আমাদের নতুন পেজটি লাইক করে আমাদের সাথেই থাকুন ।। https://web.facebook.com/jobcircular032
Career Consultant সরকারি/বেসরকারি/ব্যাংক/প্রাইভেট কোম্পানি/ -- দৈনিক, সাপ্তাহিক মাসিক চাকুরির খবর ।
বাংলা বিষয় শিখি প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষায় এগিয়ে থাকি।
আমাদের নতুন পেজটি লাইক করে আমাদের সাথেই থাকুন ।। https://web.facebook.com/jobcircular032
Career Consultant সরকারি/বেসরকারি/ব্যাংক/প্রাইভেট কোম্পানি/ -- দৈনিক, সাপ্তাহিক মাসিক চাকুরির খবর ।
বাংলা ব্যাকরণের গ্রুত্বপূর্ন টপিক হচ্ছে সমাস নির্ণয় । এখন থেকে সমাস নির্ণয় সমস্যা মনে হলে আমাদের ওয়েবসাইটে এক নিমিশেই পাবেন তার উত্তর ।
আমাদের নতুন সংযোজন সমাসের অবিধান ।।
লিঙ্কঃ
Bangla english Dictionary ।। Bangla to English ।। English to Bangla Bangla english Dictionary ।। Bangla to English ।। English to Bangla
We inform You That we are adding Previous Bangladesh bank Question in our website You May Read Now..Online!
Link : https://learning-a-to.xyz/doc/Q-bank/gov-bank/BangladeshDevelopmentBank
.............................................
.............................................
How to open:
1. go to link.
2. Scroll down below.
3. click the question link.
4. And open our smart pdf.
5. Enjoy Smart Study With us
..................................................
..................................................
Thanks for subscribing,
learning-a-to-support team.
Stay Home
উপসর্গ:-
কাজ
**→নতুন অর্থবােধক শব্দের সৃষ্টি হয়। যেমন : ছায়া থেকে প্রচ্ছায়া।
**→শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেমন : পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি।
**→শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়। যেমন : তাপ থেকে প্রতাপ, পরিতাপ।
.............
.............
প্রধান বৈশিষ্ট্য
**→‘উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে’ ।
**→উপসর্গগুলাের - প্রত্যেকটি এক একটি শব্দাংশ বা শব্দখণ্ড।
**→উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল , এদের নিজেদের কোনাে অর্থ নেই, বা পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না।
**→ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হলেই এরা শব্দ গঠন করে ।
.......
.......
link-for-post-Details
https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/bangla-bakaron/uposrgo
link- for Dictionary-
https://learning-a-to.xyz/doc/Dictionary/uposorgo.php
বিসিএস পরীক্ষার সহায়ক অনেক পোস্ট আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে দিয়েছি - অনেক হেল্প-হবে পরীক্ষার্থীদের জন্য ।।
বাংলা ব্যাকরণ - লিঙ্ক-https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/bangla-bakaron/
ইংরেজি গ্রামার লিঙ্ক - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/English-grammar/
ইংরেজি সাহিত্য- https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/english/
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/GK-bangladesh/
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/GK-International/
কম্পিউটার - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/computer/
বিজ্ঞান - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/science/
ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/vugol/
মানসিক দক্ষতা - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/ManusikDokhkhota/
গানিতিক যুক্তি - https://learning-a-to.xyz/doc/bcs/ganitikJoggota/
ধ্বনিঃ
মানুষের মুখ হতে নিঃসৃত প্রত্যেক একটি শব্দই ধ্বনি ।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে ধ্বনি পাওয়া যায় ।
ধ্বনির প্রকারভেদঃ
স্বর ধ্বনিঃ যে ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ব্যতিত উচ্চারিত হতে পারে তাকে স্বর ধ্বনি বলে । যেমনঃ- ই, এ ইত্যাদি
ব্যঞ্জনধ্বনিঃ যে ধ্বনি উচ্চারিত হতে অন্য ধ্বনির সাহায্য নেয় তাকেই ব্যঞ্জনধ্বনি বলে ।
বর্ণঃ
ধ্বনি প্রকাশের জন্য যে সংকেতিক চিহ্ন ব্যবহা করি তাকেই আমরা বর্ণ বলি- যেমনঃ- (ক, খ ) ইত্যাদি এদের লিখিত রুপকে আমরা বর্ণ বলে থাকি ।। বর্ণ ২টি ভাগে ভাগ করা যায়- ১। স্বরধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে স্বরবর্ণ এবং ২। ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে ।
হসন্ত চিহ্ন, বর্ণ সংযোগ, ও বর্ণ বিশ্লেষণ একই বোঝায়।
একটি বর্ণের সহিত অন্য আর একটি বর্ণের মিলনকে সাধারনত বর্ণ সংযোগ বলে আবিহিত করা হয় । যেমনঃ কলম (ক+অ+ল+অ+ম)
যে ধ্বনি উচ্চারণে কম সময় প্রয়োজন = লঘুস্বর
যে ধ্বনি উচ্চারণে বেশি সময় প্রয়োজন = দীর্ঘস্বর
মূলস্বর ধ্বনি = ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, এ্যা, ও)
উপসর্গ এর কাজ
........
**→নতুন অর্থবােধক শব্দের সৃষ্টি হয়। যেমন : ছায়া থেকে প্রচ্ছায়া।
**→শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেমন : পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি।
**→শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়। যেমন : তাপ থেকে প্রতাপ, পরিতাপ।
**→শব্দের অর্থের সীমা সংকুচিত হয়। যেমন : রাজি থেকে নিমরাজি।
**→শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। যেমন : কথা থেকে উপকথা।
দ্বন্দ্ব সমাস যেভাবে গঠিত হয় -
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন – তাল ও তমাল = তাল-তমাল ।
দ্বন্দ্ব সমাস কয়েক প্রকারে গঠিত হয়ঃ
১. মিলনার্থক শব্দের মাধ্যমে : মা-বাপ, মাসি-পিসি, ইত্যাদি।
২. বিরােধার্থক শব্দের মাধ্যমে: স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।
৩. বিপরীতার্থক শব্দের মাধ্যমে: আয়-ব্যয়, ছােট-বড়, ছেলে-বুড়াে ইত্যাদি।
৪. অঙ্ক বাচক শব্দের মাধ্যমে: নাক-কান, নাক-মুখ ইত্যাদি।
৫. সংখ্যাবাচক শব্দের মাধ্যমে: সাত-পাঁচ, নয়-ছয়, উনিশ-বিশ ইত্যাদি।
৬. সমার্থক শব্দের মাধ্যমে: হাট-বাজার, কল-কারখানা, মােল্লা-মৌলভি ইত্যাদি।
৭. প্রায় সমার্থক শব্দের মাধ্যমে: পােকা-মাকড়, দয়া-মায়া ইত্যাদি।
৮. দুটি সর্বনামযােগে শব্দের মাধ্যমে : যা-তা, যথা-তথা, এখানে-সেখানে ইত্যাদি।
৯. দুটি ক্রিয়াযােগে শব্দের মাধ্যমে: দেখা-শােনা, চলা-ফেরা ইত্যাদি।
১০. দুটি ক্রিয়া বিশেষণযােগে : ধীরে-সুস্থে, আকারে-ইঙ্গিতে ইত্যাদি।
১১. দুটি বিশেষণযােগে : কম-বেশি, আসল-নকল ইত্যাদি।
অলুক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনাে সমস্যমান পদের বিভক্তি লােপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন - দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, ইত্যাদি।
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Friday | 10:00 - 17:00 |