24/09/2025
সিলিং ফ্যান ডায়াগ্রাম
Celling fan diagram
Here you will find valuable information on a wide range of topics. জানার শেষ নাই !
Stay updated with the latest news, trends, and insights in various fields such as technology, science, health, education, and more.
24/09/2025
সিলিং ফ্যান ডায়াগ্রাম
Celling fan diagram
বুয়েট আন্দোলনে নেমেছে, দেশের আপামর জনগণের জানার দরকার তারা কেন আন্দোলনে নেমেছে?
তারা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য বরাদ্দ কিংবা উদ্ভাবনী ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্দোলনে নামেনি।
তারা বিদেশী টেকনোলজি আমদানি বন্ধ করে দেশীয় বুয়েটের টেকনোলজি ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য আন্দোলনে নামেনি।
তারা বুয়েটের মেধাবী স্টুডেন্টদের মেধা বিদেশে পাচার বন্ধ করে তা দেশে কাজে লাগানোর জন্য আন্দোলনে নামেনি।
পৃথিবীর সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বুয়েটের নাম নেই, তাই বুয়েটের শিক্ষা ও গবেষণা এবং পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে তাদের Ranking বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিতে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেনি।
ইরান পাকিস্তান ভারত তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যাবহার করে দেশের সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে বহুগুনে। আমাদের বুয়েট কেন পারে না। সেইটার জন্য তারা জীবনে কোনদিন আন্দোলনে নামেনি।
ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা পৃথিবীর আইটি সেক্টরের নেতৃত্ব দিচ্ছে, আমরা বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে সরকার জবাব চাই। আমাদের ফান্ড চাই, আরো বেশি গবেষণার উপকরণ চাই। এই শ্লোগান তারা কোনদিন দেইনি।
কিন্তু তারা যেটার জন্য আন্দোলনে নেমেছে সেটা হলো আগেও চাকরি নামের চাকর ছিলাম। এখন আরো নিচের পদের চাকর হতে চাই।
আর উদ্ভাবন, গবেষণা বা দেশের জন্য নতুন কোনকিছুর আবিষ্কার? সে আবার কি জিনিস? আমরা ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়েছি না। আমরা মেধাবী তো। বাংলাদেশের মানুষ জানে আমরা মেধাবী।
BSc Engineering vs Diploma Engineering 🔹
📚 BSc Engineer পড়াশোনা শেষ করেন ১৬ বছরে, আর Diploma Engineer শেষ করেন ১৪ বছরে।
👨💼 BSc Engineer সাধারণত Assistant Engineer হন, আর Diploma Engineer হন Sub-Assistant Engineer।
⏳ পদোন্নতিতে বড় বৈষম্য—BSc Engineer ৪–৫ বছরে প্রথম প্রমোশন পান, Diploma Engineer-এর লাগে গড়ে ১৫–২০ বছর।
💰 শিক্ষার্থী প্রতি সরকারি ব্যয়—BSc-তে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা, Diploma-তে মাত্র ১ লক্ষ টাকা।
👉 অথচ দেশের মাঠপর্যায়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করে যাচ্ছেন Diploma Engineer-রাই।
বুয়েটিয়ানদের ৩ দফা দাবী...আসুন দেখি কি নিয়ে তারা রাস্তা কাপাচ্ছে।....
১) তাদের দাবি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা নামের আগে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখতে পারবে না।
👉 মন্তব্য: একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সারাজীবন টেকনিক্যাল শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে, অথচ তাকে নামের আগে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখতে নিষেধ করা—এটা পুরোপুরি হাস্যকর। বুয়েটিরা চাইলে তাদের নামের আগে তিনবার ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখুক, কিন্তু ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা কী পদবী ব্যবহার করবে সেটা নির্ধারণ করার মালিক তারা নয়।
২) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কাউকে পদোন্নতি দিয়ে নবম গ্রেডে উন্নীত করা যাবে না।
👉 মন্তব্য: এটাও আরো অযৌক্তিক। দক্ষতা যদি থাকে, তাহলে সেই মানুষ অবশ্যই পদোন্নতি পাবে। কেউ যদি একবার ভর্তি পরীক্ষায় বুয়েটে পড়তে না পারে, তাহলে কি তার জীবন শেষ হয়ে যাবে? দক্ষতা থাকলে প্রমাণ করুক, কিন্তু অন্যদের পদোন্নতি আটকে রেখে নিজের ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা আসলে দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ।
৩) দশম গ্রেডের চাকরিতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কোটা।
👉 মন্তব্য: কেউ যদি সত্যিই বেশি দক্ষ হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই চাকরি পাবে। সার্টিফিকেট বা প্রতিষ্ঠানের সিলমোহরের ওপর ভিত্তি করে কোটা চাওয়াটা দক্ষতার নয়, বরং অটো পাসের মতো দাবি।
---
বুয়েটিয়ানের বাড়তি ‘অটো পাস’ স্টাইলে দাবী
কেউ কেউ বুয়েট ছাত্র বলছে: “ডিপ্লোমা ধারীদের আগে বুয়েট বানান শিখতে হবে, তারপরে তারা নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবে।”
আবার দেখলাম কেউ একজন ক্যালকুলাসের একটা সমীকরণ দিয়ে বলছে: “প্রথমে এই ইকুয়েশন সলভ করো, তারপর নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লেখ।”
এক সাংবাদিক তাদের কে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করলেন: তারা পড়াশোনা করেছেন, চাকরি নিচ্ছেন যোগ্যতার পরিচয়ও দিয়েছেন, তাহলে তারা নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লাগালে আপনাদের সমস্যা কি?
দরকার হলে আপনারা নামের আগে ‘বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার’ লিখুন। অনেককে তো দেখেছি নামের সাথে ব্র্যাকেট দিয়ে BUET Eng. লিখে রাখে!”
এটার উত্তরে এক বুয়েটিয়ান নাক উঁচু করে বলল: “আপনি জানেন বুয়েট কী জিনিস? বুয়েটের বানান সম্পর্কেই তো আপনার ধারণা নেই!”
সবচেয়ে মজার ব্যাপার, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক লোক তাচ্ছিল্যের সুরে বলে উঠল:
হ্যাঁ আপনার বুয়েট থেকে পইড়া বড় বালটা ফালাইছেন,
“বুয়েট থেকে পড়ে আজ পর্যন্ত কী বানাইছেন? অটো রিকশা ছাড়া আর কিছু?” 😂
---
শেষকথা:
বুয়েটিদের এই ৩ দফা আসলে দক্ষতার প্রতিযোগিতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সিলমোহর ভরসায় ‘অটো পাস’ পাওয়ার চেষ্টা। অথচ সত্যিকারের ইঞ্জিনিয়ার প্রমাণিত হয় কাজ দিয়ে, আবিষ্কার দিয়ে, আর বাস্তব সমস্যার সমাধান দিয়ে—কোটা বা সাইনবোর্ড দিয়ে নয়।
゚viralシ
খুব হাস্যকর এবং কষ্টের ব্যাপার হল যে আজকে বুয়েটের ভিসি স্যার চাইতেছে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীরা যেন ২য় শ্রেণীতে (১০ম গ্রেডে) যোগদান করার সুযোগ পায়।
>> তাহলে ১০ম গ্রেড পদের নাম কি হবে?
>> তাহলে ১০গ্রেডে চিরোকাল কি থাকবেন?
>> প্রোমোশন কি নিবেন না?
>> দেশে কয়েক লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার / ও আপনার তো বলতেছেন তারা ইঞ্জিনিয়ার না টেকনিশিয়ান তাদের পাশে বা অধীনে কিভাবে কাজ করবেন?
>> ১০ম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষা কোথায় দিবেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে না বুয়েটে?
এখন সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কে " প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় " ঘোষণার দাবি।
21/08/2025
Vacuum Circuit Breaker (VCB) – আধুনিক পাওয়ার সিস্টেমের নিরব প্রহরী🥰
👉 ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Protection। আর সেই প্রটেকশনের জন্য Substation বা Distribution Network-এ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয় Vacuum Circuit Breaker (VCB).
VCB এর কাজ করার প্রক্রিয়া (Working Principle of VCB) 🔌⚡
👉 VCB এর মূল কাজ হলো Fault Condition এ Current Flow বন্ধ করে সিস্টেমকে রক্ষা করা।
🔹 কাজের ধাপগুলো:
1️⃣ Normal Condition
ব্রেকারের Contacts (Fixed Contact & Moving Contact) একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
লোড/কারেন্ট স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হয়।
2️⃣ Fault Condition (Short Circuit / Over Current)
Protection Relay → Fault Sense করে → Trip Signal পাঠায়।
Moving Contact দ্রুত আলাদা হয়ে যায় Fixed Contact থেকে।
3️⃣ Arc Formation
Contact আলাদা হওয়ার সময় খুব অল্পক্ষণের জন্য Arc (বিদ্যুতের স্ফুলিঙ্গ) তৈরি হয়।
কিন্তু যেহেতু এই Arc Vacuum Chamber এর ভেতরে হয়, তাই Arc টিকে থাকতে পারে না।
4️⃣ Arc Quenching (Arc নেভানো)
Vacuum এর High Dielectric Strength arc কে sustain করতে দেয় না।
খুব দ্রুত (
বৈদ্যুতিক মোটর কি?
উত্তরঃ মোটর হচ্ছে এমন একটি ডিভাইস যেটা ইলেকট্রিক এনার্জি বা বিদ্যুৎ শক্তিকে মেকানিক্যাল এনার্জি বা যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তর করে তাই বৈদ্যুতিক মোটর।
আরো বলতে গেলে বৈদ্যুতিক মোটর হল এমন একটি কৌশল এবং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। প্রকারভেদ অনু্যায়ী এর গঠন ও ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয়। বৈদ্যুতিক মোটর তড়িত প্রকৌশলের আলোচ্য একটি বিষয়। বৈদ্যুতিক মোটর মূলত ফ্যারাডের আবেশ সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়ে থাকে। মোটরে প্রবাহিত তড়িৎ এর ধরন অনুযায়ী
মোটর সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ
এসি মোটর
ডিসি মোটর
১) এসি মোটর : এসি মোটরের সাথে আমরা কমবেশি সব্বাই পরিচিত । বৈদ্যুতিক পাখা, পানির পাম্প ইত্যাদি সবই এসি মোটর এর উদাহরণ । (আমরা এখানে মূলত ডিসি মোটর এর উপর বেশি গুরুত্ব দিব ।
২) ডিসি মোটর : বাজারে বেশ কয়েক প্রকারের ডিসি মোটর পাওয়া যায় । এদের প্রত্যেকেই বিশেষ বিশেষ কাজে পটু । এদের ভিতর কারো RPM(Revolution Per Minute) বেশি , কারো RPM কম , কারো টর্ক বেশি, কারো টর্ক কম ইত্যাদি ।
motor
একটি ইন্ডাকশন মোটরের প্রধান দুটি অংশ থাকে ?
১। ষ্টেটর
২। রোটর
তিন ফেজ ইন্ডাশন মোটরের ডায়াগ্রাম অঙ্কন করতে কি কি টেস্ট জানা দরকার ?
১। নো- লোড টেস্ট
২। শর্ট সার্কটি টেস্ট
৩। স্টেটর রেজিস্ট্যান্স টেস্ট
সিনক্রোনাস মটর কি?
যে মটর সিনক্রোনাস গতিবেগে ঘুরে তাকে সিনক্রোনাস মটর বলে।
সিনক্রোনাস গতিবেগে Ns= 120f/p
সিনক্রোনাস মোটরের কোথায় কি ধরনের সরবরাহ দেওয়া হয়?
উত্তরঃ স্টটরে ৩ ফেজ এ.সি এবং রোটরে ডি.সি সরবরাহ দেওয়া হয়।
সিনক্রোনাস মোটরের বিভিন্ন টর্কের তালিকা-
১। স্টার্টিং টর্ক
২। রার্নিং টর্ক
৩। পুল-ইন টর্ক
৪। পুল আউট টর্ক
৫। Reluctance Torque
৬। Locked Rotor Torque
ক) গিয়ারলেস মোটর : এটি খুবই সাধারণ একটি মোটর । ছোট বাচ্চাদের খেলনা গাড়িতে , ক্যাসেট প্লেয়ারের ভিতর এটি দেখা যায় ।
এর RPM খুবই বেশি । অর্থাৎ এই মোটর খুবই দ্রুত ঘুরতে পারে । কিন্তু এদের টর্ক খুবই কম । অর্থাং সাধারণত আগুল দিয়েই এদের ঘূর্ণনকে থামিয়ে দেওয়া যায় । স্বাধারণত এদের পেছনের দিকে দুটি টার্মিনাল থাকে । এই টার্মিনাল দুটিতে ব্যাটারির সংযোগ দিলেই সাধারণত এটি ঘুরতে শুরু করে । ব্যাটারির পোলারিটি চেঞ্চ করে দিলেই এটি আবার উল্টাদিকে ঘুরতে শুরু করে ।
খ) গিয়ারড মোটর : এটি গিয়ারলেস মোটরের মতই , শুধু এটির সামনে একটি গিয়ারবক্স যুক্ত থাকে । এটির RPM এবং টর্ক গিয়ারলেস মোটর এর সম্পূর্ণ বিপরীত । অর্থাৎ এর RPM খুব কম । এর ঘূর্ণন মাত্রা গিয়ারলেস মোটর এর তুলনায় অনেক কম । কিন্তু এদের টর্ক খুবই বেশি । অর্থাং সাধারণত আগুল দিয়েই এদের ঘূর্ণনকে থামিয়ে দেওয়া যায় না ।
এর কানেকশন সম্পূর্ণ গিয়ারলেস মোটর এর মতই ।
গ) স্টিপার মোটর : এর নাম থেকেই এর কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় ।
এটি মূলত step by step ঘুরতে পারে । অর্থাৎ একে ইচ্ছা করলে যে কোন Angle-এ যে কোন ডিগ্রী-কোণে ঘুরানো যায় । এটির ঘূর্ণন পদ্ধতি একটু ভিন্ন । এটি ঘুরাতে স্টিপার-মোটর-ড্রাইভার এর প্রয়োজন ।
ঘ) সার্ভো মোটর : সার্ভো মোটর অত্যাধিক টর্ক সম্মত । আগুল দিয়ে চেপে ধরে এর গতিকে থামিয়ে দেওয়া যায় না । এটি সাধারণত খুব ভারী জিনিস মুভ করার জন্য ব্যবহৃত হয় । তবে এই মোটরের লিমিটেশন রয়েছে ।