21/11/2025
আমরা সবাই রাজা!
না, না, আমরা সবাই কাফের!
নিজেই নিজের ফতোয়াতেই।
কাফের কাফের ভাই ভাই!
শত্রু কেবল কাদিয়ানীরাই!
এ ছাড়া আর উপায় নাই-
A non-official page providing thoughtful responses to certain allegations against Ahmadiyya beliefs.
We seek to explain our faith through Al-Qur’an, Al-Hadith-al-Nabawi (SAW), and rational reasoning— in a peaceful and respectful manner.
21/11/2025
আমরা সবাই রাজা!
না, না, আমরা সবাই কাফের!
নিজেই নিজের ফতোয়াতেই।
কাফের কাফের ভাই ভাই!
শত্রু কেবল কাদিয়ানীরাই!
এ ছাড়া আর উপায় নাই-
21/11/2025
#কাদিয়ানী/ #আহমদীয়াত কি #কোনো_নতুন_ধর্ম?
==================================
#না, আহমদীয়াত/কাদিয়ানী #কোনো_ধর্ম_নয়, বরং ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার উপর আমলকারী একটি #ইসলামী_দল। আহমদী/কাদিয়ানীরা নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিশ্বাস ও আমল করার ঘোষনা দেয়-
[১] ঈমানের বিষয়সমূহ- আল্লাহ, ফিরিশতা, রিসালাত, আসমানী কিতাব, পরকাল ও তাকদীর;
[২] ইসলামের স্তম্ভসমূহের উপর- কলেমা, সালাত, সওম, হজ্জ ও যাকাত;
[৩] সাক্ষ্য দেয়- আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই এবং মুহাম্মদ (সা) এর আল্লাহর বান্দা ও রসুল;
[৪] সমগ্র কুরআনের উপর- সর্বশেষ শরীয়ত ও আসমানী কিতাব;
[৫] হযরত #মুহাম্মদ_মুস্তফা (সা)-এর উপর- সর্বশ্রেষ্ঠ নবী-রসুল ও #খাতামান্নাবিয়্যিন;
[৬] মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ)-এর উপর- কুরআনী শরীয়তের অধীন, মুহাম্মদ (সা)-এর আনুগত্যকারী শরীয়ত বিহীন উম্মতি-নবী, আগমনকারী ঈসা মসীহ ও ইমাম মাহদী এবং যুগ সংস্কারক হিসেবে।
আহমদীদের/কাদিয়ানীদের বিশ্বাসসমূহের মধ্যে [নিম্নে উদ্ধৃত] কোনোটিই এমন নেই- যা সম্পর্কে কুরআন, সুন্নাহ-হাদিস ও কোনো প্রাচীন বুযুর্গ উলামার সমর্থন নেই। অর্থাৎ, কাদিয়ানীদের সকল বিশ্বাসের স্বপক্ষে কুরআন, সুন্নাত-হাদিস ও প্রাচীন কোনোনো কোনো বুজুর্গ আলেমের বক্তব্যের সমর্থন রয়েছে। যেমন-
[১] হযরত ঈসা (আ) দুনিয়াতে ইহজীবন কাটানোর পর দুনিয়াতেই মারা গিয়েছেন।
[২] মহানবী (সা) এর পরও তার (সা) আনুগত্যকারী শরীয়তবিহীন, উম্মতি-নবী হতে পারে।
[৩] আগমনকারী ঈসা ও ইমাম মাহদী একই ব্যক্তি হবেন।
[৪] আগত ঈসা পূর্বের ঈসা নন, বরং রূপক ঈসা হবেন।
[৫] ইমাম মাহদীর পর খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে।
[৬] ইমাম মাহদী ভারতবর্ষে আসবেন।
[৭] ইমাম মাহদী মুহাম্মদ (সা)-এর বুরুজ তথা প্রতিচ্ছায় হবেন।
[৮] ধর্মের নামে অস্ত্র যুদ্ধের জিহাদ বর্তমানে অপ্রয়োজন ও যথাযথ নয়, কিনাতু নফসের জিহাদ, কুরআনের শিক্ষা প্রচারের জিহাদ চলমান।
অতএব, বর্তমানে দেশে দেশে প্রচলিত আলেম সমাজের বৃহৎ বৃহৎ সমাবেশের মাধ্যমে আহমদীয়াত/কাদিয়ানীয়াত সম্পর্কে প্রচারিত ভুল প্রচারের শিকার হয়ে তাদেরকে "কাফের/অমুসলিম" বলা/প্রচার/দাবি করা জতে বিরত থেকে নিজেদের ঈমানের হেফাযত করুন, কেননা, তারা কুরআন ও সুন্নাহ-হাদীসের ভিত্তিতেই কথা বলে।
তাই, আহমদী/কাদিয়ানীদের সমুদয় বিশ্বাসমূহ কি আদৌ কুরআন ও সুন্নাহ-হাদীস দ্বারা সমর্থিত কিনা জানতে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন;
অথবা, অনলাইনে জানতে ভিজিট করুন:
:
www.ahmadiyyabangla.org
https://alhaqqulmubeen.wordpress.com/
:
https://youtube.com/?si=MadMWJzhCdH_lirM
https://youtube.com/?si=m1BC4P4QRQoy8q8l
https://youtube.com/?si=X6FFMMrPDJycbiAu
:
https://www.facebook.com/share/1GywZo2gSV/
https://www.facebook.com/share/14NfaxEuhBD/
21/11/2025
হাদিসে বর্ণিত মাহদীর লক্ষণাবলীর সাথে মিল থাকলেও কেন আলেম সমাজ গ্রহণ করলো না?
==================================
Copied from: Sabbir Ahmad
⭕"কা'বা ঘরে" দুঃস্বপ্নের '২০শে নভেম্বর' আজ‼️
🔴 মাত্র ৪৬ বছর পূর্বে এদিনে স্থম্ভিত হয়ে গিয়েছিল মুসলিম জাহান। পুরো দু'সপ্তাহ বেদখল অবস্থায় ছিল সবার 'পবিত্র কাবাঘর'। ২০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ক্বাবাঘরে তাওয়াফ হয়নি, মসজিদুল হারামে আজান ও জামা'আতে ছালাত আদায় পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখ, ১ মুহাররম, হিজরি ১৪০০ সাল। জিল-হজ্জ মাসের হজ্জ শেষ হয়ে গেলেও তখনও অনেক হাজী মক্কায় রয়ে গেছেন। মসজিদুল হারামে জামা'ত অনেক বড় হচ্ছিল। ফজরের জামা'আতে প্রায় এক লক্ষ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
সেদিন জামা'আত শুরুর একটু আগে কয়েকটি লাশ নিয়ে আসা হলো। প্রতিদিনই লাশ আসত; তবে, ঐদিন একটু বেশিই এলো। এটা নিয়ে কেউ অবশ্য সন্দিহান হন নি। ফরজ নামাজের পরে জানাজা হবে।
ইমামতি করতে এগিয়ে গিয়েছেন শায়খ মোহাম্মাদ আল-সুবাইল। কিন্তু লাশ বহনকারীরা এসে তাঁকে সরিয়ে দিল, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বের করে শূন্যে গুলি ছুঁড়লো। একজন চিৎকার করে উঠলো, “ইমাম মাহদি আবির্ভূত হয়েছেন”। অস্ত্রধারীরা কফিনের ঢাকনা খুলে ফেলল। দেখা গেল- লাশ নয়, সেখানে ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র।
লাশবাহীরা অস্ত্র নিয়ে হেরেম শরিফের বিভিন্ন অংশেই অবস্থান নিলো। তারা গেটগুলো শিকল দিয়ে আটকে দিলো। এতে বাধা দিতে গিয়ে নিরস্ত্র দুজন সৌদী পুলিশ গুলিতে নিহত হলেন। হতবিহ্বল মুসল্লিরা কিছু বুঝে উঠতে পারার আগেই জিম্মি হয়ে গেলেন!
ক্বাবার সামনে দাঁড়িয়ে জুহাইমান আল ওতাইবি ভাষণ দিলেন। একপর্যায়ে তিনি নিজ ভগ্নিপতিকে “ইমাম মাহ্দি” হিসেবে উপস্থাপন করলেন এবং সকলের সামনে তার কাছে বায়াত গ্রহণ করলেন। এরপর অস্ত্রধারীরা সমবেতভাবে তার কাছে বায়াত গ্রহন করলো এবং মুসল্লিদেরকে যোগ দিতে আহ্বান জানালো।
দখলদাররা হেরেম শরিফের মাইক ব্যবহার করে তাদের বক্তব্য ও দাবী দাওয়া পেশ করতে থাকে। “যেহেতু ইমাম মেহেদী আবির্ভূত হয়েছে, তাই সৌদ বংশের রাজত্ব শেষ।” মাহদীর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সৌদদের চলে যেতে হবে।
হাদিসে ইমাম মাহ্দির যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা ঐ ব্যক্তির সাথে মিলে গিয়েছিল। তার নাম ও পিতার নাম এবং নবী (সঃ) এর নাম ও পিতার নামে ছিল। এছাড়া, প্রতি শতাব্দির শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ আবির্ভূত হবেন বলে বর্ণনা রয়েছে; সেই দিনটাও ছিল, হিজরি নতুন শতাব্দী শুরুর দিন!
ক্বাবা ঘর কেউ অস্ত্রের জোরে দখল করবে- এটা তখন কেউ ভাবেনি। আবার, হারাম শরীফে অস্ত্র বহন করা নিষেধ, তাই নিয়োজিত পুলিশরাও অস্ত্র ছাড়া ডিউটি করেন। মাইকে দখলকারীদের ঘোষণা শুনে পুলিশের বড় একটি দল দখলমুক্ত করতে যান, কিন্তু দখলকারীদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের তোপে তা ছিন্নভিন্ন হয়ে যান।
মক্কা থেকে সবাইকে সরিয়ে দেয়া হয়, ইন্টারন্যাশনাল টেলিফোন সার্কিট অফ করে দেয়া হয় এবং ঘটনা গোপন রেখে উদ্ধার অভিযান শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু সকালেই ওয়াশিংটন থেকে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে এই ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়! সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বের দেশে দেশে মুসলিমরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
সন্দেহের তীর ছুটে যায় আমেরিকার দিকে। ইরানের সদ্য সফল ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ্ খামেনি তাৎক্ষণিক রেডিও ভাষণে আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেন। পাকিস্থানে যুক্তরাষ্ট্রের দুতাবাস আগুনে পুড়িয়ে, ভাঙচুর করে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়। লিবিয়াতেও আমেরিকার দুতাবাস পুড়িয়ে দেয়া হয়।
এদিকে হারাম শরীফে রক্তপাত যেহেতু নিষিদ্ধ, উদ্ধার অভিযানে নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। সৌদী কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তের জন্যে আলেমদের শরণাপন্ন হন। সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আলেমদের বেগ পেতে হয়। একটি কারণ ছিল, জুহাইমান আল ওতাইবি নিজে অনেক বড় মাপের আলেম ছিলেন। তিনি ভয়ঙ্কর অন্যায় করে ফেলেছেন বটে, কিন্তু এতবড় একজন আলেম একদম না বুঝে কিছু করার কথা নয়- এই চিন্তায় সিদ্ধান্ত দিতে আলেমরা বিচলিত ছিলেন।
আলেমরা সিদ্ধান্ত দিলেন- সামরিক বিশেষজ্ঞরা অন্য উপায় বের করতে না পারলে দখলদারদেরকে আত্মসমর্পনের জন্য যথেষ্ট আহ্বান জানাতে হবে। তাতে কাজ না হলে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাবহার করে রক্তপাতের ঝুঁকি নেয়া যেতে পারে। তবে, কত রক্তপাতে কাজটি সারা যায়- সেদিকে জোর দিতে হবে।
তবে, সৌদী সরকারে অন্য একটি কাজ করেছিল। তাড়াহুড়া না করে সময়ক্ষেপণের করে ওদেরকে ক্ষুধায় কাতর করার চেষ্টা করা হলো। কিন্তু দেখা গেল- তারা ব্যাপক পরিমাণ খেজুর নিয়ে প্রবেশ করেছিল এবং জমজম কূপ তাদের দখলেই ছিল। ফলে, এই প্রচেষ্টা ব্যার্থ হয়েছিল।
সৌদী বাহিনী কয়েকটি অভিযানও চালিয়েছিল; কিন্তু দখলকারীদের সুবিধাজনক অবস্থান, বিশেষত মিনারগুলো থেকে স্নাইপার আক্রমণে সেসব অভিযান ব্যার্থ হয়ে যায়। তাদের সুবিধা ছিল- একমাত্র গেটের ভিতরে অসংখ্য জিম্মি নিয়ে তারা অবস্থান করছিল। ফলে, তাদের উপর কনভেনশনাল অ্যাটাক করা ছিল অসম্ভব।
সরকার অতি গোপনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর কাছে কৌশলগত সহযোগিতা চাইল। ফ্রান্সের জিআইজিএন কমান্ডো এগিয়ে এলো। কিন্তু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তারা অভিযান চালানো থেকে বিরত থাকল। তারা সুইসাইডাল কমান্ডো দিয়ে অভিযান পরিচালনা করতে হবে মর্মে পরামর্শ দিল, যেটা তারা নিজেরা করতে পারবে না।
বিশ্বের এতগুলো মুসলিম থাকতে ক্বাবা উদ্ধারে "মরার জন্য প্রস্তুত" কমান্ডো হাজির করল একমাত্র পাকিস্থান! তারা দমকলের সাহায্যে ভিতরে প্রচুর পানি নিক্ষেপ করল এবং তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে অনেককে হতাহত করে ফেলল। এরপর হারাম শরীফের অভ্যান্তরে চেতনানাশক গ্যাস ছুঁড়ে দিল। যদিও সন্ত্রাসীরা গ্যাস মাস্ক নিয়ে প্রবেশ করেছিল, তবে এতে অনেক লোক অচেতন হয়ে গেল। এরপর পাক এসএসজি কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে মসজিদুল হারাম দখলমুক্ত করে। ঐ কমান্ডো দলের একজন ছিলেন মেজর (পরবর্তী জেনারেল) পারভেজ মুশাররফ।
অভিযানে দখলদার মারা যায় ২৫৫ জন, আর আহত হয় ৫৬০ জন। মিলিটারি থেকে মারা যান ১২৭ জন, আর আহত হন ৪৫১ জন। কথিত ইমাম মাহদি গুলিতে নিহত হয়। মাস্টারমাইন্ড জুহাইমান ৬৭ জন ফলোয়ারসহ আরেস্ট হয়। তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
ঘটনাটি এত ছোট ও সহজ ছিল না। এত বড় ঘটনা দানা বেঁধে উঠতে অনেক কিছু ব্যাপার ছিল। আগ্রহীরা নিজ দায়িত্বে বিস্তারিত সংগ্রহ করে পড়ে নিতে পারেন‼️
তথ্যসূত্র সম্পাদনা
"Attack on Kaba Complete Video"। YouTube। ২৩ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৩।
Da Lage, Olivier (২০০৬)। Géopolitique de l'Arabie Saoudite (French ভাষায়)। Complexe। পৃষ্ঠা 34। আইএসবিএন 2804801217।
Riyadh (১০ জানুয়ারি ১৯৮০)। "63 Zealots beheaded for seizing Mosque"। Pittsburgh Post-Gazette। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১০।
"কিভাবে মক্কার মসজিদ দখল আল-কায়েদাকে অনুপ্রাণিত করেছিল?"। ২০ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৭।
Miller, Flagg (২০১৫)। The Audacious Ascetic: What the Bin Laden Tapes Reveal About Al-Qa'ida। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন 9780190613396। সেই দশ শতাব্দী থেকে ইসলামের পবিত্র ভূমি এমন কোন দুর্ধর্ষ বাহিনী দ্বারা দখল হয়নি। আর এটা পুনর্দখলের জন্য ফ্রেঞ্চ কমান্ডোদের সহযোগিতাতেও সৌদি বিশেষ বাহিনীর দুই সপ্তাহ লেগে যায়।
Benjamin, The Age of Sacred Terror (2002) p. 90
Wright, Sacred Rage, (2001), p. 155
Benjamin, The Age of Sacred Terror, (2002) p. 90
Mecca – 1979 Juhaiman ibn Muhammad ibn Saif al Otaibi, Global Security
Lacey, Robert (২০০৯)। Inside the Kingdom : Kings, Clerics, Modernists, Terrorists, and the Struggle for Saudi Arabia। Viking। পৃষ্ঠা 31।
On This Day, 21 November, BBC
"Khomeini Accuses U.S. and Israel of Attempt to Take Over Mosques", by John Kifner, New York Times, 25 November 1979
Wright, Robin B., 1948. Sacred Rage: The Wrath of Militant Islam. Simon & Schuster, c 2001, p. 149
EMBASSY OF THE U.S. IN LIBYA IS STORMED BY A CROWD OF 2,000; Fires Damage the Building but All Americans Escape – Attack Draws a Strong Protest Relations Have Been Cool Escaped without Harm 2,000 Libyan Demonstrators Storm the U.S. Embassy Stringent Security Measures Official Involvement Uncertain, New York Times, 3 December 1979
Mackey, p. 234.
"Saudis behead zealots"। The Victoria Advocate। AP। ১০ জানুয়ারি ১৯৮০। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১২।
22/10/2025
" #খালাত" শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা
া_আ_মৃত্যু_প্রসঙ্গ
[টাইপিং মিসটেক পরিহারযোগ্য ও ক্ষমাপ্রার্থী]
==================================
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন-
وَمَا مُحَمَّدٌ اِلَّا رَسُوْلٌ ۚ قَدْ #خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ ؕ اَفَا۠ئِنْ مَّاتَ اَوْ قُتِلَ انْقَلَبْتُمْ عَلٰۤي اَعْقَابِكُمْ ؕ
মুহাম্মাদ হচ্ছে একজন রসূল মাত্র, তাঁর পূর্বের সকল রসূল েছে [মৃত্যুবরণ করেছেন]; কাজেই যদি সে মারা যায় কিংবা নিহত হয়, তবে কি তোমরা উল্টাদিকে ঘুরে দাঁড়াবে? (সুরা আলি ইমরান: ১৪৪)
কুরআনের আয়াতে “قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ” বাক্যে خَلَتْ শব্দটি অধিকাংশ ক্লাসিক্যাল ও আধুনিক অভিধান অনুযায়ী বুঝায়— “অতীত হয়ে যাওয়া / (রসূলরা) চলে গেছেন / মারা গেছেন / অতীত হয়ে গেছেন” — অর্থাৎ “পূর্ববর্তী রসুলরা তাদের মেয়াদ শেষে মারা গিয়েছেন”।
কুরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াত: وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ… — এখানে ভাষাবিদ ও মুফাসসিরগণ ঐতিহ্যগতভাবে خَلَتْ মানে "মৃত্যুর মাধ্যমে চলে যাওয়া (passed away)" হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন — অর্থাৎ পূর্ববর্তী রসূলরা তাদের মেয়াদ শেষে “চলে গিয়েছেন/মরে গিয়েছেন”।
বিশ্ববিখ্যাত আরবি অভিধানসমূহে সূরা আল-ইমরান: আয়াত ১৪৪-এ ব্যবহৃত “خَلَتْ / خَلَتِ / خلات” (খালাত/খলাত ইত্যাদি রূপ) শব্দটির অর্থ ‘(মৃত্যু/ চলে যাওয়া / অতীত হয়ে যাওয়া)’। এরূপ ১০টি বিখ্যাত অভিধান হতে খালাত এর অর্থ দেখানো হলো। [প্রথম ছবি দ্রষ্টব্য]
আরবিতে "খালাত" ( خَلَتْ) শব্দটি "খালাও" ( خلو ) মূল ধাতু হতে নির্গত যার আভিধানিক অর্থ:
[১] অতীত হয়ে যাওয়া/পূর্বে চলে গেছে [মৃত্যু হওয়া]
[২] শেষ হয়ে যাওয়া/ বিলুপ্ত হওয়া
[৩] ফাকা হওয়া/শূন্য হওয়া
উৎস: লিসানুল আরব, তাজউল উরুস, আল কামসুল মুহিত, আল মুনজিদ, আকরাবুল মাওয়ারিদ, মুফরাদাত রাগিব, মুজামুল ওয়াসিত প্রভৃতি আরবি অভিধানসমূহ।
#খালাও_শব্দের_প্রয়োগ:
[১] "খালাও" ক্রিয়াটি যখন কোনো বস্তুর উপর প্রয়োগ হয় তখন এর অর্থ হয়- সে বস্তুটি সরালো বা বস্তুটির স্থান ফাকা হলো। যেমন- خَلَا مَكَانُ الشَّيْءِ অর্থাৎ- বস্তুটির স্থান ফাঁকা হয়ে গেল / শূন্য হলো।
[২] কিন্তু যখন "খালাও" ক্রিয়া মানুষ/প্রাণী/জাতির উপর প্রয়োগ হয় তখন এর অর্থ হয়- সে/তারা মারা গেলো/বিলুপ্ত হলো তথা মারা গেলো বু্ঝায়। যেমন- خَلَا الرَّجُلُ অর্থাৎ- ব্যক্তিটি চলে গেছে / মৃত্যুবরণ করেছে / অতীত হয়েছে। এরূপ অভিব্যক্তি কুরআনে অহরহ রয়েছে। তাই বাক-বিতন্ডা পরিহার যোগ্য।
বাংলা অনুবাদসমূহে "অতীত হয়েছে/গত হয়েছে" শব্দ প্রয়োগ দ্বারা সাধারণ মানু্ষকে ভুল ব্যাখ্যা [যেমন: গত হওয়া মানে মৃত্যু হওয়া নয়, এখানে মৃত্যু বুঝায় না প্রভৃতি] করে প্রতারিত করা সম্ভব হলেও ইংরেজি অনুবাদে লিখা হয় "Passed Away" [স্ক্রিনশট দ্রষ্টব্য]। আর ইংরেজি জানা মাত্র সকলেই জানেন ইংরেজি বাগাধারা (phrase) অনুযায়ী "Passed away" means "death/die." তথা পরলোকগমন করা/মারা যাওয়া।
#সর্বসাধারণের_জন্য_আলোচনা:
এবার সাধারণের জন্য সাধারণভাবে "খালাত" এর অর্থ অনুবাদে ব্যবহৃত "গত হওয়া" নিয়ে কিছুটা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো-
নিচের বাক্যগুলো লক্ষ্য করুন:
1. আব্দুল কাদির আমাদের মাঝ হতে গত হয়েছেন।
2. তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।
3. তার শূন্যস্থান আজও আমরা পূরণ করতে পারিনি।
উপরের বাক্যগুলোতে গত হয়েছে, ছেড়ে চলে গেছে, তার শূন্যস্থান শব্দগুলো দ্বারা কি বুঝায়? বাক্য ক্রমানুযায়ী নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বুঝায়-
[১] মৃত্যু হওয়া (দুনিয়া হতে বিধায়)
[২] বসবাসের এক স্থান হতে অন্যত্র গমন
[৩] মৃত্যুর/দায়িত্ব ত্যাগের পর সৃষ্ট শূন্যস্থান
এখন, প্রশ্ন হলো, পৃথিবী থেকে মানুষের বিদায় নেওয়ার উপায় কি? সাধারন চিন্তা মোতাবেক-
[১] স্বাভাবিক মৃত্যু/নিহত হওয়ার মাধ্যমে
[২] গায়েবী প্রক্রিয়ায় অদৃশ্য হয়ে যাওয়া
[৩] আল্লাহর অসীম কুদরতে পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হওয়া
[৪] নিখোজ হওয়ার কারণে কল্পনাপ্রসূত চিন্তা করার মাধ্যমে
স্বভাবতই, দুনিয়ার প্রতিটি মানুষের জন্য প্রাচীনকাল হতে চলে আসা বিধান অনুযায়ী পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার অর্থ মৃত্যু হওয়া। কিন্তু, যখনই ঈসা (আ) এর আলোচনায় বলা হয় তিনি (আ) পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন তখন কেউ কেউ এর অর্থ করেন আল্লাহর অসীম কুদরতে পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হওয়া। যদিও এটা দোষের কিছু নয়- কেননা তাদের চিন্তাই এমন যে, যত ব্যতিক্রম তা কেবল ঈসা (আ)-এর জন্রই নির্ধারিত।
পবিত্র কুরআনে হযরত ঈসা (আ)-এর পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া বুঝাতে যে আরবী শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা হলো- "খালাত"। শুধু কি ঈসা (আ) এর জন্যই খালাত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে? চলুন দেখা যাক-
تِلْكَ اُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ ۚ
তারা ছিল একটি উম্মত, যা গত হয়েছে। (সুরা আল বাকারাহ: ১৩৪) [ বিগত নবীর উম্মত গত হয়েছে বলতে ওই উম্মতের জাতিগত মৃত্যু হয়েছে অথবা উক্ত উম্মতের আর কার্যকারীতা নাই)
قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِكُمْ سُنَنٌ ۙ
তোমাদের পূর্বেও অনেক সম্প্রদায় গত হয়েছে, (সুরা আলি ইমরান: ১৩৭) [নবী নূহ, সালেহ, ইউসুফ (আ) এর উম্মতগত কিভাবে গত হয়েছে? অবশ্যই তাদের মৃত্যু ঘটেছে জাতিগতভাবে।]
قَالَ ادْخُلُوْا فِيْۤ اُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِكُمْ مِّنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ فِي النَّارِ ؕ
আল্লাহ বলবেন, তোমাদের পূর্বে জিন ও মানুষদের যেসব দল গত হয়েছে, তাদের সাথে তোমরাও জাহান্নামে প্রবেশ কর। (সুরা আল আরাফ: ৩৮) [পূর্বের মানুষ কিভাবে গত হয়েছে? অবশ্যই মৃত্যুর মধ্যেমে গত হয়েছে।]
مَا الْمَسِيْحُ ابْنُ مَرْيَمَ اِلَّا رَسُوْلٌ ۚ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ ؕ
মাসীহ ইবনে মারয়াম তো একজন রাসূলই ছিলেন, (তার বেশি কিছু নয়)। তার পূর্বেও বহু রাসূল গত হয়েছে। (সুরা আল মায়িদা: ৭৫) [ঈসা মসীহ্ এর পূর্বের রাসুলগণ কিভাবে গত হয়েছেন? অবশ্যই মৃত্যুর মাধ্যমে।]
#জাতি_বা_বিধান া_মানে_কি_মৃত্যু_হওয়া?
কোনো জাতি/বিধান গত হওয়া [মৃত্যু হওয়া] আর নবী-রাসুল গত হওয়া [মারা যাওয়া] ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে-
[১] জাতির মৃত্যু বলতে বাধ্যতামূলক ঐ জাতির প্রত্যেক সদসদের মৃত্যু হওয়া বুঝায় না, বরং জাতিটি তার সৌর্যবীর্য হারিয়ে হীন অবস্থায় রয়েছে বুঝায়।
[২] বিধানের মৃত্যু হওয়া বলতে ঐ বিধানের কার্যকারীতা হারিয়েছে। যেমন- ন্যায়ের মৃত্যু হয়েছে বুঝাতে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার উপায় বন্ধ হয়েছে বুঝায়।
[৩] ব্যক্তি মানবের গত হওয়া বলতে মৃত্যু হওয়া ছাড়া ভিন্ন কিছু বুঝানোর অবকাশ নাই।
[৪] নবী-রাসুলের দায়িত্ব/পদ/বিধান গত হওয়া/শূন্য তখনই সম্ভব যখন ঐ নবী-রাসুলের মৃত্যু হয়।
৪ নং পয়েন্টটি কুরআনের বিধান মোতাবেক প্রত্যেক পূর্বজাতির জন্য প্রযোজ্য। যেরূপে কুরআন বিবৃত করছে-
سُنَّةَ اللّٰهِ الَّتِيْ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلُ ۚۖ وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللّٰهِ تَبْدِيْلًا
এটাই আল্লাহর নিয়ম, যা পূর্ব হতে চলে আসছে। তুমি আল্লাহর নিয়মে কোন পরিবর্তন পাবে না। (সুরা আল ফাতাহ্ : ২৩)
অতএব, যে বিধান পূর্ব হতেই সকল মানুষ ও নবীদের পক্ষ হতে চলে আসছে তখন কেবল ঈসা (আ)-এর জন্য কুরআনের জ্ঞানকে জলাঞ্জলী দিয়ে বলা হয় খালাত অর্থ মৃত্যু নয় বরং এক স্থান থেকে অন্যস্থানে গমন করা- যা কুরআনের অন্যান্য আয়াতে ব্যবহৃত "খালাত" শব্দের প্রায়োগিক অর্থ।
প্রায় শব্দেরই একটা শাব্দিক ও ব্যবহারিক অর্থ থাকে- এটা বিদ্বানদের মাঝে অজানা নয়। তাই নবীদের ক্ষেত্রে "খালাত" শাব্দিক অর্থে গত হওয়া মানেই ব্যবহারিক অর্থে তাদের মৃত্যু হওয়া; কেননা, "খালাত" শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো- খালি হওয়া, শূন্য হওয়া, অতীত হওয়া, গত হওয়া, বাতিল হওয়া ইত্যাদি।
নবীদের স্থান খালি হওয়া/শূন্য হওয়া, নবীগন অতীত/গত হওয়া কেবলই মৃত্যুর মাধ্যমেই সম্ভব। তাই পবিত্র কুরআনের আলোকে হযরত ঈসা (আ)-এর খালাত তথা মৃত্যু হয়ে গেছে।
#অযৌক্তিক_বক্তব্য:
কেউ কেউ যুক্তি দিয়ে বলেন- নিম্নোক্ত বাক্যগুলোতে গত হওয়ার অর্থ কী মারা যাওয়া হয়?
[১] শেখ হাসিনার পূর্বেও বহু প্রধানমন্ত্রী গত হয়েছেন
[২] আমার পূর্বেও বহু ছাত্রনেতা গত হয়েছেন
আগেই বলা হয়েছে, খালাত শব্দের একটি আভিধানিক অর্থ বাতিল হওয়া, আর প্রায়োগিক অর্থ নির্ভর করে বাক্যের স্থান, কাল, পাত্র, ক্রিয়ার উপর। তাই উপরোক্ত বাক্যসমূহে গত হওয়ার অর্থ তাদের দায়িত্বকাল শেষ হওয়া, কার্যকারীতা শেষ হওয়া। তাহলে, উপরোক্ত বাক্যদ্বয়ের উদাহরন দিয়ে তারা কি বুঝাতে চান যে- হযরত ঈসা (আ)-এর নবুওয়াত বাতিল বা তার নবুওয়াতি দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে? তাহলে, ০৩:১৪৪ আয়াতের অর্থ কী দাঁড়াচ্ছে- "আর তার [সা] পূর্বেকার রাসুলগণের দায়িত্ব বাতিল হয়েছে"?
অথচ, প্রাচীন থেকে চলে আসা আল্লাহর বিধান- যা অপরিবর্তনীয়- নবীদের দায়িত্বকাল কেবল মৃত্যুর মাধ্যমেই শেষ হয়। কুরআনের আলোকে এ অমোঘ নিয়ম মানতে যেন তাদের হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। যদিও কুরআনের আলোকে মীমাংসা করা আল্লাহর আদেশ- তবুও কুরআনের মীমাংসা মানতে তাদের যেন হৃদয়-ক্ষরণ হয়ে যায়।
وَمَا مُحَمَّدٌ اِلَّا رَسُوْلٌ ۚ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ ؕ اَفَا۠ئِنْ مَّاتَ اَوْ قُتِلَ انْقَلَبْتُمْ عَلٰۤي اَعْقَابِكُمْ ؕ
মুহাম্মাদ হচ্ছে একজন রসূল মাত্র, তাঁর পূর্বে আরও অনেক রসূল গত হয়েছে; কাজেই যদি সে মারা যায় কিংবা নিহত হয়, তবে কি তোমরা উল্টাদিকে ঘুরে দাঁড়াবে? (সুরা আলি ইমরান: ১৪৪)
আয়াতেই বলা হচ্ছে- নবী-রাসুল গত হওয়ার উপায় দুটি- [১] স্বাভাবিক মৃত্যু [২] নিহত হওয়ার মাধ্যমে।
অতএব, শেষ কথা, পবিত্র কুরআনে হযরত ঈসা (আ)-এর মৃত্যুর কথা এত স্পষ্টাকারে থাকার পরেও যারা ইনিয়ে বিনিয়ে কুরআনের ঘোষনাকে অমান্য করে তাদের হিসাব আল্লাহর নিকট রয়েছে।
#দ্রষ্টব্য: অনুবাদে খালাত শব্দের অর্থ গত হওয়া/অতীত হওয়া/চলে গেছেন/বিদায় নিয়েছেন যাই লিখুক না কেন উক্ত আয়াতের [০৩:১৪৪] তফসিরে কিন্তু- [ক্বাদ খালাত মিন ক্বালিহির রসুল]- এর দ্বারা পূর্ববর্তী নবীদের মৃত্যুকেই উল্লেখ করা হয়েছে। [সংযুক্ত ছবি দেখুন।]
=====•••=========•••••========•••====
আরও দেখুন:
াসুল_শব্দের_অর্থ_ও_ব্যাখ্যা:
https://www.facebook.com/share/p/1ZmnxsnuED/
#তাওয়াফ্ফা_শব্দের_অর্থ_ও_ব্যাখ্যা:
https://www.facebook.com/share/p/1FTdew3c5h/
https://www.facebook.com/share/p/1EPV8EuHnk/
#ওয়ামা_সলাবুহু_ওয়ামা_ক্বতালুহু_অর্থ_ও_ব্যাখা:
https://www.facebook.com/share/p/177ZmHvG3j/
#ঈসা_আ_আগমন_সংক্রান্ত_হাদিসসমূহের_বিরোধ:
https://www.facebook.com/share/1BJCNGE5kE/
্বলা_সংক্রান্ত_ব্যাখ্যা:
https://www.facebook.com/share/p/17CmKacQyM/
https://www.facebook.com/share/p/1D6RhqAxwp/
07/09/2025
#কুরআন_বনাম_হাদিস
~~~উপস্থাপনায়: SM MIX~~~~~
হাদিসের কথাকে [হোক যতই সহীহ মানের] যারা কুরআনের উপর শ্রেষ্ঠ ও কুরআনের উপর বিচারক মনে করে তাদের দায়িত্ব আল্লাহর উপর। একটি হাদিসকে সাধারণতনও প্রচলিতভাবে সনদ [বর্ণনা পরম্পরা] দ্বারা সহীহ বিবেচনা করা হয় কিন্তু হাদিসের মতন [মূল বর্ণনা] কতটুকু কুরআনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটা দ্বারা সহীহ নির্ধারণ করা হয় না।
#বুখারী_বনাম_কুরআন
[বুখারীর হাদিস হওয়া মানেই কুরআনের সমতুল্য নয়]
বুখারীর একটি হাদিসে রয়েছে- হযরত আলী (রা) এক সম্প্রদায়কে আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন [কী অপরাধে তার উল্লেখ নাই।] শেষে উদ্ধৃত আছে- নবী (সা) বলেছেন, "যে লোক তার দ্বীন বদলে ফেলে তাকে হত্যা করে ফেলো।" [সংযুক্ত প্রথম ছবি দেখুন।]
অথচ, যখন কুরআন পড়ি দেখতে পাই, আল্লাহ রসুল (সা)-কে বলছেন, তুমি কি তাদের জোর করবে যাতে তারা মুমিন হয়ে যায়? তুমি তাদের কর্মের উপর তত্ত্বাবধায়ক নও। যে চায় ইমান আনুক, যে চায় অস্বীকার করুক। [সংযুক্ত স্ক্রিনশটগুলো দেখুন।]
এখন আল্লাহ প্রদত্ত এসব হুকুমকে অবজ্ঞা করে রসুল (সা) কি কেবল দ্বীন ত্যাগ করার কারণে নিজ পাণ্ডিত্যে আল্লাহর সিদ্ধান্তের বাইরে সিদ্ধান্ত দেওয়ার স্পর্ধা দেখাবেন? (নাউযুবিল্লাহ, আমরা এটা ঘুনাক্ষরেও বিশ্বাস করি না।)
#কুরআনের_কথা > #হাদিসের_কথা
আরও কথা, যেখানে আল্লাহ বলছেন, যারা ইমান আনে [তথা মুমিন-মুসলিম হয়], এরপর অস্বীকার করে [তথা, দ্বীন ত্যাগ করে ], এরপর পুনরায় ইমান আনে, এরপর আবারও অস্বীকার করে [ দ্বিতীয়বারও দ্বীন ত্যাগ করলো] এবং অবিশ্বাসে আরও অবিচল হয়ে যায় [তাহলে ] আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন না এবং কোনো পথপ্রদর্শন করবেন না। (সুরা নিসা: ১৩৭)
যদি দ্বীন বদলে ফেলাই হত্যাযোগ্য হয় তাহলে কুরআন মোতাবেক দ্বিতীয়বার ইমান আনা কীভাবে সম্ভব হবে? এরপরও যদি দ্বিতীয়বারও দ্বীন ত্যাগ করে তবে তার শাস্তি কি? শাস্তি কি মানুষ দিবে? না, বরং "আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন না, পথপ্রদর্শন করবেন না।" অর্থাৎ এদের শাস্তি স্বয়ং আল্লাহর কাছে নির্ধারিত। নবীর জন্য নয়, আর অন্য কোনো মানুষের জন্য তো নয়ই।
#প্রশ্ন: তাহলে হাদিসটি কি মিথ্যা?
- না, আমি সেটা বলছি না। বরং হাদিসের সনদ সহীহ কিন্তু মতনে (তথা মূল বর্ণনায়) তথ্যগত ঘাটিতি আছে বলে মনে হয়। নতুবা, হাদিসের কথাটিকে কুরআন ও অন্যান্য হাদিসের আলোকে নিতে হবে যেখানে #রাষ্ট্রদ্রোহীতা ও ইসলামের বিপক্ষে #সশস্ত্রযুদ্ধে লিপ্ত থাকা এমন যে কেউ হোক [কাফের বা মুরতাদ/অন্য ধর্মাবলম্বী] তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। অর্থাৎ, ধর্মত্যাগী যদি রাষ্ট্রের প্রতি সশস্ত্র বিদ্রোহ করে, ইসলামের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকে তবে অবশ্যই ওই দ্বীনত্যাগকারীকে হত্যা করা আবশ্যক কিন্তু যদি যে তওবার সুযোগ চায় তাকে অবশ্যই সেই সুযোগও দিতে হবে। এটাই হাদিসের কথা যা কুরআনের আলোকে গ্রহণীয়।
=====================================
নুরাল পাগলার লাশ পুড়ানোর বৈধতা যারা এই হাদিস দ্বারা করতে চায় অথচ কুরআনকে মনে করে অপ্রয়োজনীয়- তাদেরকে আল্লাহ হিদায়াত দিন।
06/09/2025
#কুফর_শিরক_বনাম_তৌহিদি_জনতা
উপস্থাপনায়: SM MIX
[দায়স্বীকার: একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। আমি কুরআনের আলোকে যতটুকু বুঝেছি ততটুকুই বলেছি।]
====================================
কেউ যদি আল্লাহর ঘোষণা মোতাবেক ইমান না আনে কিস্তু বিশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রদ্রোহকাজ না করে তাহলে তাদের প্রতি আশেকে রসুলদের [রসুল প্রেমিকগণের] দায়িত্ব কী?
কুরআনে হযরত মুহাম্মদ (সা)-কে এ ব্যাপারে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা-ই আমাদের উপর বর্তায়। এর বেশি কিছু করা হলে তাদের উপর আল্লাহই তত্ত্বাবধায়ক।
#কুরআনে আল্লাহ রসু্ল (সা)-কে বলছেন-
“নিশ্চয়ই তুমি যাকে ভালোবাসো, তাকে হিদায়াত দিতে পারবে না; কিন্তু আল্লাহ যাকে চান তাকেই হিদায়াত দেন।” (সূরা কাসাস 28:56)
"যদি আল্লাহ চাইতেন তবে তারা শিরক করত না। আর আমি [আল্লাহ] তোমাকে [হে মুহাম্মদ সা.] তাদের [অমান্য ও অবিশ্বাসীদের] উপর তত্ত্বাবধায়ক করিনি, তুমি তাদের [কর্মের] উপর তত্ত্বাবধায়ক নও। (সুরা আল আনআম: ১০৭)
"[এরপরও] তারা [অবিশ্বাসী ও আমান্যকারীরা] যদি [তোমার দাওয়াত থেকে] মুখ ফিরিয়ে নেয় [অর্থাৎ পৃষ্ঠপ্রদর্শন ও অবিশ্বাস করে] তবে আমি [আল্লাহ] তোমাকে [হে মুহম্মদ সা.] তাদের [অস্বীকারকারীদের] উপর তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠাইনি। [আর জেনে রাখ] তোমার দায়িত্ব তো কেবল [আল্লাহর ও হেদায়াতের] বার্তা পৌঁছে দেওয়া। (সুরা আশ্ শুরা: ৪৮)
তারা [অস্বীকারকারীরা] যা বলে আমি [আল্লাহ] তা খুব ভাল করে জানি। তুমি [হে মুহাম্মদ সা.] তাদের ওপর বল প্রয়োগকারী নও। তাই [তাদের মধ্য হতে] যে আমার শাস্তিকে ভয় করে তাকে [তুাম] কুরআনের [বাণীর] মাধ্যমে উপদেশ দাও। (সুরা কাফ: ৪৫)
[আর] তারা [অস্বীকারকারীরা আল্লাহর প্রতি] ঈমান আনছে না বলে [দায়িত্ব পালন করতে পারোনি এমন আবেগের] অনুশোচনায় তুমি কি নিজেকে নিঃশেষ করে ফেলবে? (সুরা আশ্ শুআরা: ০৩)
"প্রত্যেককে তার আমল অনুযায়ী মর্যাদা দেওয়া হবে;।আর তারা যা করছে- সে সম্বন্ধে তোমার প্রভু-প্রতিপালক অনবহিত নন।" (সুরা আল আনআম:১৩২)
যদি তোমার প্রতিপালক চাইতেন তবে পৃথিবীর সবাই ঈমান আনত। তবে কি তুমি [হে মুহাম্মদ সা.] মানুষকে জোর করবে যাতে তারা অবশ্যই মুমিন হয়ে যায়? (সুরা ইউনুস: ৯৯)
সুতরাং তুমি [হে মুহাম্মদ সা. তাদেরকে] উপদেশ দাও, তুমি তো কেবল একজন উপদেশদাতা। তুমি [হে মুহাম্মদ সা.] তাদের [অবিশ্বাসীদের] উপর কোনো দারোগা [প্রভুত্বকারী] নও। (সুরা গাশিয়াহ: ২১-২২)
#সারকথা: কে ইমান আনবে বা কতটুকু আনবে বা আনবে এটার দায়িত্ব পালনে জবরদস্তি করার অধিকার যেখানে স্বয়ং মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (সা)-কে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি সেখানে এদের [তৌহিদি জনতার] ইমানের জোর এত বেশি যে স্বয়ং আল্লাহর আইনের উপর খবরদারী করে ও জবরদস্তিমূলক উপায়ে ইমান প্রতিষ্ঠার ঠিকাদারীর দায়িত্ব নিজেদের কাধে তুলে নিয়েছে। এরপরও যারা এদের কর্মকান্ডের সাথে ইনিয়ে-বিনিয়ে সাফাই গাইবে তাদের জন্য নিম্নোক্ত আয়াতই যথেষ্ট-
"আর তাদেরকে [বিশঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের] যখন বলা হয় [পৃধিবীতে] বিশৃঙ্খলা [তথা নৈরাজ্য ও অশান্তি সৃষ্টি] কোরো না; তখন তারা বলে, "আমরা তো কেবল সংশোধনকারী।" সাবধান! নিশ্চয় তারাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী; আর তারা তা জানে না।" (সুরা আল্ বাকারাহ: ১১-১২)
#পুনশ্চ: তাই বলে কি আমরা কুফর-শিরক থেকে মানবকে উদ্ধারের জন্য কিছুই করবো না?
অবশ্যই, সেটা কুরআন ও সুন্নাতে রসুল (সা)-এর মাধ্যমে। যেখানে রসুলকে আল্লাহ বলছেন, তারা ইমান আনে না বলে কি তুমি নিজেকে শেষ করে দিবে অর্থাৎ, ধৈর্য, উত্তম আদর্শ ও কুরআনের বানীর মাধ্যম তাদেরকে সর্বদা উপদেশ প্রদান করা [কেননা তুমি তো এক উপদেশদাতা মাত্র]
আর "আর তারা ইমান আনবে না বলে কি তুমি তাদের উপর জবরদস্তি করবে? অর্থাৎ, রাষ্ট্রদ্রোহীরা অপরাধ ব্যতীত কোনো কাজ না করা পর্যন্ত তাদের ইমান আনার ব্যাপারে জবরদস্তি ও বলপ্রয়োগ করা যাবে না; বরং তাদের হেদায়াতের জন্য দোয়া করতে হবে [যেভাবে তায়েফে রসুল সা.রক্তাক্ত হওয়ার পরও কারো ধ্বংস কামনা করেননি, বরং ক্ষমা চেয়েছেন তাদের কৃতকর্মের জন্য ও দোয়া করেছেন; তিনি কি দোয়ার মাধ্যমে সফল হননি? তাই] বানী প্রচার করে যেতেই হবে।
এটাই কুরআন নির্দেশিত পথ। অতএব, যে চায় কুরআনের উপর আমল করতে পারে। একমাত্র হেদায়াতদাতা আল্লাহ সুবহানু তাআলা।
“নিশ্চয়ই তুমি যাকে ভালোবাস, তাকে হিদায়াত দিতে পারবে না; কিন্তু আল্লাহ যাকে চান তাকেই হিদায়াত দেন।” (সূরা কাসাস 28:56)
30/03/2025
পুরো হোক আমলের সবটুকু খাত
রাইয়ান যেন হয় আখেরি নাজাত,
ভেঙে যাক অমানিশা কালিমার ঘুম
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُم
"তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"--
আল্লাহ আমাদের সবার নেক ইবাদত-বন্দেগী কবুল করুন।
*ঈদ মুবারক*
22/10/2024
Courtesy: alhakamweekly
"Sherlock Holmes" at London's First Mosque - Sir Arthur Conan Doyle's history with British-Muslim Community
Sir Arthur Conan Doyle was not just a novelist but had a very spiritual side, too. He also was an active advocate for human rights and saw beyond divides of colour, creed, and faith. He found a platform for this noble cause by attending meetings and signing petitions at London's first mosque: The Fazl Mosque.
Reading through the biography and autobiographical accounts of Doyle, one can not miss the spiritual side of his personality. He was a deeply spiritual person, a trait that his biographers traced back to when his
eldest son died, but Doyle always insisted that he had always been so - he placed the mark around 1887.
It isn't surprising that the character of Sherlock Holmes sprang to life at a time when Doyle had discovered a spiritual bent in himself. This, added to his adoration for the art of forensic deduction, is what Sherlock Holmes is all about...
Sir Arthur Conan Doyle's deeply spiritual soul, in search of peace and tranquillity, would take him many places - just as always happened with Sherlock Holmes.
In the 1920s, this "Sherlock Holmes" is found
frequenting the mosque in Southfields in the South West of London - the Fazl Mosque, and morebcommonly known as the London Mosque. How he had come in contact with the mosque is something I am still looking into and hoping to find very soon. But he is seen on multiple occasions attending meetings
at the mosque and signing petitions that the imam of the London Mosque would send to the prime minister of Great Britain and to other influential figures at Whitehall.
Those were the years when the Fazl Mosque was the only purpose-built mosque in London, founded by the Ahmadiyya Muslim Community of Qadian, functioning as a symbol of Muslim representation...
07/10/2024
ধর্মীয় দৃষ্টিতে #তৃতীয়_বিশ্বযুদ্ধ ( ৩য় পর্ব)||
মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম
=====================================
ইহুদি জাতি যদিও ঈসা আ. কে মিথ্যা নবী প্রমাণের জন্য ক্রুসে দিয়ে মারতে চেয়েছিল এবং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সা. কেও মিথ্যা নবী মনে করে অবিরাম শত্রুতায় মেতে ছিল তারপরও তারা ইঞ্জিল ও কোরআনের ভবিষ্যৎ বাণী বিশ্বাস করে।
তাদের মূল ধর্মীয় তাওরাত কিতাব ফেলে তারা তাদের হাদীস গ্রন্থ তালমুদ যেমন বিশ্বাস করে ও মানে তেমনি সে অনুযায়ী তারা তাদের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে।
তারা এটা ভুলে গেছে বিশেষ করে প্রতিটি জাতি তাদের নিজস্ব কর্মকান্ডে নিজেদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও কর্তাব্যক্তি মনে করছে। এখানে সবাই চেতন বা অবচেতন মনে নিজেদেরকে সৃষ্টিকর্তার সমকক্ষ মনে করে আর এটাই শিরক যা এই যুগ তথা শেষযুগের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কুফরি কাজ।
যাইহোক, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবস্থান শক্ত করার পাশাপাশি গোটা পৃথিবীকে দাস বানাতে তারা মরিয়া। তালমুদের ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী তাদের সম্রাজ্য কখনো ৮০ বছরের অধিক সময় অতিবাহিত হয় নাই এবং হবেও না। সে অনুযায়ী তাদের অবস্থাও এখন শেষের দিক। তাই তারা ফিলিস্তিনে বায়তুল আকসাতে তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করতে চাচ্ছে এবং সেই সাথে লাল (সম্পূর্ণ লাল) গরুর বলিদান দিয়ে তার রক্ত মাংস পুড়ানো ছাই দিয়ে পুরো দেশে পানির পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রত্যেক ইহুদিকে গোসল করিয়ে পবিত্র করতে চায়।
কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কৌশল ভিন্ন। এখন পর্যন্ত তারা সেই কাঙ্খিত গরু জোগাড় করতে পারে নাই। যেখানে নিজেদের পালনের গরু হওয়ার কথা আছে সেখানে তারা বাইরের দেশ থেকে আমদানি করেছে।
আর এদের গরু নিয়ে এত আবেগ পূর্ব থেকেই বেশি। মূসা আ. যখন তাঁর ভাই হারুন আ. রেখে কিছুদিনের জন্য বাইরে গেলেন পরে ফিরে এসে দেখেন সেই জাতি গোবৎস বানিয়ে রীতিমতো পূজা শুরু করেছে।
যাইহোক, ইয়াজুজ-মাজুজ তথা গোগ-মেগোগ নিয়ে তাদের ভয় প্রচুর। তারা খুব ভাল করেই বিশ্বাস করে ইঞ্জিল তথা বাইবেলের যিহিস্কেল ৩৮ এর এই অংশটি তাদের এবার পূর্ণ হওয়ার পালা।
কিছু উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে যুক্ত করলাম- ( #বুঝারসুবিধার্থেব্রাকেটেশব্দগুলোরঅর্থসহজবোধ্যকরে_দিলাম)
“১৪- অতএব, হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি ভাববাণী বল, গোগকে ( #আমেরিকারাশিয়া অর্থাৎ পরাশক্তি) বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সেই দিন যখন আমার প্রজা ইস্রায়েল নির্ভয়ে বাস করিবে, তখন তুমি কি তাহা জ্ঞাত হইবে না? ১৫- আর তুমি আপন স্থান হইতে, উত্তরদিকের প্রান্ত হইতে, আসিবে, এবং অনেক জাতি তোমার সঙ্গে আসিবে; তাহারা সকলে ঘোড়ায় চড়িয়া আসিবে, মহাসমাজ ও বিক্রমী সৈন্যসামন্ত হইবে। ১৬- আর তুমি মেঘের ন্যায় দেশ আচ্ছাদন করিবার জন্য আমার প্রজা ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে যাত্রা করিবে; উত্তরকালে এইরূপ ঘটিবে; আমি তোমাকে আমার দেশের বিরুদ্ধে আনিব, যেন জাতিগণ আমাকে জানিতে পারে, কেননা তখন, হে গোগ ( #আমেরিকারাশিয়া অর্থাৎ পরাশক্তি), আমি তাহাদের দৃষ্টিগোচরে তোমাতে পবিত্র বলিয়া মান্য হইব।
১৭-প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি কি সেই ব্যক্তি, যাহার বিষয়ে আমি পূর্বকালে আমার দাসগণ দ্বারা, অর্থাৎ যাহারা সেই সময়ে অনেক বৎসর ব্যাপিয়া ভাববাণী বলিত, সেই ইস্রায়েলীয় ভাববাদিগণ দ্বারা এই কথা কহিতাম যে, আমি তাহাদের বিরুদ্ধে তোমাকে আনাইব?
১৮-সেই দিন যখন গোগ ( #আমেরিকারাশিয়া অর্থাৎ পরাশক্তি) ইস্রায়েল-দেশের বিরুদ্ধে আসিবে, তখন আমার কোপাগ্নি আমার নাসিকায় উঠিবে, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন। ১৯- কারণ আমি নিজ অন্তর্জ্বালায় ও রোষানলে বলিয়াছি, অবশ্য সেই দিন ইস্রায়েল-দেশে মহাকমপ হইবে। ২০- তাহাতে সমুদ্রের মৎস্যগণ ( #সাবমেরিনজাহাজ), আকাশের পক্ষীগণ ( #যুদ্ধবিমান, #ড্রোন, #মিসাইল ইত্যাদি), বনের পশুগণ ( #বন্যজাতি), ভূচর সরীসৃপ সকল ( #ট্যাংকসমরযান)) এবং ভূতলস্থ মনুষ্য সকল ( #হামাসেরট্যানেল) আমার সাক্ষাতে কমপমান হইবে, পর্বত সকল উৎপাটিত হইবে, শৈলাগ্র সকল পতিত হইবে ( #বোমাবর্ষণ), এবং সমস্ত প্রাচীর ভূমিসাৎ হইবে (ইসরায়েল কর্তৃক নির্মিত দেয়াল এবং সমমনাদের নিয়ে বৈশ্বিক বলয়) ।
২১- আর আমি আপনার সকল পর্বতে তাহার বিরুদ্ধে খড়্গ আহ্বান করিব, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন; প্রত্যেকের খড়্গ তাহার ভ্রাতার বিরুদ্ধ হইবে।
২২-আর আমি মহামারী ও রক্ত দ্বারা বিচারে তাহার সহিত বিবাদ করিব, এবং তাহার উপরে, তাহার সকল সৈন্যদলের উপরে ও তাহার সঙ্গী অনেক জাতির উপরে প্লাবনকারী ধারাসমপাত ও বড় বড় করকা, অগ্নি ও গন্ধক বর্ষণ করিব ( #যুদ্ধেব্যবহৃতসকল_সমরাস্ত্র)।
২৩-আর আমি আপনার মহত্ত্ব ও পবিত্রতা প্রকাশ করিব, বহুসংখ্যক জাতির সাক্ষাতে আপনার পরিচয় দিব;
তাহাতে তাহারা জানিবে যে, আমিই সদাপ্রভু অর্থাৎ সবাই সৃষ্টিকর্তাকেই তখন জগতের প্রভু বলে মানবে ও স্বীকার করবে।
চলমান থাকবে………..