24/06/2026
আরেকবার শেয়ার করলাম... 🥰
video creator
আমি রুমানা বৈশাখী
খেতে ও খাওয়াতে ভালোবাসি, ভালোবাসি রান্না করতে। যারা নিত্যনতুন রেসিপি ও টিপস পেতে চান, শহরের ভালো রেস্টুরেন্টগুলোর নানান অফারের ব্যাপারে জানতে চান... আমার এই পেজ তাদের জন্য! 🌻
প্রমোশনাল ভিডিওর জন্য ইমেইল করুন বা যোগাযোগ করুন হোয়াটসএপে।
24/06/2026
আরেকবার শেয়ার করলাম... 🥰
23/06/2026
যখন অফিস শেষে ৫ মিনিটে আমরা প্ল্যান করি আর ঝড়ের বেগে দুই ফ্রেন্ড পিজ্জা খেতে চলে আসি 😁
23/06/2026
ডাক্তার যদিও বলেছেন ভারী কোন কাজ না করতে। কিন্তু আস্তে আস্তে কাজ শুরু করেছি। আমার প্রফেশনটাই ভারী কাজের...ছেড়ে দিলে তো হবে না!
গতকালকে আমার দুজন বান্ধবী দেখা করতে এসেছিল আমার সাথে- রাখী আর তিসু। ওরা দুইজন এত পরিশ্রমী, ওদেরকে দেখে আমি আবার নতুন উদ্যমে সাহস পেয়েছি।
আল্লাহর নাম নিয়ে হাত দিলাম কাজে।
দেখা যাক কতটুকুন পারি।
বাচ্চারা ঘুমাচ্ছে দেখে এসেছি বাসায়, আলহামদুলিল্লাহ সবাই সুস্থ আছে। আমার শরীর খুব একটা ভালো নাই, কিন্তু বাচ্চারা ভালো আছে, তাই আমার মনে শান্তি আছে আর সাহস আছে আলহামদুলিল্লাহ। 🥰
কেউ চানাচুর অর্ডার করতে চাইলে মিট মন্সটারে নক দিয়েন প্লিজ।
এই মুহূর্তে মিট মন্সটারের সবচাইতে জনপ্রিয় আইটেম হচ্ছে-
ছবির এই চানাচুর, চিলি অয়েল আর আমের আচার।।
গুঁড়ো মশলার ভেতরে-
চিকেন পাউডার, মাংসের ভাজা মসলা, স্পেশাল গরম মশলার গুঁড়ো।।
আজ তৈরি হবে আমাদের সাপ্তাহিক চানাচুর ও চিলি অয়েলের ব্যাচ যারা অর্ডার করতে চান, তাড়াতাড়ি করে ফেলুন।🥰 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন, সমগ্র বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি। (আমরা চানাচুর প্লাস্টিকের প্যাকেটে পাঠিয়ে থাকি। যদি বয়ামে নিতে চান তাহলে প্রতি হাফ কেজিতে ৩০ টাকা এড হবে)
হাফ কেজি চানাচুর ২৭৫ টাকা,
১ কেজি ৫৫০ টাকা
(ঝালটা আমরা আলাদা দিয়ে দিই নিজের পছন্দ অনুযায়ী মিশিয়ে খাবেন)
আমাদের এই চানাচুর খেলে পেটে গ্যাস হওয়া বা এসিডিটি হওয়া কিচ্ছু হবে না। কারণ আমরা ব্যবহার করি খুবই ভালো মানের তেল, এবং মাত্র এক ব্যাচ চানাচুর তৈরীর পরেই তেলটা ফেলে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত লবণ বা অতিরিক্ত ঝাল কিছুই থাকে না ফলে বাচ্চারাও ইজিলি খেতে পারবে। মুচমুচে করার জন্য কোন রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। কেবল বেসন, পানি, লবণ, তেল, বাদাম, মশলা ইত্যাদি হচ্ছে আমাদের চানাচুরের উপাদান। কোন টেস্টিং সল্ট কিংবা বাড়তি চিনি ব্যবহার করা হয় না।
23/06/2026
এটা মিল্কশেক নাহ।
এপার বাংলায় "লাচ্ছি" বলে আর ওপারে বলে "লস্যি"- তবে ঘুরে ফিরে জিনিস ওই একই। দইয়ের সাথে চিনি ঠান্ডা পানি এবং বিভিন্ন উপাদান মিলিয়ে খুব করে ঘুটে নেওয়া।
এই লাচ্ছি বা লস্যি অনেক অনেক রেসিপিতে তৈরি করা যায়, স্বাদও হয় ভিন্ন ভিন্ন রকমের। ছবিতে যা দেখছেন সেটা হচ্ছে টক দই ও আম দিয়ে তৈরি লাচ্ছি বা পাকা আমের লাচ্ছি।
প্রতিদিন আমাকে বাধ্যতামূলক এক কাপ টক দই খেতে হয়। আমের দিনে সেটা আমি এরকম লাচ্ছি করে খাই। মাত্র দুটো মাসই তো আম থাকে, একটু আনন্দ করি আর কি!😅
যা বলছিলাম-
লাচ্ছি তৈরি করার অনেক অনেক রেসিপি আছে। মানুষ থেকে মানুষে সেই রেসিপি আলাদা। আজকে আমার রেসিপিটা শেয়ার করি।
আমি সমান সমান পরিমাণ আম ও টক দই নিই, এর সাথে দিবেন এক চিমটি বিট লবণ (যারা পছন্দ করেন তারা) ও অল্প পাকা লেবুর রস দিয়ে ব্লেন্ড করে নিবেন। আমি যদি বেশি মিষ্টি না হয় তাহলে সামান্য চিনি দিতে পারেন, আম মিষ্টি হলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
আম ও দই আগেই ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিই। আমি লাচ্ছি তৈরিতে কোন পানি দিই না, ইচ্ছা হলে আইস দিই, কিন্তু পানি না। চিনি আর দই মিশে গেলে এমনিতেও পাতলা হয়ে যাবে। আরো পাতলা করতে চাইলে দুধ দিতে পারেন, কিন্তু মিষ্টি দই দেয়া যাবে না, এতে একেবারে অতিরিক্ত মিষ্টি হয়ে যাবে এবং আমের সাথে স্বাদ ভালো আসবে না।
ও হ্যাঁ, আম আগেই কেটে ফ্রিজে রেখে সেই আম দিয়ে লাচ্ছি করবেন না। আম ফ্রেশ কেটে ব্লেন্ডারে দিবেন। এতে লাচ্ছির রং সুন্দর হবে আর নষ্ট হবে দেরিতে। ফ্রিজে রাখলে ৫/৬ ঘন্টার বেশি রাখা ঠিক হবে না!
এই মিশ্রণ মোল্ডে জমিয়ে আইস্ক্রিমও বানাতে পারেন।
🙂
22/06/2026
কয়েকশো মানুষ এই ডিমের ছবিকে তাদের নিজেদের ডিম বলে চালায় দিছিল 😂😂😂😂
বুয়া খালাকে বলছিলাম ডিম ফ্রিজে রাখতে...
বুয়া খালা ডিম নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিসিল। 🙂
21/06/2026
বান্ধবী মিশুর বাসায় আজকের লাঞ্চ ❤️
20/06/2026
রুটি বা লুচি/পরোটা দিয়ে খাওয়ার জন্য খুবই সহজে একটা আলুর তরকারি তৈরির রেসিপি বলব আজকে। যদি বাসায় সেদ্ধ করা আলু থাকে তাহলে এটা রান্না করতে সময় লাগবে খুব বেশি হলে ৭ থেকে ১০ মিনিট। আলুর এই সবজিটাকে সিঙ্গারার ভেতরে পুর হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। অনেক ভালো লাগে।
আজকের রেসিপি- ঝটপট জিরা আলু
জিরা আলু তৈরি করার অনেক রকমের রেসিপি আছে, এটা হচ্ছে আমার রেসিপি।
সেদ্ধ আলু কে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে বা হাত দিয়ে ভেঙ্গে নিতে হবে। ধরুন, সেদ্ধ আলু দুই কাপ। একটা ননস্টিক এর কড়াইতে এক টেবিল চামচ ঘি আর এক টেবিল চামচ তেল গরম করে নিতে হবে। এর ভেতরে দিতে হবে এক চা চামচ আস্ত জিরা, কয়েক টুকরো কাঁচা মরিচ, আর এক টেবিল চামচ রসুন কুচি, এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি।
আঁচটাকে মাঝারি রেখে সবকিছু সুন্দর করে লাল লাল করে ভাজতে হবে। পেঁয়াজ রসুনের হালকা লাল রং হলে এতে দিয়ে দিতে হবে সেদ্ধ করে রাখা আলু। সামান্য হলুদ এবং লবণও দিতে হবে। এরপর খুব ভালোভাবে মেশাতে হবে এবং আধা কাপের মতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। রান্না করার সময় আমি খুন্তি দিয়ে আলুটাকে ভাঙ্গা ভাঙ্গা করে দিই।
পানিটা শুকিয়ে এলে ছড়িয়ে দিতে হবে আধা চা চামচ ভাজা জিরার গুঁড়ো এবং স্বাদ অনুযায়ী ধনিয়া পাতা।
টিপ্স-
এতে চাইলে জিরার পাশাপাশি গোটা সরিষার ফোড়ণ দিতে পারেন। এলাচ দারুচিনি দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই তবে চাইলে তেজপাতা দিতে পারেন। চাইলে নামানোর আগে আরো খানিকটা ঘি ছড়িয়ে দিতে পারেন তাহলে খুব সুন্দর ফ্লেভার হবে।
যারা পেঁয়াজ রসুন বাদ দিতে চান, তারা সেটা বাদ দিয়েও করতে পারেন।
এই আলুর তরকারিটা খেতে এতই ভালো হয় যে একবার রান্না করলে বারবার করতে ইচ্ছা করবে।