12/05/2024
“আদুভাই” নামে আবুল মনসুর আহমদের বিখ্যাত একটি গল্প আছে। যে আদুভাই নামটি এত আদুরে হয়ে উঠে যে তা পৌরাণিক কিংবা কিংবদন্তির পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া মুখেমুখে ফেরা এক চরিত্র। আজ এই খবরটি দেখে সেই আদুভাইয়ের মতো হেরে না যাওয়া এক মানুষের চরিত্র ভেসে উঠলো। যে চরিত্র সিসিফাসের মনশক্তিতে বলীয়ান।
তবে দুঃখের বিষয় হলো এখানে হাজার হাজার হা হা রিয়াক্ট পড়েছে। এবং সেটা বেড়েই যাচ্ছে। সরকার যদি পাশের হারের ব্যাপারে একটি শক্ত নীতিমালা অনুসরণ করতো তবে এইসব গণ্ডমূর্খদের কবেই দাদুভাই বানিয়ে ফেলতাম।
07/04/2024
https://www.poemhunter.com/poem/the-almanac-of-a-fool/
The Almanac Of A Fool - The Almanac Of A Fool Poem by Raj Reader
Read The Almanac Of A Fool poem by Raj Reader written. The Almanac Of A Fool poem is from Raj Reader poems. The Almanac Of A Fool poem summary, analysis and comments.
30/03/2024
আমাদের দেশে যখন তখনই দেখি এন্তনিও গ্রামসি, ফ্র্যাৎস ফানো, জুলিয়েন বেন্দা, কিংবা এডওয়ার্ড সাইদকে নিয়ে বুঝে না বুঝে অনেকেই সেমিনারগুলো ফেনা উঠিয়ে ফেলছে। যেন কথায় কথায় ওদের দুই একটা লাইন না ঢুকিয়ে দিলে মান থাকবে না। যেমনটা কিছু বছর আগে ট্রেন্ড হয়েছিল একটু করে ইংরেজি বলা। [অনেকে হয়তো এখনও এমনটা চালিয়ে যাচ্ছে। বহুক্ষেত্রেই দেখা গেছে যুক্তিটা হয়তো ভুল দিচ্ছে। কিন্তু ইংরেজিতে বলছে বলেই জিতে গেছে] কিন্তু এরা শেষমেশ গাইডবুক বক্তা হয়েই থেকে গেল। কারণ এরা সেইসব সনাতনী যুগের ছাত্র যারা না বুঝে মুখস্থ লিখেছে। আর এখন না বুঝে বলে বেড়াচ্ছে। [কারণ তারা এখনও বুঝে উঠতে পারেনি গ্রামসি থেকে সাইদ এরা সবাই প্লেটো-এরিস্টোটালের পাদটীকা] আইনিস্টাইনের একটি উক্তি আমি প্রায় ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে বলে থাকিঃ "যে জিনিশ তুমি অন্যকে সহজভাবে বুঝাতে পারো না সে জিনিশ তুমি নিজেও বুঝ না।" যখনই এই জাতীয় বক্তারা কম বুঝে থাকে তখনই ভারী-ভারী শব্দ দিয়ে এমন করে নিজেদের জাহির করতে শুরু করে যেন শ্রোতারাই তাদের বুঝছে না। এই সময়ের এমনই এক জনপ্রিয় ব্যক্তি কবি আল-মাহমুদকে ন্যায্যতা প্রমাণ করতে যেয়ে সফোক্লিসের নাটক “এন্তেগোনি” থেকে এটা ওটা দিয়ে এমন সব গোঁজামিল তথ্য দিলেন যা বাংলা একাডেমির বইমেলার দর্শকদের হা করে দিয়েছিল। কিন্তু সেই তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হয়তো জানতেন না থিবসের বিচার ব্যবস্থা কিসের উপর দাঁড়িয়ে আছে। আর সেই আইন দিয়ে একজন মৌলবাদী আল-মাহমুদকে [যদিও আল-মাহমুদ আধুনিক বাংলার অন্যতম প্রধাণ কবি। তবুও দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য। সেহেতু আল-মাহমুদকে প্রশ্রয় দেয়া মানে তাদের সাঙ্গপাঙ্গদেরও আশকারা দেয়া।] কীভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে উপস্থাপন করা যায় তার ত্রুটি করেননি সেই ভদ্রলোক।
আর এই গোঁজামিল মার্কা তাত্ত্বিকদের ভিড়ে যদি কেউ সারসংক্ষেপে সবার বোধগম্য বক্তব্য তুলে ধরার ক্ষমতা রাখেন তিনি হলেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (সিক) স্যার। সিক স্যারের পর হয়তো এই দেশে আর কোন বুদ্ধিজীবী থাকবে না যিনি ক্ষমতার কাঠামকে নিরন্তর প্রশ্ন করে যেতে পারেন। আমাদের দুই নেত্রী কোনদিন কোন বিষয়ে একমত হতে পারেননি। কিন্তু তিনি যখন উপাচার্য পদপ্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার মনোনীত হয়ছেন তখন দুইজনই দুইবার একই কথা বলেছেনঃ “তিনি তো আমাদের লোক না।“