হরিণা রাবেয়া খাতুন মহিলা মাদ্রাসা।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হরিণা রাবেয়া খাতুন মহিলা মাদ্রাসা।, Education, Boroiya Krishnapur Bazar, Dhaka.
13/08/2021
কিছু ছবির ক্যাপশন হয় না
এই দেয়াল ও ছোট্ট ফাঁকের জানালার ওপাশে শুয়ে আছেন তিনি, আজীবন যিনি আমাদের মঙ্গল নিয়ে ভেবেছেন। আমৃত্যু কেঁদেছেন আমাদের জন্য।
আজ জুমাবার বেশি বেশি তাঁর ওপর দরূদ পাঠ করি। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
লকডাউনকালীন অবসর যেভাবে কাজে লাগাবো
১—চার সম্মানিত মাসের একটি এবং হজের তিন মাসের একটি এই জিলকদের বাকি দিনগুলোর কদর করা।
২—জিলহজের প্রথম দশদিন তথা সারা বছরের শ্রেষ্ঠ ইবাদতের দিনগুলোর জন্য উত্তম প্রস্তুতি নেওয়া।
৩—আশপাশের গরিব মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া। বিশেষ বেতন বন্ধ থাকা শিক্ষকদের গোপনে সাহায্য করা।
৪—কিছু ধর্মীয় বই-পুস্তক পড়ে জরুরি ইলম হাসিল করা।
৫— আমলি সূরা মুখস্থ করা। যেমন সূরা মুলক, সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত ও সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত ইত্যাদি।
৬—জরুরি ও ফজিলতের দোয়াসমূহ ও সকাল-সন্ধ্যার সুন্নাহসম্মত জিকির মুখস্থ করা।
৭—আবশ্যক এবং সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আল্লাহর নৈকট্য হাসিল করা। যে ইবাদতগুলোর সুযোগ সারা বছর হয় না এই সুযোগে সেগুলো আমলনামায় মুক্ত করা। যেমন সাপ্তাহিক দুই রোজা, ইশরাক-তাহাজ্জুদ ইত্যাদির আমল করা।
৮—লকডাউন থেকে শিক্ষা নিয়ে ইবাদত করতে দেরি না করা। অনেকে করোনায় হজ না করে পরপারে চলে গেছেন। অনেকে অপেক্ষায় আছেন, কিন্তু জানেন না আদৌ সুযোগ পাবেন কিনা। তাই অন্য আমলগুলোও সুযোগ থাকতে লুফে নেওয়া।
৯— এই অবসরে ফোনে দীর্ঘদিন যোগাযোগ করা হয় না এমন স্বজনদের খোঁজখবর নেওয়া।
১০— কিয়ামতের দিন আরশের নিচে ছায়া পাওয়ার নিয়তে :
ক. মসজিদে আগেভাগে আসা এবং দেরিতে যাওয়ার চেষ্টা করা।
খ. দীর্ঘ সূরা দিয়ে সুন্নত-নফল নামাজ পড়ায় অভ্যস্ত হওয়া।
গ. মসজিদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যে দিকগুলোতে মুয়াজ্জিন-খাদেমদের চোখ পড়ে না সেসব করা। যেমন ফ্যান, ছাদের মাকড়সার জাল, কুরআনের গিলাফ, রেহাল, সেল্ফ ও অজু-ইস্তেঞ্জাখানা বিশেষভাবে পরিষ্কার করা।
১১— দীর্ঘক্ষণ ঘরে থাকায় পরিবারে ঝগড়া-বিবাদ বেড়েছে। তাই :
ক. পরিবারকে সময় দেওয়া।
খ. ঝগড়া এড়ানোর চেষ্টা করা।
গ. স্ত্রী-সন্তানদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করা
ঘ. সবর ও ভালোবাসার চর্চা বৃদ্ধি করা।
ঙ. ঘরে তালিম ও দীনী মোজাকারা চালু করা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন।
(গত জুমায় মসজিদে করা আলোচনা থেকে)
আসুন, চেষ্টা করি
🍂 প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও জমান। বছর শেষে একটা দারুণ তহবিল হবে। আপনার ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের ভিত মজবুত হবে।
🍂 প্রতি মাসে মা-বাবার জন্য কিছু টাকা আলাদা করে রাখুন। বছর শেষে যা জমবে তা দিয়ে প্রিয় মা-বাবাকে তাদের পছন্দমতো উপহার দিন।
🍂 আপনার পতিত জমিতে গাছ লাগিয়ে দিন। সে গাছ যোগাবে অক্সিজেন। আর ১৫-২০ বছর পরে আপনি হবেন আপনার পরিবারের অক্সিজেন।
🍂 প্রতিমাসে অন্তত ৫ টি করে বই কিনুন। বছর শেষে ৬০ টি বই আপনার দখলে। আর দশ বছর পরে বইয়ের সংগ্রহ বেড়ে দাঁড়াবে ৬০০ তে। আপনি একটি লাইব্রেরির মালিক হবেন।
🍂 প্রতিদিন ৫ পৃষ্ঠা হলেও পড়ুন। একজন উত্তম পাঠক হবেন। তৈরি হবে একটি আলোকিত প্রজন্ম।
🍂 মাতৃভাষার বাইরে অন্তত একটি ভাষায় দক্ষ হয়ে উঠুন। ভাত-কাপড়ের অভাব হবে না।
🍂 প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা অনুশীলন করুন। ভয় কেটে যাবে। মনে রাখবেন, অজ্ঞতা ও ভয়ের চেয়ে বড় কোনো শত্রু নেই।
🍂 প্রতিদিন ১৫ মিনিট হলেও হাঁটুন। আপনার একঘেয়েমি ভাব কেটে যাবে। আপনি সুরক্ষিত থাকবেন।
🍂 প্রতি মাসে অন্তত একবার ভ্রমণ করুণ। আপনার অন্তরাত্মা জেগে উঠবে। ভিতর থেকে শুদ্ধ হতে ভ্রমণ এক অপ্রতিরোধ্য টনিক।
Collected
সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয় যে গুণ
আল্লামা তাকি উসমানি
কুরআনে বর্ণিত খুশু (বিনয়) গুণটি শুধু নামাজের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত নয়। খুশু মানব জীবনের জন্য আবশ্যকীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কুরআন শরীফে বর্ণিত হয়েছে,
এখানে বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী গুণটির সাথে বিশেষ কোন কয়েদ লাগানো হয়নি। অন্য জায়গায় নামাজের ক্ষেত্রে বর্ণিত হয়েছে, قد افلح المؤمنون الذين هم في صلاتهم خاشعون
এখানে নামাজের খুশু-খুযুর কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে الخاشعين والخاشعات -এগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও গুণ। এই সিফাত (গুণ)গুলো নামাজের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত নয়। এর উদ্দেশ্য হলো, মানুষ যেখানেই থাকুক না কেন; চাই সে নামাজে থাকুক অথবা এবাদতে; বাজারে কিংবা ঘরে স্ত্রী-সন্তানের সাথে অবস্থান করুক-জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার সামনে নিজেকে সমর্পণ করে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
#খুশু আসলে কাকে বলে?
খুশু শুরু হয় বিনয় থেকে। বিনয় বলা হয়- মানুষ অন্তরে ভাববে আমার কোনো সফলতা নেই, যা কিছু আছে সব আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত, তিনি যখন চাইবেন তা ছিনিয়ে নিতে পারেন, আবার যখন চাইবেন দিতে পাবেন। আমার সম্পদ আমার বিশেষ কোন শক্তি বলে নয় বরং এটা আল্লাহ তালার বিশেষ দান।
কারো হয়তোবা ব্যবসা আছে, অনেক ভালো ব্যবসা চলছে, ক্রয়-বিক্রয় চলছে মানুষ পণ্য ক্রয় করছে। এর মাধ্যমে অঢেল সম্পদ কামাই হচ্ছে। এসবের ফলে কখনো কখনো মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যায়, সে ভাবে এসব আমার অর্জন। আমি নিজের যোগ্যতা ও মেধা খাটিয়ে এই সম্পদ অর্জন করেছি। মানুষের এই ভাবনা তাকে অহংকার-এর দিকে নিয়ে যায়, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হেফাজত করুন।
আবার এই সম্পদ যখন কোন বিনয়ী মানুষের কাছে আসে তখন বিনয়ে তার মাথা অবনত হয়ে যায়। সে মনে মনে ভাবে এটা আল্লাহ তায়ালার দান; শুকরিয়া তারই। আমি এর যোগ্য ছিলাম না, আল্লাহ তায়ালা নিজের অনুগ্রহে আমাকে এটা দিয়েছেন।
কোরআন শরীফে দুজনের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, একজন হলো কারুন, কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, কারুনকে এত পরিমান সম্পদ দেওয়া হয়েছিল যে তার চাবি বহন করার জন্য আলাদা বহরের প্রয়োজন হতো। তার ধন সম্পদ দেখে মানুষ বলতো; হায়! আমাদের যদি কারুনের মতো ধন সম্পদ থাকতো। সে অনেক ভাগ্যবান।
কারুন বলত ; এই সমস্ত সম্পদ আমার যোগ্যতা ও মেধার মাধ্যমে আমি অর্জন করেছি। এ ছিল কুরআনে বর্ণিত অহংকারী সম্পদশালী কারুনের ঘটনা। অপরদিকে কোরআনে সম্পদশালী হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
অঢেল সম্পদ পেয়ে সুলাইমান আলাইহিস সালাম বলেছেন; পৃথিবীর এমন কোন নেয়ামত নেই যা আমাকে দান করা হয়নি, কিন্তু এই সম্পদের উপর আমার কোন গর্ব নেই, কোন অহংকার নেই। এই সম্পদের কারণে অন্যকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার কিছুই নেই, বরং যা কিছু রয়েছে এগুলো আমার রব আমাকে অনুগ্রহ করে দান করেছেন।
তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ! যেহেতু এগুলো আপনি দান করেছেন তাই আমাকে আপনার শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন। এটা ছিল হযরত সুলাইমান আলাই সালাম এর ঘটনা।
কারুন-এর কাছে সম্পদ ছিল, সুলাইমান আলাইহিস সালামের কাছেও সম্পদ ছিল; কিন্তু কারুন তার সম্পদ দিয়ে অহংকার ও হিংসাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছিল, অপরদিকে সুলাইমান আলাই সাল্লাম তার সম্পদের মাধ্যমে বিনয় প্রকাশ করেছিলেন।
যখন মানুষ ভাবে যে, আমার যা কিছু আছে তা আল্লাহ তায়ালার দান; তখন বিনয়ে তার মাথা অবনত হয়ে আসে, তার কাজে কর্মে অহংকার প্রকাশ পায় না। তার কথাবার্তা চলনে-বলনে প্রত্যেকটি কাজে বিনয় প্রকাশ পায়। আমি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ প্রাপ্ত এই ভাব প্রকাশ পায়।
(সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয় যে গুণ)
আল্লামা তাকি উসমানি
কুরআনে বর্ণিত খুশু (বিনয়) গুণটি শুধু নামাজের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত নয়। খুশু মানব জীবনের জন্য আবশ্যকীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কুরআন শরীফে বর্ণিত হয়েছে,
এখানে বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী গুণটির সাথে বিশেষ কোন কয়েদ লাগানো হয়নি। অন্য জায়গায় নামাজের ক্ষেত্রে বর্ণিত হয়েছে, قد افلح المؤمنون الذين هم في صلاتهم خاشعون
এখানে নামাজের খুশু-খুযুর কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে الخاشعين والخاشعات -এগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও গুণ। এই সিফাত (গুণ)গুলো নামাজের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত নয়। এর উদ্দেশ্য হলো, মানুষ যেখানেই থাকুক না কেন; চাই সে নামাজে থাকুক অথবা এবাদতে; বাজারে কিংবা ঘরে স্ত্রী-সন্তানের সাথে অবস্থান করুক-জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলার সামনে নিজেকে সমর্পণ করে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
#খুশু আসলে কাকে বলে?
খুশু শুরু হয় বিনয় থেকে। বিনয় বলা হয়- মানুষ অন্তরে ভাববে আমার কোনো সফলতা নেই, যা কিছু আছে সব আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত, তিনি যখন চাইবেন তা ছিনিয়ে নিতে পারেন, আবার যখন চাইবেন দিতে পাবেন। আমার সম্পদ আমার বিশেষ কোন শক্তি বলে নয় বরং এটা আল্লাহ তালার বিশেষ দান।
কারো হয়তোবা ব্যবসা আছে, অনেক ভালো ব্যবসা চলছে, ক্রয়-বিক্রয় চলছে মানুষ পণ্য ক্রয় করছে। এর মাধ্যমে অঢেল সম্পদ কামাই হচ্ছে। এসবের ফলে কখনো কখনো মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যায়, সে ভাবে এসব আমার অর্জন। আমি নিজের যোগ্যতা ও মেধা খাটিয়ে এই সম্পদ অর্জন করেছি। মানুষের এই ভাবনা তাকে অহংকার-এর দিকে নিয়ে যায়, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হেফাজত করুন।
আবার এই সম্পদ যখন কোন বিনয়ী মানুষের কাছে আসে তখন বিনয়ে তার মাথা অবনত হয়ে যায়। সে মনে মনে ভাবে এটা আল্লাহ তায়ালার দান; শুকরিয়া তারই। আমি এর যোগ্য ছিলাম না, আল্লাহ তায়ালা নিজের অনুগ্রহে আমাকে এটা দিয়েছেন।
কোরআন শরীফে দুজনের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, একজন হলো কারুন, কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, কারুনকে এত পরিমান সম্পদ দেওয়া হয়েছিল যে তার চাবি বহন করার জন্য আলাদা বহরের প্রয়োজন হতো। তার ধন সম্পদ দেখে মানুষ বলতো; হায়! আমাদের যদি কারুনের মতো ধন সম্পদ থাকতো। সে অনেক ভাগ্যবান।
কারুন বলত ; এই সমস্ত সম্পদ আমার যোগ্যতা ও মেধার মাধ্যমে আমি অর্জন করেছি। এ ছিল কুরআনে বর্ণিত অহংকারী সম্পদশালী কারুনের ঘটনা। অপরদিকে কোরআনে সম্পদশালী হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
অঢেল সম্পদ পেয়ে সুলাইমান আলাইহিস সালাম বলেছেন; পৃথিবীর এমন কোন নেয়ামত নেই যা আমাকে দান করা হয়নি, কিন্তু এই সম্পদের উপর আমার কোন গর্ব নেই, কোন অহংকার নেই। এই সম্পদের কারণে অন্যকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার কিছুই নেই, বরং যা কিছু রয়েছে এগুলো আমার রব আমাকে অনুগ্রহ করে দান করেছেন।
তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ! যেহেতু এগুলো আপনি দান করেছেন তাই আমাকে আপনার শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন। এটা ছিল হযরত সুলাইমান আলাই সালাম এর ঘটনা।
কারুন-এর কাছে সম্পদ ছিল, সুলাইমান আলাইহিস সালামের কাছেও সম্পদ ছিল; কিন্তু কারুন তার সম্পদ দিয়ে অহংকার ও হিংসাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছিল, অপরদিকে সুলাইমান আলাই সাল্লাম তার সম্পদের মাধ্যমে বিনয় প্রকাশ করেছিলেন।
যখন মানুষ ভাবে যে, আমার যা কিছু আছে তা আল্লাহ তায়ালার দান; তখন বিনয়ে তার মাথা অবনত হয়ে আসে, তার কাজে কর্মে অহংকার প্রকাশ পায় না। তার কথাবার্তা চলনে-বলনে প্রত্যেকটি কাজে বিনয় প্রকাশ পায়। আমি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ প্রাপ্ত এই ভাব প্রকাশ পায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
3515