পাঠশালা
Like to encourage us.
সরকারি চাকরির বয়স ৩৫!
কতটা যৌক্তিক?
#বিসিএস_বাংলাদেশ
02/05/2024
ছবিতে যাকে দেখছেন উনি আমার আব্বা। ছোটবেলা থেকেই আমি বাবা-মা থেকে দুরে নানাবাড়ীতেই আমার বেড়ে ওঠা। ক্লাস টু তে ভর্তি হয়েছিলাম নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তখন থেকেই আমার মা-বাবা বলতে আমি নানিকেই বুঝতাম। আব্বা আর আম্মা মাঝেমধ্যে আমাকে দেখতে আসতেন। আমাদের গ্রামের বাড়িতে ভাল স্কুল ছিলনা, পাড়া প্রতিবেশি আমার বয়সীদের পড়ালেখায় তেমন আগ্রহ নাই দেখে আমার আম্মা আমাকে দুরে নানিবাড়িতে পাঠিয়ে দিলেন। নানিবাড়িতে আমার এক ডজন মামাতো ভাইবোনদের সাথেই আমার বেড়ে ওঠা শুরু হল। নানি আমাকে অনেক আদর করতেন বলেই হয়ত ছোট বেলায় কিছুটা বেয়াড়া ছিলাম। গাছে গাছে চড়ে বেড়াতাম। আমার আগে কোন পাখির পক্ষে পাকা ফল খাওয়া সম্ভব হতনা। আব্বা তখন হাল চাষ করতেন, মানুষের জমিতে কাজ করতেন। অনেক খাটুনির কাজ। আর আমি নানাবাড়িতে টুকটাক কৃষিকাজে সহায়তা করে পড়ালেখা চালিয়ে যেতাম। ক্লাস ওয়ানে পড়াকালীন একদিন আম্মা পড়ার জন্য আব্বার কাছে বিচার দিয়েছিল। মনে আছে সেদিন আব্বা আমার মাথা চৌকির নিচে ঢুকিয়ে পেছনে এমন মাইর দিয়েছিল আমি আজও ভুলতে পারিনি। পড়ালেখা নিয়ে মাইর সেই শেষ। আমার জীবনে আর কোনদিন পড়ার জন্য মাইর বা বকা খেতে হয়নি। উল্টা কেন এত সময় ধরে পড়ি তার জন্য অনেকেই টিটকারি মারত। আসলেই ছোটবেলায় আমি মুখস্থ করতে পারতাম কম, তাই অনেক সময় ধরে পড়তে হত। নানাবাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে অনেকেই আসত আনন্দ করতে, আর আমি চুপচাপ বসে বসে পড়তাম। দেখা গেছে জোরে মাইকে গান বাজছে আর আমি পাশের রুমে বসে অংক করছি। আমার আব্বা কখনো স্কুলে গিয়েছিল কিনা জিজ্ঞেস করা হয়নি, কিন্তু উনি উনার ছেলে মেয়েদের পড়ালেখায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। আমার মনে আছে আমি যখন এসএসসিতে খুব ভাল রেজাল্ট করলাম তখন আব্বা-আম্মা খুব খুশি হয়েছিলেন। আমি তখন নটরডেমে ভর্তির স্বপ্ন দেখলাম। আব্বা তখন সাভার ক্যান্টনমেন্টে সবজি সাপ্লাইয়ের কাজ দেখাশোনা করত। আব্বাকে আমার ইচ্ছার কথা বলার সাথে সাথে আব্বা আমাকে নিয়ে গেল মতিঝিলে নটরডেম কলেজ দেখাতে। কিন্তু অনেক হিসাব নিকাশ করে আর ভর্তি হবার সাহস পেলাম না। শুধুমাত্র টিউশনির উপর ভর করে ঢাকায় ভর্তি হবার সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম না। আমার স্কুলে আমার চেয়ে কম রেজাল্ট করা বন্ধুটাও যখন নটরডেমে ভর্তি হল তখন একরাশ হতাশা নিয়ে বনপাড়া কলেজে ভর্তি হলাম। লজিং থাকলাম ডাঃ মুস্তাফিজুর আংকেলের বাসায়। লজিংয়ের গল্প আরেকদিন বলব। কলেজে এত কঠিন পড়া, তারপর আবার সম্পূর্ণ নতুন বই, নতুন সিলেবাস। আমাদের শিক্ষকগণ নিজেরাই হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিল পড়াতে। এটা দেখে আমি পুরাই হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। আমার বন্ধু নটরডেম কলেজ থেকে আসলে গল্প করত তারা কত সুন্দর করে শিখছে তখন আমি আরো বেশি হতাশ হতাম। টাকার জন্য নটরডেমে পড়তে পারলাম না। কিন্তু আমার আব্বা আমাকে কখনও হতাশ করেনি। যখন যেমন প্রাইভেট পড়ার জন্য টাকা চেয়েছি আব্বা শত কষ্ট হলেও না করেনি। কখনও বুঝতেও দেয়নি তার কষ্টের কথা। কিন্তু আমি ঠিকই বুঝতাম।আমার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর রেজাল্ট দেখে আব্বা চোখ বন্ধ করে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে গিয়েছেন। কলেজ পাশ করে মেডিকেল কোচিং করতে ঢাকায় আসলাম, কোচিংয়ে ভর্তি, মেসে থাকা সবকিছুর ব্যবস্থা তিনি করেছেন, কিভাবে করেছেন আমি তখন বুঝিনি কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছি। দিনরাত শ্রম বিক্রি করেছেন, হয়ত অন্যের কাছে হাতও পেতেছিলেন তখন, তবুও আমাকে বুঝতে দেয়নি। জীবনে কখনো না করেনি আমাকে, তবে আমি তার সামর্থ্য বুঝতাম, যতটুকু না নিলেই নয় ঠিক ততটুকুই নিতাম। তাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম তখন আমি আর আব্বার কাছ থেকে পারত পক্ষে টাকা নিতাম না।
আজ আমি এবং আমার স্ত্রী বেতন ভাতা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভাল টাকা আয় করি। নিজেদের জন্য , পরিবারের জন্য, আত্বীয়স্বজনের জন্য, আশপাশের অসহায় মানুষদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করি, কিন্তু তারপরও মনে হয় এই মানুষদের মত উদার হতে পারিনি এখনও।
সেই ছোট্টবেলা থেকেই আব্বা আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছে, আমি আমার মত সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই সেই ঋণ থেকেই আব্বাকে আমরা স্বাধীনতা দিয়েছি, যখন যেদিকে যেতে চায় যেতে দেই, যেখানে থাকতে চায় থাকতে দেই। আল্লাহর রহমতে ওমরা করিয়েছি , সামনে হজ্জ করানোর ইচ্ছা আছে। কিন্তু মনে হয় এই মানুষদের মত এতটা উদার আর সেক্রিফাইস কি আমরা করতে পারছি? মনে হয় পারছিনা।
এমন বাবার সন্তান হতে পেরে আমি গর্বিত। উনার ঝরানো প্রতিটি ফোটা ঘামের মূল্য আমি দিতে চাই অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে।
বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের অনেকেই ব্যর্থতার জন্য নিজেদের পরিবারের অস্বচ্ছলতাকে দায়ী করে। আমি মনে করি নিজেদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য, দৃঢ় মনোবল, আর অক্লান্ত পরিশ্রমের সম্মিলন ঘটাতে পারলে দারিদ্রতা বা অন্যকোন বাধাই আপনার সফলতাকে আটকাতে পারবেনা। আর আপনি সফল হলে অবশ্যই আপনার সফলতার পেছনের মানুষগুলোকে ভুলে যাবেন না।
কয়েকদিন আগে রাজবাড়ী আমার কর্মস্থলে এসেছিলেন বেড়াতে , পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রাজবাড়ীতে। একটা স্মৃতি রেখে দিলাম আব্বার সাথে। হয়ত আগামি বছর আমি থাকবনা এই কার্যালয়ে , আব্বারও হয়ত আর আসা হবেনা। তাই স্মৃতি রেখেদিলাম ফেসবুক ওয়ালে। বেঁচে থাকলে আগামি বছর ফেসবুক মনে করিয়ে দিবে।
(Copied)
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
27/04/2024
সময় অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত। সংক্ষিপ্ত এ জীবনে মানুষ তার মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে এ পৃথিবীতে স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকে। আবার নিন্দনীয় কর্মের ফলে এই জগতে সে বেঁচেও মরে থাকে। কেননা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তাকে ভালােবাসে না। সমাজ, দেশ ও জাতি তাকে শ্রদ্ধা করে না, স্মরণ করে না। তার মৃত্যুতে কারও কিছু যায় আসে না।
মানুষ মাত্রই জন্ম-মৃত্যুর অধীন। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে একদিন তাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এটা চিরন্তন সত্য। মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেয়, কিন্তু পেছনে পড়ে থাকে তার মহকর্মের ফসল। যে-কর্মের জন্যে সে মরে যাওয়ার পরও পৃথিবীতে যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকে। কৃতকর্মের জন্যেই কারাে কারাে নাম পায় মহিমা, উত্তর-পুরুষের কাছে হয় স্মরণীয়। মহকর্মের জন্যেই তারা এই পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকেন। এমন ব্যক্তিই মানবসমাজে ধন্য বলে বিবেচিত। মানুষের জীবনকে দীর্ঘ বয়সের সীমারেখা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। জীবনে কেউ যদি কোনাে। ভালােকাজ না করে থাকে তবে সে জীবন অর্থহীন, নিষ্ফল। সেই নিষ্ফল জীবনের অধিকারী মানুষটিকে কেউ মনে রাখে না। নীরব জীবন নীরবেই ঝরে যায়। পক্ষান্তরে, যে-মানুষ জীবনকে কর্মমুখর করে রাখে এবং যার কাজের মাধ্যমে জগৎ ও জীবনের উপকার সাধিত হয় তাকে বিশ্বের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। সেই সার্থক মানুষের কাজের অবদান বিশ্বের বুকে কীর্তিত হয়ে কৃতী লােকের গৌরব প্রচারিত হতে থাকে। কীর্তিমান ব্যক্তির যেমন মৃত্যু নেই, তেমনি শেষও নেই, কারণ এ পৃথিবীতে সে নিজস্ব কীর্তির মহিমায় লাভ করে অমরত্ব। কীর্তিমানের মৃত্যু হলে তার দেহের ধ্বংসসাধন হয় বটে, কিন্তু তার সৎকাজ এবং অম্লান কীর্তি পৃথিবীর মানুষের কাছে তাকে বাঁচিয়ে রাখে। তাঁর মৃত্যুর শত শত বছর পরেও মানুষ তাঁকে স্মরণ করে। তাই সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা কৰ্ম-সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে মানুষ পৃথিবীতে আসে এবং সে সময়সীমা পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে বিদায় নেয় পৃথিবী থেকে। এ নির্দিষ্ট সময়সীমায় সে যদি গৌরবজনক কীর্তির স্বাক্ষরে জীবনকে মহিমান্বিত করে তুলতে সক্ষম হয়, মানবকল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করে, তবে তার নশ্বর দেহের মৃত্যু হলেও তার স্বকীয় সত্তা থাকে মৃত্যুহীন। গৌরবােজ্জ্বল কৃতকর্মই তাকে বাঁচিয়ে রাখে যুগ থেকে যুগান্তরে। পৃথিবীর জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিগণ তাদের গৌরবজনক কীর্তির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ‘ঠাকুর’ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং ঐ পরিবারের সকলকে ছাপিয়ে বড় হয়ে ওঠেছে তার নাম। তার আসনে অন্য কেউ বসতে পারে নি। তার কৃতকর্মই তাকে মানুষের হৃদয়-কোঠায় স্থান করে দিয়েছে। আবার জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও কর্মের মাধ্যমে চির জাগরূক হয়ে আছেন আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায়। সম্রাট নাসিরুদ্দিন প্রথম জীবনে একজন ক্রীতদাস ছিলেন। জর্জ ওয়াশিংটন একজন সামান্য কৃষকের ঘরে জন্মগ্রহণ করে স্বীয় কর্মবলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। নেপােলিয়ান বােনাপার্ট, শেরশাহ নিতান্তই সাধারণ ঘরের সন্তান ছিলেন। তথাপি নিজ ক্ষমতাবলে নেপােলিয়ান ফ্রান্সের অধিকর্তা হয়েছিলেন। আর শেরশাহের কথা বলাই বাহুল্য। ইতিহাসের পাতায় এরূপ শতসহস্ৰ মহাপুরুষের উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে। যারা তাদের নিজ কর্মগুণে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী কোয়েপাড়া গ্রামে।তিনি ছিলেন বাবা মা এর প্রথম সন্তান, তার বাবার শিক্ষক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন। পিতামাতার দশজন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড় । ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট উত্তীর্ণের পর তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস-এ এফআরসিএস পড়াকালীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি চূড়ান্ত পর্ব শেষ না-করে লন্ডন থেকে ভারতে ফিরে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার নিমিত্তে আগরতলার মেলাঘরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গেরিলা প্রশিক্ষণ নেন এবং এরপরে ডা. এম এ মবিনের সাথে মিলে সেখানেই ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট “বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল” প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন।তিনি সেই স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক নারীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য জ্ঞান দান করেন যা দিয়ে তারা রোগীদের সেবা করতেন এবং তার এই অভূতপূর্ব সেবাপদ্ধতি পরে বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল পেপার “ল্যানসেট”-এ প্রকাশিত হয়।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী (২৭ ডিসেম্বর ১৯৪১-১১ এপ্রিল ২০২৩)একজন বাংলাদেশি চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য সক্রিয়তাবাদী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা।[৩][৪] তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামক স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিওর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮২ সালে প্রবর্তিত বাংলাদেশের ‘জাতীয় ঔষধ নীতি’ প্রণয়ন ও ঘোষণার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ফিলিপাইন থেকে রামন ম্যাগসাইসাই (১৯৮৫) এবং সুইডেন থেকে বিকল্প নোবেল হিসাবে পরিচিত রাইট লাভলিহুড (১৯৯২), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো’ (২০০২) এবং মানবতার সেবার জন্য কানাডা থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন।২০২১ সালে আহমদ শরীফ স্মারক পুরস্কার পান।
মানুষের দেহ নশ্বর কিন্তু কীর্তি অবিনশ্বর। কেউ যদি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করে, তবে মৃত্যুর পরেও তার এ কীর্তির মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় চিরকাল বেঁচে থাকে।
তথ্যসূত্র :উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট।
___ মোল্লা সাব্বির
সরকারি তিতুমীর কলেজ
26/04/2024
আজকে অনুষ্ঠিত িসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আসা #বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রশ্নের সমাধান।
#বিসিএস
26/04/2024
৪৬তম বিসিএস প্রিলি(ইংরেজি) সমাধান।
#৪৬তমবিসিএস
#প্রিলি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
1210