তাকে কষ্ট দিয়ো না যে তোমায়
ভালবাসে,তাকেই ভালবাস যাকে তুমি পছন্দ
কর ।
Ïgñørêd Lövêr Êmôñ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ïgñørêd Lövêr Êmôñ, Gazipur, Dhaka.
সে দিনটি ছিল 20 ফেব্রুয়ারি,২০০৫
সালের বিকাল
বেলা। বন্ধুদের সাথে আড্ডাই
মেতে ছিলাম।
হঠাৎ
করে মুঠোফোনের আওয়াজ এ চমকে উঠলাম।
রিসিভ
করতেই ও পাশ থেকে মেয়েলি কণ্ঠের
আওয়াজ
'হ্যালো কে বলছেন?'
'আমি রানা,আপনি কে?'
আর কোন
কথা না বলে লাইনটা কেটে দিলো।
আমি ফোন করলাম কিন্তু রিসিভ করল না।
কিছুক্ষণ
পর আবার ঐ নাম্বার থেকে ফোন এলো।
এবার
রিসিভ করে আমি কোন কথা বললাম না।
সেই
বলতে লাগল 'আমি তিনা।আপনার
সাথে কিছুক্ষণ
কথা বলতে চাই,আপনি কি আমাকে একটু সময়
দিবেন?'
একটু একটু করে কথা বলতে বলতে কখন
যে ঘণ্টা পার হয়ে গেলো নিজেও
জানি না।
তিনা ধীরে ধীরে তার
প্রতি আমাকে দুর্বল
করিয়ে নিলো।আমিও মনের
অজান্তে ভালোবেসে ফেললাম তাকে।
বুকের ভিতর
ভালোবাসা সমুদ্রের ঢেউ এর মত গর্জন
করতে থাকে।ভালবাসায় এত সুখ আমার
জানা ছিল
না,একটি মুহূর্ত যেন মনে হয় হাজার বছরের
সমান।
এক সময় দুজন দুজনকে দেখার জন্য
মরিয়া হয়ে উঠলাম।অবশেষে এলো সেই
দীর্ঘ
প্রতীক্ষার শেষ প্রহর। তিনা কে দেখার জন্য
তারই
দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী উপস্থিত হলাম।
তাকে দেখে আমি মুগ্ধ হলাম।মানুষ যে এত
সুন্দরী হয় আমার জানা ছিল না।
যাকে বলে ভয়ঙ্কর
সুন্দরী।
আমাদের দেখাটা হয়েছিল পার্কে।
পার্কে বসে দুজনে রোমান্টিক
মুডে ছিলাম। হঠাৎ
করে বিকালের
আকাশটা কালো মেঘে ছেয়ে গেলো।
কয়েকটা বখাটে ছেলে আমাদের
দিকে এগিয়ে এলো।
বুঝতে পারলাম কিছু হারাতে হবে,কিন্তু এত
কিছু
যে হারাতে হবে টা কল্পনাতেও ছিল না।
তিনা আমার
হাত ছেড়ে ওদের পাশে এসে দাঁড়ালো।
আমাকে বিনা দোষে দোষী বানাল।
আমার বুকের
ভিতরটা যেন কালবৈশাখী ঝড় বইতে শুরু
করল।
আমি বোবার মত তিনার
দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
বখাটের দল আমার কাছ
থেকে টাকাপয়সা সহ
মোবাইল সেটটা কেড়ে নিল।
আমি ভাবতে থাকলাম
এটাই ছিল আমার কপালে? টাকা পয়সার
চেয়ে মানসম্মান অনেক বড়। বখাটের দল
সবকিছু
নিয়ে তিনার হাতে দিলো।
তিনা হাসতে হাসতে আমার
দিকে এগিয়ে এলো। আমার হাতে দুইশ
টাকা দিয়ে বললও'তুমি অনেক দূর
থেকে এসেছ,তাই
তোমাকে গাড়ি ভাড়া দিলাম।'
আমি টাকাটা নিতে চাইছিলাম
না,সে জোর
করে আমার
পকেটে টাকা ভরে দিয়ে বললও
'এটা তো কিছুই
না।
তোমার সঙ্গে কথা বলে যে সময় নষ্ট
হয়েছে এটা তারই দাম মাত্র।'
আমি পরাজিত সৈনিক এর মত হার
মেনে বাড়ির
পথে রওনা দিলাম। ভালোবেসে সময়ের
মূল্য
দিতে হবে আগে জানতাম না। ভালবাসায়
এতো কষ্ট
তাও আমার জানা ছিল না। তিনা আমার
সঙ্গে যে নাটক করলো,এমন নাটক আর কেউ
যেন
না করে। আমার ভালোবাসা পুকুরের
পানির মত
নিস্তব্ধ হয়ে গেল............
collected by from a true life........
অসমাপ্ত প্রেমের গল্প
শরতের বিকাল শান্ত নদীর
হালকা স্রোত পাশে সাদা কাশবন
অপরুপ
ভাবে সেজেছে মিষ্টি বাতাসে দুলছে কাশফুল
গুলো।
একাকী বসে আছে নীলাদ্রী বাতাস
এসে বারবার তার চুল গুলোকে
এলোমেলো করে দিচ্ছে যদিও খুব
প্রকৃতিপ্রেমী মেয়েটি কিন্তু আজ
প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্যর দিকে তার
খেয়াল নেই,তার মেজাজ খুব
খারাপ।
নীল
এখনো আসেনি সাড়ে তিনটায়
আসতে বলে এখন
চারটা বেজে পাঁচ মিনিট কিন্তু
নবাবের আসার কথা নেই
মনে হয় গাধাটা দুপুর
থেকে এখনো ঘুমাচ্ছে।আসুক আজ
কয়েকটি থাপ্পড়
দিয়ে দাঁতে ব্যাথা করিয়ে ছাড়ব
নীলাদ্রী জানে তার নরম হাতের
থাপ্পড়ে দাঁত পরার কথা নয়।
এই পর্যন্ত এগারবার কল দেয়
নীলকে নীলাদ্রী কিন্তু রিসিভ
করেনি শেষবারের মত কল দেয়
সে এইবার মরিসিল করে নীল।
--হ্যালো আমি চলে যাচ্ছি
তুমি ঘুমাও।
--আরে আমিতো চলে
এসেছি এই পাঁচমিনিট।
--না আমি চলে যাচ্ছি তুমি
থাক তোমার ঘুম নিয়ে।
--লক্ষ্মীসোনা বিশ্বাস করো
মোবাইল সাইলেন্ট ছিল।
ইতিমধ্যে নীলাদ্রীর
পাশে এসে বসে পড়ে নীল অতঃপর
নীলের পিঠে নীলাদ্রীর কিল
মারার মহোৎসব আর অপরাধীর মত
নিচু হয়ে নীলের এই নির্মম
অত্যাচার সহ্য করা।নীলাদ্রীর
চেহারায় আগুন জ্বলছে কিন্তু
রাগলে মেয়েটাকে অপুর্ব
লাগে তাই রাগিয়ে মজা পায়
নীল।
--এত দেরী ক্যান করলে?
--কাল রাতে ঘুমাইনি তাই।
--কেন রাতে কি গাঁজা খেয়েছ?
--না সিগারেট খেয়েছি।
--আবার সিগারেট যাও তুমি
সিগারেট নিয়েই থাক
আমাকে লাগবেনা।
--সিগারেট খাওয়া হইলো
পৌরুষত্বের পরিচয়।আর হতাশাগ্রস্থ
পুরুষদের জন্য সিগারেট
বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন
প্রতি টানেই আহ কি সুখ।
--ওকে গুড বাই।
--আরে রাগ ক্যান করতাছ
সোনা যখন সিগারেট
ঠোঁটে ছোঁয়াই তখন মনে হয়
তোমার মিষ্টি ঠোঁটে.....
--অসভ্য জানোয়ার ইতর
বেয়াদব.....না স্টক শেষ এই
ছেলেটা গালি শুনতে আর মাইর
খাইতে ওস্তাদ নীলাদ্রী জানে।
তারা দুজনেই স্বপ্ন
দেখে ভালবেসে ঘর বাঁধার স্বপ্ন
দুজনের সংসার হবে ছোট
একটা বাবু নীল
চাকরী করবে নীলাদ্রী তার
অপেক্ষায় থাকবে।
একে অপরকে অনেক
ভালবাসে তারা যে ভালবাসায়
কোন কৃত্রিমতা নেই আছে শুধু গভীর
টান খুব বেশী মিস করা।
ফেইসবুকের তৃপ্তি নামের এক
মেয়ে নীলকে অনেক
ভালবাসে কয়েকবার
নীলকে সে প্রপোজ করে কিন্তু
নীল তাকে নীলাদ্রীর
সাথে প্রেমের সম্পর্কের
কথা বলে এবং এও
বলে নীলাদ্রী ছাড়া অন্যকোন
মেয়েকে সে ভাবতেই পারেনা।
কিন্তু তৃপ্তি বারবার তাকে বিরক্ত
করে নীল তাকে আনফ্রেন্ড করার
হুমকি দেয় যদি এমন
করে এতে তৃপ্তি ক্ষেপে যায়
চরমভাবে।অসুস্থতার কারনে বিগত
তিনদিন
ফেইসবুকে আসতে পারেনি নীল।
এরই মধ্যে ঘটে গেল তার
জীবনে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।একদিন
হঠাৎ মেয়েটি নীলকে ট্যাগ
করে ইন এ রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস
দেয়।যা নীলাদ্রীর
চোখে পড়ে এবং সাথে সাথেই
সে নীলকে ফোন করে।
--এইরকম ফার্ল্টিং আর
কয়জনের সাথে করেন মিস্টার
নীল?
--কি বলো জান রাতে
মনে হয় ঠিকমত ঘুম হয়নি?
--ঘুম হয়নি ভালো হয়েছে
এতে তোমার আসল
চেহারাটা দেখলাম।
--আমি কি করলাম?
--আপনার সাথে তৃপ্তি
নামক মেয়ের রিলেশন
মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দর বেশ
মানাবে।
--আমিতো তিনদিন ফেবুতে
ডুকি নাই।
--সে জন্যই তো সত্যটা জানলাম।
এই বলে ফোন কেঁটে দেয়
নীলাদ্রী এবং মোবাইল অফ
করে দেয় অনেকবার ট্রাই করেও
নীলাদ্রীকে পায়না শেষমেশ
ফেবুতে ডুকে একটা মেসেজ দেয়
তৃপ্তিকে সবকিছু বলাতে সে তার
ভুল বুঝতে পেরে সেও
একটা মেসেজ দেয়
নীলাদ্রীকে কিন্তু
নীলাদ্রী মেসেজ আনসিন
রেখেই আই ডি ডিএক্টিভ
করে দেয়।নীল অনেক খোঁজ নেয়
নীলাদ্রীর
বন্ধুরা বললো সে নাকি অন্য এক
জেলায় কোন এক আত্মীয়ের
বাসায় চলে গেছে কাউকে কিছু
বলেনি।
চারবছর
হয়ে গেলো নীলাদ্রী নীলের
জীবন
থেকে হারিয়ে গেছে কিন্তু
নীল এখনো নীলাদ্রীকে আগের
মতই ভালবাসে।নীল
জানতে পেরেছে কানাডা প্রবাসী এক
ব্যবসায়ীর সাথে তার
বিয়ে হয়ে গেছে হয়ত আর
কোনদিনই দেখা হবেনা তার
সাথে।
গভীর রাত অন্ধকারে সিগারেট
খাচ্ছে নীল একসময় নীলাদ্রীর
কারনে সিগারেট
ছেড়ে দিয়েছিল নীল কিন্তু এখন
শাসন করার কেউ নাই মাও গতবছর গত
হয়েছেন তাই প্রতিদিন চার পাঁচ
প্যাকেট সিগারেট খায় সে।
অন্যদিকে নীলাদ্রী অনেকদিন পর
ফেইসবুক আই ডি এক্টিভ
করে নীলের মেসেজটি পড়ে:
"আমি অপরাধ করিনি তবু অপরাধী।
ভুল আমার নয় কিংবা তোমার
কিন্তু বিশ্বাস
করো তৃপ্তিকে আমি কখনোই
ভালবাসি নাই যদি আমার অনেক
মেয়ের সাথে ফার্ল্ট করার
ইচ্ছে থাকতো তাহলে ইন এ
রিলেশনশিপে তোমার নাম
থাকতো না।
যাইহোক আমি যা বলার
বলে দিয়েছি এবার তোমার ইচ্ছা।
তৃপ্তির মেসেজে :
"আপু আমি নীলকে অনেক
ভালবাসি নীল আপনাকে তাই এমন
করেছি।কিন্তু এই
কাজটা আপনাদের বিশেষ
করে নীলের জীবন এভাবে নষ্ট
করে দেবে বুঝিনি প্লিজ আপু
আমাকে ক্ষমা করে নীলের
সাথে স্বাভাবিক হোন।নীল
আপনাকে ছাড়া বাঁচবেনা।
মেসেজ গুলো পড়ে নীলাদ্রীর
পৃথিবী তিমিরে ঢেকে যায় কেন
সে এতদিন এই মেসেজ
সে পড়েনি দুচোখ বেয়ে অশ্রু
গড়িয়ে পড়ছে তার।
প্রতিদিনের মত নীলাদ্রীর প্রিয়
নদীর পাড়ে বসে সিগারেট
খাচ্ছে নীল।
একটা অচেনা নাম্বার থেকে কল
আসে।
--হ্যালো নীল কেমন আছ?
--ভালো হয়ত, তুমি?
--আমাকে চিনতে পেরেছ?
--তোমাকে ভুলার জন্য চার
বছর যথেষ্ট নয়।
--আগামীকাল নদীর পাড়ে
থাকবে আমি আসবো।
--আমি সারাদিন ওখানেই থাকি।
আজ প্রথম নীলাদ্রীর জন্য
অপেক্ষা করছে নীল।আর
একটা সিগারেট ধরালো সে এমন
সময়
শাড়ী পরা একটা মেয়ে গাড়ি থেকে নেমে তার
সামনে দাঁড়ালো।
অনেক
মোটিয়ে গেছে নীলাদ্রী বেশ
সুখেই আছে বুঝা যায় শুধু নীলের
জীবনে সুখের ফাঁকি।
--নিশ্চয় অনেক ভালো আছ?
--ছিলাম কিন্তু....তুমি কেমন আছ?
--অনেক ভালো তা দেখতেই
পাচ্ছ।
--ভালো নেই তা দেখেই
বুঝা যায় চেহারা নষ্ট
হয়ে গেছে ঠোঁট পুড়ে গেছে।
--সিগারেটের অত্যাচারে আর
কত।
--তুমি এখনো সিগারেট খাও
আচ্ছা তোমার বউ ছেলেমেয়ে?
--আমার বউ চারবছর আগেই
অন্যর হয়ে গেছে।
বুকের মাঝে হুহু
করে উঠে নীলাদ্রীর সে বুঝতেই
পারেনি এতদিন যাবৎ
এতটা কষ্টে ছিল নীল ভেবেছিল
তার মত সংসার নিয়ে ব্যস্ত
সে একটা ভুল....
--আমাকে ক্ষমা করে দাও নীল।
--যদি না করি?
আর
কথা বলতে পারেনা নীলাদ্রী একটা অপরাধবোধ
অনুশোচনা তাকে গ্রাস করছে।
--তুমি সিগারেট খাবেনা।
--সরি শাসন তোমার
স্বামীকে করিও
ওকে আমাকে যেতে হবে।
--আর কিছুক্ষণ বসো।
--কি লাভ মিথ্যে সম্পর্কের
পিছুটান বাড়িয়ে এতে কষ্ট আরও
বাড়বে।
নীল
চলে যাচ্ছে দেখতে দেখতে চোখের
অন্তরালে হারিয়ে গেলো সে।
নীলাদ্রী ছোট বাচ্চার মত
হাউমাউ করে কাঁদছে কিন্তু
অশ্রুবিন্দু কি পারবে নীলের সব কষ্ট
ধুঁয়ে দিতে চারবছর যাবৎ নীলের
বুকে সৃষ্টি হওয়া যন্ত্রনার ক্ষত
মুছে দিতে।
এই চার বছর
প্রতিটি মুহুর্তে নিজেকে রক্তাক্ত
করে বুনো সুখ খুঁজেছে নীল কিন্তু
নীলাদ্রী.... হয়ত এটাই নীলদের
নিয়তি।
একটা ভুল,অবিশ্বাস ভালবাসা স্বপ্ন
ভেঙ্গে দিতে পারে নষ্ট
করে দেয় জীবন। তাই আসুন পবিত্র
ভালবাসাকে শ্রদ্ধা করি।
plllz read
একটি সত্য ভালোবাসার গল্প
যা আপনার চোখে অশ্রু
এনে দেবে ।
আমি নিজের অশ্রুকেও
আটকে রাখতে পারিনি এই
গল্পটি পড়ার পরে.....
মেয়েটার ঠোটের কোণে তিল ।
আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে আছি আমি ।
খেয়াল করেনি সে ।
সুন্দরী মেয়েরা একটু
ইগো নিয়েই চলে । এই মেয়েটাও
সেই ধর্মের । আমার পাশের
লাইনে দাঁড়িয়ে আছে ।
হাতে কলেজের বেতন স্লিপ ।
বুঝলাম মেয়েটা আমাদের
কলেজেরই ।
একটা বিষয় আমাকে নাড়া দিল ।
মেয়েটা এখন আমার
দিকে তাকিয়ে আছে । এটা কি !!
এক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে ।
আমার
ডাউট হচ্ছে । এত সুন্দর
মেয়ে আমার
দিকে তাকাবে কেন ?
নাকি আমার
কোন ভুল হচ্ছে ? হ্যা ,
আমি বোকা । ব্যাংকে সতের
স্পীডে এসি ছাড়া ,
এটা একটা ব্যাংক
।
খোলা আকাশের নিচে নয় । তাও
আমি সানগ্লাস পরে আছি । ভাব
দেখানোর
জন্যে না । ভুলে সানগ্লাস
পরে রেখেছি আমি ।
খুলে ফেললাম ।
উহু , তাও
মেয়েটা আমাকে দেখছে । এক
ধাপ ,
এক ধাপ করে এগুচ্ছি ক্যাশ
কাউন্টারের
দিকে ।
সুন্দরী মেয়ে দেখলে যেকনো পুরুষেরই
একটু ঝড় উঠে । আমারো উঠেছিল ।
যাক , আমি বেতন
দিয়ে দিলাম । ব্যাংকের
নিচে দাড়িয়ে কয়েক বন্ধু
সিগারেট
টানছিলাম । হটাৎ মেয়েটা ।
কিন্তু
মেয়েটার
হাতে সাদা ছড়ি কেন ?
আমার
মাথায় কিছুই ঢুকছেনা ।
মেয়েটা অন্ধ !!
আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম
না ।
এত সুন্দরী মেয়ে অন্ধ । সাথে তার
মাও ছিলো । আমার ভেতরটা কেমন
জানি করে উঠে । আমি মেয়েটার
পিছু
নিই । কিছু দুর যেয়েই
ফিরে আসি আমি । থাক , ও
তো আমাদের কলেজেই পড়ে । ছয়
তলা চারটা বিল্ডিং এরর
ক্যাম্পাসে খুজে পাওয়া কঠিন
কাজ
না ।
কলেজ
যেয়ে খুজে পাইনা তাকে । দু
চার দিন খুব খুজেছি আমি তাকে ।
পাইনি । ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল
পরীক্ষার কিছুদিন আগের কথা ।
পিজিক্স
ল্যাবে আমি একটা প্রেক্টিক্যাল
খাতা পাই ।
ইন্দ্রানী অপ্সরী জয়িতা নামের
এক
মেয়ের খাতা । সেশন , ইয়ার সব
পড়ে বুঝলাম যে এই
মেয়ে আমাদের
সাথেই পড়ে । ক্লাস মেট মেয়ের
সাথে আমার স্কুল জীবন থেকেই
বনিবনা খুব কম হতো । আর কলেজ
কম্বাইন্ড না , তাই কলেজে এসব
করার সুযোগ পাইনি কখনো । যাক ,
সুযোগ যখন আসলো কাজে লাগাই ।
আমাদের ডেস্কের উপর
লিখে রাখলাম , 'ওহে রমণী ,
আপনার
মূল্যবান প্রেকটিক্যাল খাতা ,
যা সম্পূর্ণ রূপে শেষ এবং স্যারের
সাইন করা , তা আমার কাছে ।
একচুয়ালি আমি মহামানব
বা বাংলা সিনেমার
হিরো হতে চাই না ,
তাই দৌড়ে আপনার খাতাও ফেরৎ
দিলাম না । কিছু মনে করবেন না । '
বাসায়
যেতে যেতে চিন্তা করছি খাতাটা আমার
বলে পরীক্ষায় চালিয়ে দিব ।
ডিপার্টমেন্ট এর হেড
কে মনে মনে বলছিলাম , 'মিসেস
আফরোজা ম্যাডাম , আপনি কত
বিটলা , তার চেয়ে দশ গুণ আমি ।
বহুত
চিল্লাইছেন , আমি প্রেক্টিক্যাল
করিনা , এখন
আমি আপনাকে দেখিয়ে দিব '
পরের
সপ্তাহের এই দিন এর
জন্যে অপেক্ষা করছিলাম । হ্যা ,
টেবিলে রিপ্লে দেয়া । 'প্লিজ
খাতাটা দিন , আমার খুব প্রবলেম
হবে । আর
লিখাটা আমি লিখিনাই ,
লিখেছে আমার এক বান্ধবী ।
আমি চোখে দেখিনা । প্লিজ ,
আমার
খাতাটা দিন । আমার সন্দেহ
হচ্ছিল
খুব । এ কি ওই মেয়ে নয় তো ? নাহ ,
থাক ঝামেলা করবো না ।
খাতা ফেরৎ
দিয়ে দিই ।
আমি টেবিলে লিখে দিলাম ,
'ওকে ,
ক্যান্টিনে ওয়েট করবেন
আগামী বুধবারে । দুপুর ২. ০০ ।
মেয়েটা অপেক্ষা করছে ,
আমি ভুলেই
গেছি । দৌড় দিলাম ক্যান্টিনে ।
পুরো ক্যান্টিন খালি । কোণায়
একটা মেয়ে বসে আছে । আমার
হাতে খাতা দেখে দৌড়ে আসলো ।
-আপনিই জয়িতার
খাতা নিয়েছেন ?
-জ্বি ।
-দিন ।
-আপনিই জয়িতা ?
-নাহ , আমি ওর ফ্রেন্ড । ও
আসে নিই ।
-সরি তাহলে দিব না । দেশের
মানুষের
গ্যারান্টি নেই ।
-মানে কি ?
-হ্যা , তাই ই । আপনার ফ্রেন্ড
কে ডাকুন ।
-বললাম তো আসবে না ।
-আমিও বলেছি দিব না
-আচ্ছা দাড়ান ,
দেখি আসে কিনা....
মেয়েটা আসলো । আমার চোখ ঝল
মল করে উঠলো । এ তো সে ,
যাকে আমি ব্যাংক এ দেখেছি ।
মেয়েটা চোখ
নাচাচ্ছে । আমি জানি সে অন্ধ ।
আল্লাহ শুধু তার এইটাই দেয় নি ।
আর সব দিয়েছে ।
লম্বা , সোনালী ত্বক , চিকন
আঙ্গুল , ঘন কালো চুল ,
লম্বা নাক,ঠোট,গোলগাল
পা সব দিয়েছে তাকে ।
আমি অভিভুত
হয়ে দাঁড়িয়ে আছি ।
মেয়েটা বলল ,
-প্লিজ খাতাটা দিন ।
কাপা কাপা হাতে আমি তার
দিকে খাতা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম
'নিন'। হাতে পেয়েই
খুশি হলো মেয়েটা ।
-আপনি আমার অনেক উপকার
করেছেন ।
-নাহ । সমস্যা নাই ।
-দাওয়াত রইলো । আমাদের বাসায়
আসবেন । আমার
মনটা আহল্লাদি হয়ে উঠলো ।
আচ্ছা আসবো ।
-আপনি কোন সেকশান ?
-A 5 আপনি ?
-এ ১০ ।
-আচ্ছা , আসবেন কিন্তু ।
-কিভাবে আসবো ? ঠিকানাই
তো নাই
।
মেয়েটা আমাকে ঠিকানা দিল ।
তবে যাইনি কখনো আমি ।
কলেজে যেয়ে প্রায়ই এ ৫
সেকশানে ঢু মারতাম । আমরা যখন
ঢুকি , মেয়েরা বের হয় তখন ।
জয়িতা সবার শেষে বের হতো ।
দরজার
সামনে দাড়িয়ে থাকতো তার
মা , তাই কখনোই কথা বলিনি ।
ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা ।
মেয়েটা সিড়ি দিয়ে নামছিল ।
মেয়েটা কে আমি দেখছিলাম
আমাদের
গেইট থেকেই । একা আসছে আমার
দিকে । কিন্তু
সে জানেনা আমি এখানে ।
সাদা ছড়ি দিয়ে সে এগুচ্ছে ।
-জয়িতা ।
-কে ?
-আমি ।
-আমি কে ?
-ওই যে প্রেক্টিক্যাল খাতা.....
-ও আচ্ছা , আমি তো আপনার নামই
জানিনা ।
-আবির ।
-কি খবর ?
-ভালো ।
-তুমি তো আমার বাসায়ই
গেলা না ।
-তোমার নাম্বার নাই ।
কিভাবে যাই ?
মেয়েটা তার নাম্বার দিল
আমাকে ।
কেন জানি খুব খুশি লাগছিল ।
রাতে কথা বলার পরম
ইচ্ছা নিয়ে ফোন দিই আমি।
কথা হয়
ও । স্বাভাবিক কাহিনী ।
মেয়েটাকে আমি তো ভালোবেসে ফেলেছি আগেই
। এখন বলার বাকি । সুযোগ
বুঝে কোপ মারি আমি ।
মেয়েটার জন্মদিন । আজই প্রপোজ
।
মেয়েটা রাজী হয়নি । কারণ
সে অন্ধ
।
আমি তাকে বললাম , তার
আলো হয়ে আমি থাকবো সারা জীবন
। তার পাশে চলবো । হ্যা ,
মেয়েরা আবেগ প্রবণ । কিছু
আবেগী কথা শুনে রাজী হয়ে যায়
।
এই মেয়েও ব্যাতিক্রম না । কিন্তু
আমি কি করছি ?
ভালোবাসা মানে তো ছেলেখেলা না ।
অন্ধ মেয়ে নিয়ে সারা জীবন
কাটাতে হবে ? মেয়েটার
সৌন্দর্যে আটকা পড়েছে আমার
বাস্তবতা ।
আবেগী হয়ে পড়ি আমি ।
ভালোবাসতে শুরু করি তাকে ।
তার
পরিবারকে আমি সব বলি ।
জানতে পারি মেয়েটার বাবা ও
অক্ষম
। মা সংসার চালায় ।
মেয়েকে নিয়ে কলেজে যায়
উনিই ।
-আন্টি ,
জয়িতাকে আমার.হাতে ছেড়ে দিন
।
আমিই
ওকে কলেজে আনা নেওয়া করবো ।
মেয়ের মা কিছু না ভেবেই
রাজী হয়ে গেলেন ।
হয়তো বা আমাকে বিশ্বাস করেই
রাজী হয়েছেন ।
মহিলা আমার
কথা শুনে কেদে দেয়ার
উপক্রম ।। হ্যা , কেন
জানি রাজী হয়ে গেল ।
আমি ওকে কলেজে নিয়ে আসি ।
প্রতিদিন সকাল সাতটায়
কলেজে আনতাম আর
সাড়ে এগারোটায় আমি কলেজ
থেকে তাকে তার বাসায়
পৌছে দিতাম । তার আর আমার
ভেতর ভালোবাসা ছিল । কিন্তু
কখনোই আমাদের ভেতর গভীর কিছু
হয়নি । আমি তার হাতটাও ধরিনি ।
যদি সে ভাবে তার অন্ধত্বের
সুযোগ
নিচ্ছি আমি !!
দেখতে দেখতে কিছু
দিন চলে যায় ।
আমার পড়ালেখা যথেষ্ঠ
অবনতি ঘটে । তাও আমি কেয়ার
করিনি । আমার কাছে আমার
জয়িতা সব । ইন্টার পরীক্ষার কিছু
দিন আগের ঘটনা । আমার এক বন্ধু
টিটকারি করে আমাকে 'অন্ধের
জামাই' বলে । আমি কষ্ট পাই খুব ।
মেয়েটাকে আমি ভালো করে তোমার
প্রত্যয় নিই । ইন্টার
পরীক্ষা চলে আসছে । মেয়ের
মা যদি টানা দুই মাস
ওকে আনা নেওয়া করে ,
তাহলে উনার চাকরী শেষ ।
আর
উনারচাকরী গেলে জয়িতারা কিভাবে চলবে ?
খুব চিন্তায় আছি আমি । কি করা ।
আমার মাথায় বুদ্ধি আসলো ।
পড়াশোনা যেহেতু
করিনি , সেহেতু পরীক্ষা দিব না ।
ওকে আমিই আনা নেওয়া করবো ।
মেয়েটাকে এসব বলতেই
কেদে দিল
সে । অনেক কষ্টে রাজী করালাম
তাকে । পরীক্ষা দিচ্ছে সে ।
আমি তার অভিভাবকের দ্বায়িত্ব
পালন করছি ।
আমার দুটো চোখ , ওর একটা ও না !!
এটা ঠিক না ।
মেয়েটাকে আমি একটা চোখ
দিয়ে দিব
। আমার চোখ
দিয়ে সে আমাকে দেখবে ।
মেয়েটার
ভেতর অস্বাভাবিক গূণ ছিল ।
পরীক্ষা দিবে আরেকটা মেয়ের
সহায়তায় । সে বলবে আর
আরেকটা মেয়ে লিখবে । ইন্টার
পরীক্ষার কিছুদিন পর
ওকে আমি একটা চোখ দিয়ে দিই ।
আমি আর ওর না ছাড়া কেউ
জানেনা । আমার জয়িতার আজ
অপারেশান । আমারো । আমার খুব
খুশি লাগছে ।
সে আমাকে দেখবে ।
মুখ লুকাবে আমার বুকের ভেতর ।
দুই দিন পর তার চোখ
ভালো হয়ে গেছে । আর সেটাই
বোধ
হয়.......
আমাকে হসপিটালের
বেডে দেখে
-আপনি কে ?
-জয়িতা আমি আবির মেয়েটার মুখ
ফ্যাকাশে হয়ে গেল । ওর
মা পাশে ছিল ।
উনি উঠে চলে গেলেন
।
-তুমি আবির ?
-হ্যা ।
-পরীক্ষা দাও নি কেন ?
-তোমার জন্যে ।
-তোমার বাসায় কেউ কিছু
বলেনি ?
-আমি কাউকে এখনো বলি নি ।
কিছুদিন পর , মেয়েটা কেমন
জানি হয়ে গেছে । আমার
সাথে ঠিক
ভাবে কথা বলেনা । ইন্টার
পরীক্ষার
রেজাল্ট পাবলিশড ।
মেয়েটা ভালো পয়েন্টই
পেয়েছে ।
আর সেটা আরেকটা কাল ।
জয়ির সাথে আমার শেষ কথা
-আবির ,
-হুম
-কিছু কথা বলার ছিল ।
-হুম
-আমি ইন্টার পাশ করেছি আর
তুমি আমার জুনিয়র ।
-হুম ।
-জুনিয়র সিনিয়রে কি রিলেশান
হয় ?
-মানে কি জয়ি !!
-তোমাকে আমার ভালো ও
লাগে না ।
আমি চেয়েছিলাম আমার লাইফ
পার্টনার যেন অনেক লম্বা হয় । বাট
তুমি মাত্র ৫.৬ !! আমি চুপ
করে আছি ।
-দেখ
আবির , কথা গুলো তোমাকে হার্ট
করলেও কিছু করার নাই । আমার
সাথে আসলে যায়না তোমার ।
আমি কিচ্ছু বলিনি । শুধু
মনে মনে বলছি , যেই চোখ
দিয়ে আমাকে দেখছ সেটাও
আমার । শুধু কিছু কথা বলে দিলাম ।
'ঠিকাছে জয়িতা । ব্যাপার না ।
ভালো থাকো ।
-তুমি আমার জন্য অনেক করেছ ।
আমার ফ্রেন্ড হিসেবে থাকো ।
আমি তাও কিচ্ছু বলিনি । শুধু
চেয়ে আছি তার দিকে । যার
পাশে বসে কাটিয়েছে দুই বছর আজ
তাকে ফ্রেন্ড হতে বলে ।
আমি ওকে বিদায়
দিয়ে একটা রিক্সায় তুলে দিলাম
।
শুধু একটা কথা জিগেস
করতে ইচ্ছে হলো , জয়ি, আর ইউ
সিরিয়াস ?
তাও জিগেস করিনি । আমার চোখ
যে কান্না করে দিবে ।
হয়তো চোখের
পানি দেখে আবেগী হয়ে উঠত
সে ।
ফিরে আসতে চাইতো । কিন্তু
সেটা ভালোবাসা না ,
সিম্প্যাথি হতো ।
আমি তো সিম্প্যাথি চাই না ।
আমি চাই এক টুকরো ভালোবাসা ।
ও
হয়তো কখনোই জানবে না যে চোখ
দিয়ে আমাকে দেখেছিল
সেটা আমারই
। আমি চাই ও না সে জানুক । তার
মাকে সবই
বুঝিয়ে বলে দিতে হবে ।
নইলে সে জেনেও যেতে পারে ।
একি !! আমি কাদছি কেন ? তাও
পানি বেরুচ্ছে একটা চোখ
থেকে ।
আরেকটা তো কৃত্রিম......!!
collected by
নিশাচর
-------Abdur Rahman Nur
হয়ত সবাই এখন ঘুমন্ত
আর আমি একলা নিশাচর,
পেয়েছি সবাইকে আপন করে
তবু নিজেই নিজের পর ।
কোলাহলময় এই শহর
এখন খুবই শান্ত,
নীল আকাশের পাখিরাও
হয়ত এখন ক্লান্ত ।
দিনের রবি হারিয়ে গেছে
এসেছে রাতের চাঁদ,
সেই চাঁদের কোমল আলো
সাজিয়েছে মায়ার ফাঁদ ।
হয়ত কেউ করছে ফোনালাপ
আর হালকা খুনসুটি,
হয়ত কেউ পড়ছে এখনও
শক্ত করতে খুঁটি ।
অনেকে এখন পাহারা দিচ্ছে
তারা জাগবে সারারাত,
সবাইকে রক্ষা করে তারা
জোটাতে দুবেলার ভাত ।
কিন্তু হেঁটে চলেছে অলসভাবে
ভুলেছে নিজের ঘর,
দেখবে রাতের শহরটাকে
এই অশান্ত নিশাচর ।
Nilpore Antora
Akta maya clas 5 a pora.tar bashar pasha
akta chala takto.chala ta janala dia maya
take dake valo lage jai.chala ta maya take
bar bar propose korto but maya ta sob buj to
kinto tar kotar ans dito na.avabe 3month
jawar por maya ta o take onek valo basha
fala but akdin chala ta akta valo school a
chance paya oi jaiga take chola galo maya ta
k kiso na bola.maya ta take onek kuja tar
shai janalay but take r pai na.maya ta akono
shai chala tar jonno wait korcha..tas bishas
chala ta akdin sha jaigay firbe.kintu koto dor
shai din.jar jonno odir agroha bosha asa.
collected from true life by
apnar moto amar 1 jon priyo manush silo. .se
dekhte obikol apnar moto and tar name o
somaiya akter setu. . .ami tak onek valobastam
and akhono basi. .but ami nijei tak kosto diye
dure thele diyesi. . . R kono din o fire pabo na
jani. .tobo tak uddesso kore 1ta kotha bolte
chai. . Ami amar mrittor ag porjonto mone
rakhbo and valobese jabo. . Tomi jekhanei
thako ,all time valo theko. .parle amak maf kore
dio. . .
collected from true life of mahbob. .... by
আমি আমার id টাকে অনেক
ভালোবাসি। তাই চাই না কোন friend
এর কারনে এটা হারাতে। কারন id
block হলে photo tag করার ফলে varify
করা যায় না। তাই দয়া করে কোন
photo তে আমাকে tag করবেন না।
নইলে block করতে কোন কসট
মনে করবো না।
i love my id & dont want to lose it. but for photo
tag it is impossible to verify it when it blocks....
so plz plz dont tag me in any photo ....... or i
will block u without any configuration...
# Hipsies
Valo apni takei bash ben jay sudo apnake kosto
dei...
Tar theke apni dure thakben je apnake valobashe...
(karon valobashar manus ti sob sumai kostu dile,se
kostu mene neyowa jai,kintu je apnake valobashe
sob sumai tar dayowa ekta kostui mene neyowa jai
na).
collected by
যে তোমাকে পাগলের
মতো ভালবাসে ।
তাকে কখনো ছাগলের
মতো অবহেলা করো না ।
হয়তো তুমি একদিন তাকে গরুর
মতো খোজবে । কিন্তু সেদিন
সে তোমাকে বানরের
মতো নাচাবে।।।।
Collected by
যে তোমাকে পাগলের
মতো ভালবাসে ।
তাকে কখনো ছাগলের
মতো অবহেলা করো না ।
হয়তো তুমি একদিন তাকে গরুর
মতো খোজবে । কিন্তু সেদিন
সে তোমাকে বানরের
মতো নাচাবে।।।।
collected by
কেটে যাওয়া সময় আর আসবেনা ফিরে।
জীবনের প্রদীপ
নিভে যাবে ধীরে ধীরে।
সব-ই হারিয়ে যাবে,
নিজের তরে . এটাই কী জীবন?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Dhaka