👉 সহীহ আল-বুখারী: হাদীস নং ৩৪৬১
👉 আরবি:
بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً
👉 বাংলা অর্থ:
“তোমরা আমার পক্ষ থেকে (মানুষের কাছে) পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াত (বা সামান্য বিষয়) হয়।”
Voice Of Islam - ইসলামের বাণী
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Voice Of Islam - ইসলামের বাণী, Dhaka.
👉 সহীহ আল-বুখারী: হাদীস নং ৩৪৬১
👉 আরবি:
بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً
👉 বাংলা অর্থ:
“তোমরা আমার পক্ষ থেকে (মানুষের কাছে) পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াত (বা সামান্য বিষয়) হয়।”
পাকা আম খাওয়ার উপকারিতা:
১. উচ্চ পুষ্টিমান
পাকা আমে ভিটামিন A, C, E এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. চোখের জন্য ভালো
ভিটামিন A সমৃদ্ধ হওয়ায় আম চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি রাতকানা ও চোখের শুষ্কতা রোধে সাহায্য করে।
৩. হজমে সহায়তা করে
আমে এনজাইম থাকে যা প্রাকৃতিকভাবে খাবার হজমে সাহায্য করে। ফাইবার থাকার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যও কমায়।
৪. ত্বকের জন্য ভালো
ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে পাকা আম ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
আমে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৬. শক্তি যোগায়
পাকা আমে প্রাকৃতিক চিনি (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) থাকে যা তাড়াতাড়ি শক্তি যোগায়। ক্লান্তি দূর করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
৭. রক্ত পরিষ্কার করে
পাকা আমে থাকা ভিটামিন C ও আয়রন রক্ত পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।
৮. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকার কারণে এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং হৃদয় সুস্থ রাখে।
03/04/2025
লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা
# লবঙ্গ দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির ক্ষয় নিরাময়ে বেশ কার্যকর। লবঙ্গের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে কিছু বিক্রিয়া করে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়।
# যাত্রাপথে বমি বমি ভাব দূর করতে মুখে লবঙ্গ দিয়ে রাখা যেতে পারে। এটি মুখে সুগন্ধি তৈরি করে বমি বন্ধে বেশ কাজ করে। বমির ভাব দূর করতে মুখে লবঙ্গ নিয়ে চুষতে পারেন অন্তঃসত্ত্বা নারীরাও।
# সর্দি-কাশি ও ঠান্ডা প্রতিরোধে লবঙ্গকে মহৌষধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এটি চিবিয়ে রস গিলে খেলে বা লবঙ্গ মুখে রেখে চুষলে ঠান্ডা লাগা, অ্যাজমা, সর্দি, কফ, গলা ফুলে ওঠা আর শ্বাসকষ্টে বেশ সুফল পাওয়া যায়।
# সাইনোসাইটিস রোগীদের চিকিৎসায় ওষুধ হিসেবে লবঙ্গ ব্যবহার করেন অনেকে। সাইনাসের কষ্ট কমাতে লবঙ্গের বিশেষ উপাদান ইগুয়েনাল সাহায্য করে।
# মাথাব্যথা ও মাথা যন্ত্রণা কমাতে লবঙ্গের জুড়ি নেই।
# পেট ফাঁপা ও পেটের অসুখ নিরাময়ে লবঙ্গ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ উপাদান এনজাইম বৃদ্ধি করে পেটব্যথা, অজীর্ণ, বদহজম, খিদে না হওয়া, পেটের গ্যাস ও বায়ু এমনকি কলেরা বা আন্ত্রিক রোগ নিরাময় করে।
# প্রচণ্ড স্ট্রেস ও উৎকণ্ঠা কমাতে এক টুকরো লবঙ্গ মুখে ফেলে চুষে খেয়ে ফেলুন। এমনকি লবঙ্গের চা পানেও মেজাজ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।
# ব্রণের চিকিৎসায় লবঙ্গের ব্যবহার বেশ পুরোনো। লবঙ্গের পেস্ট ব্রণের ওপর দিয়ে রাখলে দাগ চলে যায়।
# লবঙ্গ শরীরের ক্ষতিকর উপাদানগুলো বের করে রক্তকে পরিশোধন করতে বেশ ভূমিকা রাখে।
# পিপাসায় বারবার পানি পানের বিড়ম্বনা এড়াতে সকালে ও বিকেলে লবঙ্গ খাওয়া যেতে পারে। এতে পিপাসাজনিত রোগ দূর হবে।
# পেটের রোগ বা জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্তের ফলে খাবারে অরুচি দেখা দিলে লবঙ্গ গুঁড়া করে সকালে খালি পেটে এবং দুপুরে খাবারের পরে খেলে রুচি ফিরে আসবে।
# লবঙ্গ খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রক্তপ্রবাহেরও উন্নতি ঘটে।
# লবঙ্গ ক্যান্সার, কলেরা, শরীর ব্যথা ও যকৃতের সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করে। লবঙ্গের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ যে কোনো জীবাণুকে মারতে ভূমিকা রাখে।
# নিয়মিত লবঙ্গ খেলে সহজেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লংয়ের রস শরীরে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শকর্রার মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা কমে যায়।
08/12/2020
https://bdcarehealth.blogspot.com/2020/12/blog-post.html
কাঁচা ছোলার উপকারিতা ও অপকারিতা এটি প্রোটিনে সমৃদ্ধ। ছোলার গাছ ২০ থেকে ৫০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয় তবে ১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।[ ছোলার কাণ্ডে...
কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা কি কি ?
ভীষণ উপকারী জিনিস কালোজিরা। এটাকে খাবার না বলে পথ্য বলাই ভালো। গরম ও ঠান্ডাজনিত কারণে অনেকের জ্বর হচ্ছে। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালোজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যাঁরা মোটা হতে চান, তাঁদের জন্য কালোজিরা যথাযোগ্য পথ্য। আবার যাঁদের শরীরে পানি জমে হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের পানি জমতে বাধা দেয়। কালোজিরা শরীরের জন্য খুব জরুরি। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালোজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালোজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। আমাদের মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালোজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। খুব বেশি কালোজিরা খেলে হিতে বিপরীত হবে। আর যাঁরা কালোজিরা হজম করতে পারেন না, তাঁরা খাবেন না। কালোজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল। আমাদের কাজ করার শক্তিকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্যও কাজ করে। তাই প্রতিদিন অল্প করে ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে পারেন কালোজিরা।
কালোজিরার আমাদের অতি পরিচিত একটি জিনিস হুজুর পাক(সাঃ)বলেছেন, “একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষুধ এই কালোজিরা’ – আল হাদিস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালোজিরা’ গ্রহণ করে আসছে।সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানতে পেরেছেন যে কালোজিরার সব গুণ লুকিয়ে আছে এর তেলে।সাধারণত আমরা খাবারের সঙ্গে মসলা হিসেবে অথবা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে কালোজিরা খেয়ে থাকি। কিন্তু এভাবে আমাদের স্বাস্থ্য কালোজিরার আসল গুণাবলি থেকে বঞ্চিত হয়।তাই কালোজিরা নয়, বরং কালোজিরার তেল আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা কালোজিরাকে একটি অব্যর্থ রোগ নিরাময়ের উপকরণ হিসাবে বিশ্বাস করে। এর সাথে একটি হাদিস জড়িত আছে। হাদিসটি হলো— আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: এ কালোজিরা সাম ব্যতীত সমস্ত রোগের নিরাময়। আমি বললাম: সাম কি? তিনি বললেন: মৃত্যু!” [বুখারী: ৫৬৮৭]
কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে, বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে। এছাড়া মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি মতে কালোজিরা নানাবিধ রোগ-নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইউনানি মতে— নারীর ঋতুস্রাবজনীত সমস্যায় কালোজিরা বাটা খাওয়ার বিধান আছে। এছাড়া প্রসূতির স্তনে দুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য, প্রসবোত্তর কালে কালিজিরা বাটা খাওয়ার বিধান আছে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত কালিজিরা খেলে গর্ভপাতের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা খাওয়া হয়। তিলের তেলের সাথে কালোজিরা বাঁটা বা কালোজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগলে, ফোড়ার উপশম হয়। মধ্যপ্রাচ্যে প্রচলিত আছে যে, কালোজিরা যৌন ক্ষমতা বাড়ায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।
এছাড়া অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালোজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালোজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
কালোজিরা মশলা হিসাবে ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। এর বীজ থেকে পাওয়া তেল পাওয়া যায়। তবে পুরানো কালিজিরা তেল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
কালোজিরার অশেষ গুণঃ
হজমের সমস্যায়: তাহলে এক-দুই চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।
সর্দি-কাশি দূর করতে:এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হয়। সর্দি বসে গেলে কালিজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেঁধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে পড়বে। আরো দ্রুত ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন।
যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালোজিরা। মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।
ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালোজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মাথাব্যথায় ভুগছেন? কোনো চিন্তা নেই। কপালের দুই পাশ এবং কানে পাশে দিনে তিন-চারবার কালোজিরার তেল মালিশ করুন।
স্মরণ শক্তি বাড়াতে চান? তাহলে নিয়মিত কালোজিরা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দূর করে।
লিভারের সুরক্ষায় ভেষজটি অনন্য। লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে কালোজিরা।
মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায় :
চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন? কালোজিরা খেয়ে যান, চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আরো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।
কালোজিরার তেল উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দূর করে। এছাড়া হূদরোগ নিরাময়ে এ তেল মহৌষধ হিসেবে বিবেচিত।
কালোজিরার উপকারিতা অপকারিতা | কালোজিরা চিবিয়ে খাওয়ার উপকারিতা | কালোজিরা তেলের উপকারিতা কি | সকালে খালি পেটে মধু ও কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা।
#কালোজিরা
collected
24/11/2020
https://bdcarehealth.blogspot.com/2020/11/blog-post.html
ভিতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের উপকারিতা শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই অনেকের অবাক লাগছে। হয়ত হাসিও পাচ্ছে। তবে রূপচর্চায় আলুর ব্যবহার অনেক পুরোনো। আমাদের দাদী ন....
বাংলা একাডেমি #সাহিত্য #পুরস্কার ২০১৫ লাভ করেন কতজন?
ক. ১৫ জন
খ. ১৪ জন
গ. ১১ জন
ঘ. ৯ জন
বাংলা #ভাষার উৎপত্তি হয়েছে-
ক. সংস্কৃত থেকে
খ. মাগধী প্রাকৃত থেকে
গ. মহারাষ্ট্রীয় প্রাকৃত থেকে
ঘ. শৌরসেনী থেকে
05/07/2018
এইচএসসির ফল ১৯ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ১৯ জুলাই প্রকাশিত হচ্ছে। ওইদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সার-সংক্ষে.....
Click here to claim your Sponsored Listing.