22/05/2026
TariqueRahman 👈 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
আজকে যদি রামিসার যায়গায় আপনার রাজকন্যা জাইমা রহমান হতো তাহলে ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া ধ্বজভঙ্গ চলমান আইনে বিচার হতো? নাকি আইন সংস্কার কিংবা দ্রুত আইন বাস্তবায়ন করে ফাঁ/সি তে ঝোলাতেন? আপনার কাছে প্রশ্ন।।
আমি কোনো আইনজীবী নই তবে আজকের ঘটনায় অপরাধী নিজে আদালতে শিশু ধ।র্ষ।ণ ও হ।ত্যা।র দায় স্বীকার করায় এই আইন সম্পর্কে ভালোভাবে লেখাপড়া করলাম, ভাবছিলাম আসামির স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দীর পর দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব!
তবে আমি হতাশ!!!
আদালতের তাল-বাহানা টেবিলে টেবিলে ফাইল চালানো আর মোটা অংকের টাকার বিনিময় হওয়ার বিশাল সুযোগ রেখে দিয়েছে এই বিচারব্যবস্থায়।
একজন অপরাধী নিজে দোষ স্বীকার করার পরেও যদি মেডিকেল রিপোর্ট লাগে দোষী প্রমাণ করতে আর রায় কার্যকর করতে লাগে যদি বছরের পর বছর
তাহলে সেই আইনের উপর মু.....তি।
🥲🤲🥲
21/05/2026
শিশু কিছু বললে তাকে বিশ্বাস করুন। 'মানসম্মান নষ্ট হবে' বলে চুপ করাবেন না। এতে মানসম্মান বাঁচে না, অপরাধী আরো সাহস পায়। কাউকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না। শিশুকে শেখান, তার শরীর তার নিজের। অস্বস্তিকর কিছু হলে চুপ থাকা যাবে না, সঙ্গে সঙ্গে বলতে হবে।
আর ভিকটিমকে নয়, অপরাধীকে প্রশ্ন করুন। লজ্জা কোনো মেয়ের নয়, কোনো শিশুর নয়। লজ্জা অপরাধীর। লজ্জা তাদেরও, যারা সব জেনেও চুপ থাকে। যে সমাজ নারী ও শিশুকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সেই সমাজ সভ্যতার দাবি করতে পারে না।
19/05/2026
প্রিয় ওস্তাগন আমার কিছু টিপস!
১. প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়ান
একসাথে বেশি না পড়িয়ে ১৫–২০ মিনিট করে বারবার পড়ান। কম কিন্তু নিয়মিত পড়া বেশি উপকার করে।
২. হরফ ও মাখরাজ সঠিক করুন
অনেক ছাত্র মূলত হরফ চিনতে বা সঠিক উচ্চারণ করতে পারে না।
যেমন: س ، ص ، ث বা ت ، ط আলাদা করে বারবার প্র্যাকটিস করান।
৩. বানান করে পড়ার অভ্যাস করান
সরাসরি দ্রুত পড়াতে না গিয়ে,হরফ,হরকত,তাশদীদ,মাদ্দ,গুন্নাতারপর শব্দ।
এভাবে ভেঙে ভেঙে পড়ান।
৪. একজন ভালো ছাত্রের সাথে মিলিয়ে পড়ান।
দূর্বল ছাত্রকে ভালো ছাত্রের পাশে বসান। যাতে সে সাহায্য পাই ও শুনে শুনে অনেক দ্রুত শিখে।
৫. এক লাইন বারবার পড়ান
নতুন নতুন বেশি না দিয়ে একই লাইন ১০–১২ বার পড়ান। এতে জড়তা কমে যায়।
৬. ভুল ধরার সময় বকাঝকা না করা
ভয় পেলে ছাত্র আরো আটকে যায়। উৎসাহ দিলে আগ্রহ বাড়ে।
৭. শুনিয়ে পড়ান
মুয়াল্লিম আগে সুন্দর করে পড়বেন, তারপর ছাত্র অনুসরণ করবে।
“শুনে পড়া” নাজেরায় খুব কার্যকর।
৮. ছোট টার্গেট দিন
আজ শুধু ৩/৫ লাইন ঠিকভাবে — এভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। বড় চাপ দিলে দুর্বল ছাত্র ভেঙে যায়।
৯. প্রতিদিন পুরাতন পড়া নিন
নতুনের চেয়ে পুরাতন বারবার ধরলে রিডিং মজবুত হয়।
১০. নফল ছালাত/দোয়া ও উৎসাহ
ছাত্রকে আগ্রহী করুন।
“তুমি পারবে ইনশাআল্লাহ।”
ছোট সফলতাতেও প্রশংসা করুন।
ইনশাল্লাহ সফলতা আসবে আশা বাদি আল্লাহর কাছে।
01/05/2026
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ভেতরে শারীরিক সম্পর্ক কোনো লজ্জার বা খারাপ বিষয় নয়। বরং এটি একটি স্বাভাবিক, প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
দাম্পত্য জীবনে ঘনিষ্ঠ মূহুর্ত দু’জন মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনে। এমন অনেক অনুভূতি, যেগুলো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, সেগুলো স্পর্শ আর ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমে সহজেই বোঝানো যায়।
শারীরিক সম্পর্ক স্বামী স্ত্রীর মানসিক প্রশান্তির একটি বড় উৎস। জীবনের নানা চাপ, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তির মাঝে এই ঘনিষ্ঠতা এক ধরনের স্বস্তি এনে দেয়। মন হালকা হয়, মেজাজ ভালো হয়, আর একে অপরের প্রতি টান আরও দৃঢ় হয়।
পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক এর পর মানসিক শান্তি অটোমেটিক চলে আসে, আর নারীর মানসিক শান্তি থাকলে তবেই শরীর জাগে।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে এই সম্পর্কটি একান্তই ব্যক্তিগত এবং বিশেষ। যেখানে একে অপরের প্রতি অধিকার, ভালোবাসা আর নির্ভরতার এক অনন্য মিশেল থাকে।
এই জায়গাটা ঠিক থাকলে সম্পর্কের অনেক জটিলতাও সহজ হয়ে আসে, অভিমান দ্রুত গলে যায়।
তবে মনে রাখতে হবে, মিলনের আসল সৌন্দর্য তখনই ফুটে ওঠে, যখন এর সাথে থাকে পারস্পরিক সম্মান, সম্মতি আর যত্ন।
এটাকে শুধু শারীরিক চাহিদা হিসেবে দেখলে ভুল হবে; এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে গভীর ভালোবাসা, বিশ্বাস আর একে অপরের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের অনুভূতি।