AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?
Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ
AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
AC হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।
ac-vs-dc
ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?
আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর। ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।
ভোল্টামিটার এবং অ্যামমিটারকে বর্তনীতে কিভাবে যুক্ত করা হয় ?
তড়িৎ বর্তনীর যে দুটি বিন্দুর বিভব প্রভেদ মাপতে হবে সেই দুটি বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টামিটারকে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করা হয় । আবার কোনো তড়িৎ বর্তনীর প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করতে অ্যামমিটারকে তড়িৎবর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় ।
আমিটারকে বর্তনীর সাথে সিরিজে এবং ভোল্টমিটারকে প্যারালালে সংযুক্ত করতে হয়।
ট্রাঞ্জডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি?
Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।
এ্যামপিয়ার টার্ন কি?
ম্যাগনেটিক সার্কিটের তারের পেঁচ ও প্রবাহিত কারেন্টের গুণফলকে এ্যামপিয়ার টার্ন বলে। এটি ম্যাগনেটো মোটিভ ফোর্স বা এম.এম.এফ. এর একক।
এ্যামপিয়ার টার্ন AT, কারেন্ট I এবং তারের পেঁচ সংখ্যা N হলে,
AT = IN
রিল্যাকট্যান্স কি?
ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পথের বাধাকে রিল্যাকট্যান্স বলে।
এটি ইলেকট্রিক সার্কিটের রেজিস্ট্যান্সের মত। এর প্রতীক R এবং একক এ্যামপিয়ার টার্ন/ওয়েবার।
দৈর্ঘ্য L, এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ, ভ্যাকুয়ামে এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ০ ক্ষেত্রফল A হলে,
R = L/µ0µA
ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড কি?
যে স্থানে একটি একক চার্জ যে বল অনুভব করে তাকে ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড বলে।
বৈদ্যুতিক বল রেখার বৈশিষ্ট্য কি?
১. বৈদ্যুতিক বল রেখা পজেটিভ চার্জ হতে বের হয়ে নেগেটিভ চার্জে শেষ হয়।
২. বল রেখাগুলো খোলা ও বক্র।
৩. বল রেখাগুলো পরস্পরকে কখনও ছেদ করে না।
৪. বল রেখাগুলো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয়।
৫. বল রেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্ব চাপ দেয়।
English Speaking and Vocabulary
Language Learning
14/01/2026
কম্পিউটার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির কৌশল
কম্পিউটার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)– ১৫ নম্বর
এখন ICT থেকে কঠিন প্রশ্ন করা হচ্ছে। তাই এই subject পড়ার সময় খুব careful হতে হবে। আমার বিসিএস প্রস্তুতির একটি সহজ কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ছিল যে বিষয়গুলোতে আমি ভালো, সেগুলোতে ৭০–৯০% নম্বর নিশ্চিত করা। আর যেসব বিষয় আমার কাছে তুলনামূলকভাবে কঠিন, সেগুলোতে যেন ৫০%-এর নিচে নম্বর না নামে—সেটাই ছিল মূল লক্ষ্য। তাই কঠিন মনে করে কোনো বিষয় ফেলে দেওয়ার সুযোগ নেই। Proper strategy ও পরিকল্পিত প্রস্তুতির মাধ্যমে কঠিন বিষয় থেকেও নিজের expected mark আদায় করে নেওয়া সম্ভব—এটাই আমার বিশ্বাস ও প্রস্তুতির মূল দর্শন।
১️. ICT-তে কিছু common topics আছে, যেখান থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।এই topic গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনাই মূল লক্ষ্য।
২️. অচেনা প্রশ্ন আসবেই, কিছু প্রশ্ন এমন আসে, যেগুলো আপনি কখনো শোনেননি,আপনার বইয়েও নেই
৩. এসব প্রশ্ন exam hall-এ ছেড়ে দিন। এগুলো ক্রিকেট ম্যাচের outswing বলের মতো। খেলতে গেলে wicket পড়বেই মানে negative mark খাবেনই।
৪. সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে—এই ধারণা ভুল।Exam-এ টিকে থাকতে ২০০টা প্রশ্নের সবগুলোর answer দেওয়া লাগে না। যেটা আপনার বইয়ে নেই, সেটা ভেবে সময় নষ্ট করবেন না।শুধু আমি ছক্কা মারবো এমন ভাবলে হবে না, PSC ও কিন্তু আপনার সাথে game খেলবে।
৫. পৃথিবী সবচেয়ে সুন্দর skill কী জানেন?
“The art of letting go” অর্থাৎ— না জানা প্রশ্ন ছেড়ে দেওয়ার সাহস রাখা।এটাই BCS-এ সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তা।
পড়ার সুবিধার জন্য আমরা বিষয়টাকে ২টি ভাগে ভাগ করে নেব—
High Priority Zone — বারবার প্রশ্ন আসে, কম পড়েই বেশি নম্বর তোলা যায়
Low Priority Zone — কম প্রশ্ন আসে, কনসেপ্ট জানা থাকলেই যথেষ্ট
High Priority Zone
এই টপিকগুলো থেকে বারবার প্রশ্ন আসে, তুলনামূলকভাবে কম পড়েই বেশি নম্বর তোলা যায়।
১️. কম্পিউটার পরিচিতি
কম্পিউটারের প্রকারভেদ (অ্যানালগ, ডিজিটাল, হাইব্রিড) সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম, মিনি কম্পিউটার, মাইক্রো কম্পিউটার, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার
২️. কম্পিউটার সংগঠন ও পেরিফেরালস
সিপিইউ (CPU), এএলইউ (ALU), মেমরি ইউনিট,রেজিস্টার, কন্ট্রোল ইউনিট, মাদারবোর্ড, ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস, র্যাম (RAM), রম (ROM), ক্যাশ মেমরি, ক্যাশ মেমরির স্তর (L1, L2, L3), ভার্চুয়াল মেমরি, আইপিওএস (IPOS) সাইকেল, বাসের প্রকারভেদ, ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য
৩. বুলিয়ান অ্যালজেবরা ও লজিক গেট
মৌলিক লজিক গেট, এনকোডার ও ডিকোডার, ফ্লিপ-ফ্লপ, রেজিস্টার, কাউন্টার
৪️. কম্পিউটার সফটওয়্যার
অপারেটিং সিস্টেম, অপারেটিং সিস্টেমের কাজ, ডিভাইস ড্রাইভার, ইউটিলিটি সফটওয়্যার, ফার্মওয়্যার, ফায়ারওয়াল, ওপেন সোর্স ও প্রোপাইটারি সফটওয়্যারের পার্থক্য, বুটিং প্রক্রিয়া
৫️. সংখ্যা পদ্ধতি
বাইনারি, অক্টাল, ডেসিমেল, হেক্সাডেসিমেল, এক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অন্যটিতে রূপান্তর, বাইনারি যোগ, হেক্সাডেসিমেল থেকে ডেসিমেলে রূপান্তর
৬️. কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মসমূহ (মেশিন ভাষা, অ্যাসেম্বলি ভাষা, উচ্চস্তরের ভাষা), অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার, ইন্টারপ্রিটার, সোর্স কোড ও অবজেক্ট কোড
৭️. এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্ট
এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্টের মৌলিক ব্যবহার, এক্সেলে সেল, রো, কলাম ও ফর্মুলা, সাধারণ কিবোর্ড শর্টকাট (কপি, পেস্ট, সেভ, আনডু)
Low Priority Zone
এই টপিকগুলো থেকে কম প্রশ্ন আসে, তুলনামূলকভাবে কম স্কোরিং, শুধুমাত্র কনসেপ্ট জানা থাকলেই যথেষ্ট।
১. ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা
ডাটাবেজের মৌলিক ধারণা (ফিল্ড, রেকর্ড, এনটিটি, অ্যাট্রিবিউট), কী-এর প্রকারভেদ (প্রাইমারি, কম্পোজিট, ফরেন, সুপার কী), ডিবিএমএস ও আরডিবিএমএস, কুয়েরি, সর্টিং ও ইনডেক্সিং, ডাটা ইন্টিগ্রিটি ও ডাটা রিডানডেন্সি, ডাটা এনক্রিপশন, ব্লকচেইন (ধারণা মাত্র)
২. তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার (আইসিটি অ্যাপ্লিকেশন)
টেলিকনফারেন্সিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, টেলিমেডিসিন, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, ডিজিটাল বাংলাদেশ, ই-গভর্ন্যান্স ধারণা
৩. ডেটা যোগাযোগ ব্যবস্থা
ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি (ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েস ব্যান্ড, ব্রডব্যান্ড), ব্যান্ডউইথ ও ডাটা রেট, ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি (অ্যাসিঙ্ক্রোনাস, সিঙ্ক্রোনাস, আইসোক্রোনাস), ডাটা ট্রান্সমিশন মোড (সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স, ফুল ডুপ্লেক্স), যোগাযোগ মাধ্যম (ফাইবার অপটিক, ভিস্যাট, রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ), ওয়্যারলেস সিস্টেম (ওয়াইম্যাক্স, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ), নয়েজ ও অ্যাটেনুয়েশন (ধারণা)
৪. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
প্যান, ল্যান, ম্যান, ওয়্যান, ক্লায়েন্ট–সার্ভার ও পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক টপোলজি, নেটওয়ার্ক ডিভাইস (মডেম, রিপিটার, হাব, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার, গেটওয়ে), আইপি অ্যাড্রেস,আইপিভি৪ ও আইপিভি৬, ক্লাউড কম্পিউটিং (আইএএএস, পিএএএস, এসএএএস)
৫. ওয়েব ও ইন্টারনেট
ওয়েবসাইট, ওয়েবপেজ ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, ইউআরএল, ডোমেইন নেম সিস্টেম, সার্চ ইঞ্জিন, এইচটিএমএল ও জাভাস্ক্রিপ্ট (মৌলিক ধারণা), ইন্টারনেট প্রোটোকল(টিসিপি/আইপি, পিওপি, ভয়েস ওভার আইপি)
৬. সাইবার নিরাপত্তা
কম্পিউটার ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, ফিশিং, হ্যাকিং, সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল স্বাক্ষর, একবার ব্যবহারযোগ্য পাসওয়ার্ড (ওটিপি)
পড়ার কৌশল
সাজেস্টেড বই: ICT Hour /MP3 (অথবা বাজারের যেকোনো ভালো বই)
প্রতিটি টপিক ধরে ধরে বেসিক ক্লিয়ার করুন। যে বিষয়গুলো বুঝে পড়ার, সেগুলো ভালোভাবে বুঝে নিন।আর যেগুলো মুখস্থ করা দরকার, সেগুলোর জন্য ছোট ছোট ট্রিকস বানিয়ে সহজে মুখস্থ করে ফেলুন। দেখবেন ICT আর কোনো চাপের বিষয় মনে হবে না। সঠিক স্ট্র্যাটেজিতে পড়লে ICT বরং স্কোরিং সাবজেক্টে পরিণত হবে।
১. High priority zone শেষ করার পর, Low priority Zone পড়ার সময় ১ম ধাপের অধ্যায়গুলো রিভিশন রাখতে হবে।
২. High priority zone বার বার পড়লে অনেকটা আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এখানে বেশি নম্বর পাওয়া যায়, আর panic করার কিছু নেই।
৩. Low priority zone অংশ যতটুকু পারা যায় ততটুকু দেখে গেলেই হবে।
৪. ফলে পুরো বইটি আপনার নখদর্পনে চলে আসবে।
“ Success doesn’t come to you, you go to it. Every step you take today brings you closer to your dream ”
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির কৌশল
মোট নম্বর: ২৫
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যাদের এই বিষয়ের প্রস্তুতি ভালো থাকে, তারা অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকেন। আমরা এই ২৫ নম্বরের প্রস্তুতি ৩ ধাপে ভাগ করতে পারি। এতে বইটি দ্রুত ও কার্যকরভাবে শেষ করা সম্ভব হবে। সঠিকভাবে পড়তে পারলে প্রিলিমিনারিতে ২০–২২ নম্বর সহজেই পাওয়া সম্ভব।
৩ ধাপের প্রস্তুতি
১ম ধাপ: তুলনামূলক ছোট ও সহজভাবে আয়ত্ত করা যায় এমন অধ্যায়
২য় ধাপ: মধ্যম আকারের অধ্যায় যা ভালো নম্বর দেয়
৩য় ধাপ: বড় অধ্যায় ও সমসাময়িক বিষয়াবলি
১ম ধাপে যে অধ্যায়গুলো পড়বেনঃ
১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ (২ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. ভিন্ন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত, ২. বাংলাদেশের কৃষিজ ফসল,৩. অর্থকরী ফসল, ৪. GI পণ্যের সমূহ, ৫. BARI, BRRI, BADC, BFRI, BTB, ৬. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, কৃষি শুমারি ও কৃষি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান
২. বাংলাদেশ জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি (২ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. বিভিন্ন উপজাতির নাম ও বাসস্থল, ২. বিখ্যাত উপজাতি যেমন: চাকমা, মারমা, গারো, ত্রিপুরা, মুরং, ওরাও, খাসিয়া, মণিপুরি, মন্ডা, সাওতাল, রাখাইন — এদের প্রত্যেকের বংশধর, ভাষা, পরিবার, ধর্ম, উৎসব, বাসস্থল বিস্তারিত পড়ুন (এখান থেকে BCS-এ must প্রশ্ন আসে), ৩. উপজাতিদের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান, ৪. আদমশুমারি, ৫. বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৬. বাংলাদেশের হেলথ সিস্টেম, EPI
৩. বাংলাদেশের অর্থনীতি (২ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ২. VAT, NEC, ECNEC, GDP, GNP, মাথা পিছু আয়, মুদ্রাস্ফীতি, ৩. অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ৪. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, দারিদ্র্য সূচক, সামাজিক নিরাপত্তা খাত, বাজেট
৪. বাংলাদেশের সংবিধান (৩ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য, ২. মৌলিক অধিকার সমূহ, ৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, ৪. সংবিধানের সংশোধনী সমূহ
[দ্রষ্টব্য: এই অংশটি পড়ার সময় একটু বিস্তারিত পড়া উচিত। কারণ লিখিত পরীক্ষায় সংবিধান থেকে প্রশ্ন আসে এবং অনেক প্রশ্নের উত্তর সংবিধান অনুযায়ী লেখা যায়। তাই বাজারে BCS লিখিত পরীক্ষার জন্য Hasan Zahid-এর একটি সংবিধান বই আছে, সেটা পড়লে আপনার সংবিধান বিষয়টি পরপর বুঝে যাবেন। লিখিত পরীক্ষার সময় আবার পড়তে হবে না।]
২য় ধাপে যে অধ্যায়গুলো পড়বেনঃ
১. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য (২ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, BEZA (বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস অথরিটি), EPZ (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা), শিল্প মন্ত্রণালয়, আমদানি ও রপ্তানি
২️. পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প, কাগজ শিল্প, চামড়া শিল্প, চিনি শিল্প, সার শিল্প, পাট শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পর্যটন শিল্প
৩️. বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক
BFIU (বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট), মুদ্রা ও নোট, বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক, বাংলাদেশের বীমা খাত, শেয়ার বাজার
৪️. প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, BAPEX, Petrobangla, BPC (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন), ERL (ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড), কয়লা, অন্যান্য খনিজ সম্পদ
৫️. রেল যোগাযোগ, বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর, বাংলাদেশের স্থলবন্দর, নদীবন্দর, বাংলাদেশ বিমান
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা
২. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা (৩ নম্বর)
যা পড়বেন:
১️. রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, প্রেশার গ্রুপ (Pressure Group), সিভিল সোসাইটি (Civil Society)
২️. স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাস, বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা, সংবিধানভিত্তিক শাসনব্যবস্থা, নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি
৩. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা (৩ নম্বর)
যা পড়বেন:
১️. সরকারের বিভাগ,আইন বিভাগ,জাতীয় সংসদ,রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী
২️. বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ
৩. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো, মন্ত্রিপরিষদ (Ministry), সচিবালয় (Secretariat), সিভিল সার্ভিস,পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, BPSC (বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন), BPATC, BCSAA, FSA
৪. Local Government (স্থানীয় সরকার), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ
৩য় ধাপে যে অধ্যায়গুলো পড়বেনঃ
১.বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি (৬ নম্বর)
যা পড়বেন:
১. বাঙালি জাতির উৎপত্তি, প্রাচীন জনপদ, প্রাচীন, বাংলার ইতিহাস, সুলতানি আমল, মোগল আমল
২. ব্রিটিশ আমল,বিভিন্ন আন্দোলন,নীল বিদ্রোহ,তিতুমীরের সংগ্রাম,সমাজ সংস্কার,সিপাহী বিদ্রোহ,বঙ্গভঙ্গ,দেশ ভাগ
৩. পাকিস্তান আমল, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধান, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অপারেশন, যুদ্ধ কৌশল, বৃহৎ শক্তি, আত্মসমর্পণ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অবদান
২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, ব্যক্তিত্ব, খেলাধুলা, চলচ্চিত্র ও মাধ্যম (২ নম্বর)
যা পড়বেন:
১️. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ অর্জন, চলচিত্র শিল্পের বিকাশ, বিখ্যাত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, জহির রায়হান, তারেক মাসুদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংগীত ঐতিহ্য
২️. বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ, হাসন রাজা, আব্দুল আলিম, শাহ আব্দুল করিম, এছাড়াও আরও অসংখ্য লোকসংগীত শিল্পী ও সাধক
৩️. জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, এস. এম. সুলতান,আরও অনেকে
৪️. বিভিন্ন ভাস্কর ও ভাস্কর্য শিল্প, বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাত, জাদুঘর, বাংলাদেশের খেলাধুলা, বিসিবি
পড়ার কৌশল
সাজেস্টেড বই: George MP3 + Basic View (অথবা বাজারের যেকোনো ভালো বই)
-MCQ ভিত্তিক একটি বই দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করাই সবচেয়ে কার্যকর। এই দিক থেকে George MP3 বাজারের অন্যতম ভালো একটি MCQ ভিত্তিক বই। বইটির ধারাবাহিক MCQ গুলো ভালোভাবে মুখস্থ ও অনুশীলন করতে পারলে বিষয়ভিত্তিক মৌলিক ধারণাগুলোও স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার হয়ে যায়।
-এই বইটি শেষ করার পর “Basic View” বইটি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে রাখবেন। কোথাও কোনো তথ্যগত ঘাটতি থাকলে এই বইটি সেই ঘাটতি পূরণে উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা করে। ফলে আপনার প্রস্তুতি অন্য সবার তুলনায় আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।
১. ১ম ধাপ শেষ করার পর,২য় ধাপ পড়ার সময় ১ম ধাপের অধ্যায়গুলো রিভিশন রাখতে হবে
২. ৩য় ধাপ পড়ার সময়,প্রথম ২ ধাপের অধ্যায়গুলো নিয়মিত রিভিশন রাখতে হবে
৩. ফলে পুরো বইটি আপনার নখদর্পনে চলে আসবে
"The effort you put in today will turn your dreams into reality."
শুভকামনায়
মোঃ সুলতান মাহমুদ
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (সুপারিশপ্রাপ্ত)
মৎস্য ক্যাডার
৪৪ তম বিসিএস(অ্যাপিয়ার্ড)
ইনস্ট্রাক্টর - টেক/গ্রেড–৯ (সুপারিশপ্রাপ্ত)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
৪৫ তম বিসিএস
⚖️ ১. Case (কেস) – মামলা
📄 ২. Lawsuit (লসুট) – দেওয়ানি মামলা
🚓 ৩. Arrest (এরেস্ট) – গ্রেপ্তার
🔒 ৪. Custody (কাস্টডি) – হেফাজত
📜 ৫. FIR (এফআইআর) – প্রাথমিক অভিযোগ
🧾 ৬. Complaint (কমপ্লেইন্ট) – অভিযোগ
👨⚖️ ৭. Judge (জাজ) – বিচারক
⚖️ ৮. Court (কোর্ট) – আদালত
🏛️ ৯. High Court (হাই কোর্ট) – উচ্চ আদালত
🏛️ ১০. Supreme Court (সুপ্রিম কোর্ট) – সর্বোচ্চ আদালত
👮 ১১. Police (পুলিশ) – পুলিশ
📂 ১২. Charge (চার্জ) – অভিযোগ দাখিল
📑 ১৩. Charge sheet (চার্জশিট) – অভিযোগপত্র
🧑⚖️ ১৪. Lawyer (লইয়ার) – আইনজীবী
🧑⚖️ ১৫. Advocate (অ্যাডভোকেট) – উকিল
🗣️ ১৬. Hearing (হিয়ারিং) – শুনানি
⏳ ১৭. Remand (রিমান্ড) – জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজত
🚔 ১৮. Detention (ডিটেনশন) – আটক
📆 ১৯. Trial (ট্রায়াল) – বিচার কার্যক্রম
📢 ২০. Verdict (ভারডিক্ট) – রায়
🔓 ২১. Bail (বেইল) – জামিন
📝 ২২. Bail application (বেইল অ্যাপ্লিকেশন) – জামিন আবেদন
💰 ২৩. Bail bond (বেইল বন্ড) – জামিননামা
🔐 ২৪. Bail granted (বেইল গ্রান্টেড) – জামিন মঞ্জুর
❌ ২৫. Bail rejected (বেইল রিজেক্টেড) – জামিন নামঞ্জুর
⏰ ২৬. Interim bail (ইন্টারিম বেইল) – অন্তর্বর্তী জামিন
🏠 ২৭. Anticipatory bail (অ্যান্টিসিপেটরি বেইল) – আগাম জামিন
⚠️ ২৮. Conditional bail (কন্ডিশনাল বেইল) – শর্তসাপেক্ষ জামিন
📜 ২৯. Surety (শ্যুরিটি) – জামিনদার
👤 ৩০. Accused (অ্যাকিউজড) – অভিযুক্ত
🧑 ৩১. Defendant (ডিফেনডেন্ট) – আসামি
🙋 ৩২. Plaintiff (প্লেইনটিফ) – বাদী
🗂️ ৩৩. Evidence (এভিডেন্স) – প্রমাণ
🧪 ৩৪. Proof (প্রুফ) – সাক্ষ্যপ্রমাণ
🗣️ ৩৫. Witness (উইটনেস) – সাক্ষী
📹 ৩৬. Testimony (টেস্টিমনি) – সাক্ষ্য
🕵️ ৩৭. Investigation (ইনভেস্টিগেশন) – তদন্ত
📊 ৩৮. Inquiry (ইনকোয়ারি) – অনুসন্ধান
📁 ৩৯. Case file (কেস ফাইল) – মামলার নথি
🗃️ ৪০. Record (রেকর্ড) – নথিভুক্ত তথ্য
❎ ৪১. Acquittal (অ্যাকুইটাল) – খালাস
✅ ৪২. Acquitted (অ্যাকুইটেড) – খালাসপ্রাপ্ত
⚖️ ৪৩. Conviction (কনভিকশন) – দোষী সাব্যস্ত
⛓️ ৪৪. Sentence (সেন্টেন্স) – সাজা
⛓️ ৪৫. Punishment (পানিশমেন্ট) – শাস্তি
📜 ৪৬. Judgment (জাজমেন্ট) – রায়
📉 ৪৭. Appeal (অ্যাপিল) – আপিল
🏛️ ৪৮. Review (রিভিউ) – পুনর্বিবেচনা
🔄 ৪৯. Revision (রিভিশন) – সংশোধনী আবেদন
🧑⚖️ ৫০. Bench (বেঞ্চ) – বিচারক প্যানেল
⚠️ ৫১. Allegation (অ্যালিগেশন) – অভিযোগ
🚨 ৫২. Offence (অফেন্স) – অপরাধ
🚫 ৫৩. Crime (ক্রাইম) – অপরাধমূলক কাজ
⚖️ ৫৪. Penal code (পিনাল কোড) – দণ্ডবিধি
📘 ৫৫. Section (সেকশন) – ধারা
📕 ৫৬. Article (আর্টিকেল) – অনুচ্ছেদ
📝 ৫৭. Petition (পিটিশন) – আবেদন
📄 ৫৮. Affidavit (অ্যাফিডেভিট) – হলফনামা
🖋️ ৫৯. Signature (সিগনেচার) – স্বাক্ষর
📌 ৬০. Notice (নোটিস) – নোটিশ
🕰️ ৬১. Adjournment (অ্যাডজার্নমেন্ট) – মুলতবি
📅 ৬২. Date fixed (ডেট ফিক্সড) – তারিখ নির্ধারণ
🚫 ৬৩. Non-bailable (নন বেইলেবল) – জামিন অযোগ্য
✔️ ৬৪. Bailable (বেইলেবল) – জামিনযোগ্য
👮♂️ ৬৫. Custodial interrogation (কাস্টডিয়াল ইন্টারোগেশন) – হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ
📂 ৬৬. Case dismissal (কেস ডিসমিসাল) – মামলা খারিজ
❌ ৬৭. Discharge (ডিসচার্জ) – অব্যাহতি
📉 ৬৮. Withdrawal (উইথড্রয়াল) – মামলা প্রত্যাহার
⚠️ ৬৯. Charges dropped (চার্জ ড্রপড) – অভিযোগ প্রত্যাহার
🧑⚖️ ৭০. Legal aid (লিগ্যাল এইড) – আইনি সহায়তা
📘 ৭১. Law (ল) – আইন
🏛️ ৭২. Judiciary (জুডিশিয়ারি) – বিচার বিভাগ
🧑⚖️ ৭৩. Magistrate (ম্যাজিস্ট্রেট) – ম্যাজিস্ট্রেট
📜 ৭৪. Order (অর্ডার) – আদেশ
📣 ৭৫. Summons (সমনস) – সমন
🚔 ৭৬. Warrant (ওয়ারেন্ট) – গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
❌ ৭৭. Stay order (স্টে অর্ডার) – স্থগিতাদেশ
🛑 ৭৮. Injunction (ইনজাংশন) – নিষেধাজ্ঞা
📑 ৭৯. Proceedings (প্রসিডিংস) – কার্যক্রম
⚖️ ৮০. Legal procedure (লিগ্যাল প্রসিডিউর) – আইনি প্রক্রিয়া
👤 ৮১. Suspect (সাসপেক্ট) – সন্দেহভাজন
📂 ৮২. Case number (কেস নাম্বার) – মামলার নম্বর
🧾 ৮৩. Document (ডকুমেন্ট) – দলিল
🧠 ৮৪. Legal advice (লিগ্যাল অ্যাডভাইস) – আইনি পরামর্শ
⚖️ ৮৫. Justice (জাস্টিস) – ন্যায়বিচার
📜 ৮৬. Rule (রুল) – বিধি
📕 ৮৭. Ordinance (অর্ডিন্যান্স) – অধ্যাদেশ
📘 ৮৮. Act (অ্যাক্ট) – আইন
⚠️ ৮৯. Violation (ভায়োলেশন) – আইন লঙ্ঘন
🕊️ ৯০. Release (রিলিজ) – মুক্তি
🔓 ৯১. On bail (অন বেইল) – জামিনে মুক্ত
🏠 ৯২. House arrest (হাউস এরেস্ট) – গৃহবন্দি
⛔ ৯৩. Prohibition (প্রোহিবিশন) – নিষেধাজ্ঞা
📢 ৯৪. Public prosecutor (পাবলিক প্রসিকিউটর) – সরকারি কৌঁসুলি
⚖️ ৯৫. Defense lawyer (ডিফেন্স লইয়ার) – আসামিপক্ষের আইনজীবী
📄 ৯৬. Final report (ফাইনাল রিপোর্ট) – চূড়ান্ত প্রতিবেদন
❎ ৯৭. Case closed (কেস ক্লোজড) – মামলা নিষ্পত্তি
🧑⚖️ ৯৮. Legal victory (লিগ্যাল ভিক্টরি) – আইনি জয়
🕊️ ৯৯. Freedom (ফ্রিডম) – স্বাধীনতা
✅ ১০০. Justice served (জাস্টিস সার্ভড) – ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত
👌
৪৫ তম বিসিএসের ভাইভা অভিজ্ঞতা
বোর্ড: চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস ম্যাডাম
আমি: আসতে পারি স্যার?
চেয়ারম্যান ম্যাম: আসুন।
[আমি সালাম দেওয়ার পর ম্যাম বসতে বললেন]
চেয়ারম্যান ম্যাম : Introduce yourself
আমি: বললাম
চে: আপনার ক্যাডার চয়েজ লিস্ট বলেন।
আমি:প্রশাসন> কাস্টমস> অডিট> ট্যাক্স........
চেয়ারম্যান : কাস্টমস ও ট্যাক্সে দুর্নীতি প্রতিরোধে কী করবেন?
উত্তর: আইনের যথাযথ প্রয়োগ করবো।
চে: আপনি কি মনে করেন না আগে যারা দায়িত্ব পালন করছেন তারা কি আইনের যথাযথ প্রয়োগ করছে না?
আমি : জ্বি স্যার করছে।
চে: আপনি নতুন কি করবেন?
আমি: সবকিছুর ডিজিটাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসবো। যেমন : ই- ফাইলিং, ডি- ফাইলিং, ASYCUDA World System.
চে : ওকে উত্তর নিলাম। এখন মনে করেন সরকার কোনো কিছুর বিডিং করছে। আপনি এর দায়িত্বে আছেন। এর গোপন তথ্যগুলো গল্পের ছলে আপনার পরিবারকে জানালেন। আপনার পরিবারের কেউ ওই বিডিং এ অংশগ্রহণ করছে - যা আপনি জানেন না। এক্ষেত্রে কী করবেন?
আমি : আইন ও নিয়ম অনুযায়ী যিনি পাবেন তাকেই দিব।
চে: কিন্তু আপনার আত্মীয় তো তথ্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।
আমি : ম্যাম আমি অফিসিয়াল কোনো তথ্য পরিবারের সাথে শেয়ার করবো না।
চে: কিন্তু আপনি তো শেয়ার করেই ফেলছেন।
আমি : ম্যাম আমি এমন কোনো তথ্য শেয়ার করবো না যা জনস্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চে: আমি এটাই জানতে চেয়েছিলাম।
চে: আপনি এমন পরিস্থিতিতে পড়লেন যেখানে আইন প্রয়োগ করলে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হবে। এক্ষেত্রে কী করবেন?
আমি: উর্ধতন কর্তৃপক্ষএর পরামর্শ নিয়ে কাজ করবো।
চে: তিনি আইন প্রয়োগ করতেই বলতেন। কিন্তু তাতে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্তই হলো।
আমি: সেক্ষেত্রে আমার উপস্থিত বুদ্ধিতে জনস্বার্থকেই গুরুত্ব দিব।
চে: কেন?
উত্তর : আইন তো জনগণের জন্যই তৈরি হয়। জনগনের উপকার না হলে সে আইন তো ভিত্তিহীন
চে: গুড
এক্সটার্নাল -১ : আপনি বললেন সবকিছু ই ফাইলিং, ডি ফাইলিং করবেন। করতে পারলে ভালো। কিন্তু সবকিছু কি আপনি জয়েন করার পরপরই করবেন।
আমি: না স্যার। এগুলো তো একদিনে করার বিষয় না। ধাপে ধাপে করতে হবে।
এ-১: ইমোশন, আইন, জনস্বার্থ - কোনটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিবেন?
আমি: প্রথমে জনস্বার্থ, এরপর আইন। দায়িত্ব পালনে ইমোশনকে কখনোই গুরুত্ব দিব না।
এক্সটার্নাল-২ : আপনি সব কাজ ঠিকমতো করার পরও প্রমোশন আটকে গেলো। কী করবেন?
আমি : প্রথমে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এর সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। সেখানে বিষয়টি সমাধান না হলে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবো।
এ-২ : উর্ধতন কর্তৃপক্ষ একটা পদ্ধতি বলে দিলো। এই রাস্তায় গেলে আপনার প্রমোশন হবে। যাবেন কিনা?
আমি: যদি আইন ও নিয়ম নীতির মধ্যে হয় তবে অনুসরণ করবো, অন্যথায় করবো না।
চে: অকে আপনি কাগজ নিয়ে আসতে পারেন
আমি সালাম দিয়ে বের হয়ে এসেছি।
মোঃ মাহমুদুল হাসান
প্রশাসন ক্যাডার (সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেরিট পজিশন : ৩৯
৪৫ তম বিসিএস
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের বাংলাদেশ সফরকে কেবল কূটনৈতিক আতিথেয়তা নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্নির্ধারণের একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুটান দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ওপর অর্থনৈতিক, ভূ-রাজনৈতিক ও সীমান্ত-নিরাপত্তা নির্ভরশীলতার জালে আবদ্ধ।
ভারতের স্বার্থ অনেক সময় ভুটানের স্বার্থকে ছাপিয়ে যায়। বিশেষ করে হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট, সীমান্ত নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি ও চীনের সাথে সম্ভাব্য সম্পর্ক গঠনে। এই নীরব অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পারে এক নতুন ধাঁচের “কূটনৈতিক সেতু” তৈরি করতে। এমন এক সেতু যা ভুটানকে ভারতের ছায়া থেকে বের করতে নয়, বরং তাকে বিকল্প অংশীদারিত্বের নিরাপদ ক্ষেত্র প্রদান করবে।
বাংলাদেশ প্রথমেই ভুটানকে দেখাতে পারে যে দক্ষিণ এশিয়ায় সম্পর্ক মানেই জটিল জিওপলিটিক্স নয়। এখানে মানবিক উন্নয়ন, গ্রিন ইকোনমি, ট্রানজিট লিবারালাইজেশন, হেলথ কেয়ার, হাই-এন্ড এডুকেশন ও ডিজিটাল কানেক্টিভিটি হতে পারে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন মডেল। ভারত যেখানে ভুটানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মূলত তার বিদ্যুৎ ক্রয়ে সীমাবদ্ধ রাখে, বাংলাদেশ সেখানে প্রস্তাব করতে পারে যৌথ বিনিয়োগে Bangladesh–Bhutan Green Energy Corridor, যেখানে শুধু বিদ্যুৎ বেচাকেনা নয় বরং যৌথ প্রযুক্তি বিনিময়, নদী-বান্ধব জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক গ্রিড তৈরি হতে পারে। এতে ভারতকে বাদ দিয়েও এমন একটি শক্তিবিন্যাস তৈরি করা সম্ভব, যেখানে ভুটান বুঝবে যে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তি ও বাজারের একমাত্র রূপ কেন্দ্র নয় ভারত, বরং Bangladesh একটি “dependency-free strategic partner”।
চীন-ভুটান সীমান্ত সমঝোতা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে ভুটানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আসছে। বাংলাদেশ এই অধ্যায়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করেও ভুটানকে “soft diplomatic insulation” দিতে পারে। যেমন ভুটানকে BIMSTEC ও BBIN এর ভিতরে Track-2 Diplomatic Research Exchange–এর মাধ্যমে যুক্ত করা।
Bangladesh এখানে mediator নয়, বরং dialogue enabler হতে পারে। এমন উদ্যোগ দেখাবে যে বাংলাদেশ আর শুধু দর্শক নয়, বরং কৌশলগত আলোচনা পরিচালনার সক্ষম মধ্যম শক্তি। যদি বাংলাদেশ শান্তি–কূটনীতি ভিত্তিক আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে নেতৃত্ব দেয়, তাহলে তা ভারতের প্রভাবকে ক্ষয় করবেতো বটেই, একি সাথে শক্তি–কেন্দ্রিক রাজনীতির চেয়ে cooperation-based regional order প্রস্তাব করবে। এটি ভুটানের রাজনৈতিক আস্থাকে বাংলাদেশের দিকে টেনে আনতে পারে।
অন্যদিকে শিক্ষাখাত, স্বাস্থ্যখাত ও ডিজিটাল সক্ষমতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ভুটানের জন্য ভারতের বিকল্প হতে পারে। ভুটানের বড় অংশ এখনো ভারতের ওপর নির্ভরশীল মেডিকেল ট্রিটমেন্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা নেয়ার জন্য। বাংলাদেশ যদি “Bhutan–Bangladesh Knowledge & Medical Access Protocol” তৈরি করে তাকে শিক্ষাবৃত্তি, মেডিকেল ভিসা, টেলিমেডিসিন ও বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় কোর্স সুবিধা দেয়, তবে ভুটান বুঝতে পারবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে সক্ষম। এই মানবিক কূটনীতি ভুটানের মধ্যে বাংলাদেশের soft-power বৃদ্ধি করবে, যা ভারতের একচ্ছত্র প্রভাবকে বিনা সংঘাতে ধীরে ধীরে দুর্বল করবে।
তাই, বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত ভুটানকে বোঝানো যে দক্ষিণ এশিয়ায় অংশীদারিত্বের বহুপদী ভরকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, যেখানে একটি মাত্র দেশের উপর অতিনির্ভরশীলতা আর ভবিষ্যতের টেকসই জিওপলিটিক্যাল মডেল হতে পারে না।
শেরিং তোবগের সফরকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ যদি পরবর্তী পাঁচ বছরে ভুটানের সঙ্গে energy–education–trade–diplomacy–এর বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে পারে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ধীরে ধীরে এক নতুন ভারসাম্যের দিকে যাবে, আর সেই ভারসাম্যের অন্যতম নিয়ামক হবে বাংলাদেশ নিজেই।
Faatiha Aayat
22/10/2025
এই নিন এক নম্বর কমন
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে ‘কার্বন-নিউট্রাল শিশু’ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামের শিশু আয়ান খান রুহাব। মাত্র ৮ মাস বয়সেই এই বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেছে রুহাব। তার জন্মের পর তার পিতামাতা ৫৮০টি গাছ লাগিয়েছে। ফলে তার জীবদ্দশায় যত কার্বন নিঃসরণ করবে এই গাছগুলো তার থেকে বেশি শোষণ করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.