20/08/2020
আসলেই কি ইয়ারফোন এ উচ্চ শব্দে গান শুনলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পায় ?
আসুন জানি
আমরা আমাদের "শুনতে চাই" এর ফেসবুক গ্রুপে দীর্ঘ সময় হেডফোনে উচ্চ শব্দে গান শুনলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পায় কি না সে বিষয়ে একটি গনজরিপ করেছিলাম। যেখানে প্রায় সবাই শ্রবণশক্তি হ্রাস পায় বলে জানিয়েছেন।
আসলেই কি ইয়ারফোন এ উচ্চ শব্দে গান শুনলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পায় ?
আসুন জানি
প্রতিদিন বাড়ি থেকে স্কুল,কলেজ,অফিস যাওয়ার পুরো সময়টা কানে হেডফোন গুঁজে রাখেন? রাস্তার কোলাহল,ট্রেন-বাসের হর্ন-এর আওয়াজ এড়াতে হেডফোনের ব্যবহার করেন নিয়মিত? হেডফোন এবং ইয়ারফোন ছাড়া জীবন-যাপনের কথা ভাবতেই পারেন না? দিনের অনেকটা সময় কানে থাকে হেডফোন? কাজের চাপে রিফ্রেশমেন্টের জন্য হেডফোন কানে জড়িয়ে ডুব দেন আপনার পছন্দের মিউজিক প্লে লিস্টে?
যদি এমনই অভ্যাস হয় আপনার তা হলে এখনই সাবধান হওয়ার সময় এসেছে। কারণ, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা। আসুন জেনে নেওয়া যাক, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে কী কী ক্ষতি হতে পারে-
১। শ্রবণে সমস্যাঃ
হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করলে সরাসরি অডিও কানে যায়। ৯০ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে গেলে শ্রবণে সমস্যা হতে পারে। চিরতরে শ্রবণ শক্তি হারাতে পারেন। দীর্ঘ সময় হেডফোনের ব্যবহার করতে হলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিতে ভুলবেন না। হাই ভলিউম-এ গান শুনবেন না।
২। কানের ইনফেকশনঃ
ইয়ারফোন কারো সঙ্গে ভাগ না করাই ভাল। অন্যথায় সহজেই কানে সংক্রমণ হতে পারে। অন্য কারও কান থেকে ব্যাকটেরিয়া সহজেই হেডফোন-এর মাধ্যমে আপনার কানে আসতে পারে।
৩। বাতাস প্রবেশে বাধাঃ
হেডফোন কোম্পানিগুলি এখন তাদের হেডফোনের অডিও এক্সপেরিয়েন্স এর দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে। ফলে সাউন্ড কোয়ালিটি বজায় থাকে। বেশিরভাগ হেডফোন এয়ার-টাইট। অর্থাৎ কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারেনা। যার ফলে ঝুঁকি থেকেই যায়।
৪। অল্প সময়ের জন্য বধিরঃ
একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় হাই ভলিউম-এ গান শুনলে হেডফোন খোলার পরও কিছুক্ষণ ভালোভাবে কানে শোনা যায় না। টানা ১৫ মিনিট ১০০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রায় গান শুনলে বধির হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
৫। কানে ব্যাথাঃ
অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারের জন্য অনেকেই কানের ব্যথা অনুভব করেন। মাঝে মাঝে কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়।
৬।মস্তিষ্কে প্রভাবঃ
হেডফোন থেকে সৃষ্ট ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কের জন্য গুরুতর বিপদ ডেকে আনতে পারে। ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারকারীদের এক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। মনে রাখবেন, কানের সঙ্গে মস্তিকের যোগাযোগ কিন্তু সরাসরি।
সেজন্যই যতটা সম্ভব দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ব্লুটুথ হেডফোন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন (কানে বাতাস প্রবেশ করতে বাধা প্রধান করে এমন হেডফোন গুলো) এবং যে কোম্পানির ডিভাইস ব্যবহার করছেন সেই ডিভাইসের কনফিগারেশনের সাথে মিল রেখে ওই একই কোম্পানির হেডফোন ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন হেডফোনে গান শোনা বা ভিডিও দেখা অবস্থায় আশেপাশের শব্দ যেন আপনি শুনতে পান। যদি শুনতে না পান তাহলে অবশ্যই ভলিউম কমাতে হবে। রাস্তায় চলাচলের সময় হেডফোন ব্যবহার করবেন না। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ সময় হেডফোন কানে লাগিয়ে গান শুনবেন না অথবা মুভি দেখবেন না। ৩০ মিনিট পর পর বিরতি নিন।
লিখেছেন:
সাব্বির হাসান পরাগ
অডিওলোজি এন্ড স্পিচ ল্যাংগুয়েজ প্যাথলজি,
৩য় বর্ষ
স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম সম্পর্কিত সব ধরনের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে এবং বিভিন্ন পরামর্শ পেতে যুক্ত হোন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-
https://www.facebook.com/groups/726660631467612/?ref=share
এছাড়া স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম রিলেটেড যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের ইমেইলে- [email protected]
14/08/2020
দৈনন্দিন জীবন যাত্রায় আমরা যোগাযোগের ভূমিকা কি তা আমরা সবাই জানি। অনেকে এটি নিয়ে নিবিড় চিন্তা করি, আবার অনেকে করিনা। যারা নিবিড় চিন্তা করি তারা বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হই। চলুন আজ কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জেনে আসি।
দৈনন্দিন জীবন যাত্রায় আমরা যোগাযোগের ভূমিকা কি তা আমরা সবাই জানি। অনেকে এটি নিয়ে নিবিড় চিন্তা করি, আবার অনেকে করিনা। যারা নিবিড় চিন্তা করি তারা বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হই। চলুন আজ কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জেনে আসি।
আমরা যখন কথা বলি, আমরা কখনোই চিন্তা করিনা যে কথাটা কিভাবে বলছি, বুঝছি বা বিপরীতজন কিভাবে শুনছেন,বুঝছেন বা উত্তর দিচ্ছেন।
চলুন আজ এই প্রক্রিয়াটা জেনে নেই।
মস্তিষ্ক হলো সকল জ্ঞানের ভান্ডার এটি ছোটবেলা আমরা সবাই শুনেছি বা পড়েছি। আমাদের যোগাযোগের সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে মস্তিষ্ক। সর্বপ্রথম আমরা যা বলি তা লেফট হেমিস্ফিয়ারের মাধ্যমে চিন্তা করি । তারপর সেটি বিভিন্ন সিগনালের মাধ্যমে মটর নার্ভ অর্থাৎ মুখোমন্ডলের বিভিন্ন অংশ যেমন জিহব্বা, তালু, ঠোঁট, দাঁত ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত হয়। এটি ছিলো একজন Speaker এর কার্যক্রম। বিপরীতজন যেভাবে শুনতে পায় এটা জানার আগে নিজেরা কিভাবে শুনি এটি জানবো। অন্যের কথা বা কোন শব্দ Air Conduction এবং হাড়ের সাহায্যে অর্থাৎ Bone Conduction প্রক্রিয়ায় শব্দগুলো ককলিয়ায় পৌঁছায়। ককলিয়া থেকে সেন্সরি নার্ভ এর মাধ্যমে আবার ব্রেইনে যায়। এভাবেই আমরা শুনতে পাই।
এরপর বলি বিপরীত মানুষটির শোনার প্রক্রিয়া। কথা বলার পরি সেই শব্দগুলো বাতাসের মাধ্যমে বিপরীতজনের কানে Air Conduction এবং Bone Conduction এর মাধ্যমে কক্লিয়ায় যায়, কক্লিয়া থেকে সেন্সরী নার্ভ এর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছায় এরপর মানুষটি মস্তিস্কের মাধ্যমে Speaker এর কথাগুলো বোঝে। এখানে বিপরীত ব্যক্তিটি হলেন Listener। Listener এর সেই কথাগুলো বোঝার বা সেটির উত্তর দেয়ার প্রকৃয়াটি ও ঠিক Speaker এর মতোই।
এভাবেই সকল সুষ্ঠু যোগাযোগ সম্পূর্ন হয়ে থাকে।
স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম সম্পর্কিত সব ধরনের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে এবং বিভিন্ন পরামর্শ পেতে যুক্ত হোন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-
https://www.facebook.com/groups/726660631467612/?ref=share
এছাড়া স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম রিলেটেড যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের ইমেইলে- [email protected]
লিখেছেন: জান্নাতুন নাঈম
ছবি: জেসিকা জাবিন জ্যোতি।
11/08/2020
মানবদেহে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত পাঁচটি ইন্দ্রিয় এর মধ্যে কান বা শ্রবনশক্তি অন্যতম। হেয়ারিং সেন্সের গুরুত্ব বুঝাতে
আমেরিকার প্রথম ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগ্রীধারী দৃষ্টি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী লেখক,রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক হেলেন কেলার বলেছিলেন- "Blindness separates people from things;Deafness separates people from people."
কানের রয়েছে তিনটি অংশ। বহিঃকর্ণ,মধ্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণ। প্রতিটি আলাদা আলাদা অংশের কাজ আলাদা। স্পিচ পারসেপশন অর্থ্যাৎ কারো কথা শুনে ব্রেইন এর বুঝতে পারা এবং ব্রেইন থেকে প্রেরিত সিগন্যাল পেয়ে স্পিচ প্রোডাকশনের যেই প্রক্রিয়া সেটাকে বলা হয় স্পিচ চেইন। একটি আদর্শ স্পিচ চেইন কখনোই হেয়ারিং সেন্স ছাড়া সম্ভব না।
অর্থ্যাৎ কারো যদি শ্রবণ ইন্দ্রিয় জন্মগত ভাবেই অকেজো থাকে তাহলে তার পক্ষে স্পিচ প্রোডাকশন সম্ভব নয়। এখন প্রশ্ন হতে পারে আমরা কিভাবে শুনতে পাই কিংবা কান কিভাবে কাজ করে-
পরিবেশ থেকে প্রাপ্ত একটি নির্দিষ্টমাত্রার শব্দ (২০-২০০০০ হার্টজ) তরঙ্গ বহিঃকর্ণ গ্রহন করে সেটাকে 'ইয়ার ক্যানেল' নামক একটি সরু সুড়ঙ্গ পথে পাঠিয়ে দেয় ইয়ারড্রাম নামক পার্টে। শব্দ তড়ঙ্গ ইয়ারড্রামে কম্পন সৃষ্টি করে। ইয়ারড্রামের সাথে কম্পিত হয় "মেলিয়াস,ইনকাস,স্টেপিস" নামের আরো তিনটি ছোট ছোট হাড়। এরফলে হাড় তিনটি সাউন্ড ভাইব্রেশন আরো বাড়িয়ে দেয় এবং সেই শব্দ তরঙ্গ প্রেরণ করে ককলিয়া নামক শামুক আকৃতির আরেকটি অর্গানে। ককলিয়া সাধারণত দুইধরণের (পেরিলিম্ফ,এন্ডোলিম্ফ) তরল পদার্থে পরিপূর্ণ থাকে থাকে। যার ফলে শব্দতরঙ্গ ককলিয়াতে থাকা তরলে ঢেউ এর সৃষ্টি করে। ককলিয়ার ভেতর তরল ছাড়াও থাকে হেয়ার সেলের কিছু বান্ডেল বা গুচ্ছ। ককলিয়াতে থাকা ফ্লুইডে যখন ওয়েভ সৃষ্টি হয় তখন হেয়ার সেলের বান্ডেল গুলোও ঢেউ এর সাথে সাথে মুভ করে। হেয়ার সেল এই মুভমেন্টটাকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রুপান্তর করে। হেয়ারসেল বান্ডেলের মুভমেন্টের ফলে আয়ন গুলো হেয়ারসেলের উপরিভাগে পতিত হয় যা হেয়ার সেলের নিচে একধরনের রাসায়নিক পদার্থ রিলিজ করে। এই রাসায়নিক পদার্থের বন্ধন অডিটরি নার্ভসেলে একধরনের বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরী করে যা অডিটরি নার্ভসেলের মাধ্যমে ব্রেইনে পৌঁছায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'নিউরোট্রন্সমিশন'। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় খুবই অল্প সময়ের মধ্যে। আমরা তাই শব্দ শোনা এবং বুঝতে পারার মধ্যকার সময়টুকু আলাদা করতে পারিনা। শব্দ তরঙ্গ ব্রেইনে পৌঁছানোর পর আমরা শব্দের উৎস,শব্দের ধরন,শব্দের অর্থ ইত্যাদি বুঝতে পারি।
লিখেছেনঃ Sabbir Hasan Porag
স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম রিলেটেড সব ধরনের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে এবং বিভিন্ন পরামর্শ পেতে যুক্ত হোন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-
https://www.facebook.com/groups/726660631467612/?ref=share
এছাড়াও স্পিচ,হেয়ারিং এবং অটিজম রিলেটেড যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের ইমেইলে- [email protected]
লিখেছেনঃ Sabbir Hasan Porag
কানের বিভিন্ন অংশের চিত্র এঁকেছেনঃ Jesika Zabin Joti.
05/08/2020
🔴বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রাপ্তির আবেদনের সুযোগ।
🔴বাংলাদেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল সম্মলিত সামরিক হাসপাতালে ঢাকা, বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট এর সুযোগ।
🔴বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে, সমাজকল্যান মন্ত্রানালয়ের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকা,ঢাকা সেনানিবাস, এ ১৩৪ টি ককলিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রদান করা হয়েছে।
যা আগে আসলে আগে পাবে ভিত্তিতে বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে প্রদান করা হবে।
🔴তাই দেরি না করে আজ ই যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে নিচের ছবিতে দেয়া নাম্বারে।
🔴ছবিটি ২৬/৭/২০২০ ইং তারিখের একটি দৈনিক পত্রিকা থেকে সংগ্রহিত।
🔺বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রাপ্তির আবেদনের সুযোগ।
🔴বাংলাদেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল সম্মলিত সামরিক হাসপাতালে ঢাকা, বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট এর সুযোগ।
🔴বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে, সমাজকল্যান মন্ত্রানালয়ের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকা,ঢাকা সেনানিবাস, এ ১৩৪ টি ককলিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রদান করা হয়েছে।
যা আগে আসলে আগে পাবে ভিত্তিতে বিনামূল্যে বা সল্পমূল্যে প্রদান করা হবে।
🔴তাই দেরি না করে আজ ই যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে নিচের ছবিতে দেয়া নাম্বারে।
🔴ছবিটি ২৬/৭/২০২০ ইং তারিখের একটি দৈনিক পত্রিকা থেকে সংগ্রহিত।
31/07/2020
ইদ মানে আনন্দ,ইদ মানে খুশি। ইদ-উল-আযাহা বা কোরবানী ঈদের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্যই হলো মনের পশুকে কোরবানি করা,মানুষের মাঝে পজিটিভিটি ছড়িয়ে দেয়া।😇
পবিত্র ইদ-উল-আযহা উপলক্ষে শুনতে চাই (Shunte Chai) পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ইদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ইদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ-😊
"ইদ মোবারক"🌙
30/06/2020
এর ই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জানবো কানপাকা বা ASOM
এর লক্ষণ সমূহ ।
তাই আসুন জানি এবং সচেতন হই, কারন শুরুর সচেতনতার মাধ্যমেই এই কান পাকা রোগ প্রতিরোধ যোগ্য