26/09/2024
নাম্বার বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।
অষ্টম শ্রেণী থেকেই এই বৈষম্য শুরু হয়।
১)স্কুলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয় ৭৫০ নম্বরে।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় ৯৫০ নাম্বারে।
২)এসএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় ১২০০ নাম্বারে। দাখিল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় ১৪০০ নাম্বারে।
৩) এইচএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় ১৩০০ নম্বরে মানবিক বাণিজ্যিক ও বিজ্ঞান শাখায়।
আলিম পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় ১৫০০ নাম্বারে মানবিক ও ১৭০০ নম্বরে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীরা।
উচ্চশিক্ষা অর্জনে অতিরিক্ত ২০০ নাম্বার ও ৪০০ নাম্বার থেকে কোনো প্রশ্ন আসে না। এজন্য রেজাল্টে এক ধরনের ভাটা পড়ে।
সে যখন বুঝতে পারে অতিরিক্ত সাবজেক্ট তাকে পড়তে হয় তখন সে ধীরে ধীরে অষ্টম শ্রেণী পাস করার পর স্কুলে চলে যায় দাখিল পাস করার পর কলেজে ভর্তি হয় এবং আলীম পাস করার পর সে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় চলে যায়। কোন কোন পেশার ক্ষেত্রে চাকরি বৈষম্য হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য কোন কোটা থাকে না। সে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েই তাকে ভর্তি হতে হয়।
এক্ষেত্রে একটি সমাধান রয়েছে।
ইসলামের মূল উৎস কোরআন। কোরআনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কোরআন দিয়ে প্রথমত করা। দ্বিতীয়তঃ হাদিস দিয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা। তৃতীয়ত ফিকক এর মাধ্যমে মতামত সমকালীন বিশ্লেষণ করা। এক্ষেত্রে হাদিস ও ফিকাহ অধ্যায় পরিচ্ছেদ অনুচ্ছেদ প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় সাজানো রয়েছে। কোরআনকেও এভাবে বিষয়ভিত্তিক অধ্যায় অনুচ্ছেদ পরিচ্ছেদ প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় সাজিয়ে কোরআন হাদিস ফিকহ এক পৃষ্ঠায় বিন্যাস নিয়ে আসলে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
ভাষাগত দক্ষতা অর্জন করতে আরবি পৃথক থাকবে।
কুরআন=১০০
হাদিস=১০০
ফিকাহ=২০০(১ম ও ২য় পত্র)
বালাগত ও মানতিক=১০০(অলংকার শাস্ত্র ও যুক্তিবিদ্যা)
আরবি=২০০(প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র)
কুরআন হাদিস ফিকহ বালাগত মানতিক =৫০০ নাম্বার থেকে ৩০০ নাম্বার করে সমন্বয় করলে সমাধান সম্ভব।
বিজ্ঞান বিভাগের জন্য কুরআন হাদিস ফিকহ আরবি =৪০০ নাম্বার থেকে ২০০ নাম্বার এবং বাংলা ইংরেজি=৪০০ নাম্বার থেকে ২০০ নাম্বার করে সমন্বয় করলে সমাধান সম্ভব।