নিমিষেই শেষ। মালাইশিয়া।
MRH HASAN
I am nothing without creator. I love peace. I love people. I want to try always good attitude.
ছুটি, তবুও একটি দিন ঝরে যাচ্ছে,জীবন থেকে।
আর কতদিন আছে তা জানার অযোগ্য ।
ভিন্ন দুনিয়া দেখার সখ যাগে কিন্তু অন্তর টা এখনো ভিতু।
কারণ যোগ্য ব্যাক্তি ছাড়া সে জগতে সম্ভব নই টিকে থাকা,
অসংখ্য বিপদ যেখানে অবস্থান করছে।
আমরা অনেকেই চিন্তা করি, ভুল ত্রুটি হলে, আপন নফস কে সান্ত্বনা দিয়ে থাকি, স্রস্টা কে বলবো যে এই,,এই কারণে ভুল করেছি, নিছক বাহানা দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করব,
আসলেই কি এমন টা ঘটবি??
আসলেই কি স্রস্টা কে সামনে সামনে পাবেন??
আসলেই কি দেখতে পাবেন??
আমার তো মনে হইনা।
স্রস্টা তো সাহায্য করেন, এই গ্রহেও তার আধিপত্য আছে, কিন্তু আমরা তো দেখি না।
তার অসংখ্য ফেরেস্তা নিয়োজিত আছে এই ক্ষুদ্র গ্রহকে পরিচালিত করার জন্য, আমরা দেখি না।
ঠিক একই ভাবেই আমি মনে করে সেদিন, না থাকবে কোনো সাহায্যকারী , আর না আপনি কারো কাছে সাহায্য চাইবেন।
সেদিন শুধুমাত্রই আপনার কর্মের উপর ভিত্তি করে স্রস্টা আপনাকে পথ দেখাবে,
বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থে অনেক কথাই প্রকাশ পেয়েছি
কিন্তু আসলেই কি আমরা সেই কথার মূল ব্যাখ্যা উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছি?
আমার তো মনে হই না।
আমরা পেরেছি
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি,
আর পেয়েছি অহংকার, দাম্ভিকতা,
যা আমাদের অন্তর কে ধংশ করে ফেলছে।
ধর্ম সৃষ্টির উদ্দেশ্য আসলে কি, আমরা কি গভীরভাবে, ভেবেছি??
ভাবলেউ কত সময়?
আপনার প্রস্তুতকৃত যন্ত্রের ও ধর্ম আছে,
যে আপনার উদ্দেশ্য কে বাস্তবরূপে রুপান্তর করে চলাই তার ধর্ম।
আর এই মানুষের ধর্ম কি???
আমার তো মনে হই,
১ নিজের দেহ ও অন্তর কে সঠিক ধারায় পরিচালনা
আর এর উপর ভিত্তি করে সামাজিক ও রাষ্ট্রের
হুকুম মেনে শান্তি স্থাপন করাই মানুষের ধর্ম।
কিন্তু সঠিক নিয়ম কে জানাবে এই গ্রহের মানুষ কে??
জানিয়েছেন স্রস্টা তার বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন প্রতিনিধি পাঠিয়ে।
যাদের আমরা বলি,
নবী রাসুল, আবার কেউ সেই প্রতিনিধি দের কে স্রস্টার উপাধি দিয়ে থাকে,
আবার কেউ সেই প্রতিনিধি দেরকে, মানুষ কিনবা স্রস্টা না বলে
ভিন্ন নামে আক্ষাইত করে।
তবে সেই প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য কি আমরা বুঝতে সক্ষম হয়েছি??
তাদের কথার ভুল ব্যাখ্যা ও নিজেদের গভীর আবেগ দিয়ে বিভিন্ন ধর্মের সৃষ্টি করেছি।
সর্বশক্তিমান,সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্ব উত্তম প্রভুর সাথে
তারই সৃষ্টি কে তার সাথে শরিক করা শুরু করেছি
কতই না মন্দ কাজে লিপ্ত আমরা
সবকিছুই তারই সৃষ্টি মেনে নিয়ে তার কাছে , তার প্রতিনিধি দের অনুসরন করে চলা উচিৎ,
অবশ্য তাদের কথার ভুল ত্রুটি ও আমাদের কাছে এসেছে,
তবে আমাদের
মানুষ জাতির মস্তিষ্ক স্রস্টা প্রসস্থ করেছেন,
যাকে বলি আমরা বিজ্ঞান।
যাকে বলা যেতে পারে দাড়িপাল্লা যা সঠিক মাপ দিতে সক্ষমতা রাখে পুরোপুরি না হলেও, দিতে পারে
আমার মাথাই রাখা উচিৎ যে, মানুষের জ্ঞান স্রস্টা দেওয়া (বিজ্ঞান)
যখন এই ক্ষুদ্র গ্রহে প্রথম ভূপৃষ্ঠ হয়েছিলাম।
যদি আপন মনে করা ব্যাক্তিরা সাহায্য না করতো তবে
খুব সীমিত সময়ই ছিলো যা বিপদ দ্বারা প্রভাবিত।
আর ঐখানে আপন মনে করা লোক গুলিও
আপন চিন্তাই ব্যস্ত, না চিনা আছে কোনো পথ।না কেউ সাহায্য কারী।
ভুল ত্রুটি হতে পারে, আবার আপনার মনেও হতে পারে।
প্রকৃত ভুলের জন্ন্যে ক্ষমা পার্থী,
আর মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়।
আমার চিন্তার কিছু অংশ তুলে ধরলাম
আপাতত লিখতে ভালো লাগছিনা তাই এখন ছেড়ে দিলাম।
৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ এম আর এইচ৷৷৷৷৷৷৷
মনের ভাব কিছুটা প্রকাশ করি তাছাড়া কিছু না।
৫ টি বিষয়ে, অনুমান ও দুর্বল প্রমাণ দ্বারা কাউকে কষ্ট দিয়ে
নিজের সম্মানহানি ও লাঞ্চিত ছাড়া আর কিছুই পাওয়া সম্ভব না।যদিও ভাবনা যে, সে নিজেকে জ্ঞ্যানী ও পান্ডিত্য অর্জনের দিকে ধাবিত করতেছে,
আসলেই কি তাই?
............।
আপনি যদি বলতেই তার উপকারের জন্য চান,,,তবে ২ টা পদ্ধতিতে পারেন আমি মনে করি
১তবে আপনাকে অবশ্যই সহনশীল ও খুব সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে বলা যেতে পারে।আর যদি এই মেধা বা অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে,আমি বলবো চুপ থাকুন। হইতো ভালো চাচ্ছেন আপনি,কিন্ত ভালোর চেয়ে খারাপ ঘটার সম্ভাবনাটাই বেশি।
২ এমন ব্যক্তির কাছে বলুন (যিনি সহনশীল ও সুন্দর জ্ঞানের অধিকারী )যার কথা সে মান্য করে,কিনবা করতে বাধ্য।
আশা করা যাই আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে।
১ অন্যের স্রষ্টাকে নিয়ে না বুঝে অপবাদ দেওয়া ও গিবত করা।
২ অন্যের মাতা ও পিতাকে নিয়ে না বুঝে অপবাদ দেওয়া ও গিবত করা।
৩ অন্যের স্ত্রীকে ও স্বামীকে নিয়ে না বুঝে অপবাদ দেওয়া ও গিবত করা।
৪ অন্যের যেকোনো প্রিয় ব্যক্তিকে না বুঝে অপবাদ দেওয়া ও গিবত করা।
৫ অন্যের ইবাদত ও কাজ কে সরাসরি না বুঝে অপবাদ ও গিবত করে হাসি তামাশা করা
অবশ্য, বিষয়বস্তু আরও আছে আপাতত এটা লিখিত হলো
আমি একজন অতি নগন্য ও সাধারণ মানুষ
কথা ও লেখার মাঝে ত্রুটি থাকতেই পারে
তবে ত্রুটি গুলি আমার জন্য
আর আপনার পচন্দ গুলি আপনার।
লাইক, কমেন্ট,শেয়ার
এটা আমার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করছি না
এসব আপনার ঐচ্ছিক দায়িত্ব বলে মনে করি
এম আর এইচ হাসান
সত্যের সন্ধানে
হতাশ হবেন না, চিন্তা, দুশ-চিন্তা,হলে কি করবেন??আসুন দেখি.
থামিয়ে থামিয়ে পড়ুন
ইবলিশ পর্বঃ- ৩
ইবলিশ পর্বঃ- ০২
থামিয়ে থামিয়ে বাংলাগুলি পড়ুন
আল্লাহ ইবলিশ শ্বাইতান কে কেন সৃষ্টি করেছেন? ইবলিশ পর্বঃ-০১
Click here to claim your Sponsored Listing.