বিভূতিভূষণ বন্ধোপাধ্যায় কবে মৃত্যুবরণ করেন?
Basic Info
গণিত, বিজ্ঞান এবং অজানা নানান তথ্য পেয়ে যাবেন এই পেইজে।আমাদের সাথেই থাকুন।
12/09/2024
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এক দীর্ঘমেয়াদি অমীমাংসিত বিষয় হলো তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের মধ্যে চুক্তির কথা হচ্ছে বিগত কয়েক বছর ধরে। কিন্তু আশ্বাসেই থেমে আছে তিস্তা ইস্যু।
১৯৯৬ সালে গঙ্গা চুক্তির পর আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলছে তিস্তা পানি বণ্টনের বিষয়টির সূত্রপাত হয় ১৯৮৩ সালের আগস্ট মাসে দুদেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে।
২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফর করেন। সে সময় তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরের কথা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সেই চুক্তি সময়কাল ধরা হয়েছিল ১৫ বছর। এ চুক্তি অনুসারে তিস্তা নদীর পানির ৪২.৫ শতাংশে ভারতের অধিকার ও ৩৭.৫ শতাংশ বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার কারণে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর করেন। তার ভারত সফরকে ঘিরে আশা তৈরি হয় তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরের। সফরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু তখন ও সম্মতি জানাননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
তার অসম্মতি জানানোর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি বলেন উত্তরবঙ্গের মানুষকে বঞ্চিত করে তিনি বাংলাদেশকে পানি দিতে রাজি নন। এমনকি ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঢাকা সফরে আসেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময়ে তিস্তার চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক বক্তব্য রাখলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ এবং ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী বা অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি। এর মধ্যে ৪৩টি অভিন্ন নদীর বেশিরভাগ জল আটকে রাখে ভারত, যেটা প্রতিবেশী দেশের জন্য কার্যত অবিচার।
৫৪টি ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি কমিটি ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে দুই দিন বৈঠক করেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বৈঠকটি ভার্চুয়ালি সম্পন্ন হয়। বৈঠকে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনে একটি কাঠামো চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আগে ত্রিপুরার সাবরুম শহরে পানির সঙ্কট মোকাবিলায় মানবিক কারণে ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি উত্তোলনে সম্মতি দেয় বাংলাদেশ সরকার। তবুও দিনের পর দিন অমীমাংসিত থেকে গেছে তিস্তা পানি বণ্টনের বিষয়টি।
যৌথ নদী কমিশনের একজন বিশেষজ্ঞ, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ভাগাভাগির ক্ষেত্রে চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চুক্তির মাধ্যমেই একটি দেশের পানির হিস্যা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, যদি এ চুক্তি সম্পন্ন না হয় তাহলে সাবরুম শহরে যেমন পানির স্বল্পতা মেটানো সম্ভব নয় এমনকি বাংলাদেশেও বহু আগে থেকে একটি পাম্প হাউসসহ একটি সেচ প্রকল্প তৈরি করে তা কার্যকর করা সম্ভব নয়। চুক্তিটি বাস্তবায়িত করলে উভয় দেশই উপকৃত হবে বলে তিনি মনে করেন।
নীলফামারীর তিস্তা নদীর উজানে ভারত জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমায় ১৯৯৮ সালে স্থাপন করে গজলডোবা বাঁধ। এ বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণচলে যায় ভারতের হাতে। এই বাঁধে ফটক রয়েছে ৫৪টি যা বন্ধ করে তিস্তার মূল প্রবাহ থেকে পানি বিভিন্ন খাতে পুনর্বাহিত করা হয়। প্রধানত তিস্তার পানি তিস্তা-মহানন্দা খালে পুনার্বাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই বাঁধ স্থাপন করা হয়।
গজলডোবা বাঁধের আগে তিস্তা অববাহিকায় যেখানে ২৫০০ কিউসেক পানি পাওয়া যেত, সেখানে ভারতের পানি প্রত্যাহারের কারণে এখন পানি প্রবাহের পরিমাণ ৪০০ কিউসেকেরও কম। ১৯৯৭ সালে বাংলদেশে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় পানির প্রবাহ ছিল প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কিউসেক, যা ২০০৬ সালে নেমে আসে ১ হাজার ৩৪৮ কিউসেকে এবং ২০১৪ সালে পানির প্রবাহ এসে দাঁড়ায় মাত্র ৭০০ কিউসেক। যা প্রভাব ফেলছে বাংলাদেশের সমগ্র অর্থনীতিতে। পানির অভাবে চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়েছে অনেক জমি। ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ কৃষকরা, যা প্রভাব ফেলছে তাদের জীবনযাপনে। পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ না থাকায় চর জমে নদী ভরাট হচ্ছে।
এমনকি গ্রীষ্ম মৌসুমে নদীতে পানি একদমই থাকে না। লোকজন হেঁটে পার হয় নদী। তিস্তা পরিণত হয়েছে মৃত নদীতে। এভাবে চলতে থাকলে শুধু জনজীবন নয়, জীববৈচিত্র্যও হয়ে পড়বে হুমকির সম্মুখীন। তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি এখন সময়ের দাবি। কিন্তু তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের যে টালবাহানা তাতে বোঝা যায় তারা এ চুক্তিতে আবদ্ধ হতে নারাজ।
তিস্তা প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমানা দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ১১৫ কিলোমিটারে খনন করা হবে। খননের মাধ্যমে নদীর গভীরতাকে বেশ কমিয়ে আনা হবে। নদীশাসনের মাধ্যমে অনেক নদী উদ্ধার করা হবে। নদী তীরবর্তী জমিকে চাষের উপযোগী করে তোলা হবে। এমনকি তিস্তা নদীর উভয় তীরে শিল্পায়ন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হবে যার মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। যা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে।
তিস্তা নদী অপার সম্ভাবনাময়। তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি বা তিস্তা প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে শুধু তিস্তা তীরবর্তী জনগোষ্ঠী বা উত্তরবঙ্গ নয় তার সুফল ভোগ করবে সমগ্র বাংলাদেশ। উত্তরবঙ্গবাসীর জনজীবনে আসবে পরিবর্তন। সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ অর্থনীতি। সার্বিক দিক বিবেচনায় তিস্তা চুক্তি বা তিস্তা প্রকল্পের বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
11/09/2024
সুখি দেশের তালিকায় টানা ৭ বছর শীর্ষে রয়েছে ফিনল্যান্ড।
এছাড়া, এই তালিকায় শীর্ষ ১০ এ রয়েছে ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন, ইসরায়েল, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, লুক্সেমবার্গ, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া। এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে কুয়েত (১৩)।
বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯ তম।
বর্তমানে পৃথিবীতে মোট ২০৬ টি দেশ রয়েছে। এই সকল দেশগুলোর মধ্যে ১৯৩ টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য দেশ এবং বাকি দুটি পর্যবেক্ষক দেশ। এবং বাকি ১১ টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য নয়।
মিথ্যা বারবার বললে সত্যের মতো শুনায়। কিন্তু সত্য সুগন্ধযুক্ত আর মিথ্যা হয় গন্ধহীন। তাই, সত্যকে যতই মিথ্যার স্তুপ দিয়ে ঢেকে রাখা হোক, সত্যের সুগন্ধি একদিন মানুষের নাকে পৌঁছাবেই।
10/04/2024
ঈদ মোবারক🌙🫂🥰
শিক্ষিত মানুষ হলো সেই মানুষ যার মধ্যে মানুষ হয়ে উঠার ইচ্ছে অন্যসব ইচ্ছাকে ছাড়িয়ে যায়।
দুটি ঘন্টার মধ্যে ক ঘন্টাটি ৮ মিনিট অন্তর ও খ ঘন্টাটি ৬ মিনিট অন্তর বাজে দুপুর ১২টায় ঘন্টা দুটি একত্রে বাজলে পরবর্তীতে কোন সময় আবার একত্রে বাজবে?
বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর-উত্তরপশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
দশমিক সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে অনেকেই বেশ সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য ছোট এই ভিডিওটি🙂
#দশমিক_সংখ্যা
#দশমিক
25/09/2023
সাকিব-তামিম খেলতে চান না বিশ্বকাপে, মধ্যস্থতায় মাশরাফী | Shakib Al Hasan vs Tamim Iqbal | Mashrafe সাকিব-তামিম খেলতে চান না বিশ্বকাপে, মধ্যস্থতায় মাশরাফী | Shakib Al Hasan vs Tamim Iqbal | Mashrafeআরও ...
ছোট বেলায় এই প্রশ্নটা আমরা প্রায় সবাই পড়েছি....বলুন তো আকাশ কেনো নীল দেখায়?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka