Agricultural School-কৃষি স্কুল

Agricultural School-কৃষি স্কুল

Share

কৃষি উন্নয়ন ও জ্ঞান বিস্তারে একটি বিডিকৃষি (bdkrishi.com) উদ্যোগ

03/10/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Rumman Bsl, Emran Morol, Jakaria Babu Babu, Kaniz Fatema Shanta, Prithom Chowdhury, Samia Rahman, Furkan Hossen, Abdullah All Rahik, মোঃ তৌহিদুল ইসলাম ফাহাদ, RiPa IsLam, সুরভি রানী, Asif Ahmed, Mohon Mahmud Khokon, মেসার্স রিপন ট্রেডার্স, Humaun Kobir

08/09/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sojib Nori, Arafat Alif, Md Arif, Banshi Jana, Md. Kayum Chowdhury, Mamun Mia, Md Alamin, Afroza Aktar Anisha, MD Jihad Sarkar, Chaity Paul, Rî Šhå

15/08/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ariful Islam, Babavandsrir Faghol, Md Rakib Hossain, Md Foysal Hasan, Khandaker Tarif, Mhamudul Hasan Naeim, Md Safwan Hossain Msh, Tania Yesmin Tano, Anoarul Islam, Md Alamin Hossain, Md Akh Antar, Habiba Akhtar Eva, Shahin Alam, Jaciya Yasmin

Photos from Agricultural School-কৃষি স্কুল's post 15/05/2024

Cucurbit Fruit Fly/ কুমড়াজাতীয় ফলের মাছি পোকা:
----------------------------
এই পোকার নাম ফ্রুট ফ্লাই বা লাউ জাতীয় ফসলের মাছি পোকা। লাউ জাতীয় ফসল হলো মিষ্টিকুমড়া, শসা, করলা, ঝিংগা, চিচিংগা, ধুন্দল, চালকুমড়া, লাউ, তরমুজ ইত্যাদি। মাছি পোকা এই ফসলগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। এই পোকা গাছের পাতা বা গাছের কোন ক্ষতি না করলেও এটি সরাসরি ফলে আক্রমন করে। স্ত্রী পোকা ছোট এবং কচি ফলে পিছনের হুল দিয়ে ছিদ্র করে ভিতরে ডিম পাড়ে। ফল বড় হতে থাকে সেইসাথে ফলের ভিতরে ডিম ফুটে কীড়া বের হয়ে ভিতরের অংশ খেতে থাকে। একসময় ফল দেখতে বড় হলেও ভিতরে পচা থাকে এবং প্রচুর কীড়া দেখতে পাওয়া যায়। অনেক সময় ফল পচে না গেলেও কোচকে যায় এবং বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে বাজারমূল্য হারায়। যেহেতু কীড়াগুলো ফলের ভিতরে থাকে এবং বড় মাছি উড়তে থাকে সেহেতু কীটনাশক ভালোভাবে কাজ করে না। এই পোকার আক্রমনে কৃষক দিশেহারা হয়ে পরে এবং হাজার হাজার টাকার কীটনাশক ব্যবহার করেও পোকা দমন করতে পারে না।

জীবন চক্র: এই মাছির জীবনচক্র ৪ টি ধাপে সম্পন্ন হয় এবং ধাপগুলো হলো ডিম, লার্ভা, পিউপা এবং পূর্নাঙ্গ মাছি।

ডিম : একটি পূর্নাঙ্গ মাছি তার পিছনের হোল দিয়ে কচি ফলের ত্বক ছিদ্র করে ভিতরে ডিম পাড়ে। একটি মাছি ১০০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। ডিম ফলের কোন ক্ষতি না করলেও অনেক সময় ডিম পচে ছত্রাকের আক্রমন হতে পারে এবং ফল পচে যেতে পারে।

লার্ভা/কীড়া: ডিম দেওয়ার ১-৫ দিন পর লার্ভা বা কীড়া বের হয় এবং ফলের ভিতরের অংশ খেতে শুরু করে। ফলের ভিতরের অংশ খাওয়া এবং মল ত্যাগের কারনে ফলের ভিতরে ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়ার আক্রমনে পচনের সৃষ্টি হয়। এই কীড়ার আক্রমন অনেক সময় বাহির হইতে বুঝার উপায় থাকে না। ফলে ফল বড় হলেও ভিতরে পচা থাকে এবং ভিতরের পচা অংশে প্রচুর কীড়া দেখতে পাওয়া যায়। কীড়া ৩ দিন থেকে ২৪ দিন পর্যন্ত ফলের ভিতরে অবস্থান করে খাবার খেতে থাকে। মুলত এই ধাপটি ফসলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর।

পিউপা: কীড়া ৩ থেকে ২৪ দিন খাবার খাওয়ার পর দেহের চারপাশে একটি আবরন তৈরি করে গুটির মত নিষ্ক্রিয় অবস্থা ধারন করে। পচা ফল মাটিতে পড়ার পর মাটিতে এই ধাপটি সম্পন্ন হয়ে থাকে। এই ধাপে ফসলের কোন ক্ষতি করে না।

পূর্নাঙ্গ পোকা: পিউপা ৫-১৪ দিন পর তার দেহের চারপাশের আবরন কেটে বাহিরে বের হয়ে আসে এবং মিলনের জন্য সংগীর খোজে উড়তে থাকে। পূর্নাঙ্গ পোকা ১-২ মাস বেচে থাকে এবং তার জীব্দশায় প্রচুর কচি ফলের ভিতর ডিম পাড়ে। পূর্নাঙ্গ পোকা সরাসরি ফসলের কোন ক্ষতি করে না তবে পিছনের হুল ফুটিয়ে কচি ফলের ভিতর ডিম পাড়ার কারনে ডিম ফুটে কীড়া বের না হলেও ফল কুচকে বা বেকে যায়।

উপড়ের জীবন চক্র থেকে আমরা বুঝতে পারলাম শুধুমাত্র লার্ভা বা কীড়া ফসলের সবচেয়ে ক্ষতি করে থাকে। এই কীড়া বা লার্ভা ফলের অভ্যন্তরে অবস্থান করায় কীটনাশক ভালোভাবে কাজ করে না এমনকি একবার ডিম ফুটে কীড়া বের হলে কীটনাশক স্প্রে করে কীড়া মরলেও ভিতরের পচন ঠেকানো যায় না। অন্যদিকে পূর্নাঙ্গ পোকা কিছুটা ক্ষতি করলেও উড়তে থাকার কারনে সরাসরি কীটনাশক স্প্রে করে মারা সম্ভব হয় না। এমতাবস্থায় কৃষক দিশেহারা হয়ে পরে এবং আর্থিকভাবে মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

প্রতিরোধ বা দমন পদ্ধতি: পূর্বের আলোচনায় বলেছি কীটনাশক দিয়ে এই পোকা সহজে দমন করা যায় না কারন পূর্নাঙ্গ মাছি উড়তে থাকে আবার কীড়া ফলের অভ্যন্তরে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সিস্টেমিক কীটনাশক দিয়ে কীড়া মারতে পারলেও ফলের আকৃতি বিকৃত হয়ে যায় বা ফল পচে যায়। তাই ফসল রক্ষায় পোকা দমনের জন্য ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

আমরা পোকার জীবনচক্রের ৪ টি ধাপ দেখেছি যা হলো ডিম, কীড়া, পিউপা এবং পূর্নাঙ্গ মাছি। আমাদের টার্গেট হবে ডিম পাড়ার পূর্বেই মাছি পোকা প্রতিরোধ করা সেক্ষেত্রে পিউপা এবং পূর্নাঙ্গ মাছি এই ২ টি ধাপ হলো ডিম পাড়ার আগের ধাপ। এই পিউপা এবং পূর্নাঙ্গ মাছি দমন বা প্রতিরোধ করতে পারলেই আপনার ফসলের সুরক্ষা দিতে পারবেন। কীটনাশকের ব্যবহার ছাড়া শুধুমাত্র জৈবিক পদ্ধতিতে এই ২ টি ধাপের পোকা দমন করা যায়।

পিউপা দমন: কীড়া থেকে পিউপায় রুপান্তের পর এই পিউপা সাধারনত মাটিতে অবস্থান করে। মেটাহাইজিয়াম নামক একধরনের উপকারী ছত্রাক এই পোকার যম হিসেবে কাজ করে। এই ছত্রাক পিউপাকে আক্রমন করে পিউপাকে মেরে ফেলে। অন্যদিকে ট্রাইকোডার্মা অনুজীব সার ও ছত্রাকনাশক হিসেবে কাজ করে ফলে শেষ চাষের সময় প্রতি বিঘায় ৩০০ গ্রাম করে লাইকোম্যাক্স জমিতে দিলে ফলের মাছিপোকা প্রতিরোধ করা যাবে সেইসাথে অনুজীব সার হিসেবে অধিক ফসল উৎপাদনে সাহায্য করবে এবং গাছের সকল প্রকার ছত্রাকজনীত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। ব্র‍্যাক কর্তৃক বাজারজাতকৃত লাইকোম্যাক্স হলো এসব ছত্রাকের বাজারজাতকারী নাম।

পূর্নাঙ্গ পোকা দমন: পিউপা থেকে পুর্নাঙ্গ পোকা বের হওয়ার পর প্রজননের জন্য স্ত্রী পোকা পুরুষ পোকার খোজে এদিক সেদিক উড়তে থাকে। এই সময় স্ত্রী পোকা শরীর থেকে ফেরোমন নামক একপ্রকার গন্ধযুক্ত পদার্থ নির্গত করে যা কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও পুরুষ পোকা বুঝতে পারে। স্ত্রী পোকার ফেরোমনের গন্ধে পুরুষ পোকা ছোটে আসে এবং প্রজনন ঘটায়। স্ত্রী পোকার ফেরোমন এখন কৃত্তিমভাবে তৈরি করা যায় এবং এটিকে ফাদ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এই ফেরোমন ব্যবহার করে পুরুষ পোকা দমন করা হয় ফলে স্ত্রী পোকা পজনন ঘটাতে পারে না ফলে ডিম ও কীড়ার জন্ম হয় না। অতীতে এই ফেরোমন ছোট তাবিজ আকারে বিক্রি হতো যা সাবান পানি মিশ্রিত কৌটায় ঝুলিয়ে দেওয়া হতো এবং ফেরোমনের গন্ধে পুরুষ পোকা এসে সাবান পানিতে পড়ে মারা যেতো। বর্তমানে ব্র‍্যাক কিউট্র‍্যাক নামক আধুনিক ফেরোমন জেল নিয়ে এসেছে যা সাবান পানির প্র‍য়োজন হয় না। কিউট্র‍্যাক জেল একটি আঠালো হলুদ কার্ডের দুইপাশে কয়েকফোটা করে লাগিয়ে প্রতি শতাংশ জমিতে ২/৩ টি করে ঝুলিয়ে দিন। মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই পুরুষ মাছি পোকা আঠালো ফাদে আটকাতে থাকবে। অন্যদিকে এই কিউট্র‍্যাক জেলে এবামেকটিন নামক একপ্রকার জৈব বিষ মিশ্রিত করা হয়েছে ফলে পোকা জেলে স্পর্শ করা মাত্রই মারা যাবে। এইক্ষেত্রে আপনি ইচ্ছে করলে হলুদ কার্ড ব্যবহার না করেও শুধুমাত্র কিউট্র‍্যাক জেল মাচার বাশ বা গাছের পাতায় ফোটা ফোটা করে প্রয়োগ করলেও পুরুষ পোকা মারা যাবে।

২ টি পদ্ধতি একযোগে প্রয়োগ করলে সবচেয়ে কার্যকরী ভাবে মাছিপোকা দমন করা যাবে :

১. লাইকোম্যাক্স শেষ চাষের সময় প্রতি বিঘায় ৩০০ গ্রাম।
২. কিউট্র‍্যাক জেল হলুদ আঠালো কার্ডে লাগিয়ে প্রতি শতাংশে ২/৩ টি।

বি:দ্র: ফেরোমনযুক্ত কিউট্র‍্যাক জেল ফুল আসার সাথে সাথেই জমিতে স্থাপন করতে হবে। শুরুতেই প্রয়োগ করলে মাছি পোকা একেবারেই বংশবৃদ্ধির সুযোগ পায় না।

লেখক: কৃষিবিদ এম এ মনসুর লিয়ন



BDKrishi-বিডিকৃষি
আমাদের ফলো করুন:
https://bdkrishi.com
https://krishimarket.com.bd/
https://www.facebook.com/bdkrishi
https://www.linkedin.com/company/bdkrishi
https://twitter.com/bdkrishi

08/05/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

26/04/2024

নিরাপদ সবজি উৎপাদনে হলুদ ফাঁদের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ

26/04/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard!

Biplob Kormokar, Mdshamim Hossain, Md. Eyasin Arafat, HM Hasan Mehedi, Md Sadikul Islam, Tanimur Rahman, MD Mohaiminur Rahaman, MD Kajol Sathi, Jannatul Ferdousi Sorna, Md Hanif Sheikh, Md Shahad Îslâm, Xshovon Khan, Md Anisur Rahaman, Mahira Islam, MD Mehedi Hassan, AB Saiyed, Susmita Sumi, Adnan Ahamed, Mafuz Ahamed, Md Subel Hasan, Sofikul Islam, Hayat Mahmud

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka