেমন আছো সবাই?
মহাখালী রুপায়নের যেই বিল্ডিংটা আছে..সেখানে মাছরাঙা প্রোডাকশন হাউজের মিটিং সেরে বিকেলের দিকে মোগলাই খেতে নীচে নেমে পাশের হোটেলে বসলাম..কোথাও কোন জায়গা নেই...দেখি একটা কোনার টেবিলে দুজন মহিলা আর একটি বাচ্চা ছেলে বসেছে..অন্য পাশে খালি..আমিও বসলাম..
.......মোগলাই বানানো হচ্ছে...হঠাৎ খেয়াল করি দুজন একি প্লেট থেকে ভাত ডালে মেখে দুপাশ থেকে খাচ্ছে...অন্য কোন তরকারী নেই..বৃদ্ধাটি আবার ছোট বাচ্চাকে খাই্রয়ে দিচ্ছে...হোটেলে একি প্লেটে থেকে এভাবে দুজনের একসাথে ভাত খাওয়ার দৃশ্য আমি কখনো দেখিনি...উইয়ার্ড..এবং দেখতেও কেমন যেনো লাগছে...অস্বস্তিকর...
......কারণ জিজ্ঞেস করতেই জানা গেলো তাদের কাছে এক প্লেট ভাত আর ডাল খাওয়ার টাকাই আছে...তাও তারা খেতো না, কিন্তু বৃদ্ধার নাকি পেটে ব্যাথার জন্য হাটতে পারছে না..আর বাচ্চাটাও কাদছে...আমি বেয়ারাকে তাদের আরো এক প্লেট ভাত আর দুটো মুরগী দিতে বললাম...তারা মুরগী নিতেই চাইলো না...তবুও আমার অনুরোধে শেষে একটা মুরগী দিয়ে খেতে লাগলো...কিন্তু বৃদ্ধা একটু পরপরই বলতে লাগলো আপনার অনেক খরচ করিয়ে দিলাম বাবা....
....কথা বলে যা জানতে পারলাম এরা উত্তরবঙ্গ থেকে এসেছেে বৃদ্ধার মেয়েকে কোন এক বাসায় কাজে দিতে। কিন্তু ঠিকানা লেখা কাগজটা হারিয়ে ফেলেছে...কথা ছিলো মেয়েকে বাসায় দিলে তারপর মালিক তাকে যাওয়া আসার ভাড়া সহ ১০০০টাকা দিবে...সেই টাকা দিয়ে সে বাড়ি ফিরে আসবে...কিন্তু এখন তাদের কাছে ৪০ টাকা বাদে কোন টাকাই নেই...
কিভাবে বাড়ি ফিরবেন জিজ্ঞেস করতেই এক অদ্ভুত তখ্য জানলাম..কাওরান বাজার থেকে রাতের বেলা উত্তরবঙ্গের ট্রাক ছাড়ে..৫০ টাকা লাগে মাথাপিছু..সব মিলিয়ে তাদের লাগবে ১৫০টাকার মতো..কিভাবে যে কি করবে বুঝতে পারছে না...আমি কিছু টাকা দিয়ে বললাম এতো কষ্ট করার দরকার নাই...মহাখালী গিয়ে বাসে করে চলে যান...আপত্তি করলেও শেষে নিলো..এবং অদ্ভুত কৃতজ্ঞচিত্তে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো....
......কিন্তু আমার জন্য সবচেয়ে বড় চমক বাকী ছিলো তখনো.....খাওয়া শেষ করে বিল দিতে গিয়ে দেখি ম্যানেজার আমার টাকা নিচ্ছে না....বললো‘‘ ভাই আপনি খালি একলাই খাওয়াইবেন...আমরা পারুম না..যান বিল দিতে হইবো না.....এবার আমি কৃতজ্ঞচি্ত্তে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম...
**** আমি সবসময় বিশ্বাস করি আমাদের দেশ এমন একটা দেশ যেই দেশে পকেটে ১টা টাকা না থাকলেও...আপনি না খেয়ে মরবেন না....কেউ না কেউ আপনার পাশে দাড়াবেই...আমরা অনেক বেশি সহানুভুতিশীল..অনেক বেশী অন্যের দু:খে কাঁদতে পারা জাতি.....
Courtesy : Mezbah Uddin Sumon
আজ হঠাত চশমাটা ভেঙ্গে যাওয়ার পর #ইয়ার_হোসেন স্যার এর কথা মনে পড়লো ।
হায়রে... স্যারএর হাতে কি যে জোড় ছিল -_-
যেদিন স্যার এর হাতে থাপ্পড়টা খেলাম সেদিন মনে হয়ে ছিল ,
ইস, যদি আমি Tarikul এর মতো লম্বা হতাম!!! :3 :P
Memory from 2010 batch
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1236