Hasibul Islam Nirob

Hasibul Islam Nirob

Share

Create your own path. verified
Love to take pictures because pictures or words of human mind

22/11/2023

Data pipelines are a fundamental component of managing and processing data efficiently within modern systems. These pipelines typically encompass 5 predominant phases: Collect, Ingest, Store, Compute, and Consume.

1. Collect:
Data is acquired from data stores, data streams, and applications, sourced remotely from devices, applications, or business systems.

2. Ingest:
During the ingestion process, data is loaded into systems and organized within event queues.

3. Store:
Post ingestion, organized data is stored in data warehouses, data lakes, and data lakehouses, along with various systems like databases, ensuring post-ingestion storage.

4. Compute:
Data undergoes aggregation, cleansing, and manipulation to conform to company standards, including tasks such as format conversion, data compression, and partitioning. This phase employs both batch and stream processing techniques.

5. Consume:
Processed data is made available for consumption through analytics and visualization tools, operational data stores, decision engines, user-facing applications, dashboards, data science, machine learning services, business intelligence, and self-service analytics.

23/10/2023

স্মার্টফোন ফুটস্টেপ পরিমাপ করে মূলত 'অ্যাকসিলারোমিটার' এবং 'জাইরোস্কোপ' এই দুই সেন্সরের সাহায্যে।
সময়ের সাপেক্ষে কত বেগে চলছি তা পরিমাপ করে অ্যাকসিলারোমিটার সেন্সর, এবং দিক নির্ণয়ের জন্যে ব্যবহার করা হয় জাইরোস্কোপ।

20/05/2023

দেশি সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির যতো প্রতিবন্ধকতা !
-----------------------------------------------------------------
সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশে খুব বেশি পুরাতন না হলেও গত ২০ বছরে এটি অনেক বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে বড় হচ্ছে। বাধাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি গার্মেন্টস বা বিদেশে মানবসম্পদের মতো বড় একটি উপার্জন খাত হবে। আমার লেখাটির প্রধান উদ্দেশ্য লোকাল সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির বাধাগুলো চিহ্নিত করা- যাতে বিষয়গুলোর সমাধানের উদ্যোগ নেয়া যায়।

🟩যথাযথ ইনভেস্টমেন্ট না হওয়া:
আমাদের দেশে সফটওয়্যার প্রোডাক্ট বা প্লাটফর্মে পর্যাপ্ত ইনভেস্টমেন্ট হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা যায়-
> আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বাজার তথ্য না থাকা।
> দক্ষ এবং উচ্চ মানসম্পন্ন বিজনেস প্রফেশনালের অভাব।
> বিভিন্ন কারণে বড় গ্রুপ প্রতিষ্ঠানগুলোর সফটওয়্যার ব্যবসায়ে অনীহা।
> বেশিরভাগই ইঞ্জিনিয়ারদের গড়া স্টার্টআপ, যারা ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টে অদক্ষ।
> ব্যাংক ফাইন্যান্সের অভাব।
> সর্বোপরি সফটওয়্যার ইন্টেঞ্জিবল হওয়া।

🟩 দক্ষ ও মানসম্পন্ন কর্মীর অভাব:
আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের ক্যারিয়ার সিলেকশন ও তৈরি যথারীতি ভুল হচ্ছে। কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া বেশির ভাগ স্টুডেন্টই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। এ বিষয়ে পড়ে অনেক ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং পোস্টের জন্য কিভাবে তৈরি হওয়া যায়, সেই জ্ঞানের অভাব। যার ফলে পড়ালেখা শেষ করে স্টুডেন্টরা বলছে জব পাচ্ছে না। অন্যদিকে সফটওয়্যার কোম্পানি তার জন্য যোগ্য কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না।পর্যাপ্ত পরিমাণ আইটি কোম্পানি থাকার পরও এস্টাব্লিশমেন্টের অভাবে অন্য বিষয় থেকে পড়াশোনা করা প্রফেশনালরা সফটওয়্যার কোম্পানিতে আসার প্রবণতা খুবই কম। এছাড়া সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সিনিয়রের অভাবে নতুন প্রফেশনালরা এটাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে ভয় পাচ্ছে।

🟩 অপরিকল্পিত সফটওয়্যার কোম্পানি গড়ে তোলা:
অপরিকল্পিতভাবে সফটওয়্যার কোম্পানি শুরু হচ্ছে প্রতিনিয়ত, যেখানে উন্নত দেশে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া কোন সফটওয়্যার কোম্পানি শুরু হয় না। এই অপরিকল্পিত সফটওয়্যারকোম্পানিগুলো সব ধরনের প্রোডাক্ট ও সার্ভিস বিক্রি করার চেষ্টা করে- যার ফলে বাজারে অনিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা, মূল্যবৈচিত্র এবং দিন শেষে কাস্টমার ট্রাস্ট নষ্ট হচ্ছে। এই হুজুগ থেকে আমরা বের হতে না পারলে সফটওয়্যার বাজার আরো নষ্ট হয়ে পড়বে।সফটওয়্যার এমন একটি ব্যবসা, যা কোন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা দিয়ে করা সম্ভব নয়। অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা জরুরি। যার অভাবে আমরা দেখতে পাই- একটি কোম্পানি এক ধরনের সার্ভিস থেকে আরেক ধরনের সার্ভিসে দ্রুত শিফট হয়ে যাচ্ছে, তার মানে প্রথম সার্ভিস ব্যবসার পরিকল্পনাটি দীর্ঘমেয়াদী ছিল না। যে কোন ব্যবসায় ভিশনারি হওয়ার জন্য ধৈর্যশীলতা ও কঠিন মনোবল প্রয়োজন। আজকে যাদেরকে ৪০-৪৫ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে দেখছেন; তাদের হিস্ট্রি পড়লে দেখা যায়, ওদের দক্ষতার সঙ্গে মানসিক শক্তি ও ধৈর্যশীলতা তাদেরকে আজকের দিনে উপনীত করেছে।

🟩 ব্যবসাকে সার্ভিস ওরিয়েন্টেড না করতে পারা:
দেশের অধিকাংশ সফটওয়্যার কোম্পানি প্রথম কয়েক বছর বেশ কিছু কাস্টমারের কাছে সফটওয়্যার দিচ্ছে। কিন্তু এক বা অধিক বছর পর কাস্টমারগুলোকে সার্ভিস-সাপোর্ট দেয়ার অবস্থায় থাকছে না। বেশিরভাগ সফটওয়্যারের আর্কিটেকচার এবং কোম্পানির অবকাঠামো পরবর্তীতে কাস্টমার সাপোর্ট দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকছে না, দিন শেষে সফটওয়্যারগুলো ফেল করছে। ফলে কাস্টমার সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর উপর ট্রাস্ট হারাচ্ছে। অন্যদিকে সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো কাস্টমারের দোষ দিচ্ছে। সর্বোপরি সফটওয়্যার বাজারের বাধাগুলোর মধ্যে সার্ভিস ওরিয়েন্টেড না হওয়া অনেক মুখ্য কারণ। প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং বাজারজাত করার সময় সর্বনিম্ন ২০ বছর সার্ভিস দেওয়ার কথা চিন্তা করা উচিত।

🟩 টেকনো-কমার্শিয়াল পার্টনারশীপে সফটওয়্যার কোম্পানি তৈরি না করা:
আমাদের দেশের বেশির ভাগ পুরাতন সফটওয়্যার কোম্পানি বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকদের হাতে তৈরি। নতুন কোম্পানিগুলোর টেকনোলজি ব্যাকগ্রাউন্ডের কিন্তু সফটওয়্যার কোম্পানি তৈরি করা উচিত টেকনো-কমার্শিয়াল পার্টনারশিপে। যাতে প্রোডাক্ট তৈরি, বাজারজাত, লিগাল, রিস্ক ও অ্যাগ্রিমেন্টের বিষয়গুলো চালানোর অবস্থা থাকা।কম্পেটিটর প্রোডাক্ট ও বাজার এনালাইসিস না করা: লোকাল সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল কম্পেটিটর এনালাইসিস না করে প্রোডাক্ট তৈরি ও বাজারজাত করা শুরু করে। পরে বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে না। একটি বিষয় মাথায় রাখা উচিত- সফটওয়্যার ব্যবসার আলটিমেট কম্পেটিটর মাইক্রোসফট, গুগল, ওরাকলের মতো বড়ো কোম্পানিগুলো। সুতরাং সফটওয়্যার মার্কেট ন্যাচার ও কম্পেটিটর এনালাইসিস না করে ব্যবসায় আসা উচিত নয়।

🟩 পর্যাপ্ত সার্টিফিকেশন না থাকা:
লোকাল সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর কোয়ালিটি, সিকিউরিটি ও প্রসেস সার্টিফিকেশন না থাকার কারণে এসব বিষয়ে দুর্বলতা এবং সর্বোপরি ক্লায়েন্ট বিশ্বস্ততা হারানো দৈনন্দিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🟩 ক্লায়েন্ট থেকে বাধা
আমাদের দেশীয় ক্লায়েন্ট কোম্পানিগুলোর অল্প কিছু ব্যতীত বাকিরা সফটওয়্যার ও আইটি সার্ভিস ক্রয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা দেখাতে পারছেন না। সচেতনতা ও দক্ষতার অভাবে তারা যা কিনছেন তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। সফটওয়্যার, ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি এবং আইটি সার্ভিস কেনার ক্ষেত্রে চেকলিস্ট যথেষ্ট ভিন্ন এবং সেটা জানা না থাকলে সফটওয়্যার ভেন্ডরদের সঙ্গে খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ে বিতর্ক হতে থাকে- যার একপর্যায়ে সম্পর্ক নষ্ট হয়, ফলে ক্লায়েন্ট ডাটা নিয়ে বিপদে পড়ে যায়।

🟩 নন-স্ট্যান্ডার্ড বিজনেস প্রসেস:
ছোট বা মাঝারি কোম্পানিগুলো নন-স্ট্যান্ডার্ড বিজনেস প্রসেসে কাজ করে কিন্তু সফটওয়্যারে আসতে গেলে তাদেরকে স্ট্যান্ডার্ড ফরমেটে আসার ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা পোহাতে হয়। এর কারণে অনেক ক্লায়েন্ট স্ট্যান্ডার্ড সফটওয়্যার না কিনে কাস্টম অর্ডার দিয়ে সফটওয়্যার তৈরি করিয়ে নেয় কোনো টিম বা কোম্পানি থেকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই কাস্টম সফটওয়্যারগুলোর আপডেট ও মেইনটেনেন্স খুবই কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।

🟩 ক্লায়েন্ট কোম্পানিতে আইটি জ্ঞানের স্বল্পতা: কোম্পানিগুলোতে দেখা যায় একটি সফটওয়্যার নিতে তাদের প্রফেশনালরা অনেক ভয় পায়। তারা মনে করে তাদের আইটি ডিপার্টমেন্ট ক্ষমতাশীল হয়ে তাদের পজিশন দুর্বল করবে (এটা নিয়ে অনেকে সুযোগও নিচ্ছে)। কিন্তু এটা শুধু আইটি বোঝার ভুল- সফটওয়্যার সিস্টেমের কারণে কারো পজিশন বা দায়িত্ব বদলাবে না বরং দায়িত্ব পালনে অনেক সহায়ক হবে।

🟩 এডুকেশন ও সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির গ্যাপ:
এমবিবিএসের মতো কম্পিউটার সায়েন্স বা ইঞ্জিনিয়ারিং একটি ডিগ্রি নিয়ে কোন স্পেশালাইজেশনে কাজ করবে সেই গাইডলাইন পাচ্ছে না। এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনগুলোর উচিত তাদের মেধাভিত্তিক পজিশনের জন্য স্কিল তৈরি করতে সহায়তা করা। বাজারে অনেক ট্রেনিং সরকারি-বেসরকারিভাবে চলছে। যার বেশিরভাগ সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে তেমন কোনো ভূমিকা রাখছে না। এর প্রধান কারণ- কারিকুলাম, যেটা সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর প্রয়োজনীয়তা না জেনেই কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে। আরো কিছু বাধা তৈরি হচ্ছে শুধু প্রাকটিক্যাল এডুকেশনের অভাবে।

🟩 বিদেশমুখী মানসিকতা:
বাংলাদেশে ভালো প্রফেশনাল মানেই বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে বসবাস। দেশের অবকাঠামো বা সিকিউরিটি নাকি এর বড় কারণ, যেটা আমার কাছে মনে হয়নি। সবার দেশের প্রতি একটু মায়া জন্মাতে পারলেই দেশটা এগিয়ে যায়। অবশ্য এ বিষয়ে সরকারকেও একটু ভেবে দেখা উচিত- কিভাবে উচ্চশিক্ষার পর সমমানের দেশীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়।

🟩 ক্যারিয়ারমুখী না হওয়া:
পড়ালেখা ও দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা নিতান্তই কম সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে। জব ইন্টারভিউতে এসে অনেকেই জানে না, কী জবের জন্য ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ তৈরি, জব- কোনটা করবে এটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা এবং সর্বোপরি কোনোটাতেই ভালো অবস্থান তৈরি না করা।

🟩 টেকনোলজি জ্ঞান কম:
যে কোনো সাবজেক্ট থেকেই আসুক টেকনোলজি জ্ঞান অবধারিত সেটা এখনো আমাদের প্রফেশনালরা বুঝে উঠতে পারেনি। পরিশেষে, সফটওয়্যার ব্যবসা কঠিনতম ব্যবসারগুলোর মধ্যে অন্যতম। কিন্তু যাদের প্লান, ইনভেস্টমেন্ট, আর্কিটেকচার ভালো তাদের জন্য একটা পর্যায়ে গিয়ে অনেকখানি সহজতর হয়ে ওঠে। সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচিয়ে রাখা ও উন্নয়নের জন্য এই বাধাগুলো পেরিয়ে যেতে সর্বস্তরের সহায়তা জরুরি।

🖊️লেখকঃ ইকবাল আহমদ এফ. হাসান (রাসেল)
📝প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৮

05/02/2023

প্রশ্ন: আদিম যুগের মানুষরা কাপড় পড়তো না, আগুন জালাতে জানতো না, কথাও বলতে জানতো না, তারা ছিল অসভ্য ও বর্বর। কেন তারা এমন ছিল? আসলে এ কথাগুলো কি সঠিক?
▬▬▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬▬▬
উত্তর:
“আদিম যুগের মানুষ আগুন জ্বালাতে জানতো না, কথা বলতে জানতো না, কাপড় পড়তো না, তারা ছিল অসভ্য ও বর্বর...।” এগুলো ঐ সকল নাস্তিক ও ডারউইনবাদীদের কথা, যারা মনে করে যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে! যারা নবী-রাসূলকে বিশ্বাস করে না। আসমানি গ্রন্থকে বিশ্বাস করে না।

প্রকৃতপক্ষে এ সব কথাবার্তা তাদের কাল্পনা প্রসূত এবং মিথ্যাচার ছাড়া কিছু নয়। বরং সঠিক কথা হল, আল্লাহ তাআলা মানুষকে দুনিয়ার বুকে প্রেরণ করার পর তাদেরকে কোন পথ নির্দেশক ছাড়াই এমনি এমনি ছেড়ে দেন নি। বরং তিনি তাদের পরিচালনা, পথ নির্দেশ এবং শিক্ষা-দীক্ষার জন্য যুগে যুগে প্রায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূল পাঠিয়েছে। আর নবী-রাসুলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত। তারা ছিলেন, সুসভ্য এবং মানব জাতির শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-এতে কোন সন্দেহ নাই।

-----------------------

আদম আলাইহি সালাম ছিলেন প্রথম মানুষ এবং প্রথম নবী। তিনি মানব জাতির পিতা। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে জ্ঞান-গরিমা ও সভ্যতা শিখেই দুনিয়ায় আগমন করেছেন।

✪ আদম ‌আলাইহিস সালাম এর ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন,

“আর আল্লাহ তাআলা শিখলেন আদমকে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীর নাম। তারপর সে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীকে ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করছ বললেন, আমাকে তোমরা এগুলোর নাম বলে দাও, যদি তোমরা সত্য হয়ে থাক। তারা বলল, তুমি পবিত্র! আমরা কোন কিছুই জানি না তবে তুমি যা আমারেকে শিখিয়েছ (সেগুলো ব্যতীত) নিশ্চয় তুমিই প্রকৃত জ্ঞানসম্পন্ন, প্রজ্ঞাবান। তিনি বললেন, হে আদম, ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের নাম। তারপর যখন তিনি বলে দিলেন সে সবের নাম..।” [সূরা বাকারা: ৩১, ৩২, ও ৩৩]

✪ ইবনে আব্বাস রা., ইকরিমা প্রমুখ বর্ণনা করেন, আদম আলাইহিস সালাম দুনিয়ার বুকে আসার পর প্রায় সুদীর্ঘ এক হাজার বছর পর্যন্ত মানুষ একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করত। পৃথিবীতে শিরকের অস্তিত্ব ছিল না। এক হাজার বছর পর সর্ব প্রথম নূহ আলাইহি সালাম-এর উম্মতের মধ্যে পাঁচ জন সৎ লোকদেরকে সম্মান করার ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করার কারণে তাদের মূর্তি তৈরি করা হয় এবং কাল পরিক্রমায় মানুষের মধ্যে দীন সম্পর্কে অজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়া এবং শয়তানি প্ররোচনার ফলে অনেক মানুষ মূর্তিপূজা শুরু করে। [দেখুন: সূরা নূহ-এর ২৫ নম্বর আয়াতের তাফসির। তাফসিরে ত্ববারি, ইবনে কাসির ইত্যাদি]
তাহলে আদম আলাইসিস সালাম-এর দুনিয়াতে আগমন করার পর যেখানে দীর্ঘ একহাজার বছর পর্যন্ত মানুষ কেবল আল্লাহর ইবাদত করতো সেখানে তাদের ব্যাপারে এ সব অসভ্যতা, বর্বরতা, কথা বলতে না পারা ইত্যাদি অভিযোগ কত বড় মিথ্যাচার ও কল্পনা প্রসূত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

---------------------------

✪ কুরআনে আদম আলাইহিস সালাতু আসসালাম-এর দু ছেলে হাবিল-কাবিলের ঘটনার তাফসিরে আগুনের উল্লেখ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে সূরা মায়েদা-এর ২৮ নাম্বার আয়াতের তাফসির পড়ুন।

✪ কুরআনের বিভিন্ন স্থানে আগুনের ব্যবহার আলোচিত হয়েছে। যেমন দেখুন, সূরা ত্বহা-এর ১০, সূরা নামল-এর ৭, সূরা ক্বাসাস-এর ২৯ নাম্বার আয়াত।
আরও দেখুন, ইবরাহিম আলাইহিস সালাম কর্তৃক মেহমানদেরকে গরুর বাছুর ভুনা করে আপ্যায়নের ঘটনা-সূরা হুদ-এর ৬৯ নাম্বার আয়াত।

✪ ‘আদিম যুগের মানুষরা কথা বলতে জানতো না’-এর চেয়ে হাস্যকর ও উদ্ভট কথা আর কী হতে পারে?
আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিগতভাবেই মানুষকে ভাষাজ্ঞান দান করেছেন। দেখুন, সুরা আর রহমান-এর ২ ও ৩ নাম্বার আয়াত।

✪ জান্নাতে থাকা অবস্থায় লজ্জা স্থান ঢেকে রাখার বিষয়টি কুরআনে আদম ও হাওয়ার ঘটনায় উল্লেখিত আছে। দেখুন, সূরা আরাফ-এর ২৩ নাম্বার ও সূরা ত্বাহা-এর ১২১ নাম্বার আয়াত।
তবে হয়ত আমাদের মত কাপড় ছিল না; ছিল অন্য কিছু যা দ্বারা তারা নিজেদের লজ্জা নিবারণ করতো।
এই সভ্যতা ও শালীনতা মানব সৃষ্টির সূচনা লগ্ন থেকেই বিদ্যমান। বরং উলঙ্গ চলাফেরা ও লজ্জাহীনতা আধুনিক যুগের অসভ্যতা।

মোটকথা, প্রত্যেক যুগেই মানুষ তৎকালীন সভ্যতা অনুযায়ী বিশ্বে রাজত্ব করেছে এবং বিশ্বকে পরিচালিত করেছে। তবে যুগের বিবর্তনে সভ্যতা, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা এবং নব নব আবিষ্কার ও টেকনোলোজি দ্বারা বিশ্ব সমৃদ্ধ হয়েছে। বিকশিত হয়েছে মানব সভ্যতা। পৃথিবী ধ্বংসের পূর্ব পর্যন্ত এর ব্যাপ্তি বৃদ্ধি পেতেই থাকবে আশা করা যায়।
সুতরাং ডারউইন পন্থী ও আল্লাহর দুশমন নাস্তিকদের কাল্পনিক মিথ্যাচারে বিশ্বাস করা থেকে আমাদেরকে বাঁচতে হবে; বাঁচাতে হবে আমাদের সন্তানদেরকে। আল্লাহ হেফাজত করুন। আমীন।
▬▬▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দওয়াহ সেন্টার, KSA
FB//Guidance2TheRightPath

03/10/2022

এতো কিছু করার Plan, এত সম্ভাবনা, এত এত To Do List জমে আছে যে দেখলেই Frustrated লাগে।
📄 এই list প্রতিদিন ই বাড়তে থাকবে। নতুন নতুন দায়িত্ব Add হতে থাকবে।
আর সব শেষ করতে চাইলে Frustrated হয়ে একসময় Burn out এ চলে যাবো।🪫
▫️
You cannot get on top of your todo list. It will always keep growing faster than your ability.
▫️
হ্যাঁ, আমরা অনেক কিছু করতে চাই, অনেক কিছুই করাও Possible কিন্তু প্রথমে
🔹1টা Skill, 1 টা Industry তে খুঁটি গেরে নিতে হবে।
🔹 সেটার থেকে একটা Level পর্যন্ত Success বা টাকা Generate করে নিতে হবে।
🔹 তারপর সেটা যখন একটা System এর মধ্যে এসে পড়বে,
🔹 তখন অন্য স্কিল অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে ফোকাস করতে পারেন।

🏵️ একটা Skill শেখার Process এ যদি আরেকটা Skill সামনে আসে আর যদি সেটাও শিখতে ইচ্ছা করে, তাহলে সেটা List করে রাখবো, সাথে সাথেই দেখা শুরু করবেন না। 🗳️

⭐ কাজের List যত বড়ই হোক, খেয়াল করলে দেখা যাবে এর মধ্যে Most Important + Future Impact ভালো এমন কাজ আছে কয়েকটা।

🗒️আজকে যেই কয়টা করা Possible সেগুলোর Top Priority তে রেখে একটা Focus list বানাবো।
আর এই list থেকে উপরের কয়েকটা আজকে করতে পারলেই আজকের দিন টা সার্থক।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka