মুয়ানাকা করার সুন্নত পদ্ধতি হলো একে অপরের ডান দিকের ঘাড়ের সঙ্গে ঘাড় মেলানো। বুকের সঙ্গে বুক মিলে গেলে কোনো সমস্যা নেই। তবে মুয়ানাকা শুধু একবার করতে হয়। তিনবার করার কথা হাদিস বা ফিকহের কোনো কিতাবে উল্লেখ নেই।
F Islamic Studio
দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে চ্যানেলটি বেশি বেশি ফলো এবং শেয়ার করবেন।
দুনিয়ার জীবনে মানুষ যা আমল করবে, তার প্রতিদান আখেরাতে পাবে। মৃত্যুর পর মানুষের আর আমলের কোনো ক্ষমতা থাকে না, সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে এমন কিছু আমল রয়েছে, যেগুলো দুনিয়ার জীবনে করলে মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তি কবরে ওইসব আমলের সওয়াব পেতে থাকবেন। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন।
শীত ও অন্য কোনো অসুবিধার কারণে বা সুবিধার্থে অজু সহজভাবে করার জন্য পা ধোয়ার পরিবর্তে মোজার ওপর মাসেহ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শরিয়ার স্পষ্ট দিকনির্দেশনা আছে।
পরস্পরের মাঝে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের শিক্ষা। সম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করি। এরমধ্যে একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ একটি পদ্ধতি। সাক্ষাতের সময় প্রথমেই আমরা সালাম বিনিময় করি এবং মুসাফাহা করি। এ সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সঙ্গে মুসাফাহা করো, এতে তোমাদের অন্তরে বিদ্যমান প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে। একে অন্যকে হাদিয়া প্রদান করো, এতে হৃদ্যতা সৃষ্টি হবে এবং শত্রুতা ও ঘৃণা দূরীভূত হবে।’ (আবু দাউদ : ৫২১২)।
নামাজ পড়ার পূর্বশর্ত হলো অজু। অজু নামাজের চাবি। অজু ছাড়া নামাজ হয় না। অজু করার পর যদি ভেঙে যায়, তখন নতুন করে অজু করে নেওয়া প্রয়োজন। অজুর সওয়াব ও ফজিলত অনেক বেশি। ভাঙার কারণ কয়টি ও কী কী তা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই যদি এই ভিডিওটি দেখেন তাহলে আপনি অযু ভঙ্গের কারণ গুলো শিখে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
প্রতিটি মানুষই চায় সুস্থ থাকতে। কিন্তু মানুষের জীবন সুস্থতা-অসুস্থতা মিলিয়ে। ফলে অসুস্থতা পেয়ে বসে নানা সময়ে। আর অসুস্থতা জীবনযাত্রা অস্থিতিশীল ও অসহনীয় করে তোলে। কেউ অস্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায় না। তাই সুস্থ হতে কারো চেষ্টায় কমতি থাকে না। ভিডিওটি দেখুন এবং আমল করুন নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সুস্থ রাখবেন।
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর সাধারণ নিয়মে তাসবিহ-তাহলিল, জিকির-আজকার ও দোয়া পড়তেন। এর মধ্য থেকে পাঁচটি মোনাজাত আপনাদের সামনে এই ভিডিওতে তুলে ধরা হলো।
নামাজ ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। এতক্ষণ আমরা নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে জানলাম। এখন আমরা জানাবো নামাজের ভেতরে ও বাইরে কয়টি ফরজ রয়েছে। নামাজের ভেতরে ও বাইরে মোট ১৩টি ফরজ (অবশ্য পালনীয়) কাজ রয়েছে। ফরজগুলো এই ভিডিওতে তুলে ধরা হলো।
ইসলামের বিধান অনুসারে ওযু হল দেহের অঙ্গ-পতঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। পবিত্র কোরআনে আছে -‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তওবাকারীকে ভালবাসেন এবং যাহারা পবিত্র থাকে তহাদিগকেও ভালবাসেন। ’-(সূরা বাকারা,আয়াত:২২২)। নামাজের পূ্র্বে অবশ্যই ওযু করতে হয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার নামাজ আদায়ের জন্য ওযুকে করেছেন ফরজ। বিনা ওযুতে ফরজ ইবাদত করা পাপের কাজ।
মহাগ্রন্থ আল কোরআন এমন ফজিলতপূর্ণ কিতাব, যার প্রতিটি হরফ পাঠে আছে সওয়াব। তবে কোরআনের বেশ কিছু আয়াত ও সুরা এমন আছে, যেগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্যের কথা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বিশেষভাবে ইরশাদ করেছেন। এমনই একটি আয়াতের নাম ‘আয়াতুল কুরসি’। আয়াতটিকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত আয়াতুল কুরসি নামে পরিচিত। আয়াতটিতে আল্লাহর একত্ববাদ, মর্যাদা ও গুণের বর্ণনা থাকার কারণে আল্লাহ তাআলা এই আয়াতের মধ্যে অনেক ফজিলত রেখেছেন। এটি পাঠ করলে অসংখ্য পুণ্য লাভ হয়।
সুরা মুলকের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত রয়েছে। যে ব্যক্তি প্রতিরাতে সুরা মুলক পাঠ করবে, সুরা মুলক তার জন্য কেয়ামতের দিন সুপারিশ করব। তাকে কবরের আজাব থেকে হেফাজত করবে। এই ফজিলত সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
রাসুল (সাঃ) হাদিস শরিফে ইরশাদ করেন, ‘কোরআনের মধ্যে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা আছে, যেটি কারো পক্ষে সুপারিশ করলে— তাকে মাফ করে দেওয়া হয়। এ সুরাটি হলো- তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১৪০০; সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৮৯১)
সৃষ্টির উপর স্রষ্টার মর্যাদা যেমন সব বাণীর ওপর কুরআনের মর্যাদাও তেমন। কুরআন তেলাওয়াতের ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশি। এতে রয়েছে অনেক সাওয়াব। কুরআন তেলাওয়াতকারীর মর্যাদাও অনেক বেশি।
কুরআন পড়া শেখানোর প্রতিদানরাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তি সর্বোত্তম; যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে তা শেখায়।’ (বুখারি)