বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ বিসিএস, চাকরি এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য

বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ বিসিএস, চাকরি এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য

Share

বাংলা বিষয় শিখি প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষায় এগিয়ে থাকি।

06/09/2020

আমাদের নতুন পেজটি লাইক করে আমাদের সাথেই থাকুন ।। https://web.facebook.com/jobcircular032

Career Consultant সরকারি/বেসরকারি/ব্যাংক/প্রাইভেট কোম্পানি/ -- দৈনিক, সাপ্তাহিক মাসিক চাকুরির খবর ।

10/04/2020

বাংলা ব্যাকরণের গ্রুত্বপূর্ন টপিক হচ্ছে সমাস নির্ণয় । এখন থেকে সমাস নির্ণয় সমস্যা মনে হলে আমাদের ওয়েবসাইটে এক নিমিশেই পাবেন তার উত্তর ।
আমাদের নতুন সংযোজন সমাসের অবিধান ।।
লিঙ্কঃ

Bangla english Dictionary ।। Bangla to English ।। English to Bangla Bangla english Dictionary ।। Bangla to English ।। English to Bangla

06/04/2020

We inform You That we are adding Previous Bangladesh bank Question in our website You May Read Now..Online!
Link : https://learning-a-to.xyz/doc/Q-bank/gov-bank/BangladeshDevelopmentBank
.............................................
.............................................

How to open:
1. go to link.
2. Scroll down below.
3. click the question link.
4. And open our smart pdf.
5. Enjoy Smart Study With us
..................................................
..................................................

Thanks for subscribing,
learning-a-to-support team.
Stay Home

03/04/2020

উপসর্গ:-
কাজ
**→নতুন অর্থবােধক শব্দের সৃষ্টি হয়। যেমন : ছায়া থেকে প্রচ্ছায়া।
**→শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেমন : পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি।
**→শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়। যেমন : তাপ থেকে প্রতাপ, পরিতাপ।
.............
.............
প্রধান বৈশিষ্ট্য
**→‘উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে’ ।
**→উপসর্গগুলাের - প্রত্যেকটি এক একটি শব্দাংশ বা শব্দখণ্ড।
**→উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল , এদের নিজেদের কোনাে অর্থ নেই, বা পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না।
**→ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হলেই এরা শব্দ গঠন করে ।
.......
.......
link-for-post-Details
https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/bangla-bakaron/uposrgo
link- for Dictionary-
https://learning-a-to.xyz/doc/Dictionary/uposorgo.php

28/03/2020

বিসিএস পরীক্ষার সহায়ক অনেক পোস্ট আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে দিয়েছি - অনেক হেল্প-হবে পরীক্ষার্থীদের জন্য ।।

বাংলা ব্যাকরণ - লিঙ্ক-https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/bangla-bakaron/
ইংরেজি গ্রামার লিঙ্ক - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/English-grammar/
ইংরেজি সাহিত্য- https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/english/
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/GK-bangladesh/
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/GK-International/
কম্পিউটার - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/computer/
বিজ্ঞান - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/science/
ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/vugol/
মানসিক দক্ষতা - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/ManusikDokhkhota/
গানিতিক যুক্তি - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/ganitikJoggota/

22/02/2020

ধ্বনিঃ
মানুষের মুখ হতে নিঃসৃত প্রত্যেক একটি শব্দই ধ্বনি ।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে ধ্বনি পাওয়া যায় ।
ধ্বনির প্রকারভেদঃ
স্বর ধ্বনিঃ যে ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ব্যতিত উচ্চারিত হতে পারে তাকে স্বর ধ্বনি বলে । যেমনঃ- ই, এ ইত্যাদি
ব্যঞ্জনধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারিত হতে অন্য ধ্বনির সাহায্য নেয় তাকেই ব্যঞ্জনধ্বনি বলে ।
বর্ণঃ
ধ্বনি প্রকাশের জন্য যে সংকেতিক চিহ্ন ব্যবহা করি তাকেই আমরা বর্ণ বলি- যেমনঃ- (ক, খ ) ইত্যাদি এদের লিখিত রুপকে আমরা বর্ণ বলে থাকি ।। বর্ণ ২টি ভাগে ভাগ করা যায়- ১। স্বরধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে স্বরবর্ণ এবং ২। ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে ।
হসন্ত চিহ্ন, বর্ণ সংযোগ, ও বর্ণ বিশ্লেষণ একই বোঝায়।
একটি বর্ণের সহিত অন্য আর একটি বর্ণের মিলনকে সাধারনত বর্ণ সংযোগ বলে আবিহিত করা হয় । যেমনঃ কলম (ক+অ+ল+অ+ম)
যে ধ্বনি উচ্চারণে কম সময় প্রয়োজন = লঘুস্বর
যে ধ্বনি উচ্চারণে বেশি সময় প্রয়োজন = দীর্ঘস্বর
মূলস্বর ধ্বনি = ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, এ্যা, ও)

06/10/2019

উপসর্গ এর কাজ
........
**→নতুন অর্থবােধক শব্দের সৃষ্টি হয়। যেমন : ছায়া থেকে প্রচ্ছায়া।
**→শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেমন : পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি।
**→শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়। যেমন : তাপ থেকে প্রতাপ, পরিতাপ।
**→শব্দের অর্থের সীমা সংকুচিত হয়। যেমন : রাজি থেকে নিমরাজি।
**→শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। যেমন : কথা থেকে উপকথা।

27/09/2019

দ্বন্দ্ব সমাস যেভাবে গঠিত হয় -

যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন – তাল ও তমাল = তাল-তমাল ।

দ্বন্দ্ব সমাস কয়েক প্রকারে গঠিত হয়ঃ

১. মিলনার্থক শব্দের মাধ্যমে : মা-বাপ, মাসি-পিসি, ইত্যাদি।

২. বিরােধার্থক শব্দের মাধ্যমে: স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।

৩. বিপরীতার্থক শব্দের মাধ্যমে: আয়-ব্যয়, ছােট-বড়, ছেলে-বুড়াে ইত্যাদি।

৪. অঙ্ক বাচক শব্দের মাধ্যমে: নাক-কান, নাক-মুখ ইত্যাদি।

৫. সংখ্যাবাচক শব্দের মাধ্যমে: সাত-পাঁচ, নয়-ছয়, উনিশ-বিশ ইত্যাদি।

৬. সমার্থক শব্দের মাধ্যমে: হাট-বাজার, কল-কারখানা, মােল্লা-মৌলভি ইত্যাদি।

৭. প্রায় সমার্থক শব্দের মাধ্যমে: পােকা-মাকড়, দয়া-মায়া ইত্যাদি।

৮. দুটি সর্বনামযােগে শব্দের মাধ্যমে : যা-তা, যথা-তথা, এখানে-সেখানে ইত্যাদি।

৯. দুটি ক্রিয়াযােগে শব্দের মাধ্যমে: দেখা-শােনা, চলা-ফেরা ইত্যাদি।

১০. দুটি ক্রিয়া বিশেষণযােগে : ধীরে-সুস্থে, আকারে-ইঙ্গিতে ইত্যাদি।

১১. দুটি বিশেষণযােগে : কম-বেশি, আসল-নকল ইত্যাদি।

অলুক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনাে সমস্যমান পদের বিভক্তি লােপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন - দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, ইত্যাদি।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka

Opening Hours

Thursday 10:00 - 17:00
Friday 10:00 - 17:00