15/10/2023
জার্মান থেকে বহিস্কৃত
ফিলিস্তিনে আসা প্রথম ইহুদী গ্রুপ
সৈয়দ মবনু
যে ছবি পোস্ট করেছি তা ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দের ফিলিস্তিনে আশ্রিত প্রথম ইহুদীরা। যাদেরকে মেরে হিটলার জার্মান থেকে বের করে দিয়েছিলো। এই সময় দুনিয়ার কোন দেশ ইহুদীকে আশ্রয় দিচ্ছিলো না। রাশিয়া, বৃটিন, আমেরিকা, ফ্রান্স কেউ না। যে দেশেই তারা জাহাজের নোঙর দিয়েছে তারাই তাড়িয়ে দিয়েছে। অবশেষে তারা নিজের জাহাজে বসে একটি আবেদন প্রকাশ করে, যাতে লেখা ছিলো; The German destroyed our familis & homes, don't you destroy our hopes'
জার্মানীরা আমাদের ঘর ও পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছে তোমাদের কাছে আমাদের বিশ্বাস তোমরা আমাদের আশা ধ্বংস করবে না। আশ্রয় প্রার্থী হয়ে আমরা ফিলিস্তিনে এসেছি।' তাদের এই আবেদনের ভিত্তিতে মানবিক কারণে ফিলিস্তিনীরা ইহুদিদেরকে আশ্রয় দিয়ে নতুন জীবন দান করেছিলো। ফিলিস্তিনীরা সেদিন তাদের বাড়ী-জমিন দিয়ে সাহায্য করেছিলো। এই ইহুদীরা পরবর্তীতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করে ফিলিস্তিনীদের উপর জুলুম নির্যাতন করে সেই এহসানের পূর্ণাঙ্গ বদলা দিলো। ৬০ লাখ ইহুদীকে হত্যার পর কিছুকে ছেড়ে দিয়ে হিটলার বলেছিলো: কিছুকে রাখলাম যাতে দুনিয়ার মানুষ বুঝতে পারে ওরা কি জিনিষ। কপি এন্ড পেস্ট।
11/07/2023
মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।
—আল হুজুরাত - ১২
23/05/2023
فَتَعٰلَی اللّٰہُ الۡمَلِکُ الۡحَقُّ ۚ وَلَا تَعۡجَلۡ بِالۡقُرۡاٰنِ مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ یُّقۡضٰۤی اِلَیۡکَ وَحۡیُہٗ ۫ وَقُلۡ رَّبِّ زِدۡنِیۡ عِلۡمًا
সত্যিকার অধীশ্বর আল্লাহ মহান। আপনার প্রতি আল্লাহর ওহী সম্পুর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরআন গ্রহণের ব্যপারে তাড়াহুড়া করবেন না এবং বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
—ত্বা-হা - ১১৪
07/05/2023
চিন্তা, পেরেশানি, ঋণ, অলসতা ও কাপুরুষতার দূরীকরন
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ وَ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَ الْكَسَلِ وَ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَ الْبُخْلِ وَ اَعُوْذُبِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَ قَهْرِ الرِّجَالِ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি ওয়া আউযুবিকা মিনাল আজযি ওয়াল কাসালি ওয়া আউযুবিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখলি ওয়া আউযুবিকা মিন গালাবাতিত দাইনি ওয়া কাহরির রিজালি।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই চিন্তা পেরেশানি থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই অপারগতা ও অলসতা থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কাপুরুষতার ও কৃপণতা থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের বোঝা ও মানুষের ক্ষোভ থেকে।
সুনানু আবী দাঊদ ১৫৫৫
আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে নববিতে প্রবেশ করে আনসারি একজন লোককে দেখতে পেলেন, যার নাম আবু উমামা। রাসুল তাকে বললেন, আবু উমামা! ব্যাপার কী, নামাজের সময় ছাড়াও তোমাকে মসজিদে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে? আবু উমামা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! অনেক ঋণ এবং দুনিয়ার চিন্তা আমাকে গ্রাস করে রেখেছে। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু কালেমা শিখিয়ে দেব, যেগুলো বললে আল্লাহ তোমার চিন্তাকে দূর করে দেবেন এবং তোমার ঋণগুলো আদায় করে দেবেন। তিনি বলেন, জি হ্যাঁ ইয়া রাসুলাল্লাহ! অবশ্যই বলুন, তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উপর্যুক্ত দোয়াটি শিখিয়ে দেন এবং তা সকাল-সন্ধ্যায় পড়তে বলেন। আবু উমামা বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ দোয়াটি পড়তে লাগলাম। ফলে আল্লাহ আমার চিন্তা দূর করে দিলেন এবং আমার ঋণগুলোও আদায় করে দিলেন। ( সুনানু আবী দাঊদ ১৫৫৫)
04/05/2023
আমলকারীকে আল্লাহ সন্তুষ্ট করবেন
সকালে ও সন্ধ্যায় এ দু‘আ ৩ বার পাঠ করবে-
رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - نَبِيًّا وَرَسُوْلاً.
র দ্বী-তু বিল্লাহি রব্বান অবিল ইসলামি দ্বীনান ও বি মুহাম্মাদীন নাবিয়্যা ও রসু-লা
অর্থঃ আমি সন্তুষ্ট আল্লাহ তা‘আলার প্রতি রব হিসেবে, ইসলামের প্রতি দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি নবী ও রাসূল হিসেবে।
(আবু দাউদ হাদীস নং-৫০৩৩/তিরমিযী হাদীস নং-৩৩৮৯/মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৭৭৮)
ফযীলত : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা এ দু‘আটি পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে অবশ্যই সন্তুষ্ট করবেন।
04/05/2023
জাহান্নাম থেকে বাঁচা
দোয়াটি হলো : (সাত বার): اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।
বাংলা অর্থ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও
[আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হিব্বান-২০২২]
ফজিলত : হজরত মুসলিম ইবনে হারেস তামিমি [রা.] বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললেন, যখন মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরাবে, তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়বে। যদি তুমি পড় আর ওই রাতেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে। ফজরের নামাজের পরও এ দোয়াটি একই নিয়মে সাতবার পড়বে। যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দিনেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে।
01/05/2023
সূর্য উঠার সময় পড়বে
اَ لْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِىْ اَقَالَنَا يَوْمَنَا هَذَا وَلَمْ يُهْلِكْنَا بِذُنُوْبِنَا
আলহামদুলিল্লাা হিল্লাযী আক্বাা লানাা ইয়াওমানাা হাযাা ওয়ালাম ইউহ লিকনাা বিযুনূ বিনাা।
সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহ তা‘আলার জন্য যিনি আজকের দিনে আমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং গুনাহের কারণে আমাদেরকে ধ্বংস করেননি।
(মুসলিম হাদীস নং-৮২২)
01/05/2023
কবর যিয়ারতের দু’আ
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا اَهْلَ القُبُوْرِ يَغْفِرُ اللّٰهُ لَنَا وَلَكُمْ. اَ نْتُمْ سَلَفُنَا وَنَحْنُ بِالْاَثَرِ
আসসালাামু ‘আলাইকুম ইয়াা আহলাল ক্বুবূরি ইয়াগফিরুল্লাাহু লানাা ওয়ালাকুম, আনতুম সালাফুনাা ওয়া নাহনু বিল আসার।
হে কবরবাসীগণ! আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এবং আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আপনারা আমাদের পূর্বে গমনকারী। আমরাও আপনাদের পিছনে পিছনে আসছি।
(তিরমিযী হাঃ ১০৫৩)
حَدثنا أَبُو كُرَيْبٍ, قَالَ: حَدثنا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ, عَنْ أَبِي كُدَيْنَةَ, عَنْ قَابُوسَ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ, عَنْ أَبِيهِ, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللهِ صَلى الله عَليه وسَلم بِقُبُورِ المَدِينَةِ, فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بِوَجْهِهِ, فَقَالَ: السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ القُبُورِ, يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ, أَنْتُمْ سَلَفُنَا, وَنَحْنُ بِالأَثَرِ.
আবূ করায়ব (রহঃ) ..................... ইবন আববাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা) মদীনার কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন এর দিকে ফিরে বললেন:
السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ القُبُورِ، يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا، وَنَحْنُ بِالأَثَرِ
আসসালামু আলাইকুম হে কবরের অধিবাসীগণ, আল্লাহ্ তা’আলা আমাদের এবং তোমাদের মাগফিরাত করুন। তোমরা আমাদের পূর্বসূরী আর আমরা তোমাদের পদাংক অনুসারী।
30/04/2023
বৃষ্টি বর্ষণের পর বলবে
مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللهِ وَرَحْمَتِهٖ
মুতিরনা বিফাদলিল্লা-হি ওয়া রহমাতিহী
আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে
সহিহ বুখারী, হাদিস নাম্বারঃ ৮০৬/৮৪৬,
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ عَلَى إِثْرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلَةِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ " هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ ". قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ " أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ، فَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ، وَأَمَّا مَنْ قَالَ بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي وَمُؤْمِنٌ بِالْكَوْكَبِ "
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ... যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে বৃষ্টি হওয়ার পর হুদায়বিয়াতে আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমরা কি জানো, তোমাদের পরাক্রমশালী ও মহিমাময় প্রতিপালক কী বলেছেন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল-ই উত্তম জানেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (রব) বলেন, আমার বান্দাদের মধ্য কেউ আমার প্রতি মু’মিন হয়ে গেল এবং কেউ কাফির। যে বলেছে, আল্লাহর করুণা ও রহমতে আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে হল আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে বলেছে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টিপাত হয়েছে, সে আমার প্রতি অবিশ্বাসী হয়েছে এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়েছে।
30/04/2023
আল্লাহর রশিকে (অর্থাৎ তাঁর দীন ও কিতাবকে) দৃঢ়ভাবে ধরে রাখ এবং পরস্পরে বিভেদ করো না। আল্লাহ তোমাদের প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন তা স্মরণ রাখ। একটা সময় ছিল, যখন তোমরা একে অন্যের শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের অন্তরসমূহকে জুড়ে দিলেন। ফলে তাঁর অনুগ্রহে তোমরা ভাই-ভাই হয়ে গেলে। তোমরা অগ্নিকু-ের প্রান্তে ছিল। আল্লাহ তোমাদেরকে (ইসলামের মাধ্যমে) সেখান থেকে মুক্তি দিলেন। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নিদর্শনসমূহ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা সঠিক পথে চলে আস।
—আলে ইমরান - ১০৩
11/02/2023
সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে আমরা খুবই সংকটপূর্ণ সময় পার করছি এবং আগামী দিনে আরও সংকটের আশঙ্কা ।
উত্তোলনের কিছু উপায়---- (প্রথম ধাপ)
আমার সাথে আপনার মতামতের মিল নাও হতে পারে।
# পারিবারিক, নৈতিক শিক্ষার চর্চা করুন।
# নিজের মতামতকে জোর করে প্রতিষ্ঠা করা থেকে বিরত থাকুন।
# অন্যের মতামতকে যুক্তি দিয়ে ভাবুন।
# নিজের সমালোচনা নিজেই করুন, অন্য কেউ করলেও তাকে শত্রু না ভেবে স্বাগতম জানান।
# কোন বিষয় ভাববেন না যে আপনিই বুঝেছেন, আর কেও বুঝে নাই, মনে করবেন অন্যরা আপনার থেকেও ভালো বুঝে ও জানে।
# ভালো কাজে উৎসাহ দিন আর মন্দ কাজে নিজেই বিচারক সেজে শাস্তি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, সমাজের সাহায্য নিন।
# ক্ষমতা বা শক্তির জোর না করে গঠনমূলক আলোচনা/সমালোচনা করুন।
# এমন ভাব করবেন না, যেন কাওকেই আপনার প্রয়োজন নেই- বরং সামাজিক বন্ধন তৈরি করুন।
# সাময়িক কোন স্বার্থের জন্য নিজের ব্যক্তিত্বকে নষ্ট বা বিক্রি করবেন না।
# নিজেকে বেশী বড় বা সম্মানিত না ভেবে অন্যকেও সম্মান করুন এবং অন্যের সম্মান রক্ষায় গুরুত্ব দিন।
সামাজিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিন, এবং সামাজিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কিছু ভুমিকা রাখুন। একটি সুন্দর সমাজ থেকে যে আনন্দ পাবেন এর থেকে ভালো বিনোদন আর কিছুই হতে পারে নাহ........।